Hossain Consultancy Firm

Hossain Consultancy Firm We are committed to provide you the best service.

অন্যের মালিকানার জমি কেউ নিজের বলে দাবি করছে এমন প্রমাণ পেলে সাত বছরের কারাদণ্ড হবে। অন্য কারও জমি ষড়যন্ত্র করে নিজের না...
27/06/2023

অন্যের মালিকানার জমি কেউ নিজের বলে দাবি করছে এমন প্রমাণ পেলে সাত বছরের কারাদণ্ড হবে। অন্য কারও জমি ষড়যন্ত্র করে নিজের নামে নেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ মিললে দুই বছরের কারাদণ্ড। এই বিধান রেখে ‘ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে ভূমি বিষয়ক অপরাধকে স্পষ্ট করা হয়েছে।
ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বা জালিয়াতির অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ধরনের অপরাধে কেউ সহযোগিতা করলেও একই শাস্তি হবে

‘বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সংশোধন আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে কোনও ফসলী জমি থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না।

আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর পরিবর্তে নতুন আয়কর আইন ২০২৩ এর গেজেট
22/06/2023

আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর পরিবর্তে নতুন আয়কর আইন ২০২৩ এর গেজেট

জুলাই মাসের ১ তারিখ হইতে দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে উৎস কর বৃদ্ধি পাচ্ছে
21/06/2023

জুলাই মাসের ১ তারিখ হইতে দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে উৎস কর বৃদ্ধি পাচ্ছে

08/06/2023

অর্পিত সম্পত্তি আইনে ২০১২ সালের আগে দায়ের করা সব মামলা বাতিল - হাইকোর্ট

 #হেবা_দলিল_বাতিল করবেন যেভাবেঃ কোন মুসলিম ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তির হেবার জন্য কয়েকটি  শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন: দাতা হে...
06/06/2023

#হেবা_দলিল_বাতিল করবেন যেভাবেঃ কোন মুসলিম ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তির হেবার জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন: দাতা হেবার ঘোষণা যেমন করতে হবে, তেমনি গ্রহীতাকে হেবা গ্রহণ করতে হবে। এরপরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, দখল হস্তান্তর করতে হবে। দখল হস্তান্তর ব্যতীত হেবা সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হয় না।
আবার, মুসলিম আইন অনুসারে হেবা করার জন্য হেবার দাতার যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে,
হেবা দাতাকে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে।
অবশ্যই প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে, অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স্ক হতে হবে। যারা লিগ্যাল অভিভাবকের অভিভাবকত্বের মধ্যে বড় হয়েছে তাদেরকে ২১ বছর বয়স্ক হতে হবে।
দাতাকে অবশ্যই জেনে শুনে পূর্ণ সম্মতিতে হেবা করতে হবে।
হেবার ক্ষেত্রে দাতা গ্রহীতার মাঝে কোন প্রকার বিনিময় থাকতে পারবে না।
দাতাকে অবশ্যই সুস্থ মস্তিষ্কের হতে হবে।
দাতাকে অবশ্যই প্রকৃতিস্থ হতে হবে, পাগল কেউ হেবা করতে পারবে না।
দাতাকে দেউলিয়া হলে চলবে না।
দাতার অবশ্যই সম্পত্তিতে বৈধ মালিকানা থাকতে হবে।
এখন হেবা দলিল করার জন্য যেসব শর্ত বা উপাদান রয়েছে, তার মধ্যে যদি প্রতারণামূলক ভাবে কোনটি অনুপস্থিত বা অসম্পূর্ণ থাকে অথবা পুরো হেবা দলিলটিই প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে, তাহলে উক্ত হেবা দলিলটি বাতিল করা যেতে পারে।
যেমন,যেকোনো দাতা অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় বা পূর্ণ সম্মতি ব্যতিরেকে বা বিনিময় নিয়ে বা অসুস্থ থাকাবস্থায় বা অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় বা দেউলিয়া অবস্থায় বা বৈধ মালিকানা না থাকাবস্থায় যদি কাউকে কোন সম্পত্তি হেবা করে থাকে, তাহলে উক্ত হেবা বাতিল করা যেতে পারে। আর দাতা যদি দখল হস্তান্তর না করে তাহলেও উক্ত হেবা বাতিল করা সম্ভব হতে পারে- আইন আদালত
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, হেবা দলিল বাতিল করা যাবে কিভাবে?
মুখের কথায় বা গায়ের জোরে হেবা দলিল বাতিল করা যায় না, যাবে না। হেবা দলিল বাতিল করতে হবে আইন আদালত এর মাধ্যমে। আদালতে দলিল বাতিলের জন্য মামলা দায়ের করলে, আদালত মামলার বিষয়বস্তুর গুনগত মান বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে উক্ত হেবা দলিল বাতিল করতে পারেন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে একটি লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিল যোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশংকা আছে যে, এই জাতীয় লিখিত দলিল থেকে গেলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে, তাহলে তিনি উক্ত লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে মামলা করতে পারেন। উক্ত মামলার ভিত্তিতে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে পারেন; চুক্তি বিতরিত এবং বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত দলিল বাদীর জন্য ক্ষতিকর এবং প্রকৃতই প্রতারণার মাধ্যমে উক্ত দলিল সম্পাদন বা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, তাহলে দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন। আর যদি মনে হয় যে, শুধুমাত্র হয়রানি করার উদ্দেশ্য বা প্রতারণার কিছুই ছিল না এখানে, তাহলে দলিল বাতিলের আদেশ দিবেন না। এখানে আদালতের পুরো ক্ষমতাই হচ্ছে ইচ্ছাধীন, আদালতকে বাধ্য করা যাবে না কোন নির্দিষ্ট ঘোষণা দেওয়ার জন্য।
আর দলিলটি যদি রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর অধীনে
নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তাহলে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি যে অফিসারের অফিসে নিবন্ধিত হয়েছে তার কাছে পাঠাবে http://surl.li/hrqsh এবং এই ধরনের কর্মকর্তা তার বইয়ে থাকা দলিলের অনুলিপিতে এটি বাতিলের সত্যতা নোট করবেন। অর্থাৎ, যদি কোন হেবা দলিল আদালত বাতিল ঘোষণা করে তাহলে যে সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নিবন্ধন করা হয়েছিল, সেই সাব রেজিস্ট্রি অফিসে উক্ত রায়ের একটি কপি পাঠাবেন, যাতে বালাম বইতে উক্ত দলিল সম্বন্ধে আদালতের রায় সম্পর্কিত তথ্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
এভাবেই একটি হেবা দলিল বাতিল করা যেতে পারে। তবে উল্লেখ্য, হেবা দলিল কার্যকর হওয়ার পর যদি হেবা দলিলের দাতা কিংবা গ্রহীতা যেকোনো একজনও যদি মারা যায়, তবে হেবা দলিল আর বাতিল করা সম্ভব নয়। হেবা দলিল বাতিল করার সম্পূর্ণ এখতিয়ার হচ্ছে আদালতের, যদি কেউ আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে, তাহলে যেকোনো পরিস্থিতিতেই আদালত হেবা দলিল বাতিল করতে পারেন। তাই, নিজ জীবদ্দশায় হেবা করার পূর্বে অতীব সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন, প্রয়োজনে কাজে দিবে।

বাংলাদেশ থেকে কারও পরিচিত/পরিবারের কেউ চিকিৎসার জন্য এই ট্রেনে এসে থাকলে এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে আপডেট করে তথ্য নিতে প...
05/06/2023

বাংলাদেশ থেকে কারও পরিচিত/পরিবারের কেউ চিকিৎসার জন্য এই ট্রেনে এসে থাকলে এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে আপডেট করে তথ্য নিতে পারেন। আপনাদের আত্মীয় স্বজন নিরাপদ আছে কি না জেনে নিন।

সংসদীয় এলাকার সংযোজিত বিন্যাস।
03/06/2023

সংসদীয় এলাকার সংযোজিত বিন্যাস।

TIN থাকলেই দিতে হবে Tax,  তাও কমপক্ষে ২০০০/- (দুই হাজার)  টাকা 🙄
01/06/2023

TIN থাকলেই দিতে হবে Tax, তাও কমপক্ষে ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা 🙄

31/05/2023

Address

House: 54, Road: 19, Nikunja/02
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801711281105

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hossain Consultancy Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hossain Consultancy Firm:

Share