Female Law Forum-FLF

Female Law Forum-FLF Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Female Law Forum-FLF, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

02/06/2022

বোরখা বা হিজাব পরা সাংবিধানিক অধিকার বলে জানিয়েছেন উচ্চ আদালত। সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বোরখা বা হিজাব পরায় হেনস্থার শিকার হওয়ার ঘটনায় তদন্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন হাইকোর্ট।

02/05/2022

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنكُم

“Taqabbal Allahu minna wa minkum”.



♦️♦️ব্যভিচার কি? ব্যভিচারের শাস্তি কি? ♦️মূলত ব্যভিচার (Fornication) হলো দু’জন অবিবাহিত (নারী-পুরুষ) বা অবিবাহযোগ্য (রক্...
02/04/2022

♦️♦️ব্যভিচার কি? ব্যভিচারের শাস্তি কি?

♦️মূলত ব্যভিচার (Fornication) হলো দু’জন অবিবাহিত (নারী-পুরুষ) বা অবিবাহযোগ্য (রক্তসম্পর্ক বা সমলিঙ্গ, রক্তসম্পর্কীয় যৌনতা অজাচারের অন্তর্ভুক্ত) ব্যক্তির মধ্যে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত সংঘটিত যৌনকর্ম।
♦️ইসলাম ধর্মে ব্যভিচার একটি জঘন্য অপরাধ। হত্যার পরই এটি সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ। আল্লাহ্ ইহকালে এবং পরকালে উভয় সময়ই এর শাস্তির কথা বলেছেন। তবে তাওবাকারীর কথা ভিন্ন। আমরা জানি, দুই প্রকার অবৈধ ংবী আছে।
যেমন- ১. Fornication এবং
২. Adultery বা পরকীয়া।
♦️Fornication হলো দু’জন অবিবাহিত নারী-পুরুষের যৌনসম্পর্ক। মানে একজনও বিবাহিত নয়। আর পরকীয়া বা Adultery হলো দু’জন নারী-পুরুষের মধ্যে যৌনসম্পর্ক; যাদের মধ্যে একজন বিবাহিত তবে অপরজনের সাথে নয়। এক্ষেত্রে দু’জনই বিবাহিত হতে পারে, আবার একজন কেবল বিবাহিত হতে পারে। তবে দু’জন পরস্পর বিবাহিত নয়।
♦️ব্যভিচার ৭ টি জিনিস দিয়ে হয়-
১. মন-এখান থেকেই মূলত ব্যভিচারের উৎপত্তি।
২. চোখ- চোখের ব্যভিচার সবচেয়ে বড় ব্যভিচার। কারও প্রতি অসাবধানতাবশত প্রথমবার চোখ পড়লে পাপ হয় না। কিন্তু দ্বিতীয়বার তাকালে বা প্রথম বার দৃষ্টির পর সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে না নিলে যিনা তথা ব্যভিচার হয়।
৩. জিহ্বা-জিহ্বা দ্বারা ব্যভিচার হয়, যখন একজন নর/নারী আরেকজন নর/নারীর সাথে কথা বলে রক্ত ও স্ত্রীর সম্পর্ক ছাড়া।
৪. কান-এটা দিয়ে ব্যভিচার হয়, যখন নর/নারীর কথা শুনা হয়। রক্তের সম্পর্ক থাকলে সমাস্যা নেই।
৫. হাত-এটা দিয়ে ব্যভিচার হয়, যখন কোনো বিবাহিত/ অবিবাহিত নর/নারীর শরীরের যেকোনো অংশ স্পর্শ বা ধরা হয়।
৬. পা-এটা দিয়ে ব্যভিচার হয়, যখন পায়ে হেঁটে কাক্সিক্ষত কোনো নর বা নারীর কাছে যাওয়া হয়।
৭. গুপ্তঅঙ্গ-এটা দিয়েই শুধু ব্যভিচার হয় মানুষ তা ভাবলেও এটার স্থান সবার পরে। কেননা উপরের ৬ টিকে দমন করতে পারলেই এই অঙ্গ হেফাজত করা যাবে।

♦️শাস্তি : দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচারের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। ইসলামে বা শরিয়া আইনে Fornication-এর শাস্তি হচ্ছে দু’জনকেই ১০০ বেত্রাঘাত করতে হবে। সাথে একবছরের জন্য সমাজ থেকে বহিষ্কার করা যেতে পারে এবং তওবা করতে হবে। আর adultery বা পরকীয়ার শাস্তি হচ্ছে যে অবিবাহিত তাঁকে ১০০ বেত্রাঘাত করতে হবে। আর যে বিবাহিত তাঁকে শরিয়তের আইন মাফিক পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। আর যদি দু’জনেই বিবাহিত হয় তবে দু’জনেই পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২ এর চুড়ান্ত ফলাফল -
11/02/2022

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২ এর চুড়ান্ত ফলাফল -

05/02/2022

ভূমি দস্যু ও জাল-জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী মানুষদেরকে তড়িৎ প্রতিকার প্রদান করার লক্ষ্যে নতুন আইন প্রনয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। বর্তমানে জমি-জমা সংক্রান্ত প্রায় সকল অপরাধকেই দেওয়ানী প্রকৃতির অপরাধ বলে গন্য করা হয় কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে কৃত অপরাধকে ফৌজদারী অপরাধ মর্মে গন্য করে দন্ড বা শাস্তির বিধান যুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যেই আইনটির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকার। 'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১' নামের এই আইনটির খসড়া বর্তমানে মতামত গ্রহণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, এরপর সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে সেখানে অনুমোদিত হলে সেটা আইন হিসাবে পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হবে।

প্রস্তাবিত ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১ আইনে যেসব অপরাধে চিহ্নিত করে সেগুলোর জন্য যে সাজা প্রস্তাব করা হয়েছেঃ

১। জাল দলিল তৈরিঃ
যদি কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাসভূমি বা কোন প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল জাল করেন, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২। মালিকানার অতিরিক্ত জমির দলিল সম্পাদনঃ
কোন ব্যক্তি যদি যতটুকু জমির মালিকানা রয়েছে, তার চেয়ে বেশি জমির দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৩। একই জমি একাধিকবার বিক্রয়ঃ
কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

৪। বায়নাকৃত জমির পুনরায় চুক্তি করাঃ
বিক্রয় চুক্তি বা বায়না চুক্তি করার পর অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে আবার চুক্তি করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৫। ভুল বুঝিয়ে দানপত্রঃ
ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অথবা প্রতারণা করে যদি কোন ব্যক্তি অন্য আরেকজনের কাছ থেকে জমির দান দলিল করেন, তাহলে সেটা একটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৬। সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের নামে দলিলঃ
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দলিল করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

৭। সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রিঃ
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করলে সেটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

৮। অবৈধ দখলঃ
বৈধ কাগজপত্র না থাকার পরেও কেউ যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি খাস ভূমি বা কোন সংস্থার জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য এক বছর থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৯। সহ-উত্তরাধিকারীর জমি দখল করে রাখাঃ
কোন ব্যক্তি যদি তার শরীক বা সহ-উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১০। অবৈধভাবে মাটি কাটা, বালি উত্তোলনঃ
বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারির ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ ইত্যাদি থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করলে (কোন ক্ষতি হোক বা না হোক) অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

১১। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করার শাস্তিঃ
বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি করলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১২। বিনা অনুমতিতে জমির উপরের স্তর কেটে নেয়াঃ
জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি উপরের স্তর থেকে মাটি উত্তোলন করা বা করানো হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৩। অধিগ্রহণের পূর্বে অতিরিক্ত মূল্যে জমির দলিলঃ
কোন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে, এমন খবর জানতে পেরে কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে ভূমি নিবন্ধন করেন, তাহলে সেটি একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৪। জনসাধারণের ব্যবহার্য বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জমি দখলঃ
খেলার মাঠ, জলাশয়, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দরগা, শিক্ষা বা ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দাতব্য বা জনপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা বা করতে সহায়তা করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয়।

১৫। বিনা অনুমতিতে পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বসতিঃ
অনুমতি ছাড়া কোন পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করা হলে তাকে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা যাবে। অবৈধভাবে বসতি স্থাপনের জন্য তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

১৬। রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর সংক্রান্ত অপরাধঃ
একই জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল করে দেয়া, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে জমির দলিল দিতে না পারা, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারা, ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হলেও দলিল দিতে ব্যর্থ হওয়া-ইত্যাদি কর্মকাণ্ড অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

জমি জমার মামলার তথ্য
১৭। চুক্তির পর ভূমি মালিককে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেয়াঃ
জমির মালিকের সঙ্গে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি চুক্তি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি মালিকের অংশ তাকে বুঝিয়ে না দিলে বা দখল না দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৮। সরকারি-বেসরকারি বা সংস্থার জমির বেআইনি দখলঃ
এরকম কর্মকাণ্ড করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৯। নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির ক্ষতিঃ
মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা, অন্য কোন পদার্থ বা উপায়ে বা অবকাঠামো নির্মাণ করে নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির আংশিক ক্ষতি করা হলে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড, অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। আর সম্পূর্ণ ক্ষতি করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২০। অবৈধ দখল গ্রহণ ও বজায় রাখতে পেশিশক্তিঃ
অস্ত্র প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি ইত্যাদি দেয়া হলে সেটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২১। পুনরায় অপরাধ করাঃ
এই আইনের অধীন কোন অপরাধে একবার সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় সেই অপরাধ করলে আগে যে ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।

২২। বেশি জমি লিখিয়ে নেয়াঃ
এক্ষেত্রে যদি জমির পরিমাণ এক একরের বেশি হয় এবং ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার জড়িত থাকে, তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২৩। প্রতিবেশী ভূমি মালিকের ক্ষতিসাধনঃ
কেউ যদি সহ-মালিক বা পাশাপাশি থাকা জমির ক্ষতি করেন, বা কোন পরিবর্তন আনেন, তাহলে এক বছর থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২৪। অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনাঃ
এই আইনের বর্ণনা করা যেকোনো অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে সেই ব্যক্তিরও অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির মতো সাজা হবে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা এর সূত্র থেকে সংশোধিত আকারে লিখিত। - এডমিন।

গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরীর বয়রা মহিলা কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা এক যুবককে গুলি করার সময় কেএমপি ট্রাফিক বিভাগের নারী ট্...
18/01/2022

গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরীর বয়রা মহিলা কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা এক যুবককে গুলি করার সময় কেএমপি ট্রাফিক বিভাগের নারী ট্রাফিক সার্জেন্ট "রেকসনা" র তৎক্ষনাৎ সাহসী পদক্ষেপে বাইকে আরোহনরত অবস্থায় রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে এক যুবককে দুটি রিভালভার ও কয়েক রাউন্ড গুলি সহ আটক করা হয়।

মহিলা সার্জেন্টের এমন সাহসী ভূমিকা সত্যিকার অর্থেই প্রশংসনীয়। FLF পক্ষ থেকে আপনার জন্য দোয়া ও শুভ কামনা রইলো।

27/12/2021

Feminism in Bangladesh seeks equal rights of women in Bangladesh through social and political change. Article 28 of Bangladesh constitution states that "Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life".

24/12/2021

একদিন মেয়ের বাবা রাতের ১১টায় বাসায় ফিরলেন হাতে করে দুটো বার্গার নিয়ে।
এসেই হাসিমুখে জানান দিলেন রাতে ভাত খাবেন না। তিনি রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েই এসেছেন। আসার সময় বাচ্চাদের জন্য বার্গার নিয়ে এলেন।

আমি কোনো মতামত বা আনন্দ উচ্ছাস কিছুই ব্যক্ত না করে নির্বিকার ভঙ্গিতে প্যাকেট খুলে একটা বার্গার নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম। যদিও বার্গার খাবারটা আমার বাচ্চাদের যতটা পছন্দ আমার ততটা নয়।

তারপরও আমি খাচ্ছিলাম। কারণ আমি চাইনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক।

খুব ছোটবেলায় দেখতাম আমার আব্বা কোনো খাবার কোনো উপহার বা যে কোনো জিনিস আমাদের চার ভাই বোনদের জন্য কিনতেন। আমার মায়ের জন্য কিনতেন না।
যেমন তিনি দোকান থেকে চারটা আইসক্রিম, চার প্যাকেট চিপস আমাদের চার ভাই -বোনের জন্য কিনতেন। অথচ বাসায় আমরা পাঁচজন মানুষ থাকতাম।
আমার মা হাসি মুখে চিপসের প্যাকেট খুলে আমাদের হাতে দিতেন। আইসক্রিম হাত থেকে পড়ে নস্ট হয়ে যাবার ভয়ে আমাদের গাইড করতেন পিছন থেকে খাও, সামনে থেকে খাও!

জানি না আমার মায়ের খেতে ইচ্ছে করত কি-না! না করার তো কথা নয়। তিনি গৃহবধূ। সারাক্ষণ আমাদের সাথে ঘরেই থাকতেন। নিজের হাতে বানানো খাবারই খেতেন। কখনো তো একা একা বাইরে যাননি বা নিজের ইচ্ছের প্রতিফলন করেননি।

আপনি যখন চারটা কিনতে পেরেছেন, তখন পাঁচটাও কিনতে পারতেন। তার মানে স্বদিচ্ছার অভাব ছিল।

পুরুষ জাতি ধরেই নিয়েছে, মেয়েদের খেতে হয় না।

আমার সংসারে কিন্তু আমি এটা হতে দেইনি। মেয়ের বাবা দুইটা ওয়েফার আনলে তার সামনে একটা খুলে আমি খাওয়া শুরু করতাম। যদিও খেতাম না।
তাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছি। বাসায় আমরা তিনজন থাকি যে কোনো খাবার তিনটাই আনবা। ঐ জিনিস আমি না খেলে বিকল্প আরেকটা আনবা যেটা আমি খাই।

কারণ আমিও মানুষ। আমারও পছন্দ আছে, ইচ্ছে আছে, অনুভুতি আছে। বছরের পর বছর তোমার সংসারে গাছের গুঁড়ি হয়ে পড়ে থাকব?

তুমি যদি আমাকে না বুঝ তাহলে তো কেউই বুঝবে না।
একটা মেয়ের বিয়ের আগের সকল আবদার থাকে বাবা মার কাছে। বিয়ের পরে থাকে স্বামীর কাছে। বাবা- মার কাছে যতটা প্রাণ খুলে আবেগ প্রকাশ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বামীর কাছে যায় না। স্বামী নামক প্রিয়জনকেই সেটা বুঝে নিতে হয়।

আমার আব্বা কারো বাড়ি গিয়ে এককাপ চাও খেতেন না আমাদেরকে ছাড়া। তিনি ভীষণভাবে চাইতেন তিনি যেখানেই দাওয়াত খেতে যান যেন আমরা চার ভাই-বোনও সেখানে যেতে পারি। কোনো কারণে আমাদেরকে ছাড়া যেতে হলে, তিনি বাড়ি ফিরেই আমাদেরকে নিয়ে হোটেলে চলে যেতেন। সেইম খাবার আমাদের খাইয়ে আনতেন। অথচ আমার মাকে নিয়ে তাঁর তেমন কোনো ভাবনা ছিল না।

আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। আব্বা শাড়ি কিনলে পাঁচটা কিনতেন। তিন ফুফুর জন্য তিনটা, মায়ের জন্য একটা, দাদীর জন্য একটা। দাদীকে দেয়ার জন্য তাঁর আরও সন্তান ছিলেন। ফুফিদের স্বামী ছিলেন। কিন্তু আমার মায়ের স্বামী ছাড়া আর কেউ ছিল না।
দিন শেষে আমার মাই ঠকত।

অথচ আমিও যৌথ পরিবারে থাকি। কন্যার বাবাও সেইম কাজ করেন। একদিন ড্রেস আনার পর আমি পাঁচটাই রেখে দিয়েছি। তাকে বললাম ' ভাবীদেরকে কাল এনে দিও। আমার পাঁচটাই পছন্দ হয়েছে।' সে চোখ বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।
আমি মনেমনে বলছি, ইচ্ছে হলে চোখ বের করে ফেল। আমি তোমার স্ত্রী। তোমার উচিত কিছু পোষাক সবাইকে গিফট করা ছাড়াও আমার জন্য কেনা।
তুমি যখন সেটা বুঝতে পারনি। আমিই চোখ গেলে বুঝিয়ে দিলাম।

বাচ্চার বাবা কখনো ওদেরকে নিয়ে কোথাও যায় না। কখনো যাবেও না। প্রতি সপ্তাহে দুটো- চারটা দাওয়াত থাকে। দুপুরবেলা বেশির ভাগ সময় বাইরেই খান।

একদিন এত মেজাজ খারাপ হলো। যখন শুনলাম একটা দাওয়াতে সবার পরিবার ছিল। শুধু তিনি একা ছিলেন। ঐ দিনই আমি কারো অনুমতি না নিয়েই রেডি হয়েই বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাইর থেকে ঘুরে এলাম। বাচ্চাদেরকে রেস্টুরেন্ট থেকে খাইয়ে আনলাম।

নারীদের জীবন কখনো মসৃন হয় না। এ জীবনের পরতে পরতে বন্ধুরতা। কেউ আপনার ইচ্ছে, অনিচ্ছের মূল্য দিবে না। আপনার জায়গা আপনাকেই করে নিতে হবে। হয় বুদ্ধি দিয়ে না হয় বিচক্ষণতা দিয়ে।
কারণ অধিকাংশ পুরুষ তো নারীদের মানুষই মনে করে না।

#আমার_আমি
কামরুন নাহার মিশু।

18/12/2021

Women’s Rights and International Law
The Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women (CEDAW) (1979) is a key international treaty addressing gender-based discrimination and providing specific protections for women's rights.

The convention sets out an international bill of rights for women and girls, and defines what obligations states have make sure women can enjoy those rights.

Over 180 states have ratified the convention.


17/12/2021

Many women in the modern age do not know what are their minimum rights. If you are a victim of torture at different stages of life, you do not know where to be, what to do. Female Law Forum- FLF tries to give women a solution to these basic problems. we are working to increase awareness of women's rights in our society.
we are inspiring every woman should do the things which help them be healthy, informed, and highly productive. we arrange conferences to address women's issues and provide intensive women leadership training and women rights awareness programs.

"𝐒𝐞𝐞  𝐭𝐡𝐞 𝐫𝐞𝐚𝐥𝐢𝐭𝐲 শ্বশুরবাড়ি আসল বাড়ি" কিন্তু মুসলিম আইন কী বলে?মুসলিম আইনে স্ত্রীর ‘শ্বশুরবাড়ি’ নামক বাসস্থান বা এই শ্ব...
16/12/2021

"𝐒𝐞𝐞 𝐭𝐡𝐞 𝐫𝐞𝐚𝐥𝐢𝐭𝐲

শ্বশুরবাড়ি আসল বাড়ি" কিন্তু মুসলিম আইন কী বলে?

মুসলিম আইনে স্ত্রীর ‘শ্বশুরবাড়ি’ নামক বাসস্থান বা এই শ্বশুরবাড়ি সংশ্লিষ্ট দায়-দায়িত্বের কোনই অস্তিত্ব নাই। এই ‘শ্বশুরবাড়ি কালচার’ আমাদের নিজস্ব আবিষ্কার।
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরণপোষণ স্বামীর আইনি একইসাথে নৈতিক কর্তব্য। ভরণপোষণ বলতে শুধু খাদ্য, আর পোষাক বোঝায় না, ‘পৃথক বাসস্থান’ এবং বিশ্রামের সুযোগ ও অন্তর্ভূক্ত। বিয়ের পর স্ত্রীর জন্য পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক বা ফরয। এই বাসস্থানের অবশ্যই তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে:
১/ বাসস্থানটি স্ত্রীর জন্য নিরাপদ হতে হবে
২/বাসস্থানে স্ত্রীর নিজস্বতা বা 𝐏𝐫𝐢𝐯𝐚𝐜𝐲 বজায় থাকতে হবে।
৩/ বাসস্থান এমন হতে হবে যেখানে স্ত্রী স্বচ্ছন্দবোধ করবে।

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে-
“তোমরা সামর্থ্যানুযায়ী নিজেরা যেরূপ গৃহে বাস কর, স্ত্রীদের বসবাসের জন্যও তদ্রুপ গৃহের ব্যবস্থা করে দাও। তাদের কষ্ট দিয়ে জীবন সংকটাপন্ন কর না।”
[সূরা তালাক, আয়াত- ৬]

এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে, স্ত্রীর জন্য স্বামীকে পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শ্বশুরবাড়িতে বন্দোবস্ত করতে বলা হয় নি।

কুয়েত থেকে প্রকাশিত “আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়া (ফিকহী বিশ্বকোষ)” তে এসেছে- স্ত্রীর সাথে একই ঘরে পিতামাতা (বা অন্য কোন আত্মীয়) কে বসবাস করতে দেয়া জায়েয নয়। তাই স্বামীর কোন আত্মীয়ের সাথে একত্রে বসবাস করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করার অধিকার স্ত্রীর রয়েছে। আলাদা বাসাতে থাকলে স্ত্রী তার ইজ্জত, সম্পদ, নিজস্বতা (𝐩𝐫𝐢𝐯𝐚𝐜𝐲) ও অন্যান্য অধিকার উপভোগ করার পূর্ণ নিশ্চয়তা পেতে পারে। সুতরাং এ অধিকার পরিত্যাগে তাকে বাধ্য করার সাধ্য কারো নেই। হানাফি, শাফেয়ি, হাম্বলি মাযহাবসহ অধিকাংশ ফিকাহবিদগণের অভিমত এটি।

যৌথ পরিবার ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে- এমন বিধান ইসলামে কোথাও নাই। বরং বিপরীত ব্যবস্থার নির্দেশনা এসেছে। স্বামীর আত্মীয়দের সাথে একই ঘর বা ফ্ল্যাটে বসবাসের ফলে ইসলামের ফরজ কর্তব্য লংঘিত হওয়ার আশংকা তৈরি হয়। এমন ব্যবস্থা ইসলাম কিভাবে সমর্থন করতে পারে?

অবশ্যই পিতা-মাতার দেখাশোনা করা, তাদের ভরণপোষণ করাকে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে- সন্তানের জন্য বাধ্যকরী করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব শুধুই সন্তানের উপর; স্ত্রীর উপরে নয়। সেই দায়িত্ব পালনে স্ত্রীসহ মা-বাবার সাথে এক বাসায় বসবাস করতে হবে- এমন নয়। কাছাকাছি বাড়িতে থেকেও এই দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করা সম্ভব এবং সেটিই করা উচিত। স্ত্রী স্বেচ্ছায়, সাগ্রহে স্বামীর আত্মীয়দের সাথে এক বাড়িতে থাকতে সম্মত হলে সেটি ভিন্ন কথা। এর ফলে স্ত্রী তাঁর ‘𝐒𝐞𝐩𝐚𝐫𝐚𝐭𝐞 𝐑𝐞𝐬𝐢𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞’ এর অধিকার ত্যাগ করে বটে কিন্তু তাতে তাঁর অধিকার স্থায়ীভাবে ‘𝐟𝐨𝐫𝐟𝐞𝐢𝐭𝐞𝐝’ বা বাতিল বলে গণ্য হবে না- পরবর্তীতে যে কোন সময় স্ত্রী এই অধিকার দাবি করার অধিকারী।

একজন স্ত্রী শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের দেখা-শোনা করতে আইনত বাধ্য নন। তাই একজন স্বামী স্ত্রী কে শ্বশুরবাড়ি তে আত্মীয়দের সাথে বসবাস করতে কিংবা শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের (হোক উনি স্বামীর মা-বাবা, ভাই/বোন) সেবা করতে বাধ্য করতে পারে না। স্ত্রীর ‘শরয়ী’ দায়িত্ব ও ‘নৈতিক’ দায়িত্ব ভিন্ন- গুলিয়ে ফেলা অনুচিত। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সঙ্গে একত্রে বসবাস স্ত্রীর জন্য ফরজ নয়। এমনকি সুন্নাত বা মুস্তাহাব পর্যন্ত নয়। এটি ‘মুবাহ’ মাত্র। ‘মুবাহ’ হচ্ছে সেই কাজ সমূহ যা করতে ইসলাম কোন নির্দেশ দেয়নি, চুপ থেকেছে। কোন স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় স্বামীর মা-বাবা ও আত্মীয়দের সাথে একত্রবাস ও সেবা-যত্ন করে সেটি স্ত্রীর ‘দয়া’ বা ‘ইহসান’ মাত্র- দায়িত্ব নয়, এই কাজে স্ত্রী ‘সওয়াব’ পাবেন, এটি পালন না করলে বা পালনে অস্বীকার করে শ্বশুরবাড়ির লোকদের থেকে আলাদা থাকতে চাইলে তাতে তাঁর গুনাহ হবেনা, অপরাধ বা বেআইনি তো নয়ই।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পারিবারিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তিনি তাঁর স্ত্রী বা আমাদের ‘উম্মুল মুমিনীন’দের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা বাসস্থান নির্মাণ করেছিলেন এবং প্রত্যেকে তাঁর নিজ নিজ গৃহে কর্তৃত্ব বজায় রেখে নিজস্বতা ও স্বাছন্দ্য নিশ্চিত করেছেন। অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার দোহাই দিয়ে শ্বশুরবাড়ি নামক যৌথ পরিবার গঠন করে স্ত্রীদের পৃথক বাসস্থানের স্বাচ্ছন্দ্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেন নাই।

বাংলাদেশের ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন,২০১৩’ তেও পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও দেখাশোনার আইনি দায়িত্ব সন্তানের উপর অর্পণ করা হয়েছে- পুত্রবধূদের উপরে অর্পণ করা হয়নি। তাই পুত্রবধূ কর্তৃক শ্বশুরশাশুড়ির ভরণপোষণ ও খেদমত করার আইনি কোন বাধ্যবাধকতা নাই। তবে এই আইনের ধারা- ৫(২) অনুযায়ী কোন স্ত্রী/স্বামী অপরপক্ষের পিতা-মাতার ভরণপোষণে বাধা-প্রদান করলে সেটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তাই, ভারতের আদালতের রায় শুনেই বগলদাবিয়ে ফেসবুকে ফূর্তি প্রকাশ না করে স্ত্রীর জন্য পৃথক বাসস্থান ও ভরণপোষণের আইনি ও ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করুন। তা করতে অসমর্থ হলে নিদেনপক্ষে ‘শ্বশুরবাড়ি’ তে আপনার মা-বাবা-ভাই-বোন-আত্মীয় স্বজনের সাথে একত্রে বসবাসে সম্মত হওয়া ও প্রতিদিন তাদের খেদমতে নিয়োজিত আপনার দয়ালু স্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।🌿
𝐜𝐨𝐥𝐥𝐞𝐜𝐭𝐞𝐝

FLF এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাধীনতার ৫০বছর পূর্তিতে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা💐
16/12/2021

FLF এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাধীনতার ৫০বছর পূর্তিতে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা💐

Address

Dhaka

Telephone

+8801903961205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Female Law Forum-FLF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share