Panchayet Property Management

Panchayet Property Management A Full Service Law Firm

শ্রম আদালতে কীভাবে মামলা দায়ের করা যায়শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করার আগে মালিক পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হয়। নোটিশের নির্ধা...
28/02/2023

শ্রম আদালতে কীভাবে মামলা দায়ের করা যায়

শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করার আগে মালিক পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হয়। নোটিশের নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন। অথবা আইনজীবীর মাধ্যমেও মামলা দায়ের করতে পারেন। মামলা পরিচালনার জন্য তিনি যেকোনো আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। প্রত্যেক মামলার নির্ধারিত কোর্ট ফি রয়েছে। তবে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবীকে আলাদা করে ফি দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে আইনজীবীর মান অনুপাতে ফি দিতে হয়।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

সালিশী ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তিসালিশী ব্যবস্থা কোন সুষ্পষ্ট আইনের উপর প্রতিষ্টিত নয়। এটি একটি বিবাদ নিরসন মূলক সামাজিক ন্য...
27/02/2023

সালিশী ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তি

সালিশী ব্যবস্থা কোন সুষ্পষ্ট আইনের উপর প্রতিষ্টিত নয়। এটি একটি বিবাদ নিরসন মূলক সামাজিক ন্যায় বিচার প্রক্রিয়া। তবে বাংলাদেশে প্রচলিত কোন কোন আইনে সালিশী ব্যবস্থার উল্লেখ পাওয়া যায়। সল্প আইনীরীতি ও প্রতিষ্টিত প্রথা হিসেবে সালিশী ব্যবস্থা একটি শক্তিশালী সামাজিক ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

দলিল বাতিল করতে হয় কীভাবে?মনে করুন, আপনার একটি দলিল বা আইনি ডকুমেন্ট ছিল, যা অন্যের হস্তগত হয়েছে, কিংবা সেটির এমন পর্যায়...
23/02/2023

দলিল বাতিল করতে হয় কীভাবে?

মনে করুন, আপনার একটি দলিল বা আইনি ডকুমেন্ট ছিল, যা অন্যের হস্তগত হয়েছে, কিংবা সেটির এমন পর্যায়ে রয়েছে, যার কার্যকরিতা বহাল থাকলে আপনার জন্য সমস্যার তৈরি হতে পারে। দলিল বাতিল করার এরকম কোনো প্রয়োজন পড়লে, আদালতের শরণাপন্ন হয়ে কাজটি করা যায়।
আমাদের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ নং ধারা হতে ৪১ নং ধারা পর্যন্ত আদালত কর্তৃক দলিলাদি বাতিলিকরণ সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটি তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে, সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং এবং ‘চুক্তি বিলুপ্ত’ হিসেবে ত্যাগ করবার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

দলিলটি যদি রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তাহলে আদালত ডিক্রির একটি কপি সেই সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং সেই অফিসার সেই বইয়ে দলিলের নকলে সেটির বিলুপ্তির বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন। তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৯১ ধারা অনুসারে যে দলিল বাতিলের জন্য প্রার্থনা করা হয়, সে দলিল সম্পর্কে জানবার বা অবগত হবার তিন বছরের মধ্যে মামলা দাখিল করতে হবে, নয়তো এধরনের মামলা তামাদি হয়ে যাবে এবং এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না। অবশ্য এধরনের মামলা তামাদি হয়ে গেলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ নং ধারা অনুসারে ‘ডিক্লেরেশন মামলা’ দায়ের করে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ আছে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

নিলাম সংক্রান্ত অধিকারগুলি সম্পত্তি নিলাম হওয়ার পূর্বে নোটিশ পাবার অধিকার ।  (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৭ধারা) ...
22/02/2023

নিলাম সংক্রান্ত অধিকারগুলি

সম্পত্তি নিলাম হওয়ার পূর্বে নোটিশ পাবার অধিকার । (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৭ধারা)
সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট নিলাম বাতিলের আবেদন করার অধিকার এবং আবেদনের জন্য সময় পাবার অধিকার (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ২২ধারা )
নিলামের ব্যাপারে আপত্তি দাখিলের অধিকার । (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ২২ধারা )
কোনো ব্যক্তি নিলাম সম্পত্তি ক্রয় করলে তা দখল পাবার অধিকার ।
কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নিলামে হলে ঐ নিলামের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার । (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫১ধারা)
রিভিশনের অধিকার (যদি আপিল করা না হয়) {১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৩ধারা}
রিভিউ এর অধিকার (যদি আপিল বা রিভিশন করা না হয়) (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৪ ধারা)

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

মিথ্যা মামলায় কী করবেন?আমাদের সমাজে মিথ্যা ও তুচ্ছ মামলা দায়েরের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করার ঘটনা নেহাত কম নয়। ন...
21/02/2023

মিথ্যা মামলায় কী করবেন?

আমাদের সমাজে মিথ্যা ও তুচ্ছ মামলা দায়েরের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করার ঘটনা নেহাত কম নয়। নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে প্রতিপক্ষকে প্রায়ই সামাজিক এবং আর্থিকভাবে হয়রানি করার ঘটনা ঘটাতে দেখা যায়। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করেও এ ধরনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। যেমন যৌতুক, ভরণপোষণ, খোরপোশ, তালাক প্রভৃতি বিষয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক সংসারজীবন বিপন্ন করে তোলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রেমের বিয়েকে কেন্দ্র করে নারী অপহরণ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মামলাই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের করার ঘটনা ঘটে। কিন্তু মিথ্যা মামলার শিকার হলে আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

মিথ্যা মামলা চলার সময়ে যা করতে হবেযদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান কেউ, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি ল...
20/02/2023

মিথ্যা মামলা চলার সময়ে যা করতে হবে

যদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান কেউ, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি লড়ে যেতে হবে। যদি দলিলপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ ঠিক থাকে, তাহলে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই মিলবে। মামলা থেকে পালিয়ে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এতে আপনার অনুপস্থিতিতেই সাজা হয়ে যেতে পারে। তবে ফৌজদারি মামলায় জামিনের বিষয় জড়িত থাকে। জামিন বিষয়ে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে। মিথ্যা মামলা হলে রেহাই মিলে। থানায় মামলা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে যথাযথ সত্যতাসহ যাবতীয় দলিল উপস্থাপন করতে হবে। পুলিশ ইচ্ছে করলে গ্রেপ্তার না করে মামলার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষেÿআপনাকে নির্দোষ দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দায়ের করতে পারে।

পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান দিলে জামিনের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী সময়ে অভিযোগ গঠনের দিন মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করতে হবে। নিম্ন আদালতে অব্যাহতি না পেলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যদি আদালতে সরাসরি মামলা হয়, তাহলেও আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। মামলা সাক্ষ্য পর্যায়ে গেলে উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। যদিও মামলার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ যিনি মামলা করেন তাঁর ওপর বর্তায়। অনেক সময় মিথ্যা মামলা হলে মামলাকারী মামলা ঠুকে দেওয়ার পর আর হাজির হন না। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি তারিখ যাওয়ার পর মামলা থেকে খালাস পাওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ আইনে রয়েছে। মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে অবশ্যই মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা আপনি গ্রহণ করতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

মিথ্যা মামলায়  আছে শাস্তির বিধানফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় মিথ্যা অভিযোগের শাস্তির বিধান রয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসাম...
19/02/2023

মিথ্যা মামলায় আছে শাস্তির বিধান

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় মিথ্যা অভিযোগের শাস্তির বিধান রয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামিকে খালাস দেওয়ার সময় প্রমাণ পান যে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বাদীকে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯১ ও ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যদানের শাস্তির জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের কথা উল্লেখ আছে। দণ্ডবিধির ২০৯ ধারামতে, মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। আবার ২১১ ধারায় মিথ্যা ফৌজদারি মামলা দায়ের করার শাস্তির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো অভিযোগ দায়ের করলে অথবা কোনো অপরাধ সংঘটিত করেছে মর্মে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে মামলা দায়েরকারীকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করারও বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয় যদি এমন হয় যে যার কারণে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা সাত বছরের ওপর সাজা হওয়ার আশঙ্কা ছিল, তাহলে দায়ী অভিযোগকারীর সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১৭ ধারায়ও মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করার জন্য আইনানুগ কারণ নেই জেনেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

জাল দলিল বাতিলের মামলা করার বিধান(১) জাল দলিল রেহিস্ট্রি হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮...
18/02/2023

জাল দলিল বাতিলের মামলা করার বিধান

(১) জাল দলিল রেহিস্ট্রি হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুসারে দেওয়ানি আদালতে।
(২) আদালত বিচার শেষে যো ডিক্রি প্রদান করবেন তার একটি নকল সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে হবে। উক্ত নকলের কপি পেয়ে রজিস্ট্রারিং অফিসার সংশ্লিষ্ট বালাম বহিতে দলিল বাতিলের বিষয়টি লিটিবদ্ধ করে রাখবেন।

(৩) জাল দলিল বাতিল না হলে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তিনি এ মামলা করেত পারেন। অর্থাত সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই কেবল এ মামলা করতে পারবেন।
(৪) একাধিক ব্যক্তি পক্ষ হলে তাদের সবাই বা যে কোন জন মামলা করতে পারবেন।

(৫) সম্পত্তির মালিক বেঁচে থকলে ভবিষ্যত উত্তরাধিকারী মামলা করতে পারবেন।
(৬)নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।

(৭) যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে। (সাক্ষ্য আইন ১০১ ধারা, ২৬ ডিএলআর ৩৯২)
(৮)দলিল বাতিলের মামলা করার জন্য কোর্ট ফি আইনের দ্বিতীয় তফসিলে ১৭(৩) অনুচ্ছেদ উল্লিখিত হারে কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে।
(৯) জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হাবে। নচেত তা তামাদি দোষে বাতিল হবে (তামদি আইন ১ম তফসিলের ৯৩ অনু:)
(১০) দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যাবে (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৪০ ধারা)।

(১১) দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে। (কোর্ট ফি আইন ৭(৪)(গ) ধারা)।
(১২) জাল দলিল বাতিলের মামলা ছাড়াও দলিল জারকারীর শান্তি দাবি করে ফৌজদারি আদালতে দন্ড বিধির ৪০৬/৪২০/৪৬৩-৮৭৩ ধারায় মামলা করা যাবে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

মামলা চলাকালে সম্পত্তি হস্তান্তর সম্ভবমনে করুন, আপনার একটি জমি পার্শ্ববর্তী এক প্রভাবশালী ব্যক্তি দখল করে নিয়েছেন। শুধু ...
16/02/2023

মামলা চলাকালে সম্পত্তি হস্তান্তর সম্ভব

মনে করুন, আপনার একটি জমি পার্শ্ববর্তী এক প্রভাবশালী ব্যক্তি দখল করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, জমির দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে ভুয়া দলিলও বানিয়ে নিয়েছেন। আপনি দেওয়ানি আদালতে মামলা ঠুকে দিলেন। দেওয়ানি মামলা চলতে থাকল বছরের পর বছর। এরই মধ্যে আপনার অগোচরে দখলদার সেই ব্যক্তি মামলাকৃত জমিটি তৃতীয় আরেক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিল। এখন মামলা শেষে আদালতের রায় যদি আপনার পক্ষে আসে, সেক্ষেত্রে আপনি কার কাছে গিয়ে জমির মালিকানা দাবি করবেন? আপনার প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে জমি চাইলে তিনি বলবেন, এটি তো বিক্রি হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে যার কাছে বিক্রি করা হয়েছে, সেই ব্যক্তির কাছে দাবি নিয়ে গেলে তিনি বলবেন, আমি তো এটি টাকা দিয়েই অমুকের কাছ থেকে কিনেছি। এই জটিলতা নিরসনে আইনের নীতি হলো এই যে, কোনো সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা করা হলে, মামলা চলাকালে সেই সম্পত্তি আদালতের অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না।
কমন ল’-এর একটি সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি হচ্ছে, ‘মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত নয়। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫২ ধারায় এই নীতিটিকে ‘লিস পেন্ডেন্স’ নামে বিধিবদ্ধ আইনে রূপায়িত করা হয়েছে। ৫২ ধারার মূল বক্তব্য হচ্ছে, মামলা চলাকালে মামলার অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তি হস্তান্তরিত হলে তার ফলাফল মামলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

কীভাবে কন্যা সন্তানের সম্পত্তি বণ্টন হবেউত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যারা তিনভাবে মাতাপিতার সম্পত্তি পেতে পারে। একমাত্র কন্...
15/02/2023

কীভাবে কন্যা সন্তানের সম্পত্তি বণ্টন হবে

উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যারা তিনভাবে মাতাপিতার সম্পত্তি পেতে পারে। একমাত্র কন্যা হলে তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তির দুই ভাগের এক ভাগ বা (১/২) অংশ পাবে। একাধিক মেয়ে হলে সবাই মিলে সমানভাগে তিন ভাগের দুই ভাগ বা (২/৩) অংশ পাবে। যদি পুত্র থাকে তবে পুত্র ও কন্যার সম্পত্তির অনুপাত হবে ২:১ অর্থত এক মেয়ে এক ছেলের অর্ধেক অংশ পাবে। যাহোক কন্যা কখনো মাতাপিতার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয় না। পিতা মারা গেলে তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় যে সম্পত্তি পেতেন তা তার মৃত্যুর পরও তার উত্তরাধিকারীরা পাবে। ১৯৬১ সালের আগে এই নিয়ম ছিল না। পরে একটি আইন পাস করে এই নিয়ম চালু করা হয়। কারণ এতিমরা যাতে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত না হয় সেই সম্পর্কেও ইসলামে নির্দেশ দেয়া আছে।

আবার মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কোন সন্তানকে ত্যাজ্য বলে ধরা হয় না। ফলে সম্পত্তি থেকে তাকেও বঞ্চিত করা যায় না। তবে কোন ব্যক্তি রেজিস্ট্রিকৃতভাবে সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করে গেলে এবং সন্তানকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে সন্তানের অংশ উল্লেখ না করে গেলে ঐ সন্তান আর সম্পত্তি পাবে না। সত ছেলে-মেয়ে, সত বাবা বা সত মায়ের সম্পত্তি পায় না। একই ভাবে সত বাবা বা সত মা, সত ছেলে-মেয়ের সম্পত্তি পায় না। কেউ কাউকে হত্যা করলে হত্যাকারী তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় না। জীবিত থাকা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে কেউ কারো সম্পত্তি পাবে না। জারজ সন্তান তার মা ও মায়ের আত্নীয়দের থেকে সম্পত্তি সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পাবে (মুসলিম হানাফী আইন অনুসারে)। মৃত ব্যক্তির কোন উত্তরাধিকার না থাকলে এবং তা তিনি জীবিতকালে কাউকে না দেয়ার ব্যবস্থা করে গেলে সরকার তার সম্পত্তির ওয়ারিশ হবে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

কীভাবে পুত্র সন্তানের  সম্পত্তি বণ্টন হবেমৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলেরা সকল ক্ষেত্রেই সম্পত্তি পায়। যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির...
14/02/2023

কীভাবে পুত্র সন্তানের সম্পত্তি বণ্টন হবে

মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলেরা সকল ক্ষেত্রেই সম্পত্তি পায়। যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকি সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

কীভাবে মায়ের সম্পত্তি বণ্টন হবেমা তার মৃত সন্তানের সম্পত্তি পেয়ে ৩ ভাবে পেয়ে থাকে। – মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের ...
13/02/2023

কীভাবে মায়ের সম্পত্তি বণ্টন হবে

মা তার মৃত সন্তানের সম্পত্তি পেয়ে ৩ ভাবে পেয়ে থাকে। – মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি যত নিম্নেরই হোক থাকলে অথবা যদি মৃত ব্যক্তির আপন, পূর্ণ বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাইবোন থাকলে তবে মাতা ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) পাবেন। মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি যত নিম্নের হোক না থাকলে এবং মৃত ব্যক্তির যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পাবেন। কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি যত নিম্নের হোক না থাকলে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকলে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীর অংশ বাদ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তার তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) মাতা পাবেন। মৃত ব্যক্তির এক ভাই থাকলেও মাতা ১/৩ অংশ পাবেন।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট
www.panchayetpropertymanagement.com এ চোখ রাখুন অথবা whatsapp করুন ০১৮২৭১২৫৩৫৯ নাম্বার এ।

Address

4 Rajar Dewri
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Panchayet Property Management posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Panchayet Property Management:

Share

Category