LAW & LEX

LAW & LEX Important legal matters,Landmark Judgments,Legal Interpretation, Legal Reforms, Legal Education.

14/06/2024

দুটো এসোসিয়েশন আছে জাজদের।একটা সার্ভিস জাজদের আর অন্যটা রিটায়ার্ড জাজদের।
উভয় সংগঠন ই কিন্তু বিচার বিভাগ এর আধুনিকায়ন, এর সংস্কার, মামলা জট নিরসন, আইন কানুন যুগোপযোগী করন সহ বিচার বিভাগের সমস্যাগুলো তুলে ধরে তা সমাধানের পথ দেখানোর জন্য একটা প্রেসার গ্রুপ হিসাবে কাজ করতে পারে।
কিন্তু কোন সংগঠনই এসব বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোন ভুমিকা রাখতে পারছে বলে প্রতীয়মান হয় না।রিটায়ার্ড জাজেজ এসোসিয়েশন এর প্রত্যেক সদস্য ই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।রিটায়ার্ড হওয়ার কারনে তাদের হাতে সময়ও আছে আবার আইনি বেড়াজাল ও নাই।এরুপ একটা অবস্থানের কারনে তারা উল্লেখিত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবেন বলে আমরা অনুজরা প্রত্যাশা করি।

31/03/2024

চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের...

31/03/2024
24/01/2024

সারাদিন বসে বসে সাক্ষ্য রেকর্ড করে এজলাস থেকে নামার পরে আর রায় ও আদেশ লেখার শক্তি থাকে না।রায় আর আদেশ প্রদান করা ই বিচারক এর মুল কাজ।এ কাজে বেশি বেশি সময় ব্যয় করতে পারলে কিন্তু আর ও অনেক বেশি মামলা নিস্পত্তি করা যেত।কিন্তু তা করা যাচ্ছে না সাক্ষ্য রেকর্ড করার কাজে সব শক্তি ব্যয় করার কারনে।ফলে এই সেকেলে পদ্ধতি পরিবর্তন করা খুব ই জরুরি।যারা আমাদের সিপিসি,সি আর পি সি ধরিয়ে দিয়ে গেছেন তারা ওসব ফেলে নতুন পদ্ধতি ধরেছে, কিন্তু আমরা ওই ধরেই দাড়িয়ে আছি।কেউ এসে কি বলবে বাবা ওইসব ফেলে দাও নতুন পদ্ধতি ধর- নাকি আমাদের ই করতে হবে। দেওয়ানি মামলায় আমরা যে সাক্ষ্য রেকর্ড করি তার বেশিরভাগই কোন কাজে আসে না।কাজেই যদি না আসে মূল্যবান সময় নষ্ট করে এসন রেকর্ড করার কি দরকার? সারা দুনিয়ার কথা বাদ ই দিলাম। আমাদের উচ্চ আদালতে ও তো কয়েক ধরনের অরিজিনাল জুড়িসডিকশনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিস্পত্তি হয়।সেখানেও তো সাক্ষ্য লিখতে হয় না।আমরা আমাদের মুল্যবান কর্মঘণ্টা কেন বেহুদা কাজে ব্যয় করি বুঝি না।এটা যদি লাগে ই তো সেটা একটা device ই করতে পারে। এর জন্য তো জাজের সারা দিনভর খাটার দরকার নাই।হয় device দেন নয়তো system পরিবর্তন করেন।

03/08/2023

হাজার হাজার মামলা নিস্পত্তি করা যাচ্ছে না শুধু রায় লেখার সময়ের অভাবে।সময় কিভাবে পাবে বিচারকরা?সারাদিন ধরে যদি শুধু সাক্ষ্য ই রেকর্ড করতে হয় তাহলে রায় লিখবে কোন সময়? দিনভর সাক্ষ্য রেকর্ড করে যখন এজলাস থেকে একজন বিচারক নামেন তখন তার শরীর মন কোনটাই আর রায় লিখতে সায় দেয় না।এর মধ্যেই একেকজন ৫০/৬০/৭০ টা মামলা নিস্পত্তি করে।কেউ কেউ এর থেকে আর ও বেশি ও করে।কি পরিশ্রম টা ই না করতে হয় সেটা শুধু ওই বিচারক ছাড়া আর কেউ বুঝার কথা নয়।কিছু কামচোর তো আছেই যারা অত কষ্ট করার মধ্যে নেই।চাকরি করে বেতন পায় খায় দায় গান গায়।ওদের আমি বিচারক বলতে নারাজ।
যাহাইহোক বিচারক কে যদি সাক্ষ্য রেকর্ড করা না লাগতো তাহলে নিস্পত্তিটা কোন লেভেলে যেত চিন্তা করা যায়?
তাহলে প্রশ্ন আসে সাক্ষ্যটা কিভাবে রেকর্ড করা যায়?
সারা দুনিয়া যেভাবে করছে সেটাকে মডেল করা যদি হয়?
তাহলে সমাধানটা অতি সহজেই পাওয়া যায়।

নিজেরা বুদ্ধি সুদ্ধি খাটিয়ে যদি কোন পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে না পারি তাইলে উন্নত দেশ থেকে একটু কাটপেস্ট করে আইনে একটু সং যোজন করে নিলেও তো হয়।
উন্নত পদ্ধতি আর প্রযুক্তি ছাড়া শুধু গতর খাটিয়ে বেশি আগানো কি যায়?
চাই ভাল মেসিনারি আর মেকানিজম। তবেই হওয়া যাবে নিস্পত্তির জম।

06/07/2023

Do u have any legal issue to ask? U May....

05/07/2023

সুনামগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদকসুনামগঞ্জ
প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৩, ১৮: ৫০

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে গৌছ আলী নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন বুধবার এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার হাছেন ফাতেমাগাঁও গ্রামের মোস্তফা মিয়ার মেয়ে কলি বেগমকে বিয়ে করেন দোয়ারাবাজারের দিনাইরটক গ্রামের গৌছ আলী (৪৫)। বিয়ের পর থেকেই গৌছ আলী যৌতুকের জন্য নানাভাবে কলি বেগমকে চাপ দেন। কলি বিষয়টি তাঁর বাবাকে জানালে মেয়ের অনুরোধে মোস্তফা মিয়া বিভিন্ন সময় গৌছ আলীকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা দেন। এরপরও স্ত্রীকে যৌতুকের টাকার জন্য নির্যাতন করতে থাকেন গৌছ।

২০০৫ সালের ৫ জুন দুপুরে গৌছ আলী তাঁর স্ত্রী কলি বেগমকে টাকার জন্য প্রচণ্ডভাবে মারধর করলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে হত্যার ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্ত্রীর মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে গৌছ প্রচার করেন, কলি আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে কলির বাবা মেয়ের লাশ উদ্ধার করে থানায় গৌছ আলীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০–এর ১১(ক) ধারায় মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে বুধবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নান্টু রায়।

Address

9/7, South Bonashree
Dhaka
1219

Telephone

+8801749622331

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LAW & LEX posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to LAW & LEX:

Share

Category