Touhid & Associates

Touhid & Associates Integrated Solutions for Business Perfection

“করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর—আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে এখনই রিটা...
28/01/2026

“করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর—আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে এখনই রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করুন।”
মোঃ তৌহিদুর রহমান
কর আইনজীবী
📞 ০১৭১৩ ৫৬২৮৬০ (WhatsApp)

আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো।
19/01/2026

আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো।

28/12/2025

আতঙ্কিত হবেন না – Don't panic (ডোন্ট প্যানিক)
সপ্তাহে একবার – Once a week (ওয়ানস এ উইক)
দীর্ঘদিন ধরে – For a long time (ফর এ লং টাইম)
আমার মতে – According to me (অ্যাকর্ডিং টু মি)
একটু দাড়াও – Wait a minute (ওয়েইট এ মিনিট)
আমার তেষ্টা পেয়েছে – I’m thirsty (আই'ম থার্স্টি)
কেনাকাটা করতে যাও – Go shopping (গো শপিং)
এখন তুমি চেষ্টা কর – Now you try (নাও ইউ ট্রাই)
আমার খিদে পেয়েছে – I’m hungry (আই'ম হাংরি)
আমার মতে – In my opinion (ইন মাই অপিনিয়ন)
একটু জোরে – A little louder (এ লিটল লাউডার)
বোকামি করো না – Don't be silly (ডোন্ট বি সিলি)
মাথা খাটাও – Use your brain (ইউজ ইউর ব্রেইন)
তুমি কি অসুস্থ? – Are you sick? (আর ইউ সিক?)
এদিক দিয়ে – This way, please (দিস ওয়ে, প্লিজ)
এটা ভয়ানক! – That's terrible! (দ্যাটস টেরিবল!)
আমার ভাল লাগছে – I feel fine (আই ফিল ফাইন)
টেবিলটি ঠিক কর – Set the table (সেট দ্য টেবিল)
কি চমৎকার! – How adorable! (হাউ এডোরেবল!)
এটা একটা বই – This is a book (দিস ইজ আ বুক)
একেবারেই না – Not in the least (নট ইন দ্য লিস্ট)
প্রতিদিনই – Every single day (এভরি সিঙ্গেল ডেই)
দুপুরের খাবার খেয়ে নাও – Have lunch (হ্যাভ লাঞ্চ)
এটা হাল্কা ভাবে নিন – Take it easy (টেইক ইট ইজি)
চলো মজা করি – Let's have fun (লেটস্ হ্যাভ ফান)
স্বাগতম – You are welcome (ইউ আর ওয়েলকাম)
আমার লজ্জা লাগছে – I'm blushing (আইম্ ব্লাশিং)
তুমি মিথ্যা বলছো – You are lying (ইউ আর লায়িং)
মুখ খুলুন – Open your mouth (ওপেন ইওর মাউথ)
আমি নুডলস খাই – I eat noodles (আই ইট নুডলস)
সে রেগে গিয়েছিল – She got angry (শি গট অ্যাংরি)
আমার দুটোই পছন্দ – I like both (আই লাইক বোথ)
আমি ক্লান্ত ছিলাম – I was tired (আই ওয়াজ টায়ার্ড)
তুমি কেমন আছো? – How are you? (হাউ আর ইউ?)
আমি তাকে পছন্দ করি – I like him (আই লাইক হিম)
তুমি কোথায়? – Where are you? (হোয়্যার আর ইউ?)
রাতের খাবার খেয়ে নাও – Have dinner (হ্যাভ ডিনার)
তুমি কি পাগল? – Are you crazy? (আর ইউ ক্রেজি?)
আমাকে মনে করিয়ে দিও – Remind me (রিমাইন্ড মি)
একেবারেই না – Absolutely not (অ্যাবসলিউটলি নট)

ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে ব্যাংকারদের যা জানতে হবে অবশ্যই প্রতিটি নবীন ও প্রবীণ ব্যাংকারদের CRR ও SLR সম্পর্কে ভালো...
27/12/2025

ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে ব্যাংকারদের যা জানতে হবে অবশ্যই
প্রতিটি নবীন ও প্রবীণ ব্যাংকারদের CRR ও SLR সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে । কিন্ত অনেকসময় দেখেছি যে অনেক ব্যাংকারদের এই টপিকস সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা থাকেনা । তাই আপনারা যেনো সহজে বুঝতে পারেন সেইজন্য আমরা এখানে খুব সহজভাবে এটি উপস্থাপন করেছি । সেই সাথে এটি যেনো পড়ে মনের মধ্যে গেথে যায় সেই জন্য আমরা শেষে কুইজ আকারে কিছু প্রশ্ন দিয়েছি যেনো পরে কখনো আর না ভুলে যান । কারণ পরবর্তীতে এটি আপনার ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষা ও ভাইভাতে কাজে দিবে ।
চলুন তাহলে একদম সহজ করে বুঝি যদি আপনার হাতে থাকে মাত্র ৫ মিনিট । ✅

📘 CRR ও SLR – সহজ ব্যাখ্যা
CRR (Cash Reserve Ratio):
ব্যাংককে তার মোট আমানতের একটি অংশ নগদ আকারে রাখতে হয়।
এই টাকা রাখতে হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।
এই টাকার উপর কোনো সুদ পাওয়া যায় না।
SLR (Statutory Liquidity Ratio):
ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ তরল সম্পদ হিসেবে রাখতে হয়।
যেমন: নগদ টাকা, সরকারি সিকিউরিটিজ।
এই সম্পদ ব্যাংকের নিজের কাছেই থাকে।
সহজ উদাহরণ:
যদি CRR 4% হয়, তবে ১০০ টাকা আমানতে ৪ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে রাখতে হবে।
যদি SLR ১৩% হয়, তবে ১৩ টাকা নগদ বা সরকারি বন্ডে রাখতে হবে।

❓ Short Q&A
Q1: CRR টাকা কোথায় রাখা হয়?
👉 বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।
Q2: SLR এর টাকা কোথায় থাকে?
👉 ব্যাংকের নিজের কাছে।
Q3: CRR এর উপর সুদ পাওয়া যায় কি?
👉 না, কোনো সুদ পাওয়া যায় না।
Q4: SLR কেন রাখা হয়?
👉 ব্যাংকের তারল্য বজায় রাখার জন্য।

📝 MCQ (Quiz)
1. CRR জমা রাখতে হয়—
A. Commercial Bank
B. Customer
C. Bangladesh Bank ✅
D. Government
2. SLR রাখা হয়—
A. শুধু নগদে
B. সরকারি সিকিউরিটিজে
C. নগদ ও সরকারি সিকিউরিটিজে ✅
D. ঋণ হিসেবে
3. কোনটির উপর সুদ পাওয়া যায় না?
A. SLR
B. CRR ✅
C. Deposit
D. Loan
4. CRR ও SLR নির্ধারণ করে—
A. সরকার
B. বাণিজ্যিক ব্যাংক
C. গ্রাহক
D. বাংলাদেশ ব্যাংক ✅

“হাজারো পোস্টের ভিড়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি যেনো হারিয়ে না যায়—পরবর্তীতে সহজে খুঁজে পেতে চাইলে এখনই শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।

🔹 ENGLISH VERSION

CRR and SLR are very important for every banker.
Very common topic in Banking Diploma exam.
Understand it easily in 2 minutes ✅

📘 CRR and SLR – Easy Explanation
CRR (Cash Reserve Ratio):
Bank keeps a part of deposits as cash.
This cash is kept with Bangladesh Bank.
No interest is earned on this money.
SLR (Statutory Liquidity Ratio):
Bank keeps a part of deposits as liquid assets.
Like cash and government securities.
These assets remain with the bank.
Simple Example:
If CRR is 4%, bank keeps 4 taka with Bangladesh Bank from 100 taka deposit.
If SLR is 13%, bank keeps 13 taka as cash or govt. securities.

❓ Short Q&A
Q1: Where is CRR kept?
👉 With Bangladesh Bank.
Q2: Where is SLR kept?
👉 With the bank itself.
Q3: Is interest earned on CRR?
👉 No interest is earned.
Q4: Why is SLR maintained?
👉 To ensure bank liquidity.

📝 MCQ (Quiz)
1. CRR is kept with—
A. Commercial Bank
B. Customer
C. Bangladesh Bank ✅
D. Government
2. SLR includes—
A. Only cash
B. Govt. securities
C. Cash and govt. securities ✅
D. Loans
3. No interest is earned on—
A. SLR
B. CRR ✅
C. Deposit
D. Loan
4. CRR and SLR are fixed by—
A. Government
B. Commercial bank
C. Customer
D. Bangladesh Bank ✅

“হাজারো পোস্টের ভিড়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি যেনো হারিয়ে না যায়—পরবর্তীতে সহজে খুঁজে পেতে চাইলে এখনই শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।”
📲

17/12/2025

#আয়কর রিটার্ন দাখিল এর সময় সীমা বৃদ্ধি
বনাম
করদাতাদের উদাসীনতা নাকি অলসতা???

প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি কি সুযোগ?? নাকি অলসতার নতুন ফাঁদ?
যখন সময় বাড়ানো হয়, তখন অধিকাংশ করদাতার মনে এক ধরনের 'স্বস্তি' কাজ করে। আমরা ভাবি, "যাক! আরও এক মাস, দু মাস সময় পাওয়া গেল, পরে ধীরে-সুস্থে দেওয়া যাবে।"

কিন্তু নির্মম সত্য হলো— এই "অতিরিক্ত সময়" অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমাদের উপকারের চেয়ে "অলসতার সুযোগ" হিসেবেই বেশি কাজ করে।

কেন আমরা এমন করি?
মনস্তাত্ত্বিকভাবে একে বলা হয় 'Student Syndrome'। অর্থাৎ, হাতে যতক্ষণ সময় থাকে, আমরা ততক্ষণ কাজটা শুরু করি না। সময়সীমা বাড়লে আমাদের কাজের গতি কমে যায়, আর আমরা ভাবতে থাকি"কাল দেব, পরশু দেব"।

শেষ মুহূর্তের এই গড়িমসির মাশুল হিসেবে আমরা:
সার্ভারের জটিলতায় পড়ি,,
তাড়াহুড়োয় ভুল রিটার্ন দাখিল করি,,
অনলাইনে পেমেন্ট এ আটকে যাই,,

সরকার সময় বাড়ায় যাতে কেউ বাদ না পড়েন, আর আমরা সেই বাড়তি সময়টা কাজে লাগাই "আয়েশ" করতে। দিনশেষে সেই একই চিত্র—

ডেডলাইনের আগের রাতে সবাই একসাথে লাইনে!🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶

তাই, অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে
মনে রাখবেন:
"সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।"
এখনো অনেক করদাতা বলেন ,,সময় তো আছেই🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔

মোঃ তৌহিদুর রহমান
(০১৭৩৩ ১৮৫৭৩০)
আয়কর আইনজীবী

ব্যাংক, এমএফএস (Mobile Financial Service) প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে Interoperable লেনদেন চালু ক...
14/10/2025

ব্যাংক, এমএফএস (Mobile Financial Service) প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে Interoperable লেনদেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নির্দেশিকার মাধ্যমে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টাকা লেনদেনকে আরও সহজ করার জন্য নতুন নিয়ম আনা হয়েছে।

আচ্ছা, ধরুন আপনার কাছে বিকাশ আছে, আর আপনার বন্ধুর কাছে আছে রকেট। এতদিন কী হতো? বিকাশ থেকে সরাসরি রকেটে টাকা পাঠানো যেত না।

এই নতুন নিয়ম সেটাই পাল্টে দিচ্ছে। এখন থেকে:

১. কী করতে পারবেন?
ব্যাংক থেকে MFS (বাইনান্সিয়াল সার্ভিস) ওয়ালেট: ধরুন, আপনার ডাচ বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা আছে। আপনি সরাসরি সেই টাকা আপনার নগদ বা বিকাশ ওয়ালেটে পাঠিয়ে দিতে পারবেন।

MFS ওয়ালেট থেকে ব্যাংক: আবার উল্টোটাও হবে। আপনার বিকাশ বা রকেটে থাকা টাকাও সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন।

MFS থেকে MFS: এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। বিকাশ থেকে নগদ, রকেট বা উপায়—একের ওয়ালেট থেকে অন্য কোম্পানির ওয়ালেটে সরাসরি টাকা পাঠানো যাবে!

মোটকথা হলো, সব কোম্পানি এখন একটা কমন প্ল্যাটফর্মে চলে আসছে, যাতে টাকা পাঠানো আর কোনো ঝামেলা না হয়।

২. খরচ বা চার্জ কত?
সবচেয়ে ভালো খবর হলো, এই লেনদেনে খরচ কিন্তু বেশ কম রাখা হয়েছে। লেনদেনের ধরন গ্রাহকের জন্য সার্ভিস চার্জ ধার্য হবে।

✓ ব্যাংক থেকে টাকা পাঠালে ০.১৫%
✓ পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে পাঠালে ০.২০%
✓ MFS (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) থেকে টাকা পাঠালে ০.৮৫%

তবে যার একাউন্টে টাকা যাবে, তার থেকে কোন চার্জ কেটে রাখা যাবে না।

৩. কবে থেকে চালু হচ্ছে?
এটা শুরু হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে।

#নোট: ইন্টারঅপারেবল ফান্ড ট্রান্সফার (Interoperable Fund Transfer) মানে হলো বিভিন্ন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে সরাসরি, দ্রুত এবং বাধাহীনভাবে টাকা লেনদেন করার ব্যবস্থা।

Corporate    -14বিষয়: VAT আইনে  "যোগানদার " বা "Procurement Provider" বলতে কি বোঝায়।আলোচনা: "যোগানদার " বা "Procurement ...
22/09/2025

Corporate -14

বিষয়: VAT আইনে "যোগানদার " বা "Procurement Provider" বলতে কি বোঝায়।

আলোচনা: "যোগানদার " বা "Procurement Provider" অর্থ কোটেশন বা দরপত্র বা কার্যাদেশ ( Work Order) বা অন্যবিধভাবে কোনো, সরকার বা উহার কোন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা দপ্তর; আধা - সরকারি বা সায়ত্তশাসিত কোনো সংস্থা; রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান ; বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, পরিষদ বা অনূরূপ কোনো সংস্থা; এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা সমাজসেবা অধিদপ্তর কতৃক অনুমোদিত কোনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠান; কোনো ব্যাংক, বীমা কোম্পানি বা অনুরূপ আর্থিক প্রতিষ্ঠান; কোনো মাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব পযার্য়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; কোনো লিমিটেড কোম্পানি এবং ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক বার্ষিক টার্নওভার যুক্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট পণের বিনিময়ে ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিল দ্বারা অব্যাহতি প্রাপ্ত সরবরাহ ব্যতীত অন্য যে কোনো পণ্য বা সেবা বা উভয়ই সরবরাহ করেন এমন কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা।

যোগানদারের ক্ষেত্রে উৎসে মুসক কর্তন।

(১) প্রজ্ঞাপন দ্বারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোনো পণ্য বা সেবা যোগানদার কর্তৃক সরবরাহ প্রদানের ক্ষেত্রে যোগানদার সেবা হিসাবে সরবরাহ গ্রহণকারীকে উৎসে মূসক কর্তন করিতে হইবে; তবে, প্রজ্ঞাপনে যোগানদার হিসাবে পৃথকভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা উক্ত কর্তনের আওতা বহির্ভূত হইবে। (এস.আর.ও নং-১৮৮-আইন/২০১৯/৪৫-মূসক এর মধ্যে শতভাগ রপ্তানিকারক, শতভাগ প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে- যোগানদার সেবার উপর প্রদেয় মূল্য সংযোজন কর হইতে অব্যাহতি দেওয়া আছে, এটা SRO তে লিখা আছে)।

(২) উৎপাদক হিসাবে নিবন্ধিত ব্যতীত অন্য সকল ব্যক্তি যাহারা উৎসে কর্তনকারী সওার নিকট কোটেশন বা দরপত্র বা কার্যাদেশ ( Work Order) বা অন্যবিধভাবে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে তাহারা যোগানদার হিসাবে বিবেচিত হইবে, তবে শর্ত থাকে যে, যেই সকল সেবার সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা রহিয়াছে সেই সকল সেবা যোগানদার হিসাবে বিবেচিত হইবে না। (এস.আর.ও নং-১৮৬-আইন/২০১৯/৪৩-মূসক)।

"যোগানদার " বা "Procurement Provider" এর ক্ষেত্রে ক্রয়কৃত মালামাল রাখার জন্য গোডাউন থাকেনা।

আইনের তৃতীয় তফসিল এ "যোগানদার " বা "Procurement Provider" সেবা এর ক্ষেত্রে VAT এর হার ১০%। VDS বিধিমালা ২০২৫ এ "যোগানদার " বা "Procurement Provider সেবার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে উৎসে কর্তন কারী সত্তা ১০% হারে উৎসে মূসক কর্তন করিতে হইবে।

"যোগানদার " বা "Procurement Provider" যদি নিবন্ধিত ব্যক্তি হন এবং তিনি যদি উপকরণ কর রেয়াত ( Input Tax Credit) নিতে চান তাহলে তিনি ১০% মূসক এর পরিবর্তে ১৫% মূসক প্রদান করিতে পারিবে।(১০% এ মূসক চালান প্রদান করলে রেয়াত পাবেনা, ১৫%
এ মূসক চালান প্রদান করলে রেয়াত নেওয়া যাবে সাথে আইনের আর ও অনেক কিছু পালন করতে হবে। রেয়াত নিতে হলে VAT এর হার হতে হবে ০%, অথবা ১৫%, ০% ও VAT এর একটি হার রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়।) অনেকে আবার অব্যহতি প্রাপ্ত কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহ করার সময় (মূসক ৬.৩) তে ০% ভ্যাট লিখে রাখে, এখানে ০% হবে না, অব্যহতি মানে হল এখানে ভ্যাট থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে , ০% না লিখে এখানে যেই SRO দিয়ে অব্যহতি দেওয়া সেই SRO No. লিখে দিবেন।

ধন্যবাদ
মোঃতৌহিদুর রহমান
আয়কর আইনজীবী ও ভ্যাট প্রফেশনাল 01713-562860 (WhatsApp)
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী –💳 করদাতার সুবিধার্থেই ব্যাংক একাউন্ট ডুকবে এনবিআরের আওতায়।এখন থেকে আপ...
15/09/2025

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী –
💳 করদাতার সুবিধার্থেই ব্যাংক একাউন্ট ডুকবে এনবিআরের আওতায়।
এখন থেকে আপনার আর্থিক লেনদেন আরও সহজে ট্র্যাক হবে।

তাই আর দেরি না করে আজই একজন পেশাদার আয়কর আইনজীবীর সহায়তায় রিটার্ন জমা দিন।
কারণ—
✅ সঠিক রিটার্ন জমা দিলে জরিমানা ও অডিটের ঝুঁকি কমে
✅ ভবিষ্যতের ব্যাংকিং, টেন্ডার ও ভিসা প্রসেস সহজ হয়
✅ এনবিআর-এর নোটিশ, জরিমানা ও সমস্যার হাত থেকে সুরক্ষা

👨‍💼 Md.Touhidur Rahman
Income Tax Lawyer, (NBR)
🗣️ +8801713-562860
01733-185730

18/08/2025

১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলে খতিয়ে দেখবে এনবিআর

এখন থেকে যেসব করদাতার বার্ষিক ব্যাংক লেনদেন ১০ লাখ টাকার বেশি, তাদের আয়কর রিটার্ন নিয়মিতভাবে খতিয়ে দেখবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

এনবিআরের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে এ সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারও রিটার্নে বড় অঙ্কের ব্যাংক হিসাব গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে হিসাব জব্দ ও মামলা করা হবে।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করদাতারা কি তাদের ব্যাংক লেনদেনের সব তথ্য রিটার্নে দেখিয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। বিশেষভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে করা আয়, ব্যয়, সম্পদ কেনাবেচা—এই সব তথ্যের প্রকৃত অবস্থা রিটার্নে উল্লেখ হয়েছে কি না, তা কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হবে। বিভিন্ন সময়ে এনবিআরের তদন্তে দেখা গেছে যে, করদাতারা ব্যবসার তথ্য গোপন করে বা আয়ের উৎস লুকিয়ে রিটার্ন জমা দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক করদাতা বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করেন। এসব ব্যবসার আয়-ব্যয় ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে হয়। কর ফাঁকি দিতে অনেকে ব্যাংক হিসাব লুকিয়ে রাখেন বা রিটার্নে উল্লেখ করেন না। এতে এনবিআরের জন্য প্রকৃত লেনদেনের হিসাব বের করা কঠিন হয়ে পড়ে।

অনেকে বড় অঙ্কের সঞ্চয় বা উত্তাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদ ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করলেও রিটার্নে তা উল্লেখ করেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাজ মূলত কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে করা হয়। এছাড়া অনেক করদাতার সন্তান বিদেশে পড়তে গেলে স্টুডেন্ট ফাইলে টাকা পাঠানো হয়, যা রিটার্নে উল্লেখ করা হয় না।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক করদাতা কোটি টাকার একাধিক গাড়ি ও বিলাসবহুল ফ্ল্যাট/প্লটের মালিক। এই সম্পদগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে কেনা হলেও, অনেকেই রিটার্নে এগুলো উল্লেখ করেন না। এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী কোটি টাকার গাড়ির মালিকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।

অন্যদিকে, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) তথ্য অনুযায়ী কোটি টাকার ফ্ল্যাটের মালিক এক লাখের বেশি।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, অনেকে রিটার্নে তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দিচ্ছেন। এটা চলতে পারে না। ব্যাংকের মাধ্যমে আয়-ব্যয় ও সম্পদ করছে, সেই তথ্য অবশ্যই রিটার্নে থাকতে হবে। রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলে আমরা কঠোর হবেন।

সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন থাকলেও অনেকে রিটার্নে তা উল্লেখ করেন না। ব্যাংকের প্রকৃত লেনদেন দেখলে কর ফাঁকি দেওয়া কমবে। রিটার্নের তথ্য খতিয়ে দেখে সারা দেশের কোটিপতির সংখ্যা নির্ধারণ করা যায়, যা প্রকৃতির সঙ্গে মেলে না।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের জানুয়ারি মাসে ব্যাংকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর সেটি আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এই প্রক্রিয়ায় ধরা পড়া লেনদেনের মধ্যে থাকবে বড় ব্যবসার লেনদেন, সম্পদ কেনাবেচা, বিদেশে টিউশন ফি প্রেরণ এবং সঞ্চয়পত্র।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি।

কিন্তু রিটার্নে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোটিপতির সংখ্যা গত পাঁচ বছরে গড়ে ২৫ হাজারেই আটকে আছে। অর্থাৎ, রিটার্নের তথ্য এবং ব্যাংক হিসাবের মধ্যে বড় ফাঁক রয়েছে।

সাবেক সরকারের উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, অসৎ করদাতারা কর ফাঁকির জন্য রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দেন। ব্যাংকের তথ্য পাওয়া গেলে এনবিআর সহজেই এই ফাঁকি শনাক্ত করতে পারবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে, বছরে ১০ লাখ টাকার আয় সাধারণ মানুষের জন্য অত্যধিক না হয়ে হয়রানি তৈরি না করুক।

এনবিআর ডিজিটাল ট্র্যাকিং জোরদার করতে এবং করদাতাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক হিসাব এবং রিটার্নের তথ্য অনলাইনে মিলিয়ে দেখার ব্যবস্থা করছে। এতে কর ফাঁকির পরিমাণ কমবে এবং দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

16/05/2025

🎯 ট্যাক্স আদায়ে এনবিআর এর বর্তমান কার্যক্রম এবং নেক্সট প্ল্যান সম্পর্কে এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্য:-
✅ যারা ট্যাক্স রিটার্ন দেয় না তাঁদের প্রত্যেককে নোটিশ ইস্যু করা হচ্ছে।
✅ ট্যাক্স এবং ভ্যাট দুই আইনের আওতায় নতুন নতুন করদাতা খুঁজে বের করে তাদের স্পট রেজিঃ করা হচ্ছে।
✅ স্পটে গিয়ে করদাতাদের স্পট এসেসমেনট করা হচ্ছে।
✅ যাঁরা কর ফাঁকি দিচ্ছেন তাদের কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করে ফাঁকিকৃত কর আদায় করা হচ্ছে।
✅ ব্যবসায়িকদের সুবিধার্থে এডভান্স ট্যাক্স এবং টার্নওভার ট্যাক্স হার কমানো/সমন্বয় করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
✅ করদাতাদের কমপ্লায়েন্সের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
✅ ট্যাক্স, ভ্যাট এবং কাস্টমসের সকল কাজ অটোমেশন করার বিষয়টি চলমান রয়েছে।
✅ কর অব্যাহতি থেকে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
✅ কম হারে যারা কর দিচ্ছেন তাদের কর ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।
✅ দেশজুড়ে সিঙ্গেল ভ্যাট হার প্রচলন করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।

ভিডিও কৃতজ্ঞতা: দা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

16/05/2025

=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কী/“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ/ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
---------------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------------
==============================

আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট ক্যাডার কর্মকর্তাদের মতামত উপেক্ষা করে ৫৩ বছরের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে সংশোধন ছাড়...
13/05/2025

আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট ক্যাডার কর্মকর্তাদের মতামত উপেক্ষা করে ৫৩ বছরের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে সংশোধন ছাড়াই বহুল আলোচিত রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

যাহা নিম্নরূপ :

বাংলাদেশ গেজেট
অতিরিক্ত সংখ্যা
কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত
সোমবার, মে ১২, ২০২৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ
মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা
বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৯ বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ/ ১২ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।
নং ২৪ (মুঃ ও প্রঃ)।——গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২৯ বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ /১২ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে প্রণীত নিম্নে উল্লিখিত অধ্যাদেশটি এতদ্বারা জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে
প্রকাশ করা হইল।
অধ্যাদেশ নং-২৪, ২০২৫
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান কাঠামো পুনর্গঠনপূর্বক রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং
রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুইটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ

যেহেতু সরকারের রাজস্ব নীতি প্রণয়ন কার্যক্রম এবং রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পৃথকীকরণ আবশ্যক;

যেহেতু রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধিকরণকল্পে বিদ্যমান কাঠামো পুনর্গঠনপূর্বক রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং

যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান;

সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।

(১) এই অধ্যাদেশ রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।

(২) সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা যেই তারিখ নির্ধারণ করিবে, সেই তারিখে এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবে।

২। সংজ্ঞা।— -বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই অধ্যাদেশে

(ক) “তফসিল” অর্থ এই অধ্যাদেশের তফসিল;
(খ) “রাজস্ব” অর্থ তফসিলে উল্লিখিত যে কোনো আইনের অধীন আহরিত রাজস্ব;
(গ) “রাজস্ব নীতি বিভাগ” অর্থ ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত রাজস্ব নীতি বিভাগ;
(ঘ) “রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ” অর্থ ধারা ৭ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

৩। অধ্যাদেশের প্রাধান্য। —আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।

৪। রাজস্ব নীতি বিভাগ প্রতিষ্ঠা।—
(১) এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার পর, সরকার, সরকারিগেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, রাজস্ব নীতি বিভাগ নামে একটি নূতন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করিবে যাহা অর্থ
মন্ত্রণালয়ের অধীন হইবে।
(২) সরকার রাজস্ব নীতি বিভাগের জন্য যথাযথ সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করিবে।
(৩) সরকার উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে রাজস্ব নীতি বিভাগের সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করিবেন।
(৪) রাজস্ব নীতি বিভাগের বিভিন্ন পদসমূহ আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, কাস্টমস, অর্থনীতি, ব্যবসা প্রশাসন, গবেষণা ও পরিসংখ্যান, প্রশাসন, নিরীক্ষা ও হিসাব এবং আইন সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তাগণ হইতে পূরণযোগ্য হইবে।
(৫) আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত কর আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০১৩ সনের ৫৭ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত কাস্টমস, এক্সাইজ এবং মূল্য সংযোজন কর আপিল ট্রাইব্যুনাল রাজস্ব নীতি বিভাগের সংযুক্ত দপ্তর হইবে।

৫। রাজস্ব নীতি বিভাগের কার্যপরিধি। রাজস্ব নীতি বিভাগ নিম্নবর্ণিত কার্যাবলি সম্পাদন করিবে, যথা:—

(ক) বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যকে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব যোগানের লক্ষ্যে সম্প্রসারণমূলক কর ভিত্তি, যৌক্তিক কর হার, সীমিত কর অব্যাহতির নীতি অনুসরণপূর্বক উত্তম কর ব্যবস্থা প্রবর্তন;

(খ) তফসিলে বর্ণিত আইনসমূহ, Stamp Act, 1899 (Act No. II of 1899 ) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন নৃতনভাবে প্রণয়ন বা উহাদের সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ;

(গ) রাজস্ব নীতি সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান, প্রজ্ঞাপন,
এস.আর.ও. প্রণয়ন, সংশোধন এবং উহাদের ব্যাখ্যা প্রদান;

(ঘ) স্ট্যাম্প ডিউটি, আয়কর, ভ্রমণ কর, দান কর, সম্পদ কর, কাস্টমস-শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), সম্পূরক শুল্ক, আবগারী শুল্ক, সারচার্জ এবং অন্যান্য শুল্ক-করাদি, ফি আরোপ, হ্রাস-বৃদ্ধি ও অব্যাহতি প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম;

(ঙ) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সমন্বিত অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন;

(চ) কর আইন প্রয়োগ এবং কর আহরণ পরিস্থিতি মূল্যায়ন;

(ছ) রাজস্ব নীতি বাস্তবায়ন বিষয়ে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাথে সমন্বয় সাধন করা;

(জ) কাস্টমস সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদন ও মতামত প্রদান;

(ঝ) আন্তর্জাতিক দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম;

(ঞ) রাজস্ব সংক্রান্ত বৈশ্বিক ও স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও পরিসংখ্যান বিচার বিশ্লেষণ এবং কর নীতি সংক্রান্ত গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা;

(ট) রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণ ও গবেষণা পূর্বক রাজস্ব আয়ের যথাযথ প্রক্ষেপণ (forecast) এবং প্রাক্কলন (estimate);

(ঠ) রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত কার্যক্রমের দক্ষতা, কার্যকারিতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন; এবং

(ড) সরকার কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত অন্য যে কোনো দায়িত্ব পালন।

৬। রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত পরামর্শক কমিটি।———

(১) সরকার রাজস্ব নীতি প্রণয়নে রাজস্ব নীতি
বিভাগকে নিয়মিত পরামর্শ প্রদানের নিমিত্তে অর্থনীতিবিদ, রাজস্ব বিশেষজ্ঞ, আইন বিশেষজ্ঞ, হিসাব ও নিরীক্ষা বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী সংগঠন ও পেশাজীবী প্রতিনিধি ও ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এর প্রতিনিধিত্বে সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কমিটির কার্যপরিধি ও মেয়াদকাল সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।

৭। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা।—

(১) এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার পর, সরকার,
সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে একটি নূতন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করিবে
যাহা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন হইবে।

(২) সরকার রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের জন্য যথাযথ সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করিবে।

(৩) সরকার রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতা রহিয়াছে এইরূপ যোগ্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করিবে।

(৪) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়কর, মূল্য সংযোজন কর এবং কাস্টমস আইন বাস্তবায়ন এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগসমূহের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারী) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) ক্যাডার এ কর্মরত জনবলের মধ্য হইতে নিয়োগ করা হইবে।

(৫) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রশাসনিক অনুবিভাগের বিভিন্ন পদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস
(প্রশাসন), বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর), বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারী) ক্যাডার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত কর্মচারীগণ হইতে পূরণযোগ্য হইবে।

(৬) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ কতৃক তফসিলে বর্ণিত আইনসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট
কার্যক্রমে নিয়োজিত পদসমূহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর), বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও
আবগারী) ক্যাডারে কর্মরত কর্মকর্তাগণ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাঠপর্যায়ে কর্মরত
কর্মচারীগণ হইতে পূরণযোগ্য হইবে।

(৭) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস
(শুল্ক ও আবগারী) ক্যাডারে কর্মরত কর্মকর্তাগণের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হইবে।

(৮) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ইহার ক্যাডার বহির্ভূত সকল কর্মচারীর নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন এবং শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভাগীয় যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করিবে।

(৯) আয়কর আইন, ২০২৩ (২০১৩ সনের ১২ নং আইন) এ উল্লিখিত আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ,
কাস্টমস আইন ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন) এ উল্লিখিত কমিশনার অব কাস্টমস (আপিল)
এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪৭ নং আইন) এ উল্লিখিত
কমিশনার (আপিল) অফিসসমূহ রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকিবে।

৮। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের কার্যপরিধি। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নিম্নবর্ণিত কার্যাবলি
সম্পাদন করিবে, যথা: —

(ক) তফসিলে বর্ণিত আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধির প্রয়োগ;

(খ) কাস্টমস সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন;

(গ) আন্তর্জাতিক দ্বৈত কর পরিহার সংক্রান্ত চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন;

(ঘ) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারী) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) ক্যাডারের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা;

(ঙ) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও তদাধীন দপ্তরসমূহের ক্যাডার বহির্ভূত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা;

(চ) করভিত্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে করসেবা, উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি জোরদার করা এবং সকলকে করজালের মধ্যে আনয়ণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ;

(ছ) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের বাজেট প্রণয়ন, বাজেট বাস্তবায়ন এবং লজিস্টিকস সংক্রান্ত কার্যক্রম; রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পদ্ধতি প্রণয়ন;

(ঝ) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যক্রমের দক্ষতা, কার্যকারিতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন;

(ঞ) অধীনস্থ অফিসসমূহের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা;

(ট) রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আন্ত উইং ও রাজস্ব নীতি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে আন্তসংযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সার্বিক (comprehensive) অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা;

(ঠ) রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে রাজস্ব নীতি বিভাগের সাথে সমন্বয় সাধন, দক্ষ জনবল গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং অডিট ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা; এবং

(ড) সরকার কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত অন্য যেকোনো দায়িত্ব পালন।

৯। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিদ্যমান জনবল ন্যস্তকরণ। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা হইবার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিদ্যমান জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হইবে এবং উক্তরূপে ন্যস্তকৃত জনবল হইতে প্রয়োজনীয় জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে পদায়ন করা যাইবে।

১০। বিধি, আদেশ প্রভৃতি প্রণয়নের ক্ষমতা। রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নিজ নিজ বিভাগের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন, আদেশ, ব্যাখ্যা, ইত্যাদি জারি করিতে পারিবে।

১১। তফসিল সংশোধনের ক্ষমতা। — সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।

১২। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলোপ। (১) রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা হইবার সঙ্গে সঙ্গে, বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত হইবে এবং উহার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে ন্যস্ত হইবে।

(২) সরকার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের বিদ্যমান কার্যক্রম রাজস্ব নীতি বিভাগে অথবা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্য কোনো বিভাগে যথাযথভাবে বিভাজন করিবে।

১৩। রহিতকরণ ও হেফাজত।—

(১) এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে, National Board of Revenue Order, 1972 (President's Order No. 76 of 1972), অতপর উক্ত Order বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে এবং উহার অধীন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্ত হইবে।

(২) ধারা ১০ এর উপ-ধারা (১) অনুসারে বিলুপ্ত অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং এই ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে বিলুপ্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক

(ক) কৃত কোনো কাজ-কর্ম, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্যধারা এই অধ্যাদেশের আওতায় কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;

(খ) গৃহীত কোনো কার্যক্রম বা সূচিত কোনো কার্যধারা অনিষ্পন্ন বা চলমান থাকিলে এইরূপভাবে নিষ্পন্ন করিতে হইবে যেন উহা এই অধ্যাদেশের অধীন গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে;

(গ) প্রণীত কোনো বিধি বা প্রবিধান বা প্রদত্ত আদেশ বা নির্দেশ বা নোটিশ বা জারীকৃত প্রজ্ঞাপন বা নীতিমালা বা ব্যাখ্যা বা প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি বা সম্পাদিত অন্য কোনো আইনগত ইন্সট্রুমেন্ট, চুক্তি বা নিয়োগ উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে, উহা রহিত বা পরিবর্তিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে;

(ঘ) কোনো মামলা বা আইনগত কার্যধারা কোনো আদালতে চলমান থাকিলে উহা এইরূপভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত Order রহিত হয় নাই এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত হয় নাই;

(ঙ) এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার তারিখে অনিষ্পন্ন কার্যাদি, যতদূর সম্ভব, এই অধ্যাদেশের বিধান অনুসারে নিষ্পন্ন করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার পূর্বে উক্ত Order এর অধীন নির্ধারিত কোনো আবেদনপত্র পেশের অথবা কোনো আপিল বা রিভিশন দায়েরের সময়সীমার মেয়াদ অবশিষ্ট থাকিলে, উক্ত মেয়াদ অব্যাহত থাকিবে; এবং

আরোপিত কোনো শুল্ক, কর, সারচার্জ, ফি বা অন্য কোনো পাওনা, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে অনাদায়ী থাকিলে বা কোনো বিষয় অনিষ্পন্ন থাকিলে উহা উক্ত Order এর বিধান অনুযায়ী এমনভাবে আদায় বা নিষ্পন্ন করিতে হইবে যেন উক্ত Order রহিত হয় নাই।

তফসিল
[ধারা ২(ক), ৫(খ), এবং ৮(ক) দ্রষ্টব্য]
১। The Excise (Malt Liquors) Act, 1890 (Act No. XIII of 1890);
২। The Provisional Collection of Taxes Act, 1931 (Act No. XVI of 1931);
৩। The Income-tax and Excess Profits Tax (Emergency) Ordinance, 1942 (Ordinance No. LX of 1942);
৪। The Excises and Salt Act, 1944 (Act No. I of 1944);
৫ ৷ The Business Profits Tax Act, 1947 (Act No. XXI of 1947 );
৬। The Taxation Tribunal (Undisclosed Wealth) Act, 1953 ( Act No. XVI of 1953);
੧। The Bangladesh (Collection of Taxes) Order, 1971 (Acting President's Order No. 1 of 1971);
৮। দানকর আইন, ১৯৯০ (১৯৯০ সনের ৪৪ নং আইন);
৯। ভ্রমণ কর আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৫ নং আইন);
১০। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪৭ নং আইন);
১১। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন);
১২। কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন);
১৩। উন্নয়ন সারচার্জ ও লেভী (আরোপ ও আদায়) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২০ নং আইন); এবং
১৪। আয়কর, ভ্রমণ কর, দান কর, সম্পদ কর, কাস্টমস-শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), সম্পূরক শুল্ক, আবগারী শুল্ক, সারচার্জ এবং অন্যান্য শুল্ক-করাদি সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান অন্য কোনো আইন অথবা এতদবিষয়ে প্রণীতব্য অন্য কোনো আইন, বিধি অথবা আইনগত ইন্সট্রুমেন্ট।

মোঃ সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি

তারিখ: ২৯ বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী
সচিব।

Address

63, Vila Tower, Abdul Aziz Lane, Azimpur
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Touhid & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Touhid & Associates:

Share