A Cube - Favor Legalis

A Cube - Favor Legalis We are going to provide legal service regarding various types of legal problem and expecting a healt

20/03/2026
ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল কী, কেন এবং কীভাবে করা হয়?ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো এমন একটি ক্ষমতা প্রদানকারী দলিল,...
13/03/2026

ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল কী, কেন এবং কীভাবে করা হয়?

ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো এমন একটি ক্ষমতা প্রদানকারী দলিল, যা বিদেশে অবস্থানরত কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশে অবস্থানরত অন্য কোনো ব্যক্তিকে তার পক্ষে বিভিন্ন কাজ করার জন্য ক্ষমতা প্রদান করেন। যেমন—সম্পত্তি দেখাশোনা করা, ক্রয়-বিক্রয় করা, মামলা পরিচালনা করা বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন করা।
এ বিষয়ে বিধান রয়েছে Power of Attorney Act, 2012 এর ধারা–৬ এ।

ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির পার্থক্য

সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সাধারণত বাংলাদেশে প্রস্তুত ও সম্পাদিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

অন্যদিকে, ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল বিদেশে সম্পাদিত হয় এবং বাংলাদেশে কার্যকর করতে হলে প্রথমে তা প্রমাণীকরণ করতে হয়। এ বিষয়ে বিধান রয়েছে Power of Attorney Rules, 2015 এর বিধি–১০(৫) এ।

ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল কার্যকর করার ধাপসমূহ

১. দলিল প্রস্তুতকরণ
বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলটি Power of Attorney Rules, 2015 এর বিধি–১০(১) অনুযায়ী তফসিল–‘ক’ এর ফরম–৩ অনুসারে প্রস্তুত করতে হয়।

২. প্রমাণীকরণ (Authentication)
বিদেশে সম্পাদিত দলিলটি বাংলাদেশে পাঠানোর পর তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রমাণীকরণ করতে হয়।
(বিধি–১০(৫), পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা–২০১৫)

৩. স্ট্যাম্প সংযুক্তিকরণ
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প সংযুক্ত করতে হয়।
এ বিষয়ে বিধান রয়েছে Stamp Act, 1899 এর ধারা–১৮ এ।

৪. রেজিস্ট্রেশন
স্ট্যাম্প সংযুক্তির পর দলিলটি চার মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।
(ধারা–২৬(খ), Registration Act, 1908)

৫. রেজিস্ট্রার এন্ট্রি
সাব-রেজিস্ট্রার দলিলটি রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করবেন।
(ধারা–৮৯, Registration Act, 1908)

আইনগত বাধ্যবাধকতা

ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল অন্যান্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের মতোই রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক এবং যথাযথভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে তা আইনগতভাবে সমান কার্যকর বলে গণ্য হবে।
(ধারা–১৭, Registration Act, 1908)

⚖️ আপনার বিশ্বস্ত আইনি সহায়কসঠিক পরামর্শ • দক্ষ পরিচালনা • নিশ্চিত সমাধানব্যক্তিগত, পারিবারিক অথবা কর্পোরেট—যে কোনো আইন...
01/03/2026

⚖️ আপনার বিশ্বস্ত আইনি সহায়ক
সঠিক পরামর্শ • দক্ষ পরিচালনা • নিশ্চিত সমাধান

ব্যক্তিগত, পারিবারিক অথবা কর্পোরেট—যে কোনো আইনি সমস্যায় অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নিন আজই।

🔹 আমাদের সেবাসমূহঃ
✅ দেওয়ানি মামলা পরিচালনা
সম্পত্তি বিরোধ, চুক্তি সংক্রান্ত মামলা, উত্তরাধিকার ও পারিবারিক বিরোধ।

✅ ফৌজদারি মামলা পরিচালনা
জামিন, এফআইআর সংক্রান্ত সহায়তা ও আদালতে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব।

✅ কর্পোরেট ও কোম্পানি বিষয়ক সেবা
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, পার্টনারশিপ ডিড, বোর্ড রেজুলেশন, শেয়ার ট্রান্সফার ও কমপ্লায়েন্স।

✅ ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট সেবা
ট্যাক্স রিটার্ন, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন, আপিল ও ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা।

✅ দলিল ও ডকুমেন্টেশন
সেল ডিড, হেবা ডিড, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি, চুক্তিপত্র ড্রাফট ও ভেটিং, লিগ্যাল নোটিশ।

✅ ব্যাংকিং ও আর্থিক বিষয়ক সেবা
ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ, মর্টগেজ ডকুমেন্টেশন ও আর্থিক পুনরুদ্ধার।

📍 আমাদের ঠিকানা
Apon Nivash
38/32 City, 927 Kamarpara,
Turag, Uttara, Dhaka-1230

📞 Consultation: +88016 2979 7609
📧 Email: [email protected]

📍 আমাদের ঠিকানাApon Nivash38/32 City, 927 Kamarpara,Turag, Uttara, Dhaka-1230📞 Consultation: +88016 2979 7609📧 Email: a3...
28/02/2026

📍 আমাদের ঠিকানা
Apon Nivash
38/32 City, 927 Kamarpara,
Turag, Uttara, Dhaka-1230

📞 Consultation: +88016 2979 7609
📧 Email: [email protected]

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া শুধু আইনগত দায়িত্বই নয়, একজন সচেতন নাগরিকের পরিচয়ও। সময়মতো রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানা এড়ানো যায়, ...
27/02/2026

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া শুধু আইনগত দায়িত্বই নয়, একজন সচেতন নাগরিকের পরিচয়ও। সময়মতো রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানা এড়ানো যায়, ব্যাংক ঋণ, ভিসা বা বিভিন্ন আর্থিক কাজে সুবিধা পাওয়া যায়। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দিন এবং নিশ্চিন্ত থাকুন।

📍 আমাদের ঠিকানা
Apon Nivash
38/32 City, 927 Kamarpara,
Turag, Uttara, Dhaka-1230

📞 Consultation: +88016 2979 7609
📧 Email: [email protected]

⚖️ পার্টনারশীপ ডিড করতে চান? সব সমাধান এখানেই! 🤝ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তি হওয়া উচিত মজবুত এবং আইনসম্মত। আপনার ব্যব...
27/02/2026

⚖️ পার্টনারশীপ ডিড করতে চান? সব সমাধান এখানেই! 🤝
ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তি হওয়া উচিত মজবুত এবং আইনসম্মত। আপনার ব্যবসার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে A Cube Favor Legalis দিচ্ছে সঠিক আইনি পরামর্শ ও সমাধান।
🛡️ আমাদের অন্যান্য সেবাসমূহ:
• 🏢 Corporate Law (কর্পোরেট আইন)
• 💰 Income Tax (আয়কর সংক্রান্ত সেবা)
• ⚖️ Litigation Support (মামলা সংক্রান্ত সহায়তা)
• 📑 Company Matters (কোম্পানি সংক্রান্ত সকল বিষয়)
আপনার আইনি জটিলতা দূর করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
📍 যোগাযোগের ঠিকানা:
🏠 আপন নিবাস, ৩৮/৩২ সিটি, ৯২৭ কামারপাড়া, তুরাগ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
📞 কনসালটেশন নাম্বার: +৮৮০১৬ ২৯৭৯ ৭৬০৯
📧 ইমেইল: [email protected]
🌐 ফেসবুক: A Cube Favor Legalis

20/10/2025

কেবলমাত্র অছিয়ত দলিল দ্বারা সম্পত্তির স্বার্থ হস্তান্তর ব্যতিত অন্য প্রায় সকল স্থাবর সম্পত্তির স্বার্থ হস্তান্তর সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে । এই যেমন সাফ-কবলা, লিজ, এওয়াজ বদল ইত্যাদি দলিলের মাধ্যমে স্বার্থ হস্তান্তর এই ১৮৮২ সালের আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে । তবে মুসলিম আইনকে প্রাধান্য দিয়েই সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।

ধারা ০৬ এর বিধান সাপেক্ষে প্রায় সকল কিছুই এই আইনের মাধ্যমে হস্তান্তর করা যায় । একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি, যে ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারের সম্ভাবনা দাবি পরিত্যাগ করা যায় কিন্তু ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারের সম্ভাবনা হস্তান্তর করা যায় না ।

উল্লেখিত আইনে আমরা বিভিন্ন রকমের স্বার্থের দেখা পাই । এই যেমন কায়েমী স্বার্থ, শর্তসাপেক্ষ স্বার্থ ও শর্তযুক্ত স্বার্থ । শর্তযুক্ত স্বার্থ সর্বদাই ব্যর্থ হবে কেননা আইন এই স্বার্থকে সমর্থন করেনা । এখানে শর্তের ধরন এমন থাকে যে, শর্ত পালন অসম্ভব বা আইনে নিষিদ্ধ ।

অপরদিকে, কায়েমী স্বার্থ এবং শর্তসাপেক্ষ হস্তান্তর উভয়ই বৈধ এবং শর্তযুক্ত। তবে এদের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে । এই পার্থক্য বুঝতে হইলে আমাদের ঘটনার সম্ভাব্যতা আগেই বুঝতে হবে। একদম সহজেই বলতে গেলে অবশ্যই ঘটবে এমন শর্ত থাকলে স্বার্থটা হবে কায়েমী স্বার্থ । উদাহরণস্বরূপ বলা যায় কে খ এর অনুকূলে এক খন্ড জমি দান করল এই শর্তে যে, দান খ এর পিতার মৃত্যর পর কার্যকর হবে । যা অবশ্যই ঘটবে । সতরাং এখানকার স্বার্থ তা কয়েমী স্বার্থ ।

অপরদিকে শর্তসাপেক্ষ স্বার্থ তখনই জন্মায় যখন কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটলে বা না ঘটলে । এই ধরুন, ক, খ কে এক খন্ডজমি দান করবে এই শর্তে যে, খ যদি গ কে, বিয়ে করে তাহলে । এখানে খ গ কে বিয়ে করতে পারে আবার নাও পারে । এখানে জন্মানো স্বার্থটাই শর্তসাপেক্ষ স্বার্থ ।

কায়েমী স্বার্থ হস্তান্তর করা যায় তবে শর্তসাপেক্ষ স্বার্থ হস্তান্তর করা যায় না ।

কিছুদিন আগের এক উপদেষ্টার বক্তব্যের সাথে বাস্তবের মিল ।এতে করে বর্তমানে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ♦ বাদী-বিবাদীকে দিনের ...
09/05/2025

কিছুদিন আগের এক উপদেষ্টার বক্তব্যের সাথে বাস্তবের মিল ।

এতে করে বর্তমানে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে

♦ বাদী-বিবাদীকে দিনের পর দিন আদালতে দাঁড়িয়ে মৌখিক জবানবন্দি দিতে হবে না। লিখিত জবানবন্দি জমা দিতে হবে হবে এফিডেভিট আকারে।

♦ দেওয়ানি আদালত রায় ও আদেশ কার্যকর করতে পুলিশসহ যেকোনো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিতে পারবে

♦ দেওয়ানি মামলায় জেল হলে তার খরচ পক্ষ দেবে না, সরকার বহন করবে

♦ রায় পাওয়ার পর পৃথক জারি মামলা করতে হবে না, মূল মামলার অধীনেই জারি কার্যক্রম চলবে

♦ মামলা প্রলম্বনে সময়ের আবেদন করার সুযোগ কমেছে

♦ হয়রানিমূলক মামলায় ক্ষতিপূরণ বেড়েছে

16/02/2025

ধর্মের উপর ভিত্তি করে উত্তরাধিকার নির্ণয় করা হয় । এই যেমন মুসলিম হইলে মুসলিম শরীয়াহ আইন প্রযোজ্য । যেখানে পবিত্র কোরআন অনুসরণ করতে হয়। আবার হিন্দু হইলে হিন্দু ধর্ম এবং মনুষ্য তৈরি আইন দেখতে হয়। তবে মুসলিমদের জন্যে ধর্মীয় আইন ই একমাত্র পথ। খ্রিস্টানদের জন্যে আবার সাকসেসন এক্ট ১৯২৫ প্রযোজ্য হয়।তবে বৌদ্ধদের জন্যে আলাদা কোনও উত্তরাধিকার আইন নাই। এই ক্ষেত্রে বৌদ্ধরা হিন্দু দায়ভাগ আইনের মাধ্যমে উত্তরাধিকার পেয়ে থাকেন।

হিন্দুদের মধ্যে বেশ কয়েকটি মতবাদ রয়েছে যার মধ্যে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা মতবাদ সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য । ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে এবং বাংলাদেশে দয়াভাগ মতবাদ প্রচলিত । অন্যদিকে ভারতের অন্যান্য প্রদেশে মিতাক্ষরা মতবাদ প্রচলিত । যেহেতু আমরা বাংলাদেশী, সেহেতু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে আমাদের দেশে হিন্দুদের উত্তরাধিকার নির্ণয় করা হয়। যেখানে, পূর্বপুরুষের আত্মার কল্যাণার্থে পিন্ড দানই উত্তরাধিকার নির্ণয়ের ভিত্তি ও পথপ্রদর্শক ।পিন্ড কেবল ৩ শ্রেণীর লোকই দান করতে পারে যাদের মধ্যে সপিন্ড সবার আগে, এরপর সাকুল্য এবং সর্বশেষে সমানোদক ।

মৃত ব্যক্তির সপিন্ড বলতে ২০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । যেখানে ৫ জন মহিলা সপিন্ড । ক্রমিকানুসারে সাজালে প্রথমে ১-৩ থাকবে পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ।এরপর ৪ এ বিধবা মহিলা । যিনি স্বামীর তেজ্যবিত্ত সম্পত্তিতে জীবনস্বত্ব পেয়ে থাকে । এখানে বিধবার অংশ সর্বদা প্রতি ছেলের সমান হয়ে থাকে । এরপর আসে কন্যা । অবিবাহিত কন্যা সর্বদা এগিয়ে থাকে । ৬ নাম্বার ক্রমিকে আসে দৌহিত্র বা কন্যার পুত্র। পিতা, মাতা এবং ভ্রাতার ক্রম হচ্ছে ৭, ৮ এবং ৯। এরপরে ক্রমনোসারে বাকি সব।
তবে মনে রাখতে হবে ক্রম অনুসারে যিনি আগে থাকবে তিনি পিছনের অন্যদের বঞ্চিত করবে । ১-৪ ক্রমে কেউ কাউকে বঞ্চিত করেনা

তবে এটা মনে রাখা উচিত যে, উত্তরাধিকার জন্মে মারা যাবার পর ।

Address

Apon Nibash, 38/32 City, 927 Kamarpara, Turag, Uttara
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801633633252

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Cube - Favor Legalis posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to A Cube - Favor Legalis:

Share

Category