Adv.Zamman Associate

Adv.Zamman Associate It is for your legal Solution Law is a system of rules that are enforced through social institutio It is for your absolutely legal solution

05/08/2024

Alhamdulillah

এলএল.বি. ক্লাসে প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ---"যদি কাউকে কমলালেবু দিতে হয়, কী বলবে?"এক ছাত্র জবাব দিলোঃ -- "এই নিন...
05/10/2022

এলএল.বি. ক্লাসে প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ-

--"যদি কাউকে কমলালেবু দিতে হয়, কী বলবে?"

এক ছাত্র জবাব দিলোঃ -- "এই নিন, কমলালেবু।"

প্রফেসর বললেনঃ-- "না, হলো না; উকিলের মতো করে বলো।"

তখন সেই ছাত্র বললোঃ-- "আমি বেচারামের পুত্র কেনারাম, গ্রাম চন্ডিপুর, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া নিবাসী, পূর্ণ সজ্ঞানে, কারো কাছে ভয় অথবা চাপে না পড়িয়া, মারধর না খাইয়া, এই যে ফল, যাহা কমলালেবু নামে পরিচিত আর যেটার ওপর আমার সম্পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে, তাহার খোসা, রস, মজ্জা এবং বীজ সহিত আপনাকে প্রদান করিতেছি এবং ইহার সহিত আপনাকে সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তে অধিকার দিতেছি যে, আপনি ইহাকে কাটিতে, ছিঁড়িতে, ফ্রিজে রাখিতে বা খাবার জন্যে পূর্ণ ভাবে স্বতন্ত্র রাখিতে পারিবেন।

আপনার এই অধিকারও থাকিবে যে, আপনি যে কোন অন্য ব্যাক্তিকে এই ফল, ইহার খোসা, রস, মজ্জা ও বীজের সহিত বা অন্যথা তাহাকে দিতে, খাওয়াইতে, বিক্রয় করিতে, ডাস্টবিনে ফেলিয়া দিতে পারিবেন।

আমি ঘোষণা করিতেছি যে, আজকের পূর্বে এই কমলালেবু সংক্রান্ত কোন প্রকার বাদ-বিবাদ, ঝগড়া-ঝঞ্ঝাটের সমস্ত দায়িত্ব আমার এবং আজকের পর হইতে এই কমলালেবুর সহিত আমার আর কোন প্রকার সম্পর্ক থাকিবে না কিংবা আমি বা আমার মৃত‍্যুর পর আমার ভবিষ‍্যৎ উত্তরাধিকরী বা আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন এই কমলালেবু বা এর কোনো অংশের উপর কোনোপ্রকার দাবী করব না।
অধিকন্তু এই কমলালেবুর বীজ হতে কোনো গাছ জন্মালে সেই গাছ বা তার কোনো পাতা, ডালপালা, শিকড়, ফুল ও ফলের উপর আমার বা আমার কোনো উত্তরাধিকারীর কোনোরুপ দাবি থাকবে না। তাছাড়া......"

অতঃপর, বাকিটুকু না শুনেই প্রফেসর মূর্ছা গেলেন .....
লেখক: অজানা। ঈষৎ সম্পাদিত, কিছুটা বর্ধিত ও অনেকটা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রকাশিত 😄।

এলএল.বি. ক্লাসে প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ-

--"যদি কাউকে কমলালেবু দিতে হয়, কী বলবে?"

এক ছাত্র জবাব দিলোঃ -- "এই নিন, কমলালেবু।"

প্রফেসর বললেনঃ-- "না, হলো না; উকিলের মতো করে বলো।"

তখন সেই ছাত্র বললোঃ-- "আমি বেচারামের পুত্র কেনারাম, গ্রাম চন্ডিপুর, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া নিবাসী, পূর্ণ সজ্ঞানে, কারো কাছে ভয় অথবা চাপে না পড়িয়া, মারধর না খাইয়া, এই যে ফল, যাহা কমলালেবু নামে পরিচিত আর যেটার ওপর আমার সম্পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে, তাহার খোসা, রস, মজ্জা এবং বীজ সহিত আপনাকে প্রদান করিতেছি এবং ইহার সহিত আপনাকে সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তে অধিকার দিতেছি যে, আপনি ইহাকে কাটিতে, ছিঁড়িতে, ফ্রিজে রাখিতে বা খাবার জন্যে পূর্ণ ভাবে স্বতন্ত্র রাখিতে পারিবেন।

আপনার এই অধিকারও থাকিবে যে, আপনি যে কোন অন্য ব্যাক্তিকে এই ফল, ইহার খোসা, রস, মজ্জা ও বীজের সহিত বা অন্যথা তাহাকে দিতে, খাওয়াইতে, বিক্রয় করিতে, ডাস্টবিনে ফেলিয়া দিতে পারিবেন।

আমি ঘোষণা করিতেছি যে, আজকের পূর্বে এই কমলালেবু সংক্রান্ত কোন প্রকার বাদ-বিবাদ, ঝগড়া-ঝঞ্ঝাটের সমস্ত দায়িত্ব আমার এবং আজকের পর হইতে এই কমলালেবুর সহিত আমার আর কোন প্রকার সম্পর্ক থাকিবে না কিংবা আমি বা আমার মৃত‍্যুর পর আমার ভবিষ‍্যৎ উত্তরাধিকরী বা আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন এই কমলালেবু বা এর কোনো অংশের উপর কোনোপ্রকার দাবী করব না।
অধিকন্তু এই কমলালেবুর বীজ হতে কোনো গাছ জন্মালে সেই গাছ বা তার কোনো পাতা, ডালপালা, শিকড়, ফুল ও ফলের উপর আমার বা আমার কোনো উত্তরাধিকারীর কোনোরুপ দাবি থাকবে না। তাছাড়া......"

অতঃপর, বাকিটুকু না শুনেই প্রফেসর মূর্ছা গেলেন .....

আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপ Borhan Uddin Khan

03/08/2022

জরিমানা মজার ঘটনা

তখন ইংরেজ আমল। ঢাকা এক ছোট মফস্বল শহর। কাজ-কর্ম-চাকরি বাকরি সব কিছুই কলকাতায়। বিয়ের বাজার, রোগীর চিকিৎসা, ছেলের মুসলমানীর দাওয়াতিদের খাওয়ানোর বাজার-সদাইয়ের জন্য এমনকি ধনী লোকের মেয়ের নাক-ফোড়ানির উৎসব বা পুতুলের বিয়ের ‘লওয়াজিমা’র ফর্দ নিয়েও ছুটতে হতো কলকাতায়। তো, এক কৃপণ গেরস্ত মেয়ের বিয়ের বাজার করতে কলকাতায় যাচ্ছে। তখন কলকাতায় যেতে হতো নারায়ণগঞ্জ বা কার্তিকপুর থেকে গোয়ালন্দ হয়ে স্টিমারে।

স্টিমারে গোয়ালন্দ পৌঁছে সেখান থেকে ট্রেনে কলকাতা। গোয়ালন্দ স্টিমার ঘাট ছিল তখন বেশ জমজমাট। দোকান-পাট, ফেরিঅলা-হোটেল, নৌকায় ভাসমান হোটেল, কুলি-মিস্তির ছোটাছুটি হৈচৈ-এর এক এলাহিকাণ্ড। কৃপণ গেরস্ত ভাবছিল, রাস্তাঘাটে খেয়ে আর পয়সা নষ্ট করবে না। কলকাতায় পৌঁছেই একবারে যা হোক কিছু খেয়ে নেবে। কিন্তু সে খেয়াল করেনি যে নদীপথে যাত্রাকালে বাতাস ও নদীর আবহাওয়ায় দ্রুত ক্ষিধা লাগে এবং ক্ষিধাটা চবড় করে বাড়তে থাকে। অতএব কিছু খেয়ে নেবার ইচ্ছায় সে ঘাটের এক হোটেলে ঢুকে পড়ে।


হোটেলে তখন মেলা লোক খাচ্ছে। গ্রাহকরা খেয়েদেয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে পয়সা দিচ্ছে। ম্যানেজার একজন পয়সা দিতে তার সামনে আসলেই ক্রিং ক্রিং বেল বাজায়।
ওদিকে বয়রা চিৎকার দিয়ে ওঠে:

‘সামনে চার আনা, তার পেছনে তিন—
তার পেছনে সাড়ে ছ’আনা-গুনে বুঝে নিন।

তো, আমাদের কৃপণ লোকাটও গেছে, সেই হোটেলে খেতে। তার ভয়, ‘হৈটাল’ আলারা গলাকাটা দাম নেয়। তাই, এক টেবিল বয়কে কাছে ডেকে সে জিজ্ঞাসা করে : সস্তায় কি খাওন যায় ক’তো! ভাত খামু।

বয় : ভাত, নুন পানি—সব চাইতে সস্তা, তিন পয়সা। আর লগে একখান পোড়া সিটি শুকনা মরিচ লইলে এক আধলা বেশি।
কৃপণ লোক : নারে, অত শুকনা ভাত গলা দিয়া যাইব না।

বয় : পানি দুই গেলাস খাইবেন, তাইলেই যাইব।
কৃপণ : আর একটু দামী খাওনের কথা কও বাজান।

বয় : তাইলে ভাত লন, আর ইলশা মাছের সুরা লন, সঙ্গে মাছ লইলে পড়ব ছয় আনা—শুধু সুরা আর ডাইল লইলে পড়ব তিন আনা। আর এক কাম করবার পারেন—সে ব্যবস্থাও এই হৈটালে আছে।


কৃপণ লোক : কী ব্যবস্থারে বাজান!

বয় : আপনে ভাত আর ইলশা মাছের সুরুয়া লইবেন। আর আপনের সামনে একটা বাটিতে থাকব ফৈর-আলা তেলে-ঝোলের একখান ‘দবজ’ (পুরুষ্ট) পেটি; ভাত খাইবেন ইলশার সুরা দিয়া, তয় ঐ পেটি দেইখ্যা দেইখ্যা আর পেটিই খাইতেছেন মনে কইরা খাইতে পারেন। তাতে আর এক আনা বেশি পড়ব। ঐ এক আনা ‘চোখ লাগানি’র জন্য। যে মানুষটা পরে ঐ পেটি দাম দিয়া কিনা খাইব তার পেট সাথে সাথে গটরমটর করলে আমরা ফ্রি বড়ি সাপ্লাই দেই। হেই বড়ি কিনতে আধ আনা, আর আপনের ‘দেখন সুখ খাওনের চার্জ আধ আনা।

আমাদের কৃপণের এই ব্যবস্থা পছন্দ হয়। সে ‘দেখন সুখ’ খাওয়ার অর্ডার দেয়। আর চার আনা পয়সাও ‘খুতির’ ভিতর থেকে বের করে রাখে। খাওয়া শেষে বয় ম্যানেজারের ক্রিং গুনে বলে : তিন নম্বরে দেখন সুখ অলার ড্যামাইজ (ডেমারেজ) চার্জসহ সাড়ে চাইর আনা।

কৃপণ : কেন, কেন, আধ আনা বেশি কেন? বয় : ইলশার পেটিতে যে চাটন দিছ, তা দেখি নাইতার জন্য জরিমানা মাত্রই আধ আনা।

লেখক: সৈয়দ মুজতবা আলী

31/05/2022

এক লোক একটা আস্ত বড় গরু গ্রীল করে তার মেয়েকে বললেন-
"আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভোজের জন্য ডাকো""
মেয়েটি রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকলো-
"আমাদের বাসায় আগুন লেগেছে কে কোথায় আছো আমাদের সাহায্য করো!!
অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলো। বাকিরা এমন ভাব করলো, যেনো তারা কিছু শুন'তেই পায়নি !! যারা সাহায্যের জন্য আসলো তারা পেট পুরে মজাদার সেই খাবার খেলেন।।
বাবা আশ্চর্য্য হয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন-
"মা যারা এসেছেন তাদের কাউকেই আমি চিনি না !! আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সব কোথায়??"
মেয়েটি উত্তরে বললো-
"যারা এসেছে তারাই আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী !!
তারা কিন্তু খাবার খেতে আসেনি। তারা এসেছে আমাদের বাড়ির আগুন নিভাতে। এরাই আমাদের আপনজন।।"
মুলত, যারা বিপদের সময় তোমার পাশে থাকেনি !! তারা তোমার আনন্দের অংশীদারী হওয়ার যোগ্যতাও রাখে না।

26/05/2022

ঐতিহাসিক রায়ঃ
মৃত ব্যক্তির ব্যাংকে জমাকৃত টাকা নমিনি পাবেন না।
মৃত ব্যক্তির ব্যাংকে জমাকৃত টাকা নমিনি পাবেন না, এ অর্থ উত্তরাধিকারী পাবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার এ রায় ঘোষণা করা হয়। বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এসময় আদালতে এ বিষয়ে দায়ের করা রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এমআই ফারুকী।
মামলার বিবরণীতে দেখা যায়, ২০১৪ সালের মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর শহিদুল হক চৌধুরী তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নমিনি করে ৩০ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র রাখে। পরে শহিদুল হক মারা গেলে তার দ্বিতীয় স্ত্রী পুরো টাকা একাই ভোগ করতে চাইলে মৃত শহীদুলের প্রথম পক্ষের সন্তানরা টাকা দাবি করে মামলা করে। তবে নিম্ন আদালত রায় দেন, নমিনি যে সেই টাকা পাবে।

এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করলে, রোববার মৃত ব্যক্তির ব্যাংকে থাকা টাকা নমিনি নয়, উত্তরাধিকারীরা পাবেন বলেন রায় দিলেন আদালত। আদালতে রিভিশন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, সঙ্গে ছিলেন সাদেকুর রহমান ও নাজনীন নাহার। অন্যপক্ষে (মৃত ব্যক্তির দ্বিতীয় স্ত্রী) ছিলেন আইনজীবী বি এম ইলিয়াস কচি ও মাকসুদুল ইসলাম।

রায়ের পর আইনজীবী নাজনীন জানান, “সঞ্চয়পত্রের মালিকের নমিনি ট্রাস্টি হিসেবে থাকবে, মালিক মারা গেলে নমিনি ওই অর্থ উত্তোলনের অধিকারী হবেন ও উত্তরাধিকার আইন অনুসারে মৃত ব্যক্তির সাকসেসরদের (উত্তরাধিকারী) মধ্যে তা বণ্টন করবেন।”

নমিনি যদি উত্তরাধিকারী হন, তবে তিনি ওই অর্থের মালিকানা পাবেন বলে রায় দিয়েছে আদালত; অন্যথায় নয়। প্রচলিত আইনে নমিনি ও উত্তরাধিকারী বিষয়ে স্পষ্ট বলা রয়েছে জানিয়ে অ্যাডভোকেট নাজনীন বলেন, “প্রচলিত ধারণা, নমিনিই সঞ্চয়পত্রের অর্থের মালিকানা পাবে। হাই কোর্টের রায়ের ফলে এখন বিষয়টি আরও স্পষ্ট হল।”

নমিনির ভূমিকা আগে কি ছিল??? :
ব্যাংক, ইন্সুরেন্স ইত্যাদির ক্ষেত্রে নমিনির ভুমিকা হল ট্রাস্টির মত। অর্থাৎ নমিনির কাজ হল যখন একাউন্ট হোল্ডার মারা যাবেন তখন নমিনি ওই একাউন্ট সম্পর্কিত যাবতীয় কাজ করবেন (যেমনঃ একাউন্ট এ রক্ষিত টাকা তুলবেন।) এবং সম্পত্তিটি একাউন্ট হোল্ডারের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন করে দিবেন।

এই ক্ষেত্রে অনেকেই একটি ভূল করে থাকেন। সেটা হল অনেকেই ভাবেন যে, নমিনি হল ওই একাউন্ট এর মালিক। এই ধারনা সম্পূর্ন ভূল। নমিনি হল ওই একাউন্ট এর হেফাজতকারী মাত্র। তিনি মৃত ব্যক্তির পক্ষে একাউন্ট পরিচালনাকারী মাত্র। মৃত ব্যক্তির টাকা বন্টিত হবে সাকসেসন আইন অনুযায়ী। নমিনি যদি মৃত ব্যক্তির উত্ত্রাধিকারী না হন তবে কোন অবস্থায় তিনি সম্পত্তির দাবিদার নন।

সাকসেসন আইন অনুযায়ী নমিনি যদি কোন টাকা পাওয়ার অধিকারী হন তবে তিনি তা এমনিতেই পাবেন। নমিনি হওয়ার কারনে তিনি অন্য কোন বিশেষ অধিকার ভোগ করবেন না।

এই ব্যাপারে সাকসেসন আইন দ্রষ্টব্য। এই বিষয়ে ভারতীয় একটি মামলার রেফারেন্স দেয়া যেতে পারে। যেখানে বিচারপতি আর.এস জোধি বলেন, “Any amount paid to the nominee after valid deductions becomes the estate of the deceased.” তিনি আরও বলেন নমিনি হল ডিপোজিটর মাত্র।
রায়টা ছিল এমনঃ-
“The provisions (relating to insurance and housing societies) are made merely to give a valid discharge to the insurance company or the cooperative society without vesting the ownership rights in the insurance policy or the membership rights in the Society upon such nominee,” said the judge, while pointing out that the provisions of the Companies Act and Depositories Act, that govern equity shares are different. Both these laws say that the shares would be vested with the nominee on the death of the share holder.”

Collected...

21/04/2022

জার্মানির এক নামকরা ব্যাংকে ব্যাংক ডাকাতির সময় ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোনো নড়াচড়া করবেন না, টাকা গেলে যাবে সরকারের, কিন্তু জীবন গেলে যাবে আপনার আর তাই ভাবনা চিন্তা করে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।"
এই কথা শোনার পর, সবাই শান্ত হয়ে চুপচাপ মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েছিল। এই ব্যাপারটাকে বলে "Mind Changing Concept”, অর্থাৎ মানূষের ব্রেইনকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী অন্যদিকে কনভার্ট করে ফেলা।
সবাই যখন শুয়ে পড়েছিল, তখন এক সুন্দরী মহিলার কাপড় অসাবধানতা বসত তার পা থেকে কিছুটা উপরে ঊঠে গিয়েছিল এমন সময় ডাকাত দলের সর্দার তার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলো, "আপনার কাপড় ঠিক করুন! আমরা এখানে ব্যাংক ডাকাতি করতে এসেছি, রেপ করতে না।"
এই ব্যাপারটাকে বলে "Being Professional”, অর্থাৎ আপনি যেটা করতে এসেছেন, সেটাই করবেন। যতই প্রলোভন থাকুক অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না।
যখন ডাকাতরা ডাকাতি করে তাদের আস্তানায় ফিরে এলো তখন এক ছোট ডাকাত(এমবিএ পাশ করা) ডাকাত দলের সর্দার(যে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে)কে বললো, "বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি"
ডাকাত দলের সর্দার মুচকি হেসে বললো, তার কোনোই প্রয়োজন নেই, কেনোনা একটু পরে টিভি ছাড়লে নিউজ চ্যানেলগুলোই বলে দেবে আমরা কতো টাকা নিয়ে এসেছি।
এই ব্যাপারটাকে বলে "Experience"। অভিজ্ঞতা যে গতানুগতিক সার্টিফিকেট এর বাইরে গিয়েও কাজ করতে পারে, ইহা তার একটি ঊৎকৃষ্ট প্রমাণ।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ব্যাংক এর এক কর্মচারি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে ছুটে এসে বললো, স্যার তাড়াতাড়ি চলেন পুলিশকে ফোন করি, এখনই ফোন করলে ওরা বেশিদূর যেতে পারবে না। ব্যাংক ম্যানেজার কর্মচারিকে থামিয়ে দিয়ে বললো, ওদেরকে আমাদের সুবিধার জন্যই এই ২০ মিলিয়ন টাকা নিয়ে যেতে দেওয়া উচিৎ, তাহলে আমরা যে ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেছি, তা এই ডাকাতির ভিতর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া যাবে।
এই ব্যাপারটাকে বলে, Swim with the tide, অর্থাৎ নিজের বিপদকেও বুদ্ধি দিয়ে নিজের সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করা।
কিছু সময় পরেই, টিভিতে রিপোর্ট আসলো, ব্যাংক ডাকাতিতে ১০০ মিলিয়ন টাকা লোপাট। ডাকাতরা সেই রিপোর্ট দেখে বারবার টাকা গুনেও ২০ মিলিয়ন এর বেশি বাড়াতে পারলো না। ডাকাত দলের সর্দার রাগে ক্রুদ্ধ হয়ে বললো, "শালা আমরা আমাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে, এতো কিছু ম্যানেজ করে মাত্র ২০ মিলিয়ন টাকা নিলাম আর ব্যাংক ম্যানেজার শুধুমাত্র এক কলমের খোঁচাতেই ৮০ মিলিয়ন টাকা সরিয়ে দিল। শালা চোর-ডাকাত না হয়ে পড়াশোনা করলেই তো বেশি লাভ হত।"
এই ব্যাপারটাকে বলে "Knowledge is worth as much as gold!" অর্থাৎ অসির চেয়ে মসী বড়।
ব্যাংক ম্যনেজার মন খুলে হাসছে, কেনোনা তার লাভ ৮০ মিলিয়ন টাকা। ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেও সে আরও ১০ মিলিয়ন টাকা এই সুযোগে তার নিজের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেছে।
এই ব্যাপারটাকে বলে,
"Seizing the opportunity.” Daring to take risks!
অর্থাৎ সুযোগ থাকলে তাকে কাজে লাগানোই উচিৎ...!

06/04/2022

প্রসঙ্গঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি।

সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তিটা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের রুটিন আর স্বাভাবিক অনেক রুটিন আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের জীবন থেকে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি থাকলেও আমরা যে আদৌ আসক্ত, তা
বুঝতে বা শনাক্ত করতে আমরা অধিকাংশই ব্যর্থ হই। এই আসক্তিটা আমাদের জীবনে এতখানি স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়—সেটাকে কখনো সন্দেহের চোখে দেখার কিংবা সেটা নিয়ে একটু উদ্বিগ্ন হওয়ার চিন্তা আমাদের মাথায় কখনোই আসে না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনি যে আসক্ত তা বুঝবেন কীভাবে, তাই তো?
প্রশ্নটা আপনার একার নয়, দুনিয়ার অনেক-মানুষের।

সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির অনেকগুলো লক্ষণ বিদ্যমান, কিন্তু সেসবের মধ্যে ভয়ানক পর্যায়ে র কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখে আপনি আঁচ করতে পারবেন যে, আপনার সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির পর্যায় কতখানি।

সকালবেলা ঘুম ভাঙার পর স্মার্ট ফোনটার কথাই যদি সর্বাগ্রে আপনার মনে আসে এবং বিছানায় থাকাবস্থাতেই যদি আপনি ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করবার তাড়না অনুভব করেন, তাহলে ধরে নিতে পারেন যে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভালো রকমের আসক্ত।

ধরুন, আপনি কোনো কাজ করছেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফোন চেক করবার, নোটিফিকেশন চেক করবার তাড়না অনুভব করেন কি? ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে কাজ করার সময় আপনি কি আলাদা ট্যাবে ফেইসবুক খুলে রাখেন, যাতে খানিক পর পর আপনি সেখানে ঢুঁ মারতে পারেন? যদি আপনার মাঝে এই অভ্যাসটা থাকে, তাহলে তা সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির অন্যতম লক্ষণ।

ধরুন, এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে, আপনি কোনোভাবে ফেইসবুকে ঢুকতে পারছেন না। হয়তো আপনার ফোনে ডাটা নেই অথবা ফেইসবুকের নিজস্ব কারিগরি সমস্যার কারণে ফেইসবুকে ঢুকতে আপনার সমস্যা হচ্ছে কিংবা এমনও হতে পারে—কোনো কারণে ফেইসবুক আপনার অ্যাকাউন্টটাকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে। ভাবুন তো, ওই নির্দিষ্ট সকালটা আপনার কেমন কাটবে? নিশ্চয় একরাশ বিরক্তি আর অস্থিরতায়। সেদিনের স্বাভাবিক সবকিছুকে আপনার বিরক্তিকর মনে
হবে। কখন আপনি পুনরায় ফেইসবুকে ফেরত যেতে পারবেন আর কীভাবে সাসপেন্ড হওয়া অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে আনতে পারবেন—এমন চিন্তায় বিক্ষিপ্ত থাকবে আপনার মন। খিটখিটে হয়ে থাকবে মেজাজ-মর্জি। এই ঘটনা যদি আপনার সাথে ঘটে থাকে বা ঘটবার আশংকা থাকে, ধরে নিতে পারেন যে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জোরালোভাবে আসক্তদের একজন।
কোথাও বেড়াতে গেলে বা পরিবার আর বন্ধুদের সাথে সুন্দর সময় কাটানোর অনেক অনিন্দ্য সুন্দর মুহূর্তকে নিশ্চয় আপনি ক্যামেরাবন্দি করেন, তাই না? এসব মুহূর্তকে ক্যামেরা-বন্দি করার সময় আপনার মনে কি বারংবার সোশ্যাল মিডিয়ার কথা ভেসে ওঠে? এই ছবিগুলোকে কত বাহারি ক্যাপশানে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করবেন, তাতে কাকে কাকে ট্যাগ করবেন, সেসব দেখে অন্যদের কী প্রতিক্রিয়া হবে—এসব
চিন্তা কি আপনার ভাবনা-জগতে এসে দোলা দেয়?
উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে ধরে নেওয়া যায়, আপনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া আসক্ত ব্যক্তি।

অস্বীকার করবো না যে, প্রযুক্তি আমাদের জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে,কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কি আমাদের জীবন থেকে প্রকৃত আনন্দটুকু কেড়ে নিচ্ছে না? শেষ কবে আমরা নিজেদের জন্য একটু সময় বের করেছি মনে পড়ে? শিশিরভেজা ঘাসে একটু হাঁটবার জন্য, বিমুগ্ধ বিস্ময়ে পাখ-পাখালির গান শোনবার জন্য, নদীর কলতান আর সমুদ্রের গর্জন নিজেকে একাকার করবার জন্য শেষ কবে আমরা সময় করতে পেরেছি?

শারীরিক ক্ষতি তো আছেই, আত্মিক দিক থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি কি আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে না? সালাতে দাঁড়ালেই আমাদের কি অনলাইন জগতের নানান কথাবার্তা , নানান ঘটনা মনে পড়ে না? অনলাইনে কী লিখছি, কী পড়ছি, কী দেখছি—তা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত থাকতে গিয়ে, আমাদের ঈমান-আমলের যে বেহাল দশা হয়ে আছে, তা ভেবে দেখবার সময় হয়েছে কখনো?

জীবনটা বড় ক্ষুদ্র! ক্ষুদ্র এই জীবনের বড় একটা অংশ যদি অযথা, অহেতুক কোনো আসক্তির পেছনে খরচ হয়ে যায়, কতটাই বা তবে বিকশিত হতে পারে মানবজীবন?

(সংগ্রহঃ খেলাঘর পাতা আছে এই এখানে / আরিফ আজাদ)

05/07/2021

চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন (৬০) মারা গেছেন। আজ সোমবার বেলা পৌনে চারটায়...

09/03/2021

Address

House-1082, Road-21, Tilpapara, Khilgaon
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv.Zamman Associate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adv.Zamman Associate:

Share