FamilyCrisis-দাম্পত্য সমস্যা ও সমাধান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • FamilyCrisis-দাম্পত্য সমস্যা ও সমাধান

FamilyCrisis-দাম্পত্য সমস্যা ও সমাধান দাম্পত্য সমস্যা ভেঙ্গে যাচ্ছে কেন ? দ?

12/11/2021

রিক্সাওলা করিম মিয়া বাসায় ফিরে দেখে ভাত হয় নাই। এক কথা দুই কথা তারপর বৌকে ধরে মাইর। ধুমিয়ে মেরে চলে গেল কাজে।
রাতে করিম মিয়া ফিরে আসল ব্যাথার ওষুধ নিয়ে। করিম মিয়ার বৌ ফুলকলি বিবি খুব খুশী এমন ভাল স্বামী কয়জনে পায়।

ব্যাঙ্কের ডিরেক্টোর করিম মৃধা। বেতন ৫ লাখ। সুন্দরি অফিস কলিগের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন সম্পর্কে। জেন ফেলেছে বোউ ফুলকলি বেগম। এক কথা, দুই কথা বৌএর গালে থাপ্পর। বোউ মোহরানার মাফে ডীভোর্স নেয় করিম থেকে। আর করিম সাহেব এটাই চেয়েছিল।

ব্যবসায়ী করিম খান। ব্যবসার কাজে নানা দৌড়ের উপর থাকেন। ঘরে ফিরেও ফোনে এর সাথে কথা তার সাথে ঝগরা। একদিন জানলেন তার ১৫ বছরের বিবাহিত বৌ ফুলকলি চান জড়িয়ে পড়েছে পরকীয়ায়। ডিভোর্স।

কাস্টোমার কেয়ারে টীপটপ হলে কাজ করছে ফুলকলি বানু। এলাকার নায়ক করিম খান এর মোবাইল দিতে গেল কাস্টমার কেয়ারে । ফুলকলিকে দেখেই হল পছন্দ। তারপর প্রেম বিয়ে। বিয়ের পর করিমের দাবী ফুলকলি চাকরি করতে পারবে না, ঘরে থাকবে শাশুরির সেবা করবে। ফুলকলির কথা তার বেহেস্ত তার মায়ের পায়ের নিচে , শাশুরির পায়ের নিচে না। ফুলকলির মায়ের দুই মেয়ে কোন ছেলে নাই। বড় বোনকে যৌতুকের জন্য মেরে ফেলা হইছে। সে চকরি না করলে তার মাকে কে দেখবে। ফলাফল ডিভোর্স।

আপনি হলেন পাখি, বিয়ে করলেন কই মাছ। তারপর যদি বলেন মাছ আকাশে উড়ে না কেন। ভালবাসায় সব সম্ভব। হবে না।

💔আসসালামুআলাইকুম, আমার লেখা টা আগে পড়বেন পরে সমাধান দেবেন। উল্টা পাল্টা ধারণা করা লোক গুলো আমার লেখা ইগনোর করবেন দয়া করে...
18/10/2021

💔আসসালামুআলাইকুম, আমার লেখা টা আগে পড়বেন পরে সমাধান দেবেন। উল্টা পাল্টা ধারণা করা লোক গুলো আমার লেখা ইগনোর করবেন দয়া করে।
💔আমার খালাতো ভাই একজন হাফেজ আলেম, বয়স ২৫+
পরিবারে বাবা মা আর তারা দুই ভাই। বোন নাই।
৩ বছর আগে বিয়ে করিয়েছি পারিবারিক ভাবে আত্মীয়র সাথে। বিয়ের সময় তার বয়স কম ছিলো। তাই রেজিস্ট্রি করা হয়নি।
কাজী দিয়ে শরীয়ত সম্মত ভাবে সরা পরিয়ে বিয়ে হয়েছিলো, তাদের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে আঠারো মাসের।
💔আমার ভাই চায় তার বউ পর্দা করবে, নামাজ পড়বে, শাশুড়ির সাথে মিলে কাজ কর্ম করবে। (বলে রাখি আমার খালা একটু হাসি খুশি আর রসিক মানুষ। উনার বাড়ির ভাড়াটিয়া রা উনার ফ্যান এক কথায়।)
💔সমস্যা গুলো বলি:
১) ছেলে যদি কাজে থেকে এসে মাকে ডাকে যে মা কোথায়? বউ বলে এতো মা মা করেন কেন?
২) আমাদের আত্মীও স্বজন সে পছন্দ করেনা। আমার ভাই যদি আমাদের বাড়ির লোকদের সাথে একটু আন্তরিক কথা বলে বা মুরুব্বিদের বিদায় দেয়ার সময় এগিয়ে রিকশা করে দিতে যায়, বাড়ি আসার পর বউ সেটা নিয়ে ঝগড়া করে বলে একদম রাস্তা পর্যন্ত দিয়ে আসার কি হলো?
৩) বাচ্চা জন্মের পর থেকে বাচ্চা রেখে কয়েকবার বাড়ি থেকে মায়ের বাড়ি চলে গেছে কাউকে না বলে। ওর বাবা মা দিয়ে গেছে নয়তো আমার খালা গিয়ে নিয়ে আসছে।
৪) কোনো কাজের কথা বললে দরজা লাগিয়ে বসে থাকে। মোট কথা তার কাজ ভালো লাগে না। শাশুড়িকে কাজে কোনো হেল্প করে না।
৫)বাচ্চাকে গলায় টিপ দিয়ে ধরে।
৬) মেয়ের মা টা মেয়েকে ভুলভাল বুঝ দেয়। কাজের কথা বলাই যায়না, সারাদিন শাশুড়ি ঘরের কাজ একাই সামলায়।
৭) ওদের বাড়ির মেহমান আসলে সে বেশ খুশি।
৮) ভাইকে গালাগাল করে কথা বলে।
💔আমার ভাই একজন হাফেজ আলেম, সে এইগুলো আচরণ নিতে পারছে না।
আমরা ভাইকে বলি তুই আলেম হাফেজ হয়ে এমন মেয়ে বিয়ে করলি কেন?বলে আব্বু আম্মুর পছন্দ।
আমার খালার দাঁতের ব্যথায় জর চলে আসছে, নাস্তা বানানোর কথা বলার পর বাচ্চা কে রেখে পালিয়ে বাসা থেকে সকাল সকাল চলে গেছে।
আমার ভাই ডিসিশন নিয়েছে যে এই বউ সে আর রাখবে না।
যে ফ্যামিলিতে একটা ননদ নাই, দেবর জামাতে জামাতে থাকে বেশির ভাগ। শাশুড়ি টা একটা ফ্রি মাইন্ডের মানুষ, শশুর সকালে কাজে গেলে রাতে আসে বাসায়। বাড়িতে শাশুড়ি বাচ্চা আর বউ।
💔এমন একটা অতি সাধারণ পরিবারে যদি সে এডজাস্ট করতে না পারে তাহলে আর কিভাবে এই মেয়ের সাথে সংসার আগে বাড়বে??
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই মেয়েকে তো রেজিস্ট্রি কাবিন করেনি। কিভাবে তালাক্ব দেয়া যায়, আমার ভাই কিছুতেই তাকে আনবে না আর।

🎯সমাধানঃ
উল্টা পাল্টা ধারনা করি নাই। নিজে যা লিখছেন তাই দেখেন কেমন উল্টা পালটা লিখছেন।

প্রথমে লিখলেন "৩ বছর আগে বিয়ে করিয়েছি পারিবারিক ভাবে আত্মীয়র সাথে।" -অর্থাৎ বৌ ও আপনার খালাতো ভাই আত্মীয়।
"আমাদের আত্মীও স্বজন সে পছন্দ করেনা।" - যেহেতু বৌ আত্মিয় তাই অন্যরাও তাদের আত্মীয়। অপছন্দ করার কারন কি।
"আমরা ভাইকে বলি তুই আলেম হাফেজ হয়ে এমন মেয়ে বিয়ে করলি কেন?বলে আব্বু আম্মুর পছন্দ।" - একবার লিখলেন আপনারা সবাই মিলে এই মেয়ের সাথে বিয়ে করিয়েছেন এখন আবার তাকেই দোষ দিচ্ছেন প্রথম কথার সাথে মিললো না।

এবার আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। আপনার খালাতো ভাইয়ের সমস্যা এত নিখুতভাবে আপনি জানেন কিভাবে। খালাতো ভাই বলছে আপনাকে। তারমানে খালাতো ভাইয়ের সাথে আপনার গোপন সম্পর্ক আছে।
রেজিস্ত্রি কাবিন না করে প্রথমেই একটা ধোকাবাজি করছেন। খালাতো ভাই কিভাবে তার বৌকে তালাক দিবে সেটা নিয়ে আপনার এত চিন্তা কেন।
নিজেই লিখছেন "আমার ভাই চায় তার বউ পর্দা করবে, নামাজ পড়বে, শাশুড়ির সাথে মিলে কাজ কর্ম করবে।" - আপনার খালাতো ভাই তার বৌএর কাছে কি চায় না চায় সেটা আপনাকে বলে কেন? সেটা সে তার বৌ কে বললেই পারে। এত খাতির কিসের আপনার সাথে।
আপনার লেখা পড়েই বুঝা যাচ্ছে বৌ কে আপনার খালাত ভাই যত অপছন্দ করে তার থেকে বেশী অপছন্দ আপনি করেন।

সমস্যার সমাধান একটাই। আপনি খালাতো ভাইয়ের সাথে পরকীয়া বন্ধ করেন। খালাতো ভাইকে বিয়ে করার চিন্তা বাদ দেন। এতই যখন সে আলেম হাফেজ তাহলে রেজিস্ট্রি কাবিন ছাড়া বিয়ে করল কেন।

💔আমার husband এর সাথে arrange+ 9 month relation এর পর বিয়ে। আমি যথেষ্ট সুন্দরী হওয়া সত্তেও আমার প্রতি তার আকর্ষন অনেক কম...
06/09/2021

💔আমার husband এর সাথে arrange+ 9 month relation এর পর বিয়ে। আমি যথেষ্ট সুন্দরী হওয়া সত্তেও আমার প্রতি তার আকর্ষন অনেক কম। আমি তাকে অনেক ভালবাসি আর সবসময় তার কি ভাল লাগবে সেটা নিয়েই ভাবতে থাকি। আমাকে নিয়ে তার কোন অভিযোগের জায়গা রাখিনি। আমি আমার ১০০% দেবার পর ও তিনি অন্য মেয়েদের সাথে কথা বলে + কিছু ক্ষেত্রে পরকিয়া। specific এক্তা মেয়ে না, অনেক মেয়ের সাথেই সে কথা বলে। এবং মেয়েরাও জানে তিনি বিবাহিত। po*******hy তে addicted।
💔আমি যখন প্রমান পাই, অনেকবার এটা নিয়ে তাকে বুঝিয়ে বলেছি যে আমার খুব কস্ট হয় তুমি এমন কর যে। প্রতিবার ই সে নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং আর করবেনা বলে। কিন্তু বিয়ের ২.৫ বছর ধরে কিছুদিন পর পর ই এমন হয়ে যাচ্ছে। লাস্ট আমি না পেরে আমার in laws দের বেপার টা জানাই আমার husband অনেক টা লজ্জা পেয়েছে এতে এবং সে আবার আগের মতই বলেছে আর করবে না। আমি মানুসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে গেছি। তাকে believe করতে পারছি না। বার বার আগের সব তার cheating গুলো মনে পরতেছে।আমি Dhaka University তে পড়াশুনা শেষ করেছি recently । আমি জব এর জন্য প্রচুর পড়াশুনা করেছি। এই ঘটনার পর আমি মানুসিক ভাবে ভেঙগে পরেছি। কোন কিছুতেই মন বসাতে পারছি না। husband আমাকে normal করার চেষ্টা করে কিন্তু আমি পারছি না একদম।
💔আর তাকে অনেক বেশি ভালবাসি যে ছেরে দিতে ও পারছি না। এখন আমার কি করা উচিত?

🎯সমাধানঃ আপনার স্বামী po*******hy তে addicted, পরকীয়াতে তে addicted। নিত্য নতুন মেয়ের সাথে সেক্স করাই তার নেশা। যারা জেনে বুঝে এইসব করে তাদের আল্লাহও হেদায়েত দেয় না। আপনার স্বামী শোধরাবে না। আর আপনি তাকে ভালবাসেন বলে যেটা মনে করছেন সেটা আসলে আকর্ষন। এটা ভালবাসা নয়। নানা ধরনের নাড়ি গমনের ফলে সে একজন যৌনকর্মীতে পরিনত হয়েছে। এর ফলে সে নারীদের যৌনচাহিদা বুঝে তাদের সাথে সঙ্গম করতে পারে। একারনে আপনি তার যৌনকর্মের দক্ষতার জন্য তার প্রতি আকর্ষিত। কিন্তু সে নারীভোগি হওয়ায় কোন নারীর প্রতি আকর্ষিত না। আপনার প্রতিও না। এই কারনে সে অন্যনারী গমন করে। শারিরিক সম্পর্ক থাকার কারনে আপনার ভেতরে তার জন্য আকর্ষন কাজ করে যেটা আপনি ভালবাসা বলে ভুল করছেন। এছাড়া তার বয়স যত বাড়বে ততই তার পর্ন আডিকশন ও নারীভোগ বাড়বে। পরবর্তীতে আপনি বাধা দিলে আপনাকেও মারধর করবে। এমনকি বাসায় অন্য মেয়ে নিয়ে আসবে, আপনাকেও পর্ন করতে বাধ্য করবে।

🔹তাই সমাধান হল তার অপকর্মের সব প্রমান জোগাড় করুন। সেগুলোর ভিত্তিতে তাকে তালাক দিন। এবং সবাইকে তালাক দেবার কারন জানিয়ে দিন।

সবাই বলে মেয়েরা বদ মেজাজি হলে সংসার ভেঙ্গে জায় কিন্তু আমি আমার নেশাখোর স্বামীর ছয় বছর সংসার করেছি ।আমার একটা চার বছরের...
06/09/2021

সবাই বলে মেয়েরা বদ মেজাজি হলে সংসার ভেঙ্গে জায় কিন্তু আমি আমার নেশাখোর স্বামীর ছয় বছর সংসার করেছি ।
আমার একটা চার বছরের বাচ্চাও আছে ।
এমন কোন দিন নাই যে সে আমার গায়ে হাত তুলে নি
কিন্তু আমি ধৈর্য ধরে মুখ বুঝে সব সহ্য করেছি ।
আমার সৎ শাশুড়ি এবং সৎ ননদ দেবর আমার গায়ে হাত তুলেছে তাও আমি মুখ বুঝে সহ্য করেছি ।
আবার বাবার বাড়ি থেকে অনেকগুলা টাকাও স্বামীকে দিয়েছি কিন্তু সংসার ভাঙ্গার বয়ে কোনদিন স্বামীর সাথে মেজাজ দেখায় নি ।
আমাকে মারলে মার খেয়ে আল্লাহর উপর ধৈর্য ধরে পড়ে থাকতাম ।
কিন্তু আজ 6 বছরের মাথায় এসে আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে এটা কি আমার ধৈর্যের ফল।

সমাধানঃ হারাম এর সাথে জোড় জবরদস্তি করে থাকাটা ধৈর্য্য নয়। ধৈর্য্য হল আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করা। আপনার স্বামী একজন হারামখোর। এইসব নেশা করা, পরকীয়া সব হারাম। যারা জেনে বুঝে এইসব করে তাদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন। তাদের তিনি কখনো হেদায়েত দেন না। তাই স্বামীর মার খাওয়া কোন কৃতিত্বের কথা নয়। শুধুমাত্র একটা সিচুয়েশনে ইসলাম স্ত্রীর গায়ে হাত তোলার অধিকার দিয়েছে।

তাই বিষয়টি পজেটিভলি দেখুন। আল্লাহ আপনাকে ডিভোর্সের মাধ্যমে মুক্তি দিয়েছেন। সে আপনাকে মেরেও ফেলতে পারত। তাই আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করুন। আপনি আল্লাহর কাছে চান তাহলে আল্লাহ আপনাকে একজন ভাল স্বামী দেবেন।

💔প্রশ্নঃ পরিবারে স্ত্রীদের দায়িত্বটা কী আসলে? কেউ জানিয়ে বাধিত করবেন।এইটা নিয়ে অনেক পরস্পরবিরোধী কথাবার্তা দেখি। ঘরের...
04/09/2021

💔প্রশ্নঃ পরিবারে স্ত্রীদের দায়িত্বটা কী আসলে? কেউ জানিয়ে বাধিত করবেন।
এইটা নিয়ে অনেক পরস্পরবিরোধী কথাবার্তা দেখি। ঘরের কাজও নাকি করা বাধ্যতামূলক না, স্বামীর বাবা মার সেবা করা বাধ্যতামূলক না, টাকা পয়সা সংসারে দেয়াও তাদের ইচ্ছাধীন।
তাহলে তাদের রোলটা কী? চাকরি করতে না দিলে তখন লিঙ্গ সমতা নিয়ে আসে, আবার চাকরি করার পর সংসারে টাকা দিতে বললে তখন আবার ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীর হয়ে যায়।
অর্থাৎ পুরুষের সব কিছুই বাধ্যতামূলক যেমন ভরণ পোষণ, চিকিৎসা, বাচ্চাদের ভরণ পোষণ, কাবিনের টাকা ইভেন ডিভোর্সড এর পরেও 3 মাস বাধ্যতামূলক।স্ত্রীদের বাধ্যতামূলক বলে কি কি দায়িত্ব আছে জানতে চাই।
আমি আসলেই বুঝতে পারছিনা স্ত্রীদের রোলটা কী পরিবারে?

🎯উত্তরঃ এর উত্তরটা নির্ভর করছে আপনার দৃষ্টিভঙ্গির উপর। ইসলামিক দৃষ্টিভংগি ও সামাজিক দৃষ্টিভংগির উপর বিষয়টা নির্ভর করছে। প্রথম প্রশ্ন হল আসলে পরিবার কি? আপনার পরিবার কোনটা?
ভারতীয় সমাজে মুসলিমরা মুলত হিন্দু থেকে মুসলিম হয়েছিল। একারনে মুসলিম হবার পরেও তাদের হিন্দুয়ানী চিন্তাধারা বজায় রেখেছে। কারন পার্থক্যগুলো খুব সুক্ষ্ম হবার ফলে এই মুসলিম সমাজেও সেগুলো চালু থেকেছে। তাই পরিবার বলতে হিন্দু সমাজে স্বামী ও তার ১৫ গুষ্টিকে বুঝায় কিন্তু তা ইসলামে ও সামাজিক ভাবে মুলত ভুল।
💓মুল বিষয় হল আপনার বাবা, মা, ভাই, বোন আপনার পরিবারের অংশ নয়। আপনি আপনার বাবার পরিবারের অংশ। আপনি বিয়ে করার পর আপনার স্ত্রী পুত্র কন্যা নিয়ে আপনার পরিবার। আপনার মা , ভাই, বোন নিয়ে আপনার বাবার পরিবার। আপনার পরিবার ও বাবার পরিবার দুটি ভিন্ন পরিবার।
💓হিন্দু সমাজে বাবা মা হল দেবতা। তাদের কোন ভুল নাই। তাদের সব মাফ। তাই হিন্দু পরিবারে একটা ছেলে যেমন তার বাবা মা কে পুজা করছে তেমনি তার স্ত্রীর প্রধান কাজ বাবা দেব আর মা দেবীর পুজা করে স্বর্গ লাভ করা।

💓কিন্তু ইসলামে সব কিছু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। ইসলামে বাবা মা কে সম্মান করতে বলেছে কিন্তু তাদের জন্য সারা জীবন ব্যয় করতে বলে নাই। চরম প্রচলিত হাদিস হল মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত কিন্তু এর মানে এই না যে আপনাকে আপনার মায়ের দাসে পরিনত হতে হবে।
💓যদি বলেন যে আপনি আপনার মায়ের দাস, তার সেবা আপনি করবেন আর আপনার স্ত্রীও করবে তাহলে প্রশ্ন হল আপনার স্ত্রীর ও তো মা আছে। আপনার স্ত্রী তো তার মায়ের দাসী। আপনার স্ত্রীর জান্নাত তার মায়ের পায়ের নিচে । আপনার স্ত্রীর জান্নাত তো তার শাশুড়ি অর্থাৎ আপনার মায়ের পায়ের নিচে নয়। যে হাদিস দিয়ে আপনার বাবা মা কে আপনি আপনার স্ত্রীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছেন সেই হাদিস দিয়ে আপনার স্ত্রী আপনার বাবা মা কে ঘাড় থেকে নামিয়ে দিচ্ছে। এর মুল কারন হিন্দু দৃষ্টি ভংগিতে ইসলামকে ব্যাখ্যা করা। যেমন জাকির নায়েক বেদ গিতা, বাইবেল দিয়ে ইসলামকে ব্যাখ্যা করেছে কিন্তু ইসলামকে ব্যাখ্যা করতে হয় কুরআন ও হাদিস দিয়ে। এ কারনে জাকির নায়েকের কাছে বিষ্ণু ও আল্লাহ শব্দের একই অর্থ কিন্তু আল্লাহ কে আপনি শুধু তার ৯৯ টা নাম ধরেই ডাকতে পারেন । শব্দের অর্থ একই হলেও আপনি আল্লাহ কে বিষ্ণু বলে ডাকতে পারেন না।

💓দিত্বীয় বহুল প্রচলিত হাদিস হল “পিতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।” এর মানে এই নয় যে আপনার বাবার সব কথাই আপনার মানতে হবে না মানলে তিনি অসন্তুষ্ট হবেন আর তিনি অসন্তুষ্ট হলে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবেন। আল্লাহ তখনই অসন্তুষ্ট হবেন যখন আপনার পিতা আপনাকে কোন ইসলাম ভিত্তিক কোন কিছু করতে বলবেন এবং আপনি করবেন না তখন আল্লাহ আপনার উপর অসন্তুষ্ট হবেন। যেমন আপনার পিতা সুদে টাকা ধার করে আপনার ছোট চাচাকে দিয়েছে আর আপনি আপনার ইনকামের টাকা থেকে পিতার ঋনের সুদ পরিশোধ করেই যাচ্ছেন। আপনার পিতা করেছে একটা হারাম আর আপনি হারামের সিলসিলা বজায় রেখেছেন। এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার পিতার সুদ পরিশোধ না করলেই আল্লাহ খুশী হবেন আপনাকে বরকত দেবেন।

💓তাই আপনার বাবা, মা, ভাই, বোন নিয়ে যদি আপনার পরিবার ধরেন তাহলে সেই পরিবারে আপনার স্ত্রীর দায়িত্ব হল তাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা। তাদের সেবা করে করে জীবন শেষ করা ইসলামিক ও সামাজিক কোন ভাবেই তার দায়িত্ব না। এই সব ধারনা হিন্দু দৃষ্টি ভংগি থেকে এসেছে। সেবার কথা যদি ধরতেও হয় তাহলে আপনার স্ত্রীর জান্নাত তার মায়ের পায়ের নিচে আপনার মায়ের পায়ের নিচে নয়। এখন আপনি বলতে পারেন তাহলে কি বিয়ের পর বাবা, মা কে ভুলে যেতে হবে? না, এমন কিছু করতে বলা হয় নি। তারা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন , লালন পালন করেছেন এখন তাদের দেখাশুনা করা আপনার দায়িত্ব? না। কারন আপনার বাবা মা হতে হলে তাদের তো আপনাকে জন্ম দিতে হবে। এমন তো না যে আপনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। জম্নের পর আপনাকে লালন পালন করা, আপনার ভরন পোশন করা তাদের দায়িত্ব। এই দায়িত্বের বিনিময়ে তারা আপনাকে তাদের দাস বানাতে পারেন না। আর আপনিও তাদের দাস হতে পারেন না। আপনার বাবা-মা কেই আপনার ভরন পোষন করতে হবে। অন্য কেউ তো আর করবে না। তাদের দায়িত্ব তাদেরকেই পালন করতে হবে।

💓আর যদি আপনি ও আপনার স্ত্রী মিলে পরিবার ধরেন তাহলে আপনার দায়িত্ব আপনার পরিবারে ভরন পোষনের ব্যাবস্থা করা ও আপনার স্ত্রীর দায়িত্ব আপনার দেয়া ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে ভরন পোষন নিশ্চিত করা। আর এগুলো একজন নারী নিজে থেকেই করবে কারন এটা তার ঘর। আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আপনার সংসার আর আপনাকে নিয়ে আপনার স্ত্রীর সংসার।
💓আপনার স্ত্রী মুল দায়িত্ব পরিবারে ইসলামি পরিবেশ বজায় রাখা আর আপনার দায়িত্ব তাকে এই ব্যাপারে সহায়তা করা। এর পাশাপাশি আপনার স্ত্রী অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু করতে পারে। যেমন পড়াশোনা করা, আয় রোজগার করা। কিন্তু স্ত্রীর আয় রোজগারের উপর আপনি কিছুই চাইতে পারেন না। কারন আপনি পুরুষ। এই সব দায় দায়িত্ব নেবার জন্যই আল্লাহ আপনাকে পুরুষ হিসাবে তৈরি করেছেন। আপনার স্ত্রীর সাথে শুধুই আপনার যৌন সম্পর্ক নয়। একজন ধর্ষনকারীও একজন নারীর সাথে যৌনকর্মই করে কিন্তু পার্থক্য হল একজন ধর্ষনকারী শুধু যৌনকর্ম করেই পালায় আর একজন স্বামী একজন নারীর দায়িত্ব নেয় একারনে সে পুরুষ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FamilyCrisis-দাম্পত্য সমস্যা ও সমাধান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share