Advocate Atiqur Rahman Khan

Advocate Atiqur Rahman Khan The opposite of poverty is not wealth; the opposite of poverty is justice.

26/09/2026
22/09/2026
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন....
21/09/2026

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন....

This is my Official Associates Page.....
18/09/2026

This is my Official Associates Page.....

A House for Legal Relief.

স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ হলে সন্তান কার কাছে থাকবে?ডিভোর্স হয়ে গেল। কিন্তু ছোট্ট সন্তানটির ভবিষ্যৎ?ধরুন, রাহাত ও মিতার একট...
17/09/2026

স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ হলে সন্তান কার কাছে থাকবে?

ডিভোর্স হয়ে গেল। কিন্তু ছোট্ট সন্তানটির ভবিষ্যৎ?

ধরুন, রাহাত ও মিতার একটি ৫ বছরের ছেলে এবং ১০ বছরের একটি মেয়ে আছে। বিচ্ছেদের পর দুজনেই সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সন্তান কি সবসময় মায়ের কাছে থাকবে? নাকি বাবার কাছে?

এখানে অনেকেরই ভুল ধারণা আছে।

মুসলিম পারিবারিক আইনের প্রচলিত নীতিতে ছোট সন্তানের হেফাজত বা custody-এর ক্ষেত্রে মায়ের অগ্রাধিকার থাকতে পারে, বিশেষ করে সন্তানের কম বয়সে। প্রচলিত নিয়মে ছেলের ক্ষেত্রে সাধারণত ৭ বছর পর্যন্ত এবং মেয়ের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত মায়ের হেফাজতের কথা বলা হয়।

কিন্তু এখানেই বিষয়টি শেষ নয়।

আদালত শুধু সন্তানের বয়স দেখেই সিদ্ধান্ত দেয় না। শিশুর কল্যাণ, নিরাপত্তা, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, বাবা-মায়ের সক্ষমতা, পারিবারিক পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়। শিশু যথেষ্ট পরিণত হলে তার নিজের পছন্দও আদালত বিবেচনা করতে পারে।

আর একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি:

Custody আর Guardianship এক জিনিস নয়।

একজনের কাছে সন্তানের দৈনন্দিন হেফাজত থাকতে পারে, আবার অন্যজন আইনগত অভিভাবক হতে পারেন।

তাই শুধু “সন্তান মায়ের” বা “সন্তান বাবার” বলে বিষয়টি শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি আলাদা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হলেও শিশুর অধিকার ও ভবিষ্যৎ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

আইন জানুন, সচেতন হোন।
নিজে জানুন, অন্যকেও জানান।

এটি সাধারণ আইনগত সচেতনতামূলক তথ্য। নির্দিষ্ট মামলায় প্রযোজ্য আইন ও সম্পূর্ণ তথ্য যাচাই করে আইনগত পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আমেরিকান সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রথম যেদিন পার্লামেন্টে ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন এক ভদ্রলোক দাড়িয়ে ব...
06/09/2026

আমেরিকান সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রথম যেদিন পার্লামেন্টে ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন এক ভদ্রলোক দাড়িয়ে বললেন, "লিংকন সাহেব ভুলে যাবেন না আপনার বাবা আমাদের পরিবারের জন্য জুতা তৈরি করে দিতেন। আর একজন মুচির ছেলেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনেকেই মেনে নিতে পারেননি তখন...
--
একথা শোনার পরে সবাই চুপ হয়ে গেলেন কিন্তু লিংকন মোটেই বিচলিত হলেন না,,
লিংকন লোকটির চোখে চোখ রেখে বললেন, "আমি জানি স্যার আমার বাবা আপনার কেন এখানে অনেকেই আছেন যাদের পরিবারের জন্য জুতা তৈরি করতেন,,
এজন্য আমি গর্বিত বাবা ছিলেন জুতা তৈরির জন্য জিনিয়াস,, সে কাজকে কখনো ছোট করে দেখতেন না,
বাবা ছিলেন জুতা তৈরির নিপুন কারিগর,আজও পর্যন্ত তার কোন কাজের সমালোচনা হয়নি কারন তিনি কাজ করতেন শুধু গ্রহিতার সন্তেষ্টির জন্য নয়, নিজের সন্তেষ্টির জন্য,
আপনার যদি কোন অভিযোগ থাকে তাহলে বলুন আমি আপনাকে এক জোড়া জুতা তৈরি করে দেব আমি ও ভাল জুতা তৈরি করে পারি ।"
একথা শোনার পর লোকটি লজ্জায় মাথা নিচু করে রইলেন ,তখন লিংকন বললেন,
"কোন কাজকেই ছোট ভাববেন না,,
কাজকে সম্মান করুন তা না হলে সারা জীবন অন্যের দয়ায় বাঁচতে হবে। একজন রুইমাছ দিয়ে খায় তা দেখে হিংসা না করে পারলে আপনি ডাল-ভাত দিয়ে খান।
তবুও ভাল কাজের প্রসংশা করুন আর মন্দ কাজ বর্জন করুন ।"
বিঃদ্রঃ আমাদের সমাজে এমন অহংকারী মানুষের অভাব নেই।
শুধু আমার ছোট্ট একটি রিকোয়েস্ট
ঐসব অহংকারী মানুষকে লেখাটি
শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দিন..............!!!!!!!!!!!!

কাজী নজরুলের দ্বিতীয় ছেলে বুলবুল মাত্র ৪ বছর বয়সে গুটি বসন্ত রোগে মারা গিয়েছিল। ছেলেটাকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন নজরুল। আদরের...
31/08/2026

কাজী নজরুলের দ্বিতীয় ছেলে বুলবুল মাত্র ৪ বছর বয়সে গুটি বসন্ত রোগে মারা গিয়েছিল। ছেলেটাকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন নজরুল।

আদরের ছোট ছেলেকে হারিয়ে লাশের পাশে বসেই ক্রমাগত কাঁদছিলেন নজরুল। লাশের পাশে বসে কাঁদতে কাঁদতেই অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়।

ওইদিকে লাশ দাফনের সময়ও ঘনিয়ে আসছিল। বসন্ত রোগীদের লাশ বেশিক্ষণ রাখা যেত না, পচে গন্ধ বের হওয়া শুরু হতো।

শোকাহত নজরুল বুকে অসম্ভব কষ্ট নিয়ে আদরের ছেলের লাশ দাফনের জন্যে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লেন। কিন্তু মাথাভর্তি অজস্র কবিতা থাকলেও পকেটে তখন একটা টাকাও ছিল না।

অথচ লাশ গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া, কাফনের কাপড় এবং গোরস্থানে জমি কেনার জন্যে দরকার ছিল ১৫০ টাকা। সেসময় ১৫০ টাকা মানে অনেক টাকা।

হতভাগা লেখক নজরুলের কাছে সে টাকাটাও তখন ছিল না।

নজরুল এক লাইব্রেরি থেকে আরেক লাইব্রেরিতে ছুটতে লাগলেন টাকার খোঁজে কিন্তু তেমন কেউই টাকা দিতে রাজি হলো না। সবার ধারণা- এই গরিব লেখককে টাকা ধার দিয়ে কি লাভ হবে?

ডি. এম লাইব্রেরি মালিক মায়া করে ৩৫ টা টাকা দিয়েছিল শুধু। তখনও আরও অনেক টাকা বাকি।

ঘরে লাশ রেখে নজরুল গেলেন এক প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক শর্ত দিলো- এই মুহুর্তে একটা কবিতা লিখে দিতে পারলে তারপর টাকা দিবে।

একদিকে আদরের ছেলেটার লাশ পচে যাচ্ছে অন্যদিকে
টাকা যোগাড় করাটাও জরুরি। প্রকাশকের শর্তানুযায়ী নজরুল কবিতা লিখতে বসে গেলেন।

তারপর বিষণ্ণ মন আর কাঁপা কাঁপা হাতে লিখলেন-

'ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে
আমার গানের বুলবুলি
করুণ চোখে চেয়ে আছে
সাঝের ঝরা ফুলগুলি...

পুরো কবিতাটা লিখে দিয়ে টাকা নিয়ে দৌঁড়ে বাড়ি ফিরলেন নজরুল। ছলছল করা চোখে শেষবারের মতো একনজর দেখে নিলেন আদরের ছেলেটাকে। তারপর সেই টাকা দিয়ে পরম যত্নে গোরস্থানে দাফন করেছিলেন ছেলেটাকে।

কাজী নজরুলের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছিল দুঃখ- দুর্দশায়। ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ছোটবেলায় কাজ করতেন রুটির দোকানে। কারণ দোকানে কাজ করলে একটা রুটি দিতো, সেটা খেয়েই কোনরকম পেট ভরতো তার।

শেষ বয়সে তার অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসাটুকুও করাতে পারেননি শুধুমাত্র সামান্য ক'টা টাকার অভাবে। কোনমতে ছোট্ট ঘরটাতেই দিনরাত কাটতো তাদের।

অনাহারে অর্ধাহারে থেকে থেকে নজরুল নিজেও একসময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার অসুস্থ স্ত্রীই তখন বিছানায় আধশোয়া হয়ে নলা তুলে খাইয়ে দিতো তাকে।

তারপর একসময় টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় ২৭ আগষ্টের এক সকালে চিরবিদায় নিলেন নজরুল।

এখন নজরুলের নামে অসংখ্য একাডেমি হয়েছে, তার মৃত্যুদিবসে অজস্র অনুষ্ঠান হয়, সেই অনুষ্ঠানে লাখ লাখ টাকার বাজেটও হয়।

অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় সবাই গলা বড় করে জানায় দেয় তারা অনেক নজরুলপ্রেমী কিন্তু বেঁচে থাকতে এই মানুষটার পাশেই দাঁড়ায়নি কেউ।

আজকে নজরুলের বই বিক্রি করে শত শত প্রকাশক কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে, বড়লোক হয়েছে অথচ একদিন ছেলের পচা লাশ ঘরে রেখে টাকার জন্যে হন্য হয়ে দৌঁড়াতে হয়েছিল তাকে।

এই মানুষটা এতটা দুঃখ নিয়ে জীবন পার করেছেন যে তার দুঃখের পরিমাণ দেখে সবাই হাসিঠাট্টা করে দুখু মিয়া ডাকতো তাকে।

সেই সমস্ত দুঃখকে আলিঙ্গন করেই ২৭ আগস্টের এক সকালে চলে গেলেন দুখু মিয়া। বহু মানুষ তার কবিতার খোঁজ নিয়েছে, কবিতা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়েছে কিন্তু একবুক দুঃখ নিয়ে পরপারে চলে যাওয়া মানুষটার খোঁজ আর নেয়নি কেউ, কেউ না

- কথা কালেক্ট ইব্রাহিম খলিল শাওন এবং ছবি ডিজাইন ফকরুল হাসান চৌধুরী।

অবাধ্য স্ত্রী কে স্বামী ভরনপোষণ দিতে বাধ্য নয় [ হাইকোর্ট ]14 DLR High Court, page 465
28/08/2026

অবাধ্য স্ত্রী কে স্বামী ভরনপোষণ দিতে বাধ্য নয় [ হাইকোর্ট ]
14 DLR High Court, page 465

Address

KHAN & ASSOCIATES, Safura Complex, Room No: B-10 (1st Floor) 26 No Court House Street, , Kotwali
Dhaka
1100

Telephone

+8801717568343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Atiqur Rahman Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Atiqur Rahman Khan:

Shortcuts

Share