Law অনলাইন ভিত্তিক আইনি সচেতনতা

17/01/2024

12/01/2024
08/05/2020
07/05/2020

মানুষ এখনো এতো নিষ্ঠুর

02/05/2020

খাগড়াছড়ি রামগড় সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি!
বিএসএফ ভারতীয় একজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে,কিন্তু বিজিবির স্ট্রাইকিং পজিশন দেখে আর সাহস করেনি।

জমি নিয়ে বিরোধ হলে কী করবেন?,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,জমিজমাকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময়বিরোধ দে...
30/04/2020

জমি নিয়ে বিরোধ হলে কী করবেন?
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
জমিজমাকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময়
বিরোধ দেখা দিতে পারে। অনেক সময়
দেখা যায়, নিজের কেনা জমি অন্য কেউ
দখল করে মালিকানা দাবি করছে কিংবা
জাল দলিল তৈরি করে জমির দখল নিতে
চায়। আদালতে মিথ্যা মামলাও ঠুকে দেয়।
কিন্তু একটু সচেতন হলেই এ ঝামেলা থেকে
অনেকটাই রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সে জন্য
জানা থাকতে হবে জমি নিয়ে বিরোধ
দেখা দিলে কীভাবে প্রতিকার পাবেন।
ফৌজদারি প্রতিকার
জমি দখলকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল
পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা অনুযায়ী
প্রতিকার চাইতে পারেন। এ ধারা অনুযায়ী
প্রতিকার চাইতে হবে প্রথম শ্রেণীর
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। আর এ
মামলা করতে হবে বেদখল হয়ে গেলে
কিংবা বেদখল হওয়ার আশঙ্কা দেখা
দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে। কোনো মামলা
করলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিপক্ষের ওপর সমন
জারি করবেন। পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের
বক্তব্য শুনবেন এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে
সম্পত্তির দখলদার কে তা নির্ধারণ করবেন।
প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্তের আদেশ
দিতে পারেন পুলিশকে। তাদের দেওয়া
প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৃত দখলদার কে,
সে বিষয়ে রায় দেবেন। তবে ১৪৫ ধারায়
প্রতিকার চাইতে গেলে এখানে স্বত্ব বা
মালিকানা দাবি করা যাবে না। এর
মাধ্যমে শুধু প্রকৃত দখলদার নির্ণয় করার জন্য
প্রতিকার চাওয়া যাবে।
মালিকানা দাবি করবেন যেভাবে
জমির মালিকানা বা স্বত্ব দাবির জন্য
দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে হবে।
জমি অবৈধভাবে দখলচ্যুত হলে দখল
পুনরুদ্ধারের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
আইনের ৮ ও ৯ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার
পেতে পারেন। এ আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী
জমির মালিক নির্ধারিত পদ্ধতিতে
জমিটি পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রতিকার
চাইতে পারেন। তবে এ ধারা অনুযায়ী,
দখলচ্যুত ব্যক্তিকে জমিতে তাঁর স্বত্ব বা
মালিকানা আছে কিংবা মালিকানার
দাবি রয়েছে, তার ঘোষণা চাইতে হবে। না
হলে এ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়া
সম্ভব হয় না। ৮ ধারার স্বত্ব প্রমাণসহ
মামলা করার ক্ষেত্রে বেদখল হওয়ার পর
থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করার
সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ
ধরনের মামলাকে সাধারণত স্বত্ব সাব্যস্ত
খাস দখলের মামলা বলা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা
অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে হলে মালিকানা
প্রমাণের দরকার নেই। শুধু জমি থেকে
দখলচ্যুত হয়েছেন—এটি প্রমাণ করলেই চলবে।
৯ ধারায় উল্লেখ আছে, যদি কোনো ব্যক্তি
বেদখল হন, তবে তিনি বা তাঁর মাধ্যমে
দাবিদার কোনো ব্যক্তি মোকদ্দমার
মাধ্যমে এর দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন। এ
ক্ষেত্রে যেসব দিক বিবেচনা করা হয়,
সেগুলো হলো—বাদী অর্থাৎ যিনি
প্রতিকার দাবি করেছেন, তিনি জমিটি
দখল করে আসছিলেন কি না; বিবাদী তাঁকে
জোরপূর্বক বেদখল করেছেন কি না; বিবাদী
বেআইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করেছেন কি
না।
তবে বাদীকে অবশ্যই বেদখল হওয়ার ছয়
মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। অন্যথায় এ
ধারায় মামলা করার অধিকার হারাতে
হবে তাঁকে। তবে সরকারের বিরুদ্ধে এ
ধারায় প্রতিকার চাওয়া যাবে না।
কোথায় ও কীভাবে আইনের আশ্রয় নেবেন
জমিজমার মালিকানা নিয়ে প্রতিকারের
ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এখতিয়ারাধীন
আদালতে মামলা করতে হবে। মামলার
মূল্যমান চার লাখ টাকার কম হলে সহকারী
জজ আদালতে এবং চার লাখের বেশি হলে
অসীম এখতিয়ার পর্যন্ত যুগ্ম জেলা জজ
আদালতে প্রতিকার চাইতে হবে। মামলা
দায়ের করতে হবে আইনজীবীর মাধ্যমে।
মালিকানাসহ দখলের প্রতিকার চাইলে
জমির মূল্য বাবদ অ্যাড-ভ্যালোরেম
(মূল্যানুপাতে) কোর্ট ফি দিতে হবে। ৯
ধারা অনুযায়ী শুধু দখলের জন্য প্রতিকার
চাইলে সম্পত্তির মূল্য অনুসারে যে কোর্ট
ফি তার অর্ধেক, অর্থাৎ অ্যাড-ভ্যালোরেম
কোর্ট ফির অর্ধেক পরিমাণ কোর্ট ফি
দিতে হবে। জমির মালিকানাসহ দখল
কিংবা শুধু দখল চেয়ে প্রতিকারের
ক্ষেত্রে যদি বাদী মনে করেন, তাঁর জমিটি
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, তাহলে
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন পৃথক
আবেদনের মাধ্যমে।

★অন্যের জমিতে কখন চলাচলের পথের জন্য দাবী করা যায়?■কোন ব্যক্তি বা কোন এলাকার লোকজন যদি কোন লোকের সম্পত্তির উপর দিয়ে নির...
26/04/2020

★অন্যের জমিতে কখন চলাচলের পথের জন্য দাবী করা যায়?

■কোন ব্যক্তি বা কোন এলাকার লোকজন যদি কোন লোকের সম্পত্তির উপর দিয়ে নিরবছিন্ন ভাবে ২০ বছর ধরে চলাচল করে তাহলে তাদের ঐ সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার জন্ম নেয়।

■■গ্রামাঞ্চলে দেখা যায় অনেকে কারো জায়গার উপর দিয়ে সবসময় চলাচল করে আসছেন। দেখা যায় হঠাৎ করে জায়গার মালিক চলাচলের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। তখন ঐ জায়গার উপর দিয়ে চলাচলকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিনী ঐ জায়গার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। এবং যদি আদালতে প্রমান করতে পারে জায়গাটির উপর দিয়ে তারা ২০ বছর ধরে নিরবছিন্ন ভাবে চলাচল করে আসছে তাহলে আদালত ঐ জায়গাটিকে চলাচলের পথ হিসাবে ঘোষনা করতে পারেন।

02/12/2017

মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া প্রসঙ্গে?
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ধারা ১৯৫। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দ্ণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করাইবার মতলবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করা
ধারা ১৯১। মিথ্যা সাক্ষ্যদানঃ
যে ব্যক্তি সত্য কথনের জন্য হলফ বা আইনের প্রকাশ্য বিধান বলে আইনত বাধ্য হইয়া বা কোন বিষয়ে কোন ঘোষণা করিবার জন্য আইনবলে বাধ্য হইয়া এমন কোন বিবৃতি দান করে, যাহা মিথ্যা এবং যাহা সে মিথ্যা বলিয়া জানে বা বিশ্বাস করে বা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করে না, সেই ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বলিয়া গণ্য হইবে।
ধারা ১৯২। মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করাঃ
যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে কোন বহি বা রেকর্ডে এমন কোন ঘটনা ঘটায় বা মিথ্যা বিবরণী লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণী লিপিবদ্ধ বা সংবলিত কোন দলিল প্রণয়ন করে যে, কোন বিচার বিভাগীয় মামলা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মূখে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর পদমর্যাদায় পরিচালিত কোন মামলায় বা কোন মধ্যস্থতাকারীর সম্মূখে অনুরূপ ঘটনা, মিথ্যা লিপি বা মিথ্যা বিবরণী প্রমাণরূপে উপস্থাপিত করা যাইতে পারে, এবং অনুরূপভাবে উপস্থাপিত অনুরূপ ঘটনা, মিথ্যা লিপি বা মিথ্যা বিবরণী যে ব্যক্তি প্রমাণের ভিত্তিতে অনুরূপ মামলায় তাহার মতামত গঠন করিবেন সেই ব্যক্তিকে অনুরূপ মামলার ফলাফলের ব্যাপারে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভ্রান্ত অভিমত পোষণ করিতে বাধ্য করিতে পারে, সেই ব্যক্তি “‍মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করে” বলিয়া গণ্য হইবে।
ধারা ১৯৩। মিথ্যা সাক্ষ্যের শাস্তিঃ
যে ব্যক্তি, কোন বিচার বিভাগীয় মামলার কোন পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা কোন বিচার বিভাগীয় মামলার কোন পর্যায়ে ব্যবহৃত হইবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে-যাহার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে-দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবে;
যে ব্যক্তি অন্য কোন মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা উদ্ভাবন করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ তিন বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে-দন্ডিত হইবে, এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।
ধারা ১৯৪। মৃত্যুদন্ডযোগ্য অপরাধের দন্ডবিধান করাইবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করা:
যে ব্যক্তি, এইরুপ অভিপ্রায়ে বা এইরুপ জানিয়া মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা উদ্ভাবন করে যে, সে তদ্বারা কোন ব্যক্তিকে আপাতত প্রচলিত যেকোন আইনবলে মৃত্যুদন্ডযোগ্য বলিয়া বিবেচিত কোন অপরাধের জন্য দন্ডিত করাইবে বা সে তদ্বারা কোন ব্যক্তিকে অনুরূপ অপরাধের জন্য দন্ডিত করিতে পারে-এইরুপ সম্ভাবনা রহিয়াছে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা সশ্রম কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে-দন্ডিত হইবে।
তদ্বারা কোন নিরপরাধ ব্যক্তির দন্ডবিধান করিবার এবং তাহাকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নিরপরাধ ব্যক্তি দন্ডিত হইলে ও তাহাকে ফাঁসি দেওয়া হইলে যে ব্যক্তি অনুরুপ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, সেই ব্যক্তি মৃত্যু দন্ডে বা ইতঃপূর্বে বর্ণিত দন্ডে দন্ডিত হইবে।
ধারা ১৯৫। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দ্ণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করাইবার মতলবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করাঃ
যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে এবং এইরূপ জানিয়া মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা উদ্ভাবন করে যে, সে তদ্বারা কোন ব্যক্তিকে আপাতত প্রচলিত কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডাযোগ্য বলিয়া গণ্য নহে, কিন্তু যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্বে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করাইবে, অথবা সে তদ্বারা কোন ব্যক্তিকে অনুরূপ দন্ডিত করাইতে পারে এবং সম্ভাবনা রহিয়াছে সেই ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তি তদ্রুপ শাস্তির যোগ্য হইত যদ্রুপ শাস্তির যোগ্য হইবে।

24/11/2017

ঘুষ গ্রহন ও শাস্তি
যে ব্যক্তি ঘুষ নেয় অর্থাৎ ঘুষ গ্রহন করে সে ব্যক্তি অপরাধি হিসাবে গণ্য হবে।
ঘুষ গ্রহনের শাস্তি
যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে যার মেয়াদ ০১ বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয় প্রকার দন্ডে দন্ডিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষের ক্ষেত্রে কেবল অর্থদন্ড বিধান করা যাবে।
ব্যাখ্যা-
আপ্যায়ন অর্থ- খাদ্য, পানীয়, ভোজ বা খাদ্য সম্ভার সমবায়ে গঠিত বকশিশের ন্যায় ঘুষ বুঝাবে।
ধারা- ১৭১-ঙ, দন্ডবিধি।

23/11/2017

জেনে নিন দণ্ডবিধিতে খুন সম্পর্কিত
ধারা এবং শাস্তি

=========[ ]=========
দন্ডবিধি
ধারা ২৯৯ দন্ডার্হ নরহত্যা ধারা ৩০০ খুন
ধারা ৩০২ খুনের শাস্তি
ধারা ৩০৪ খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ
দন্ডার্হ নরহত্যার শাস্তি ধারা ৩০৪ (খ)
বেপরোয়া যান বা অশ্বচালনার
দ্বারা মৃত্যু ঘটান ধারা ৩০৭ খুনের
উদ্যোগ ধারা ৩০৮ দন্ডার্হ নরহত্যা
অনুষ্ঠানের উদ্যোগ
ধারা ৩০৯ আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগ

ধারা ২৯৯ দন্ডার্হ নরহত্যা

যে ব্যক্তি
কোন কার্যের সাহায্যে মৃত্যু
ঘাটাইবার অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু
ঘটাইবার সম্ভবনা রহিয়াছে এইরূপ
দৈহিক জখম ঘটাইবার অভিপ্রায়ে
অথবা উক্ত কার্যের সাহায্যে সে মৃত্যু
ঘটাইতে পারে এমন সম্ভাবনা
রহিয়াছে বলিয়া জানিয়া অনুরূপ
কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘটায়, সেই
ব্যক্তি দন্ডার্হ নরহত্যার অপরাধ অনুষ্ঠান
করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৩০০ খুন

প্রথমত- অতঃপর ব্যতিক্রান্ত ক্ষেত্রসমূহ
ব্যতীত দন্ডার্হ নরহত্যা খুন বলিয়া গণ্য
হইবে, যদি যে কার্যের ফলে মৃত্যু
সংঘটিত হয় সেই কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের
অভিপ্রায়ে সম্পাদিত হয়, অথবা
দ্বিতীয়ত- যদি ইহা এইরূপ দৈহক জখম
করিবার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হয়, যাহা
যে ব্যক্তির ক্ষতি সাধন করা হয় তাহার
মৃত্যু ঘটাইতে পারে বলিয়া
অপারাধকারীর জানা থাকে, অথবা
তৃতীয়ত- যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক
জখম করিবার অভিপ্রায়ে ইহা
সম্পাদিত হয় এবং অভিষ্ট দৈহিক
জখমটি প্রাকৃতিক স্বাভাবিক অবস্থায়
অনুরূপ মৃত্যু ঘটাইবার জন্য যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত- যদি উক্ত কার্য সম্পাদকারী
ব্যক্তি অবগত থাকে যে, ইহা এত আসন্ন
বিপজ্জনক যে, ইহা খুব সম্ভবত মৃত্যু
ঘটাইবে অথবা এরূপ দৈহিক জখম
ঘটাইতে পারে এবং মৃত্যু সংগঠনের বা
পূর্বোক্ত জখম ঘটাইবার ঝুকি লওয়ার
অজুহাত ব্যতিরেকেই অনুরূপ কার্য সম্পাদন
করে।

ধারা ৩০২ খুনের শাস্তি

যে ব্যক্তি খুন করে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদন্ডে
বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত
হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডে দন্ডনীয়
হইবে।

ধারা ৩০৪ খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ
দন্ডার্হ নরহত্যার শাস্তি

যে ব্যক্তি খুন
বলিয়া গণ্য নহে এইরুপ দন্ডার্হ নরহত্যা
অনুষ্ঠান করে, সেই ব্যক্তি যে কার্যের
সাহায্যে মৃত্যু সংগঠিত হয় তাহা মৃত্যু
ঘটাইবার অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটাইবার
সম্ভাবন রহিয়াছে এমন গুরুতর আঘাত
প্রদানের অভিপ্রায়ে সম্পাদিত হইলে
যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা যেকোন
বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ দশ
বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে
এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডিত হইতে
পারে।

ধারা ৩০৪ (খ) বেপরোয়া যান বা
অশ্বচালনার দ্বারা মৃত্যু ঘটান

যে
ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা
তাচ্ছিল্যের সহিত জনপথে যান বা অশ্ব
চালাইয়া দন্ডার্হ নরহত্যা নহে এমন মৃত্যু
ঘটায়, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার
কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ তিন বছরের
পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়
দন্ডে দন্ডিত হইবে।

ধারা ৩০৭ খুনের উদ্যোগ

যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা অবগতি
সহকারে এবং এইরূপ অবস্থায় কোন
কার্য সম্পাদন করে যে, যদি উক্ত
কার্যের সে মৃত্যু ঘটাইত, তাহা হইলে
সে খুনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত
হইত, সেই ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার
কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত
হইতে পারে-দন্ডিত ইইবে এবং তদুপরি
অর্ধদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে। আর উক্ত
কার্যের সাহায্যে কোন ব্যক্তিকে
আঘাত করা হয়, তাহা হইলে
অপরাধকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ডে
বা ইতঃপূর্বে উল্লেখিত দন্ডে দন্ডনীয়
হইবে। যাবজ্জীবন দন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিগণ
কর্তৃক উদ্যোগ এই ধারার অধীনে
অপরাধকারী ব্যক্তি যাবজ্জীবন
কারাদন্ডাজ্ঞাধীন থাকার ক্ষেত্রে
আঘাত করা হইলে, তাহার মৃত্যুদন্ড
বিধান করা হইবে।

ধারা ৩০৮ দন্ডার্হ নরহত্যা অনুষ্ঠানের
উদ্যোগ

যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা অবগতি
সহকারে এবং এইরূপ কোন কার্য করে
যে ব্যক্তি উক্ত কার্যের সাহায্যে মৃত্যু
ঘটাইত তাহা হইলে সে খুন বলি গণ্য নহে
এইরূপ দন্ডার্হ নরহত্যার অপরাধে দোষী
সাব্যস্ত হইত, সেই ব্যক্তি যেকোন
বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ
তিন বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা
অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত
হইবে; আর যদি উক্ত কার্যের সাহায্যে
কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তাহা
হইলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার
কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ সাত বছর
পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা
উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে। ধারা ৩০৯
আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগ যে ব্যক্তি
আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগ করে এবং
অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে
কোন কাজ করে, সেই ব্যক্তি বিনাশ্রম
কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ এক বছর
পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা
উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।

22/11/2017

দ্বীপান্তর সাজা ঃ Transportation
Punishment :
১৯৭২ সালের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ
দণ্ডবিধিতে ৫৩ ধারায় যে সব সাজার
বিষয় উল্লেখ ছিল তাদের মধ্যে
দ্বীপান্তর কারাবাসের কথাও ছিল ।
দ্বীপান্তর কারাবাস বলতে সাজা
খাঁটার জন্য কোন দ্বীপ বা সাগরের অপর
পারে পাঠিয়ে দেয়া যাতে
অপরাধীজনমানব হীন অবস্থায় একা
কষ্টের মধ্যে বসবাস করতো । কিন্তু
বর্তমানে দণ্ড বিঁধিতে দিপান্তর
কারাবাস বলতে কোন সাজার বিধান
নেই।
১৯৭২ সালে Law Reforms Ordinance এর
মাধ্যমে উক্ত সাজার বিধান বাতিল
করা হয়েছে ।উক্ত সংশোধনী অনুসারে
দণ্ডবিধিতে যেঁসব অপরাধের জন্য
দ্বীপান্তর সাজা এর পরিবর্তে যাবত
জীবন কারাবাস ধরতে হবে ।অর্থাৎ
যেসব অপরাধের শাস্তি দ্বীপান্তর তা
এখন যাবত জীবন সাজা হিসেবে ধরা
হবে ।যাবত জীবন কারাদণ্ড ত্রিশ বছর
মেয়াদের কারাদণ্ডের সমান বলে ধরা
হবে -৫৭ ধারা ।

19/11/2017

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী অপরাধীদের শাস্তি বিধানের জন্য সুনির্দিষ্ট ৬ ধরণের দণ্ড চালু আছে-
১. মৃত্যু (Death)
২. যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life)
৩. কারাবাস (Imprisonment)
৪.সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
(Forfeiture of Property)
৫. অর্থদণ্ড (Fine)
৬. বেত্রাঘাত (Whipping)
কারাবাস ২ ধরণের-
১. সশ্রম (with hard labor)
২. বিনাশ্রম (Simple) যাবজ্জীবন কারাবাস অবশ্যই
সশ্রম হবে।মৃত্যু অবশ্যই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে নিশ্চিত করতে হবে।
শিরশ্ছেদের মাধ্যমে, পিটিয়ে, আগুনে পুড়িয়ে, টুকরো টুকরো করে কেটে, ক্রুশবিদ্ধ করে, পানিতে ডুবিয়ে, হিংস্র বন্য পশুর সামনে নিক্ষেপ করে, গায়ের চামড়া তুলে নিয়ে, শুলে চড়িয়ে, পাহাড় থেকে নিক্ষেপ করে, পাথর নিক্ষেপ করে,শ্বাসরুদ্ধ করে, গুলিবিদ্ধ করে (সামরিকক্ষেত্র ছাড়া), বিদ্যুতায়িত করে, গ্যাসচেম্বার কিংবা লিথাল ইঞ্জেকশান ব্যবহার করে অথবা অন্য কোন ধরণের আদিম, অমানবিক বা নিষ্ঠুর পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবেনা।
পূর্বে “দীপান্তর (Transportation)” নামে এক ধরণের শাস্তি চালু ছিল যা এখন নেই।
তবে নির্জন কারাবাস (Solitary Confinement) নামে আরও এক ধরণের শাস্তি রয়েছে যেটি কখনো কখনো সশ্রম কারাবাসে দণ্ডিত অপরাধীর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ পরিসরে সর্বোচ্চ ৩ মাসের জন্য প্রয়োগ করা যেতে পারে।
রাওফুল ফারদিন।।।।

Address

Ramna, Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Law:

Share