Advocate Shabiha Ali

Advocate Shabiha Ali Shabiha Ali
Advocate
Supreme Court of Bangladesh. Make an appointment for meeting through inbox.

05/09/2026

ব্যাটারি রিকশা গুলো আপনার এলাকার কোন স্থান থেকে ব্যাটারি চার্জ করে? কখনো কেউ দেখেছেন এদের কারেন্ট খরচ কোন মিটার থেকে হচ্ছে?

30/07/2026

প্রাইভেট কোম্পানির ফরমেশনটি diagram দিয়ে বুঝানো হলো:

[ধাপ ১: নাম নির্বাচন ও অনুমোদন]
│
▼
(আরজেএসসি (RJSC) পোর্টাল থেকে কোম্পানির ইউনিক নামের ছাড়পত্র বা Name Clearance নেওয়া)
│
▼
[ধাপ ২: প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতকরণ]
│
▼
(পরিচালকদের NID, e-TIN, ছবি সংগ্রহ এবং স্মারকলিপি (MoA) ও সংঘবিধি (AoA) ড্রাফট করা)
│
▼
[ধাপ ৩: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ক্যাপিটাল]
│
▼
(বিদেশী পরিচালক থাকলে ব্যাংক হিসাব (NRTA) খুলে পরিশোধিত মূলধন আনা ও ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট নেওয়া)
│
▼
[ধাপ ৪: আরজেএসসি পোর্টালে ডাটা ও ডকুমেন্ট সাবমিট]
│
▼
(অনলাইনে MoA, AoA এবং পরিচালকদের তথ্য আপলোড করা)
│
▼
[ধাপ ৫: সরকারি ফি ও স্ট্যাম্প ডিউটি প্রদান]
│
▼
(অনুমোদিত মূলধনের ওপর ভিত্তি করে হিসাবকৃত সরকারি ফি ব্যাংকে জমা দেওয়া)
│
▼
[ধাপ ৬: নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট প্রাপ্তি]
│
▼
(আরজেএসসি কর্তৃক যাচাই শেষে ডিজিটাল সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন, অনুমোদিত MoA ও AoA ইস্যু)
│
▼
[ধাপ ৭: পরবর্তী ব্যবসায়িক লাইসেন্স]
│
▼
(কোম্পানির নামে নতুন ই-টিআইএন, ট্রেড লাইসেন্স)

সাবিহা আলী
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

30/07/2026

একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (Private Limited Company) গঠনের জন্য আপনার ক্লায়েন্টের কাছ থেকে নিম্নলিখিত কাগজপত্র এবং তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে হবে:

১. উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যক্তিগত নথিপত্রজাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সকল উদ্যোক্তা এবং প্রস্তাবিত পরিচালকদের এনআইডি-র কপি।

২. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: প্রত্যেক পরিচালকের রঙিন ছবি।

৩. টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট: সকল পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডারদের ই-টিআইএন সনদের কপি।

৪. বিদেশী শেয়ার হোল্ডারদের পাসপোর্ট কপি: কোনো বিদেশী পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার থাকলে তার পাসপোর্টের নোটারীকৃত/দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত কপি।

৫. কোম্পানির প্রাথমিক পরিচিতি ও অনুমোদননামের ছাড়পত্র (Name Clearance): আরজেএসসি (RJSC) থেকে অনুমোদিত কোম্পানির নামের ছাড়পত্রের মূল কপি।

৬. ঠিকানার প্রমাণ: কোম্পানির নিবন্ধিত কার্যালয়ের (Registered Office) ঠিকানা এবং এর সপক্ষে চুক্তিপত্র বা বিদ্যুৎ/গ্যাস বিলের কপি।

🟣 মূলধন ও শেয়ার সংক্রান্ত তথ্যমূলধনের পরিমাণ: কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital) এবং পরিশোধিত মূলধনের (Paid-up Capital) পরিমাণ।

🟣 শেয়ার বণ্টন বিবরণী: কোন পরিচালক কত টাকার শেয়ার ধারণ করবেন এবং তার অনুপাত কত হবে তার বিবরণ।

🏛️ ব্যাংক হিসাবের তথ্য: বিদেশী বিনিয়োগকারী থাকলে আরজেএসসি অনুমোদিত কোনো ব্যাংকে একটি ‘নন-রেসিডেন্ট ট্যাকা অ্যাকাউন্ট’ (NRTA) খোলার তথ্য এবং রেমিট্যান্সের সপক্ষে 'ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট' (IRC)।

📖 খসড়া দলিলের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন (MoA): কোম্পানির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো (Objects Clause) কী কী হবে, তার বিস্তারিত তালিকা।

📖 আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন (AoA): কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালনা, বোর্ড মিটিং, এবং লভ্যাংশ নীতি সংক্রান্ত নিয়মাবলী তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য।

🤝 প্রাইভেট কোম্পানির জন্য বিশেষ শর্ত (পাবলিক কোম্পানির সাথে পার্থক্য)সদস্য সংখ্যা: মনে রাখবেন, প্রাইভেট কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২ জন শেয়ারহোল্ডার এবং ২ জন পরিচালক থাকা বাধ্যতামূলক।

সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা ৫০ জন (কর্মচারী ব্যতীত) হতে পারবে। শেয়ার হস্তান্তর: এই কোম্পানির শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বা ডিবেঞ্চার বিক্রির আহ্বান জানানো নিষিদ্ধ।

সাবিহা আলী
আইনজীবী
সুপ্রিম কোর্ট অফ বাংলাদেশ।

💼 ধরুন আপনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করতে চান? জেনে নিন প্রাথমিক আইনি প্রস্তুতি!একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (Pu...
30/07/2026

💼 ধরুন আপনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করতে চান? জেনে নিন প্রাথমিক আইনি প্রস্তুতি!

একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (Public Limited Company) গঠন করা যেকোনো ব্যবসার জন্য একটি বড় মাইলফলক। তবে এর আইনি প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের তালিকা বেশ দীর্ঘ। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হন এবং পাবলিক কোম্পানি নিবন্ধনের কথা ভাবছেন, তবে প্রাথমিক পর্যায় একজন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার আগে এই কাগজপত্রগুলো গুছিয়ে নিন:

👥 ১. উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের নথিপত্র:

✅সকল পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের এনআইডি (NID)
✅ ই-টিআইএন (e-TIN) সার্টিফিকেট।প্রত্যেকের সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
✅ বিদেশী পরিচালক বা বিনিয়োগকারী থাকলে তাদের পাসপোর্টের নোটারীকৃত কপি।

🏢 ২. কোম্পানির মৌলিক তথ্য: আরজেএসসি (RJSC) থেকে নেওয়া নামের ছাড়পত্র (Name Clearance)।

✅প্রস্তাবিত নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানা এবং তার সপক্ষে চুক্তিপত্র বা ইউটিলিটি বিলের কপি।

✅ কোম্পানির প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ (Main Objects), যা স্মারকলিপিতে (MoA) অন্তর্ভুক্ত হবে।

💰 ৩. মূলধন ও শেয়ার বণ্টন:অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital) এবং পরিশোধিত মূলধনের (Paid-up Capital) পরিমাণ।পরিচালকদের মধ্যে শেয়ার বণ্টনের অনুপাত।

⚠️ পাবলিক কোম্পানির ক্ষেত্রে একটি জরুরি আইনি শর্ত: প্রাইভেট কোম্পানির মতো ২ জন নয়, পাবলিক কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে আইনানুযায়ী ন্যূনতম ৭ জন শেয়ারহোল্ডার এবং ৩ জন পরিচালক থাকা বাধ্যতামূলক।

সঠিক নথিপত্র এবং আইনি পরামর্শ আপনার কোম্পানির নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে করবে দ্রুত ও ঝুঁকিমুক্ত। কোম্পানি আইন ও কর সংক্রান্ত যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

⚖️ সাবিহা আলী, আইনজীবী,
সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ
📧 [email protected]

24/07/2026

অভিনন্দন মহামান‍্য রাষ্ট্রপতি জনাব হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
অভিনন্দন মাননীয় স্পীকার ব‍্যারিস্টার কায়সার কামাল।

14/07/2026

মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস।

অনলাইনে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা বা লেনদেনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

#এডমিনপোস্ট

11/07/2026

📌 অগ্রক্রয় (Pre-emption) আইন সম্পর্কে আপনার ধারণা আরও স্পষ্ট করতে এর গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী, সংশোধনীর প্রভাব, আদালতের খরচ এবং কোন কোন পরিস্থিতিতে মামলা করা যায় না তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. ২০০৬ সালের সংশোধনীর বড় পরিবর্তন (কৃষি জমি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ ধারায় ২০০৬ সালে একটি বড় সংশোধনী আনা হয়। এই সংশোধনীর পর অগ্রক্রয়ের নিয়ম অনেক কঠোর করা হয়েছে:

শুধুমাত্র উত্তরাধিকার সূত্রে শরিকরা পাবেন: বর্তমানে কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে সহ-শরিকরা (Co-sharer by inheritance) অগ্রক্রয়ের মামলা করতে পারবেন।

❌ ক্রয়সূত্রে শরিকদের অধিকার নেই: আপনি যদি উত্তরাধিকারী না হয়ে আগে কোনো এক সময় ঐ জমির কিছু অংশ কিনে শরিক হয়ে থাকেন (ক্রয়সূত্রে শরিক), তবে অন্য অংশ হস্তান্তরের বিপরীতে আপনি এই আইনে অগ্রক্রয় দাবি করতে পারবেন না।

❌ সংলগ্ন প্রতিবেশী: আগে সংলগ্ন জমির মালিক বা প্রতিবেশীরাও কৃষি জমির অগ্রক্রয় মামলা করতে পারতেন, যা ২০০৬ সালের সংশোধনীর পর পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

২. অকৃষি জমির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ ও নিয়ম
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী শহর এলাকার বা বাণিজ্যিক জমির ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা ভিন্ন।

📛 ক্ষতিপূরণের হার: অকৃষি জমির অগ্রক্রয় মামলায় দলিলের মূল্যের সাথে ৫% ক্ষতিপূরণ এবং ক্রেতা জমির কোনো উন্নয়ন করে থাকলে তার ওপর বার্ষিক ৬.২৫% সুদ বা লাভ আদালতে জমা দিতে হয়।

🕰️ সময়সীমা: জমি হস্তান্তরের নোটিশ পাওয়ার ৪ মাসের মধ্যে মামলা করতে হয়।

‼️৩. যে পরিস্থিতিগুলোতে অগ্রক্রয় মামলা চলে না (ব্যতিক্রমসমূহ):
আইন অনুযায়ী সব ধরনের জমি হস্তান্তরের ওপর অগ্রক্রয় দাবি করা যায় না। নিচের ক্ষেত্রগুলোতে মামলা করলে তা আদালত সরাসরি খারিজ করে দেবে:

🛑 রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়ের কাছে বিক্রি: স্বামী বা স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান, নাতি-নাতনি, আপন ভাই-বোন, এবং ভাই-বোনের সন্তানদের কাছে জমি বিক্রি বা হস্তান্তর করলে।

🛑 হেবা বা দান: জমিটি যদি কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা হয়, দেবোত্তর সম্পত্তি করা হয়, কিংবা মুসলিম আইনে বৈধভাবে 'হেবা' (দান) করা হয়।
সরকারি অধিগ্রহণ: সরকার যদি জনস্বার্থে বা কোনো প্রকল্পের জন্য জমিটি অধিগ্রহণ করে।

🛑 খাই-খালাসি বন্ধক: জমি যদি কোনো ঋণ বা খালাসি বন্ধকের (Mortgage) আওতায় হস্তান্তর করা হয়।

🛑 ৬০ বিঘার বেশি জমি: আবেদনকারীর নিজের যদি অলরেডি ৬০ বিঘা বা তার বেশি জমি থাকে, তবে তিনি আর অগ্রক্রয় করতে পারবেন না।

৪. মুসলিম আইনের 'শুফা' (Shufa) এর বিশেষ সুবিধা
মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের অগ্রক্রয় সাধারণ দেওয়ানি আইনের চেয়ে আলাদা।

🏛️ টাকা জমা না দিয়ে মামলা: সাধারণ আইনে মামলা করার দিনই ২৫% ক্ষতিপূরণসহ পুরো টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। কিন্তু মুসলিম আইনের ক্ষেত্রে বিক্রির খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক দাবি (Talab-i-Mowasibat) এবং সাক্ষীর সামনে দাবি (Talab-i-Ishad) প্রমাণ করে আগে কোনো টাকা জমা না দিয়েই মামলা দায়ের করা যায়। পরবর্তীতে আদালত নির্দেশ দিলে টাকা জমা দিতে হয়।

প্রতিবেশীর অধিকার: রাষ্ট্রীয় আইনে প্রতিবেশীর অধিকার বাতিল হলেও, মুসলিম আইনে এখনো সংলগ্ন প্রতিবেশী (Shafi-i-jar) অগ্রক্রয়ের দাবি জানাতে পারেন।

৫. মামলা ডিক্রি (জয়) হওয়ার পর করণীয়
আদালত যদি আপনার পক্ষে অগ্রক্রয়ের রায় (Decree) দেন, তবে আদালত ক্রেতাকে তার পাওনা টাকা (আদালতে জমা থাকা তহবিল থেকে) বুঝিয়ে দেবেন।

🟣 আদালত ক্রেতাকে বা মূল মালিককে আদেশ দেবেন যেন ৬০ দিনের মধ্যে আপনার নামে নতুন সাফ-কবলা দলিল রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়।
যদি তারা ৬০ দিনের মধ্যে দলিল না করে দেয়, তবে আদালত নিজ দায়িত্বে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে সেই দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করে দেবেন। এই রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদনকারীকে কোনো অতিরিক্ত ট্যাক্স বা সরকারি ফি দিতে হয় না।

সাবিহা আলী
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

30/06/2026

💼 বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত❓ জানুন বাংলাদেশ শ্রম আইনে আপনার অধিকার!

📑 শ্রম আইন অনুযায়ী সেকশনসহ আপনার অধিকার ও পাওনাছাঁটাই বা চাকরির অবসান (Termination Notice): ধারা ২৬ অনুযায়ী কোনো স্থায়ী শ্রমিক বা কর্মচারীকে মালিকপক্ষ ছাঁটাই বা চাকরির অবসান করতে চাইলে মাসিক মজুরির ভিত্তির ক্ষেত্রে ১২০ দিনের (৪ মাস) লিখিত নোটিশ দিতে হবে অথবা এর পরিবর্তে ১২০ দিনের মূল মজুরি পরিশোধ করতে হবে (উল্লেখ্য, অস্থায়ী শ্রমিকের ক্ষেত্রে এই নোটিশের মেয়াদ ৩০ দিন)।

🎗️গ্র্যাচুইটি (Gratuity): ধারা ২(১০) অনুযায়ী কোনো শ্রমিক বা কর্মচারী প্রতিষ্ঠানে ১ বছর বা তার বেশি সময় অবিচ্ছিন্ন চাকরি করার পর চাকরি থেকে অবসর, ছাঁটাই বা অবসান ঘটলে প্রতি পূর্ণ বছর বা ৬ মাসের অধিক সময়ের জন্য ৩০ দিনের মজুরি হারে (এবং ১০ বছরের বেশি চাকরির ক্ষেত্রে ৪৫ দিনের মজুরি হারে) গ্র্যাচুইটি বা ক্ষতিপূরণ পাবেন।

🎗️মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা (Maternity Leave): ধারা ৪৬ (বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী) নারী কর্মীদের মাতৃত্বকালীন সবেতন বা পেইড ছুটি ১১২ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন (প্রায় ৪ মাস) করা হয়েছে। এই ছুটি প্রসবের আগে এবং পরে মিলিয়ে নারী কর্মীরা ভোগ করতে পারবেন।

🎗️ (Grievance Procedure): কোনো কর্মীকে আইনবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত বা বঞ্চিত করা হলে, তিনি ধারা ৩৩ অনুযায়ী প্রতিকার পাবেন। চাকরিচ্যুতির ৩০ দিনের মধ্যে প্রথমে মালিকের কাছে লিখিত অভিযোগ (Grievance Petition) পাঠাতে হয়।

মালিকপক্ষ পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে সমাধান না দিলে, কর্মী তার পরের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি শ্রম আদালতে (Labour Court) মামলা দায়ের করতে পারবেন।

(সতর্কতা: কোনো কর্মী ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে বা ধারা ২৩ এর অধীনে গুরুতর "অসদাচরণ" (Misconduct)-এর জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে, মালিকপক্ষ তাকে বিনা নোটিশে বা বিনা নোটিশের মজুরিতে সরাসরি 'বরখাস্ত' (Dismiss) করার অধিকার রাখে।)

সাবিহা আলী
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

#বদলাও

29/06/2026

Address

Supreme Court Bar Association Building (Main), Room No. 350, Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka
DHAKA-1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Shabiha Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Shabiha Ali:

Shortcuts

Share