Legal Remedy

Legal Remedy Solutions Center of All Legal Remedies 54/2 West Nakhalpara,Tejgaon, Dhaka-1215.

21/08/2025

হাইকোর্ট বিভাগ স্থগিতাদেশ না দিলে শুধুমাত্র ফাইল করেই ল'ইয়ার সার্টিফিকেট দিয়ে নিম্ন আদালতে চলমান দেওয়ানী বা ফৌজদারি কোন মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে না।

28 ALR (HCD)25

11/08/2025

CrPC (ফৌজদারী কার্যবিধি) সংশোধন হয়েছে ১০ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখে এবং সাথে সাথে কার্যকর হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী সমূহ:-
১. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এখন থেকে ৫লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে।
২. দন্ডবিধি ৩২৫ এখন থেকে জামিনঅযোগ্য ও ওয়ারেন্টযোগ্য। (ধারা ৪২০-ও জামিনঅযোগ্য করা দরকার ছিলো)
৩. ৫৪ধারা সংশোধন হয়ে Replace হয়েছে।
৪. আপোষযোগ্য মামলা পক্ষগণ রাজি হলে কোর্ট লিগ্যাল এইড এর অফিসে পাঠাতে পারবে।
৫. আসামী গ্রেফতারের পরপর একটা মেমোরেন্ডাম প্রস্তুত করতে হবে।
৬. মামলায় একজন আসামী হলেও, স্বাক্ষী গ্রহণের সময় তার অনুপস্থিততে ধারা ৫৪০এ তে স্বাক্ষীকে আসামীর আইনজীবী জেরা করতে পারবে। (আগে একাধিক আসামীর মধ্যে একজন অনুপস্থিত থাকলে এবং নূন্যতম একজন আসামী উপস্থিত থাকলে, অনুপস্থিত আসামী পক্ষে জেরা করা যেতো।)
৭. ধারা ৫৪০এ(৩) মোতাবেক এখন থেকে পুলিশ রিপোর্ট শুনানীর জন্য তারিখ না পড়া পর্যন্ত কোর্ট আসামীর আদালতে হাজিরা মূলতবী/dispense করতে পারবে।
৮. স্বাক্ষী, বাদী ও ভিকটিমের সুরক্ষায় আদালত আদেশ দিতে পারবেন।
৯. আসামী ধৃত হওয়ার পরপরই মেডিকেল পরীক্ষা হবে।
১০. ডিজিটাল মাধ্যমে সমন জারীর অতিরিক্ত বিধান।
১১. সামারী ট্রায়াল এক সেশনে বিচার শেষ করা।
১২. ধারা ৪৯৮(২) মোতাবেক যে কোন আদালত আসামীকে জামিন দেওয়ার কালে জামিনের বিশেষ শর্ত আরোপ করতে পারবে। (যেটা আগে বেআইনি ছিলো)
(Collected)

রিটার্ন জমার নিয়মাবলি
07/08/2025

রিটার্ন জমার নিয়মাবলি

07/08/2025

#আলোচ্য বিষয় -
নাবালকের সম্পত্তি :
নাবালকের সম্পত্তি মানে হল সেই সম্পত্তি যা একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মালিকানাধীন। বাংলাদেশে, ১৮ বছরের কম বয়সী যে কেউ নাবালক হিসেবে বিবেচিত হন। নাবালকের সম্পত্তি সাধারণত তার স্বাভাবিক বা আইনগত অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে থাকে এবং এর ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষার দায়িত্ব তাদের উপর বর্তায়।

👉 নাবালকের সম্পত্তি সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

১/ আইনগত অভিভাবক:
পিতা, মাতা, অথবা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের সম্পত্তির আইনগত অভিভাবক হতে পারেন।

২/ সম্পত্তি হস্তান্তর:
নাবালকের পক্ষে তার অভিভাবক কিছু ক্ষেত্রে নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে কিছু নিয়ম ও পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়।

৩/ স্বাভাবিক অভিভাবক:
মুসলিম আইনে পিতা হলেন নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক, তবে হিন্দু আইনেও পিতা ও পিতামহ উভয়ই অভিভাবক হতে পারেন।

৪/ সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতি:
নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য সাধারণত আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে যদি স্বাভাবিক অভিভাবক না থাকেন।

৫/ নাবালকের স্বার্থ:
নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৬/ রেজিস্ট্রেশন আইন:
রেজিস্ট্রেশন আইন (১৯০৮) এর ৩৫ ধারা অনুসারে, কোনো নাবালক কোনো দলিল সম্পাদন করতে পারে না।

নাবালকের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে, তার মৌলিক চাহিদা (যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা) পূরণ করা এবং তার মঙ্গলের দিকে লক্ষ্য রাখা অপরিহার্য।

👍 আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত অভিভাবক -
উপরোক্ত আইনগত অভিভাবকদের অনুপস্থিতিতে সন্তানের সম্পত্তির অভিভাবকদের জন্য আদালত কর্তৃক কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে নাবালকের সম্পত্তির তত্তাবধানের জন্য নিযুক্ত অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের স্থাবর সম্পত্তি কোনো অংশ বন্ধক দিতে বা বিক্রয়, দান, বিনিময় বা অন্য কোনো প্রকারে হস্তান্তর করতে পারেন না।

👉 কার্যত অভিভাবক:-
কোনো ব্যক্তি আইনগত অভিভাবক কিংবা আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত অভিভাবক না হলেও স্বেচ্ছায় নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির দায়িত্ব নিতে পারেন। এ ধরনের অভিভাবকত্বকে কার্যত অভিভাবক বলা হয়। একজন কার্যত অভিভাবক নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক মাত্র। তিনি নাবালকের স্থাবর সম্পত্তির কোনো স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার হস্তান্তর করতে পারেন না এবং তিনি তা করলে সে হস্তান্তর বাতিল হবে। মা, চাচা, ভাই, শ্বশুর প্রমুখ হলেন কার্যত অভিভাবক। সন্তানের ক্ষেত্রে বাবার বংশের লোকদের ওপর প্রথমে দায়িত্ব ন্যস্ত হবে। তারা ব্যর্থ হলে মায়ের বংশের আত্মীয়রা নাবালকের বিবাহ চুক্তি সম্পাদনের দায়িত্ব পাবেন। গার্ডিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট, ১৮৯০-এর ধারা ১৭ (ক)-এর অধীনে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্তির জন্য শুধু নিকটাত্মীয় বা প্রিয়জনই নয়, নাবালকের যে কোনো আত্মীয় বা বন্ধুও পারিবারিক আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন। আদালত এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে অভিভাবকত্ব নির্ধারণ করতে পারে ক. নাবালকের কল্যাণ, খ. নাবালকের বয়স, লিঙ্গ ও ধর্ম, গ. আবেদনকারী অভিভাবকের চরিত্র ও আর্থিক সক্ষমতা, নাবালকের সঙ্গে তার গোত্র-সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা, ঘ. বাবা-মা কারো মৃত্যু হয়ে থাকলে মৃতের অন্তিম ইচ্ছা (কার কাছে সন্তান মানুষ হবে সে বিষয়ে), ঙ. নাবালক বা তার সম্পত্তির সঙ্গে আবেদনকারী অভিভাবকের অতীত বা বর্তমান কোনো সম্পর্ক থেকে থাকলে, চ. নাবালকের নিজস্ব ইচ্ছা, তার অভিভাবক নির্বাচনের মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা থেকে থাকলে।

আদালত যাকে অভিভাবক নিয়োগ করবেন তিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারবেন না। এবং ১০ নং ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত ফরমে তা করতে হবে। আদালত কর্তৃক নাবালকের অভিভাবক নিয়োগ না করা হলে সেক্ষেত্রে নাবালকের বয়স ১৮ বছর পূর্ন হলেই সে সাবালক গণ্য হবে।

👉 নাবালক সম্পত্তি বিক্রয় প্রসঙ্গ :-
নাবালকের সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি ইত্যাদি) বিক্রি করার জন্য কিছু নিয়মকানুন রয়েছে যা নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করে। সাধারণত, নাবালকের অভিভাবক (যেমন পিতা, অথবা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি) নাবালকের সম্পত্তির দেখাশোনা করেন এবং তার মঙ্গলার্থে কাজ করেন। নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

নাবালকের সম্পত্তি বিক্রির নিয়মাবলী:

১/ অভিভাবক নিয়োগ:
নাবালকের সম্পত্তি দেখাশোনার জন্য একজন অভিভাবক নিয়োগ করা হয়। এটি সাধারণত নাবালকের পিতা হন, অথবা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কেউ।

২/ আদালতের অনুমতি:
নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক রাখার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

৩/ স্বাভাবিক অভিভাবক:
নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক হলেন তার পিতা। যদি পিতা না থাকেন, তবে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি অভিভাবক হতে পারেন।

৪/ সম্পত্তির মঙ্গলার্থ:
নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে, তা অবশ্যই নাবালকের মঙ্গলের জন্য হতে হবে।

৫/ স্বার্থের পরিপন্থী নয়:
নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কাজের জন্য নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না।

৬/ মামলা করার অধিকার:
নাবালক সাবালক হওয়ার পর (সাধারণত ১৮ বছর বয়স) তিন বছরের মধ্যে, যদি সে মনে করে যে তার সম্পত্তি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিক্রি করা হয়েছে, তাহলে সে আদালতের মাধ্যমে সেই হস্তান্তর বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারে,

৭/ রেজিস্ট্রেশন আইন:
রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী, নাবালক কোনো দলিল সম্পাদন করতে পারে না। তাই নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য দলিল করা হলে, তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।

সুতরাং, নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করার আগে অভিভাবককে অবশ্যই আদালতের অনুমতি নিতে হবে এবং এই বিক্রি অবশ্যই নাবালকের মঙ্গলের জন্য হতে হবে।

#বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সাহায্য করুন।

courtesy: Adv subarna seema

09/07/2025

রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করুন......

১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান।

২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন।

৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন।

৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন।

৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন।

৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন।

মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

Collected

09/07/2025

হেবার ঘোষণাপত্র দলিল বাতিল করা যায়?

এর উত্তর হচ্ছে - হ্যাঁ
দলিল বাতিলের উপায় কী?
হেবা দলিল বাতিলের জন্য বিভিন্ন আইনি ভিত্তিগুলো কী কী?
কিভাবে উক্ত ভিত্তিগুলো দলিলিক ও মৌখিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমান করতে হবে।

হেবা দলিলকে বাতিল করার জন্য আইনগত ভিত্তি কী কী ?

কিভাবে উক্ত ভিত্তি গুলিকে প্রমাণ করতে হবে?
বাস্তব উদাহরণ ও উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের আলোকে সেগুলি ব্যাখ্যা করা হলো:

১. দখল হস্তান্তর হয়নি — হেবা সম্পূর্ণ হয়নি

সারকথা: হেবা দলিল বৈধ হতে হলে হেবা দাতা অবশ্যই সম্পত্তির দখল হস্তান্তর করতে হবে। দখল হস্তান্তর ছাড়া শুধু কাগজে দলিল করলে তা বাতিলযোগ্য।

প্রমাণের উপায়:

জমির খাজনা, খতিয়ান, বিদ্যুৎ বিল বা পানির বিল হেবা দাতার নামে রয়ে গেছে।

হেবা গ্রহীতা কখনও জমির ভোগদখলে ছিলেন না — প্রতিবেশীর সাক্ষ্য।

হেবা গ্রহীতা জমির উপর কোনো উন্নয়ন করেননি।

উদাহরণ:

1. হেবা দলিল ২০২৩ সালের, কিন্তু ২০২৫ সালেও হেবা দাতা নিজেই জমি ভোগ করছেন।

2. দলিলের পরেও হেবা দাতা ট্যাক্স ও ইউটিলিটি বিল দিচ্ছেন।

3. স্থানীয় মানুষ বলছে — জমির উপর হেবা গ্রহীতাকে কেউ কখনও দেখেনি।

২. প্রতারণার মাধ্যমে দলিলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে (Fraud)

সারকথা: হেবা দাতাকে ভুল বুঝিয়ে বা তথ্য গোপন করে সই করানো হলে সেটি প্রতারণা এবং দলিল বাতিলযোগ্য।

প্রমাণের উপায়:

হেবা দাতা অশিক্ষিত বা অসুস্থ ছিলেন।

দলিল পড়ে শোনানো হয়নি।

ভুল তথ্য দিয়ে দলিলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

উদাহরণ:

1. দলিল তৈরি হয় ‘power of attorney রেজিস্ট্রেশনের’ নামে, কিন্তু বাস্তবে হেবা।

2. হেবা দাতা চোখে দেখেন না, অথচ দলিলে সই করানো হয়।

3. হেবা দাতাকে বলা হয়—"এটি শুধু নাম সংশোধনের দলিল"।

৩. বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি বা প্রভাব খাটিয়ে হেবা আদায় (Undue Influence or Coercion)

সারকথা: হেবা যদি মানসিক চাপ, প্রভাব বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে দলিল বাতিলযোগ্য।

প্রমাণের উপায়:

হেবা দাতা তখন শারীরিক বা মানসিকভাবে দুর্বল ছিলেন।

হেবা গ্রহীতা ছিলেন তার ওপর নির্ভরশীল, যেমন: সন্তান, সেবাদানকারী।

দলিলের পর হেবা দাতার জীবনে আর্থিক বিপর্যয়।

উদাহরণ:

1. সন্তান হুমকি দেন—"হেবা না দিলে পরিচর্যা করবো না।"

2. দলিল রেজিস্ট্রির দিন হেবা দাতা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

3. স্ত্রী বা স্বামী চাপে রেখে সই করায়।

৪. দলিলে অস্পষ্টতা, দ্ব্যর্থতা বা অসঙ্গতি (Ambiguity or Contradiction in Deed)

সারকথা: হেবা দলিলে যদি শর্তাবলী দ্ব্যর্থক বা পরস্পরবিরোধী হয়, তবে দলিল বাতিলযোগ্য।

প্রমাণের উপায়:

দলিলে এক জায়গায় লেখা "উপহার", আবার অন্য জায়গায় "মূল্য গ্রহণ"।

জমির পরিমাণ বা অবস্থান অস্পষ্ট।

দখল হস্তান্তরের তারিখ অনুল্লিখিত।

উদাহরণ:

1. দলিলে লেখা ‘জমি উপহার দিলাম’, কিন্তু পরে লেখা ‘৫০,০০০ টাকা মূল্যে দিলাম’।

2. একই জমির মাপ দুই পৃষ্ঠায় ভিন্ন।

3. কবে দখল দিয়েছেন, তা নেই — প্রমাণের অভাব।

৫. রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম (Irregularity in Execution/Registration)

সারকথা: রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সাক্ষী না থাকা, ফাঁকা কাগজে সই, বা ভুল ঠিকানা ব্যবহার করা হলে দলিল খণ্ডনযোগ্য।

প্রমাণের উপায়:

রেজিস্ট্রি কপিতে সাক্ষীর স্বাক্ষর নেই।

দলিল তৈরির সময় হেবা দাতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

ভুল রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্টার করা হয়েছে।

উদাহরণ:

1. দলিলে সাক্ষী ছিল না, অথচ আইনগতভাবে দরকার।

2. হেবা দাতা বলেন—“আমি দলিল সই করিনি, কেউ আমার নামে করেছে।”

3. ঢাকায় জমি হলেও দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে রাজশাহীতে।

প্রাসঙ্গিক মামলা :

1. Ismail vs. Jalil, 31 DLR (AD) 210

দখল হস্তান্তর না হলে হেবা সম্পূর্ণ নয়, এবং সেটি খণ্ডনযোগ্য।

2. Kuddus vs. Selina, 50 DLR 441

স্বাক্ষ্য ও আচরণ থেকে হেবা দলিলের সত্যতা যাচাই করা যাবে।

3. AIR 1967 Patna 68

প্রভাব ও বলপ্রয়োগ প্রমাণিত হওয়ায় হেবা বাতিল হয়।

© collected

29/05/2025

জমি রেজিস্ট্রি খরচ ২০২৪: জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হবে।

যদি কোনো জমির ঘোষিত মূল্য হয় ৫০ লাখ টাকা, তবে আনুমানিক রেজিস্ট্রেশন খরচ হবে:

স্ট্যাম্প ডিউটি: ৭৫,০০০ টাকা (১.৫%)

রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০,০০০ টাকা (১%)

ভ্যাট: নগর এলাকায় ৭,৫০,০০০ টাকা (১৫%)

এআইটি: নির্ভর করবে জমির প্রকৃতির উপর।

জমি রেজিস্ট্রেশনের আগে কিছু পরামর্শ

জমির প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করুন।

সকল নথি যাচাই করে নিন।

সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করুন।

জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মাবলী অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। তাই, জমি কেনার আগে সঠিক তথ্য জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

জমি রেজিস্ট্রি খরচ ২০২৪: জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হবে

জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচ নির্ধারিত হয় জমির মূল্যের উপর ভিত্তি করে এবং এতে বেশ কয়েকটি ফি ও কর অন্তর্ভুক্ত থাকে। ২০২৪ সালের জমি রেজিস্ট্রেশনের আনুমানিক খরচ ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

জমি রেজিস্ট্রেশন খরচের প্রধান উপাদান

১. স্ট্যাম্প ডিউটি:

জমির ঘোষিত মূল্যের ১.৫%।
২. রেজিস্ট্রেশন ফি:

জমির ঘোষিত মূল্যের ১%।
৩. ভ্যাট:

নগর এলাকায় ১৫% এবং গ্রামীণ এলাকায় ৩%।
৪. এডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি):

জমির ঘোষিত মূল্যের উপর নির্ভর করে, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এটি বেশি হতে পারে।

অন্যান্য খরচ

ডকুমেন্টেশন ফি: দলিল তৈরি, দাখিলা, ও অন্যান্য নথিপত্র প্রস্তুতের খরচ।

আইনজীবীর ফি: জমি রেজিস্ট্রেশনের আইনি দিকগুলো নিশ্চিত করতে আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তি ফি: সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাইয়ের খরচ।
(সংগৃহীত)

খুব সুন্দর একটা গ্রাফ ( সংগৃহীত)
17/05/2025

খুব সুন্দর একটা গ্রাফ ( সংগৃহীত)

16/04/2025

#অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের কয়েকটি #নজীর (Evidence):

1. "সুতরাং যেসকল ব্যক্তি ১৮-০৬-১৯৮০ সালের পর অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভূক্তিতে জড়িত ছিলেন তাদের সবাই আদালত অবমাননার দায়ে দন্ডনীয় অপরাধে অপরাধী বলে গণ্য হবেন।" [Writ Petition No.8932/2011, HCD] - এই রীট পরে সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং অনেক কিছু রিভার্সড হয়েছে৷

2. ২৩-০৩-১৯৭৪ ইং এর পর কোন সম্পত্তি অর্পিত হিসাবে তালিকাভুক্তি করা যাবে না। [46 DLR (HC) 1994, Page-36, 56 DLR (AD) 73, 58 DLR (AD) 177, 33 DLR (AD) 30, Writ Petition # 8932/2011 etc]

3. "তত্বাবধায়কের উপর শত্রু সম্পত্তি অর্পণের ফলে প্রকৃত মালিকের স্বত্ব বা অধিকার ক্ষুণ্ণ হয় না এবং কোন ব্যক্তি যদি অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল বলে কোন সম্পত্তির দখলে থাকে তবে তাকে অনধিকার প্রবেশকারী গণ্য করা যাবে না এবং তত্বাবধায়ক তাকে উক্ত সম্পত্তি হতে উচ্ছেদ করতে পারবেনা।" [20 DLR (Dhaka) 976, 1981 BCR 401] [Similar 20 DLR 493, 375]

4. "অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ১৬ নং আইন) ৯৷(৬) এই ধারার অধীনে ‘ক’৩১[ ***] তফসিলে বর্ণিত এবং গেজেটে প্রকাশিত সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নহে এমন কোন সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে না এবং উহাতে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে সরকারের কোন স্বত্ব, স্বার্থ, অধিকার বা দায়-দায়িত্ব থাকিবে না।"

5. “গ্যাজেটমূলে প্রস্তুতকৃত পরিত্যক্ত বা অর্পিত সম্পত্তির তালিকাতে কোন সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত না থাকা সত্ত্বেও উহা সরকার বা উহার কোন কর্মকর্তা অর্পিত বা পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দাবিতে উহার দখলদারকে উহা হইতে উচ্ছেদ বা অন্য কোন প্রকারে হয়রানি করতে পারেন কি-না। ঐরূপ একটি বিরোধীয় বিষয়- সরকার বনাম ইমাম হোসেন এর মামলায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য গেলে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৮ এমএলআর তে ৩৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত রায়ে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত দেন যে-

"গ্যাজেটমূলে প্রস্তুতকৃত তালিকাবহির্ভূত কোন সম্পত্তি সরকার বা সরকারের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী অর্পিত বা পরিত্যক্ত সম্পত্তি দাবিতে উক্ত সম্পত্তির দখলদার ব্যক্তিদের হয়রানি করতে পারবেন না।" [18 MLR (SC) 33]

6. তর্কিত সম্পত্তি কোন সময়ই শত্রু সম্পত্তি এবং পরবর্তীতে অর্পিত সম্পত্তি ছিল না, যেহেতু অর্পিত সম্পত্তি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এটা প্রত

04/03/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰

জমি মাপার বিভিন্ন পদ্ধতি ও একক সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো—

---

১. জমি মাপার প্রচলিত একক ও তাদের রূপান্তর**

বাংলাদেশে প্রচলিত একক:**
| একক | পরিমাণ (বর্গফুট) | রূপান্তর |
|------|----------------|-----------|
| **শতক (Decimal)** | ৪৩৫.৬ বর্গফুট | ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট |
| **কাঠা (Katha)** (ঢাকা) | ৭২০ বর্গফুট | ১ কাঠা = ১.৬৫ শতক |
| **কাঠা (চট্টগ্রাম/সিলেট)** | ৬০০ বর্গফুট | ১ কাঠা = ১.৩৮ শতক |
| **কাঠা (রাজশাহী/রংপুর)** | ৮০৩.২৫ বর্গফুট | ১ কাঠা = ১.৮৪৫ শতক |
| **বিঘা (Bigha)** | ১৪,৪০০ বর্গফুট (ঢাকা) | ১ বিঘা = ২০ কাঠা |
| **বিঘা (চট্টগ্রাম/সিলেট)** | ৯,৬০০ বর্গফুট | ১ বিঘা = ১৬ কাঠা |
| **একর (Acre)** | ৪৩,৫৬০ বর্গফুট | ১ একর = ১০০ শতক |
| **হেক্টর (Hectare)** | ১০,০০০ বর্গমিটার | ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর |

আন্তর্জাতিক একক:**
| একক | পরিমাণ |
|------|--------|
| **Square Meter (m²)** | ১ মিটার × ১ মিটার |
| **Square Yard (Sq. Yard)** | ৯ বর্গফুট |
| **Square Foot (Sq. Ft.)** | ১ ফুট × ১ ফুট |

---

২. জমি মাপার পদ্ধতি**

(ক) সরাসরি মাপার পদ্ধতি**
১. **ফিতা (Measuring Tape) দিয়ে মাপা:**
- জমির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মেপে মোট বর্গফুট বের করুন।
- যদি জমি অনিয়মিত হয়, তবে আলাদা আলাদা অংশের হিসাব নিয়ে যোগ করতে হবে।

২. চেইন সার্ভে পদ্ধতি:**
- ভূমি জরিপে ব্যবহৃত চেইন ও টেপ ব্যবহার করে জমির সীমানা চিহ্নিত করা হয়।

৩.পাসangula পদ্ধতি (গোত্রীয় মাপ):**
- কিছু জায়গায় পুরোনো পদ্ধতিতে হাত বা পায়ের গজ ব্যবহার করা হয়।

(খ) আধুনিক পদ্ধতি**
১. **জিপিএস (GPS) পদ্ধতি:**
- স্মার্টফোন বা জিপিএস ডিভাইস দিয়ে জমির সীমানা নির্ধারণ করে ডিজিটাল ম্যাপ তৈরি করা যায়।

২.ড্রোন সার্ভে পদ্ধতি:**
- বড় জমির ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার করে উচ্চ-রেজুলেশনের ছবি তোলা হয় এবং স্যাটেলাইট ম্যাপিং করে জমির মাপ নির্ধারণ করা হয়।

৩. **অনলাইন ল্যান্ড ম্যাপিং:**
- Google Maps বা জমি মাপার অ্যাপ ব্যবহার করে জমির সঠিক পরিমাপ পাওয়া যায়।

---

–৩. কিভাবে জমির পরিমাণ বের করবেন?**

–পদ্ধতি ১: দৈর্ঘ্য × প্রস্থ**
যদি আপনার জমির দৈর্ঘ্য **১০০ ফুট** ও প্রস্থ **৫০ ফুট** হয়—
- মোট জমির পরিমাণ = ১০০ × ৫০ = **৫,০০০ বর্গফুট**।
- একে শতকে রূপান্তর = ৫,০০০ ÷ ৪৩৫.৬ = **১১.৪৭ শতক**।
- একরে রূপান্তর = ৫,০০০ ÷ ৪৩,৫৬০ = **০.১১ একর**।

–পদ্ধতি ২: অনিয়মিত জমি হলে**
যদি জমি ত্রিভুজাকার হয়—
- **(½ × ভিত্তি × উচ্চতা)** সূত্র ব্যবহার করে বর্গফুট বের করতে হবে।
- তারপর একক পরিবর্তন করতে হবে।

---
–৪. জমি পরিমাপের সহজ সূত্র**

| রূপান্তর সূত্র | হিসাব |
|--------------|------|
| ১ শতক | ৪৩৫.৬ বর্গফুট |
| ১ কাঠা (ঢাকা) | ৭২০ বর্গফুট |
| ১ কাঠা (চট্টগ্রাম) | ৬০০ বর্গফুট |
| ১ একর | ১০০ শতক |
| ১ বিঘা (ঢাকা) | ২০ কাঠা |
| ১ বিঘা (চট্টগ্রাম) | ১৬ কাঠা |

---

–৫. অনলাইন জমি পরিমাপের উপায়
আপনি Google Maps, Land Area Calculator, বা বাংলাদেশের সরকারি ভূমি অফিসের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মব্যবহার করে জমি মাপতে পারেন।
সংগৃহীত

13/02/2025

Negotiable Instruments Act 1881 এর ধারা ১৩৮ মোতাবেক চেক প্রত্যাখানের মামলা গ্রহণকারী সকল বিচারকদের কতিপয় নির্দেশ প্রদান জরুরী বিধায় হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ প্রদান করা যাচ্ছে যে,
(১) আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে গৃহীত চেক বিনিময়যোগ্য দলিল নয় হেতু এমনতর চেক প্রত্যাখানের মোকদ্দমা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হলো। যদি কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমনতর চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমা দাখিল করে তবে তা বিচারিক আদালত সরাসরি প্রত্যাখান করবেন।
(২) আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে গৃহীত চেক হতে উদ্ভূত চেক প্রত্যাখানের ইতোমধ্যে দাখিলকৃত সকল মোকদ্দমার কার্যক্রম এখতিয়ার বহির্ভূত বিধায় বাতিল মর্মে ঘোষণা করে বিচারিক আদালত খারিজ করবেন। একইভাবে আপীল আদালতও আদেশ প্রদান করবেন। 26 ALR [HCD] 209

13/02/2025

৫৬১ক ধারার আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সু-প্রতিষ্ঠিত নীতিমালা। উক্ত পাঁচটি নীতিমালা নিম্নরূপঃ
১। যদি স্বীকৃত ঘটনা মতে আসামীর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সংঘঠনের উপাদান পাওয়া না যায়।
২। যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের এবং এর চলমানতা হল আদালতে কার্যক্রমের অপব্যবহার ।
৩। যেখানে সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের এবং এর চলমানতা আইন দ্বারা বারিত।
৪। যেক্ষেত্রে এজাহার কিংবা নালিশী দরখাস্ত বর্ণিত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করে নিলেও কোন অপরাধ সংঘঠিত হয় না।
৫। যেক্ষেত্রে আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ মোতাবেক অপরাধ সংগঠন করে কিন্ত্ত তার সমর্থনে কোন আইনগত সাক্ষ্য প্রদান করা হয় না কিংবা উক্ত সাক্ষ্য অপরাধ প্রমাণে ব্যর্থ হয়। উপরোক্ত পাঁচটি অবস্থার যে কোন একটির কারণে হাইকোর্ট বিভাগ ৫৬১ক ধারার আওতায় যে কোন বিচারাধীন মামলা যে কোন পর্যায়ে বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। 25 ALR (HCD) 152

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Remedy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share