School Of Lawyer's

School Of Lawyer's School Of Lawyer's. This is a Law & Educational Platform.

19/05/2023
29/08/2022

দন্ডবিধি(এক নজরে)
( The penal code),

প্রকাশ, ৬ই অক্টোবর ১৮৬০ সালে
কার্যকর-১ লা জানুয়ারি ১৮৬২সালে
সর্বশেষ সংশোধন হয়-২০০৪ সালে
৪৫ নং আইন, ধারা- ৫১১ টি , মূল আইন( Substantive law)
সর্বপ্রথম থমাস ম্যাকেল খসড়া তৈরি করেন, ১৮৩৪ সালে।

১অধ্যায়,,

১ ধারাঃ সারা বাংলাদেশে প্রযোজ্য
২ ধারাঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোন অপরাধের বিচার বাংলাদেশের দন্ডবিধি আইন অনুযায়ী হবে
৩ ধারাঃবাংলাদেশের বাহিরে কোন অপরাধের বিচার বাংলাদেশের দন্ডবিধি আইন অনুযায়ী হবে
৪ধারাঃ বাংলাদেশের কোন নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমান অপরাধ সংঘটিত হলে তার বিচার বাংলাদেশেের দন্ডবিধি আইন অনুযায়ী হবে
৫ধারাঃ সেনাবাহিনীর, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনীদের জন্য এই আইন সংরক্ষণ করা হয়েছে বা প্রযোজ্য হবে না,

২ অধ্যায়,

৮ ধারাঃ লিঙ্গ ( Gender)
৯ধারাঃ বচন (Number)
১০ধারাঃ পুরুষ মহিলা( Man, Women)
১১ধারাঃ ব্যক্তি( person)
১২ ধারাঃ জনগন( public)
১৪ ধারাঃ রাষ্ট্রিয় কর্মচারী (servant of the state)
১৭ ধারাঃ সরকার ( Government)
১৯ধারাঃ জজ( Judge)
২০ধারাঃ বিচারালয় ( Court of Justice)
২১ধারাঃ ১২ প্রকারের, সরকারী কর্মচারী (Public servant)
২২ধারাঃঅস্থাবর সম্পত্তি (Moveable property)
২৩ ধারাঃ অবৈধ লাভ(Wrongful gain)/অবৈধ ক্ষতি( Wrongful loss)
২৪ধারাঃঅসাধুভাবে(Dishonestly)
২৫ ধারাঃ প্রতারণামূলকভাবে( Fraudulently)
২৬ধারাঃবিশ্বাস করার কারন (Reason of believe)
২৭ ধারাঃ কোন ব্যক্তি সম্পত্তি যখন তার স্ত্রী, কেরানী,ভিত্যের অধিকারে থাকে তখন তার সম্পত্তি বলে গন্য হবে
২৮ ধারাঃ নকলকরন( Counterfeit)
২৯ ধারাঃ দলিল ( Document)
৩০ ধারাঃ মূল্যবান জানানত (Valuable Security)
৩১ধারাঃ উইল( A Will)
৩৩ ধারাঃ কার্য, বিচ্যুতি( Act,Omission)
৩৪ ধারাঃ অভিন্ন অভিপ্রায়( Common intention)
৩৫ ধারাঃ অপরাধ মূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায় দ্বারা যখন সংঘটিত হল
৩৬ ধারাঃ আংশিক কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দ্বারা যখন অপরাধ সংঘটিত হয়
৩৭ ধারাঃ কতিপয় অপরাধের সংঘটন
৩৮ ধারাঃ একই কার্যে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ সংঘটন
৩৯ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে ( Voluntarily)
৪০ ধারাঃ অপরাধের সংজ্ঞা (Offence)
৪১ধারাঃ বিশেষ আাইন (Special Law)
৪২ ধারাঃ স্হানীয় আইন( Local Law)
৪৪ ধারাঃ ক্ষতি( Injury)
৪৫ ধারাঃ জীবন (Life)
৪৬ ধারাঃ মৃত্যু(Death)
৪৭ ধারাঃ প্রানী(Animal)
৪৮ ধারাঃ জাহাজ( Vessel)
৪৯ ধারাঃ বছর, মাস(Year,Mounth)
৫০ ধারাঃ ধারা( Section)
৫১ ধারাঃ হলফ( Oath)
৫২ধারাঃ সরল বিশ্বাস ( Good faith)
৫২(ক)ধারাঃ আশ্রয়( Harbour)

৩ অধ্যায়,

৫৩ ধারাঃ ৫ প্রকারের, শাস্তি ( Punishments)
৫৩(ক)ধারাঃ যাবজ্জীবন দিপান্তর রদ হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
৫৪ধারাঃ সরকার মৃত্যুদন্ড হ্রাস করে যে কোন দন্ড দিতে পারে আসামির সন্মতি ছাড়া
৫৫ ধারাঃ সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করে ২০ বছর দিতে পারে
৫৫ ধারাঃ রাষ্ট্রপতি আদেশ ৫৪,৫৫ ধারার কোন অধিকারকে খর্ব করবে না
৫৭ ধারাঃ ভগ্নাংশ নিরুপনে কারাদণ্ড ৩০ বছর বুঝাবে
৬০ধারাঃ কারাদণ্ড বলতে যে কোন মেয়াদের বুঝাবে
৬৩ ধারাঃ কারাদণ্ডে মেয়াদ আসীম হবে না, তবে অত্যাধিক হবে না
৬৪ ধারাঃ অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
৬৫ ধারাঃ কারাদণ্ড সাথে অর্থদন্ত প্রদান করলে অর্থদন্ড অনাদয়ে কারাদণ্ড সর্বোচ্চো মেয়াদের ১/৪ অংশ
৬৬ধারাঃ কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদানে কারাদণ্ড অনাদায়ে অর্থদন্ড বুঝাবে সশ্রম, বিনাশ্রম
৬৭ ধারাঃ শুধু মাত্র অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাবাস বিনাশ্রম
৫০ টাকা অতিক্রম নাহলে ২ মাস
১০০ টাকা অতিক্রম না হলে ৪ মাস
১০০ টাকার অদিক হলে ৬ মাস
৬৮ধারাঃ আইনী প্রকৃিয়ায় অর্থদন্ড আদায় হলে কারাদণ্ড বাতিল হবে
৬৯ ধারাঃ অর্থদন্ড আংশিক আদায় হলে কারাদণ্ড আংশিক বাতিল হবে
৭০ ধারাঃ অর্থদন্ড আদায়ের সময়সীমা ৬ বছর
৭২ ধারাঃএকাধিক অপরাধের ক্ষত্রে কোন অপরাধ সংঘটিত হলো তা স্পষ্ট না হলে সর্বোনিন্ম মেয়াদের কারাদণ্ড দিবে
৭৩ ধারাঃ নির্জন কারাবাস ( Solitary confinement)
৬ মাসের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ১ মাস ;
১ বছরের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ২ মাস ;
১ বছরের অধিক হলে নির্জন কারাবাস ৩ মাস। ) (নির্জন কারাবাস সর্বসাকুল্যে ৩ মাসের অধিক হবে না)
৭৪ ধারাঃ নির্জন কারাবাসের সময়সীমা

৪ অধ্যায়,

৭৬ ধারাঃ আইন বলে বাধ্য ঘটনার ভূলে অপরাধ বলে গন্য নয়
৭৭ ধারাঃ বিচারক কতৃক বিচারচলাকালীন সময় কৃত কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৭৮ ধারাঃ আদালতের দ্বারা কোন আদেশ বা রায় প্রদানের কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৭৯ ধারাঃ আইন বলে সমর্থিত কোন কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৮০ধারাঃ আইনানুগ কোন কার্য সম্পাদায়নকালে দূর্ঘটনার অপরাধ বলে গন্য নয়
৮১ ধারাঃ বড়ো কাজ এড়াতে ছোট ক্ষতিকারক কাজ অপরাধ নয়
৮২ ধারাঃ ৯ বছরের কম বয়সী শিশুর কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৩ ধারাঃ ৯ বছরের বেশি কিন্তুু ১২ বছরের কম শিশুর কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৪ ধারাঃ অপ্রাকৃতিস্হ, উন্মাদ, নাবালক শিশুর কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৫ ধারাঃঅনিচ্ছাকৃত প্রমোক্তার কারনে বিচারশক্তি রহিত কোন ব্যক্তির কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৬ ধারাঃ মাতাল ব্যক্তির কৃত কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৭ ধারাঃ ১৮ বছরের উপরের ব্যক্তির নিকট থেকে সন্মতি প্রদানে কোন কার্য অপরাধ বলে গন্য নয়,
৮৮ ধারাঃ মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় ছাড়া কোন কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৮৯ধারাঃ অভিবাবকের সন্মতিক্রমে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় ছাড়া সৎ বিশ্বাসে কমত কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৯০ ধারাঃ যে সকল সন্মতি সন্মতি বলে বিবেচিত নয় ( ৫ টি ক্ষত্রে)
৯২ ধারাঃ সন্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি সৎ উদ্দেশ্য অপরের মোঙ্গললার্থে কৃত কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৯৩ ধারাঃ সরলবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ অপরাধ বলে গন্য নয়
৯৪ ধারাঃ হুমকী, ভয় ভীতি প্রদশর্নের সন্মতি দ্বারা কৃত কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৯৫ ধারাঃ ছোট বা ক্ষদ্র কোন কাজ অপরাধ বলে গন্য নয়
৯৬ ধারাঃ ব্যক্তগত আত্মরক্ষার অধিকার
৯৭ ধারাঃ অন্যের এবং নিজের শরীর ও সম্পত্তির ব্যক্তিগত আত্মরক্ষর অধিকার
৯৮ ধারাঃ উন্মাদ, অপ্রাকৃতিস্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার
৯৯ধারাঃ ২ টি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় না
১০০ ধারাঃ ৬ টি ক্ষত্রে শরীরের প্রতি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়
১০১ ধারাঃ মৃত্যু ব্যতীত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ
১০২ ধারাঃ শরীরের প্রতি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের সময়সীমা
১০৩ ধারাঃ ৪ টি ক্ষত্রে সম্পত্তির প্রতি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ
১০৪ ধারাঃ মৃত্যু ব্যতীত সম্পত্তির প্রতি আত্মরক্ষার অধিকার
১০৫ ধারাঃ সম্পত্তির প্রতি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের সময়সীমা
১০৬ ধারাঃ নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ

৫ অধ্যায়,,

১০৭ ধারাঃ অপরাধের সহায়তা (Abement of a athing)
১০৮ ধারাঃ সহায়তাকারী (Abettor)
১০৯ ধারাঃ শাস্তি, উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত শাস্তি
১১৫ ধারাঃ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন অপরাধের সহায়তাকরনের শাস্তি
অনুষ্ঠিত হলে, ১৪ বছর এবং অর্থদন্ড
অনুষ্ঠিত না হলে, ৭ বছরের এবং অর্থদন্ত
১১৭ ধারাঃ জনগন এবং দশের অধিক ব্যক্তি কতৃক অপরাধের সহায়তাকরন
শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ত বা উভয়দন্ড
১১৮ ধারাঃ মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরনকরন
শাস্তি, অনুষ্ঠিত হলে ৭ বছরের এবং অর্থদন্ড
না হলে, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের বা অর্থদন্ত বা উভয়দন্ড
১১৯ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী কতৃক অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরন যা বিবারন করা তার কর্তব্য ছিলো
শাস্তি, অনুষ্ঠিত হলে ব্যবস্তিত মেয়াদের অর্ধেক
না হলে ১/৪ অংশ
মৃত্যু সংঘটনে, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
১২০ ধারাঃ অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরন
শাস্তি, হলে ১/৪
না হলে ১/৮ অংশ

৫(ক) অধ্যায়,

১২০ ধারা, অপরাধের যড়যন্ত্রের সংজ্ঞা (Definition of criminal conspiracy)
শাস্তি, ১২০(ক) ধারা, ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
৬ অধ্যায়,
১২১ ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা উদ্বেগ
শান্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদন্ড
১২১(ক) ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধ যুদ্ধের ষড়যন্ত্র শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ত
১২২ ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধ যুদ্ধ করার অস্ত্র সংগ্রহ শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ত
১২৩ ধারাঃ যুদ্ধ সুগম করারা উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র
শাস্তি, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ত
১২৩(ক)ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধ কথা বা চিত্র দ্বারা নিন্দা করন
শাস্তি, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
১২৪ ধারাঃ সরকারী দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা বা বাধা প্রদানে রাষ্টপতি বাসরকার প্রমূখে আক্রমণ
শাস্তি, ৭ বছরের এবং অর্থদন্ত
১২৪(ক) ধারাঃ রাজদ্রোহিতা অপরাধ
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ৩ বছরের বা অর্থদন্ড
১২৫ ধারাঃ বাংলাদেশের সহিত মৈত্রি বন্ধনে আবদ্ব ঐশীয় শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করন
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ৭ বছরের এবং অর্থদন্ড, লুন্ঠিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির আদেশ।
১২৬ ধারাঃ বাংলাদেশের সাথে শান্তিতে বসবাসকারীর শক্তির রাজ্যের এলাকার সাথে লুন্ঠন অনুষ্ঠান
১২৮ ধারাঃ সরকারী কর্মচারীদের স্বেচ্ছাকৃতভাবে পালিয়ে যেতে দেওয়া
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
১২৯ ধারাঃ অবহেলাবসত সরকারী কর্মচারীদের পালিয়ে যেতে দেওয়া
শান্তি, অনধিক ৩ বছরের
১৩০ ধারাঃ যুদ্ধ অপরাধীদের পালিয়ে যেতে সাহায্যে করা, আশ্রয় দান
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ত

৭ অধ্যায়,

১৩১ধারাঃ বিদ্রোহের সহায়তা, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের এবং অর্থদ্ড
১৩২ ধারাঃবিদ্রোহ সংঘটন, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং কারাদণ্ড
১৩৫ ধারাঃ বিদ্রোহীদের পলায়নে সাহায্য, ২বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৩৬ ধারাঃ বিদ্রোহীদের আশ্রয় দান, ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৪০ ধারাঃ সেনাবাহিনীর, নৌ বাহিনীর, বিমান বাহিনীদের কোন পোষাক নকল চিহ্নিত করা বা পরিধান করার শান্তি, ৩ মাস বা ৫০০ টাকা বা উভয়দন্ড।

৮ অধ্যায়,

১৪১ধারাঃ বেআইনি সমাবেশ ( Unlawful Assembly)
১৪২ ধারাঃ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হবে
১৪৩ ধারাঃ শাস্তি, ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৪৪ ধারাঃ অস্ত্র দ্বারা বেআইনি সমাবেশ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৪৫ ধারাঃ বেআইনি ছত্রভঙ্গ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৪৬ধারাঃ দাঙ্গা ( Rioting)
১৪৭ ধারাঃ দাঙ্গার শান্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড
১৪৮ ধারাঃ মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা দাঙ্গা সংঘটিত হলে শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৪৯ ধারাঃ সাধারণ উদ্দেশ্য, শাস্তি মূল অপরাধের সমান
১৫১ ধারাঃ বেআইনি সমাবেশ নিষিদ্ধ জানিয়াও উপস্থিত হলে , শাস্তি ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৫২ ধারাঃ দাঙ্গা ইত্যাদি দমন কালে সরকারি কর্মচারী কতৃক আক্রমণ, শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৫৩(ক)ধারাঃ শ্রেণির সমূহের শত্রুতা বর্ব্ধন, ২ বছরের
১৫৩(খ) ধারাঃ বেআইনি সমাবেশ সংঘটনে ছাত্রনেতাদেরকে সহায়তা, ২ বছরের
১৫৪ ধারাঃ বেআইনী সমাবেশে ভূমি মালিকের দায়, ১০০০ টাকা অর্থদন্ড
১৫৭ ধারাঃ বেআইনি সমাবেশের ভাড়াটিয়াকে আশ্রয় দান, ৬ মাস
১৫৮ ধারাঃ বেআইনি সমাবেশের জন্য ভাড়াটিয়া হওয়া, ৬ মাস
১৫৯ ধারাঃ মারামারি ( Affray)
১৬০ধারাঃ মারামারি শাস্তি, ১ মাস বা ১০০ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।

৯ অধ্যায়,

১৬১ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী পারিশ্রমিক ব্যতীত বকষিশ গ্রহণ, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৬২ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী বেআইনি ভাবে বকশিস গ্রহণ, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৬৩ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী ব্যক্তিগত ভাবে বকশিস গ্রহণ, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৬৪ ধারাঃ ১৬২ এবং ১৬৩ ধারায় সহায়তা করলে শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৬৫ ধারাঃসরকারী কর্মচারী কতৃক সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে মূল্যবান জিনিস গ্রহন শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
১৬৮ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী সরকারি চাকরি কালিন অন্য ব্যবস্য করতে পারবে না, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

৯(ক) অধ্যায়,

১৭১ধারঃপ্রার্থীসমূহ( Candidate),নির্বাচনাধিকার( Electoral right)
১৭১(খ)ধারাঃ ঘুষ (Bribery
১৭১(ঙ) ধারাঃ ঘুষের শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

১০ অধ্যায়,

১৭২ধারাঃ সরকারি কর্মচারী কতৃক নিদর্শিত সমন, নোটিশ এড়িয়ে আত্মগোপন করলে
১ মাস / ৫০০ টাকা
১৭৩ ধারাঃ সমন প্রকাশনায় বাধা
১ মাস / ৫০০ টাকা
বিচারালয় হলে - ৬ মাস / ১০০০ টাকা
১৭৪ ধারাঃ সরকারী কর্মচারীদের আদেশ অমান্য করলে ১ মাস / ৫০০ টাকা
১৮৮ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী কতৃক ঘোষণার অমান্য, ১ মাস ২০০ টাকা
বিচারিক আদালতে ঘোষণা অমান্য, ৬ মাস, ১০০০

১১ অধ্যায়,

১৯১ ধারাঃ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান (Giving false evidence)
১৯২ ধারাঃ মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করা ( Fabracation false evidence)
১৯৩ ধারাঃ শাস্তি, বিচারক হলে ৭ বছেরর
বিচার বহিভূত হলে, ৩ বছরের
১৯৪ ধারাঃ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করানোর উদ্দেশ্য হলে, যাবজ্জীবন, ১০ বছরের
মৃত্যুদন্ডের উদ্দেশ্য নির্দোষ ব্যক্তির ফাঁসি ঘটানো
শাস্তি, মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন, ১০ বছরের কারাদণ্ড
১৯৫ ধারাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করার উদ্দেশ্য হলে, মূল অপরাধের ব্যবস্থিত শাস্তি।
১৯৬ ধারাঃ মিথ্যা জানার পরও সাক্ষ্য সত্য বলে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
১৯৭ ধারাঃ মিথ্যা সাটিফিকেট ইস্যু এবং স্বক্ষর করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
১৯৮ ধারাঃ মিথ্যা জানার পরও মিথ্যা সাটিফিকেট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা, শাস্তি মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
২০০ ধারাঃ মিথ্যা জানার পরও কোন ঘোষণা মিথ্যা হিসাবে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের অনুরুপ শাস্তি
২০১ ধারাঃ সাক্ষীকে গোপন করার জন্য সাক্ষ্য অদৃশ্য করা,
মৃত্যুদন্ড হলে, ৭/ যাবজ্জীবন হলে / ৩ বছরের
১০বছরের হলে, ১/৪
২০২ ধারাঃ মিথ্যা তথ্য প্রদানে বাধ্য ইচ্ছকৃত ত্রুটি
শাস্তি, ৬ মাস যে কোন মেয়াদের
২০৩ ধারাঃ অনুষ্ঠিত অপরাধ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য
প্রদান, শাস্তি ২ বছরের
২০৪ ধারাঃ তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা দলিল বিনিষ্ট করা, শাস্তি ২ বছরের
২০৫ ধারাঃদেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান। শাস্তি, ৩ বছরের
২০৯ ধারাঃ আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন। শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড
২১১ ধারাঃ ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্য মিথ্যা অভিযোগ, ২ বছরের
মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৭ বছরের কারাদণ্ড হলে, শাস্তি, ৭ বছরের
২১২ ধারাঃ অপরাধীকে আশ্রয় দান
মৃত্যু হলে, ৫ বছরের
যাবজ্জীবন হলে,৩ বছরের
১০ বছরের কম, ১/৪ বছরের
২১৬(ক) ধারাঃদস্যুতা ও ডাকাতের আশ্রয় দান
শাস্তি ৭ বছরের

১২ অধ্যায়,

২৩০ ধারাঃ মুদ্রা(Coin), বাংলাদেশের মুদ্রার সংজ্ঞা ( Definied Bangladesh coin)
২৩১ ধারাঃ মুদ্রাজালকরন( Counterfeiting coin) শাস্তি, ৩ বছরের
২৩২ ধারাঃ বাংলাদেশের মুদ্রা জালকরন (Conutrefeiting Bangladesh coin)শাস্তি, যাবজ্জীবন, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
২৩৩ ধারাঃ মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়
২৩৪ ধারাঃ বাংলাদেশের মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের
২৫৫ ধারাঃ সরকারী স্টাম্প জাল করন
শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ বছরের
২৫৬ধারাঃ সরকার স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি দখলে রাখা, শাস্তি, ৭ বছরের
২৫৭ ধারাঃ সরকারী স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
২৫৮ ধারাঃ জাল সরকারি স্টাম্প বিক্রিয়,শাস্তি ৭ বছরের
২৫৯ ধারাঃ জাল সরকারি স্টাম্প দখলে রাখা,শাস্তি, ৭ বছরের
২৬০ ধারাঃ জাল বলে জানার পরও সরকারি স্টাম্প খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করা

১৩ অধ্যায়,

২৬৪ ধারাঃ মিথ্যা ওজনের জন্য যন্ত্র প্রতারণামূলক ব্যবহার, শাস্তি, ১ বছরের
২৬৫ ধারাঃ মিথ্যা ওজন ও বাটখারা প্রতারণামূলক ব্যবহার,শাস্তি , ১ বছরের
২৬৬ ধারাঃ মিথ্যা ওজনের যন্ত্র দখলে রাখা
শাস্তি, ১ বছরের
২৬৭ ধারাঃ মিথ্যা বাটখারা বা মাপকাঠি তৈরি বা বিক্রিয়, শাস্তি, ১ বছরের

১৪ অধ্যায়,

২৬৮ ধারাঃ গন উপদ্রব ( Public nuisance)
২৬৯ ধারাঃ অবহেলাজনিত কার্য বা কার্যের ফলে জীবন বিপন্নকারী সংক্রমন বিস্তার লাভ, শাস্তি, ৬ মাস
২৭২ ধারাঃ খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ করিলে, শাস্তি, ৬ মাস, ১০০০ টাকা
২৭৩ ধারাঃ খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ করে বিক্রয় করিলে, শাস্তি, ৬ মাস, ১০০০ টাকা
২৭৪ ধারাঃ ঔষধে ভেজাল মিশ্রণ করিলে, শাস্তি, ৬ মাস, ১০০০ টাকা
২৭৫ ধারাঃ ঔষধে ভেজাল মিশ্রণ করে বিক্রিয়, শাস্তি, ৬ মাস, ১০০০ টাকা
২৮৯ ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি বা অশ্ব চালানোর শাস্তি, ৩ বছরের ( ১০০০ টাকা থকে ৫০০০ টাকা)
২৮০ ধারাঃ বেপরোয়া জাহাজ চালানো, শাস্তি ৬ মাস, ১০০০ টাকা

২৯২ ধারাঃ অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়
৩ বছরের
২৯৩ ধারাঃ অল্পবয়স্ক ( ২০ বছরের কম) ব্যক্তির নিকট অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়, শাস্তি, ৬ মাস
২৯৪ ধারাঃ অশ্লীল কার্য বা সঙ্গীত করা, শাস্তি ৩ মাস

১৫ অধ্যায়

২৯৫ ধারাঃ ধর্মীয় অবমাননায় উপাসনালয়ে ক্ষতি, শাস্তি, ২ বছরের
২৯৬ ধারাঃ ধর্মীয় সমাবেশ গোলযোগ সৃষ্টি করার শাস্তি, ১ বছরের
২৯৭ ধারাঃ গোরস্থানে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের
২৯৮ ধারাঃধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কোন কার্য বা শব্দসমূহ, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।

১৬ অধ্যায়,

২৯৯ ধারাঃ অপরাধজনক নরহত্যা ( Culpable Homicide)( ৩ টি ব্যাখ্যা)
৩০০ ধারাঃ খুন (Muder)(প্রথম অংশে, ৪ টি অনুচ্ছেদ ১।অভিপ্রায় ২। জ্ঞান ৩। জখমের ধরন ৪। আসন্ন বিপদজনক অপরাধ দ্বারা) (দ্বিতীয় অংশে, ৫ টি ব্যতিক্রম)
৩০১ধারাঃ কোন ব্যক্তিকে খুন করার উপক্রমে অন্য আরেক জনকে খুন, শাস্তি খুনের সমান শাস্তি
৩০২ ধারাঃ খুনের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদন্ড
৩০৩ ধারাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কতৃক খুন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড
৩০৪ ধারাঃ অপরাধজনক নরহত্যা শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩০৪(ক) ধারাঃ অবহেলাজনিত অপরাধ শাস্তি, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
৩০৪(খ) ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্ব চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধ, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
৩০৫ ধারাঃ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ডবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩০৬ ধারাঃ আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩০৭ ধারাঃ হত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ১০ বছরের।
হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত, শাস্তি, যাবজ্জীবন।
হত্যার উদ্যোগ নিয়ে আঘাত করিলে আঘাতের ফলে মৃত্যু, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩০৮ ধারাঃ আপরাধজনক নরহত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ৩ বছরের
অপরাধজনক নরহত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩০৯ ধারাঃ আত্মহত্যার চেষ্টা, শাস্তি, ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
৩১০ ধারাঃ ঠগ (সংজ্ঞা)
৩১১ ধারাঃ ঠগের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

(গর্ভপাত সংক্রান্ত অপরাধ)
৩১২ ধারাঃ গর্ভপাতকরন, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
নারী আসন্ন প্রসবা হলে (বিচলন অনুভব করলে),শাস্তি, ৭ বছরের
৩১৩ ধারাঃ স্ত্রী লোকটির সন্মতি ছাড়া গর্ভপাত করলে, শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
৩১৪ ধারাঃ গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে নারীর মৃত্যু সংঘটিত হলে, শাস্তি, ১০ বছরের
৩১৫ ধারাঃ শিশু ভূমিষ্টতে বাধা দান, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩১৬ ধারাঃ জীবন্ত অজাত শিশুর মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
৩১৭ ধারাঃ পিতা- মাতা বা অভিভাবক ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগ, শাস্তি, ৭ বছের
৩১৮ ধারাঃ গোপনে শিশুর মৃত্যুদেহ অপসারণ করে জন্ম গোপনকরন, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

আঘাত ( Hurt)
৩১৯ ধারাঃ আঘাত(Hurt) সংজ্ঞা
৩২০ ধারাঃ গুরুতর আঘাত ( Grievous Hurt)৮ শ্রেণির আঘাত
১। পুরুষত্বহীনতা ;
২। যে কোন চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্টকরন;
৩। যে কোন কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে নষ্টকরন ;
৪। অঙ্গ বা গ্রন্থির বিকৃতকরন;
৫। অঙ্গ না গ্রন্থির কর্মশক্তির চিরতরে নষ্টকরন;
৬। মস্তিষ্ক বা মুখমন্ডল বিকৃতকরন;
৭। হাড় বা দন্ত ভঙ্গ বা গ্রন্তিচ্যুতকরন;
৮। কোন বক্তিকে এমন আঘাত যা ২০ দিন মেয়াদের জন্য বা তার সাধারণ পেশায় অনুসরণ করতে কর্মক্ষমতা থেকে অক্ষম করে তোলে।
৩২১ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের সংজ্ঞা
৩২২ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞা
৩২৩ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের শাস্তি, ১ বছরের, ১০০০ টাকা
৩২৪ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
৩২৫ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা আঘাতের শাস্তি, ৭ বছরের
৩২৬ ধারাঃ ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাতের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
৩২৬(ক) ধারাঃ ৩২০(২),(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী (দুই চোখ বা এসিড দ্বারা মুখমন্ডল নষ্ট)অপরাধের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩৩০ ধারাঃ স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে স্বীকারোক্তি আদায়, শাস্তি, ৩ বছরের
৩৩১ ধারাঃ স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
৩৩২ ধারাঃ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে আঘাত, শাস্তি, ৭ বছরের
৩৩৩ ধারাঃ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩৩৪ ধারাঃ প্ররোচনা দানে উত্তজিত হয়ে আঘাত, শাস্তি, ১ মাস / ৫০০ টাকা
৩৩৫ ধারাঃ প্ররোচনা দানে উত্তেজিত হয়ে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ৪ বছরের / ২০০ টাকা
৩৩৮ (ক) ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি বা অশ্ব চালিয়ে গুরুতর আঘাত করে যার ফলে মানুষের জীবন বা অন্যের ব্যক্তগত জীবন বিপন্ন হয়, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড।

১৭ অধ্যায়ঃ

৩৩৯ ধারাঃ অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint)সংজ্ঞা
৩৪০ ধারাঃ অবৈধ আটক(Wrongful Confinement) সংজ্ঞা
৩৪১ ধারাঃ অবৈধ বাধার শাস্তি, ১মাস /৫০০ টাকা
৩৪২ ধারাঃ অবধৈ আটকের শাস্তি, ১ বছর /১০০০ টাকা
৩৪৩ ধারাঃ ৩ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড
৩৪৪ ধারাঃ ১০ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
৩৪৯ ধারাঃ বলপ্রয়োগ ( Force)
৩৫০ ধারাঃ অপরাধজনক বলপ্রয়োগ(Criminal Force)
৩৫১ধারাঃ আক্রমন (Assault)
৩৫২ ধারাঃ বলপ্রয়োগ ও আক্রমণের শান্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা
৩৫৩ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কতব্য পালন কালে বাধাদান শাস্তি, ৩ বছরের
৩৫৪ ধারাঃ নারীর শ্লীলতাহানি করনে আক্রমণ, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
৩৫৯ ধারাঃ অপহরণ( Kidnapping) সংজ্ঞা
৩৬০ ধারাঃ বাংলাদেশ থেকে অপহরণ ( পুরুষের বয়স ১৪, নারীর বয়স, ১৬)
৩৬১ ধারাঃ অভিভাবকের নিকট থেকে অপহরণ
৩৬২ ধারাঃ অপবাহন (Abducation)
৩৬৩ ধারাঃ অপহরণের শাস্তি, ৭ বছরের
৩৬৪ ধারাঃ খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণ
৩৬৪(ক)ধারাঃ ১০ বছরের নিচে কোন বয়সী ব্যক্তিকে খুন করার উদ্দেশ্য অপহরণ
শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩৬৫ধারাঃ গোপনীয় ও বেআইনীভাবে কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৩৬৬ ধারাঃ বিবাহের প্রলোভনে যৌন- সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩৬৬ (ক) ধারাঃ যৌন - সহবাসের জন্য বালিকা (১৮ বছরের) আমদানি, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩৬৬(খ)ধারাঃ বিদেশ থেকে বালিকা(২১ বছরের) আমদানি, শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩৭২ ধারাঃ বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা বিক্রিয়, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
৩৭৩ ধারাঃ বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা ক্রয়, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
৩৭৫ ধারাঃ ধর্ষন (Rape)(৫ টি কারন থাকলে ধর্ষন বলে গন্য হবে)
১।কোন ব্যক্তর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ;
২। কোন ব্যক্তির সন্মাতির বিরুদ্ধে ;
৩। সন্মতি নিয়ে, কিন্তুু কোন ভয় দেখিয়ে ;
৪। স্ত্রীলোকটি কোন পুরুষ ব্যক্তিকে তার স্বামী মনে করে অবৈধ যৌন - সহবাস সংঘটন করিলে
৫। সন্মতিসহ বা সন্মতি ব্যতীত স্ত্রীর বয়স ১৪ বছরের হলে
ব্যতিক্রমেঃ স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হবে না,
৩৭৬ ধারাঃ ধর্ষনের শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হলে, শান্তি ২ বছরের কারাদণ্ড
৩৭৭ ধারাঃ কোন পুরুষ বা নারী বা পশু দ্বারা অস্বাভাবিক অপরাধ( Unnateral affence)
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(চুরির অপরাধ)
৩৭৮ ধারাঃ চুরির ( Theft)সংজ্ঞা
৩৭৯ধারাঃ শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
৩৮০ ধারাঃ গৃহে, তাবুতে বা জলযানে চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৩৮১ ধারাঃ কেরানি বা চাকর কতৃক চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের
৩৮২ ধারাঃ চুরির উদ্দেশ্যে আঘাত, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

৩৮৩ ধারাঃ বলপূর্বক গ্রহণ( Extortion) ( ছিনতাই)
৩৮৪ ধারাঃ বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
৩৮৫ ধারাঃ বলপূর্বক গ্রহণের উদ্দেশ্যে আঘাত,শাস্তি, ১৪ বছরের যা ৫ বছরের কম হবে না
৩৮৬ ধারাঃ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে বলপূর্বক গ্রহণ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড।
৩৮৭ ধারাঃ বলপূর্বক গ্রহণের ভয় দেখিয়ে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩৯০ ধারাঃ দস্যুতা ( Robbery)সংজ্ঞা
৩৯২ ধারাঃ ১০ বছরের কারাদণ্ড।
রাত্রিবেলায় দস্যুতা সংঘটন, ১৪ বছরের কারাদণ্ড
৩৯৩ ধারাঃ দস্যুতার উদ্যোগ, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
৩৯৪ ধারাঃ দস্যুতার উদ্দেশ্যে আঘাত, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৩৯১ ধারাঃ ডাকাতির(Dacoity) সংজ্ঞা
৩৯৫ ধারাঃ শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
৩৯৬ ধারাঃ খুনসহ ডাকাতি,শান্তি, মুত্যদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ বছেরর যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৩৯৭ ধারাঃ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৩৯৮ ধারাঃ মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের ভয়ে রেখে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৩৯৯ ধারাঃ ডাকাতির প্রস্তুতি, শান্তি ১০ বছরের
৪০০ ধারাঃ ডাকাতির দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি যাবজ্জীবন, ১০ বছরের
৪০১ ধারাঃ চোরের দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৪০২ ধারাঃ ডাকাত সমবেত দলে যোগদান, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
৪০৩ ধারাঃ অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ( Dishonestly misappropriation of property) ( অস্থাবর সম্পত্তি) শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৪০৪ ধারাঃ মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ, শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের
মৃত্যু ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক কতৃক সম্পত্তির আত্মসাৎ, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
৪০৫ ধারাঃ অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)( স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তি)
৪০৬ ধারাঃ শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের কারাদণ্ড
৪০৭ ধারাঃ বাহক কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৪০৮ ধারাঃ কেরানী বা চাকর কতৃক বিশ্বাসভঙ্গ
শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৪০৯ ধারাঃ সরকারী কর্মচারী কতৃক, ব্যাংকার,বানিজ্যিক প্রতিনিধি এজেন্ট কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গকরন, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।

৪১০ধারঃ চোরাই মাল( Stolen property)
৪১১ ধারাঃ চোরাই মালের শাস্তি - ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
৪১২ ধারাঃ ডাকাতি সংঘটনকালে চোরাইমাল গ্রহণ, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৪১৩ ধারাঃ অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল দখলে রাখা, শান্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৪১৪ ধারাঃ চোরাই মাল লুকিয়ে রাখা, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
৪১৫ ধারাঃ প্রতারণা (Cheating)
৪১৬ ধারঃ ছদ্মবেশ প্রতারণা
৪১৭ ধারাঃপ্রতারনার শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের
৪১৯ ধারাঃ অপরের রুপ ধারনপূর্বক প্রতারণা, শান্তি ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৪২০ ধারাঃ প্ররোচনা বা সম্পত্তি সমর্পন করার জন্য প্রতারণা, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৪২৫ ধারাঃ অনিষ্ট করন( Mischief)
৪২৬ ধারাঃ শাস্তি, ৩ মাস
৪২৭ ধারাঃ ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি
শাস্তি, ২ বছরের
৪২৮ ধারাঃ ১০ টাকা জন্তুু হত্যা শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন কারাদণ্ড
৪৪১ ধারাঃ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( Criminal trespass)
৪৪২ ধারাঃ অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ( House trespass)
৪৪৩ ধারাঃ সঙ্গোপনে অনধিকপ্রবেশ(Lurking house trespass)
৪৪৪ ধারাঃ রাত্রিবেলায় সঙ্গোপনে অনধিক গৃহ প্রবেশ( Lurking house trespass by night)
৪৪৫ ধাারঃ অপথে গৃহপ্রবেশ (House -braking)( ৫টি উপায়ে)
৪৪৬ ধারাঃ রাত্রিবেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ (House braking by night)
৪৪৭ ধারাঃ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ শাস্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা জরিমানা
৪৪৮ ধারাঃ অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের / ১০০০ টাকা জরিমানা
৪৪৯ধারাঃ মৃত্যুদণ্ড সংঘটনের অভিপ্রায়ে অনধিক প্রবেশ, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৪৫০ ধারাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দন্ডিত করার অভিপ্রায়ে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১০ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

১৮ অধ্যায়

৪৬৩ ধারঃ জালিয়াতি ( Forgery)
৪৬৪ ধারাঃ মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করার হয় ( ৩ টি পন্থায়)
৪৬৫ ধারাঃ জালিয়াতির শাস্তি, ২ বছরের
৪৬৬ ধারাঃ আদালতের নথিপত্র, সরকারি রেজিস্ট্রার জালকরন, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
৪৬৭ ধারাঃ মূল্যবান জামানত,উইল জালকরন, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
৪৬৮ ধারাঃ প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
৪৬৯ ধারাঃ সুনাম হানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

২০ অধ্যায়

৪৯৩ ধারাঃ প্রতারণার উদ্দেশ্যে স্বামী -স্ত্রী রুপে সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের
৪৯৪ ধারাঃ স্বামী -স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৪৯৫ ধারাঃ পূর্বের বিবাহ গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
৪৯৬ ধারাঃ আইনসঙ্গত বিবাহ ছাড়া বিবাহ করিলে, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
৪৯৭ ধারাঃ ব্যভিচার ( শুধুমাত্র পুরুষ ব্যক্তিটি অভিযুক্ত হয়) শাস্তি, ৫ বছরের
৪৯৮ ধারাঃ অন্যের বিবাহিত স্ত্রীকে ফুসলাইয়া নিয়ে গেলে বা আটকে রাখলে, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড।

২১ অধ্যায়

৪৯৯ ধারাঃ মানহানির( Defamation) সংজ্ঞা
৫০০ ধারাঃ মানহানির শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
৫০১ ধারাঃ মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় বলে মুদ্রিত বা খোদাইকরন, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড
৫০২ ধারাঃ মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রিত বা খোদাইকরন বিক্রয়, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড

২২ অধ্যায়

৫০৩ ধারাঃ অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন ( Criminal intimidation)
৫০৬ ধারাঃ অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন শাস্তি, ২ বছরের
মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে ভীতিপ্রদর্শন, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
নারীর সতীত্ব নষ্টকরন, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদন্ড।

15/07/2022

একনজরে দেখে নিন #সাক্ষ্যআইন১৮৭২, #সুনির্দিষ্টপ্রতিকারআইন১৮৭৭ ও #তামাদিআইন১৯০৮ এর ধারার বিষয়বস্তুসমূহঃ

#সাক্ষ্যআইন১৮৭২ঃ
১) সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১ নং আইন।
২) সাক্ষ্য আইন পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
৩) সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে।
৪) সাক্ষ্য আইন পদ্ধতিগত আইন।
৫) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন স্যার জেমস স্টিফেন।
৬) সাক্ষ্য আইনের মোট ধারা ১৬৭টি।
৭) মোট অংশ ৩টি
৮) মোট অধ্যায় ১১টি।
৯) সাক্ষ্য আইনের ৩ধারা অনুসারে সাক্ষ্য বলতে বুঝানো হয়েছে, বচার কার্যের জন্য কোন বিষয় সম্পর্কে, সাক্ষির যে বিবৃতি প্রদান করার জন্য বা যে সকল দলিল আদালতে উপস্থাপন করার জন্য, আদালত অনুমতি প্রদান করে তাকেই বুঝানো হয়েছে। সাক্ষ্য প্রধানত দু প্রকার, যথাঃ
ক) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)
খ) দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)

ধারাঃ ১- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
ধারাঃ ৩-ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (Interpretation Clause )- ঘটনা, প্রাসঙ্গিক বিষয়, বিচার্য বিশয়/ঘটনা, দলিল,
সাক্ষ্য, প্রমানিত, মিথ্যা প্রমানিত, প্রমানিত নয়।
ধারাঃ ৪- অনুমান (Presumtion)
 ক) অনুমান করতে পারে (May Presume)
 খ) অনুমান করবে ( Shall Presume)
 গ) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)

ধারাঃ ৫- যে সকল বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
 ক) বিচার্য বিষয়
 খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়
ধারাঃ ৬- যে সকল ঘটনা একই কাজের অংশ সেগুলো প্রাসঙ্গিক (Res Gestae)
ধারাঃ ৭- ঘটনার উপলক্ষ, কারণ যা ঘটনার তথ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৮- উদ্দেশ্য/ আচরণ/বিদ্বেষ/প্রস্তুতি (Motive/Malice/Preparation) প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৯- প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১০- ষড়যন্ত্রকারীর কথা ও কাজ প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১১ – অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয় সেগুলো যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১২- যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারন করতে সহায়তা করে তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৩- যে সকল ঘটনা অধিকার ও প্রথার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৪- যে সকল বিষয় দ্বারা মানসিক ও শারিরিক অবস্থা ও অনুভূতি প্রকাশ পায় সে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৬- কার্য পরম্পরার অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক

ধারাঃ ১৭- স্বীকৃতির সংজ্ঞা/Admission
১) মৌখিক বিবৃতি
২) লিখিত বিবৃতি
#দোষ স্বীকারোক্তি/Confession
১) বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি (Judicial Confession)
২) বিচারবহির্ভূত দোষস্বীকারোক্তি (Extra-Judicial Confession)

#সাক্ষ্য আইনের ১৮ থেকে ২০ ধারার মধ্যে কারা স্বীকৃতি প্রদান করতে পারবে সে বিষয়ে উল্লেখ আছেঃ
ধারাঃ ১৮- ক) কার্যবাহের কোন পক্ষ বা তার এজেন্ট কতৃক
খ) প্রতিনিধিত্ব ভুমিকায় মোকদ্দমাকারি কতৃক
গ) বিষয়বস্তুতে স্বার্থানিত পক্ষ কতৃক
ঘ) যার নিকট থেকে স্বার্থের প্রাপ্তি ঘটেছে এমন ব্যক্তি কতৃক
ধারাঃ ১৯- যে ব্যক্তিগনের অধিষ্ঠান মোকদ্দমার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রমানিত হওয়া প্রয়োজন তাদের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২০- মোকদ্দমার পক্ষ কতৃক উল্লেখিত ব্যক্তিগন কতৃক স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২৩- দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৪- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত দোষস্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৫- পুলিশের নিকট দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৬- পুলিশ হেফাজতে থাকাকালিন প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৭- আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য যতটুকু প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ২৮- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি অপসারণ করার পর প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৯- অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হলে শুধুমাত্র গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতির ফলে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা।
ধারাঃ ৩০- একজন অপরাধীর দোষস্বীকারোক্তি যখন অন্য সহ আসামির/অপরাধির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩১- প্রমানে বাধা(Estoppel)

#এমন ব্যাক্তি যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না
 মৃত ব্যক্তি
 খুঁজে পাওয়া যায়না এমন ব্যক্তি
 সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তি
 যে ব্যক্তিকে হাজির করা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ্য
(বিঃদ্রঃ মৃত ব্যক্তির সাক্ষ্য মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক)
-----------
ধারাঃ ৩২- প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে মৃত ব্যক্তি/নিখোঁজ ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩২(১) মৃত্যুকালিন ঘোষণা (Dying Declaration)
ধারাঃ ৩৩- কোন মামলায় প্রদত্ত সাক্ষ্যের সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় যখন প্রাসঙ্গিক (শর্ত সাপেক্ষে)

ধারাঃ ৩৬- মানচিত্র, রেখাচিত্র ও নকশায় বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
ধারাঃ ৩৭- কোন কোন আইনের বা প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সার্বজনিক প্রকৃতির তথ্য সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।

ধারাঃ ৪০- ২য় মোকদ্দমায় বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তি মামলার রায় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৪১- প্রবেট বিষয়ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে রায়ের প্রাসঙ্গিকতা।

#তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিকঃ
ধারাঃ ৪৫- বিশেষজ্ঞের মতামত
ধারাঃ ৪৬- বিশেষজ্ঞগণের অভিমতের সাথে তথ্য যখন সম্পর্কযুক্ত হয় তা প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৪৭- হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত
ধারাঃ ৪৮- অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৪৯- প্রচলিত রীতিনীতি সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৫০- আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত

#চরিত্র কখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫২- দেয়ানি মামলায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৩- ফৌজদারি মামলায় চরিত্র প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৪- ফৌজদারি মামলায় অসচরিত্র প্রাসঙ্গিক/ অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৫- দেওয়ানী মামলায় বাদির চরিত্রে প্রাসঙ্গিকতা

#যে সকল ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেইঃ
ধারাঃ ৫৬- বিচারকের দৃষ্টিগোচরের ঘটনা
ধারাঃ ৫৭- যে সকল বিষয় আদালতকে বিচারিকভাবে লক্ষ্য করতেই হবে।
ধারাঃ ৫৮- স্বীকৃত ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন নেই।

#মৌখিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
ধারাঃ ৫৯- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণ
ধারাঃ ৬০- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

#দালিলিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে যে সকল দলিল আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার অনুমতি প্রদান করা হয় তাকেই বুঝায়। দালিলিক সাক্ষ্য(Documentary Evidence) দু প্রকার, যথাঃ
 প্রাথমিক সাক্ষ্য ( Primary Evidence)
 মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)

ধারাঃ ৬১- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ- দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ৬২- প্রাথমিক সাক্ষ্য(Primary Evidence)
ধারাঃ ৬৩- মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
ধারাঃ ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ
ধারাঃ ৬৫- যে ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
ধারাঃ ৬৬- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
ধারাঃ ৬৮- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত আবশ্যক তা সম্পাদনের প্রমাণ।
ধারাঃ ৬৯- যে ক্ষেত্রে কোন প্রত্যায়ক সাক্ষ্য খুঁজে পাওয়া যায়না সে ক্ষেত্রে প্রমান।
ধারাঃ ৭০- প্রত্যায়িত দলিলে পক্ষ কতৃক নিষ্পাদনের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ৭১-প্রত্যায়ক সাক্ষী নিষ্পাদ্ন অস্বীকার করলে তার প্রমাণ।
ধারাঃ ৭৩- সাক্ষর, লিখন বা সিলমোহর অন্য স্বীকৃত বা প্রমানিত সাক্ষর, লিখন বা সীলমোহরের সাথে মেলানো।

#সরকারি/বেসরকারি দলিল প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ৭৪- সরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৫- বেসরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৬- সরকারি দলিলের সার্টিফাইড কপি(জাবেদা নকল)
ধারাঃ ৭৭- জাবেদা নকল দ্বারা দলিলের প্রমাণ
ধারাঃ ৭৯- জাবেদা নকলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮০- সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলকৃত দলিল সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮৩- সরকারি কতৃত্বাধিনে প্রনিত নকশা
ধারাঃ ৮৫- আমমোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৯০- ত্রিশবছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান

#প্রমানের ভার/ দায়িত্ব বিষয়েঃ
ধারাঃ ১০১- প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০২- প্রমানের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়
ধারাঃ ১০৩- কোন নির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের দায়িত্ব (Plea of aliv নীতি)
ধারাঃ ১০৪- সাক্ষ্য প্রমাণ করার জন্য যে তথ্য প্রমান করতে হবে তা প্রমাণ করার দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৫- সাধারণ ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৬- বিশেষভাবে জানা ঘটনা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৭- ত্রিশ বচর ধরে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত প্রমানের দায়িত্ব

ধারাঃ ১০৮- সাত বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৯- কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১০- মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১২- সন্তানের বৈধতা প্রমানের দায়িত্ব/সন্তানের বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ
ধারাঃ ১১৪- আদালত কতিপ্য ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে

#স্বীকৃতির বাধা সম্পর্কেঃ
ধারাঃ ১১৫- স্বীকৃতির বাধা (Estoppel)- কোন ব্যক্তির, কোন জমিতে স্বত্ব বা কোন কিছুতে কোন অধিকার না থাকার পরেও অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত স্বত্বের বা অধিকারের বিষয়ে বিশ্বাস অর্জন করিয়ে যদি হস্তান্তর করতে চায় এবং হস্তান্তর করার পুর্বে যদি স্বত্ব অর্জন করে তাহলে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় উক্ত পুর্বকার স্বত্বহীনতার অজুহাত দিয়ে হস্তান্তর অস্বীকার বা স্থগিত করতে পারবেনা, আর এই নীতিকে বলা হয় স্বীকৃতির বাধা বা Estoppel.

>১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টোপেল নীতির প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারাঃ ১১৬- সাক্ষ্য আইনের ১১৬ধারা অনুযায়ী দুইটি ক্ষেত্রে এস্টপেল নীতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে......
ক) ভাড়াটিয়া(Tenant) এবং মালিক (Landlord)
খ) দখলি ব্যক্তির অনুমতিক্রমে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি(Licensee) এবং অনুমতিদাতা (Licensor)
ধারাঃ১১৭- বিল অফ এক্সচেঞ্জের বা বিনিময় বিলের ক্ষেত্রে এস্টপেল।

#সাক্ষী প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ১১৮- কে সাক্ষ্য দিতে পারে
ধারাঃ ১১৯- বোবা সাক্ষী
ধারাঃ ১২০- স্বামি বা স্ত্রি সাক্ষি
ধারাঃ ১২১- জজ বা ম্যজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২২- স্বামী বা স্ত্রির মধ্যে পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৩- রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২৪- সরকারি বার্তায় আদান প্রদান
ধারাঃ ১২৫- অপরাধের সংঘটন সম্পর্কে তথ্য
ধারাঃ ১২৬- পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৮- সেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে উধ্যত হলে বিশেষাধিকার অধিত্যক্ত হয়না
ধারাঃ ১২৯- আইন উপদেষ্টা
ধারাঃ ১৩০- পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষির স্বত্বদলিল উপস্থাপন
ধারাঃ ১৩২- কোন প্রশ্নের উত্তর কোন সাক্ষিকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এজন্য উক্ত সাক্ষিকে উত্তর দান থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবেনা।
ধারাঃ ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী
ধারাঃ ১৩৪- সাক্ষির সংখ্যা
ধারাঃ ১৩৫-সাক্ষীগনের উপস্থাপন ও পরিক্ষনের অনুক্রম
ধারাঃ ১৩৬- বিচারকগন সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারন করবেন
ধারাঃ ১৩৭- জবানবন্দী/জেরা/পুনঃজবানবন্দি
ধারাঃ ১৩৮- সাক্ষ্য গ্রহনের ধারাবাহিকতা
ধারাঃ ১৩৯- যে ব্যক্তিকে কোন দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়েছে তার জেরা
ধারাঃ ১৪০- চরিত্র সম্পর্কে
ধারাঃ ১৪১- ইঙ্গিতপুর্ন প্রশ্ন (Leading Question)
ধারাঃ ১৪২- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবেনা
ধারাঃ ১৪৩- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবে।
ধারাঃ ১৪৪- লিখিত বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১৪৫- পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা
ধারাঃ ১৪৬- জেরায় যে ধরনের প্রশ্ন আইনসম্মত করা যাবে
ধারাঃ ১৪৭- কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে
ধারাঃ ১৪৮-কখন প্রশ্ন করা এবং কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে তা আদালত কতৃক নির্ধারিত হবে
ধারাঃ ১৪৯- প্রশ্ন যুক্তিসংগত হেতু ব্যতীত করা যাবেনা
ধারাঃ ১৫০-যুক্তিসঙ্গত হেতু ব্যতীত প্রশ্ন করলে আদালতের করনীয় বা প্রকক্রিয়া
ধারাঃ ১৫১- অশালিন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫২-অপমান কিংবা উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫৩-সত্যবাদিতা পরিক্ষা করার জন্য প্রশ্নের উত্তর খণ্ডন করতে সাক্ষ্যের পরিবর্জন
ধারাঃ ১৫৪- নিজের সাক্ষিকে প্রশ্ন করা
ধারাঃ ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ
ধারাঃ ১৫৯- স্মৃতি পুরুজ্জিবিত করা
ধারাঃ ১৬১- স্মৃতি পুরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে বিরুদ্ধপক্ষের অধিকার
ধারাঃ ১৬২- দলিলের উপস্থাপন/দলিলের অনুবাদ
ধারাঃ ১৬৫- বিচারক কতৃক প্রশ্ন কিংবা কিছু দাখিলের আদেশ

#সুনির্দিষ্টপ্রতিকারআইন১৮৭৭
১) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ১৮৭৭ সালের ১নং আইন।
২) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয় ১৮৭৭ সালের ১লা মে।
৩) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হল বিষয়ভিত্তিক/প্রতিকারমুলক আইন (Substantive law)
৪) এই আইনের ৫৭ টি ধারা
৫) এই আইন ৩টি খণ্ড, ১০টি অধ্যায়ে বর্ণিত।

ধারাঃ ৫- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় ৫টি উপায়ে।
>সম্পত্তির দখল গ্রহন ও তার দাবিদারকে সম্পত্তি অর্পনের মাধ্যমে।
>সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দানের মাধ্যমে/যা করার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আছে, তেমন কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
>নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে অর্থাৎ যা না করার আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে তা না করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
>ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান ব্যতীত অন্য প্রকারে পক্ষসমুহের অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণার মাধ্যমে।
>রিসভার নিয়োগের মাধ্যমে।

ধারাঃ ৬- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধক প্রতিকার
ধারাঃ ৭- দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায়না।
ধারাঃ ৮- সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বসহ দখল পুনুরুদ্ধার/ মামলা করার সময়সীমা ১২ বছর)
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
ধারাঃ ১০- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনুরুদ্ধার।

ধারাঃ ১২- ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যায়। (অদ্য ধারার প্রয়োগ আদালতের সেচ্ছাধিন ক্ষমতা)
>চুক্তিভুক্ত কাজ ট্রাষ্টের অন্তর্ভুক্ত হলে।
>যে ক্ষেত্রে সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে ক্ষতির মানদণ্ড নির্ণয় করা যায়না।
>যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায়না।
>আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।

ধারাঃ ১৩- চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিক বিলুপ্ত হলে চুক্তিটি সম্পূর্ণরুপে বাস্তবায়নের অযোগ্য হবেনা বা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করা পুরোপুরি অসম্ভব হবেনা।
ধারাঃ ১৪- চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন, যেখানে অসম্পাদিত অংশ ছোট।
ধারাঃ ১৫- চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন, যেখানে অসম্পাদিত অংশ বড়।
ধারাঃ ১৬- চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন।
ধারাঃ ১৭- এমন কোন চুক্তি যা উপরোক্ত ১৪, ১৫, এবং ১৬ ধারার আওতায় পড়েনা, সেসবক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার যায়না।
ধারাঃ ১৮-ত্রুটিপুর্ন স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার।
ধারাঃ ১৯- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যথেষ্ট না হলে ক্ষতিপূরণের আদেশ।
ধারাঃ ২০- খেসারত পরিশোধ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধা নহে।

ধারাঃ ২১- যেসব ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়:
>যে চুক্তির কার্যসম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
>যে চুক্তি জটিলতার কারণে সম্পাদন অযোগ্য হয়।
>চুক্তির শর্তাবলি ত্রুটিযুক্ত ও অযৌক্তিক হলে।
>চুক্তির প্রকৃতি শুরু থেকেই বাতিলযোগ্য হলে।
>ট্রাস্টি কতৃক কৃত এমন চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা লঙ্ঘন করে করা হয়েছে।
>ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি
>যে চুক্তি সম্পাদনে ৩বছরের বেশি সময় কাজ করতে হবে।
>যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিলুপ্তি ঘটেছে।

ধারাঃ ২১ক- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যাবেনা। (ধারাটি সংযোজিত করা হয়েছে ২০০৪ সালে/ কার্যকর করা হয়েছে ১লা জুলাই, ২০০৫ সাল থেকে)

ধারাঃ ২২- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ আদালতের ইচ্ছাধিন ক্ষমতা তবে এটি স্বেচ্ছাচারিতা হবেনা বরং সুষম, যুক্তিসংগত বিচার বিভাগিয় মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কতৃক সংশোধনযোগ্য।

ধারাঃ ২৩- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার প্রদান যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ধারাঃ ২৪- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকারের আবেদন যারা করতে পারবেনা।
ধারাঃ ২৭- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করা যায় যাদের বিরুদ্ধে।
ধারাঃ ২৮- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করা যায় না যাদের বিরুদ্ধে।
ধারাঃ ২৯- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হলে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেনা।

ধারাঃ ৩১- দলিল সংশোধন (তামাদির মেয়াদ ৩ বছর, অনুঃ ৯৫, ৯৬)
ধারাঃ ৩২- পক্ষসমুহের ইচ্ছা সম্বন্ধে অনুমান।
ধারাঃ ৩৩-সংশোধন সম্বন্ধীয় মুলনিতিসমুহ।
ধারাঃ ৩৪- সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর।
ধারাঃ ৩৫- বিচারপুর্বক চুক্তি রদ।
ধারাঃ ৩৬- লিখিত চুক্তি শুধুমাত্র ভুলের জন্য সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা যায়না।
ধারাঃ ৩৭- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসেবে চুক্তি রদ।
ধারাঃ ৩৮- চুক্তি বাতিল হলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের প্রতিকার।
ধারাঃ ৩৯- দলিল বাতিল ( দলিল রদ বা বাতিল করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর, অনুচ্ছেদ ৯১)।
ধারাঃ ৪০- দলিল আংশিক বাতিল বা আংশিক সংশোধন
ধারাঃ ৪১- দলিল বাতিলকারি পক্ষ কতৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
ধারাঃ ৪২- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
 বাদির আইনগত পরিচয়
 সম্পত্তিতে বাদির কোন অধিকার বিষয়ে
ধারাঃ ৪৩- ঘোষণার ফলাফল।
ধারাঃ ৪৪- রিসিভার নিয়োগ
ধারাঃ ৫২- প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর
ধারাঃ ৫৩- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ধারাঃ ৫৪- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়/ যেসব ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়
ধারাঃ ৫৫- বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ধারাঃ ৫৬- নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান (১১টি ক্ষেত্রে)
ধারাঃ ৫৭- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা

#তামাদিআইন১৯০৮

১) তামাদি আইন ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে পাশ হয়
২) তামাদি আইন কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
৩) এটি ১৯০৮ সালের ৯নং আইন
৪) তামাদি আইন পদ্ধতিগত আইন
৫) তামাদি আইনের মোট ধারা ২৯টি
৬) তামাদি আইনের তফসিল ১টি এবং অনুচ্ছেদ ১৮৩টি
৭) তামাদি আইন ১৯০৮ সংশোধন করা হয় ২০০৪ সালে

#ধারাঃ ৩- তামাদির মেয়াদশেষে মামলা, আপীল, দরখাস্ত দায়েরের ফলাফল (অবশ্যই খারিজ হবে আদালত কতৃক)
#ধারা- ৪- তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে ফলাফল (আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা /আপীল/ আবেদনপত্র দায়ের করা যাবে)

#ধারাঃ ৫- তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকূফ
ক) আপীল খ) রিভিউ এর দরখাস্ত
গ) রিভিশনের দরখাস্ত ঘ) আপীল আবেদনের অনুমতি চেয়ে দরখাস্তের ক্ষেত্রে /অন্য কোন আইনে যেখানে তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য।

#ধারাঃ ৬- বৈধ অপারগতা ( নাবালকত্ব/ উণ্মাদ/ জড়বুদ্ধ বা নির্বোধ)- তামাদির গণনা শুরু হবে যখন আইনগত অপারগতার অবসান হবে।
#ধারাঃ ৭- যৌথ দায়
#ধারাঃ ৮- বিশেষ ব্যতিক্রম ( অগ্রক্রয় এবং আইনগত অক্ষমতা অবসানের পর ৩বছর অতিক্রম হলে ৬ ও ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবেনা।
#ধারাঃ ৯- সময়ের অবিরাম চলন ( তামাদির গণনা একবার শুরু হলে তা কোন অক্ষমতা দ্বারা থামতে পারেনা)
#ধারাঃ ১০- ট্রাস্ট বা প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মামলা

#ধারাঃ ১২- কোন কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গননা বাদ যাবে ( প্রধানত ৪টি ক্ষেত্রে)
#ধারাঃ ১৩- বিবাদি দেশের বাহিরে থাকলে সেই সময়টি স্থগিত থাকবে তামাদি গণনা হতে।
#ধারাঃ ১৪- সৎ উদ্দেশ্যে এখতিয়ারবিহিন আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি গণনা
বাদ যাবে।
#ধারাঃ১৫ আদালত কতৃক কোন কার্যধারা স্থগিত থাকলে তামাদি গননা বাদ যাবে
#ধারাঃ ১৭ মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যু হলে ফলাফল

#ধারাঃ ১৮- প্রতারনার ফলাফল
#ধারাঃ ১৯- লিখিতভাবে স্বীকারোক্তির ফলাফল ( লিখিতভাবে দায় স্বীকার করতে হবে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ার পূর্বে এবং স্বীকারোক্তির পর নতুন করে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে।)
#ধারাঃ ২০- ঋণ পরিশোধ বা সুদ প্রদানের ফলাফল
#ধারাঃ ২২- নতুন বাদি বা বিবাদি পক্ষভুত বা স্থলাবিষিক্ত হলে
#ধারাঃ ২৩- অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্ট হলে
#ধারাঃ ২৪- ক্ষতি সংঘটিত হলে

#ধারাঃ ২৬- পথাধিকার বা সুখাধিকার/ সুখাধিকার অর্জন (Acquisition of right to easements) –সরকারি সম্পত্তিতে ৬০বছর এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে ২০ বছর)
#ধারাঃ ২৮- বিরুদ্ধ দখল/জবর দখল/বাদির অধিকার নষ্ট
#ধারাঃ ২৯- ব্যতিক্রম ( কোন কোন আইনে তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়).

School Of Lawyer's....

Address

Dhaka

Telephone

+8801738801902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when School Of Lawyer's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to School Of Lawyer's:

Share

Category