12/01/2026
জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে আল্লাহ'র হাতে। ২য় বিয়ে করায় যে অশান্তি এবং মামলার সৃষ্টি হতো, এখন থেকে আর ঐসব মামলা ও অশান্তি হবে না। কোরআনের আইন বাস্তবায়ন হলো।
মুসলিম আইনে পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ হলেও বাংলাদেশের বাস্তবতায় তা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে নেতিবাচক ও আইনগতভাবে জটিল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। ২য় বিয়ের সামাজিক ও আইনি জটিলতার কারণে পরকীয়া এবং নারী-পুরুষের অবৈধ মেলামেশার হিরিক পরে গিয়েছিল। আল্লাহ বিয়ে হুকুম করেছেন আর ইসলাম বিরোধীরা মানব সৃষ্ট বানোয়াট আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করেছে। আর নিষিদ্ধ কাজই মানব জাতি বেশি করে এবং এতোদিন তাই করেছে। তবে হাইকোর্টের এক সাম্প্রতিক রায়ে দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত প্রচলিত ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।
একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় দিয়ে বলেছেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়।
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। তবে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর পুরুষের ক্ষেত্রে সেই শাস্তি শিথিল করা হয় এবং দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল করা হয়। অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।
হাইকোর্টের এই রায়ের মধ্যে দিয়ে রিটকারীরা ইসলাম বিরোধী আইন বাতিল করে, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত করলো। নারী ও পুরুষের মধ্যকার স্ব-স্ব সম্মান বৃদ্ধি ও নারীকে দেওয়া আল্লাহর সম্মান সুরক্ষা হলো -ADB.জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে আল্লাহ'র হাতে। ২য় বিয়ে করায় যে অশান্তি এবং মামলার সৃষ্টি হতো, এখন থেকে আর ঐসব মামলা ও অশান্তি হবে না। কোরআনের আইন বাস্তবায়ন হলো।
মুসলিম আইনে পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ হলেও বাংলাদেশের বাস্তবতায় তা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে নেতিবাচক ও আইনগতভাবে জটিল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। ২য় বিয়ের সামাজিক ও আইনি জটিলতার কারণে পরকীয়া এবং নারী-পুরুষের অবৈধ মেলামেশার হিরিক পরে গিয়েছিল। আল্লাহ বিয়ে হুকুম করেছেন আর ইসলাম বিরোধীরা মানব সৃষ্ট বানোয়াট আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করেছে। আর নিষিদ্ধ কাজই মানব জাতি বেশি করে এবং এতোদিন তাই করেছে। তবে হাইকোর্টের এক সাম্প্রতিক রায়ে দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত প্রচলিত ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।
একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় দিয়ে বলেছেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়।
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। তবে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর পুরুষের ক্ষেত্রে সেই শাস্তি শিথিল করা হয় এবং দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল করা হয়। অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।
হাইকোর্টের এই রায়ের মধ্যে দিয়ে রিটকারীরা ইসলাম বিরোধী আইন বাতিল করে, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত করলো। নারী ও পুরুষের মধ্যকার স্ব-স্ব সম্মান বৃদ্ধি ও নারীকে দেওয়া আল্লাহর সম্মান সুরক্ষা হলো -ADB.