মল্লীক ল" চেম্বার, শরীয়তপুর।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • মল্লীক ল" চেম্বার, শরীয়তপুর।

মল্লীক ল" চেম্বার, শরীয়তপুর। আইনি সেবা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ..!..

ভূমি আইন পাশ
22/02/2023

ভূমি আইন পাশ

13/02/2023
একটি দলিল যখন অসৎ উদ্দেশ্য বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়, তখনই তা জাল রূপে গণ্য হবে। এ বিষয়ে একটি বিখ্যাত মামলা '...
05/02/2023

একটি দলিল যখন অসৎ উদ্দেশ্য বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়, তখনই তা জাল রূপে গণ্য হবে। এ বিষয়ে একটি বিখ্যাত মামলা 'মনু মিয়া বনাম রাষ্ট্র' মামলায় রায়ে বলা হয়েছে, 'কোনো দলিলকে জাল বলতে হলে অবশ্যই তা অসৎ ও প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হতে হবে। [42 DLR 191]।কেননা অপরকে প্রতারিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে কোন দলিল সম্পাদন করলে উহাকে জালিয়াতি বলা যায়।'

জালিয়াতির শাস্তি সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারায় বলা হয়েছে, 'যদি কোনো ব্যক্তি জালিয়াতি করেন, তাহলে ওই ব্যক্তি দু বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ডসহ উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারেন।'

আদালতের নথি বা সহকারী রেজিস্ট্রার ইত্যাদিতে জালিয়াতি সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারায় বলা হয়েছে, 'যদি কোনো ব্যক্তি বিচারালয়ের নথিপত্র বা মামলার বিবরণী বলে গণ্য কোনো দলিল বা জন্মনামকরণ বিয়ে বা শবসংক্রান্ত রেজিষ্টার হিসাবে গণ্য বা বা সরকারি সার্টিফিকেট জাল করেন অথবা মামলার কোনো রায়ের কপি জাল করেন, তাহলে দায়ী ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডসহ অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন। এ অপরাধ জামিনযোগ্য নয়।'

মূল্যবান জামানত, উইল প্রভৃতি জাল সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় বলা হয়েছে, 'যদি কোনো ব্যক্তি মূল্যবান জামানত, উইল প্রভৃতি জাল করেন, তাহলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।'

এরকম জালিয়াতির অপরাধের সহায়তার জন্য শাস্তির বিধান করা হয়েছে। যা ৪৬৭ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ।

দণ্ডবিধির ৪৭৪ ধারায় বলা হয়েছে, '৪৬৬ ও ৪৬৭ ধারানুযায়ী প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতির জন্য সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ জরিমানার বিধান আছে।'

মুসলিম বিবাহ ও তালাক এর রেজিষ্ট্রেশন আইন-১৯৭৪ইং।বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন  ফিস প্রতি লাখে ১৪০০ টাকা।৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৭০০০ হা...
02/02/2023

মুসলিম বিবাহ ও তালাক এর রেজিষ্ট্রেশন আইন-১৯৭৪ইং।
বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন ফিস প্রতি লাখে ১৪০০ টাকা।
৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৭০০০ হাজার টাকা।
৫ লাখের পরে পরবর্তী প্রতি লাখে ১০০ টাকা অতিরিক্ত যোগ হবে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ এর ৪ ধারা মতে যাহার সম্পত্তি বন্টিত হইবে, তাহার মৃত্যুর পূর্বে কোন কন্যা বা, পুত্...
30/01/2023

মুসলিম পারিবারিক আইন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ এর ৪ ধারা মতে যাহার সম্পত্তি বন্টিত হইবে, তাহার মৃত্যুর পূর্বে কোন কন্যা বা, পুত্র মারা গেলে, তাহার সম্পত্তি বন্টনের সময় তাহার উক্ত(মৃত) পুত্র বা,কন্যার সন্তান সন্ততি জীবিত থাকিলে, তাহারা একত্রে সম্পত্তির সেই অংশ পাইবে, যাহা তার পিতা বা, মাতা জীবিত থাকিলে পাইতো।

আইন আছে,প্রয়োগ নেই!পাবলিক প্লেসে ধূমপান কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ? """""""""""""""""""""""'""""""""""""""""""""""""""""""""""...
27/01/2023

আইন আছে,প্রয়োগ নেই!
পাবলিক প্লেসে ধূমপান কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
"""""""""""""""""""""""'""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
বাংলাদেশে এমন বহু আইন রয়েছে যেগুলো শুধু কাগজে কলমেই লিপিবদ্ধ আছে কিন্তু বাস্তবে এর প্রয়োগ তেমনটা লক্ষ্যনীয় নয় বললেই চলে।তেমনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন হলো "ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন,২০০৫"

এই আইনে পাবলিক প্লেস এবং পাবলিক পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ বলা থাকলেও আমাদের চারপাশে যে অবস্থা আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি তাতে মনে হয়না যে অত্র আইনটির যথাযথ প্রয়োগ রয়েছে।ধূমপান বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে,জনগণ এখন এ বিষয়ে কোন তোয়াক্কা না করেই হরহামেশাই যেখানে সেখানে ইচ্ছায়,অনিচ্ছায় ধূমপান করে যাচ্ছেন।দেখলে মনে হয় যেন পাবলিক প্লেসে ধূমপান না করাটাই তাঁদের কাছে অপরাধ আর করলে সাত খুন মাফ!

আসুন জেনে নিই তামাক কিংবা তামাকজাত দ্রব্য আসলে কি?
মূলতঃ এ সম্পর্কে অত্র আইনের ২(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, “তামাক” অর্থ কোন নিকোটিনা টাবাকাম বা নিকোটিনা রাসটিকার শ্রেণিভুক্ত উদ্ভিদ বা এতদ্‌সম্পর্কিত অন্য কোন উদ্ভিদ বা উহাদের কোন পাতা বা ফসল, শিকড়, ডাল বা উহার কোন অংশ বা অংশ বিশেষ।

আবার ২(গ) ধারা অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য” অর্থ তামাক, তামাক পাতা বা উহার নির্যাস হতে প্রস্তুত যে কোন দ্রব্য, যা চোষণ বা চিবানোর মাধ্যমে গ্রহণ করা যায় বা ধূমপানের মাধ্যমে শ্বাসের সাথে টেনে নেয়া যায় এবং বিড়ি, সিগারেট, চুরুট, গুল, জর্দ্দা, খৈনী, সাদাপাতা, সিগার এবং হুক্কা বা পাইপের ব্যবহার্য মিশ্রণও (mixture) এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

এবার আসি ধূমপান কি?
অত্র আইনের ২(ঘ) ধারায় বলা আছে "ধূমপান” অর্থ কোন তামাকজাত দ্রব্যের ধোঁয়া শ্বাসের সহিত টানিয়া নেওয়া বা বাহির করা, এবং কোন প্রজ্বলিত তামাকজাত দ্রব্য ধারণ করা বা নিয়ন্ত্রণ করাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে।

আশা করি এতোক্ষণে তামাক,তামাকজাতদ্রব্য এবং ধূমপান সম্পর্কে সবার পরিষ্কার ধারণা হয়ে গেছে।এবারে দেখবো ধূমপান পাবলিক প্লেসে বা পরিবহনে করা যাবে কি না?তবে তার আগে জানা জরুরি যে পাবলিক প্লেস এবং পরিবহন বলতে কি বোঝানো হবে।

যাইহোক, পাবলিক প্লেস বলতে কোন কোন জায়গাকে বুঝাবে সে সম্পর্কে অত্র আইনে কি বলা আছে তা দেখে নেয়া যাক।
অত্র আইনের ২(চ) ধারানুযায়ী পাবলিক প্লেস” অর্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, আধা-সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও বেসরকারি অফিস, গ্রন্থাগার, লিফট, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্র (indoor work place), হাসপাতাল ও ক্লিনিক ভবন, আদালত ভবন, বিমানবন্দর ভবন, সমুদ্রবন্দর ভবন, নৌ-বন্দর ভবন, রেলওয়ে স্টেশন ভবন, বাস টার্নিমাল ভবন, প্রেক্ষাগৃহ, প্রদর্শনী কেন্দ্র, থিয়েটার হল, বিপণী ভবন, চতুর্দিকে দেয়াল দ্বারা আবদ্ধ রেস্টুরেন্ট, পাবলিক টয়লেট, শিশুপার্ক, মেলা বা পাবলিক পরিবহনে আরোহণের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সারি, জনসাধারণ কর্তৃক সম্মিলিতভাবে ব্যবহার্য অন্য কোন স্থান অথবা সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, সময় সময় ঘোষিত অন্য যে কোন বা সকল স্থান;
২(ছ) ধারা অনুযায়ী “পাবলিক পরিবহণ” বলতে বুঝায় মোটর গাড়ী, বাস, রেলগাড়ী, ট্রাম, জাহাজ, লঞ্চ, যান্ত্রিক সকল প্রকার জন-যানবাহন, উড়োজাহাজ এবং সরকার কর্তৃক, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্দিষ্টকৃত বা ঘোষিত অন্য যে কোন যান;

প্রশ্ন হতে পারে ধূমপান তাহলে করবে কোথায়?এ সম্পর্কে আইনে কিছু বলা আছে?

হ্যাঁ, অবশ্যই বলা আছে।অত্র আইনের ২(ঙ) এবং ৭,৭ক ধারায় এ সম্পর্কে ইশারা ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
২(ঙ) ধারা অনুযায়ী "ধূমপান এলাকা”বলতে বুঝাবে কোন পাবলিক প্লেস বা পাবলিক পরিবহণে ধূমপানের জন্য নির্দিষ্টকৃত কোন এলাকা।
৭ ধারা অনুযায়ী, কোন পাবলিক প্লেসের মালিক, তত্ত্বাবধায়ক বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি বা ব্যবস্থাপক উহাতে এবং কোন পাবলিক পরিবহণের মালিক, তত্ত্বাবধায়ক, নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি বা ব্যবস্থাপক উহাতে ধূমপানের জন্য স্থান চিহ্নিত বা নির্দিষ্ট করিয়া দিতে পারিবেন। তবে ধূমপানের অমন স্থানের সীমানা,বর্ণনা সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্র আইনের বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

৭(ক) ধারায় বলা হয়েছে যে (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রত্যেক পাবলিক প্লেস বা পাবলিক পরিবহনের মালিক, তত্ত্বাবধায়ক, নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি বা ব্যবস্থাপক বিধি দ্বারা নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রণীত বিধির বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অনধিক পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

পাবলিক প্লেসে এবং পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করা কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?

অত্র আইনের ৪(১) ও (২)উপধারায় বলা হয়েছে যে, ধারা ৭ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যক্তি কোন পাবলিক প্লেস এবং পাবলিক পরিবহণে ধূমপান করতে পারবেন না৷


উল্লেখ্য যে, অত্র আইনটি ২০১৩ সালে সংশোধন করে ২ উপধারা নিয়ে আসা হয় যেখানে বলা হয়, কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অনধিক তিনশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং উক্ত ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বা পুনঃ পুনঃ একই ধরণের অপরাধ সংঘটন করলে তিনি পর্যায়ক্রমিকভাবে উক্ত দণ্ডের দ্বিগুণ হারে দণ্ডনীয় হবেন।

05/12/2022

জামিনযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৩৪-৩৫২, ৩৫৪, ৩৫৫. ৩৫৭-৩৬৩, ৩৭০, ৩৭৪, ৩৮৪, ৩৮৮, ৩৮৯, ৪০৩, ৪০৪, ৪১৭-৪৩৫, ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৪৬১-৪৬৫, ৪৬৯-৪৭৫, ৪৭৭ক-৪৮৯, ৪৮৯গ, ৪৯১, ৪৯৪-৫০৪, ৪০৬-৫১০ দঃবিঃ
জামিন অযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৫৩, ৩৫৬, ৩৬৪, ৩৬৪ক, ৩৬৫, ৩৬৬ক, ৩৬৬খ-৩৬৯, ৩৭১-৩৭৩, ৩৭৬-৩৮২, ৩৮৫-৩৮৭, ৩৯২-৪০২, ৪০৬-৪১৪, ৪৩৬-৪৪০, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫২-৪৬০, ৪৬৬-৪৬৮, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯ঘ, ৪৯৩, ৫০৫, ৫০৫ক, ৫১১ দঃবিঃ

মৃত্যু দন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩২৬-ক, ৩৬৪-ক, ৩৯৬ দন্ডবিধির মোট ৯টি ধারায় এবং আরো কয়েকটি বিশেষ আইনের ধারায়ও মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪, এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২, ইত্যািদি।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১২১-ক, ১২২, ১২৪-ক, ১২৫, ১২৮, ১৩০, ১৩২, ১৯৪, ১৯৫, ২২২, ২২৫ (মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিকে আইনসঙ্গত হেফাজতে বাধা দিলে), ২৩২, ২৩৮, ২৫৫, ৩০২, ৩০৪, ৩০৫, ৩০৭, ৩১১, ৩১৩, ৩২৬, ৩২৬-ক, ৩২৯, ৩৬৪, ৩৬৪-ক, ৩৭১, ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৮৭, ৩৮৮, ৩৮৯ (সম্পত্তি আদায়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার অস্বাভাবিক ভয় দেখালে), ৩৯৪-৩৯৬, ৪০০, ৪০৯, ৪১২, ৪১৩, ৪৩৬, ৪৩৮, ৪৪৯, ৪৫৯, ৪৬০, ৪৬৭, ৪৭২, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৭, ৪৮৯-ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯-ঘ, ধারা।
এছাড়া বিশেষ কয়েকটি আইনের ধারায়ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।
শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১৬৩, ১৬৬, ১৬৮, ১৬৯, ১৭২, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৬, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮৭, ১৮৮, ২২৩, ২২৫-ক(খ), ২২৮, ২৯১, ৩০৯, ৩৪১, ৩৫৮, ৫০৯, ৫১০
শুধুমাত্র জরিমানা দন্ডের ধারাসমূহ:
১৩৭, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৭১ছ, ১৭১জ, ১৭১ঝ, ২৬৩ক, ২৭৮, ২৮৩, ২৯০।

আমরা প্রায়শ জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়াদির সাথে “ভায়া দলিল” শব্দ যুগলের কথা শুনে থাকি। কিন্তু অনেকই জানিনা “ভায়া দলিল” আসলে ক...
18/11/2022

আমরা প্রায়শ জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়াদির সাথে “ভায়া দলিল” শব্দ যুগলের কথা শুনে থাকি। কিন্তু অনেকই জানিনা “ভায়া দলিল” আসলে কি এবং কাকে বলে?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে উত্তর হচ্ছে, জমির মূল বা আদি দলিলকে ভায়া দলিল বলে। আর জমির মালিকানা সত্ব নিরুপনের জন্য ভায়া দলিল প্রয়োজন হয়।

ধরুন, আপনি একখন্ড জমি নাসির সাহেব থেকে ক্রয় করলেন, যার দলিল নং ১৪১০। নাসির সাহেব উক্ত জমি ক্রয় করেছিলেন মোহন সাহেবের কাছ থেকে, যার দলিল নং ১২৩০। এখানে আপনার সৃজিত দলিল নং ১৪১০ এর ভায়া দলিল নং হচ্ছে ১২৩০। অর্থাৎ ভায়া দলিল হচ্ছে মূল দলিল যা থেকে সৃষ্টি হয় পরের দলিল।

ক্রেতা যখন কোন জমি ক্রয় করবে তখন অবশ্যই জমির বিক্রেতা থেকে ভায়া দলিল চেয়ে নিবেন। সংশিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি নির্দিষ্ট ফরমে সার্চ করে উক্ত দলিলের সঠিকতা যাচাই করে নিবেন। আর উক্ত ভায়া দলিল থেকে সৃষ্ট পরবর্তী প্রতিটি দলিলের দাগ নাম্বার ও জমির হিস্যা ঠিক আছে কিনা জেনে নিবেন। যদি সন্দেহ হয় তাহলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষিত দলিলের সাথেও মিলিয়ে দেখতে পারেন।

ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা ওয়ারেন্ট ছাড়া আমল-অযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতার করতে পারেন না প...
17/11/2022

ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা ওয়ারেন্ট ছাড়া আমল-অযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতার করতে পারেন না পুলিশ। কিন্তু আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার ক্ষমতাবলে ৯টি কারণে পুলিশ যে কাউকে বিনা পরোয়ানায় বা আদেশ ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।

আমলযোগ্য অপরাধ হলো- যে সব অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে (দ্বিতীয় তফসিল; ও ৪ (চ) ধারা) এবং আমল-অযোগ্য অপরাধ হলো- যে সব অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারে না ( ফৌ: কা: এর ৪ (ঢ) ধারা)। যদিও ফৌজদারি কার্যবিধির এই ৫৪ ধারার ব্যাপারে সংবিধানের কিছু অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিকতার ব্যাপারে হাইকোর্টের রায়ে পর্যবেক্ষণ এসেছে।

বিবাদপূর্ণ দলিলটি সম্পূর্ণরূপে একটি বিনিময় দলিল, এটি সাব কবলা নয় এবং এ কারণে এটি রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১...
17/11/2022

বিবাদপূর্ণ দলিলটি সম্পূর্ণরূপে একটি বিনিময় দলিল, এটি সাব কবলা নয় এবং এ কারণে এটি রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫১ এর ধারা ৯৬ এর অধীনে অগ্রক্রয়যোগ্য (pre-empatable) নয়।

[Md Abdus samad vs Md
Samser ali and others 8 LNJ
(2019)-HCD-43]

Address

Https://maps. App. Goo. Gl/EXfRdnFg88AbMJ5o8?g_st=ic
Dhaka
8000

Telephone

+8801918389589

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মল্লীক ল" চেম্বার, শরীয়তপুর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মল্লীক ল" চেম্বার, শরীয়তপুর।:

Share