Legal Solution Chamber - LSC

Legal Solution Chamber - LSC Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Legal Solution Chamber - LSC, Legal Service, Suite 1301 (Level 12), Pritom Zaman Tower, 37/2 Purana Paltan, Dhaka 1000, Dhaka, Dhaka.

আল্লাহর বিধান বনাম মানুষের মনগড়া সংস্কার: মানবিকতার দোহাই বনাম আল্লাহর বিধান পরিবর্তন!যে সম্পত্তি একজনের মৃত্যুর পর তাঁর...
07/09/2026

আল্লাহর বিধান বনাম মানুষের মনগড়া সংস্কার: মানবিকতার দোহাই বনাম আল্লাহর বিধান পরিবর্তন!

যে সম্পত্তি একজনের মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হবে, সেই সম্পত্তি জীবদ্দশায় দান করে দেওয়ার প্রয়োজন কেন? আমার দৃষ্টিতে, এর একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী যারা উত্তরাধিকারী ও হকদার, তাদেরকে বঞ্চিত করা।

ইসলামী আইনে উসিয়ত বা Will এরও বিধান রয়েছে। পিতা-মাতা চাইলে মৃত্যুর আগে তাঁর সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ কাউকে উসিয়ত করে যেতে পারেন। তবে সেই ব্যক্তি পিতা-মাতার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির মালিক হয়ে যান না; মালিকানা কার্যকর হয় মৃত্যুর পর।

তাহলে পিতা-মাতার যদি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাঁরা হেবা না করে উসিয়তের মাধ্যমে সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারেন। এ জন্য আল্লাহর নির্ধারিত উত্তরাধিকার বিধান পরিবর্তন বা পাশ কাটানোর প্রয়োজন কেন হবে?

ধরুন, কোনো ব্যক্তির কোনো পুত্রসন্তান নেই; তাঁর দুইজন কন্যাসন্তান এবং একজন ভাতিজা আছে। ইসলামী উত্তরাধিকার বিধান অনুযায়ী, প্রযোজ্য অন্যান্য উত্তরাধিকারী না থাকলে দুই কন্যা সম্মিলিতভাবে দুই-তৃতীয়াংশ এবং অবশিষ্ট অংশ ভাতিজা পাবে।

কিন্তু মৃত্যুর আগে যদি তিনি সম্পূর্ণ সম্পত্তি হেবা করে দেন, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর ভাতিজা তার নির্ধারিত উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
আর যদি হেবা করার পরও পিতা-মাতা বাস্তবে সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ ও ভোগদখল নিজেদের কাছেই রাখেন, তাহলে ভবিষ্যতে বৈধ ওয়ারিশদের বঞ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ সম্পত্তি জীবদ্দশায় হেবা করে দেওয়ার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। এতে উত্তরাধিকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে।

আমাদের চোখে আপাতদৃষ্টিতে কোনো বিষয় মানবিক, সামাজিক কিংবা কল্যাণকর মনে হতে পারে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা যে বিধান দিয়েছেন, তার পেছনে এমন গভীর হিকমত ও তাত্পর্য থাকতে পারে, যা আমাদের সীমিত জ্ঞান দিয়ে সবসময় উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।

বরং এ ধরনের বিধান পিতা-মাতার জীবদ্দশায় সন্তানদের ওপর সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমনকি কেউ কেউ দ্রুত সম্পূর্ণ মালিকানা পাওয়ার লোভে চরম অপরাধের পথেও যেতে পারে পিতা-মাতার ওপর নির্যাতন থেকে শুরু করে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তাই আল্লাহর নির্ধারিত বিধানকে মানবিকতার দোহাই দিয়ে পরিবর্তন বা পাশ কাটানোর আগে আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
যারা আল্লাহর বিধান নিয়ে টালবাহানা, যুক্তির খেলায় পাণ্ডিত্য কিংবা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দিতে যাবেন তাঁদের উচিত পূর্বের পরিণতিগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া।

আল্লাহর বিধান মানুষের বানানো কোনো সাধারণ বিধান নয়। এর প্রতিটি বিধানের পেছনে রয়েছে গভীর প্রজ্ঞা, ভারসাম্য ও কল্যাণ। আমাদের কাজ হলো সেই বিধানকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করা নয়; বরং এর হিকমত বোঝার চেষ্টা করা এবং যথাযথভাবে অনুসরণ করা।

ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
হেড অব চেম্বারস, এলএসসি

02/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলো। মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেল চাইনিজ এবং অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগকারী।

বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের একজন মি. ফ্র‍্যাংক এবং অস্ট্রেলিয়ান ইনভেস্টর মি. সাক্সিনা। উনারা একটি দেওলিয়া হয়ে যাওয়া দুইটি কোম্পানি কিনে সেটিকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেন এবং কোম্পানির সকল বকেয়া পরিশোধ করার পরও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দেশে বিনিয়োগ করতে এসে যদি একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী এভাবে হয়রানি ও মামলার শিকার হন, তাহলে এটি শুধু একজন বিনিয়োগকারীর জন্য নয় বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের জন্যও অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা।

আলহামদুলিল্লাহ, তিনি মিথ্যা মামলা থেকে দুইজনই অব্যাহতি পেয়েছেন।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হয়রানির শিকার হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে নতুন করে বিদেশি বিনিয়োগ আসা কঠিন হয়ে পড়বে।

বাংলাদেশের স্বার্থেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন...
02/09/2026

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন এর মালিক কাজী আশফাক শামস।

ঢাকা: লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাজী তারেক শামস তার সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন,
"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে সব শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেয়। মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আদেশের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।"

আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১০৯ (প্ররোচনা/সহায়তা) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি বিচারার্থে আমলে নেন এবং দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ প্রদান করেন। এবং এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।

Warrant issued against Lakeshore Hotel MD Kazi Tareq Shams

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন...
02/09/2026

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন এর মালিক কাজী আশফাক শামস।

ঢাকা: লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাজী তারেক শামস তার সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন,
"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে সব শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেয়। মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আদেশের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।"

আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১০৯ (প্ররোচনা/সহায়তা) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি বিচারার্থে আমলে নেন এবং দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ প্রদান করেন। এবং এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।

লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্র.....

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন...
02/09/2026

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন এর মালিক কাজী আশফাক শামস।

ঢাকা: লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাজী তারেক শামস তার সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন,
"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে সব শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেয়। মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আদেশের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।"

আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১০৯ (প্ররোচনা/সহায়তা) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি বিচারার্থে আমলে নেন এবং দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ প্রদান করেন। এবং এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।

প্রতারণার অভিযোগে লেকশোর হোটেলের এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয...

02/09/2026

প্রতারণার অভিযোগে পাচ তারকা হোটেল লেকশোর এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু। বাদী পাচ তারকা হোটেল সিক্স সিজন এর মালিক কাজী আশফাক শামস।

ঢাকা: লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাজী তারেক শামস তার সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন,
"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে সব শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেয়। মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আদেশের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।"

আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১০৯ (প্ররোচনা/সহায়তা) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি বিচারার্থে আমলে নেন এবং দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ প্রদান করেন। এবং এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।

23/08/2026

Foreign Investment, Rule of Law & Investor Protection in Bangladesh

Mr. Ya is one of the leading foreign investors in Bangladesh. He acquired a company that had become insolvent with the intention of reviving its operations and contributing to its recovery. Despite settling the company’s outstanding liabilities, he was unfortunately subjected to what he claims to be false and fraudulent criminal allegations.

When a foreign investor comes to Bangladesh to invest and contribute to the economy, but instead faces harassment and criminal proceedings, it sends a deeply concerning message—not only to that individual investor, but also to the broader investment climate of Bangladesh.

Protecting foreign investors, ensuring access to justice, and upholding the rule of law are fundamental responsibilities of the State. If genuine foreign investors are subjected to such harassment, it may seriously undermine investor confidence and make it increasingly difficult for Bangladesh to attract new foreign investment in the future.

For the greater interest of Bangladesh, we must ensure that foreign investors receive security, fair treatment, due process, and confidence in the rule of law.

A secure and fair investment environment is essential for Bangladesh’s economic growth and international reputation.

Address

Suite 1301 (Level 12), Pritom Zaman Tower, 37/2 Purana Paltan, Dhaka 1000, Dhaka
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801732604603

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Solution Chamber - LSC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Legal Solution Chamber - LSC:

Shortcuts

Share

Category