Legal Assistance & Advice BD আইনি সহায়তা ও পরামর্শ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Legal Assistance & Advice BD আইনি সহায়তা ও পরামর্শ।

Legal Assistance & Advice BD আইনি সহায়তা ও পরামর্শ। Welcome to Legal Assistance & Advice BD (LAAB).

ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর কিছু ধরায় গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনা হয়েছে। এই সংশোধনে পুলিশের গ্রেফতারের বিষয়ে এবং এই আইনের জরিম...
10/08/2025

ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর কিছু ধরায় গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনা হয়েছে। এই সংশোধনে পুলিশের গ্রেফতারের বিষয়ে এবং এই আইনের জরিমানা বৃদ্ধির বিষয়ে সহ আরো কিছু বিষয় সংশোধন আনা হয়েছে।

আয়কর রিটার্ন দাখিলে এখন থেকে আরো সতর্ক হোন।ইউটিউবের ভুলভাল ভিডিও দেখে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন না।আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক...
10/08/2025

আয়কর রিটার্ন দাখিলে এখন থেকে আরো সতর্ক হোন।ইউটিউবের ভুলভাল ভিডিও দেখে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন না।আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নিন এবং ভবিষ্যতে ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।

🎯আসসালামু আলাইকুম।আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো "ইনকাম ট্যাক্স/আয়কর " নিয়ে। আমরা সবাই কম বেশি এই বিষয়টির কথা শুনেছি।এই ব...
28/06/2022

🎯আসসালামু আলাইকুম।আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো "ইনকাম ট্যাক্স/আয়কর " নিয়ে। আমরা সবাই কম বেশি এই বিষয়টির কথা শুনেছি।এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক কৌতুহল ও কাজ করে এবং অনেকেই এই বিষয় নিয়ে জানতে আগ্রহী। প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের আয়কর নিয়ে প্রাথমিক ধারণা থাকা উচিৎ কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে এই বিষয়গুলো জড়িত,যেকোনো সময় আপনার এই বিষয়গুলোর প্রয়োজন হতে পারে। আজকে" ইনকাম ট্যাক্স/আয়কর" নিয়ে আপনাদের কিছু প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি লেখাটি পুরো পড়ার চেষ্টা করবেন।

🎯 প্রথমেই যা জানা উচিৎ তা হলো আয়কর হিসাব হয় বাৎসরিক এবং প্রতি বছর এর আয়কর প্রতি বছর দিতে হবে। আর এই আয়কর এর বাৎসরিক হিসাব শুরু হয় "জুন/জুলাই" মাস থেকে এবং আয়কর অধিদপ্তর (NBR) প্রতি বছর একটি সময় নির্ধারণ করে দেন যে কতো দিন পর্যন্ত আয়কর দাখিল করা যাবে।

🎯আপনি বাংলাদেশের নাগরিক, আপনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী বা চাকুরীজীবি বা আপনি বৈধ আয়ের কোন পেশায় নিয়োজিত আপনার এই আয়ের উপর আয়কর প্রদান করতে হবে।
♦️প্রশ্ন আসতে পারে "আয় থাকলেই কি আয়কর দিতে হবে?"
এর উত্তর হলো "না"। আয় থাকলেই আপনাকে আয়কর দিতে হবে না, আপনার এই আয় যদি একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে তাহলে আপনাকে আয়কর দিতে হবে।
♦️আবার প্রশ্ন করতে পারেন আয়কর দেওয়ার টাকার সীমা কতো? কতো টাকা আয় করলে আয়কর দিতে হিবে?
আচ্ছা এই ক্ষেত্রে একজন পুরুষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে টাকার অংকে তা ৩,০০,০০০/-(তিন লক্ষ টাকা) আর একজন নারীর ক্ষেত্রে ৩,৫০,০০০/-(তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) অর্থাৎ আপনার বাৎসরিক আয় যদি এই টাকার বেশি হয় তাহলে আপনাকে আয়কর দিতে হবে।

🎯তবে চিন্তা করবেন না,এই ক্ষেত্রে অনেক কিছু হিসাব নিকাশ করে আয়কর গননা করতে হবে। আপনার আয় (৩,০০,০০০/৩,৫০,০০০) হলেই যে আপনাকে আয়কর দিতে হবে বিষয়টি এরকম নয়, আপনার আয় এর চেয়ে ব্যয় বেশি হলে আয়কর দিতে হবে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি আয়কর মওকুফের বিশেষ সুবিধাও পেতে পারেন।
যেমন ধরেনঃ
i) "আপনি ঢাকা শহরে একটি বাড়ির মালিক।আপনার বাড়ির ছাদে যদি ছাদ বাগান থাকে তাহলে আপনি ১০% পর্যন্ত আয়কর মওকুফ এর সুবিধা পেতে পারেন"।
ii) আপনি যদি একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা হোন আপনার ক্ষেত্রে আরো ১,৭৫,০০০ টাকা মওকুফ/ছাড় রয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধার বাৎসরিক আয় ৪,৭৫,০০০/-(চার লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকার) কম হলে আয়কর দিতে হবে না।
iii) প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ছাড় ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) পর্যন্ত।
এমন আরো কিছু কর ছাড় একজন করদাতা পেতে পারেন বা ওই টাকার উওর সেই ব্যক্তির কর দিতে হবে না।
♦️প্রশ্ন করতে পারেন "আয়কর/ইনকাম-ট্যাক্স" কিভাবে দিবেন বা কিভাবে দাখিল করবেন?
উত্তরঃ আপনি যদি নিজে নিজের আয়কর হিসাব করতে পারেন তাহলে নিজের "আয়কর রিটার্ন" নিজেই জমা দিতে পারবেন। তবে আপনি যদি সঠিক ভাবে তা নির্ণয় করতে না পারেন তা হলে ঝুঁকি নিবেন না,কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে বা আয়কর উপদেষ্টার মাধ্যমে তা নির্ণয় করিয়ে নিতে পারেন। আয়কর সবকিছু হিসেবে-নিকাশ করে দাখিল করতে হয়।

🎯🎯🎯কিছু প্রয়োজনীয় কথাঃ
👉আয়কর দিতে হবেনা বা না দিলেও হয় এই কথা ভুল।আপনার যদি আয়কর দেবার মতো আয় থেকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে আয়কর দিতে হবে।
👉"আয়কর পরে দিলেও হবে কোনো সমস্যা নেই" এইসব ভুল ধারণা।আয়কর যথা সময়ে পরিশোধ করতে হয়।
👉আয়কর যথা সময়ে পরিশোধ না করলে আপনাকে জরিমানা গুনতে হতে পারে।
👉আপনার যদি কোনো আয়/ইনকাম কর দেবার মতো না হয় তাহলেও রিটার্ন দাখিল করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে "জিরো রিটার্ন" দাখিল করতে হবে।
👉 সময়ে সময়ে প্রতি বছর আয়করের নিয়মনীতি পরিবর্তন হতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

🎯 এই ছিলো আয়কর নিয়ে খুবই অল্প ও প্রাথমিক ধারণা। আয়কর নিয়ে আরো অনেক কিছু জানার আছে এবং বোঝার আছে। আয়কর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে "আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪" পড়তে পারেন।
আজ এই পর্যন্তই আগামী কোনো দিন "ই-টিন/টিন" ও "আয়কর রিটার্ন" খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

➡️আপনি জানেন কি জমি-জমা ক্রয় ছাড়াও একজন ব্যক্তি জমির মালিক হতে পারেন?জমির জন্য খরচ করতে হবে না একটি টাকাও! কিন্তু কিভাবে...
27/07/2021

➡️আপনি জানেন কি জমি-জমা ক্রয় ছাড়াও একজন ব্যক্তি জমির মালিক হতে পারেন?জমির জন্য খরচ করতে হবে না একটি টাকাও! কিন্তু কিভাবে? আসুন জেনে নেই পদ্ধতিটি।

📌সাধারণত আমরা জানি জমির মালিক ৩ ভাবে হওয়া যায়।
i) জমি ক্রয়ের মাধ্যমে ও
ii) উত্তরাধিকার সূত্রে।
iii) হেবা সূত্রে।
কিন্তু এই দুইটি নিয়মের বাহিরে রয়েছে ব্যতিক্রম আরো দুইটি নিয়ম যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি একটি জমির মালিক হতে পারেন। সাধারণত এই দুইটি নিয়মের কথা কমই শুনতে পাওয়া যায়।

এই দুইটি ব্যতিক্রম নিয়মের কথা বলা হয়েছে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনে। তামাদি আইন ১৯০৮ ইংরেজিতে যাকে বলা হয় "Limitation Act 1908" জন-সাধারনের কাছে এই আইনের কথা বেশি না শুনা গেলেও আদালতে দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
তামাদি আইন একটি বিশদ ও অনেক বিস্তারিত বিষয় ধারণ করে অল্পতে তা আলোচনা করা সম্ভব না। মূল বিষয়ের দিক নজর দেওয়া যাক;
যেই দুটি ধারার কথা বলছিলাম সেই ধারা গুলো হলো তামাদি আইন ১৯০৮ সালেরঃ
১) ধারা ২৬ = ব্যবহার সত্ত্ব বা সুখাধিকার বা বর্তসত্ত্ব ( The right of easement)।
2) ধারা ২৮ = বিরুদ্ধ দখল (Aderverse possession)।

📌ধারা ২৬ সুখাধিকার (The right of easement) শুধু আলো বাতাস, জলরাশি, রাস্তা-ঘাট ইত্যাদি বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ নিয়ে অনেক বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে যা অন্য আরেক দিন বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

⭕আজকের আলোচনার বিষয় হলো দ্বিতীয় পয়েন্টটি অর্থাৎ ধারা ২৮ বা "বিরুদ্ধ দখল"।

🎯 বিস্তারিতঃ তামাদি আইনের এই ধারা ২৮ "বিরুদ্ধ দখল" এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি দখল সূত্রে একটি জমির মালিক হতে পারেন বা পারবেন। বিরুদ্ধ দখল টি আসলে কি? বিরুদ্ধ দখল মানে অন্যের জমি আরেক জনের দখলে থাকা। কোনো ব্যক্তি যদি একটানা ১২ বছর কোনো জমির দখলে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি জমির মালিকানা দাবি করতে পারবেন।

এইটুকু পড়ে যারা ভাবছেন যে কোন ব্যক্তি যদি কোনো বাসায় ১২ বছর ভাড়া থাকেন তাহলেতো এই ধারা অনুযায়ী সে ব্যক্তি বাড়ির মালিকানা দাবি করতে পারে অথবা জোর-জবরদস্তি করে কোন বাড়ি দখল করে ১২ বছর রাখতে পারলেই বাড়ির মালিক হওয়া যায়।
আসলে বিষয়টি এমন নয়।আরেকটু সহজভাবে বলতে গেলে বলা যায়-
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কারো জমি কোনো প্রকার সংঘাত/গোপনীয়তা ছাড়া প্রকাশ্যে নিরবিচ্ছিন্ন বা একটানা ১২ বছর যাবত বসবাস করে বা করতে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি উক্ত জমির মালিকানা দাবি করতে পারে।
কোনো ব্যক্তি উপরোক্ত নিয়ম অনুসরন করে ১২ বছর কোনো জমি দখলে থাকলে বা বসবাস করলে কোন দলিল ছাড়াই সে ওই জমির মালিক হতে পারবেন, যেখানে ব্যক্তির বিরুদ্ধ দখল জনিত স্বত্বের উদ্ভব হয়। এর পর দাবিকারি ব্যক্তি আদালতে আবেদনের মাধ্যমে সে জমি নিজের করে নিতে পারেন।

তবে এখানে দুটি কথা মনে রাখতে হবে প্রথমত কোনো সংঘাত, গোপনীয়তা ছাড়া প্রকাশ্যে জমিটি ব্যবহার করতে হবে এবং দ্বিতীয়ত জমিটি একটানা ১২ বছর মালিকানা দাবিকারির দখলে থাকতে হবে।
এখন ১২ বছর শেষ হবার আগেই জমির আসল মালিক যদি ওই জমি দাবি করে এবং আদালতে জমি ফেরত চেয়ে মামলা করে তাহলে আর বিরুদ্ধ দখল এর নিয়ম খাটবে না। এমনকি ১২ বছর কোনো ব্যক্তি যদি বিনা বাধায় প্রকাশ্য কোনো জমি ভোগ দখল করেও থাকে, আদালত যদি মনে করেন বিরুদ্ধ দখল না দিয়ে প্রকৃত মালিককে জমি হস্তান্তর করতে পারেন।
এই আইনটি ব্রিটিশদের তৈরি করে যাওয়া আইন এবং আইনের এই ধারাটি নিয়ে অনেক আলোচনা-সসমালোচনা হয়েছে বর্তমানে এটি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে।
আশা করি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি। ধন্যবাদ।
(LA&ABD)

আসসালামু আলাইকুম।আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করবো সম্প্রতি একটি বিষয় নিয়ে আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।➡️ সম্প্রতি সরকার ঘোষ...
02/07/2021

আসসালামু আলাইকুম।
আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করবো সম্প্রতি একটি বিষয় নিয়ে আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।
➡️ সম্প্রতি সরকার ঘোষণা করেছে কঠোর লকডাউনের এবং লকডাউন অমান্যকারীদের পেতে হতে পারে কঠোর শাস্তি তবে যাদের চলাচলের অনুমতি আছে তারা এ শাস্তির আওতায় আসবেনা।
গতকাল এক উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন "বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে যারা বিনা প্রয়োজনে বের হবে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। হতে পারে ৬ মাসের জেল"
সূত্র : https://www.independent24.com/details/73146/%E0%A6%85%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0:%20%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BF

এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে কোন আইন বা কোন ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যাইতে পারে এবং শাস্তি প্রদান করা যাইতে পারে❓
এর উত্তর হলো এই আইনটি বাংলাদেশে বলবৎ দন্ডবিধি ১৮৬০ সালের ধারা ২৬৯ এ বলা হয়েছে।

⭕এই ধারার শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি এই অপরাধ করে থাকে তাহলে ৬ মাস পর্যন্ত জেল বা অর্থ দন্ড বা উভয় দন্ড হতে পারে।

⭕ধারাটি প্রয়োগ এর কারন : দন্ডবিধির এই ধারাটি গঠন করা হয়েছে জনগণকে রোগ বিস্তারকারি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য।

⭕বিস্তারিত আলোচনা : সংক্রামক রোগে ছড়ানোর জন্য দন্ডবিধির শুধু ২৬৯ ধারা নয় ২৭০ এবং ২৭১ ধারায় ও এ নিয়ে বলা হয়েছে। ২৬৯ ধারার বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন কারণ ধারাটি প্রয়োগ এর ক্ষেত্রে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যেমন:

🎯ক) রোগটি সংক্রামক এবং জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ ছিল কিনা-
রোগটি যদি সংক্রামক না হয় এবং জীবনের জন্য হুমকি বা জীবন বিপন্নকারী না হয় তাহলে এই ধারা প্রয়োগ হবে না।
উদাহারন : ধরা যাক কারো যদি খোস-পাচরা হয় এবং তা সংক্রামক হয় সে এই ধারার আওতায় আসবে না।কারণ খোস-পাচরা জীবন বিপন্নকারী রোগ নয় কিন্তু করোনা ভাইরাস এর ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগ যোগ্য কারণ করোনা ভাইরাস জীবন বিপন্নকারী রোগ।

🎯খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি এমন কাজ করে যা রোগটি ছড়াতে সহায়তা করে-
ধরা যাক "রানা" এবং "মামুন" দুই বন্ধু। "রানা" করোনায় আক্রান্ত এবং তারা দুজনই তা অবগত। তারা হাসপাতালে না যেয়ে গ্রাম এর উদ্দেশ্যে রওনা করে। "মামুন" "রানার" জন্য টিকেট কাটেন এবং সকল ব্যবস্থা করে। রানা যে করোনায় আক্রান্ত তা সে সবার কাছে গোপন করে, ট্রেন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে নি যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। এখানে মামুন রোগের সংক্রমনে সহায়তা করেছেন তাই তিনি দোষী।

🎯গ) অভিযুক্ত ব্যক্তিটি যদি কাজটি অবহেলা বশত এবং আইন বিরুদ্ধভাবে করে-
ধরা যাক কোন ব্যক্তি যদি করোনায় আক্রান্ত হয়ে
হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হন তাহলে তিনি এই ধারায় অপরাধী হবেন। কারন প্রথমত তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন না। দ্বিতীয়ত তিনি অবহেলা করে কোন প্রকার সুরক্ষা গ্রহণ না করে বাহিরে বেরিয়েছেন।

🎯ঘ) যে ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং সে জানতো তার কাজের ফলে রোগটি ছড়িয়ে পরতে পারে-
ধরা যাক কোন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি তার নাম "সবুজ" তার সাথে তার ভাই "শরিফ" ছিল। "সবুজ" কে হাসপাতাল এ নেওয়া হলো সাথে "শরিফ" ও ছিলো তারা দুজন এক সাথে থাকায় "শরিফ"ও আক্রান্ত হলো। পরদিন "সবুজ" মারা গেলে "শরিফ" হাসপাতাল থেকে পালিয়ে তার গ্রামের বাড়ি চলে গেল। "শরিফ" জানতো তার দরুন তার গ্রামের আরো অনেকে সংক্রমিত হতে পারে। এরুপ হলে সে এই ধারায় দোষী।
এই ৪ টি বিষয় খেয়াল রেখে এই ধারা প্রয়োগ করতে হবে। আশা করি বুঝাতে সক্ষম হয়েছি।

⛔বি.দ্র. :- এখানে মহামারি করোনা না হয়ে কলেরা/প্লেগ অন্য জীবন বিপন্নকারী রোগও হতে পারে। এই ধারায় একটি ব্যতিক্রমও রয়েছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে যারা বিনা প্রয়োজনে বের হবে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। হতে পারে ৬ ...

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Assistance & Advice BD আইনি সহায়তা ও পরামর্শ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share