21/03/2023
⭐⭐আইনগত পরামর্শঃ
বর্তমানে প্রায় পরিবারেই পারিবারিক সহিংসতা দেখা যাচ্ছে যা বিগত দুই দশক আগেও এতটা প্রকট ছিল না।। এক গবেষণায় দেখা গেছে এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু মা-বাবা । কখনো বোন-ভগ্নিপতি । বর্তমানে শিশুরা দাদা-দাদীর আদর ভালবাসা খুব একটা পায়না। নানা- নানীর ভালবাসা পায়। কারণ হল মেয়েরা বিয়ের পর স্বামীর বাড়ির নিজ সংসার নিয়ে চিন্তা না করে বাবার বাড়ি নিয়ে মাথা ঘামায় । স্বাভাবিকভাবেই বিয়ের পর মেয়েদের নিয়ে মা বাবার অস্বাভাবিক দুর্বলতা কাজ করে। ফলে বাবার বাড়িতে এসে যা করে তাতে মা বাবার সমর্থন পায়। এতে করে ভাই বোনদের মধ্যে একসময় দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় যা পরবর্তীতে কয়েক জেনারেশন পর্যন্ত চলতে থাকে । এহেন কার্যকলাপ মা বাবা কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করলে এমন হতনা। কখনো মা বাবা পুত্রবধূদের সাথে জ্বেদ ধরে মেয়েদেরকে প্রশ্রয় দিয়ে যান। তখন ভগ্নিপতিরা পরিবারে নাক গলাতে শুরু করে । একটা পর্যায়ে পরিবারে ভাই বোনদের সম্পর্ক নিঃশেষ হয়ে যায় । বাবা মারা যাওয়ার পর পারিবারিক বিষয় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে ,তখন থানা পুলিশ কোর্টে শুরু হয় দৌড়।
পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত ও সভ্য দেশে মা বাবার এমন অসচেতনামুল আচরণ নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলেও বাংলাদেশে এই আইন এখনও হয়নি । কিন্তু এধরনের পারিবারিক সমস্যা নিয়ে প্রথম থেকে সচেতন থাকলে বাংলাদেশে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব । কিন্তু আমাদের অসচেতনতা, সরল বিশ্বাস এবং প্রথম হতে আইনগত ও সামাজিকভাবে প্রতিহত না করার কারণে এমন এক সময় সংকটময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যখন নিয়ন্ত্রণে থাকেনা । তাই যখনই মনে হবে পরিবারের কেউ সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মা বাবাকে নিয়ন্ত্রণ করে পরিবারের অর্থ সম্পত্তি নিজের দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে তখনই আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করার পথ খুঁজতে হবে ।
⭐⭐সমাধানঃ
1. এজন্য প্রথমে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেয়া যেতে পারে ।
2.এই সময়ে যে বা যারা মা বাবাকে মিসগাইড করে সে বা তারা তখন কোন না কোন আইনগত অপরাধ করে থাকে পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে । ঐ অপরাধ নিয়ে তখন থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জি ডি করা যেতে পারে।
3. একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীকে দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া যেতে পারে ।
4.অনেক সময় থানায় সাধারণ ডায়েরি নিতে চায় না। সে ক্ষেত্রে অন লাইনে ও এ ডি সহ রেজিস্টার ডাক যোগে সাধারণ ডায়েরি বা জি ডি করতে হবে ।
উপরোক্ত পদক্ষেপের কারণে পরবর্তীতে আইনানুগ সংস্থা স্বাক্ষী হয়ে থাকবে । এবং অনেক ক্ষেত্রে তাৎক্ষনিক সমাধানও আসতে পারে ।
🌸সবাইকে ধন্যবাদ🌸
মোঃ নাজমুল হোসেন
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
01729 852 752.