Shifat & Associates

Shifat & Associates Lawyer & Law Firm. Tax, Vat, Audit, Accounts, Company Law Consultant & All types of Legal Matters.

15/04/2026

বাংলাদেশে সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভা (Municipality)—দুটিই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, কিন্তু আইনগত কাঠামো, ক্ষমতা ও প্রশাসনিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।

সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত হয় স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী

পৌরসভা পরিচালিত হয় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী

সিটি কর্পোরেশন
বড় শহর/মহানগরের জন্য গঠিত সরকার (ক্যাবিনেট) গেজেটের মাধ্যমে ঘোষণা করে

পৌরসভা
ছোট শহর বা উপজেলা পর্যায়ের নগর এলাকায় গঠিত

সিটি কর্পোরেশন
মেয়র + একাধিক কাউন্সিলর (ওয়ার্ড ভিত্তিক)
প্রশাসন অনেক বড় ও জটিল

পৌরসভা
মেয়র + কম সংখ্যক কাউন্সিলর প্রশাসন তুলনামূলক ছোট

সিটি কর্পোরেশন
নগর পরিকল্পনা (Urban Planning) বড় অবকাঠামো (ফ্লাইওভার, বড় রাস্তা) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি, স্যানিটেশন ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স সংগ্রহ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশি স্বায়ত্তশাসন

পৌরসভা:
মৌলিক সেবা (রাস্তা, ড্রেন, আলো) সীমিত উন্নয়ন প্রকল্প ট্যাক্স/ফি আদায়, তবে পরিসর কম

সিটি কর্পোরেশন
নিজস্ব রাজস্ব সংগ্রহ বেশি বাজেট,আন্তর্জাতিক প্রকল্পেও অংশ নিতে পারে

পৌরসভা
আয় সীমিত সরকারী অনুদানের ওপর বেশি নির্ভরশীল

সিটি কর্পোরেশন
বিল্ডিং অনুমোদন, জোনিং আইন প্রয়োগে শক্তিশালী ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার কিছু ক্ষেত্রে (ভ্রাম্যমাণ আদালত)

পৌরসভা
একই ধরনের ক্ষমতা থাকলেও প্রয়োগ সীমিত

সিটি কর্পোরেশন বেশি স্বায়ত্তশাসিত
পৌরসভা তুলনামূলক বেশি নিয়ন্ত্রিত

09/04/2026

The Negotiable Instruments Act (NI Act) এর ১৩৮ ধারার অধীনে চেক ডিজঅনারের মামলায় একজন বিবাদী (Accused) সাধারণত নিম্নোক্ত আইনি উপায় বা কৌশলগুলো অবলম্বন করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ বা মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন:

​১. লিগ্যাল নোটিশের ত্রুটি (Technical Grounds)
• ​সময়সীমা: চেক ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে কি না।
• ​নোটিশ প্রাপ্তি: নোটিশটি বিবাদীর সঠিক ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে কি না এবং তিনি তা পেয়েছেন কি না।
• ​মামলা দায়ের: নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিন শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে কি না। এই সময়সীমার ব্যত্যয় ঘটলে মামলাটি গ্রহণযোগ্য হয় না।

​২. চেকটি বৈধ ঋণের বিপরীতে না হওয়া (Legally Enforceable Debt)
​১৩৮ ধারার মামলার মূল শর্ত হলো—চেকটি অবশ্যই কোনো বৈধ ঋণ বা দায় (Legally Enforceable Debt) পরিশোধের জন্য দিতে হবে। বিবাদী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে:
• ​চেকটি কোনো উপহার (Gift) হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।
• ​এটি কোনো দান বা চ্যারিটির জন্য ছিল যার বিনিময়ে কোনো দায় ছিল না।
• ​চেকটি চুরি হয়েছিল বা হারিয়ে গিয়েছিল (এক্ষেত্রে থানায় জিডি থাকা জরুরি)।

​৩. সিকিউরিটি চেক (Security Check)
​অনেক সময় ব্যবসার খাতিরে বা ঋণ নেওয়ার সময় 'সিকিউরিটি চেক' দেওয়া হয়। যদি বিবাদী আদালতে প্রমাণ করতে পারেন যে, বাদী পক্ষ সিকিউরিটি হিসেবে রাখা চেকটি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন এবং আসলে বিবাদীর কাছে বাদীর কোনো পাওনা নেই, তবে আদালত বিবাদীকে খালাস দিতে পারেন।

​৪. স্বাক্ষরের ভিন্নতা বা জালিয়াতি
​যদি বিবাদী দাবি করেন যে চেকে করা স্বাক্ষরটি তার নয় বা চেকে কাটাকাটি করা হয়েছে যা তিনি সত্যায়িত করেননি, তবে তিনি আদালতের কাছে হস্তলিপি বিশারদ (Handwriting Expert) দ্বারা পরীক্ষার আবেদন করতে পারেন। স্বাক্ষর জালিয়াতি প্রমাণিত হলে বিবাদী মুক্তি পাবেন।

​৫. আংশিক অর্থ পরিশোধ
​যদি চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার আগেই বিবাদী পে-অর্ডার, ব্যাংক ট্রান্সফার বা রশিদের মাধ্যমে বাদীর পাওনা আংশিক বা পূর্ণ পরিশোধ করে থাকেন এবং তার প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেন, তবে মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যায়।

​৬. চেকে উল্লিখিত পরিমাণ ও ঋণের পরিমাণ অমিল
​যদি দেখা যায় বাদীর প্রকৃত পাওনা চেকের টাকার চেয়ে কম, কিন্তু তিনি বেশি টাকার চেক দিয়ে মামলা করেছেন, তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত (Precedents) অনুযায়ী বিবাদী এর সুবিধা পেতে পারেন।

​৭. আপিল পর্যায়ে মুক্তি (Compounding of Offense)
​মামলা চলাকালীন বা সাজার পরেও যদি বাদী ও বিবাদী নিজেদের মধ্যে আপস করেন, তবে আদালত মামলার কার্যক্রম বাতিল করতে পারেন। ১৩৮ ধারার অপরাধটি Compounding বা আপসযোগ্য। সাজা হয়ে যাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করে জরিমানার টাকা জমা দিয়েও অনেক সময় বাদীপক্ষের সাথে আপস করে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়।

মানি লন্ডারিং বলতে বোঝায়—অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ (যেমন দুর্নীতি, ঘুষ, চোরাচালান, জালিয়াতি ইত্যাদি) বৈধ আয়ের মতো দেখানোর প্র...
08/04/2026

মানি লন্ডারিং বলতে বোঝায়—অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ (যেমন দুর্নীতি, ঘুষ, চোরাচালান, জালিয়াতি ইত্যাদি) বৈধ আয়ের মতো দেখানোর প্রক্রিয়া।

⚖️ প্রধান আইন:
Money Laundering Prevention Act, 2012 অনুযায়ী—
📌 অপরাধের ধরন
নিম্নলিখিত কাজগুলো মানি লন্ডারিং হিসেবে গণ্য হয়:
অবৈধ অর্থ গোপন করা
অন্যের নামে সম্পদ রাখা
অবৈধ অর্থ বৈধ করার চেষ্টা
বিদেশে অর্থ পাচার করা
অপরাধ থেকে অর্জিত সম্পদ ভোগ করা

🚨 শাস্তি কী?
এই আইনের অধীনে শাস্তি খুব কঠোর:

👤 ব্যক্তির জন্য:
সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড
সর্বনিম্ন ৪ বছর কারাদণ্ড
অর্থদণ্ড: অপরাধে ব্যবহৃত বা অর্জিত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা
👉 জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

🏢 প্রতিষ্ঠান (Company) হলে:
কোম্পানির বিরুদ্ধে জরিমানা
সংশ্লিষ্ট পরিচালক/কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত শাস্তি হতে পারে

🏦 তদন্ত ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা:
বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কাজ করে:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
Anti Corruption Commission
Bangladesh Bank

📊 অতিরিক্ত ব্যবস্থা:
সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট (STR) বাধ্যতামূলক
ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ/জব্দ করা যেতে পারে
সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে

07/04/2026

রায় (Judgment): মামলার শুনানি শেষে বিচারক যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন এবং সেই সিদ্ধান্তের পেছনে যে যুক্তি বা কারণগুলো থাকে, তাকে রায় বলে। এটি ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। [ধারা ২(৯)]

​আদেশ (Order): আদালতের এমন সিদ্ধান্ত যা রায় বা ডিক্রি নয়, কিন্তু মামলার বিচার চলাকালীন বিভিন্ন অন্তর্বর্তীকালীন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। [ধারা ২(১৪)]

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রধানত তিনটি উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। বিনিয়োগের ধরণ এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর...
06/04/2026

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রধানত তিনটি উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। বিনিয়োগের ধরণ এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে এই পদ্ধতিগুলো নির্ধারিত হয়:
​১. স্থানীয় কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন (Subsidiary Company)
​বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে একটি সম্পূর্ণ নতুন কোম্পানি খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এটি দুইভাবে হতে পারে:
​শতভাগ বিদেশি মালিকানা: যেখানে সব শেয়ার বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের থাকে।
​যৌথ মূলধনী কোম্পানি (Joint Venture): যেখানে স্থানীয় কোনো উদ্যোক্তার সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করা হয়।
​প্রক্রিয়া: ‘রেজিস্ট্রার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস’ (RJSC) থেকে কোম্পানির নাম ছাড়পত্র (Name Clearance) নিয়ে নিবন্ধন করতে হয়।
​২. লিয়াজোঁ বা রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস (Liaison/Representative Office)
​যদি কোনো বিদেশি কোম্পানি সরাসরি বাণিজ্যিক কার্যক্রম বা বিক্রয় না করে শুধু বাংলাদেশে তাদের মূল অফিসের হয়ে কাজ করতে চায়, তবে তারা লিয়াজোঁ অফিস খুলতে পারে।
​কাজ: লিয়াজোঁ অফিস শুধু যোগাযোগ রক্ষা, বাজার গবেষণা এবং স্থানীয় সুযোগ-সুবিধা যাচাইয়ের কাজ করতে পারে। এরা বাংলাদেশে কোনো আয় বা ইনভয়েস তৈরি করতে পারে না।
​খরচ: এর সমস্ত ব্যয়ভার বিদেশি মূল অফিস থেকে আসতে হয়।
​৩. শাখা অফিস (Branch Office)
​একটি বিদেশি কোম্পানি সরাসরি তাদের বর্তমান কোম্পানির একটি শাখা বাংলাদেশে খুলতে পারে।
​কাজ: শাখা অফিস মূল কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে।
​অনুমোদন: লিয়াজোঁ বা শাখা অফিস খোলার জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)-এর পূর্বানুমতি প্রয়োজন হয়।
​বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপসমূহ:
​বিডা (BIDA) নিবন্ধন: বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন বা ব্যবসার জন্য বিডা-তে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। এটি বিভিন্ন সুবিধা ও ট্যাক্স হলিডে পেতে সাহায্য করে।
​ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মূলধন আনা: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি 'নন-রেসিডেন্ট টাকা অ্যাকাউন্ট' এবং একটি বৈদেশিক মুদ্রা অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। বাংলাদেশে বিনিয়োগের টাকা অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে আসতে হবে।
​ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স নিবন্ধন: স্থানীয় সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। এছাড়া ই-টিন (e-TIN) এবং ভ্যাট (VAT) রেজিস্ট্রেশন করা আবশ্যিক।
​বিজা ও ওয়ার্ক পারমিট: বিদেশি কর্মকর্তাদের জন্য বাংলাদেশে কাজ করতে হলে বিডা থেকে ওয়ার্ক পারমিট নিতে হয়।
​বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (BEZA/EPZ)
​বিনিয়োগকারীরা চাইলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA) বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (EPZ)-এ ব্যবসা স্থাপন করতে পারেন। এখানে বিনিয়োগ করলে শুল্কমুক্ত আমদানি, ট্যাক্স রেয়াত এবং দ্রুত ইউটিলিটি সংযোগের মতো বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়।

03/04/2026

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর সর্বশেষ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো নিয়ে 'বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫' (যা ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা হয়েছে) প্রবর্তিত হয়েছে। এই সংশোধনীতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) মানদণ্ড এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

​১. সংজ্ঞাগত পরিবর্তন
• ​'মহিলা'র পরিবর্তে 'নারী': আইনের সর্বত্র 'মহিলা' (Mohila) শব্দটির পরিবর্তে 'নারী' (Nari) শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
• ​শ্রমিকের পরিধি বৃদ্ধি: শ্রমিকের সংজ্ঞায় এখন কৃষি খামার (যেখানে অন্তত ৫ জন শ্রমিক কাজ করেন), ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শ্রমিক, গৃহকর্মী এবং সমুদ্রগামী নাবিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
• ​মালিকের প্রতিনিধি: যারা সরাসরি প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নেই, এমন সুপারভাইজারদেরও এখন নির্দিষ্ট শর্তে 'শ্রমিক' হিসেবে গণ্য করার সুযোগ থাকছে।
​২. ছুটি ও মাতৃত্বকালীন সুবিধা
• ​মাতৃত্বকালীন ছুটি: মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১১২ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন করা হয়েছে। এছাড়া সন্তান প্রসবের আগে ও পরে ছুটির বিন্যাস আরও নমনীয় করা হয়েছে (যেমন: প্রসবের আগে ৬০ দিন এবং পরে ৬০ দিন)।
• ​উৎসব ছুটি: বার্ষিক বেতনসহ উৎসব ছুটি ১১ দিন থেকে বাড়িয়ে ১৩ দিন করা হয়েছে।
• ​অর্জিত ছুটি: আগে প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি পাওয়া যেত, যা সংশোধন করে এখন প্রতি ১৪ দিন কাজের জন্য ১ দিন করা হয়েছে।
​৩. ট্রেড ইউনিয়ন গঠন প্রক্রিয়া সহজীকরণ
​ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য শ্রমিক সংখ্যার যে ২০% সদস্য হওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল, তা তুলে দিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যাভিত্তিক কাঠামো করা হয়েছে:
• ​২০ থেকে ৩০০ শ্রমিকের কারখানায়: মাত্র ২০ জন শ্রমিক থাকলে ইউনিয়ন করা যাবে।
• ​৩০১ থেকে ৫০০ শ্রমিকের কারখানায়: ৪০ জন।
• ​৫০১ থেকে ১৫০০ শ্রমিকের কারখানায়: ১০০ জন।
• ​৩০০১ জনের বেশি শ্রমিকের কারখানায়: ৪০০ জন।
​৪. আর্থিক সুবিধা ও ক্ষতিপূরণ
• ​পদত্যাগ জনিত সুবিধা (Resignation Benefits): নতুন গ্রেডেড কাঠামো প্রবর্তন করা হয়েছে: ​১ বছর পূর্ণ হলে: প্রতি বছরের জন্য ৭ দিনের মজুরি। ​৩ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত: প্রতি বছরের জন্য ১৫ দিনের মজুরি। ​১০ বছরের বেশি: প্রতি বছরের জন্য ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি (যেটি বেশি)।
• ​সর্বনিম্ন মজুরি পর্যালোচনা: মজুরি কাঠামো পর্যালোচনার সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করা হয়েছে।
• ​প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF): বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
​৫. সুরক্ষা ও বৈষম্য বিরোধী বিধান
• ​নিগ্রহ ও বৈষম্য প্রতিরোধ: কর্মস্থলে যৌন হয়রানি, বৈষম্য এবং সহিংসতা বন্ধে কঠোর বিধান আনা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একটি অভিযোগ কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক।
• ​ব্ল্যাকলিস্টিং নিষিদ্ধ: শ্রমিকদের তালিকাভুক্ত করে কাজ থেকে বঞ্চিত করার (Blacklisting) প্রথা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
• ​বিপজ্জনক কাজ: গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী নারীদের কোনো বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা যাবে না।
• ​কাজ প্রত্যাখ্যানের অধিকার: যদি কোনো শ্রমিক মনে করেন যে কাজের পরিবেশ তার জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, তবে তিনি ওই কাজ করতে অস্বীকার করতে পারবেন।
​৬. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
• ​পেশাগত রোগ: কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম, মানসিক চাপ (Stress), বিষণ্ণতা (Depression) এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাগুলোকে এখন 'পেশাগত ব্যাধি' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
• ​চিকিৎসা সুবিধা: কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও চিকিৎসার জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

02/04/2026

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বর্তমানে 'বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭' কার্যকর রয়েছে।

​বিয়ের আইনি বয়স

​পুরুষ: ২১ বছর
নারী: ১৮ বছর এই বয়সের নিচে কেউ বিয়ে করলে তা 'বাল্যবিবাহ' হিসেবে গণ্য হবে।

​অপরাধ ও দণ্ড (Punishment)

1)​প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি (নারী বা পুরুষ): কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি বাল্যবিবাহ করলে তার সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

2)​অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি: কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে বা মেয়ে বাল্যবিবাহ করলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের আটকাদেশ অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। (এখানে কারাদণ্ডের পরিবর্তে আটকাদেশের কথা বলা হয়েছে)।

3)অভিভাবক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি: বাবা-মা বা অন্য কোনো অভিভাবক যদি বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করেন বা এতে সহায়তা করেন, তবে তাদের সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।

4)বিবাহ সম্পাদনকারী (কাজী বা পুরোহিত): যিনি বিয়ে পড়াবেন, তারও সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

বাল্যবিবাহ বিশেষ বিধান (Section 19)
​এই আইনের সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত অংশ হলো ১৯ নম্বর ধারা। এখানে বলা হয়েছে:
​কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে যদি অপ্রাপ্তবয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করার প্রয়োজন হয়, তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে এবং বাবা-মায়ের সম্মতিতে বিধি দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিয়ে হলে তা এই আইনের অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
​তবে এটি সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম এবং এর জন্য আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হয়।

প্রতিকারের উপায়

নিষেধাজ্ঞা জারি: কোনো বাল্যবিবাহ হওয়ার খবর পেলে যেকোনো ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ করতে পারেন। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট বিয়ে বন্ধের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন।

জরুরি নাম্বার: বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশের নাগরিকরা তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য ৩৩৩ বা ১০৯ নাম্বারে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারেন।

02/04/2026

মৌলিক অধিকার রক্ষা (Enforcement of Fundamental Rights)
​সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারগুলো (যেমন: কথা বলার অধিকার, চলাফেরার অধিকার, আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার ইত্যাদি) যদি ক্ষুণ্ণ হয়, তবে যেকোনো নাগরিক ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে প্রতিকার চাইতে পারেন।

"ইসলাম ধর্মালম্বী সকল ভাই বন্ধু আত্মীয়দেরকরোনাকালে দুর থেকে সকলকে জানায় ঈদের প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন"
13/05/2021

"ইসলাম ধর্মালম্বী সকল ভাই বন্ধু আত্মীয়দের
করোনাকালে দুর থেকে সকলকে জানায়
ঈদের প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন"

09/04/2021

স্টাণ্ডার্ড ও দেশীয় পদ্ধতিতে ভূমির পরিমাপে বিভিন্ন এককের তুলনা :

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ৪৮.৪০ বর্গগজ =৪০.৪৬ বর্গমিটার = ১০০০ বর্গলিংক।

১ একর = ১০০ শতাংশ = ৪৮৪০ বর্গগজ = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট = ১,০০,০০০ বর্গলিংক।

১ কাঠা (স্টাণ্ডার্ড) = ১.৬৬৬৭ শতাংশ = ৮০.৬৭ বর্গগজ = ৭২৬ বর্গফুট।

১ কাঠা (দেশীয় হিসেবে)ঃ ১.৬৫ শতাংশ (প্রায়) = ৮০ বর্গগজ = ৭২০ বর্গফুট।

১ বিঘা (স্টাণ্ডার্ড) = ৩৩.৩৩ শতাংশ = ২০ কাঠা (স্টাণ্ডার্ড কাঠা) = ১৬১৩.১৩ বর্গগজ = ১৪৫২০ বর্গফুট।

১ বিঘা (দেশীয় হিসেবে) = ৩৩ শতাংশ = ১৬০০ বর্গগজ = ১৪৪০০ বর্গফুট।

Address

30 Jonson Road, Kotowali
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shifat & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share