Integrity Law Solutions

Integrity Law Solutions Our Consultancy & Serve:
1. Bank & Company Matter
2. All kind of Civil and Criminal Matter.
3. Income Tax
4. Vat

চুক্তি প্রবল (Specific Performance of Contract)ঃ চুক্তি প্রবলের মামলায় আদালত যদি ডিক্রিদাতা/দাতা (vendor)-কে কবলা দলিল র...
10/05/2026

চুক্তি প্রবল (Specific Performance of Contract)ঃ চুক্তি প্রবলের মামলায় আদালত যদি ডিক্রিদাতা/দাতা (vendor)-কে কবলা দলিল রেজিস্ট্রি করতে নির্দেশ দেন এবং রেজিস্ট্রেশনের জন্য আইনগতভাবে দাতার উপর আরোপিত “উৎসে কর/Capital Gain Tax/Advance Income Tax” পরিশোধ না করার কারণে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হয়, তাহলে ডিক্রিধারী (গ্রহীতা/purchaser) আদালতের অনুমতি নিয়ে দাতার নামে চালানের মাধ্যমে সেই টাকা জমা দিয়ে পরে উক্ত টাকা দাতার দায় হিসেবে সমন্বয় (adjustment) বা পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারেন—এমন নীতি Ex*****on Court সাধারণত Order XXI CPC এর equitable jurisdiction অনুযায়ী বিবেচনা করতে পারে।
তবে সরাসরি “উৎসে কর” বিষয়ে নির্দিষ্ট Appellate Division নজির পাওয়া কঠিন। কিন্তু নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তগুলো থেকে নীতিগত ভিত্তি পাওয়া যায় যে—
(১) বিক্রয় সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ আবশ্যক;
(২) আদালত Specific Performance ডিক্রি কার্যকর করতে ancillary direction দিতে পারে;
(৩) balance consideration/payment readiness বাধ্যতামূলক।
প্রাসঙ্গিক নজিরঃ
১। Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২১A(b) — balance consideration আদালতে জমা বাধ্যতামূলক।

Laws of Bangladesh +1
২। Md. Abul Kalam Vs. Md. Mohiuddin, 69 DLR (AD) 239
Appellate Division বলেছেন, balance consideration deposit করা condition precedent।

supremecourt.gov.bd +1
৩। Most. Ambia Khatun Vs. Sree Shuklal Turaha, 20 ALR (AD) 5
আদালত বলেন, sale deed execution-এর দাবি অবশ্যই প্রকৃত payment readiness সহ হতে হবে।

casereference.com +1
৪। Shahjahan Ali Fakir Vs. Md. Bappi Gazi, 14 MLR 497
পরবর্তী ক্রেতাকেও sale deed execution-এ যোগ দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল— অর্থাৎ আদালত ডিক্রি কার্যকর করতে consequential direction দিতে পারে।

Case Reference includes Legal Citations, Judgments, Act, Law, Ordinance, Legal Draftings, Bangladeshi Laws, Indian Laws, Rulings, Court etc.

Negotiable Instruments Act সংশোধন করা হয়েছে।
16/04/2026

Negotiable Instruments Act সংশোধন করা হয়েছে।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ইন্টিগ্রীটি ল সলিউশন এর পক্ষ থেকে সবাইকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা।শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!ইন্টিগ্রীটি ল সলিউশন-এর পক...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

ইন্টিগ্রীটি ল সলিউশন এর পক্ষ থেকে সবাইকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

ইন্টিগ্রীটি ল সলিউশন-এর পক্ষ থেকেও আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন এই বছরটি আপনার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি আর সমৃদ্ধি।

পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা
নতুন আশা: পুরনো বছরের সব জীর্ণতা মুছে গিয়ে আসুক নতুন উদ্দীপনা।

সাফল্য: আপনার প্রতিটি ন্যায়সঙ্গত প্রচেষ্টায় আসুক কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

আইনি সুরক্ষা: বরাবরের মতো আপনাদের আস্থার প্রতীক হয়ে পাশে আছে ইন্টিগ্রীটি ল সলিউশন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ নববর্ষ!

29/03/2026

৭১ বিধি কি?
👉 ৭১ বিধি = সংসদে জরুরি জনস্বার্থের বিষয় আলোচনার জন্য বিশেষ প্রস্তাব তোলার সুযোগ।
৭১ বিধি অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান, তাহলে তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে সেই বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেন।
🔹 মূল বিষয়বস্তু
এটি মূলত Notice of Motion for discussion বা বিশেষ আলোচনার প্রস্তাবের মতো।
সদস্যকে আগে থেকে লিখিত নোটিশ দিতে হয়।
বিষয়টি হতে হবে:
জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট
জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ
স্পিকার অনুমতি দিলে বিষয়টি সংসদে আলোচনা হয়।
🔹 ব্যবহারিক গুরুত্ব
বিরোধী দল বা যে কোনো সদস্য সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে আনতে এটি ব্যবহার করে।
অনেক সময় রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু (যেমন—দুর্নীতি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, আইনশৃঙ্খলা) এই বিধিতে তোলা হয়।
🔹 সহজভাবে
👉 ৭১ বিধি = সংসদে জরুরি জনস্বার্থের বিষয় আলোচনার জন্য বিশেষ প্রস্তাব তোলার সুযোগ।

29/03/2026

পিন্ডদানঃ
হিন্দু আইনে “পিণ্ডদান” (পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে অন্ন নিবেদন) সাধারণত নির্দিষ্ট আত্মীয়দের দ্বারা করা হয়। এটি মূলত শ্রাদ্ধ ও শেষকৃত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কারা পিণ্ড দিতে পারে:
★পুত্র (ছেলে)
প্রধান অধিকারী।
জ্যেষ্ঠ পুত্র থাকলে সে আগে, না থাকলে অন্য পুত্র।
★পৌত্র (নাতি)
পুত্র না থাকলে নাতি পিণ্ড দিতে পারে।
★প্রপৌত্র (নাতির ছেলে)
পুত্র ও নাতি না থাকলে।
★স্ত্রী (বিধবা স্ত্রী)
অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর জন্য স্ত্রী পিণ্ডদান করতে পারেন, বিশেষ করে যদি কোনো পুরুষ উত্তরাধিকারী না থাকে।
★কন্যা (মেয়ে)
প্রাচীন শাস্ত্রে সীমিত থাকলেও, আধুনিক প্রথায় কন্যাও পিণ্ডদান করতে পারে—বিশেষত পুত্র না থাকলে।
★ভাই / ভ্রাতুষ্পুত্র (ভাইয়ের ছেলে)
নিকটাত্মীয় হিসেবে এদের অধিকার আছে, যদি সরাসরি উত্তরাধিকারী না থাকে।
★অন্যান্য নিকট আত্মীয়
যেমন: দত্তক পুত্র, আত্মীয়-স্বজন—যদি কেউ না থাকে, তারা করতে পারে।
মূল কথা:
যিনি মৃত ব্যক্তির নিকটতম পুরুষ বংশধর, তিনিই প্রথম অধিকারী। তবে বর্তমান সময়ে সামাজিক ও আইনি পরিবর্তনের কারণে মেয়েরাও পিণ্ডদান করতে পারে, এবং অনেক জায়গায় তা স্বীকৃত।

29/03/2026

45 DLR (AD) 27
একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়, যার মূল বক্তব্য হলো :

যদি কোনো বিষয়ে স্পষ্ট ব্যবসায়িক লেনদেন (commercial transaction) থাকে, তাহলে সেটি সাধারণত দেওয়ানি (civil) বিরোধ হিসেবে বিবেচিত হবে—ফৌজদারি প্রতারণা (cheating) নয়।
আইনি ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির Penal Code 1860 এর ৪২০ ধারায় (cheating) অপরাধ প্রমাণের জন্য প্রয়োজন:
শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য (dishonest intention at inception) থাকতে হবে।
👉 কিন্তু যদি দেখা যায়—
পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তি বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল
এবং পরবর্তীতে কোনো পক্ষ টাকা/দায় পরিশোধ করেনি
তাহলে এটি সাধারণত: ➡️ চুক্তিভঙ্গ (breach of contract)
➡️ যা দেওয়ানি আদালতের বিষয়
আদালতের পর্যবেক্ষণ (সারসংক্ষেপ)
উক্ত মামলায় আপিল বিভাগ বলেছেন—
শুধুমাত্র টাকা না দেওয়া বা চুক্তি পালন না করা মানেই প্রতারণা নয়, যদি শুরুতে প্রতারণার উদ্দেশ্য প্রমাণিত না হয়।
সহজভাবে
✔️ আগে থেকেই ধোঁকা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে → ৪২০ ধারা প্রযোজ্য
❌ শুধু ব্যবসায় ক্ষতি বা টাকা না দেওয়া হলে → সিভিল মামলা হবে
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
সব ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য নয়। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে:
শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল
তাহলে ব্যবসায়িক লেনদেন হলেও ফৌজদারি মামলা চলতে পারে।

অধ্যাদেশ (Ordinance) সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে আইন প্রণয়নের একটি বিশেষ পদ্ধতি। বাংলাদেশে এটি প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি। নিচ...
24/03/2026

অধ্যাদেশ (Ordinance) সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে আইন প্রণয়নের একটি বিশেষ পদ্ধতি। বাংলাদেশে এটি প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি। নিচে সহজভাবে প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো—
🔹 অধ্যাদেশ কিভাবে পাশ হয়:
জরুরি প্রয়োজন তৈরি হয়
যখন জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলছে না এবং কোনো জরুরি বিষয়ে দ্রুত আইন দরকার হয়।
সরকারের প্রস্তাব:
মন্ত্রিসভা বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারির পরামর্শ দেয়।
রাষ্ট্রপতির জারি:
বাংলাদেশের সংবিধান এর ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন।
এই সময় এটি আইনের মতোই কার্যকর হয়ে যায়।
সংসদে উপস্থাপন:
যখন জাতীয় সংসদ পুনরায় বসে, তখন সেই অধ্যাদেশ সংসদে পেশ করা হয়।
অনুমোদন বা বাতিল:
সংসদ অনুমোদন করলে → এটি স্থায়ী আইন হয়ে যায়
অনুমোদন না করলে → নির্দিষ্ট সময় পর (সাধারণত ৩০ দিন) এটি বাতিল হয়ে যায়।

01724-995777
24/03/2026

01724-995777

এখন থেকে আপীল বিভাগে চেম্বার জজ হিসেবে দুইটি (০২) আদালতে মামলা শুনানি হবে।
20/07/2025

এখন থেকে আপীল বিভাগে চেম্বার জজ হিসেবে দুইটি (০২) আদালতে মামলা শুনানি হবে।

অস্ত্র আইনে লাইসেন্স  পাওয়ার বয়সঃবাংলাদেশের অস্ত্র আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় সাধারণত লাইসেন্স পাওয়ার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর ...
01/07/2025

অস্ত্র আইনে লাইসেন্স পাওয়ার বয়সঃ

বাংলাদেশের অস্ত্র আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় সাধারণত লাইসেন্স পাওয়ার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর বলা আছে (Arms Rules, 2017, Rule 17).

তবে নিরাপত্তা বাহিনী, বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, বা বিশেষ শ্রেণির ব্যক্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা অভিজ্ঞতার শর্ত থাকতে পারে — যেমন:

নিরাপত্তা গার্ড/প্রাইভেট কোম্পানির অস্ত্র বহনকারী কর্মী

সরকার নির্ধারিত কোনো ক্যাটাগরির আবেদনকারী

এইসব ক্ষেত্রে নীতিমালায় ভিন্ন বয়সসীমা থাকতে পারে, কিন্তু তা সাধারণ লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে নয়।
সংক্ষেপে:
🔹 অস্ত্র লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর
🔹 ৩০ বছর বয়স — কোনো নির্দিষ্ট লাইসেন্স বা পদবির জন্য আলাদাভাবে নির্ধারিত নয়, যদি না সেটি কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে হয়।
"Arms Licensing Policy" বা "অস্ত্র লাইসেন্স নীতিমালা"-তে নির্ধারিত আছে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রণীত একটি প্রশাসনিক নীতিমালা।

এই নীতিমালাটি সাধারণত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি Arms Act, 1878 ও Arms Rules, 2017 এর পরিপূরক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।

---

🎯 সরাসরি নির্দেশনা (মূল বক্তব্য):

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র লাইসেন্স নীতিমালায় বলা হয়:

> “লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স সাধারণত ৩০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে হতে হবে। ৩০ বছরের কম ও ৭০ বছরের বেশি বয়সের ব্যক্তির আবেদন ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে বিবেচনা করা যেতে পারে।”
📚 এটি কোথায় পাওয়া যায়?

এই তথ্য পাওয়া যায়:

1. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল গেজেট / অফিস আদেশ / লাইসেন্সিং গাইডলাইন
2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের দফতরে প্রচলিত “অস্ত্র লাইসেন্স গাইডলাইন”
3. RTI (Right to Information) বা আদালতের মামলায় উদ্ধৃত সরকারি নথিপত্র

🔍 উদাহরণস্বরূপ উৎস:

> যেমন ২০২০ সালের পর সংশোধিত “অস্ত্র লাইসেন্স ইস্যু নীতিমালা” (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ) -তে এই ৩০–৭০ বছর বয়সসীমার উল্লেখ পাওয়া যায়।

যেহেতু এটি নিয়মিত হালনাগাদ হয়, সর্বশেষ কপি চেয়ে আপনি চাইলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mhapsd.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
📌 সংক্ষেপে:

আইনে (Arms Act) বয়সসীমা ২১ বছর বলা আছে (ন্যূনতম)

কিন্তু লাইসেন্স প্রদানের বাস্তব নীতিমালায় বলা আছে:
👉 বয়সসীমা: ৩০ থেকে ৭০ ব

পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে:  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ,  এটুআই,  বিসিসি,  ডিওআইসিটি ও  বেসিস।

Address

Eastern Trade Center, 56 Inner Circular (VIP) Road, Room No. 01, Second Floor
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00

Telephone

+8801724995777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Integrity Law Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Integrity Law Solutions:

Share