School Of LAW

School Of LAW An initiative of general & critical study of laws,aiming to understanding for lawyers & citizens.

06/06/2026

প্রশ্ন: পক্ষগনের মধ্যে দেওয়ানি মামলা চলমান থাকলে।
সে ক্ষেত্রে কোন পক্ষকে নামজারি রেকর্ড দেওয়া যায় কিনা?

কোনো পক্ষ নামজারির (Mutation) জন্য আবেদন করতে পারে। তবে নামজারি দেওয়া যাবে কি না, তা মামলার প্রকৃতি, দাবি এবং সংশ্লিষ্ট দলিলপত্রের উপর নির্ভর করে।প্রথমেই একটি মৌলিক বিষয় মনে রাখতে হবে—নামজারি (Mutation) মালিকানা সৃষ্টি করে না। এটি মূলত ভূমি রাজস্ব আদায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থা। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়ানি আদালতের।বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বহুবার বলেছেন যে, রেকর্ড বা নামজারি মালিকানার চূড়ান্ত দলিল নয়; মালিকানা নির্ধারণের একমাত্র কর্তৃত্ব দেওয়ানি আদালতের। সুতরাং পক্ষগনের ভিতরে
মালিকানা নিয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকলে এবং দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান থাকলে ভূমি অফিস মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন ব্যক্তির পক্ষে মিউটেশন রেকর্ড দিতে পারে না।
এ সম্পর্কে হাইকোর্ট ডিভিশন একটি রিট পিটিশনে বলেছেন যে,রিট পিটিশন নং-৫৪২০/২০১৪( শফিকুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র ) এই মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশন বলেন
পক্ষগনের ভিতরে মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা থাকলে সে ক্ষেত্রে ভূমি অফিস মিউটেশন রেকর্ড করতে পারে না।
কারন মামলা চলাকালে নামজারি হলেও তা আদালতের চূড়ান্ত রায়কে অতিক্রম করতে পারে না।

15/05/2026
হাইকোর্ট এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেন যে: খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস) বর্তমান দখলের প্রমাণ এবং নিবন্ধিত কবলা মালিক...
22/03/2026

হাইকোর্ট এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেন যে: খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস) বর্তমান দখলের প্রমাণ এবং নিবন্ধিত কবলা মালিকানার (টাইটেলের) প্রমাণ। নিবন্ধিত দলিল খতিয়ানের উপর প্রাধান্য পাবে এবং উক্ত কবলা উপযুক্ত সিভিল আদালত কর্তৃক বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ১৩.০৫.১৯৬৫ তারিখের নিবন্ধিত দলিলটি ৩০ বছরের অধিক পুরাতন দলিল, যা সঠিক হেফাজত থেকে উপস্থাপিত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুসারে এটি যথাযথভাবে সম্পাদিত ও প্রকৃত (genuine) দলিল বলে অনুমিত হবে।

19/03/2026

ব্ল্যাঙ্ক চেক নিয়ে উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তঃ আব্দুল জলিল বনাম রাষ্ট্র, ৫৬ ডিএলআর ৬৩৬
এডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক:
ব্ল্যাঙ্ক চেকে (ফাঁকা চেক) শুধু স্বাক্ষর দিলেই হবে, টাকার অংক, পেয়ীর নাম, তারিখ ভিন্ন হাতের লেখা হলেও এন.আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলাটি আইনত চলবে। বছরের পর বছর ধরে চেকের মামলার এই জটিল ধাঁধার সমাধান দিয়েছে আমাদের উচ্চ আদালত। আব্দুল জলিল বনাম রাষ্ট্র, ৫৬ ডিএলআর ৬৩৬, মামলার সেই ঐতিহাসিক রায়টি আজ প্রতিটি পাওনাদার এবং দেনাদারের জানা জরুরি, তা নিয়েই আজকের আজকের বিশেষ কলাম।

মামলাটিতে আসামী পক্ষ যুক্তি দিয়েছিল যে, চেকের স্বাক্ষর তার হলেও ভেতরের লেখাগুলো যেমন টাকার অংক এবং পেয়ীর নাম তার হাতের লেখা নয়। আসামী পক্ষের দাবি ছিল, যেহেতু তিনি নিজে চেকটি সম্পূর্ণ পূরণ করেননি, তাই এটি একটি 'বৈধ চেক' হিসেবে গণ্য হবে না এবং এটি 'ইস্যু’ করা হয়েছে বলা যাবে না।

হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন এবং বলেন যে একটি চেকের মূল উপাদান হলো স্বাক্ষর। যদি স্বাক্ষর দাতার হয়, তবে বাকি অংশ কে পূরণ করল তা মুখ্য নয়। এন.আই অ্যাক্টের ২০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ একটি স্ট্যাম্পড বা স্বাক্ষরিত ইনস্ট্রুমেন্ট অন্যকে দেয়, তবে তিনি প্রাপককে সেটি পূরণ করে নেওয়ার একটি 'অন্তর্নিহিত ক্ষমতা' প্রদান করেন। অবশেষে আদালত রায় দেন যে, চেকের বডি এবং স্বাক্ষর ভিন্ন হাতের লেখা হলেই সেটি অবৈধ হয়ে যায় না। যদি আসামী চেকে স্বাক্ষর করে সেটি বাদীকে হস্তান্তর করেন, তবে ধরে নেওয়া হবে তিনি চেকটি 'ইস্যু' করেছেন। স্বাক্ষর ঠিক থাকলে এবং চেকটি স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করা হলে সেটি এন.আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। স্বাক্ষর জাল হলে কেবল তখনই চেকটি অবৈধ হয়।

৫৬ ডিএলআর ৬৩৬ (আব্দুল জলিল বনাম রাষ্ট্র) মামলায় হাইকোর্ট যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে বাংলাদেশের উচ্চ আদালত এবং আপিল বিভাগ এই বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট এবং যুগান্তকারী কিছু সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। বিশেষ করে চেকের স্বাক্ষর ঠিক থাকলে বডির লেখা অন্য কারও হওয়া বা ভিন্ন কলম ব্যবহারের আইনি প্রভাব নিয়ে। এ বিষয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী রেফারেন্স হলো মাজিদ বনাম রাষ্ট্র ৬৮ ডিএলআর (এডি)। এই মামলায় আপিল বিভাগ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যদি চেকে আসামীর স্বাক্ষর সঠিক থাকে, তবে চেকের ভেতরের লেখা (টাকার অংক, তারিখ, পেয়ীর নাম) কার হাতের লেখা বা কোন কলমে লেখা, তা কোনোভাবেই চেকটিকে অবৈধ করবে না। এন.আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার উদ্দেশ্য হলো চেক ডিসঅনার হওয়া এবং পাওনা টাকা পরিশোধ না করা। চেকের বডির হাতের লেখা ভিন্ন হওয়ার অজুহাত দিয়ে আসামী তার দায় এড়াতে পারবে না।

তবে আসামী যদি দাবি করেন যে চেকে তার হাতের লেখা নেই, তবে তাকে অবশ্যই আগে প্রমাণ করতে হবে যে স্বাক্ষরটিও তার নয়। যদি তিনি স্বীকার করেন স্বাক্ষর তার, তবে হাতের লেখা ভিন্ন হওয়াটা আর কোনো শক্ত ডিফেন্স হিসেবে কাজ করে না। অনেক সময় আসামীরা হাতের লেখা পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আদালত এখনকার নজির অনুযায়ী যদি স্বাক্ষর মিলে যায় তবে বডির লেখার জন্য এক্সপার্ট ডাকার প্রয়োজনীয়তা দেখেন না।

এন.আই অ্যাক্টের ১১৮ ও ১৩৯ ধারা অনুযায়ী, চেকের স্বাক্ষর স্বীকার করলে ধরে নেওয়া হয় সেটি কোনো ঋণের বিপরীতেই দেওয়া হয়েছে। এখন এটি যে ঋণের জন্য দেওয়া হয়নি, তা প্রমাণ করার ভার আসামীর ওপর।

যদিও ব্ল্যাঙ্ক চেকে মামলা চলে, তবে আসামী পক্ষ যদি প্রমাণ করতে পারে যে চেকটি চুরি হয়েছে বা ভয় দেখিয়ে নেওয়া হয়েছে কেবল তখনই ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কিন্তু সাধারণ লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষর ঠিক থাকলে ব্ল্যাঙ্ক চেকের অজুহাত আদালতে টিকবে না।

লেখক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আইনগ্রন্থ প্রণেতা ও আইন গবেষক।

15/03/2026

কোম্পানি, সোসাইটি/ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট, পার্টনারশিপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন, অলাভজনক কোম্পানি ইত্যাদি রেজিস্ট্রেশন, শেয়ার হস্তান্তর, শেয়ার বরাদ্দকরণ, কোম্পানির বিলুপ্তিকরন, বার্ষিক রিটার্ন দাখিল, টিআইএন, ট্যাক্স, ভ্যাট, ইমপোর্ট - এক্সপোর্ট লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স (শুধুমাত্র ঢাকায়), ট্রেডমার্ক, বিএসটিআই, পরিবেশ ও ফায়ার লাইসেন্স, প্রজেক্ট প্রোফাইলসহ যেকোনো বিষয়ে আইনগত পরামর্শের জন্য ফোনে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন।
01720-686884 (whatsapp)

লিমিটেড কোম্পানী নিবন্ধন প্রক্রিয়া / How to register a Limited Company In Bangladesh

বাংলাদেশে প্রচলিত কোম্পানী আইন অনুযায়ী দুই ধরনের কোম্পানী রয়েছে- ১. প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী এবং ২. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ জন এবং উর্ধে ৫০ জন পার্টনার পর্যন্ত হতে পারে, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে নিম্নে ৭ জন এবং সর্বোচ্চ যেকোন সংখ্যার পার্টনার থাকতে পারে।

সম্প্রতি কোম্পানী আইনের সংশোধনীতে One Person Company (OPC) বা শুধু মাত্র একজন ব্যক্তির দ্বারা একটি কোম্পানী খোলার বিধান রাখা হয়েছে। একক মালিকানার কোম্পানিতে সর্বনিম্ন ২৫ লক্ষ টাকা পেইড আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন লাগে।

অনুমোদিত মূলধন (authorized capital):
কোন একটা কোম্পানী শুরুর সময় ঐ কোম্পানীর সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারন করা হয় এবং অনুমোদন করা হয় সেটাই হল ঐ কোম্পানির অথরাইজড ক্যাপিটাল;

পরিশোধিত মূলধন (paid up capital) : অনুমোদিত মূলধন এর সমান বা এর কম যা সকল ডিরেক্টরদের সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ এবং যেটি কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে জমা করতে হয় সেটি হলো পরিশোধিত মূলধন। পরিশোধিত মূলধন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে কোন সময় উত্তোলন করা যায়।

মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন বা সংঘ স্মারক হল কোম্পানি কি কি ধরনের ব্যবসা করতে পারবে এ সম্পর্কে বর্ণনা।

এবং

আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশনে (সংঘ বিধি) কোম্পানি পরিচালনার নিয়মাবলী যেমন কিভাবে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ নির্বাচিত হবে, সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা এবং বিশেষ সভা কিভাবে কখন আহ্বান করতে হবে, কিভাবে নতুন সদস্য নেওয়া যাবে, কিভাবে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে, কিভাবে লভ্যংশ বন্টন করা হবে, কিভাবে কোম্পানিটি বন্ধ করা যাবে এসব বিষয়গুলো বিশদভাবে বর্ণনা করা থাকে।

ভবিষ্যৎ ঝক্কি ঝামেলা ও ভুল ভ্রান্তি এড়াতে এ সংক্রান্ত কাজ অবশ্যই কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন একজন লাইসেন্স প্রাপ্ত আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পন্ন করিয়ে নিন। একটি ভুলের কারণে কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে। তাই, দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে দূরে থাকুন।

10/07/2025

বিবিসির অনুসন্ধান বিচারে স্বচ্ছতা বাড়াবে: প্রসিকিউটর

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when School Of LAW posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share