আইন আড্ডা

আইন আড্ডা This group welcomes to all Law students & who want to start their carrier as an advocate. Dear members, you can share your knowledge with others in the group.

15/09/2025

★Criminal Procedure Code 1898|||
★ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮|||
#ফৌজদারী কার্যবিধির প্রেক্ষাপট :
১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সমগ্র ভারত বর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১ম ভারতীয় আইন কমিশনের প্রধান ছিলেন "লর্ড মেকলে"। এই কমিটি প্রথমে দণ্ডবিধি প্রণয়ন করেন। ১৮৪৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধিকে ভিত্তি করে ফৌজদারীর কার্যবিধির একটি খসড়া তৈরী করেন। যা "লেজিসলেটিভ কাউন্সিল" দ্বারা সর্বপ্রথম গৃহীত হয় ১৮৬১ সালে। ইহা ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রথম বিধিবদ্ধ কার্যবিধি। ১৮৭২ ও ১৮৮২ সালে ইহা সংশোধন করা হয়। ইহার পর ১৬টি সংশোধনী পাশ হয়। সকল সংশোধন বিবেচনা করে ১৮৯৮ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়।
★ফৌজদারী কার্যবিধির প্রাথমিক ধারণা:
আইনের নাম :
The Code of Criminal Procedure 1898
মোট ধারা :
৫৬৫ টি
তফসিল :
৫ টি
আইন নং :
১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন
প্রকাশিত হয় :
২২ মার্চ ১৮৯৮ সালে
কার্যকর হয় :
১লা জুলাই ১৮৯৮ থেকে
আইনের ধরণ :
পদ্ধতি সম্পর্কিত আইন
★ফৌজদারী কার্যবিধির ধারাসমূহের বিবরণ
ধারা ৪:
সংজ্ঞাসমূহ
ধারা ৪(১)(ক):
অ্যাডভোকেট
ধারা ৪(১)(কক):
এটর্নী জেনারেল
ধারা ৪(১)(খ):
জামিনযোগ্য অপরাধ
ধারা ৪(১)(গ):
অভিযোগ
ধারা ৪(১)(চ):
আমলযোগ্য অপরাধ
ধারা ৪(১)(জ):
নালিশ
ধারা ৪(১)(ঞ)
হাইকোর্ট বিভাগ ধারা ৪(১)(ট):
অনুসন্ধান (Inquiry)
ধারা ৪(১)(ঠ):
তদন্ত (Investigation)
ধারা ৪(১)(ড):
বিচারিক কার্যক্রম
ধারা ৪(১)(ঢ):
আমলের অযোগ্য অপরাধ
ধারা ৪(১)(ণ):
অপরাধ
ধারা ৪(১)(ত):
থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার
ধারা ৪(১)(ধ):
থানা
ধারা ৪(১)(ন):
পাবলিক প্রসিকিউটর
ধারা ৫:
দন্ডবিধির অধীনে অপরাধের বিচার এই বিধি মোতাবেক
ধারা ৬:
ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ
ধারা ৭:
দায়রা বিভাগ ধারা ৯:
দায়রা আদালত
ধারা ১০:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ধারা ১১:
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ধারা ১২:
বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
ধারা ১৫:
ম্যাজিস্ট্রেটসমুহের বেঞ্চ
ধারা ১৬:
বেঞ্চ এর জন্য বিধি প্রণয়ন করবেন CJM
ধারা ১৭:
নির্বাহী, জুডিশিয়াল ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনতা
ধারা ১৮:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ
ধারা ২১:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
ধারা ২২:
মফসসলের জন্য জাস্টিসেস অফ দা পিস
ধারা ২৫:
পদাধিকার বলে জাস্টিসেস দা পিস
ধারা ২৮:
দণ্ডবিধির অধীন অপরাধ
ধারা ২৯:
অন্যান্য আইনের অধীন অপরাধ
ধারা ২৯বি:
কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার ধারা ২৯সি:
মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধের বিচার করবেন CJM, CMM, ACJM
ধারা ৩১:
হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা আদালত যে দণ্ড দিতে পারে
ধারা ৩২:
ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারে
ধারা ৩৩ক:
কতিপয় ব্যাক্তিগনের উচ্চতর ক্ষমতা
ধারা ৩৫ক:
জেল হাজতের সময় কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে
ধারা ৪৬:
গ্রেফতারের পদ্ধতি
ধারা ৫১:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি
ধারা ৫২:
মহিলার দেহ তল্লাশি
ধারা ৫৪:
যখন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ধারা ৫৯:
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতার
ধারা ৬০:
উক্তরূপ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট বা থানায় উপস্থাপন
ধারা ৬১:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
ধারা ৬৪:
ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটন
ধারা ৮৭:
পলাতক ব্যক্তির হুলিয়া
ধারা ৮৮:
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক
ধারা ৯৬:
তল্লাশি পরোয়ানা জারী
ধারা ৯৮:
চোরাই মাল বা জাল দলিল উদ্ধারের জন্য বাড়ী তল্লাশি।
ধারা ১০০:
বে-আইনিভাবে আটক ব্যক্তি উদ্ধারের জন্য তল্লাশি
ধারা ১০৩:
সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি করতে হবে
ধারা ১০৬:
দণ্ডিত হইবার পর শান্তিরক্ষার জন্য মুচলেকা
ধারা ১০৭:
শান্তিরক্ষা ও সদাচরণের জন্য মুচলেকা
ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহী বিষয়ে প্ররোচনাকারী সদাচরণের মুচলেকা
ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সঙ্গত আচরণের জন্য মুচলেকা
ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের নিকট হইতে সদাচরণের জন্য মুচলেকা
ধারা ১১৪:
আদালতে অনুপস্থিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সমন বা ওয়ারেন্ট
ধারা ১৪৪:
জমি ইত্যাদি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য অস্থায়ী আদেশ
ধারা ১৪৫:
জমি ইত্যাদি ক্ষেত্রে/স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি
ধারা ১৪৬:
বিরোধীয় সম্পত্তি ক্রোক করার ক্ষমতা
ধারা ১৪৭:
স্থাবর সম্পত্তি ব্যবহার সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি
ধারা ১৪৮:
স্থানীয় অনুসন্ধান
ধারা ১৫৪:
আমলযোগ্য মামলার সংবাদ/এজাহার/FIR/GR Case/Cognigeable Offence
ধারা ১৫৫:
আমলের অযোগ্য মামলার সংবাদ বা তদন্ত/Non FIR Case/Non GR Case/Non Cognigeable Offence
ধারা ১৫৬:
আমলযোগ্য মামলার তদন্ত
ধারা ১৫৭:
আমলযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে সন্দেহ হইলে
ধারা ১৫৮:
১৫৭ ধারা রিপোর্ট দাখিলের পদ্ধতি
ধারা ১৫৯:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধানের ক্ষমতা
ধারা ১৬০:
পুলিশ অফিসার কর্তৃক থানায় সাক্ষী তলব
ধারা ১৬১:
পুলিশ কর্তৃক জবানবন্দী লিপিবদ্ধকরণ
ধারা ১৬২:
পুলিশের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দীতে সাক্ষীর স্বাক্ষর অপ্রয়োজনীয়
ধারা ১৬৩:
জবানবন্দী প্রদানের জন্য হুমকি, প্রলোভনের প্রস্তাব দেয়া যাবে না
ধারা ১৬৪:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জবানবন্দী লিপিবদ্ধকরণ
ধারা ১৬৫:
পুলিশ অফিসার কর্তৃক তল্লাশি
ধারা ১৬৬:
তল্লাশি পরোয়ানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবরে ইস্যু
ধারা ১৬৭:
পুলিশ রিমান্ড
ধারা ১৬৮:
অধস্তন পুলিশ অফিসার কর্তৃক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তদন্তের রিপোর্ট প্রদান
ধারা ১৬৯:
অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের জন্য আসামীর মুক্তি প্রদান
ধারা ১৭০:
সাক্ষ্য পর্যাপ্ত হইলে মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ
ধারা ১৭১:
অভিযোগকারী বা সাক্ষীকে পুলিশের সাথে যেতে বলা যাবে না
ধারা ১৭২:
তদন্ত বা ডায়েরি
ধারা ১৭৩:
পুলিশ রিপোর্ট
ধারা ১৭৪(১):
পুলিশ অফিসার কর্তৃক সুরতহাল রিপোর্ট (মৃত্যু/আত্মহত্যা)
ধারা ১৭৪(৩):
ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ
ধারা ১৭৫:
১৭৪ ধারার সাক্ষী তলব
ধারা ১৭৬(১):
পুলিশ হেফাজতে মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সুরতহাল রিপোর্ট
ধারা ১৭৬(২):
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কবর হতে লাশ উত্তোলন
ধারা ১৯০:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে গ্রহণ
ধারা ১৯৩:
দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধ আমলে গ্রহণ
ধারা ১৯৫:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে কতিপয় মামলা গ্রহণ
ধারা ২০০:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ফরিয়াদী ও সাক্ষীকে পরীক্ষা/ফরিয়াদীর জবানবন্দী গ্রহণ
ধারা ২০১:
নালিশ ফেরৎ বা উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার নির্দেশ
ধারা ২০২:
পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট ইস্যু স্থগিত রাখার নির্দেশ
ধারা ২০৩:
নালিশ খারিজকরণ
ধারা ২০৪:
পরোয়ানা/ওয়ারেন্ট প্রেরণ/প্রদানের নির্দেশ
ধারা ২০৫:
ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই
ধারা ২০৫গ:
বিচারের জন্য দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ
ধারা ২০৫গগ:
বিচারের জন্য সিএমএম/সিজেএম আদালতে মামলা প্রেরণ
ধারা ২২১:
অভিযোগে অপরাধের বিবরণ থাকবে
ধারা ২২২:
অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে বিবরণ থাকবে
ধারা ২২৩:
অভিযোগে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি সম্পর্কে বিবরণ থাকবে
ধারা ২২৪:
যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয় তাহার বর্ণনা
ধারা ২২৭:
রায় প্রকাশের পূর্বে যে কোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন
ধারা ২৩১:
অভযোগ পরিবর্তিত হলে সাক্ষীকে পুনরায় তলব করা যাবে
ধারা ২৩৩:
পৃথক অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ হবে
ধারা ২৩৪:
একই ধরণের তিনটি অপরাধ ১ বছরের মধ্যে সঘটিত হলে
ধারা ২৩৫:
একাধিক অপরাধের বিচার
ধারা ২৩৬:
কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেই সম্পর্কে অনিশ্চিত হলে
ধারা ২৩৭:
এক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে
ধারা ২৩৯:
যে ব্যক্তিদের একত্রে অভিযুক্ত করা যাবে
ধারা ২৪০:
একাধিক অপরাধের একটিতে দণ্ডিত হলে অবশিষ্টগুলি প্রত্যাহার
ধারা ২৪১ক:
প্রাথমিক শুনানির পর আসামীকে অব্যাহতি
ধারা ২৪২:
চার্জ বা অভিযোগ গঠন
ধারা ২৪৩:
চার্জ বা অভিযোগ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড
ধারা ২৪৪:
অভিযোগ স্বীকার করলে সাক্ষ্য গ্রহণ
ধারা ২৪৫:
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আইন অনুসারে দণ্ড বা খালাস
ধারা ২৪৭:
ফরিয়াদি উপস্থিত না হলে আসামিকে খালাস দিতে পারেন
ধারা ২৪৮:
নালিশ প্রত্যাহার বা খালাসের আদেশ
ধারা ২৪৯:
নালিশী মামলায় ফরিয়াদী না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ করতে পারেন এবং আসামীকে খালাস দিতে পারেন
ধারা ২৫০:
মিথ্যা মামলায় সংবাদদাতাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে এবং বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন
ধারা ২৬৫ক:
পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করবেন
ধারা ২৬৫গ:
প্রাথমিক শুনানীর পর আসামীকে অব্যাহতি
ধারা ২৬৫ঘ:
চার্জ বা অভিযোগ গঠন
ধারা ২৬৫ঙ:
আসামী চার্জ বা অভিযোগ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড
ধারা ২৬৫ছ:
বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ
ধারা ২৬৫জ:
খালাস
ধারা ২৬৫ঝ:
আসামীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ
ধারা ২৬৫ঞ:
যুক্তিতর্ক
ধারা ২৬৫ট:
দণ্ড বা খালাস
ধারা ৩৩৭:
দুষ্কর্মের সহযোগিকে ক্ষমা প্রদর্শন
ধারা ৩৩৯খ:
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
ধারা ৩৪০:
আসামীর আত্নপক্ষ সমর্থন ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা
ধারা ৩৪২:
আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ
ধারা ৩৫৩:
আসামীর উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে
ধারা ৩৫৪:
ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা জজের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবার পদ্ধতি
ধারা ৩৫৭:
সাক্ষীর সাক্ষ্য মাতৃভাষায় লিপিবদ্ধ হবে
ধারা ৩৬০:
সাক্ষীর সাক্ষ্য সমাপ্ত হলে আসামী বা তার কৌসুলীর উপস্থিতিতে পড়ে শুনাতে হবে
ধারা ৩৬১:
আসামী বা তার কৌসুলীর নিকট সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা বুঝাতে হবে
ধারা ৩৬৩:
সাক্ষীর জবানবন্দীর সময় গুরুত্বপূর্ণ মনে তার আচরণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ধারা ৩৬৪:
আসামীর জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি
ধারা ৩৭৪:
দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্টে পেশ
ধারা ৩৭৬:
হাইকোর্ট কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন
ধারা ৩৮২:
গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত
ধারা ৩৯৯:
তরুণ অপরাধীকে সংশোধনাগারে আটক রাখা।
আদালত ১৫ বছরের কম বয়স্ক আসামীকে সরকারের নিয়ন্তণাধীন সংশোধনাগারে প্রেরণ করবেন।
ধারা ৪০০:
দন্ড কার্যকর করার পর ফেরত।
দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দন্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানাটি ইস্যুকারী আদালতে প্রেরণ করবেন।
ধারা ৪০১:
সরকার কর্তৃক দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করতে পারবেন।
৪০১(৩):
দন্ড মওকুফের শর্ত ভংগ করলে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন।
ধারা ৪০২:
সরকার কর্তৃক দণ্ড পরিবর্তন করে পরবর্তী দন্ড দিতে পারবেন-
ধারা ৪০২ক:
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড মওকুফ।
ধারা ৪০৩:
একবার খালাস বা দণ্ডিত করলে পুনরায় বিচার করা যাবে না
ধারা ৪০৪:
বিধান না থাকলে আপীল চলবে না
ধারা ৪০৭:
দ্বিতীয় বা তৃতীয় ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ধারা ৪০৮:
যুগ্ম দায়রা ও প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাজ্ঞার বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল
ধারা ৪০৯:
দায়রা আদালতে আপীল শুনানী
ধারা ৪১০:
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল
ধারা ৫২৮:
দায়রা জজ তার অধীন আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।

01/11/2024
01/11/2024

সন্তানাদী বিষয়ক ঘোষণা মূলক'
"হলফনামা"
নিবন্ধন নং-....../২০১৮।
নিবন্ধনের
তারিখ:০৬/১২/২০১৮০খ্রিষ্টাব্দ।
(নিবন্ধনকারীর নাম, পদবী, সনদ
নম্বর ও মোবাইল নম্বর সহ সীল
মোহর)
বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের কার্যালয়,
সূপ্রীমকোর্ট বার ভবন, ঢাকা,
বাংলাদেশ।
আমি হলফকারী :- ছায়া বেগম, জন্ম
তারিখ:০২/০৭/১৯৩৯,
জন্ম সনদ
নং-১৯৩৯১১১৭৫১০০১১৩৭ ,
পাসপোর্ট নং-এএফ-২২৫৫৩০৪।
মোবাইল
নং-৮৮০১৭১২ ৯২০১৪৭.,
পেশা:
গৃহিণী , ধর্ম: ইসলাম, জাতীয়তা:
বাংলাদেশী
(জন্মসূত্রে), পিতা:মৃত ফাতির আলী,
স্বামী-মৃত ময়না মিয়া, মাতা: মৃত
বারিকজান বিবি, ঠিকানা:- সাকিন-
জলঢূপ (কালিবহর), ইউনিয়ন-লাউতা ,
থানা ও
উপজেলা-বিয়ানীবাজার, জেলা-
সিলেট; অদ্য: ০৬/১২/২০১৮
খ্রিষ্টাব্দে একজন সুস্থ্য, জ্ঞান-
বুদ্ধি সম্পন্ন ও
সচেতন মহিলা হিসেবে প্রতিজ্ঞা
পূর্বক ঘোষণা করিতেছি যে,
১॥ আমি হলফকারীর স্বামী: মৃত মোঃ
ময়না মিয়া, পিতা: মৃত আফতর আলী,
মাতা: মৃত নজিবা বিবি-
এর সহিত বিগত: ১৫/১২/১৯৬১
খ্রিষ্টাব্দে নিকাহ ও তালাক (কাজী)
এর বালাম:০১, ক্রমিক, পৃষ্টা:০৪,
ক্রমিক:বি-০৬ নং
কাবিননামা মূলে এবং ইসলামী
শরীয়তের
বিধান মতে আমার বিবাহ হয়। আমি
হলফকারী ছায়া বেগমের ও আমার
স্বামী
মৃত মোঃ ময়না
মিয়ার ১৯৬১ খ্রীঃ হইতে
২০০৫ খ্রীঃ পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৪
(চুয়াল্লিশ)
বৎসরেরর দাম্পত্য জীবন-যাপনে
৪ পূত্র ও ৩ কন্যা মিলে
মোট ৭ (সাত) সন্তানের জন্ম হয়।
আমার স্বামী মোঃ মোঃ ময়না মিয়ার
মৃত্যুর
(মৃত্যু তারিখ:৩০/০৯/২০০৫
খ্রিষ্টাব্দ) আগ পর্যন্ত সময়ে, আমি
হলফকারীর বা আমার স্বামীর কারও
২য় বিবাহের
কোন ঘটনা ঘটে নাই, উভয়ের দাম্পত্যে
জন্ম নেওয়া ৭ সন্তানের একজন পূত্র
মৃত্যুতে অপর ৩ পূত্র ও ৩ কন্যা
মিলে
মোট ৬ (ছয়) জন ওয়ারিশ বিদ্যমান
বিবেচ্য হয়॥
২॥ আমি হফলকারী: ছায়া বেগম ও
আমার স্বামী: মৃত ময়না মিয়া'র
১৯৬১
হইতে ২০০৫ খ্রীষ্টাব্দ অবধি দীর্ঘ
৪৪ বৎসরের
সুখের দাম্পত্য জীবনে ৪ পূত্র ও ৩
কন্যা মিলে
মোট যে ৭ (সাত) জন সন্তানের জন্ম
হয়, তাদের নাম ও জন্ম তারিখ
যথাক্রমে:-
১) মাসুক উদ্দিন (জন্ম
তারিখ:০৬/০৮/১৯৬৪), ২) রিনা
বেগম (জন্ম
তারিখ:১০/০৩/১৯৬৭),
৩) সেলিম উদ্দিন (জন্ম
তারিখ: ০২/০৩/১৯৬৮
খ্রিষ্টাব্দ), ৪) মৃত জয়নাল উদ্দীন
(জন্ম
তারিখ:০৭/০৬/১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ
। মৃত্যু তারিখ:২২/০৭/১৯৯৩
খ্রিষ্টাব্দ),
৫) রায়না বেগম (জন্ম তারিখ:
০১/০১/১৯৭৬), ৬) শামীম
উদ্দিন (জন্ম তারিখ:
০৯/০৯/১৯৭৮) ও ৭) আফিয়া
বেগম (জন্ম
তারিখ:০১/০১/১৯৮৩)। এই ৭
(সাত) সন্তান
ছাড়া আমাদের আর কোন ওয়ারিশ নাই॥

01/11/2024

"মিচ কেইচের আর্জি"
মাননীয়,
দায়রা জজ আদালত,
কক্সবাজার ।
সূত্র:- ফৌজদারী মিচ মামলা
নং- /২০১...ইং
যাহা: জি.আর. মামলা নং-১০১৮/২০১৮ইং,
কক্সবাজার সদর মডেল থানার মামলা
নং- ১৭, তাং- ১০/০২/২০১৮ইং
ধারা- ১৯৯০ ইং সনের মাদক দ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০৪) এর
১৯(১) টেবিলের ৯(খ)/২৫ ধারা।
বিষয়ঃ ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের
৪৯৮ ধারা মতে প্রার্থীক/হাজতী
আসামীর পক্ষে জামিনের আবেদন।
বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিষ্ট্রেট (সদর) আমলী আদালতে গত
১৯/১২/২০১৮ইং তারিখে জি.আর.১০১৮/
২০১৮ইং নং মামলায় প্রার্থীক/ হাজতী
আসামীর পক্ষে জামিনে মুক্তির আবেদন
করিলে, বিজ্ঞ নিম্ন আদালত উক্ত
হাজতী আসামীকে জামিনে মুক্তি
দানের যথেষ্ট আইনানুগ কারণ বিদ্যমান
থাকা স্বত্ত্বেও, সন্তোষ জনক কোন
কারণ ছাড়াই প্রার্থীক আসামীর
জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করায়,
প্রার্থীক/ হাজতী আসামী সংক্ষুদ্ধ ও
ক্ষতিগ্রস্থ হইয়া জামিনে মুক্তি লাভের
প্রত্যাবিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিষ্ট্রেট (সদর) আমলী আদালতে গত
১৯/১২/২০১৮ইং তারিখে জি.আর.১০১৮/
২০১৮ইং নং মামলায় প্রার্থীক/ হাজতী
আসামীর পক্ষে জামিনে মুক্তির আবেদন
করিলে, বিজ্ঞ নিম্ন আদালত উক্ত
হাজতী আসামীকে জামিনে মুক্তি
দানের যথেষ্ট আইনানুগ কারণ বিদ্যমান
থাকা স্বত্ত্বেও, সন্তোষ জনক কোন
কারণ ছাড়াই প্রার্থীক আসামীর
জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করায়,
প্রার্থীক/ হাজতী আসামী সংক্ষুদ্ধ ও
ক্ষতিগ্রস্থ হইয়া জামিনে মুক্তি লাভের
প্রত্যাশায়
নিম্ন অজুহাতাদি উল্লেখ করে অত্র
ফৌজদারী মিচ মামলা দায়ের প্রসঙ্গে-
মোঃ আমির হোসেন পাখি, পিতা- মৃত
আবু তাহের, মাতা- মৃত কুলছুমা বেগম,
সাং- দক্ষিণ বাহারছড়া (আবু তাহেরের
বাড়ী), কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ
অফিসের পূর্ব পার্শ্বে, ১১ নং ওয়ার্ড,
থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা-
কক্সবাজার।
--------প্রার্থীক/হাজতী আসামী।
বনাম
রাষ্ট্র---------------------------প্রতিপক্ষ/
বাদী।
অজুহাতাদি সমূহ :-(হেতুবাদ)
১। যেহেতু, প্রার্থীক/হাজতী আসামী
সূত্রোক্ত মামলায় কথিত ঘটনার সহিত
কোনভাবেই জড়িত ছিল না। উক্ত
প্রার্থীক আসামীর দখল হইতে মামলায়
জব্দকৃত নিষিদ্ধ ৬২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট
উদ্ধার করা হয় নাই। পুলিশ আসামীর
শক্রুদের দ্বারা অন্যায়ভাবে বশীভূত
হইয়া উক্ত আসামীকে অহেতুক হয়রানি
করার জন্য তাহাকে সূত্রোক্ত মামলায়
জড়িত করিয়া১। যেহেতু, প্রার্থীক/
হাজতী আসামী সূত্রোক্ত মামলায় কথিত
ঘটনার সহিত কোনভাবেই জড়িত ছিল না।
উক্ত প্রার্থীক আসামীর দখল হইতে
মামলায় জব্দকৃত নিষিদ্ধ ৬২ পিচ ইয়াবা
ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় নাই। পুলিশ
আসামীর শক্রুদের দ্বারা অন্যায়ভাবে
বশীভূত হইয়া উক্ত আসামীকে অহেতুক
হয়রানি করার জন্য তাহাকে সূত্রোক্ত
মামলায় জড়িত করিয়াছে।
২। যেহেতু প্রার্থীক/হাজতী আসামী
আদৌ কোন মাদকদ্রব্য সেবন বা বহনে
কস্মিনকালেও জড়িত কোন ভাবেই ছিল
না। কথিত জব্দকৃত ৬২ পিচ ইয়াবা
ট্যাবলেট সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন
না। উপরোক্ত প্রার্থীক আসামীকে
সূত্রোক্ত মূল জি.আর-১০১৮/২০১৮ নং
মামলার এজাহারে ১নং ক্রমিকে
আসামী করা হইলেও, মামলায় তাহার
বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ আনা
হয় নাই।
৩। যেহেতু প্রার্থীক হাজতী আসামী
একজন হার্পানী (এ্যাজমা) রোগে
আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ্য ও ক্ষীণদেহী
লোক হয়। পেশায় আর্টিষ্ট (অংকন
শিল্পী) উক্ত আসামী পরিবারের
একমাত্র উপার্জনকারী ব্যাক্তি। উক্ত
আসামী গত ০২/১২/২০১৮ ইং তারিখ হইতে
অসুস্থ্যতাবস্থায় জেল হাজতে থাকায়
আসামীর নিজের ও পরিবারের
লোকজনের দুঃখ-কষ্টের সীমা নাই।
৪। যেহেতু মামলায় কথিত ঘটনাস্থল
কক্সবাজার শহরের প্রার্থীক হ
উত্তরাঞ্চলের চকরিয়া থানাধীন
মহাসড়কের বরইতলী এলাকা এবং
উপরোক্ত প্রার্থীক আসামীর বাসস্থান
কক্সবাজার দক্ষিণাঞ্চলের রামু
উপজেলর প্রত্যন্ত দারিয়ারদীঘি
এলাকায়। উক্ত প্রার্থীক আসামীর
বিরুদ্ধে নিজ কিংবা অন্য কোন
এলাকায় এ পর্যন্ত কোন অন্যায়
অভিযোগ পাওয়া যায় ৪। যেহেতু
মামলায় কথিত ঘটনাস্থল কক্সবাজার
শহরের প্রার্থীক হ উত্তরাঞ্চলের
চকরিয়া থানাধীন মহাসড়কের বরইতলী
এলাকা এবং উপরোক্ত প্রার্থীক
আসামীর বাসস্থান কক্সবাজার
দক্ষিণাঞ্চলের রামু উপজেলর প্রত্যন্ত
দারিয়ারদীঘি এলাকায়। উক্ত প্রার্থীক
আসামীর বিরুদ্ধে নিজ কিংবা অন্য
কোন এলাকায় এ পর্যন্ত কোন অন্যায়
অভিযোগ পাওয়া যায় নাই।
৫। যেহেতু প্রার্থীক হাজতী আসামী
একজন বয়োবৃদ্ধ মাতা গোলবাহার বেগম
তাহার পুত্রকে সূত্রোক্তমামলায় জড়িত
করিয়া ধৃত করার খবর পেয়ে পুত্র শোকে
হৃদরোগে (হার্টএ্যাটাকে) গুরুত্বর অসুস্থ
হয়ে তৎ হইতে অদ্যবধি চট্টগ্রাম
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন
মৃত্যুর সন্নিকটে চিকিৎসাধীন ৫। যেহেতু
প্রার্থীক হাজতী

01/11/2024

মাননীয়,
সিনিয়র জুডিসিয়াল মTজিস্ট্রেট (সদর)
আমলী আদালত,
কক্সবাজার।
সূত্রঃ ক্রমিক/এস.এল. নং-....../২০১৮ইং।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার জি.ডি.
নং-...., তাং- ../০৯/২০১৮ইং।
ধারা: ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪
ধারা।
বিষয়: ধৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে
সোপর্দ করণ প্রসঙ্গে।
মহাত্নন,
সবিনয় নিবেদন এই যে, কক্সবাজার সদর
মডেল থানার জি ডি নং- ...., তাং-.../.../
২০১৮ইং মূলে ফৌজদারী কার্যবিধি
আইনের ৫৪ ধারা মতে ধৃত আসামী:- মোঃ
রাসেল মোস্তফা (৩০), পিতা-
মোজাফ্ফর আহমদ, মাতা-মাবিয়া খাতুন,
সাং-পশ্চিম সোনাইছড়ি, ২নং ওয়ার্ড,
ইউনিয়ন-জালিয়াপালং, থানা -উখিয়া,
জেলা-কক্সবাজার' কে অদ্য-১৩/০৯/
২০১৮ইং বিকাল: অনুমান ৪.০০ ঘটিকায়
কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউস সড়ক
(পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে)
বাহারছড়া রাস্তার মাথা নামক
এলাকায় কোন অপরাধ জনক কর্মকান্ড
সংঘঠনের উদ্দেশ্যে ঘুরাফেরা করা
কালে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সহ গ্রেফতার
করতঃ উক্ত আসামীকে ব্যাপক
জিজ্ঞাসাবাদ ও তাহার বিষয়ে
তথ্যানুসন্ধান করি।
ধৃত আসামী: মোঃ রাসেল মোস্তফা'র
বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে, সে একজন
চিহ্নিত প্রতারক, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী,
মানবপাচারকারী ও মাদক ব্যবসায়ী
মর্মে জানা যায়। তাহার বিরুদ্ধে প্রায়
এক ডজনের মত মামলা ওয়ারেন্টভূক্ত,
তদন্তাধীন ও বিচারাধীন আছে।
বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন
ট্রাইব্যুনাল-১, কক্সবাজার-এ বিচারাধীন
১। মানবপাচার নং-৪৮/২০১৫, ২।
মানবপাচার নং-৫২/২০১৬, ৩। মানবপাচার
নং-৭৮/২০১৬, ৪। মানবপাচার
নং-৩২/২০১৫ইং, বিজ্ঞ সিনিয়র
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,
কক্সবাজার-এ বিচারাধীন
জি.আর-১১২/২০১৭ ইং, জি.আর-

01/11/2024

"মিচ কেইচের আর্জি"
মাননীয়,
দায়রা জজ আদালত,
কক্সবাজার ।
সূত্র:- ফৌজদারী মিচ মামলা
নং- /২০১৮ইং
জি.আর. মামলা নং- ৬৭/২০১৮ইং,
চকরিয়া থানার মামলা নং- ১৭, তাং-
১০/০২/২০১৮ইং
ধারা- ১৯৯০ ইং সনের মাদক দ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০৪) এর
১৯(১) টেবিলের ৯(খ) ২১/৩০ ধারা।
বিষয়ঃ ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের
৪৯৮ ধারা মতে প্রার্থীক/হাজতী
আসামীর পক্ষে জামিনের আবেদন।
বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিষ্ট্রেট (চকরিয়া) আদালতে গত...../০৬/২০১৮ইং তারিখে জি.আর.
৬৭/২০১৮ইং নং মামলায় প্রার্থীক/
হাজতী আসামীর পক্ষে জামিনে মুক্তির
আবেদন করিলে, বিজ্ঞ
নিম্ন আদালত উক্ত হাজতী আসামীকে
জামিনে মুক্তি দানের যথেষ্ট আইনানুগ
কারণ বিদ্যমান থাকা স্বত্ত্বেও,
সন্তেুাষ জনক কোন কারণ ছাড়াই
প্রার্থীক আসামীর জামিনের আবেদন
না মঞ্জুর করায়, প্রার্থীক/ হাজতী
আসামী সংক্ষুদ্ধ ও ক্ষতিগ্রস্থ হইয়া
জামিনে মুক্তি লাভের প্রত্যাশায়
নিম্ন অজুহাতাদি উল্লেখ করে অত্র
ফৌঃ মিচ মামলা দায়ের প্রসঙ্গে-
মোঃ আবদুর রাজ্জাক, পিতা- মীর আহমদ,
মাতা- গোল বাহার, সাং-
দারিয়ারদিঘী (মন্ডল পাড়া),
খুনিয়াপালং ইউপি, থানা- রামু, জেলা-
কক্সবাজার।
--------প্রার্থীক/হাজতী আসামী।
বনাম
রাষ্ট্র---------------------------প্রতিপক্ষ/
বাদী।
অজুহাতাদি সমূহ :-
১। যেহেতু, প্রার্থীক/হাজতী আসামী
সূত্রোক্ত মামলায় কথিত ঘটনার সহিত
কোনভাবেই জড়িত ছিল না। উক্ত
প্রার্থীক আসামীর দখল হইতে মামলায়
জব্দকৃত নিষিদ্ধ সাড়ে ৪ হাজার পিচ
ইয়াবা ট্যাবলেট কোন অংশই উদ্ধার করা
হয় নাই। উক্ত আসামী জব্দকৃত
মাইক্রোবাসের যাত্রী হওয়ায়, অহেতুক
হয়রানি করার জন্য তাহাকে সূত্রোক্ত
মামলায় আসামী করা হয়।
২। যেহেতু প্রার্থীক/হাজতী আসামী
আদৌ কোন মাদকদ্রব্য সেবন বা বহনে
কস্মিনকালেও জড়িত কোন ভাবেই ছিল
না। কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট সম্পর্কে
তিনি কিছুই জানেন না। জব্দকৃত
মাইক্রোবাসের চালক ও হেলপার
যথাক্রমে মামলায় কথিত ঘটনায় মূল
অভিযুক্ত হয়। উপরোক্ত প্রার্থীক
আসামীকে সূত্রোক্ত মূল জি.আর ৬৭/১৮
নং মামলার এজাহারে ৩নং ক্রমিকে
আসামী করা হলেও, মামলায় তাহার
বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনা হয় নাই।
৩। যেহেতু মামলা কথিত ঘটনার তারিখ ও
আসামীকে ধৃত করা হয় বিগত ১০/০২/১৮ইং
তারিখে, তৎ পরবর্তী সপ্তাহে অর্থাৎ
বিগত ১৬/০২/১৮ইং তারিখে তাহার
বিবাহের দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু
প্রার্থীক আসামী ও তাহার হবু স্ত্রীর
শুভ বিবাহের ধার্য্য দিনের মাত্র ১
সপ্তাহ পূর্বে দূর্ভাগ্যক্রমে সূত্রোক্ত
মামলায় জড়িত হইয়া অদ্যবধি জেল
হাজতে আছে।
৪। যেহেতু মামলায় কথিত ঘটনাস্থল
কক্সবাজারের উত্তরাঞ্চলের চকরিয়া
থানাধীন মহাসড়কের বরইতলী এলাকা
এবং উপরোক্ত প্রার্থীক আসামীর
বাসস্থান কক্সবাজার দক্ষিণাঞ্চলের
রামু উপজেলর প্রত্যন্ত দারিয়ারদীঘি
এলাকায়। উক্ত প্রার্থীক আসামীর
বিরুদ্ধে নিজ কিংবা অন্য কোন
এলাকায় এ পর্যন্ত কোন অন্যায়
অভিযোগ পাওয়া যায় নাই।
৫। যেহেতু প্রার্থীক হাজতী আসামী
একজন বয়োবৃদ্ধ মাতা গোলবাহার বেগম
তাহার পুত্রকে সূত্রোক্তমামলায় জড়িত
করিয়া ধৃত করার খবর পেয়ে পুত্র শোকে
হৃদরোগে (হার্টএ্যাটাকে) গুরুত্বর অসুস্থ
হয়ে তৎ হইতে অদ্যবধি চট্টগ্রাম
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন
মৃত্যুর সন্নিকটে চিকিৎসাধীন আছে।
৬। যেহেতু উপরোক্ত প্রার্ধীত আসামী
সম্পূর্ণ নির্দোষ, তাহার বিরুদ্ধে
মামলায় কোন অভিযোগ আনা হয় নাই।
কথিত ঘটনার ১ সপ্তাহের মধ্যে তাহার
বিবাহের দিন ধার্য্য ছিল। সে ধৃত হওয়ায়
তাহার বৃদ্ধ মাতা গুরুত্বর অসুস্থ্য ও
চিকিৎসাধীন। তাহার বিরুদ্ধে কথিত
মতে কোন অভিযোগ কখনো পাওয়া যায়
নি।
৭। যেহেতু প্রার্থীক হাজতী আসামী
তাহার পরিবারের একমাত্র
উপার্জনকারী ব্যক্তি। সে গত
১০/০২/২০১৮ইং তারিখ হইতে অধ্যবধি
দীর্ঘ দিন যাবৎ জেল হাজতে এবং
তাহার পরিবারের লোকজন আর্থিক
অভাব অনটনে মানবেতর দিন যাপন
করিতেছে।
৮। যেহেতু প্রার্থীক/হাজতী আসামীর
পক্ষে অন্য কোন উচ্চ আদালতে
জামিনের আবেদন করা হয় নাই। তাহাকে
জামিনে মুক্তি দিলে পলাতক হওয়ার
সম্ভাবনা নাই। যে কোন শর্তে জামিনে
মুক্তি দিলে পলাতক হইবে না। উপযুক্ত
জিম্মাদার দিতে সক্ষম হইবে। নিয়মিত
হাজির থাকিবে।
৭। অন্যান্য বিষয় সমূহ শুনানীকালে
বাচনিক নিবেদন করা হইবে।
অতএব, মহোদয়, উপরোক্ত কারণে ও ন্যায়
বিচারের স্বার্থে-
ক) অত্র ফৌঃ মিচ মামলাটি গ্রহণ করত:
খ) বিজ্ঞ নিম্ন আদালতের নথি তলব করত:
উভয়পক্ষের শুনানীক্রমে প্রার্থীক/
হাজতী আসামীকে যে কোন শর্তে
জামিনে মুক্তি দানে হুজুরের বিহীত
মর্জি হয়।
ইতি/তারিখ: ০../০৭/২০১৮ইং

01/11/2024

“ফৌজদারী দরখাস্ত”
মাননীয়,
বিচারক (জেলা জজ) মহোদয়,
বিজ্ঞ মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন
ট্রাইব্যুনাল, কক্সবাজার।
এবং
বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন
ট্রাইব্যূনাল নং-১, কক্সবাজার।
সূত্র:- সি.পি./মানবপাচার মামলা
নং- ... /২০১৮ইং।
বাদীর নাম ও ঠিকানা:-
হাফেজ আবদুর রহিম প্রকাশ বাহাদুর
(বয়স-..বৎসর, এন.আইডি কার্ড নং-.......),
পিতা-
মৃত আবদু ছমদ,
সাং-দারিয়ারদীঘি.
ইউনিয়ন-খুনিয়াপালং, থানা-রামু;
বর্তমানে সাং-বাদশারঘোনা,
কক্সবাজার পৌরসভা, থানা ও জেলা-
কক্সবাজার।
আসামীদ্বয়ের নাম ও ঠিকানা:-
১। আবুল আলা প্রকাশ গুটি (৩৫), পিতা-
এহেছান উল্লাহ, সাং-
দারিয়ারদীঘি,
ইউনিয়ন-খুনিয়াপালং,
থানা-রামু;
বর্তমানে সাং-কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
মার্কেট, কক্সবাজার পৌরসভা, থানা-
কক্সবাজার সদর,
২। শারিকা বেগম (৩৫), স্বামী-মৃত.আব্দুল
মন্নান,
সাং-হরিখোলা, ইউনিয়ন-খুটাখালী,
থানা-চকরিয়া,
উভয় জেলা-কক্সবাজার।
ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থান:-
১ম ঘটনা: (জাল-জালিয়াতি ভাবে
'অঙ্গীকারনামা' তৈরী),
তাং:৩১/০৮/২০১৬ইং।
সময়:বিকাল অনুমান-৪.০০ ঘটিকা।
স্থান: কক্সবাজার পৌরসভাধীন
কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মার্কেটের নিচ
তলা।
২য় ঘটনা: (মিথ্যা:সি.পি.নং-১০৪৯/২০১৬,
যাহা: মানবপাচার-০৬/২০১৬ নং মিথ্যা
মামলা
দায়ের),
তাং:০১/০৯/২০১৬ইং।
স্থান: বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যূনাল মোকাম,
কক্সবাজার।
৩য় ঘটনা: (হয়রানী মূলক মিথ্যা:
মানবপাচার-০৬/
২০১৬, যাহা-সি.পি.
নং-১০৪৯/২০১৬, জি.আর-৭৮৮/২০১৬ নং
মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা (আই.ও.)
অর্থাৎ ৬ নং স্বাক্ষী কর্তৃক
'চুড়ান্ত প্রতিবেদন' বা FR as
False' নং-১৭৯, তাং:০৭/১২/
২০১৬ইং দাখিল},
তাং-২১/১২/২০১৬ইং,
স্থান: বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আমলী আদালত
মোকাম,
কক্সবাজার।
৪র্থ ঘটনা: ( হয়রানী মূলক দায়েরকৃত
মিথ্যা 'মানবপাচার নং-০৬/২০১৬,
যাহা:সি.পি.নং-১০৪৯/২০১৬ নং
মামলা নিষ্পত্তি ও বাদী সহ ১-৫নং
স্বাক্ষীগণ কে অব্যাহতি প্রদান),
তাং: ২৩/০৫/২০১৮ইং,
সময়: দুপুর-অনুমান-১২.৩০ ঘটিকা।
স্থান: বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যূনাল তথা বিজ্ঞ
মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন
ট্রাইব্যুনাল, কক্সবাজার।
স্বাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানা:-
১। বাদী (হাঃ আবদুর রহিম), পিতা-মৃত
আবদু ছমদ,
২। সাজেদা বেগম, স্বামী- হাঃ আবদুর
রহিম প্রঃ বাহাদুর,
উভয় সাং-দারিয়ারদীঘি, ইউনিয়ন-
খুনিয়াপালং, থানা-রামু;
বর্তমানে সাং-বাদশারঘোনা,
কক্সবাজার পৌরসভা, থানা ও জেলা-
কক্সবাজার।
৩। মুফিজুর রহমান,
পিতা-মৃত নজির আহমদ,
৪। মোজাফ্ফর আহমদ,
পিতা-মৃত আব্দুল আজীজ,
উভয় সাং-দারিয়ারদীঘি,
ইউনিয়ন-খুনিয়াপালং, থানা-রামু,
৫। মোঃ বাবর, পিতা-মৃত এরশাদ
উল্লাহ, সাং-বাজারপাড়া, গোরকঘাটা,
মহেশখালী পৌরসভা, থানা-মহেশখালী,
সর্বজেলা-কক্সবাজার,
৬। এস.আই, মোঃ ওমর ফারুক (নিরস্ত্র),
তদন্তকারী
কর্মকতা (আই.ও.), মানবপাচার মামলা
নং-০৬/২০১৬,
যাহা:সি.পি.নং-১০৪৯/০১৬,
এবং
তৎকালীন, পুলিশ পরিদর্শক, কক্সবাজার
সদর মডেল থানা,
কক্সবাজার সহ আরও
অনেক আছেন।
অপরাধের ধারা:-মানবপাচার
প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর
১৫ ধারা তৎসহ ১৯৮০ সনের দন্ডবিধির
৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৩৪ ধারা।
মহাত্নন, সবিনয় নিবেদন এই যে,
১। অধীন বাদী একজন সহজ-সরল,
শান্তিপ্রিয়, আইনমান্যকারী, পবিত্র
কুরআনে হাফেজ ও বৈধভাবে
মালয়েশিয়া
প্রবাসী এবং স্থানীয় ক্ষুদে ও সৎ
ব্যবসায়ী লোক হই। পক্ষান্তরে
আসামীদ্বয় জাল-জালিয়াতকারী,
প্রতারক, অন্যের
অর্থলোভী ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে
হয়রানী সহ আর্থিক/সামাজিক ভাবে
ক্ষতিগ্রস্থ করার মত হীন
মানসিকতার জঘন্য অপরাধী লোক হয়।
২। উল্লেখিত ১ ও ২নং ক্রমিকের
আসামীদ্বয়
পরস্পর যোগসাজসে ও পূর্বপরিকল্পিত
ভাবে অধীন বাদী সহ ১-৫নং
স্বাক্ষীগণকে হয়রানী ও আর্থিক-
সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার কু-
মানসে ১ম ঘটনার দিন ১নং আসামী
একখানা মিথ্যা-বানোয়াট 'টাকা
গ্রহণের অঙ্গীকারনামা' স্ব-হস্তে
লিখিয়া তৈরী (সম্পাদন) করিতঃ তাতে
অধীন বাদীর ও অধীনের স্ত্রীর
অর্থাৎ ১-২নং স্বাক্ষীদ্বয়ের
দস্তখত ১নং আসামী নিজেই জাল-
জালিয়াতীর
মাধ্যমে প্রদান করে। ২নং আসামীকে
বাদী সাজিঁয়ে, অধীন বাদী সহ ১-৫ নং
স্বাক্ষীগণকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে
হয়রানী করার অসৎ উদ্দেশ্যে সাজাঁনো
উক্ত ভূয়াঁ ও জাল "টাকা গ্রহণের
অঙ্গীকারনামা" খানা দেখিয়ে তৈরী
করা হয়।
৩। ২য় ঘটনার দিন ২নং আসামী নিজেই
বাদী
সেজেঁ এবং তাহার
স্বামী জনৈক মৃত মোঃ আব্দুল মন্নান
কে কথিত
ভিকটিম ও কাল্পনিক ঘটনার কাহিনী
সাজিঁয়ে একখানা "ফৌজদারী দরখাস্ত"
বিজ্ঞ ট্রাইব্যূনালে দায়ের করা হয় এবং
উক্ত ফৌজদারী দরখাস্তে ১ম ঘটনার
তারিখে জাল-
জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরিকৃত 'টাকা
গ্রহণের
অঙ্গীকারনামা' সহ অন্যান্য জাল ও
ভূয়াঁ কাগজপত্রাদি সংযুক্ত করত করে
দেওয়া হয়। বিজ্ঞ ট্রাইব্যূনাল ১নং
আসামীর সহযোগীতায় ২নং আসামীর
দায়েরকৃত
'ফৌজদারী
দরখাস্ত' ('সি.পি.নং-১০৪৯
/২০১৬) খানা শুনানীক্রমে 'ফৌজদারী
কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় নিয়মিত মামলা
রুজু পূর্বক ফৌজদারী
কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় প্রতিবেদন
দাখিলের জন্য পুলিশকে আদেশ প্রদান
করেন। তৎমতে, জি.আর.নং-৭৮৮/
২০১৬, কক্সবাজার সদর মডেল থানার
মামলা নং-১০, তাং-০৫/০৯/
২০১৬, পরবর্তীতে যাহা:
মানবপাচার-০৬/২২১৬, ধারা-মানবপাচার
প্রতিরোধ ও দমন আইন
২০১২ এর ৭/৮ ধারা' মামলাটির উদ্ভব হয়।
উক্ত মামলার তদন্তকারী
কর্মকর্তা (আই.ও.) অর্থাৎ ৬নং ক্রমিকের
স্বাক্ষী গত-০৯/০৯/
২০১৬ইং তারিখে অধীন বাদীকে
গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে
সোর্পদ করেন।
৪। ৩য় ঘটনার তারিখে ১ ও ২নং ক্রমিকের
আসামীদ্বয়ের দায়েরকৃত হয়রানী মূলক
মিথ্যা 'মানবপাচার-০৬/২০১৬, যাহা:
সি.পি-১০৪৯/২০১৬, জি.আর-৭৮৮/২০১৬' নং
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আই.ও.)
অত্র অত্র মামলার ৬নং স্বাক্ষী কর্তৃক
দীর্ঘ তদন্ত শেষে 'চুড়ান্ত
প্রতিবেদন বা Fals as Firt' নং-১৭৯,
তাং-০৭/১২/২০১৬ দাখিল পূর্বক
উল্লেখিত ১ ও ২ নং ক্রমিকের
আসামীদ্বয়ের কৃত অপরাধের বর্ণনা সহ
উক্ত ১/২ নং আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে
মানবপাচার
প্রতিরোধ ও দমন আইন
২০১২ এর ১৫ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে
শাস্তি প্রদানের জন্য
সুপারিশ ও আবেদন করা হয়। ১ ও
২নং ক্রমিকের আসামীদ্বয়ের দায়েরকৃত
হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলায় অধীন
নিরপরাধ বাদী বিনা দোষে
গত-০৯/০৯/২০১৬ইং হইতে ...ইং পর্যন্ত
দীর্ঘ ...মাস ...দিন
কারাভোগ করি এবং ১-৫ নং স্বাক্ষীগণ
আর্থিক ও সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ
এবং নানা ভাবে হয়রানীর
শিকার হই। যা অপূরণীয় ও অমার্জনীয়।
৫। সর্বশেষ ৪র্থ ঘটনার তারিখে ১/২ নং
আসামীদ্বয়ের দায়েরকৃত হয়রানী মূলক
মিথ্যা 'মানবপাচার নং-০৬/
২০১৬, যাহা:সি.পি-১০৪৯/২০১৬
নং মামলায় অত্র বিজ্ঞ ট্রাইব্যূনাল
'চূড়ান্ত প্রতিবেদন'
পর্যালোচনায় মিথ্যা মামলাটি
নিষ্পত্তির ও
অধীন বাদী সহ ১-৫নং স্বাক্ষীগণকে
অব্যাহতি প্রদানের আদেশ প্রচার করেন।
৬। উপরোল্লিখিত ১ ও ২ নং ক্রমিকের
আসামীদ্বয় অধীন বাদী সহ
১-৫ নং ক্রমিকের স্বাক্ষীগণকে অহেতুক
হয়রানী করার উদ্দেশ্যে জাল ও ভূয়াঁ
কাগজপত্র তৈরী/সৃজন করে ভূয়াঁ বাদী/
ভিকটিম সেঁজে/সাজিঁয়ে
কল্পকাহিনী সাজিঁয়ে বিজ্ঞ
ট্রাইবূন্যালে হয়রানী মূলক মিথ্যা
মামলা করে অধীন বাদী সহ ১-৫ নং
স্বাক্ষীর অপূরণীয় ক্ষতি সাধন
করিয়াছে, যাহা: মানবপাচার প্রতিরোধ
ও দমন আইন২০১২ এর ১৫ ধারা তৎসহ
১৯৮০সনের দন্ডবিধির
৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারার সুস্পষ্ট ও জঘন্য
অপরাধ হিসেবে গণ্য । উক্ত ১/২
নং ক্রমিকের আসামীদ্বয়ের দৃষ্টান্ত
শাস্তিহওয়া উচিত। ঘটনাবলীর
নির্ভরযোগ্য, সুস্পষ্ট ও যথাযথ
স্বাক্ষী-প্রমাণাদী আছে, স্বাক্ষীরা
স্বাক্ষ্য দিবেন। প্রয়োজনীয়
কাগজপত্রাদি যোগার করিতে মামলা
দায়েরে সামান্য
বিলম্ব হইয়াছে। অত্র ফৌজদারী
দরখাস্তে প্রয়োজনীয় কাখজপত্রাদি
ফিরিস্তির মাধ্যমে দাখিল করা
হইয়াছে।
অতএব, মহোদয় উপরোক্ত কারণাদি
সদয় বিবেচনায়, ন্যায় বিচারের মিথ্যা
ও হয়রানী মূলক মামলা দায়ের ও তাতে
জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র
তৈরী করার অভিযোগে আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্বে ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ এবং
বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি
প্রদানে হুজুরের বিহীত মর্জি হয়।
ইতি/তারিখ: --/০৭/
২০১৮ইংরেজী॥

01/11/2024

অংশীদারী চুক্তিনামার শর্তসমূহঃ-
১। ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানের
নামঃ
—————————
——-।
২। ব্যবসায়ের ঠিকানাঃ
—————————
————–।
৩। ব্যবসায়ের ধরণ/প্রকৃতিঃ
—————————
———-।
৪। ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য এবং
পরিধিঃ ——————পরিধিঃ ———————-
বিস্তারে “——(ব্যবসায়ের
নাম)——” নামে একটি
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়িয়া
তোলা এবং এই উদ্দেশ্য
সাধনকল্পে একটি আনুসাঙ্গিক
কার্য্যাবলী সম্পাদন করা এবং
ভবিষ্যতে অংশীদারী পক্ষসমূহের
পারস্পরিক সম্মতিতে অন্য যে
কোন আইন সম্মত ব্যবসা
পরিচালনা করিতে পারিবে।
৫। ব্যবসা শুরুর তারিখঃ
ব্যবসায়টি ………………. ইং
তারিখ হইতে শুরু করিবে।
৬। ব্যবসায়ের মেয়াদঃ ব্যবসাটি
আরম্ভ হইয়া অনির্দিষ্ট
মেয়াদকাল পর্যন্ত চলিবে।
৭। মূলধনঃ ব্যবসা৭। মূলধনঃ ব্যবসাটি নগদ
………………….. টাকা নগদ
নিয়া গঠিত হইবে এবং
অংশীদারগণ সমহারে এই মূলধন
সরবরাহ করিবেন। পবর্তীতে
অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন
হইলে অংশীদারী পক্ষগণ
পর্যালোচনা ও মতৈক্যের
ভিত্তিতে সমহারে প্রয়োভিত্তিতে
সমহারে প্রয়োজনীয়
মূলধন সরবরাহ করিবেন।
৮। লভ্যাংশ উত্তোলনঃ
অংশীদারী পক্ষগণ প্রতি
………… দিন/মাস অন্তর
সম্ভাব্য অর্জিত লভ্যাংশ
অনুমোদন করিয়া সমহারে
নির্দিষ্ট পরিমান উত্তোলন
করিতে পারিবেন।
৯। মুনাফা বন্টনঃ অংশীদারগণ
সমহারে মুনাফার অংশীদাসমহারে
মুনাফার অংশীদার
হইবেন।
১০। ব্যবসায়ের ক্ষতিঃ
ব্যবসায়ের ক্ষতি (খড়ংং) হইলে
অংশীদারগণ সমহারে তাহা বহন
করিবেন।
১১। ব্যবস্থাপনাঃ অংশীদারী
পক্ষগণ আলোচনার ভিত্তিতে
ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনা
পরিচালনার নীতি নির্ধারণ
করিবেন। তবে সকলের
সম্মতিক্রমে জনাব
………………………
ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন
করিবেন এবং ইহার ভিত্তিতে
তিনি মাসিক ………….. টাকা
ভাতা গ্রহন করিবেন।
১২। কর্মচারী নিয়োগঃ
অংশীদারগণের অনুমোদনের
ভিত্তিতে কর্মচারী নিয়োগ
প্রদান করা হইবে। তবে
অংশীদারগণের মধ্যে কেহ যদি
কর্মচারী হিসাবে দায়িত্ব পালন
করিতে আগ্রহী হন তবে তিনি
অংশীদারগণের অনুমোদন
সাপেক্ষে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী
কর্মচারী হিসাবে (অংশীদার
হিসাবে প্রাপ্য লভ্যাংশ ব্যতীত)
বেতন ভাতাদি প্রাপ্ত হইবেন।
১৩। আম-মোক্তারনামাঃ
চুক্তিনামার …… নং পক্ষ
অর্থাৎ জনাব/জনাবা …………..
কে অংশীদারী ব্যবসায়ের কার্য্য
সম্পাদনের জন্য আম-মোক্তার
নিযুক্ত করা হইল। এই ক্ষমতা
বলে তিনি ব্যবসায়ের পক্ষ হইতে
প্রাসঙ্গিক দলিলপত্র, চিঠিপত্র,
চেক স্বাক্ষর, বিল, ভাউচার
ইত্যাদি স্বাক্ষর করার অধিকারী
হইবেন।
১৪। হিসাবরক্ষণ, বার্ষিক
হিসাব ও নিরীক্ষণঃ ব্যবসাযের
লেনদেন যথাযথভাবে রক্ষণ লেনদেন
যথাযথভাবে রক্ষণ ও
হিসাব বই সংরক্ষন করা হইবে।
প্রতি বৎসরের ৩০শে জুন
কালান্তিক হিসাব সম্পাদন করা
হইবে। অংশীদারী পক্ষগণ যে
কোন সময়ে ব্যবসায়ের
হিসাবপত্র ও হিসাব প্রতিবেদন
প্রয়োজনে পরীক্ষা/নিরীক্ষা
করিতে পারিবেন।
১৫। ঋণঃ অত্র প্রতিষ্ঠান/
নুতন প্রতিষ্ঠান/নতুন ব্যবসায়
ঋনের প্রয়োজন হইলে ব্যাংক
কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে
বাজারে চলমান সুদের হারে ঋন
গ্রহণ করিতে পারিবেন।
অংশীদারী পক্ষ সমূহের মধ্য
হইতে কোন পক্ষ এই ঋণ প্রদান
করিতে চাইলে তাহা অগ্রাধিকারী
ভিত্তিতে গ্রহণ করা হইবে।
১৬। ব্যাংক একাউন্ট খোলা ও
লেনদেনঃ উক্ত অংশীদারী
কারবারের অংশীদারগণের
অনুমোদন সাপেক্ষে জনাব/জনাবা
……………………. ব্যাংক
হিসাব পরিচালনা করিবেন এবং
চেকে স্বাক্ষর করিয়া টাকা
উত্তোলন এবং জমাদানের
কার্য্য সম্পাদন পরিবেনকার্য্য সম্পাদন
পরিবেন।
১৭। নিষেধাজ্ঞাঃ অত্র
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী কোন
অংশীদারই সকল অংশীদারগণের
লিখিত সম্মতি ছাড়া নিম্নোক্ত
কার্য্যাবলী সম্পাদন করিতে
পারিবেন নাঃ-
(ক) অত্র অংশীদারী ব্যবসা
ব্যতীত ইহার আশেপাশে ——
কিলোমিটার এর মধ্যে একই
প্রকৃতির অন্য কোন অংশীদারী
ব্যবসায় জড়িত হওয়া।
(খ) অংশীদারীর কোন অংশ অন্য
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের
নিকট হস্তান্তর করা।
(গ) ব্যবসায়ের কোন সম্পত্তি
ক্রয় বা বিক্রয় করা।
(ঘ) প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়
অথবা সুনাম নষ্ট হয় এমন কোন
কাজ করা বা আলাপ আলোচনা
করা।
১৮। কোন অংশীদারকে
বহিষ্কারঃ কোন অংশীদার উক্ত
চুক্তিপত্রের কোন শর্ত ভঙ্গ
করিলে তাহাকে অন্যান্য
অংশীদারগনের সম্মতিক্রমে
তাহার প্রাপ্য প্রদান পূর্বক
বহিষ্কার করা যাইবে।
১৯। কোন অংশীদার তাহার অংশ
হস্তান্তর করিতে চাহিলেঃ কোন
অন্যান্য অংশীদারগণের সহিত
আলোচনাক্রমে সর্বসম্মতিতে
লিখিত আকারে অন্যান্য
অংশীদারগনের নিকট বা একক
কোন অংশীদারের নিকট তাহার
অংশ হস্তান্তর করিতে পারিবেন
তবে অত্র চুক্তিনামার পক্ষ
ব্যতীত তৃতীয় কোন পক্ষের
নিকট অংশ হস্তান্তর করিতে
পারিবেন না।
২০। নতুন অংশীদার গ্রহণঃ
অংশীদারী পক্ষগণ লিখিতভাবে
সম্মত না হইয়া নতুন কোন
অংশীদার গ্রহণ করিতে পারিবেন
না।
২১। কোন অংশীদার এর মৃত্যু
হইলেঃ কোন অংশীদারের মৃত্যু
হইলে তাহার আইনানুগ
উক্তরাধীকারীর সাথে
অংশীদারগণ চুক্তিতে আবদ্ধ
হইয়া ব্যবসা পরিচালনা করিতে
পারিবেন।
২২। সুনামের মূল্যায়২২। সুনামের
মূল্যায়নঃ
ব্যবসায়ের সুনাম সংশ্লিষ্ট ফার্ম
প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ও দায়
এর ভিত্তিতে নির্ধারিত হইবে।
২৩। চুক্তির শর্তের পরিবর্২৩। চুক্তির
শর্তের পরিবর্তনঃ
ব্যবসায়ের সাথে কোন শর্ত যুক্ত
বা পরিবর্তন বা সংশোধন করিতে
হইলে অংশীদারী পক্ষগণের
সম্মতিতে তাহা করা যাইবে এবং
পরিবর্তিত/সংযোজিত শর্তসমূহ
অত্র চুক্তিনামার অঙ্গীভ‚ত
হইবে।
২৪। অংশীদারী আইনের ধারাঃ
এই চুক্তিতে উল্লেখ নাই এমন
সকল বিষয় অংশীদারী আইন,
১৯৩২ ইং এর বিধান অনুযায়ী
মিমাংসা হইবে তবে পক্ষগনের
সম্মতিক্রমে কোন বিরোধীয়
বিষয়ে পক্ষগণের যৌথ মনোনীত
প্রতিনিধির দ্বারা মিমাংসার
ব্যবস্থা করা যাইবে।
২৫। ব্যবসায়ের বিলোপ সাধনঃ
ব্যবসায়ের বিলোপ সাধনের কোন
কারণ দেখা দিলে অংশীদারী আইন
মোতাবেক তাহা বিলোপ সাধন ও
ব্যবসায়ের সম্পর্ক বন্টন সাধিত
হইবে।
উপরোক্ত শর্তাবলী পাঠ করিয়া
আমরা পক্ষগণ শুদ্ধ স্বীকারে, সুস্থ্য
মস্তিষ্কে, অন্য কাহারো বিনা
প্ররোচনায় নাম শিরোভাগে নিজ নিজ
দস্তখত করতঃ সম্পাদন করিলাম।
ইতি/

Address

Gulshan 1
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন আড্ডা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share