জনতার আইনজীবী-legal aid free of cost

জনতার আইনজীবী-legal aid free of cost Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জনতার আইনজীবী-legal aid free of cost, Legal Service, Mohammadpur, Dhaka.

18/12/2025

আবেগ দিয়ে পলিটিক্স হয় না। হাসনাত এর হতকারিতা বক্তব্য দিয়ে সে কি করতে পারবে? সেভেন সিস্টারাস আলাদা করার শক্তি তার বা তার দেশের আছে? সরকার পতন আর যুদ্ধ এক না।

হাজার হাজার রোগী ভারতে যায় কারণ দেশের স্বাস্থ্য খাত গু লেভেলের। সেইটাই পুটু মেরে দিছে হাসনাত! আবার কিছু আবাল এমবাসি ঘেরাও এর লং মার্চ করে! এতে লাভ কি হবে?

আমার নিজের স্টেমসেল নিতে ভারত যেতে হবে, মালয়শিয়ায় ১২ লাখ টাকা আর ভারতে ৩ লাখ! চিকিৎসায় ভারতের সামনে বাংলাদেশের কোন অল্টারনেটিভ নাই।

এইটা যেদিন বানাইতে পারবেন, বা সত্যিই সেভেন সিস্টারস দখল করার মতো শক্তি হবে ওইদিন আওয়াজ দিয়েন।

আজকে এক ক্যান্সার পেশেন্ট এর ছেলের কি কান্না। যমুনায় এসে দেখে ভিসা সেন্টার বন্ধ। আমিও তথ্যের জন্যেই গিয়েছিলাম।

আমার অবস্থা করুণ না, কিন্তু ওই ছেলের বাবা যদি মরে যায়, তবে সে দায় কি হাসনাত দিবে?

আর ইন্ডিয়ান এমবাসি না থাকলে পাকিস্তান এম্বাসির কাম কি? জ’ঙ্গি সাপ্লাই?

একটা কমপ্লিট লুজারের দেশ আমার সোনার বাংলা!

 #আকেচ্য বিষয় -কোর্টে দখল উচ্ছেদ মামলা করার নিয়ম (Step by Step)যদি আপনার জমি/বাড়ি/দোকান অন্য কেউ বেআইনিভাবে দখল করে রাখে...
29/10/2025

#আকেচ্য বিষয় -
কোর্টে দখল উচ্ছেদ মামলা করার নিয়ম (Step by Step)

যদি আপনার জমি/বাড়ি/দোকান অন্য কেউ বেআইনিভাবে দখল করে রাখে, তাহলে আপনি আদালতে গিয়ে “দখল উচ্ছেদ মামলা” করতে পারবেন।
চলুন ধাপে ধাপে জেনে নিই—

⛔ ধাপ ১: কাগজপত্র জোগাড় করুন

আপনার কাছে যা থাকতে হবে—

✅ খতিয়ান (BRS খতিয়ান উত্তম)
✅ দলিল / রেজিস্ট্রি / উইল
✅ মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর
✅ নামজারি কপি
✅ জমির ট্যাক্স রশিদ বা বিল
✅ আপনার দখলের প্রমাণ (ছবি, প্রতিবেশীর সাক্ষ্য ইত্যাদি)
✅ দখলদারের অনধিকার দখলের বিবরণ ( তারিখসহ লিখিতভাবে)

⛔ ধাপ ২: আইনজীবী (অ্যাডভোকেট) ঠিক করুন

১/ সিভিল বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবী নিন।
২/ আপনার কাগজপত্র দেখিয়ে পরামর্শ নিন।
৩/ বার কাউন্সিল আইডি দেখে আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করুন।

⛔ ধাপ ৩: মামলা খসড়া (Plaint) তৈরি

আপনার আইনজীবী একটি Plaint লিখবেন। এতে থাকবে—

১/ জমির সঠিক বিবরণ
২/ আপনার মালিকানার প্রমাণ
৩/ দখলদারের অবৈধ দখলের বিবরণ
৪/ আদালতের কাছে আপনার চাওয়া (উচ্ছেদ, দখল ফেরত ইত্যাদি)

⛔ ধাপ ৪: মামলা দাখিল

১/ কোর্টে গিয়ে মামলা ফাইল করা হবে।
২/ কোর্ট ফি জমা দিতে হবে।
৩/ এরপর আপনার মামলার একটি Case Number পাবেন।

⛔ ধাপ ৫: তারিখ নির্ধারণ

১/ কোর্ট শুনানির জন্য তারিখ (Hearing Date) নির্ধারণ করবে।
২/ সেই তারিখে আপনার আইনজীবী কোর্টে যুক্তি দেবেন।

⛔ ধাপ ৬: বিবাদীপক্ষকে নোটিশ

১/ আদালত থেকে নোটিশ পাঠানো হবে।
২/ দখলদারকে কোর্টে হাজির হতে বলা হবে।

⛔ ধাপ ৭: বিচার প্রক্রিয়া

১/ দুই পক্ষের কাগজপত্র,
২/ সাক্ষ্যপ্রমাণ,
৩/ শুনানি হবে।

কোর্ট যাচাই করবে কে আসল মালিক।
✅ অবৈধ দখল প্রমাণিত হলে আদালত উচ্ছেদের আদেশ দেবে।

⛔ ধাপ ৮: রায় কার্যকর

১/ রায়ে আপনার পক্ষে হলে
২/ কোর্টের ডিক্রি নিয়ে
৩/ জেলা প্রশাসন/পুলিশের সহায়তায় জমি উদ্ধার করবেন।

👨‍⚖️ আপনার আইনজীবী পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবেন।

📢 বাড়তি টিপস

✔️ লিগ্যাল এইড অফিস থেকে বিনামূল্যে আইনজীবী নেওয়া যায় (যদি যোগ্য হন)।
✔️ সবসময় কাগজপত্রের ফটোকপি 📑 ও ছবি 📸 সঙ্গে রাখুন।
✔️ মামলা সংক্রান্ত সব কাজ আইনজীবীই করেন, আপনাকে আলাদা ফরম পূরণ করতে হয় না।

👉 মনে রাখুন:

🔹 জমির কাগজ
🔹 আইনজীবী নির্বাচন
🔹 মামলার খসড়া
🔹 কোর্টে দাখিল
🔹 শুনানি ও রায়
🔹 উচ্ছেদ আদেশ
🔹 জমি ফেরত

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

25/09/2025

আসন্ন বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষার ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ তামাদি আইনের প্রশ এবং উওর। ধারাবাহিকভাবে সব বিষয়গুলো পেয়ে যাবেন, ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।

1. প্রশ্ন: তামাদি মামলা বলতে কী বোঝায়?
A) পুলিশ আদালতের অনুমতি ছাড়া তদন্ত করতে পারে
B)পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে না
উত্তর: A

2. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলা কি?
A) পুলিশ স্বতঃসিদ্ধভাবে তদন্ত শুরু করতে পারে
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা করা যায় না
উত্তর: B

3. প্রশ্ন: ধারা ১৬৬ CrPC অনুযায়ী পুলিশ কি করতে পারে?
A) বিচার করতে পারে
B)তদন্ত শুরু করতে পারে
উত্তর: B

4. প্রশ্ন: FIR তে কোন তথ্য অপরিহার্য?
A) অভিযোগকারীর বয়স
B)অপরাধের সময় ও স্থান
উত্তর: B

5. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় পুলিশ কি করতে পারে?
A) স্বতঃসিদ্ধভাবে তদন্ত শুরু করতে পারে
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা বন্ধ করতে পারে
উত্তর: A

6. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলায় তদন্ত শুরু করার জন্য প্রয়োজন কি?
A) FIR
B)আদালতের অনুমতি
উত্তর: B

7. প্রশ্ন: ধারা ১৫১ CrPC অনুযায়ী পুলিশ কি করতে পারে?
A) জনসাধারণের শান্তি রক্ষা করতে পারে
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া বিচার করতে পারে
উত্তর: A

8. প্রশ্ন: তামাদি মামলার ক্ষেত্রে FIR ছাড়া মামলা করা সম্ভব কি?
A) হ্যাঁ
B)শুধু আদালতের অনুমতি থাকলে
উত্তর: B

9. প্রশ্ন: পুলিশ Final Report কোনো ক্ষেত্রে আদালতে জমা দেয়?
A) নন-তামাদি মামলা
B)তামাদি মামলা
উত্তর: B

10. প্রশ্ন: তামাদি মামলা শুরু করার জন্য কে দায়ী?
A) আদালত
B)পুলিশ
উত্তর:B

11. প্রশ্ন: FIR রেকর্ড রাখার সময় কোন ধারা প্রযোজ্য?
A) ধারা ১৫১ CrPC
B)ধারা ১৫৭ CrPC
উত্তর: B

12. প্রশ্ন: তামাদি মামলার জন্য পুলিশের প্রথম পদক্ষেপ কী?
A) আদালতে মামলা দায়ের
B)FIR গ্রহণ ও তদন্ত শুরু
উত্তর: B

13. প্রশ্ন: কোন মামলাকে তামাদি বলা হয় না?
A) হত্যা
B)সশরীরে ক্ষতি
C) বৌদ্ধিক সম্পত্তি লঙ্ঘন
উত্তর: C

14. প্রশ্ন: FIR এ অপরাধের স্থান উল্লেখ করা আবশ্যক কি?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: A

15. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলায় পুলিশ কি স্বতঃসিদ্ধভাবে তদন্ত করতে পারে?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: B

16. প্রশ্ন: পুলিশ কে রিপোর্ট জমা দেয়?
A) সরাসরি রাষ্ট্রপতি
B)আদালত
উত্তর: B

17. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় অভিযোগকারীর কি ভূমিকা থাকে?
A) FIR দায়ের
B)তদন্ত করা
উত্তর: A

18. প্রশ্ন: কোন মামলা তামাদি?
A) সাধারণ চুরি
B)রাষ্ট্রদ্রোহ
উত্তর: B

19. প্রশ্ন: ধারা ১৬৯ অনুযায়ী পুলিশ কি করতে পারে?
A) তামাদি মামলা বন্ধ
B)তামাদি মামলা চলতে রাখার জন্য আদালতের কাছে রিপোর্ট জমা
উত্তর: B

20. প্রশ্ন: FIR এ কি তদন্তের সকল তথ্য থাকা আবশ্যক?
A) হ্যাঁ
B)না, শুধু মূল অভিযোগ
উত্তর: B

21. প্রশ্ন: তামাদি মামলার প্রাথমিক দায়িত্ব কার?
A) পুলিশ
B)বিচারক
উত্তর: A

22. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় আদালতের অনুমতি প্রয়োজন কি?
A) না
B)কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে
উত্তর: B

23. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলার শাস্তি?
A) স্বতঃসিদ্ধভাবে নির্ধারণ
B)আদালতের মাধ্যমে
উত্তর: B

24. প্রশ্ন: FIR কে কতদিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হয়?
A) ৭ দিন
B)নির্দিষ্ট ধারা অনুসারে
উত্তর: B

25. প্রশ্ন: তামাদি মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ কি করতে পারে?
A) মামলা নিষ্পত্তি
B)তদন্ত ও প্রমাণ সংগ্রহ
উত্তর: B

26. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলা কখন তামাদি হতে পারে?
A) আদালতের অনুমতি থাকলে
B)পুলিশের ইচ্ছা থাকলে
উত্তর: A

27. প্রশ্ন: FIR দায়ের করতে কার কাছে যেতে হয়?
A) আদালত
B)থানার অফিসার
উত্তর: B

28. প্রশ্ন: কোন ধারা অনুসারে পুলিশ জনশান্তি রক্ষা করে?
A) ধারা ১৫১
B)ধারা ১৬৬
উত্তর: A

29. প্রশ্ন: Final Report এর অর্থ কি?
A) মামলা খারিজ
B)তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট
উত্তর: B

30. প্রশ্ন: তামাদি মামলা কি দ্রুত বিচার হয়?
A) সাধারণত হ্যাঁ
B)না
উত্তর: A

31. প্রশ্ন: FIR ছাড়া নন-তামাদি মামলা সম্ভব কি?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: B

32. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় তদন্তের দায়িত্ব কার?
A) আদালত
B)পুলিশ
উত্তর: B

33. প্রশ্ন: তামাদি মামলা কি আদালতের অনুমতি ছাড়া শুরু হয়?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: A

34. প্রশ্ন: FIR দায়ের করার সময় পুলিশ কি করে?
A) অভিযোগ নথিভুক্ত করে
B)শাস্তি নির্ধারণ করে
উত্তর: A

35. প্রশ্ন: তামাদি মামলার প্রধান উদ্দ্যেশ্য কী?
A) দ্রুত বিচার
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া বিচার
উত্তর: A

36. প্রশ্ন: ধারা ১৫৭ CrPC কী নির্দেশ করে?
A) FIR নথিভুক্তির নিয়ম
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা
উত্তর: A

37. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় পুলিশ কি করতে পারে?
A) প্রমাণ সংগ্রহ
B)আদালত পরিচালনা
উত্তর: A

38. প্রশ্ন: কোন মামলা তামাদি নয়?
A) ডাকাতি
B)তুচ্ছ বাণিজ্য বিরোধ
উত্তর: B

39. প্রশ্ন: FIR কে কি বলা হয়?
A) Final Investigation Report
B)First Information Report
উত্তর: B

40. প্রশ্ন: তামাদি মামলা কি তদন্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই হয়?
A) না
B)হ্যাঁ
উত্তর: A

41. প্রশ্ন: তামাদি মামলা শুরু হয় কখন?
A) আদালতের নির্দেশে
B)পুলিশের FIR গ্রহণের সাথে সাথে
উত্তর: B

42. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলায় কি FIR জরুরি?
A) হ্যাঁ
B)না, আদালতের অনুমতি প্রয়োজন
উত্তর: B

43. প্রশ্ন: FIR এ অপরাধী সম্পর্কে কি তথ্য থাকা আবশ্যক?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: A

44. প্রশ্ন: ধারা ১৬৭ CrPC অনুসারে পুলিশ কি করে?
A) মামলা বন্ধ
B)আটককৃত ব্যক্তির জেল হেফাজত
উত্তর: B

45. প্রশ্ন: তামাদি মামলার উদ্দেশ্য?
A) জননিরাপত্তা রক্ষা ও দ্রুত বিচার
B)মামলা স্থগিত করা
উত্তর: A

46. প্রশ্ন: নন-তামাদি মামলায় পুলিশ কি করতে পারে?
A) তদন্ত স্বতঃসিদ্ধভাবে
B)আদালতের অনুমতি ছাড়া নয়
উত্তর: B

47. প্রশ্ন: তামাদি মামলায় পুলিশ রিপোর্ট জমা দেয় কোথায়?
A) আদালত
B)রাষ্ট্রপতি
উত্তর: A

48. প্রশ্ন: FIR দায়েরের পরে কি হয়?
A) পুলিশ তদন্ত শুরু করে
B)মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ
উত্তর: A

49. প্রশ্ন: তামাদি মামলা কি আদালতের অনুমতি ছাড়া শুরু হয়?
A) হ্যাঁ
B)না
উত্তর: A

50. প্রশ্ন: ধারা ১৬৬ CrPC অনুসারে পুলিশ কি করতে পারে?
A) মামলা বন্ধ
তদন্ত শুরু ও সম্পন্ন
উত্তর :B

“মূল দলিলে বায়া দলিলের নাম্বার নেই, জমি কি তবে হাতছাড়া? সমাধান জানুন এখনই?ধাপে ধাপে বিষয়টা বুঝিয়ে দিচ্ছি, যাতে আপনার মাথ...
25/09/2025

“মূল দলিলে বায়া দলিলের নাম্বার নেই, জমি কি তবে হাতছাড়া? সমাধান জানুন এখনই?
ধাপে ধাপে বিষয়টা বুঝিয়ে দিচ্ছি, যাতে আপনার মাথায় পরিষ্কার থাকে—

আপনার অবস্থান:

আপনার রেজিস্ট্রেশনকৃত দলিল আছে (মানে আইনের চোখে বৈধ দলিল রয়েছে)।
কিন্তু দলিলে বায়া নাম্বার (Previous Deed Reference / Chain of Ownership) নেই।
এ কারণে আপনার দলিলের মালিকানা প্রমাণ করতে সমস্যা হচ্ছে।

কেন সমস্যা হচ্ছে:
1. প্রতিটি জমির মালিকানা প্রমাণ করতে একটা চেইন অব টাইটেল (ownership chain) লাগে।

2. আপনার দলিলে যেই দাতা (seller) আছে, সে কিভাবে মালিক হলো—তার পূর্বের দলিল (যেটাকে বায়ানাম্বার বলে) দেখানো না গেলে সন্দেহ তৈরি হয়।

3. সেই জন্যই প্রতিপক্ষ আপনাকে হয়রানি করছে।

আইনি অবস্থা:
রেজিস্ট্রেশন করা দলিল নিজেই বৈধ প্রমাণ।
কিন্তু যদি চেইন অব টাইটেল (বায়ানাম্বার সহ পূর্বের দলিল) খুঁজে পাওয়া না যায়, তাহলে আপনার মালিকানা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যায়।
আদালতে বা নামজারী অফিসে গেলে পূর্বের দলিল/বায়ানাম্বার দেখাতে হয়।

এখন আপনার করণীয়:
১. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সার্চ দিন

যেখান থেকে দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে, সেখানে গিয়ে “দলিল অনুসন্ধান (Search)” আবেদন করবেন।

এখান থেকে আপনার দাতার (Seller) পূর্বের দলিল সংগ্রহ করতে পারবেন।

২. ড্রাফট/খতিয়ান চেক করুন

যে জমি কিনেছেন তার RS, SA, BRS খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন।

যদি আপনার দাতার নাম খতিয়ানে থাকে, তাহলে সে মালিক ছিল—এটা প্রমাণ হয়।

৩. সিভিল কোর্টে ডিক্লারেটরি মামলা করতে পারেন

যদি প্রতিপক্ষ দলিল লুকিয়ে রাখে এবং আপনাকে হয়রানি করে, তাহলে আপনি আদালতে মামলা করতে পারেন।

আদালত সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে কপি টেনে আনবে।

৪. নামজারী আবেদন করুন

আপনার নামে দলিল রেজিস্ট্রেশন থাকলে, ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা এসি ল্যান্ড অফিসে নামজারী আবেদন করবেন।

তদন্তে যদি দলিল বৈধ হয়, তাহলে আপনার নামে খতিয়ান হয়ে যাবে।

৫. দলিল লেখকের ডায়েরি/ভলিউম থেকে কপি

অনেক সময় দলিল লেখকের ডায়েরিতে পুরাতন দলিল নম্বর পাওয়া যায়। সেটা সংগ্রহ করলে সমস্যার সমাধান সহজ হয়।

সহজ ভাষায়:

আপনার রেজিস্টার্ড দলিল থাকায় জমির মালিক আপনি, তবে বায়ানাম্বার না থাকায় প্রমাণে সমস্যা হচ্ছে।
তাই চিন্তা না করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে পূর্বের দলিল সার্চ করুন, না পেলে আদালতের সহায়তা নিন।
প্রতিপক্ষের কাছে দলিল থাকলেও সে চিরদিন লুকিয়ে রাখতে পারবে না, আদালত বা ভূমি অফিস চাইলে সেটা বের করবে।

মূল কথা :
আপনি জমি ভোগ করতে পারবেন, তবে ভবিষ্যতে বড় সমস্যায় না পড়তে হলে চেইন অব টাইটেল (বায়ানাম্বার) বের করা অত্যাবশ্যক।

25/09/2025

জমি কেনার পর আদালতের বারান্দায় গিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরার চেয়ে কেনার আগে কাগজপত্র নিয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া অতি উত্তম।

25/09/2025

আপনারা যারা আগামীতে বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষা দিবেন, প্রসতুতি নিচ্ছেন তাদের বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন -

1. Specific Relief Act কত সালে প্রণীত হয়?
a) 1872
b) 1877
c) 1908
d) 1882
উত্তর: b) 1877

2. Specific Relief Act মূলত কোন বিষয়ের উপর প্রযোজ্য?
a) Criminal law
b) Civil law
c) Evidence law
d) Constitutional law
উত্তর: b) Civil law

3. Specific Relief Act-এর উদ্দেশ্য কী?
a) ক্ষতিপূরণ প্রদান
b) দণ্ড প্রদান
c) প্রতিকার প্রদান
d) সংবিধান সংশোধন
উত্তর: c) প্রতিকার প্রদান

4. Declaration সম্পর্কিত বিধান কোন ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
a) ধারা 34
b) ধারা 39
c) ধারা 42
d) ধারা 54
উত্তর: c) ধারা 42

5. Specific performance এর প্রতিকার কোন ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
a) ধারা 12-30
b) ধারা 31-40
c) ধারা 42-54
d) ধারা 1-10
উত্তর: a) ধারা 12-30

6. Injunction এর বিধান কোথায় পাওয়া যায়?
a) ধারা 12-30
b) ধারা 31-40
c) ধারা 36-42
d) ধারা 52-57
উত্তর: d) ধারা 52-57

7. কোন remedy হলো discretionary remedy?
a) Specific performance
b) Compensation
c) Declaratory decree
d) Criminal punishment
উত্তর: a) Specific performance

8. Specific Relief Act-এর অধীনে কি সবক্ষেত্রে Specific performance পাওয়া যায়?
a) হ্যাঁ, সবক্ষেত্রে
b) না, কেবল নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে
c) কেবল Criminal মামলায়
d) কেবল Family মামলায়
উত্তর: b) না, কেবল নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে

9. Injunction এর দুই প্রকার কী?
a) Positive & Negative
b) Temporary & Permanent
c) Civil & Criminal
d) Mandatory & Optional
উত্তর: b) Temporary & Permanent

10. Contract rescission (চুক্তি বাতিল) সম্পর্কিত বিধান কোন ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
a) ধারা 27-30
b) ধারা 31-33
c) ধারা 34-35
d) ধারা 52-57
উত্তর: b) ধারা 31-33

25/09/2025

পুরাতন দলিল হারিয়ে গেছে? জানুন বের করার Easy way & Cost...

নিজের প্রয়োজনে কিংবা আইনি জটিলতা এড়াতে পুরাতন কোনো জমির দলিল খুঁজে বের করা জরুরি হয়ে পড়ে। ২০-৩০ বছর বা তারও বেশি পুরোনো দলিল হয়তো দুর্ঘটনায় নষ্ট হয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে, পোকা খেয়েছে কিংবা আগে থাকা কপিটিও এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মামলা বা আইনি জটিলতার মীমাংসায় দলিলটি অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

দলিল হারিয়ে গেলেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে তা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে পুনরায় উদ্ধার করা সম্ভব।

দলিল হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আবেদন করে নির্দিষ্ট তথ্য ও দলিল নম্বর (যদি জানা থাকে) দিয়ে তল্লাশি চালানো যায়। তথ্য না থাকলেও কিছু আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রেকর্ড থেকে দলিল পুনরুদ্ধার সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র, যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র, জমির খতিয়ান, ট্যাক্স রসিদ, অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার নামজারির তথ্য উপস্থাপন করতে হতে পারে
অনেক সময় জমির পুরাতন রেজিস্ট্রেশন নম্বর মনে না থাকলে, দলিলধারীর নাম, জমির ঠিকানা ও আনুমানিক রেজিস্ট্রেশন সাল দিয়েও খোঁজ চালানো যায়।

রেজিস্ট্রেশন আইনে যা আছে

রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা অনুযায়ী, যে কেউ নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত রেজিস্টার বহি (১ নম্বর ও ২ নম্বর) এবং সংশ্লিষ্ট সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারেন। একই আইনের ৬২ ধারায় বলা আছে, এই পরিদর্শনের ভিত্তিতে দলিলের সার্টিফায়েড কপি (নকল) সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও উইল বা অছিয়ত দলিলের ক্ষেত্রেও তল্লাশি ও কপি সংগ্রহের জন্য ৩ ও ৪ নম্বর বহির তথ্য খোঁজা যায়।

৫৭(৪) ধারা অনুযায়ী, দলিল যদি ৩ বা ৪ নম্বর বহিতে লিপিবদ্ধ থাকে, তবে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমেই তল্লাশি করতে হবে।

তল্লাশির ফি ও পদ্ধতি

দলিল খুঁজে পাওয়ার জন্য সূচিপত্র ও রেজিস্টার বহি তল্লাশির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ—

* একটি নির্দিষ্ট বছরের জন্য তল্লাশি ফি: ২০ টাকা
* অতিরিক্ত বছরের জন্য প্রতি বছর: ১৫ টাকা
* রেজিস্টার বহির প্রতিটি পৃষ্ঠা পরিদর্শনের ফি: ১০ টাকা
তবে ফি’র সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—একটি নির্দিষ্ট নাম বা সম্পত্তি সংক্রান্ত ভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফি ১৫০ টাকা।

দলিল খুঁজে পাওয়ার দুটি উপায়

এই ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন অবস্থা তৈরি হতে পারে। প্রথমত, আপনার কাছে যদি মূল দলিল থাকে, তবে সেটির শেষ পাতার উল্টো পৃষ্ঠায় দলিল নম্বর, সাল এবং কোন রেজিস্টার বইয়ের কোন পাতায় তা সংরক্ষিত আছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত উল্লেখ থাকে। এই তথ্য দিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের নকল পাওয়া যায়—তল্লাশির প্রয়োজন পড়ে না।

কিন্তু যদি আপনার কাছে দলিল না থাকে বা কোন তথ্য না থাকে, তবে তল্লাশি আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রি অফিসে ‘সূচিবহি’ নামে পৃথক দুটি রেকর্ড থাকে—একটি দলিলে উল্লেখিত ক্রেতা-বিক্রেতার নাম অনুযায়ী, অপরটি মৌজার নাম অনুযায়ী জমির বিবরণভিত্তিক। নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আপনি নিজে বা আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে এই সূচিপত্র তল্লাশি করে আপনার কাঙ্ক্ষিত দলিলটি চিহ্নিত করতে পারবেন।

বিনা ফিতে কবে পাওয়া যায়?

যদি দলিলের নকল চাওয়ার আবেদনের সঙ্গে নিবন্ধিত মূল দলিল বা তার সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করেন, তাহলে তল্লাশি ফি লাগবে না। এছাড়াও মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য আবেদন করলে কেবল একবার ফি প্রদান করলেই যথেষ্ট।
, পুরাতন দলিল হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি করলেই দলিল উদ্ধার সম্ভব। আইন অনুসারে, যে কেউ বৈধ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ফি দিয়ে দলিলের নকল তুলতে পারবেন।

25/09/2025

এদেশেই ভালো আইনজীবী হওয়া খুব সহজ।। শুধু সবসময় সৎ পরামর্শ দিলে রাতারাতি বিখ্যাত হওয়া যায়।। অধিকাংশ মানুষ ভবিষ্যৎহীন মামলা মোকদ্দমা নিয়ে কুপরামর্শের পিছনে দৌড়ায়।

23/09/2025

যারা প্রথমবার কর দেওয়ার সময় তাঁদের অনেকেই প্রথমবার রিটার্ন দেওয়ার সময় সঠিকভাবে দেন না। কৌশলী হন না। এবার প্রথমবার যাঁরা বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দেবেন, তাঁরা কিছুটা সতর্ক থাকবেন। ফরম পূরণ করার সময় কৌশলী হবেন। মনে রাখবেন, এ বছর আপনি ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের বিবরণী দেবেন। সম্পদের বিবরণীও দিতে হতে পারে।

এবার দেখা যাক, প্রথমবার রিটার্ন দেওয়ার আগে যা ভাবতে হবে।

১. সময়সীমা মনে রাখুন।

প্রতিবারের মতো এ বছর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। তবে নতুন করদাতাদের ক্ষেত্রে সারা বছরই দেওয়া যায়। এবার কিন্তু অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

২. সম্পদ লুকাবেন না।

প্রথমবারের রিটার্নে সম্পদ লুকাবেন না। আপনার নামে থাকা জমিজমা, নগদ টাকা, আসবাব, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি সবকিছুই রিটার্নে দেখান।

৩. বিয়ের উপহারও বাদ দেবেন না।

বিয়েতে আপনি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে পেয়েছেন। এগুলো রিটার্নে দেখিয়ে ফেলুন।

৪. সম্পদ দেখানো বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রথমবারই যা সম্পদ আছে, তা দেখিয়ে ফেলুন। কারণ, পরে হঠাৎ সম্পদ দেখালে কর কর্মকর্তারা উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এ নিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারেন।

৫. কৌশলী হয়ে অনেকে বেশি সম্পদ দেখান।

কৌশলগত বাড়তি সম্পদ দেখানো যায়। যেমন আপনার কাছে ২০ ভরি সোনা থাকলে ৫০ ভরি দেখালেন। ভবিষ্যতে নতুন সম্পদ যোগ করলে সেটি সমন্বয় করা সহজ হয়। মনে রাখবেন, চার কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের ওপর কর নেই।

৬. খরচ দেখাতে কিপটেমি করুন।

খরচ দেখাতে কিপটেমি করুন। আয়ের সঙ্গে যেন খরচের সংগতি থাকে। কারণ, আপনি আয়ের চেয়ে বেশি খরচ দেখিয়ে ফেললে বিপাকে পড়তে পারেন। আপনার খরচের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন কর কর্মকর্তারা।

৭. বিলাসী খরচে বিরত থাকুন।

আপনার আয় কম। যেমন ছোট পদের চাকরি করে জীবনযাত্রার খরচে দেখালেন নিয়মিত বিদেশ ভ্রমণ করছেন। সন্তানদের নামীদামি স্কুলে পড়াশোনা করান। তাহলে কর কর্মকর্তার এতে সন্দেহ হতে পারে।

৮. ধাপে ধাপে জীবনযাপনের পরিবর্তন দেখান।

আপনার জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন হয়ে গেছে, বিলাসী জীবন যাপন শুরু করলেন। রিটার্নে জীবনযাত্রার খরচের এসব দেখালে তা ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. কর কর্মকর্তারা প্রথমবার সদয় থাকেন।

প্রথমবার রিটার্ন দিলে কর কর্মকর্তারা তেমন একটা যাচাই–বাছাই করেন না। যা দেখাবেন, কর দেবেন—তা–ই মেনে নিতে পারেন তাঁরা। তাঁরা হয়তো ভাবেন, নতুন করদাতারা ভবিষ্যতের করদাতা। দীর্ঘ সময় কর দেবেন তাঁরা।

১০. সততার সঙ্গে রিটার্ন দিন।

সততার সঙ্গে এবং আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য রেখে ফরম পূরণ করুন। সৎভাবে রিটার্ন দিলে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা নেই।

চেক প্রতারণা মামলায় হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়চেক প্রতারণা সংক্রান্ত এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক গুরুত্...
23/09/2025

চেক প্রতারণা মামলায় হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়

চেক প্রতারণা সংক্রান্ত এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আদালত বলেছেন—

প্রাপকের নাম, টাকার অঙ্ক ও তারিখ ছাড়া কোনো চেক আইনের চোখে বৈধ নয় ।
🔹 ব্ল্যাঙ্ক (ফাঁকা) চেক প্রদান করলেও দাতা অর্থ প্রদানে বাধ্য নন।
“Undated cheque” বা “Blank cheque” ব্যাংকে উপস্থাপনযোগ্য নয়।

রায়ের তারিখ: ১৯ মে ২০২৫

মামলার পটভূমি:
অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম দাবি করেন—
২০১৯ সালের আগস্টে আসামি মান্নান তার কাছ থেকে ৪৮ লাখ টাকা ঋণ নেন এবং ফেরত না দেওয়ায় ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি চেক দেন। কিন্তু ব্যাংকে উপস্থাপন করলে তা “Insufficient Funds” মন্তব্যে ফেরত আসে।

আসামি জানান, তিনি ব্যবসায়িক লেনদেনে নিরাপত্তার জন্য কিছু চেক দিয়েছিলেন, যা পরে অভিযোগকারী ও তার পিতা পুরোনো চেক ব্যবহার করে মামলা করেছেন।

ট্রায়াল কোর্টের রায় (২৩ মে ২০২৪):

অভিযোগকারী ৪৮ লাখ টাকার উৎস প্রমাণ করতে পারেননি।
চেকের লেখার অংশে ভিন্ন হস্তাক্ষর পাওয়া গেছে।
আসামি শুধু স্বাক্ষর করেছেন, বাকি তথ্য কে লিখেছে তা স্পষ্ট নয়।
ফলাফল: আসামি খালাস পান।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ:

অভিযোগকারী কোনো বৈধ প্রমাণ হাজির করতে পারেননি।
প্রাপকের নাম, অর্থের পরিমাণ ও তারিখ ছাড়া কোনো চেক বৈধ নয়।
খালি বা ব্ল্যাঙ্ক চেক প্রদানের পর আসামিকে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করার আইনি সুযোগ নেই।
পুরোনো চেক ব্যবহার করে মামলা করা হয়েছে।

আদালত A.H. Ershadul Haque vs State, 75 DLR (2023) 447 মামলার নজির উল্লেখ করেছেন, যেখানে বলা হয়েছিল—

চেক প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে তা উপস্থাপন করতে হবে।
Undated বা Blank চেক আইনসঙ্গত নয়।

-চূড়ান্ত রায়:

* হাইকোর্ট ট্রায়াল কোর্টের খালাসাদেশ বহাল রাখেন।
* অভিযোগকারীকে **৫,০০০ টাকা জরিমানা** দিতে নির্দেশ দেন, যা ৩০ দিনের মধ্যে ট্রায়াল কোর্টে জমা দিতে হবে।

23/09/2025

👉বার কাউন্সিল Specific Relief Act ( সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন) ১৮৭৭ থেকে MCQ পরীক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর। পেইজে চোখ রাখুন। ধারাবাহিকভাবে সব বিষয়ে পাবেন।ধন্যবাদ।

প্রশ্ন ১: Specific Relief Act, 1877 কতটি অধ্যায়ে বিভক্ত?

ক) ৬টি

খ) ৭টি

গ) ৮টি

ঘ) ৯টি
উত্তর: খ) ৭টি

প্রশ্ন ২: Specific Relief Act, 1877 কোন সাল থেকে কার্যকর হয়?

ক) ১ মে, ১৮৭৭

খ) ১ এপ্রিল, ১৮৭৭

গ) ১ মার্চ, ১৮৭৭

ঘ) ১ জুন, ১৮৭৭
উত্তর: ক) ১ মে, ১৮৭৭

প্রশ্ন ৩: Specific Relief Act এর মূল উদ্দেশ্য কী?

ক) অপরাধের শাস্তি প্রদান করা

খ) দেওয়ানি প্রতিকার প্রদান করা

গ) চুক্তির শাস্তি প্রদান করা

ঘ) পুলিশি তদন্তে সহায়তা করা
উত্তর: খ) দেওয়ানি প্রতিকার প্রদান করা

প্রশ্ন ৪: Specific Relief Act এর কোন ধারায় Specific Performance (বিশেষ কার্য সম্পাদন) সম্পর্কে বলা হয়েছে?

ক) ধারা ১২

খ) ধারা ২১

গ) ধারা ২২

ঘ) ধারা ৫৪
উত্তর: ক) ধারা ১২

প্রশ্ন ৫: Specific Relief Act অনুযায়ী, Injunction কী?

ক) পুলিশি নির্দেশ

খ) আদালতের নির্দেশ, কোন কাজ করা বা না করার ব্যাপারে

গ) প্রশাসনিক আদেশ

ঘ) সরকারি নোটিশ
উত্তর: খ) আদালতের নির্দেশ, কোন কাজ করা বা না করার ব্যাপারে

প্রশ্ন ৬: Specific Relief Act অনুযায়ী কোন remedy দেওয়া যায় না?

ক) Recovery of possession

খ) Specific performance of contract

গ) Punishment of breach of contract

ঘ) Rectification of instrument
উত্তর: গ) Punishment of breach of contract

প্রশ্ন ৭: Rectification of Instrument কোন ধারায় বর্ণিত?

ক) ধারা ৩১

খ) ধারা ৩৩

গ) ধারা ৩৫

ঘ) ধারা ৩৭
উত্তর: ক) ধারা ৩১

প্রশ্ন ৮: Cancellation of Instrument কোন ধারায় আছে?

ক) ধারা ৩১

খ) ধারা ৩২

গ) ধারা ৩৯

ঘ) ধারা ৪১
উত্তর: গ) ধারা ৩৯

প্রশ্ন ৯: Injunction (নিষেধাজ্ঞা) বিষয়ক ধারা কোনটি?

ক) ধারা ৪২

খ) ধারা ৫২–৫৭

গ) ধারা ৩৯–৪১

ঘ) ধারা ১২–২১
উত্তর: খ) ধারা ৫২–৫৭

প্রশ্ন ১০: Declaratory decree কোন ধারায় আছে?

ক) ধারা ৪০

খ) ধারা ৪১

গ) ধারা ৪২

ঘ) ধারা ৪৩
উওর :ধারা ৪২

23/09/2025

ওয়ারিশান সম্পত্তি কেনার আগে এই ভুলগুলো করবেন না।

বর্তমান সময়ে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওয়ারিশান সম্পত্তি একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন ও মালিকানা নিয়ে অনেকেই আইনি জটিলতায় পড়ছেন। অনেক সময় বণ্টন দলিল ছাড়া বা মৌখিকভাবে জমি বণ্টন করা হয়, যা ভবিষ্যতে ক্রেতাদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

ওয়ারিশান সম্পত্তির বণ্টন দলিলের গুরুত্ব

ওয়ারিশান সম্পত্তি তখনই সঠিকভাবে বণ্টিত হতে পারে, যখন প্রতিটি ওয়ারিশের মধ্যে একটি বণ্টন দলিল তৈরি করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির মালিকানা ও ভাগ সঠিকভাবে নির্ধারিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি মারা যান এবং তাঁর ৫ একর জমি ১০টি দাগে বিভক্ত থাকে, তবে বণ্টন দলিল ছাড়া ওই সম্পত্তি ক্রয় করলে আইনি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কী ধরনের ঝামেলায় পড়তে পারেন?

১. দখল ছাড়তে হতে পারে

বণ্টন দলিল ছাড়া ক্রয়কৃত জমি অন্য ওয়ারিশের দাবি নিয়ে অস্থির হয়ে পড়তে পারে। দীর্ঘদিনের ভোগদখল থাকা সত্ত্বেও আদালত আপনার দখল কেটে দিয়ে অন্য কাউকে দিতে পারে।

২. নামজারি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা

নামজারি হল জমির মালিকানা প্রমাণের বৈধ দলিল। বণ্টন দলিল না থাকলে, অন্য কোনো ওয়ারিশ মামলা করলে আপনার নামজারি বাতিল হতে পারে।

৩. সম্পত্তির সীমানা পরিবর্তন হতে পারে

বণ্টন দলিল ছাড়া ক্রয়কৃত জমির সীমানা নিয়ে সমস্যা হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, রাস্তার পাশের জমি ক্রয় করলে সীমানা অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হতে পারে।

৪. দলিল বাতিলের ঝুঁকি

বণ্টন দলিল ছাড়া ক্রয়কৃত জমির দলিল আদালতে বাতিল হতে পারে। তাই সবসময় নিশ্চিত হওয়া জরুরি যে, দলিল আইনিভাবে বৈধ ও সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে।

সতর্ক থাকার পরামর্শ

১.বণ্টন দলিল নিশ্চিত করুন

জমি ক্রয়ের আগে বণ্টন দলিল আছে কি না যাচাই করুন। এটি মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

২. আইনি পরামর্শ নিন

একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন। সম্পত্তির বণ্টন, সীমানা এবং মালিকানা যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩.মৌখিক বণ্টন থেকে বিরত থাকুন

মুখে মুখে জমি বণ্টন বা মৌখিক চুক্তি করা আইনি জটিলতার প্রধান কারণ।

ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয়ে বণ্টন দলিল এবং আইনি পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। এতে ভবিষ্যতে দখল, নামজারি বা দলিল বাতিলের ঝুঁকি কমে এবং আপনি নিশ্চিন্তে জমির মালিক হতে পারবেন।

Address

Mohammadpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জনতার আইনজীবী-legal aid free of cost posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category