Dofadar & Associate Legal Advice Centre

Dofadar & Associate Legal Advice Centre যেকোনো আইনগত সমস্যার সমাধান জানতে �

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম!!

আমাদের আইনজীবীরা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সহ সমগ্র বাংলাদেশের সকল নিম্ন আদালতের সকল দেওয়ানী, ফৌজদারী, পারিবারিক, কোম্পানি, ইনকাম ট্যাক্স আইনের আওতায় মামলা মোকদ্দমা দক্ষতার সঙ্গে নিষ্পত্তি করে থাকেন।
যেকোনো আইনগত সমস্যার সমাধান জানতে সমস্যার কথা লিখে মেসেজ করুন। আমরা উক্ত বিষয়ে আইনি পরামর্শ দিব। আমরা নিম্নলিখিত বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি।
আমাদের সেবা সমুহ-
১. দেওয়ানী মোকদ্দ

মা ও ফৌজদারী মামলা।
২. বিবাহ/তালাক/বিবাহ বিচ্ছেদ।
৩. দেনমোহর ও ভরনপোষণের মামলা।
৪. যৌতুকের মামলা।
৫. যৌ-ন হয়রানি বা ধ-র্ষ-ণের মামলা।
৬. নারী ও শিশু নির্যাতন আ-ইনের মামলা।
৭. ফেইসবুক, ইউটিউব অথবা ইমোতে অ-শ্লীল তথ্য বা ভিডিও প্রকাশ করার মামলা।
৮. মা-দক মামলা।
৯. শ্রম আইনে মামলা
১০. চে-কের মামলা।
১১ এফিডেভিট/নোটারী পাবলিক।
১২ হাইকোর্টের সকল প্রকার মামলার পরামর্শ দিয়ে থাকি।
আপনি কোনটি সম্পর্কে জানতে চান তা মেসেজ অপশনে লিখুন। আমাদের পক্ষ থেকে উক্ত বিষয়ে তথ্য দিয়ে আপনাকে সার্বিকভাবে সহায়তা করা হবে।
তাছাড়া অত্র পেইজে ইতিপূর্বে অনেক আইনগত পরামর্শ পোস্ট করা আছে, আপনি চাইলে সেগুলো পড়তে পারেন। তাছাড়া নিত্যনতুন বিভিন্ন আইনগত তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
আমাদের মূল লক্ষ উদ্দেশ্য হলো সঠিকভাবে আইনী সেবা প্রদান করা।
Dofadar & Associate Legal Advice Centre.
প্রয়োজনে কল করুনঃ
01733267596
01733267596(WhatsApp

13/03/2026
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সারসংক্ষেপ
27/02/2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সারসংক্ষেপ

01/02/2026

#যে_কারণে_যেকোনো_ব্যক্তির_জামিন_বাতিল_হতে_পারে..!

#তদন্তে বাধা (Obstruction of Investigation): আসামি যদি জামিনে বেরিয়ে মামলার তদন্ত কাজে কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করে বা তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

#হুমকি প্রদান (Tampering with Evidence): যদি আসামি সাক্ষী, নালিশকারী বা এজাহারকারীকে হুমকি দিয়ে সাক্ষ্য পরিবর্তনে বাধ্য করে।

#পলায়ন বা আত্মগোপন (Absconding): আসামি যদি বিদেশে পালিয়ে যান বা এমনভাবে আত্মগোপন করেন যে জামিনদাররা তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।

#অপরাধের পুনরাবৃত্তি (Repetition of Offence): জামিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় যদি আসামি একই অপরাধ বা একই ধরনের অন্য কোনো অপরাধ পুনরায় সংঘটন করে।

#প্রতিশোধপরায়ণ আচরণ (Act of Revenge): আসামি যদি জামিনে থাকাকালীন প্রতিশোধের বশে কারো ওপর আক্রমণাত্মক কোনো কাজ করে।

#সুবিধার অপব্যবহার (Misuse of Privilege): এছাড়া অন্য যেকোনো উপায়ে যদি আসামি জামিনের সুবিধার অপব্যবহার করে, তবে আদালত জামিন বাতিল করতে পারে।

25/08/2025

টাইম লাইনে রেখে দেন কাজে আসতে পারে

🩺 রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন

🔹 মাথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যা

মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর ব্যথা → নিউরোলজিস্ট (Neurologist)

মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার, টিউমার → নিউরোসার্জন (Neurosurgeon)

---

🔹 চোখের সমস্যা

চোখের ঝাপসা, লাল হওয়া, ছানি, গ্লুকোমা → চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist)

---

🔹 কান, নাক ও গলার সমস্যা

কানে কম শোনা, কানে পুঁজ পড়া, টনসিল, সাইনাস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া → ইএনটি বিশেষজ্ঞ (ENT Specialist)

---

🔹 দাঁত ও মুখের সমস্যা

দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সমস্যা, দাঁত তোলা/ব্রেস → ডেন্টিস্ট (Dentist)

---

🔹 হৃদরোগ ও রক্তচাপ

বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ → কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist)

হার্টের অপারেশন লাগলে → কার্ডিয়াক সার্জন (Cardiac Surgeon)

---

🔹 শ্বাসকষ্ট / ফুসফুস

হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, যক্ষ্মা → মেডিসিন / চেস্ট বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist)

---

🔹 পেট ও হজমের সমস্যা

গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, লিভারের সমস্যা, আলসার → গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (Gastroenterologist)

---

🔹 কিডনি / প্রস্রাবের সমস্যা

কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন → নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist)

অপারেশন লাগলে → ইউরোলজিস্ট (Urologist)

---

🔹 হাড়, জয়েন্ট ও মেরুদণ্ড

কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, হাড় ভাঙা, বাত → অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Doctor)

---

🔹 ত্বক ও যৌন রোগ

চুলকানি, চুল পড়া, ফুসকুড়ি, যৌন রোগ → ডার্মাটোলজিস্ট (Skin & VD Specialist)

---

🔹 নারী রোগ

মাসিকের সমস্যা, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম → গাইনোকলজিস্ট (Gynecologist & Obstetrician)

---

🔹 শিশু রোগ

শিশুদের জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া → পেডিয়াট্রিশিয়ান (Child Specialist)

---

🔹 মানসিক রোগ

দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist)

---

🔹 সাধারণ অসুখ

সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শরীর ব্যথা → মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist)

জরুরি বা ছোটখাটো সমস্যা → MBBS ডাক্তার (General Physician)

Creative Technology 01

08/08/2025

🧾 ১. আপনার মামলার বর্তমান অবস্থা কিভাবে জানবেন?
আপনার মামলা কোন পর্যায়ে আছে, সেটা জানার জন্য আপনি নিজের উদ্যোগে নিচের ৩টি কাজ করতে পারেন:


✅ ক) মামলার নম্বর ও আদালতের নাম সংগ্রহ করুন
আপনার অ্যাডভোকেটের কাছ থেকে নিচের তথ্যগুলো জেনে নিন:

মামলা নম্বর (যেমন: TS 123/2021)
কোন আদালতে চলছে (যেমন: ১ম সহকারী জজ আদালত, ঢাকায়)
ফাইলিং তারিখ
পক্ষদ্বয়ের নাম (আপনার এবং প্রতিপক্ষের)

✅ খ) জুডিশিয়ারি ওয়েবসাইটে মামলা ট্র্যাক করুন
আপনি নিজেই সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার মামলার বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।

🔍 যে ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন:

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কেস ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট (Judiciary Case Status)

কীভাবে দেখবেন:
1. ওয়েবসাইটে গিয়ে “কেস স্ট্যাটাস” বা “কেস সার্চ” অপশন খুঁজুন

2. মামলার নম্বর, আদালতের নাম দিয়ে সার্চ করুন

3. আপনি দেখতে পাবেন:
মামলার ধরণ
সর্বশেষ শুনানির তারিখ
পরবর্তী তারিখ
কোন পর্যায়ে আছে (যেমন: শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক, রায় অপেক্ষমাণ ইত্যাদি)

✅ গ) আদালতে গিয়ে নিজে খোঁজ নিতে পারেন
আপনি চাইলে:
নিজে আদালতে গিয়ে কোর্টের নাজির অফিস বা মুরগিবাবু/ক্লার্ক এর সাথে কথা বলে খোঁজ নিতে পারেন।
সেখানে গিয়ে মামলা ফাইল নাম্বার দিলে তারা জানাবে মামলার কাগজ কোথায় আছে, কী পর্যায়ে আছে।

---

⚖️ ২. আপনার অ্যাডভোকেটের আচরণ স্বাভাবিক কি না?
আপনার আইনজীবী যদি বারবার টাকা নিচ্ছেন, অথচ মামলার অগ্রগতি/অবস্থা বলেন না, তাহলে কিছু বিষয় চিন্তা করা দরকার:

লক্ষণ ব্যাখ্যা
প্রতিবার টাকা নেওয়া যদি শুনানি না হয়েও টাকা নেন, সেটা অসাধুতা
মামলার কাগজ দেখতে না দেওয়া অস্বচ্ছতা ও সন্দেহজনক আচরণ
“আর ২ কোর্ট বাকি” বলা বারবার হয়ত আপনাকে ঘোরাচ্ছেন রায়ের সময় বলছেন কিন্তু তারিখ পাচ্ছেন না বিষয়টি অস্পষ্ট বা বিভ্রান্তিকর।

- আপনার অধিকার আছে নিজের মামলা সম্পর্কে পুরোপুরি জানার। যদি আইনজীবী সহযোগিতা না করেন, আপনি আইনজীবী পরিবর্তন করতে পারেন।

-

🔍 ৩. আপনি নিজে কীভাবে বুঝবেন, মামলা চলবে কিনা বা জেতার সম্ভাবনা কেমন?

আপনার মামলা চালু থাকবে কিনা, জেতার সম্ভাবনা কেমন – এসব নির্ভর করে:

🔑 কিছু মূল প্রশ্ন:
আপনার পক্ষে কি বৈধ দলিল/দস্তাবেজ আছে?
জমির মালিকানা দীর্ঘদিন ধরে আপনার বা আপনার পূর্বপুরুষদের নামে ছিল?
প্রতিপক্ষের দাবি কি দুর্বল বা ভিত্তিহীন?
আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণে কি আপনি এগিয়ে?

✍️ আপনার করণীয়:

আপনার মামলার কপি (Plaint, Written Statement, Order Sheet) সংগ্রহ করুন।
একজন নতুন অভিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে Second Opinion নিন।
চাইলে মামলার কাগজ স্ক্যান করে আমাকেও পাঠাতে পারেন। আমি দেখে বিশ্লেষণ করে বলতে পারবো (গোপনীয়ভাবে)


✅ সংক্ষেপে আপনার করণীয় তালিকা:
করণীয় বিস্তারিত

1️⃣ মামলা নম্বর ও আদালতের নাম জেনে নিন আপনার আইনজীবীর কাছ থেকে
2️⃣ ওয়েবসাইটে গিয়ে মামলার অবস্থা চেক করুন “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট” এবং “জেলা আদালত কেস ট্র্যাকিং” সাইট
3️⃣ নিজে আদালতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করুন নাজির অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিসে যান
4️⃣ একজন নতুন আইনজীবীর কাছে second opinion নিন আপনার দলিল ও মামলা কপি নিয়ে
5️⃣ আইনজীবীর অসদাচরণ হলে তাকে পরিবর্তন করুন আপনার সম্পূর্ণ অধিকার

---

🔚 শেষ কথা

মামলা আপনার সম্পত্তির, আপনার ভবিষ্যতের। তাই পুরো বিষয়টা আপনি নিজে বুঝে, সচেতন হয়ে এগিয়ে যান। আইনজীবীর উপর পুরোপুরি নির্ভর না করে কিছু দায়িত্ব নিজে নিন। তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন:

আপনার মামলা কতদূর গেছে
আপনি জিতবেন কিনা
আপনার আইনজীবী সৎ কিনা।

26/05/2025
বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত, আধুনিক ও অপব্যবহারমুক্ত করার উদ্দ্যেশে ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশে কয়েকট...
09/05/2025

বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত, আধুনিক ও অপব্যবহারমুক্ত করার উদ্দ্যেশে ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন-

১। সাক্ষ্যী দেওয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তন-
আগে সাক্ষীদের মৌখিকভাবে প্রধান সাক্ষ্য (examination-in-chief) দিতে হতো। এখন তা হলফনামা (affidavit) আকারে জমা দিতে হবে। তবে জেরা (cross-examination) আদালতে সরাসরি হবে, যাতে বিচারক সাক্ষীর আচরণ ও বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করতে পারেন।

২। ডিজিটাল সমন ব্যবস্থা-
এখন থেকে মোবাইল ফোন, এসএমএস, ভয়েস কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে। মামলার আবেদন করার সময় প্রতিপক্ষের মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ইমেইল (যদি থাকে) উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৩। ডিক্রির স্বয়ংক্রিয় কার্যকারিতা-
আগে আদালতের রায় (ডিক্রি) কার্যকর করতে আলাদা আবেদন করতে হতো। এখন আর্থিক ডিক্রিসহ কিছু ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে।

৪। একতরফা রায় বাতিলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা-
আগে একতরফা রায় বাতিল করতে একাধিকবার আবেদন করা যেত। এখন থেকে একজন বাদী বা বিবাদী একবারের বেশি এ ধরনের আবেদন করতে পারবে না।

৫। আপিল প্রক্রিয়ায় সংস্কার-
Order 41 Rule 21 অনুযায়ী, পুনঃশুনানি এখন একবারের বেশি করা যাবে না। এছাড়া Rule 24-এ যে কার্যক্রমগুলো আগে ঐচ্ছিক ছিল, সেগুলো এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৬। মুলতবি সীমিতকরণ-
আগে একেকটি মামলায় ছয়বার পর্যন্ত মুলতবি (adjournment) চাওয়া যেত। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী এখন চারবারের বেশি মুলতবি চাওয়া যাবে না।

27/11/2024


আবু রাসেল মিয়া
যে কারণে আসামী জামিন পেতে পারেন আর বিচারক জামিন দিতে পারেন
ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশদৈনন্দিন জীবনে আইন ২২ মে, ২০২০ 3 min read
0
আবু রাসেল মিয়া : দেশের কারাগারগুলোয় ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি আটক আছে। তার মাঝে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পাশাপাশি বেশির ভাগই আছেন বিচারাধীন মামলার আসামি হিসাবে। আবার মাঝেমধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে বিশেষ গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে প্রচুর পরিমাণ লোক আটক করা হয়।আটককৃত এসব বন্দি এবং তাদের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সবারই জানতে চাওয়া এরূপ মামলায় জামিন কখন পাওয়া যায়।
তাই আজ আমি জামিন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

জামিন কি ও কিভাবে জামিন করানো হয়?

সাধারণত জামিন হলো একজন গ্রেপ্তারকৃত বা কারাগারে আটক কোনো ব্যক্তিকে মামলার ধার্য তারিখে বা আদালতের আদেশ মোতাবেক হাজির থাকার শর্তে কোনো জামিনদারের মুচলেকায় ছেড়ে দেয়াকে জামিন বলা হয়।

মামলার যে কোনো পর্যায়ে জামিন চাওয়া যায় এবং আইনজীবী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলে আদালত অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারে। কারণ অপরাধ সাব্যস্ত বা প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অহেতুক আটকে রাখা হচ্ছে ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। নিদোর্ষ কোনো ব্যক্তি আটক থাকলে তার সামাজিক, পারিবারিক, শারীরিক, মানসিক ও নানাবিধ সমস্যা যেমন হতে পারে তেমনি অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে পারে। আবার বিচারের সময় অভিযুক্তকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় ফৌজদারি কাযির্বধির ৪২৬, ৪৯৬, ৪৯৭, ৪৯৮, ৪৯৯, ৫০২ এবং ৫১৪ ধারায় মূলত জামিনের বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কোন কোন মামলায় আটক হওয়ার সাথে সাথেই জামিন পাওয়া যায়?

আবু রাসেল মিয়া
যে কারণে আসামী জামিন পেতে পারেন আর বিচারক জামিন দিতে পারেন
ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশদৈনন্দিন জীবনে আইন ২২ মে, ২০২০ 3 min read
0
আবু রাসেল মিয়া : দেশের কারাগারগুলোয় ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি আটক আছে। তার মাঝে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পাশাপাশি বেশির ভাগই আছেন বিচারাধীন মামলার আসামি হিসাবে। আবার মাঝেমধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে বিশেষ গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে প্রচুর পরিমাণ লোক আটক করা হয়।আটককৃত এসব বন্দি এবং তাদের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সবারই জানতে চাওয়া এরূপ মামলায় জামিন কখন পাওয়া যায়।
তাই আজ আমি জামিন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

জামিন কি ও কিভাবে জামিন করানো হয়?

সাধারণত জামিন হলো একজন গ্রেপ্তারকৃত বা কারাগারে আটক কোনো ব্যক্তিকে মামলার ধার্য তারিখে বা আদালতের আদেশ মোতাবেক হাজির থাকার শর্তে কোনো জামিনদারের মুচলেকায় ছেড়ে দেয়াকে জামিন বলা হয়।

মামলার যে কোনো পর্যায়ে জামিন চাওয়া যায় এবং আইনজীবী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলে আদালত অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারে। কারণ অপরাধ সাব্যস্ত বা প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অহেতুক আটকে রাখা হচ্ছে ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। নিদোর্ষ কোনো ব্যক্তি আটক থাকলে তার সামাজিক, পারিবারিক, শারীরিক, মানসিক ও নানাবিধ সমস্যা যেমন হতে পারে তেমনি অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে পারে। আবার বিচারের সময় অভিযুক্তকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় ফৌজদারি কাযির্বধির ৪২৬, ৪৯৬, ৪৯৭, ৪৯৮, ৪৯৯, ৫০২ এবং ৫১৪ ধারায় মূলত জামিনের বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।


কোন কোন মামলায় আটক হওয়ার সাথে সাথেই জামিন পাওয়া যায়?


বাংলাদেশে দণ্ডবিধি আইনে যেসব আইনি বিধি-বিধান বিদ্যমান আছে তার মধ্যে বেশিরভাগ আইনের ধারার অপরাধ জামিনযোগ্য। যদি কেউ এরূপ জামিনযোগ্য ধারার অপরাধে গ্রেফতার হয় তবে তবে তার জন্য জামিন অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। এমতাবস্থায় তার পক্ষে যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী জামিনের আবেদন করিলেই সে জামিন পাবে। আবার বেশকিছু আইনের ধারা আছে যা জামিন অযোগ্য। এ ক্ষেত্রে অভিযুক্ত বা আসামি জামিন চাইলেই পাওয়ার গ্যারান্টি নাই। জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া আদালতের বিবেচনার ওপর নিভর্রশীল।

কোন কোন ধারায় জামিনযোগ্য, আর কোন কোন ধারায় জামিন অযোগ্য তা সংশ্লিষ্ট আইনে বলা থাকে। যখন একটি মামলায় একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয় যার মধ্যে কিছু ধারা জামিনযোগ্য আর কিছু জামিন অযোগ্য, তখন ওই মামলায় একাধিক আসামি থাকলে যাদের অপরাধ জামিনযোগ্য ধারায়, তারা জামিন চাইলে জামিন পাবেন।

ফৌজদারি কাযির্বধির ৪৯৬ ধারা অনুযায়ী, জামিন যোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে তাহলে সে যদি আদালতের কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে জামানত দিতে প্রস্তুত থাকে তবে সে জামিন পাবে।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে তার কাছ থেকে জামানত গ্রহণের পরিবর্তে মুচলেকা সম্পাদন করে মুক্তি দিতে পারে। সাধারণত জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন পাওয়া আসামির অধিকার। জামিন চাওয়ামাত্র আদালত তাকে জামিন দিতে বাধ্য।

কি কি কারণে আসামী জামিন পেতে পারে এবং বিচারক জামিন দিতে পারেন?

ফৌজদারী কর্যবিধি 1898 এর বিভিন্ন ধারায় আসামীর জামিন পাওয়ার এবং বিচারকের জামিন প্রদান করার বিধান বর্ণিত হয়েছে-

১. ফৌজদারী কর্যবিধির 496 ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধের মামলায় আসামী জামিন পাওয়ার হকদার এবং বিচারকও জামিন বিবেচনা করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে থাকেন ।
২. ফৌজদারী কর্যবিধির 497 ধারামতে জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামী বৃদ্ধ, অসুস্থ, মহিলা কিংবা নাবালক হলে জামিন পাওয়ার হকদার এবং বিচারক জামিনের আবেদন বিবেচনা করতে পারেন ।
৩. অত্র আইনের 498 ধারামতে আসামী আগাম জামিন বা pre-arrest bail/ad-interim bail পেতে পারে ।
৪. 120 কর্যদিবসের মধ্যে মামলার তদন্ত কাজ সমাপ্ত না হলে ফৌজদারী কর্যবিধি আইনের 167(5) ধারা মতে ম্যাজিস্ট্রেট এবং যাবতজীবন ও মৃত্যুদণ্ডের মত দণ্ডের মামলায় দায়রা জজ আসামীকে জামিন দিতে পারেন ।
৫. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে 180 কার্যদিবসে এবং দায়রা জজ আদালতে 360 কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সমাপ্ত না হলে আসামী ফৌজদারী কার্যবিধির 339 (গ) ধারামতে জামিন পেতে পারে।
৬. আপীল মামলা পেন্ডিং থাকা অবস্হায় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের 426 ধারামতে আসামী জামিন পেতে পারে ।
৭. সহ আসামী জামিনে মুক্ত থাকলে same footing এর co-accused 7BLT (AD) Page 286,21 BLD(AD) Page 91এবং 35 DLR (AD) Page 279 এর সিদ্ধান্ত মতে, আসামী জামিন পেতে পারে এবং আদালত জামিন বিবেচনা করতে পারে ।
৮. সর্বাপরি আদালত dircretionary ক্ষমতা বলে যেকোন মামলায় আসামীর জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা রাখেন।

05/11/2024

ঢাকার মজাদার ১০০ খাবার তালিকা➤

বাঙালিরা ভোজনরসিক হিসেবে খ্যাত। খেতে ভালোবাসেন না, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া কঠিন। নতুন নতুন খাবারের স্বাদ নেওয়ার প্রতি তীব্র আগ্রহ তাদের। ভোজনরসিকদের জন্য রাজধানী ঢাকার ১০০ মজাদার খাবার সম্পর্কে জানাচ্ছেন মোহনা জাহ্নবী

বংশাল
১। হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি, মোরগ পোলাও।
২। শমসের আলীর ভুনা খিচুড়ি, কাটারি পোলাও।
৩। গ্রান্ড নবাবের কাচ্চি বিরিয়ানি।

লালবাগ
৪। মীরা মিঞার চিকেন ফ্রাই আর গরুর শিক।
৫। খেতাপুরি ও মদিনা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টি।
৬। পাক-পাঞ্জাতনের মজার তেহারি।
৭। বান কাবাব।
৮। রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা, সেরা লাবান, কাশ্মীরি নান।

নবাবপুর
৯। মরণচাঁদ মিষ্টির দোকানের ভাজি, পরোটা, মিষ্টি ও টক দই।
১০। স্টার হোটেলের খাসির লেগ রোস্ট, চিংড়ি, ফালুদা, কাচ্চি বিরিয়ানি।

নাজিরা বাজার
১১। হাজির বিরিয়ানি।
১২। হানিফের বিরিয়ানি।
১৩। বিসমিল্লাহ হোটেলের বটি কাবাব আর গুর্দা।
১৪। ডালরুটি।

বেচারাম দেউড়ি
১৫। নান্না বিরিয়ানির মোরগ পোলাও।
১৬। হাজি ইমামের বিরিয়ানি।

ঠাটারী বাজার
১৭। গ্রীন সুইটসের আমিত্তি, জিলাপি।
১৮। বটতলার কাবাব।

জিনজিরা
১৯। বেলাল ভাইয়ের ঝালমুড়ি (বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়)

সূত্রাপুর বাজার
২০। রহিম মিঞার খাসির বিরিয়ানি।
২১। ডালপট্টির বুদ্ধুর পুরি।

দয়াগঞ্জ
২২। সিটি বিরিয়ানি ও কাচ্চি।
২৩। ঢাকা কাবাব।

আরমানিটোলা
২৪। জুম্মন মামার চটপটি। (তারা মসজিদের পাশে)
২৫। নবাববাড়ির ভোজ।

সিদ্দিক বাজার
২৬। মাজাহার সুইটস।

গেন্ডারিয়া
২৭। রহমানিয়ার কাবাব।
২৮। সোনা মিঞার দই।
২৯। আল্লাহর দান বিরিয়ানি।
৩০। হাসেম বাঙালির ডালপুরি। (ভাটিখানা)
৩১। ‘কিছুক্ষণ’ রেস্তোরাঁর মোগলাই পরোটা, কাটলেট, কর্ন স্যুপ।
৩২। বুদ্ধুর বিরিয়ানি।

রায়সাহেব বাজার, ধোলাইখাল
৩৩। বিউটি লাচ্ছি।
৩৪। আল ইসলামের মোরগ পোলাও, চিকেন টিক্কা।
৩৫। ক্যাফে ইউসুফের নান ও চিকেন টিক্কা।
৩৬। মাখন মিঞার বিরিয়ানি।

চকবাজার
৩৭। নূরানি শরবত ও লাচ্ছি।
৩৮। শাহ্ সাহেবের বিরিয়ানি।
৩৯। আমানিয়ার খাসির গ্লাসি।
৪০। বিসমিল্লাহ হোটেলের মোগলাই পরোটা।
৪১। আলাউদ্দীনের ভাজি পুরি।
৪২। Bombay-এর আফ্লাতুন।

নাজিমুদ্দিন রোড
৪৩। নীরব হোটেলের অনেক ধরনের ভর্তা।

বাংলাবাজার
৪৪। ক্যাফে কর্নারের কাটলেট ও চপ।
৪৫। চৌরঙ্গী হোটেলের লুচি, ডাল, পরোটা। (নর্থব্রুক হল রোড)

তাঁতীবাজার
৪৬। কাশ্মীরের কাচ্চি।

লক্ষ্মীবাজার
৪৭। মাসহুর সুইটমিটের লুচি, ভাজি আর ডাল।
৪৮। পাতলা খান লেনের লুচি-ভাজি।

নারিন্দা
৪৯। সফর বিরিয়ানি।
৫০। শাহ্ সাহেবের ঝুনু বিরিয়ানি।
৫১। সৌরভের মাঠা আর ছানা।
৫২। মহান চাঁদের লুচি, হালুয়া, সবজির লাবরা, কাঁচা ছানা।

কলাবাগান
৫৩। বাবুমশাই হেরিটেজের খাবার।

শাঁখারীবাজার
৫৪। অমূল্য সুইটসের পরোটা ভাজি, হালুয়া আর সন্দেশ।

কলতাবাজার
৫৫। নাসির হোটেলের বিখ্যাত গরুর মাংস আর পরোটা।

চানখাঁরপুল
৫৬। মামুন হোটেলের স্পেশাল কাচ্চি। (প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার)
৫৭। নীরব হোটেলের ভুনা গরু আর ভর্তার সঙ্গে ভাত।
হাজারীবাগ বাজার
৫৮। মারুফ বিরিয়ানি।

খিলগাঁও তালতলা
৫৯। ভোলা ভাইয়ের বিরিয়ানির গরুর চপ, মুক্তা বিরিয়ানির গরুর চপ, খাসির চপ ও ফুল কবুতর।
৬০। আল রহমানিয়ার গ্রিল চিকেন আর তেহারি।

পুরান ঢাকা
৬১। কলকাতা কাচ্চিঘরের কাচ্চি। (আবুল হাসনাত রোড)
৬২। দয়াল সুইটসের মিষ্টি। (আবুল হাসনাত রোড)
৬৩। খান হোটেলের টাকিমাছের পুরি। (টিপু সুলতান রোড)
৬৪। ‘দিল্লি সুইটমিট’-এর সন্দেশ, পরোটা ও টকভাজি। (টিপু সুলতান রোড)
৬৫। মানিক চাঁনের পোলাও। (দিগুবাবু লেন)
৬৬। আগুন পান।
৬৭। মদিনা হোটেলের লুচি-ডাল। (পাতুয়ালি লেন)
৬৮। হোটেল নীরবের ব্রেন ফ্রাই। (জেলখানা গেটের পাশে)
৬৯। রোজার দিনের ইফতার আইটেম।
৭০। বিউটি বোর্ডিংয়ের আলুর দম, লুচি আর চা।
৭১। মাকসুদের খাসির পায়ার নেহারি। (আগামসি লেন)
৭২। খেতাপুরি, বাকরখানি। (উর্দু রোড)
৭৩। খাজা হালিম ও টিটির কাচ্চি। (গোপীবাগ)

মতিঝিল
৭৪। ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝিলের ভুনা খিচুড়ি।
লালমাটিয়া
৭৫। ‘স্বাদ’-এর তেহারি।

নয়াপল্টন
৭৬। ৭০ আইটেমের বুফে। (হোটেল ভিক্টোরি)

পুরানা পল্টন
৭৭। ভাই ভাই রেস্টুরেন্টের কাচ্চি।
৭৮। খানা-বাসমতীর চাইনিজ প্যাকেজ।

মোহাম্মদপুর
৭৯। জেনেভা বা বিহারি ক্যাম্পের গরু ও খাশির চপ, গরুর মগজ ফ্রাই।
৮০। বিহারি ক্যাম্পের ‌‘মাঞ্জারের পুরি’। (টাউন হল বাজার)
৮১। মুস্তাকিমের চপ।

মিরপুর ১০
৮২। শওকতের কাবাব।
৮৩। ঝুটপট্টির রাব্বানির চা।

হাতিরপুল
৮৪। হেরিটেজের শর্মা।

নয়াবাজার
৮৫। করিমের বিরিয়ানি।

গুলশান ২
৮৬। খাজানার মাটন দম বিরিয়ানি এবং হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি।

মৌচাক
৮৭। ‘স্বাদ’ রেঁস্তোরার ভাতের সঙ্গে ৩৬ রকমের ভর্তা।
সায়েন্স ল্যাব
৮৮। ‘মালঞ্চ’ রেস্তোরাঁর কাচ্চি বিরিয়ানি।

বেইলি রোড
৮৯। গরুর চপ, খাসির চপ ও স্যুপ। (স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সামনে)
৯০। ফখরুদ্দিনের কাচ্চি বিরিয়ানি, বোরহানি।

নীলক্ষেত
৯১। ইয়াসিনের গরুর কাচ্চি।
৯২। সুলতানি ভোজের তেহারি, মোরগ পোলাও, ভুনা খিচুড়ি।
৯৩। ঢাকা বিরিয়ানির গরুর কাচ্চি।

কাঁটাবন
৯৪। অষ্টব্যঞ্জনের চিকেন খিচুড়ি, মোরগ পোলাও।

ধানমন্ডি
৯৫। স্পেশাল চিকেন চাওমিন। (প্লাটিনাম ক্লাব, জিগাতলা)
৯৬। ওরাল ফিশ ফ্রাই। (ফরেস্ট লাউঞ্জ)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৯৭। ফুসকা মামার ফুসকা। (ডাকসু ভবনের পেছনে)
৯৮। বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস। (পলাশীর মোড়)

বাড্ডা
৯৯। নয়ন বিরিয়ানি হাউসের কাচ্চি, মোরগ পোলাও ও তেহারি স্পেশাল। (গুদারাঘাট, মধ্য বাড্ডা)

বায়তুল মোকাররম
১০০। অলিম্পিয়া কনফেকশনারির ‘চকলেট পেস্ট্রি’।

26/10/2024

ফৌজদারি মামলার বিভিন্ন প্রকারভেদ ও দায়েরের পদ্ধতিমো :-
দেওয়ানী অধিকার, অর্থাৎ সম্পত্তি বা পদ সংক্রান্ত বিষয় ব্যতিত, যেকোনো অপরাধই ফৌজদারি মামলার আওতাভুক্ত হয়ে থাকে । বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় দাঙ্গা, খুন, সাইবার অপরাধ, অর্থ ও সম্পদ লুট, পাচার, আত্মসাৎ, বিশ্বাসঘাতকতা, হত্যার হুমকি, বেআইনি সমাবেশ, যৌন নিপীড়ন, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানসহ নানা অপরাধের জন্য যে সব মামলা হয়, তা ফৌজদারি মামলা নামে পরিচিত।

এসব মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড, জরিমানা, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে। নিম্নোক্ত উপায়ে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের হতে পারে-

জিআর মামলা
ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৫৪ ধারা ও পুলিশ রেগুলেশন অফ বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৪৩ বিধি অনুযায়ী, এজহারে প্রদত্ত আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা First Information Report [FIR] ভুক্তি করে থানায় যে মামলা করা হয় তাকে GR মামলা বা General Registered Case বলে। [পুলিশ এফ.আই.আর বিপি ২৭ নং ফর্মে লিপিবদ্ধ করা থাকেন]

থানায় এজহার বা FIR দায়ের করলে এর বিপরীতে একটি এফ.আই.আর বা পি.এস নম্বর পরে এবং এজহারের মূল কপি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌছানোর পর একটি জি.আর. নম্বর পড়বে।

GR মামলাকে রাষ্ট্রবাদী মামলা বা পুলিশ কেসও বলা হয়। এবং এরূপ মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬ ধারা অনুযায়ী পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই তদন্ত করতে পারে।

সিআর মামলা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশী দরখাস্ত দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা দায়ের করা হয় তা CR মামলা বা Complaint Registered Case নামে পরিচিত। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ মামলা আমলে গ্রহণ করে থাকেন। GR মামলায় রাষ্ট্র বাদী হলেও CR মামলায় বাদী হয় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি।

নন-জিআর ও নন-সিআর মামলা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা ও পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ৩৭৭ বিধির আওতায় জিডি এন্ট্রির মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাকে বলা হয় Non-GR মামলা।

এছাড়াও পুলিশ কোন অপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনার সংবাদ পেলে বা কোন অভ্যাসগত অপরাধীদের দ্বারা তার স্থানীয় এখতিয়ারের মাধ্যমে মধ্যে অপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনার সংবাদ পেলে সম্ভাব্য অপরাধটি যাতে না ঘটতে পারে সেজন্য সেজন্য সম্ভাব্য অপরাধীদের নিকট হতে শান্তি রক্ষার বা সদচারণের মুচলেকা আদায়ের লক্ষ্যে যে মামলা দায়ের করা হয় তাও Non-GR মামলা নামে পরিচিত।

সাধারণত ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭, ১০৮, ১০৯ ও ১১০ ধারার অধীনে এরূপ মামলা রুজু হয়ে থাকে এবং এগুলো পুলিশের জেনারেল রেজিস্ট্রার বইতে অন্তর্ভুক্ত হয় না এবং কোন FIR হয় না বলে Non-GR বা Non-FIR নামকরণ করা হয়েছে।

এ ধরণের মামলার তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ব্যতিত GR মামলার অনুরূপ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

ইউডি মামলা
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমনঃ আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।

পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801733267596

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dofadar & Associate Legal Advice Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dofadar & Associate Legal Advice Centre:

Share