Advocate Arifur Rahman

Advocate Arifur Rahman Advocate,Supreme Court of Bangladesh

I am Advocate Arifur Rahman, a lawyer of the Supreme Court of Bangladesh with over 10 years of experience in civil law, legal drafting, and court advocacy.

21/02/2026
Trinity Legal Counsel wishes you a Happy New Year 2026.May the year ahead bring peace, success, and justice for all.
31/12/2025

Trinity Legal Counsel wishes you a Happy New Year 2026.
May the year ahead bring peace, success, and justice for all.

বাংলাদেশে জমির মালিকানা বহু মানুষের জীবনের অন্যতম ভিত্তি। পরিবারের নিরাপত্তা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, আর্থিক স্থিতি সবকিছুর...
29/11/2025

বাংলাদেশে জমির মালিকানা বহু মানুষের জীবনের অন্যতম ভিত্তি। পরিবারের নিরাপত্তা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, আর্থিক স্থিতি সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই সম্পদ। কিন্তু এই সম্পত্তির ওপর অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যে পর্যায়ের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন, তা কোনো আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে দলিলের করণিক ভুলের জটিলতা। একটা অক্ষর বা হিসাবের সামান্য ভুল সংশোধন করা যায় ভ্রম সংশোধন দলিলের মাধ্যমে। সময় লাগে খুব কম। কিন্তু বাস্তবে অনেক ভূমি অফিসই এসব ভুল সংশোধনের বদলে মালিককে আদালতের পথে পাঠায়। এতে সহজ প্রশাসনিক বিষয় মামলার জটিলতায় ঢুকে পড়ে এবং মানুষের সময় ও সম্পদ অকারণে নষ্ট হয়।

জরিপজনিত ভুল আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। মাঠ জরিপে তথ্য সঠিক থাকা সত্ত্বেও গেজেটেড পর্চায় ভুল পাওয়া যায়। আবার নতুন জরিপে সাবেক দাগ পাল্টে গিয়ে মালিকরা নামজারির ক্ষেত্রে বিরাট বাধার সম্মুখীন হন। অথচ সাবেক ও হাল দাগের সব তথ্যই সরকারি নথিতে বিদ্যমান। এই তথ্য মিলিয়ে দেখা বা সংশোধন করা প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন নয়, বরং প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে, এই দায়িত্ব পালনে অনেক ক্ষেত্রেই উদাসীনতা দেখা যায়।

ফলে মালিকরা এমন অবস্থায় পড়েন যেখানে জমি তাদের হলেও ব্যবহার করতে বা হস্তান্তর করতে পারেন না। কেউ মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রি করতে চান কিন্তু নামজারি আটকে আছে। কেউ পরিবারে সম্পদ ভাগ করতে চান কিন্তু রেকর্ডের অসামঞ্জস্যের কারণে দলিল রেজিস্ট্রি সম্ভব নয়। নিজের সম্পত্তির ওপর এ ধরনের সীমাবদ্ধতা শুধু অযৌক্তিকই নয়, নাগরিক অধিকারেরও অবমাননা।

রেকর্ডে ছোটখাটো ভুল, বানান, বয়স, পরিমাণ বা নামের তফাৎ এসব ভ্রান্তি ভূমি অফিসে দ্রুত সংশোধনযোগ্য। কিন্তু অনেক জায়গায় এই ক্ষমতা প্রয়োগ না করে মানুষকে অযথা আদালতে পাঠানো হয়। এতে আদালতের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং সাধারণ মানুষ অকারণ মামলার দায়ে জড়িয়ে যায়।

সমস্যাগুলো নতুন নয়। সমাধানও অজানা নয়। ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে প্রয়োগ, নথির নির্ভুলতা নিশ্চিতকরণ, মাঠ পর্যায়ের জবাবদিহিতা এবং সেবামুখী প্রশাসনিক মনোভাব এই চারটি পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে যেতে পারে।

দেশের মানুষ জমির মালিক হতে গিয়ে শাস্তির মতো অভিজ্ঞতার শিকার হবে এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নাগরিকের সম্পত্তির ওপর তার পূর্ণ ও নির্বিঘ্ন অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সময় এসেছে সেই দায়িত্ব সচেতনভাবে পালনের।

ADM Jabalpur মামলা: এক বিচারকের সাহসের গল্প:২৫ জুন ১৯৭৫। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন।...
28/11/2025

ADM Jabalpur মামলা: এক বিচারকের সাহসের গল্প:

২৫ জুন ১৯৭৫। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন। সংবাদপত্রে সেন্সর, রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেফতার, সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে নাগরিক অধিকার কার্যত স্থগিত হয়ে যায়। জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর ধারা ১৮ MISA (Maintenance of Internal Security Act) এর অধীনে হাজার হাজার নেতা, কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়।ভারতীয় সংবিধানের আর্টিকেল ২১ অনুযায়ী “আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করা যাবে না।” কিন্তু জরুরি অবস্থায় সরকার দাবি করল—এই অধিকারও সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে।

মূল প্রশ্ন: নাগরিক কি আদালতে যেতে পারবে?

হাজার হাজার লোককে কোনো কারণ না দেখিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছিল। পরিবার, আইনজীবী, দল—কেউই জানত না কাকে কেন আটক রাখা হয়েছে। তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠল:

জরুরি অবস্থায় আটক হওয়া ব্যক্তি কি হেবিয়াস করপাস রিট করে আদালতে আসতে পারবেন?

সরকারের অবস্থান ছিল স্পষ্ট:
না। জরুরি অবস্থায় এমন কোনো অধিকার নেই। আদালতের দরজা বন্ধ।

মামলার উত্থান: ADM Jabalpur vs. Shivkant Shukla (1976)

মামলাটি বিভিন্ন হাইকোর্টে দায়ের হওয়ার পর বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে যায়। পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ:

১।প্রধান বিচারপতি এ. এন. রে

২।বিচারপতি এম. এইচ. বেগ

৩।বিচারপতি ওয়াই. ভি. চন্দ্রচূড়

৪।বিচারপতি পি. এন. ভাগবতী

৫।বিচারপতি এইচ. আর. খান্না

বিচারপতিরা সরকারপক্ষের যুক্তি মেনে নিলেন। চারজন বিচারপতি রায় দিলেন:

জরুরি অবস্থার সময় আর্টিকেল ২১ কার্যত স্থগিত।

ব্যক্তিস্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষা নেই।

আটক ব্যক্তির আদালতে যাওয়ার অধিকার নেই।

এই রায়কে আজও ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার রায় বলা হয়।

চাপ, ভয়, রাজনৈতিক প্রতিশোধ—সবকিছু জেনেও বিচারপতি খান্না তার বিবেকের কথা বলেছেন। তিনি একাই বলেন:

সংবিধান যে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার কথা বলছে, তা শুধু কাগজের অধিকার নয়। মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন। রাষ্ট্র সেই স্বাধীনতা পুরোপুরি কেড়ে নিতে পারে না। এমনকি জরুরি অবস্থাতেও নয়। আদালতের দরজা কখনই পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না।“

রায় ঘোষণার আগেই তিনি জানতেন, সরকারের বিপরীতে অবস্থান নিলে তার জন্য বড় মূল্য দিতে হবে। তখনই জানা যাচ্ছিল যে পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হওয়ার কথা তারই। কিন্তু তার এই ভিন্নমতের কারণে সরকার তাকে বাদ দিয়ে তার চেয়ে জুনিয়র বিচারপতি এম. এইচ. বেগকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করে।

বিচারপতি খান্না সেই দিনই পদত্যাগ করেন। তিনি নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিসর্জন দিয়ে ন্যায়বোধ রক্ষা করেছিলেন।

তার ভিন্নমত ভারতীয় বিচারব্যবস্থার নৈতিক ভীত হয়ে দাঁড়ায়।

অনেক বছর পরে সুপ্রিম কোর্ট এই রায়কে “ভারতের বিচার ইতিহাসের ভুল সিদ্ধান্ত” বলে ঘোষণা করে এবং স্পষ্ট করে যে:

বিচারপতি খান্নাই সেই সময়ে সঠিক ছিলেন।

বিচারপতি খান্না আজও অনন্য

তিনি সংবিধান, মানবাধিকার এবং আদালতের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।

তিনি জানতেন সঠিক রায় দিলে প্রধান বিচারপতির পদ হারাবেন, তবুও ভয় পাননি।

তিনি দেখিয়েছেন একজন বিচারকের প্রথম দায়িত্ব জনগণের কাছে, সরকারের কাছে নয়।

তিনি নিজেই বলেছিলেন:
“If ever life and liberty are taken away, the courts must always remain open.”

ADM Jabalpur মামলায় তার সাহসী অবস্থান ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় নৈতিক শক্তির প্রতীক হয়ে আছে। বিচারপতি খান্নাকে আজও বলা হয়
“The judge who saved the soul of the Constitution.” তার ADM Jabalpur-এ ভিন্নমত আজও আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য একটি নৈতিক নির্দেশনা।

🌙 ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা 🐐ত্যাগের মহান আদর্শ ও আত্মনিবেদন আমাদের জীবনকে করে তুলুক আরও সুন্দর, মানবিক ও ন্যায়ের পথে দৃঢ়।Tri...
06/06/2025

🌙 ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা 🐐
ত্যাগের মহান আদর্শ ও আত্মনিবেদন আমাদের জীবনকে করে তুলুক আরও সুন্দর, মানবিক ও ন্যায়ের পথে দৃঢ়।

Trinity Legal counsel –এর পক্ষ থেকে সকল সহকর্মী, সহযাত্রী, ক্লায়েন্ট এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি পবিত্র ঈদ উল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

আসুন, ত্যাগের এই মহিমাময় দিনে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে এগিয়ে যাই।

ঈদ মোবারক!

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩(Land Crime Prevention and Redressal Act, 2023) আইনে ২ বছরের কারাদণ্ড। চাঁদপুর সি...
22/05/2025

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩(Land Crime Prevention and Redressal Act, 2023) আইনে ২ বছরের কারাদণ্ড। চাঁদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তন্ময় কুমার দে' এর আদালত নতুন ভূমি আইন, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ এর ৭(২) ধারা ও ১০ ধারায় আসামীকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডোর: বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান ও ভবিষ্যত কৌশললেখক: আরিফুর রহমান  এডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলা...
01/05/2025

রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডোর: বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান ও ভবিষ্যত কৌশল

লেখক: আরিফুর রহমান
এডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ

রাখাইন রাজ্য বর্তমানে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান নিপীড়নের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক মহল থেকে প্রস্তাব উঠেছে, বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে রাখাইনে একটি মানবিক করিডোর স্থাপনের অনুমতি দিক, যাতে যুদ্ধাক্রান্ত এলাকায় খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি সহায়তা পাঠানো যায়। মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ইতিবাচক মনে হলেও, রাষ্ট্রীয় নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ও বিচক্ষণ নীতিগত অবস্থান গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নীতি
বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরে মানবিক করিডোর স্থাপন একটি সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত। এ ধরনের পদক্ষেপ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্ন তোলে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতে করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৈব্যক্তিকভাবে জড়িত হয়ে পড়তে পারে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নীতির দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ঝুঁকিপূর্ণ।

অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক ভারসাম্য
বাংলাদেশ বরাবরই অ-হস্তক্ষেপ নীতি (Non-Intervention Policy) অনুসরণ করে আসছে। এই নীতির লক্ষ্য হলো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নিজেকে নিরপেক্ষ রাখা। মানবিক করিডোর বাস্তবায়ন হলে, মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কার্যত আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের একটি পথ উন্মুক্ত হবে, যা বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে বিপন্ন করতে পারে। একইসাথে চীন, ভারত, ও যুক্তরাষ্ট্র-এর ভিন্নমুখী স্বার্থের মাঝে পড়ে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক সংকটে ফেলবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি
বাংলাদেশের প্রধান কূটনৈতিক লক্ষ্য হলো—রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন। মানবিক করিডোর স্থাপন এই প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বিকল্প ও বিভ্রান্তিমূলক বার্তা দিতে পারে। মিয়ানমার দায় চাপাতে পারে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর, এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীও ‘স্থায়ী সমাধান’ হিসেবে বাংলাদেশে থেকে যাওয়াকে সহজ পছন্দ হিসেবে দেখতে পারে। এ অবস্থায় করিডোর একটি নীতিগত দ্বন্দ্ব তৈরি করে।

অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সক্ষমতার প্রশ্ন
বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বিপুল পরিমাণে অর্থ ও অবকাঠামোগত ব্যয় করছে। একটি মানবিক করিডোর পরিচালনায় যুক্ত হবে আরও প্রশাসনিক চাপ, লজিস্টিক ব্যয় ও নিরাপত্তা দায়। এসব ব্যবস্থা ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নের নিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক স্বচ্ছতা না থাকলে এটি বাংলাদেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নীতিগত প্রস্তাবনা
১. সীমান্ত নিরাপত্তা অগ্রাধিকার:মানবিক করিডোর চালুর পূর্বে সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং তা জাতিসংঘ পর্যবেক্ষণেমপরিচালিত হতে হবে।

২. আঞ্চলিক সংলাপের উদ্যোগ:SAARC বা BIMSTEC প্ল্যাটফর্মে আঞ্চলিক আলোচনা ও ঐকমত্য ছাড়া এককভাবে কোনো করিডোর চালু করা উচিত নয়।

৩. জাতীয় নিরাপত্তা নীতিতে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা: মানবিক সহায়তা ও কূটনৈতিক নীতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি বিশেষ জাতীয় নীতিমালা বা গাইডলাইন প্রণয়ন করা দরকার।

৪. আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা:করিডোর পরিচালনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অর্থায়ন, নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডোর স্থাপনের বিষয়টি একদিকে মানবিক সহানুভূতির প্রতিফলন, অন্যদিকে একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্যের গভীর নীতিগত প্রশ্ন। বাংলাদেশকে এই বিষয়ে আবেগ নয়, বরং নীতিগত দূরদর্শিতা ও কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রেখে অগ্রসর হতে হবে। ন্যূনতম কূটনৈতিক প্রস্তুতি ও আঞ্চলিক ঐক্যমত্য ছাড়া একতরফাভাবে করিডোর অনুমোদন দেওয়া আত্মঘাতী হতে পারে।

Arifur Rahman is an Advocate of the Supreme Court of Bangladesh with over a decade of experience in litigation and legal...
23/04/2025

Arifur Rahman is an Advocate of the Supreme Court of Bangladesh with over a decade of experience in litigation and legal practice. He completed his LL.B (Hons) in 2012 and LL.M in 2013 from Eastern University, laying a strong academic foundation for his career.
He began his legal journey with an internship at Shomaji & Associates under Advocate Ahsanul Haque Shomaji, gaining practical experience and insight into the profession. In 2014, after enrolling as an Advocate, he joined Sadat Sarwat & Associates and trained under Barrister Omar Sadat, focusing on litigation, advocacy, and legal drafting.
Mr. Rahman regularly appears before the Supreme Court in Writ, Company, Civil, Criminal, and Admiralty matters. He also represents clients before Subordinate Courts, Administrative Tribunals, and the Land Appeal Board, and has participated in international commercial arbitration, enhancing his expertise in cross-border dispute resolution.
He has extensive experience in civil litigation, including land disputes, banking and financial matters, drafting and vetting contracts, arbitration cases, and family law matters such as divorce, dower, and child custody. His practice also covers money suits, employment-related cases for teachers in private MPO schools , cheque-related cases, permanent injunction matters, customs and VAT, and company-related consultations and litigation.
Mr. Rahman provides clients with practical, results-oriented legal solutions, combining his extensive courtroom experience with a deep understanding of complex legal matters.

Trinity Legal counsel.
16/02/2025

Trinity Legal counsel.

Address

1st Floor, House 54, Road No. 08, Block/D, Niketon, Gulshan/1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801915102677

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Arifur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Arifur Rahman:

Share