Lawyer Shafiq Ahmed

Lawyer Shafiq Ahmed I am shafiq Ahmed , I am an advocate of Tangail Judge Court.

05/12/2025

মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ এর ৬ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ২য় বিয়ে করলে তা নিবন্ধন করা যায় না এবং ১ম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে করা ২য় বিয়ে অবৈধ বলে গন্য হবে।

 #আমি বার কাউন্সিলের নিকট জোরালোভাবে অনুরোধ করছি—লিখিত পরীক্ষার রিভিউ রেজাল্ট বহাল রেখে, পাশাপাশি পরবর্তী রিভিউ আবেদন অন...
27/11/2025

#আমি বার কাউন্সিলের নিকট জোরালোভাবে অনুরোধ করছি—লিখিত পরীক্ষার রিভিউ রেজাল্ট বহাল রেখে, পাশাপাশি পরবর্তী রিভিউ আবেদন অনুযায়ী অপেক্ষমাণ সকল পরীক্ষার্থীর খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হোক। একই সঙ্গে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে ভাইভার তারিখ নির্ধারণ ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।

বার কাউন্সিলের যেকোনো ধরনের অনিয়ম, অসঙ্গতি ও দুর্নীতি শক্ত হাতে দমন করে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোতে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

আমি বার কাউন্সিলকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর তাগিদ জানাচ্ছি— যেন কোনো পরীক্ষার্থী অন্যায়ের শিকার না হয়।

যেসব পরীক্ষার্থী রিভিউ রেজাল্ট পেয়েছেন—তাদের পরিবারের সদস্য, বাবা–মা, ভাই–বোন, এলাকার মানুষ সকলেই জানেন যে এই আনন্দ ও সাফল্য কতটা দোয়া, অপেক্ষা ও চোখের জলের সঙ্গে অর্জিত।

১৯১৪ জন পরীক্ষার্থীর পরিবার মিষ্টি বিতরণ করেছে, মিলাদ-মাহফিল করেছে—এদের সবাই কিন্তু টাকা দিয়ে রিভিউ পাস করেনি।

অনেকেই নিজের যোগ্যতা, পরিশ্রম ও সঠিক মূল্যায়নের দাবি আদায়ে রিভিউতে উত্তীর্ণ হয়েছে।

সুতরাং, মুষ্টিমেয় কিছু অপরাধী বা অনিয়মকারী ব্যক্তির কারণে যোগ্য পরীক্ষার্থীদের অধিকার কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই ন্যায়সংগত নয়।

আমরা চাই—রিভিউতে যারা পাস করেছে তাদের ফলাফল বহাল রেখে, অপেক্ষমাণ সকলের খাতা পুনরায় নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত, সঠিক ও স্বচ্ছ রিভিউ রেজাল্ট প্রকাশ করা হোক।

একই সঙ্গে, বার কাউন্সিল ও আইনজীবী সমাজের প্রতি আহ্বান— যারা দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বচ্ছতা নষ্টের সঙ্গে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কারণ বার কাউন্সিলের মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।
সবশেষে—ভুল–ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।

#ভাই, বিশেষ করে যারা বার কাউন্সিল কর্তৃক নিপীড়িত ও নিস্পেষিত আইন শিক্ষানবিশ, ২০১২ বা ২০২১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমরা যখন যার জায়গা থেকে আইনজীবী হয়ে গেছি—তখন আমরাই আবার ভুলে যাই, দুই দিন আগেও আমরাই বার কাউন্সিলের কঠোরতার শিকার ছিলাম। অনেকে অহংকারী হয়ে যাই, কিন্তু নিজেদের অতীতের সেই নিপীড়ন ভুলে যাই—এটাই কি আমাদের হওয়া উচিৎ ?

রিভিউ আমাদের ন্যায্য দাবি, কিন্তু বার কাউন্সিল কমিটির পূর্বের বক্তব্য অনুযায়ী বার কাউন্সিল রুলস বা বিধিমালার কোথাও রিভিউ সিস্টেম যুক্ত নেই।
তাহলে প্রশ্ন উঠছে—হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের লিখিত পরীক্ষার রিভিউ রেজাল্ট কি আইনগতভাবে বৈধ?

আচ্ছা, ধরলাম এটা এনরোলমেন্ট কমিটির বিশেষ সিদ্ধান্ত। কিন্তু পরের বছর যদি কোনো পরীক্ষার্থী রিভিউ চাইতে আসে, তখন কোন ক্ষমতা বলে তারা রিভিউ চাইবে? বার কাউন্সিল তখন সহজেই বলবে—
“একবার বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বিধিমালায় যেহেতু রিভিউ নেই, তাই এবার আর দেওয়া যাবে না।”
তখন নতুন কমিটিকে কোন আইনের ধারা দেখিয়ে বাধ্য করবেন?

আরও বড় কথা—যারা আজ রিভিউয়ের বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছেন, তারাই ২০২১ ব্যাচসহ প্রত্যেকেই পূর্ববর্তী বছর গুলোতো বার কাউন্সিলের নিকট আন্দোলোনের মাধ্যমে রিভিউ চাইতে চাইতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। অতঃপর আপনাদের মুখ দিয়ে ফ্যানা উঠিয়ে ফেলেছিলেন রিভিউ রিভিউ করে, তাই নয় কি?

২০১২ থেকে ২০২৪—এত বছর রিভিউ চেয়ে তারা বার কাউন্সিল থেকে মূলা ছাড়া কিছুই পাননি।
কিন্তু ২০২৫ সালে হাইকোর্টের লিখিত পরীক্ষা রিভিউ হওয়ায় নিম্ন আদালতের পরীক্ষার্থীরা যেন “মেঘ না চাইতে বৃষ্টি” হিসেবে কোনো প্রতিবাদ ছাড়া রিভিউ সুবিধা পেয়ে গেলো।

সুতরাং, এখনো সময় আছে—
বার কাউন্সিলের সকল পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়ম, রিভিউ ব্যবস্থা, নম্বরায়ন পদ্ধতি, মূল্যায়ন মানদণ্ড—সবকিছু স্পষ্টভাবে বার কাউন্সিল রুলস ও বিধিমালায় যুক্ত করতে হবে।

অন্যথায় ভবিষ্যতে নতুন কমিটি যখন বলবে—
“বিধিমালায় নেই, তাই রিভিউও নেই, সুবিধাও নেই”
—তখন আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবিশদের হাতে আবার মূলা ধরিয়ে দেওয়া হবে।
আর তখন মুষ্টিমেয় কিছু আইনজীবী ছাড়া সবাই নিজেদের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত, অসহায় ও অবহেলিত হয়ে পড়বে ঠিক সেই আইন শিক্ষানবিশরাই—যাদের ঘাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে এই পুরো পেশা টিকে আছে বা টিকে থাকবে!

মনে রাখবেন—আঘাতটা সবচেয়ে বেশি লাগবে বরাবরের মতোই আইন শিক্ষানবিশ এবং বার কাউন্সিল পরীক্ষার্থীদের গায়েই।
তখন কয়জন আইনজীবী পাবেন বার কাউন্সিলের বিরুদ্ধে সমালোচনা এবং প্রতিবাদ করতে?
Miraj

 #কে_সিনিয়র,  #কে_জুনিয়র? (একটি কাল্পনিক উপন্যাস) #অধ্যায় ১: সৈয়দ সাহেবের সিনিয়র সুলতানিসৈয়দ আবুল মাওলা সাহেব। নাম বললে...
18/11/2025

#কে_সিনিয়র, #কে_জুনিয়র? (একটি কাল্পনিক উপন্যাস)

#অধ্যায় ১: সৈয়দ সাহেবের সিনিয়র সুলতানি
সৈয়দ আবুল মাওলা সাহেব। নাম বললেই হাইকোর্ট পাড়ার ধুলোবালি থেকে শুরু করে প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত-সকলেই তটস্থ। তিনি শুধু একজন আইনজীবী নন, তিনি একজন সিনিয়র আইনজীবী এবং এই "সিনিয়র" তকমাটি তিনি তার নামের আগে এমনভাবে ব্যবহার করতেন, যেন এটি কোনো বংশগত পদবি, যা কেবল রক্তের উত্তরাধিকারেই পাওয়া যায়।

তার চেম্বার ছিলো এক এলাহি কাণ্ড। বিশাল সেগুন কাঠের টেবিল, চামড়ায় মোড়া চেয়ার আর আইনের এমন সব ভারি ভারি বই, যা দেখে মনে হতো তিনি বুঝি গোটা সংবিধান মুখস্থ করে বসে আছেন।

সৈয়দ সাহেবের জীবনে গর্ব করার মতো
অনেক কিছুই ছিলো। কিন্তু তার একমাত্র দুঃখ ছিলো তার ছেলে, #আদনান। আদনানকে তিনি বিদেশে পাঠিয়েছিলেন আইন পড়তে। ছেলে , ঘুরে আইনের এমন সব ডিগ্রি নিয়ে এলো, যার নামগুলো উচ্চারণ করতেই সৈয়দ সাহেবের দাঁত ভেঙে যাওয়ার জোগাড়।

কিন্তু সৈয়দ সাহেবের চোখে আদনান ছিলো একটি আস্ত "অপদার্থ"। প্রতিদিন ডিনার টেবিলে এই দৃশ্যের অবতারণা হতো। আদনান হয়তো কথা প্রসঙ্গে বলছিলো, "বাবা, আমি ডেরকের 'পোস্ট-মডার্ন জুরিসপ্রুডেন্স' নিয়ে একটা থিসিস লিখছি..."

সৈয়দ সাহেব খাসির রেজালায় কামড় বসাতে বসাতে ধমকে উঠতেন, "থামা তোর জুরিস... কী বললি? আরে ব্যাটা, তুই তো বাজারে গিয়ে ধনেপাতা আর পুদিনাপাতার তফাৎ বুঝিস না! তুই করবি আইন? প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান লাগে, বুঝলি? ...! আমার মতো। দেখছিস না, এই 'সিনিয়র' গাউনটা গায়ে চাপাতে আমার চুল পেকে গেলো! তোর ওইসব থিসিস দিয়ে বড়জোর টয়লেট পেপারের কাজ চলতে পারে।"

আদনান চুপ করে থাকতো। তার এই শান্ত, চুপচাপ থাকাটা সৈয়দ সাহেবকে আরও বেশি খেপিয়ে তুলতো। "অপদার্থ! একটা কথাও বলতে পারে না!"

#অধ্যায় ২: অপদার্থের উত্থান ও মহাপ্রয়াণ:
সৈয়দ সাহেব তার "সিনিয়র" জীবনের আস্ফালন নিয়েই একদিন চোখ বুঝলেন। আইন পাড়ায় শোকের ছায়া নামলো। সবাই বলাবলি করতে লাগলো, "আহা, কী সিংহপুরুষ ছিলেন! এখন এই জুনিয়রদের কে দেখবে?"

সবার কৌতূহল ছিলো আদনানকে নিয়ে। বাপের জানাজায় সে দাঁড়িয়েছিলো নির্লিপ্ত মুখে। সবাই ধরে নিয়েছিলো, এই "অপদার্থ" ছেলে বাপের চেম্বার খুব সম্ভবত কোনো কফি শপ বা আর্ট গ্যালারিতে রূপান্তর করবে।

কিন্তু সময় কারো জন্য বসে থাকে না। সেই "অপদার্থ" আদনান, যে ধনেপাতা চিনতো না, সে আশ্চর্যজনকভাবে প্রথমে হাইকোর্টের বেঞ্চে, এবং তার কয়েক বছরের মাথায়, এক অভূতপূর্ব জটলায়, দেশের সর্বকনিষ্ঠ প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলো।

আইন পাড়ায় গুঞ্জন শুরু হলো। "আরে, ওই আদনান না? সৈয়দ সাহেবের অপদার্থ ছেলেটা? ও কীভাবে কী হলো?"

যারা বলতো আদনানের "বাস্তব জ্ঞান" নেই, তারা দেখলো আদনান বেঞ্চে বসে এতোটাই কম কথা বলে যে, মামলার শুনানি শেষ হয়ে গেলেও আইনজীবীরা বুঝতে পারতেন না যে জাস্টিস সাহেব জেগে আছেন, নাকি আইনের কোনো গভীর তত্ত্বে ডুবে গেছেন।

#অধ্যায় ৩: সিনিয়রের প্রতিশোধ:
প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর জাস্টিস আদনান সৈয়দ তার চেম্বারে প্রথম যে জিনিসটি টাঙালেন, তা হলো তার বাবার একটি বিশাল পোট্রেট। তবে পোট্রেটের নিচে কোনো শোকগাথা ছিলো না, শুধু একটা ছোট পিতলের প্লেটে লেখা ছিলো- "সৈয়দ আবুল মাওলা, সিনিয়র আইনজীবী।"

কিছুদিন পর বার কাউন্সিলের এক মিটিংয়ে প্রধান বিচারপতি আদনান সৈয়দ এক যুগান্তকারী প্রস্তাব আনলেন।

"আমাদের প্রবীণ আইনজীবীদের সম্মান জানাতে হবে," তিনি তার সেই ধীর, শান্ত গলায় বললেন। "কিন্তু আমি দেখছি, 'সিনিয়র' আইনজীবীর সংখ্যা বড্ড কম। এই মহান সম্মানটি শুধু গুটিকয়েক মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এটা ছড়িয়ে দিতে হবে।"

সবাই ভাবলো, কী মহানুভব প্রধান বিচারপতি!
এরপর যা শুরু হলো, তা ইতিহাস।

প্রথম গেজেটেই এমন ৫০ জন "সিনিয়র" আইনজীবী হলেন, যাদের অর্ধেককে খোদ বার কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টও চিনতে পারলেন না।

দ্বিতীয় গেজেট এলো মাস তিনেক পর। এবার লিস্টে এমন সব নাম, যারা কদাচিৎ কোর্টে আসেন, এবং এলেও মূলত ক্যান্টিনে সিঙ্গাড়া খেতেই ব্যস্ত থাকেন। দেখা গেলো, এমন একজনও "সিনিয়র" হয়েছেন, যিনি গত সপ্তাহেও জুনিয়র হিসেবে বারের নির্বাচনে চাঁদা দিয়েছেন।

আইন পাড়ায় ফিসফিস শুরু হলো। সৈয়দ সাহেবের পুরনো বন্ধুরা, যারা নিজেদের "সিনিয়র" হওয়া নিয়ে সৈয়দ সাহেবের মতোই গর্বিত ছিলেন, তারা গেলেন জাস্টিস আদনানের সাথে দেখা করতে।

"হিজ লর্ডশিপ," প্রবীণতম আইনজীবী কালাম সাহেব বললেন, "সিনিয়র আইনজীবীর এই যে তালিকা... মানে... এর কোনো মা-বাপ আছে বলে তো মনে হচ্ছে না। ইমতিয়াজ! যে ছেলেটা আমার ফাইল বয়ে বেড়াতো, সেও নাকি সিনিয়র হয়ে গেছে!"

প্রধান বিচারপতি আদনান তার চশমার ফাঁক দিয়ে তাকালেন। শান্ত গলায় বললেন, "কালাম সাহেব, আমার বাবা বলতেন, প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানের খুব অভাব। আমি সেই অভাবই পূরণ করছি। সমাজে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। সবাই যখন 'সিনিয়র' হবে, তখন আর জুনিয়রদের বকাঝকা করার কেউ থাকবে না। একটা সাম্যবাদী আইন ব্যবস্থা তৈরি হবে।"

#অধ্যায় ৪: যখন সবাই সিনিয়র:
ছয় মাসের মধ্যে দেশের আইন ব্যবস্থা এক নতুন রূপ নিলো।

কোর্টে গেলেই দেখা যেতো, বিচারকের সামনে দাঁড়ানো দশজন আইনজীবীর মধ্যে নয়জনই "সিনিয়র"। একই মামলায় বাদীপক্ষের "সিনিয়র" আইনজীবী এবং বিবাদীপক্ষের "সিনিয়র" আইনজীবী কোর্ট রুমের বাইরে বেঞ্চ দখল করা নিয়ে হাতাহাতি করছেন।
ক্যান্টিনে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা সবাই "সিনিয়র"। রিকশাচালকরাও ভাড়া চাইতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে যেতো।

পুরনো "সিনিয়র" আইনজীবীরা পড়লেন মহা বিপদে। তারা যখন নিজেদের "সিনিয়র" হিসেবে পরিচয় দিতেন, তখন মানুষ এমনভাবে তাকাতো, যেন এটা কোনো গালি। "আরে ধুর! সিনিয়র তো আজকাল সবাই।"

সৈয়দ আবুল মাওলা সাহেবের যে বন্ধুরা তার ছেলের কাছে নালিশ করতে গিয়েছিলেন, তারা নিজেদের নামের পাশ থেকে "সিনিয়র" শব্দটি ব্যবহার করাই বন্ধ করে দিলেন। কারণ, ইদানিং কোনো জুনিয়রকে ধমক দিলে সেও পাল্টা উত্তর দেয়, "আরে রাখেন মিয়া! আমিও আগামী মাসের লিস্টে সিনিয়র হচ্ছি!"

সৈয়দ সাহেবের সেই গর্বের "সিনিয়র" তকমাটি জাস্টিস আদনান সৈয়দ সফলভাবে একটি সস্তা এবং সহজলভ্য পণ্যে রূপান্তরিত করলেন।

গভীর রাতে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে, জাস্টিস আদনান সৈয়দ তার বাবার পোট্রেটের সামনে দাঁড়ালেন। হাতে এক কাপ ব্ল্যাক কফি।

তিনি ছবির দিকে তাকিয়ে মৃদুস্বরে বললেন, "বাবা, তুমি সবসময় বলতে আমার বাস্তব জ্ঞান নেই। দেখো, আমি অর্থনীতির সবচেয়ে বাস্তব সূত্রটাই প্রয়োগ করেছি। যখন কোনো কিছুর সাপ্লাই (Supply) ডিমান্ডের (Demand) চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়, তখন তার দাম শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।"

সৈয়দ সাহেবের ছবির চোখ দুটিও যেন ছেলের এই "বাস্তব জ্ঞানে" বিস্মিত হয়ে জ্বলজ্বল করছিলো। "অপদার্থ" ছেলেটি অবশেষে তার বাবার গর্বের একমাত্র বস্তুটির সফল প্রতিশোধ নিয়েছিলো-তাকে সম্পূর্ণ মূল্যহীন করে দিয়ে।

কে লিখেছে জানি না।একটু পরিমার্জিত করে শেয়ার করলাম।

 #️⃣ The Code of Civil Procedure, 1908...🔹 মোকদ্দমা দায়ের (Institution of Suit) [Order VII- Rules 1–11, Section 26]বাদী ...
12/11/2025

#️⃣ The Code of Civil Procedure, 1908...

🔹 মোকদ্দমা দায়ের (Institution of Suit) [Order VII- Rules 1–11, Section 26]
বাদী (Plaintiff) আদালতে Plaint দাখিল করে, যেখানে দাবির বিবরণ, পক্ষের নাম, ঠিকানা, কারণ এবং চাওয়া প্রতিকার (relief) উল্লেখ থাকে।

🔹 মোকদ্দমা গ্রহণ ও রেজিস্ট্রেশন (Registration of Suit) [Order IV- Rule 2]
আদালত Plaint যাচাই করে গ্রহণযোগ্য হলে রেজিস্টার করে এবং Case Number প্রদান করে।

🔹সমন জারি (Issue and Service of Summons) [Order V- Rules 1-30, Section 27]
আদালত বিবাদীকে (Defendant) সমন পাঠায় হাজির হওয়ার ও লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের জন্য।

🔹 লিখিত জবাব (Written Statement by Defendant) [Order VIII, Rules 1–10]
বিবাদী তার প্রতিরক্ষা তুলে ধরে, Plaint-এর অভিযোগ অস্বীকার করে বা ব্যাখ্যা দেয়।
সময়সীমা: সাধারণত 30 দিন, আদালতের অনুমতিতে সবমোট ৬০ দিন পর্যন্ত।

🔹বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution-) [Section 89A, 89B]
২ ধরণের ADR এর বিধান রয়েছে: Mediation (মধ্যস্থতা) & Arbitration (সালিশ)

🔹ইস্যু নির্ধারণ (Framing of Issues) [ Order XIV, Rules 1–7]
উভয় পক্ষের বক্তব্যের আলোকে আদালত নির্ধারণ করে কোন কোন বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

🔹 সাক্ষ্য গ্রহণ (Recording of Evidence) [Order XVIII, Rules 1–19]
উভয় পক্ষের সাক্ষ্য (Examination-in-chief, Cross-examination, Re-examination) গ্রহণ করা হয়।
প্রমাণের নিয়ম প্রযোজ্য হয় Evidence Act, 1872 অনুযায়ী।

🔹 যুক্তিতর্ক (Hearing of Arguments) [Order XVIII, Rule 2]
উভয় পক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন করেন।

🔹 রায় (Judgment) [Order XX, Rule 1, Section 33]
আদালত প্রমাণ ও যুক্তির আলোকে রায় প্রদান করে।

🔹ডিক্রি প্রস্তুত (Preparation of Decree) [Order XX, Rule 6]
রায় ঘোষণার পর আদালত লিখিত ডিক্রি প্রস্তুত করে।

🔹ডিক্রির প্রত্যক্ষ বাস্তবায়ন [Order XXI, Rule 104]
২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য পৃথক জারি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে না। সরাসরি জারি করা যাবে।

04/11/2025

বাবা মারা গেলে, তার সম্পত্তি না থাকলে কি আইনে তার ঋন পরিশোধ করতে হবে। বড় সন্তান বয়স ১৭।

১। ঋনদাররা মামলা করবে বলতেছে। পারলে স্যার একটু সাহায্য করেন।
২। ব্যাংকে ১৮ লাখ টাকার লোন ( পেনসনের টাকায় হয়ে যাবে ব্যাংক সময় দিয়েছে।
৩। ক্রেডিট কার্ড লোন ৭৩৯০০ টাকা। অনেক প্যারা দিচ্ছে কি করব।
৪। সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাক্তিগত ঋন কিছু দিয়েছি।

 #লিগ্যাল_নোটিশ (Legal Notice) হলো একটি আনুষ্ঠানিক সতর্কতা চিঠি, যা আইনি মামলা দায়ের করার আগে  #আইনজীবীর মাধ্যমে  পক্ষান...
01/11/2025

#লিগ্যাল_নোটিশ (Legal Notice) হলো একটি আনুষ্ঠানিক সতর্কতা চিঠি, যা আইনি মামলা দায়ের করার আগে #আইনজীবীর মাধ্যমে পক্ষান্তরকে সংশোধনের সুযোগ দিতে পাঠানো হয়। এটি বহু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক , যেমন চেক বাউন্সের ক্ষেত্রে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ধারা ১৩৮-এর অধীনে।অনেক ক্ষেত্রে এটি ঐচ্ছিক হলেও মামলার শক্তি বাড়ায় এবং সমঝোতার সুযোগ তৈরি করে।
নিম্নে কয়েকটি সাধারণ ক্ষেত্র উল্লেখ করা হলো, যেখানে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো যায় বা প্রয়োজন হয়:
#চুক্তি_লঙ্ঘন (Breach of Contract): যদি কোনো চুক্তির শর্ত পালন না করা হয়, তাহলে ক্ষতিপূরণ বা সম্পাদনার দাবিতে নোটিশ পাঠানো যায়। উদাহরণ: ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ।

#টাকা ফেরত বা ঋণ সংগ্রহ (Recovery of Money): ঋণ দেওয়া বা লেনদেনের পর টাকা না ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে দাবি জানাতে নোটিশ পাঠানো হয়।

#চেক বাউন্স (Cheque Bounce): চেক ডিসঅনার এর ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক, অন্যথায় মামলা দায়ের করা যায় না।

#সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ বা ভাড়াটিয়া বিরোধ (Property Eviction or Tenancy Disputes): ভাড়াটিয়াকে বের করে দেওয়া বা লিজ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নোটিশ পাঠানো হয়, যা ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্টের অধীনে নিয়ন্ত্রিত।

#মানহানি বা কপিরাইট লঙ্ঘন (Defamation or Intellectual Property Issues): কারও সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা কপিরাইট/ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দাবি করে নোটিশ পাঠানো যায়।

#শ্রমিক বিরোধ (Labor Disputes): কর্মচারীর বেতন অবমুক্তি, ছাঁটাই বা চাকরি থেকে অপসারণের ক্ষেত্রে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিসপিউটস অ্যাক্টের অধীনে নোটিশ প্রয়োজন।

#পারিবারিক বিরোধ (Family Matters): বিবাহ বিচ্ছেদ (divorce), ভরণপোষণ (maintenance) বা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্টের অধীনে নোটিশ পাঠানো হয়।

#কোম্পানি বা ব্যবসায়িক বিরোধ (Corporate Disputes): শেয়ারহোল্ডার বিরোধ বা কোম্পানি অ্যাক্টের লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে।

এ ছাড়াও আরো অনেক ক্ষেত্রে..

রেজিস্ট্রেশন বিয়েতে  অধিকার লঙ্ঘ....বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, যৌতুক এই সকল বিষয়ে আইন সংকান্ত জ্ঞান এর অভাবে প্রতি ন...
01/11/2025

রেজিস্ট্রেশন বিয়েতে অধিকার লঙ্ঘ....

বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, যৌতুক এই সকল বিষয়ে আইন সংকান্ত জ্ঞান এর অভাবে প্রতি নিয়ত নানাধরনের আইনগত আধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের অসংখ্য নারী।
প্রথমেই যদি আমরা বিবাহ বিষয়ক আইনগত আলোচনায় আসি,তা হলে বলতে হয়, বিবাহ মানুষের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়, এটি একটি সামাজিক চুক্তি যার মাধ্যমে দুইটি মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে বিবাহ এবং বিবাহ বিচ্ছেদ সংকান্ত আইন আছে যা কিনা মূলত সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন।এই আইন অনুযায়ী প্রতিটি বিবাহ সরকার নির্ধারীত কাজী দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ন কারন রেজিস্ট্রেশন ব্যতিত বিবাহ প্রমাণ করা কঠিন ফলে মেয়েদের প্রতারিত হবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয় সবচেয়ে বেশী। রেজিস্ট্রেশনবিহীন বিয়েতে নারীর অধিকার নানাভাবে লঙ্ঘিত হয়। সামাজিকভাবেও তারা সবার কাছে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে থাকে।
বিবাহ রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে সরকারিভাবে বিবাহ সম্পর্কিত অত্যাবশ্যক তথ্যবলী সরকারী রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা। সরকারের নির্ধারিত ফরমে বিবাহের তথ্যবলী দিয়ে এই তালিকাভূক্তি করতে হয়। মুসলিম পরিবারিক আইনে বিবাহের রেজিস্ট্রেশন একটি প্রামান্য দলিল হিসাবে কাজ করে। বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আমাদের দেশে আইন আছে, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন ১৯৭৪।পরবর্তী্তেন ১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন কে সংশোধিত করা হয় ৮ই মার্চ, ২০০৫ সালে, এই আইন আনুযায়ী বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং উক্ত সংশোধনীতে আরও বলা হয়েছে, নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজী বিবাহ সম্পন্ন হবার সাথে সাথেই বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করবেন অথবা তিনি ব্যতিত অন্য কেহ বিবাহ সম্পন্ন করলে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীর নিকট বিবাহের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কাজী উক্ত তথ্য প্রাপ্তির সাথে সাথে বিবাহ রেজিস্ট্রি করবেন। যদি কেউ এই নিয়ম পালন না করে তবে সে দুই বছরের কারাদন্ড বা ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবে। আইন অনুযায়ী কেউ যদি রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন তবে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। উল্লেখ যে, রেজিস্ট্রেশন না হলে বিবাহ বাতিল হয় না, তবে আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হবার সম্ভবনা থাকে।
বিবাহ রেজিস্ট্রি করতে রেজিস্ট্রেশন সরকারি ফি দিতে হয়। রেজিষ্ট্রি ফি দেনমোহর টাকার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। ১৯৭৫ সালের বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা – ১৮ ধারাতে বর্ণিত হয়েছে “বিবাহ নিবন্ধন ফি বাবদ একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার দেনমোহর প্রতি ১০০০/- (এক হাজার টাকা) বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১০/- (দশ টাকা) হারে সর্বনিম্ন ১০০/- (একশত) এবং সর্বোচ্চ ৪০০০/- (চার হাজার টাকা) আদায় করিতে পারিবেন।
১৯৭৫ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) বিধিমালাতে রেজিস্ট্রি করার আগে, বিবাহের কাজী কে কিছু বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরপ করতে হবে, যেমন- বরের বয়স কমপক্ষে ২১ এবং কনের কমপক্ষে ১৮ বছর হয়েছে কিনা, বর ও কনের বিয়েতে পূর্ণ সম্মতি আছে কিনা, বিবাহের প্রকৃত সাক্ষী রয়েছে কিনা এবং বিয়েতে আশু ও বিলম্বিত দেনমোহর কত নির্ধারিত হয়েছে. বিয়েতে উল্লেখিত শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল কাজী (নিকাহ রেজিস্ট্রার) বিবাহ নিবন্ধন করবেন। তবে তিনি কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের (তালাক-ই-তৌফিজের) ক্ষমতা দেয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়টিও খেয়াল রাখবেন।
একজন বিবাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের জন্য, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯, এর অধীনে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে – একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স প্রার্থীদের মাদ্রাসা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলীম সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে এবং বয়স ২১ – ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং একটি নির্ধারিত আবেদন পত্রে নির্ধারিত ফী সহ উপদেষ্টা কমিটি সচিবের বরাবরে আবেদন করতে হবে। উপদেষ্টা কমিটি বিবাহ রেজিস্ট্রার নির্বাচন করার বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করিবেন। উল্লেখ্য, একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার এর সেবা একটি সরকারি সেবা নয়। একজন বিবাহ রেজিস্ট্রার ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত এই সেবা প্রদান করতে পারবেন।
বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন নারীদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন এর মাধ্যমে বর বা কনে পক্ষ উক্ত বিবাহ অস্বীকার করতে পারেন না এবং একে অপরের প্রতি সামাজিক ও পারিবারিক দায়-দায়িত্ব পালনে বাধ্য হন।শুধু তাই নয়,বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করা হলে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা এবং স্বামীর নিকট হতে দেনমোহর ও ভরনপোশন আদায় করা ও সম্ভব হয়,এ ছাড়া স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করলে স্ত্রী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন এবং স্বামী বা স্ত্রীর মৃর্ত্যুর পর একে অপরের বৈধ উত্তরাধিকার ও হতে পারেন বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করা হলে।

01/11/2025

ঘটনাটা না বুঝলে পুনরায় যা লিখেছি পড়বেন৷ স্বামী সংসার করবে না কারন স্ত্রী পরকীয়া করে তাই স্ত্রীকে ডিভোর্স দিলো৷তালাকের নোটিশ দিলাম মেয়েকে৷ মেয়ে বলতেছে, আমি সংসার করতে চাই। এখন তার স্বামীর হাতে পরকীয়ার অডিও, ভিডিও, ছবি সবকিছু আছে৷ এখন এলাকার ৪/৫ জন মানুষ নিয়ে বসলাম মেয়েকে দেনমোহরের টাকা ও ভরনপোষণের টাকা দিয়ে দিবো৷ ঐ মিটিং এ স্ত্রী যাকে ডিভোর্স দেয়া হলো তিনি তার স্বামীর ও শ্বাশুরীর পরকীয়ার অডিও, ভিডিয়ো, ছবি নিয়ে হাজির৷ খুব ভয়ংকর ছবি গুলো। হাররে আল্লাহ, কি মছিবৎ।এখন তো পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে যাবে মনে হয়৷ মনে মনে ভাবলাম, পুরো পরিবারটাই মনে হয় পরকীয়ায় আক্রান্ত৷

Shafiqur Rahman

৭০ এর ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ, শেখ মুজিব কে বঙ্গবন্ধু নাম উপহার দেন। সেই থেকে শেখ মুজিব কে বঙ্গবন্ধু বলে আওয়ামীলীগ। গত...
08/10/2025

৭০ এর ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ, শেখ মুজিব কে বঙ্গবন্ধু নাম উপহার দেন। সেই থেকে শেখ মুজিব কে বঙ্গবন্ধু বলে আওয়ামীলীগ। গত ১৭ বছরে হাসিনা ও আওয়ামীলীগ শেখ মুজিবের নামের আগে বঙ্গবন্ধু না বসালে, তাকে জাহান্নামী মনে করতো! অথচ, ব‍্যাক্তি তোফায়েল আহমেদ সব সময় দল ও সরকারে অবহেলিত ছিলেন। হ‍্যা, আওয়ামীলীগের অপকর্মের দায় তিনি এড়াতে পারেন না হয়তো, তবে তার হাতে সরাসরি জুলাইয়ের রক্তের দাগ আছে বলে আমার জানা নেই। সেই তোফায়েল ভাই মৃত‍্যুশয‍্যায়! ক্ষনে ক্ষনে তার মৃত্যুর গুজব চাউর হচ্ছে!

আমি গেলবার যখন তার মৃত‍্যুর গুজব প্রকাশ পেল, তখন তার ফোনে ফোন দিয়েছিলাম। কেউ ফোন ধরেনি । সাংবাদিকতা যখন করতাম, তখন তোফায়েল ভাই আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। বলতেন তুমি সাহস করে অনেক অপ্রিয় কাজ করে ফেল, এটা ভাল। আমার বিয়ের অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন অকপটে। সেই ছবি এখনো আমার মুক্তিযোদ্ধা শশুর বাধাই করে রেখেছেন তার লাইব্রেরীতে!

আজ তোফায়েল আহমেদ এর মৃত‍্যুশয‍্যা পাশে কোন বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা গিয়েছেন কিনা আমার কাছে সংবাদ আসে নি। অথচ তিনি রাজনীতি করেছেন দীর্ঘ ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে। তার রাজনৈতিক সহকর্মীদের অনেকে নানান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা। সরকারের অভ্যন্তরেও অনেক উপদেষ্টা আছেন যারা তোফায়েল আহমেদের কাছ থেকে রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সুবিধাদি নিয়েছেন যথন তিনি বানিজ‍্যমন্ত্রী ছিলেন!

আমাদের রাজনীতি এমন বৈষম‍্যের হওয়া উচিত নয় যেখানে একজন বর্ষীয়ান ছাত্রনেতা, পার্লামেন্টারিয়ান মৃত‍্যুশয‍্যায়, অথচ তাকে দেখতে যাবার মত একজন সাহসী রাজনীতিবিদও অবশিষ্ট নেই দেশে! জামায়াতের আমীর অসুস্থ হলে আমরা ফুল নিয়ে যাই তার সুস্বাস্থ্যের কামনার , নুরু আহত হলে দল বেধে যাই হাসপাতালে। দোষের কিছু নেই!

মানুষের সব অপরাধ তার জীবদ্দশায় হোক, মৃতুকালে সে সবার আপন হোক॥ রাজনীতির এমন হোক। আমি এমন রাজনীতির স্বপ্ন দেখি। দেখে যাব।

তোফায়েল ভাই, আপনার রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের কট্টর সমালোচক হয়েও, আমি আপনার জন‍্য আমার ভালোবাসা যত্নে রেখেছি। ভাল থাকবেন।

#কপি পেস্ট বড় ভাই সাংবাদিকের লেখা...

আল্লাহ চাইলে কি না হয়..লামিয়া আক্তার নামে এক মহিলা ৫ সন্তান জন্ম দিয়েছেন একসাথে..৩ ছেলে ও ২ মেয়ে..ঘটনা বরিশালের..আলহামদু...
08/10/2025

আল্লাহ চাইলে কি না হয়..লামিয়া আক্তার নামে এক মহিলা ৫ সন্তান জন্ম দিয়েছেন একসাথে..৩ ছেলে ও ২ মেয়ে..ঘটনা বরিশালের..আলহামদুলিল্লাহ মা ও বাচ্চা সবাই সুস্থ আছেন🤲

ইতিহাসে দেড় কোটিতে মাত্র একবার এমন বিরল ঘটনা ঘটে😮

07/10/2025

স্ত্রী
"তালাক''
দিলেও স্বামীর কাছ থেকে
" দেনমোহর" পাবে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801600255557

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawyer Shafiq Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Lawyer Shafiq Ahmed:

Share