10/04/2025
আদালত সম্পর্কে ধারনা না থাকলে এইসব ফালতু কথা খুব সহজে বলা যায়!
এই ঘটনা একটি অত্যান্ত স্বাভাবিক ঘটনা। জটিল, কুটিল বিষয়ে উনাদের কখনো কথা বলতে দেখি না।
কেন স্বাভাবিক বিষয়?
প্রথমত-আগাম জামিন হোক, কিংবা যেকোন মোশন বিজ্ঞ আইনজীবী মেরিটে শুনানি করলে এবং মাননীয় কোর্ট মেধাবী হলে সিদ্ধান্ত দিতে ১ মিনিটের বেশি সময় লাগার কথা না।
দ্বিতীয়ত- ৩১৩ জনের ডিঙিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও অমূলক! আমারা আইনজীবীরা অনেক সময় ব্যাক্তিগত কারনেও মাননীয় আদালতে মেনশন করে অনেক পেছনে থাকা সিরিয়ালের মামলাও আগে শুনানি করে থাকি। যেমন ধরেন অবকাশ চলছে বলে কোন আইনজীবী বললেন, মাই লড আমি দেশের বাইরে যাবো, কিংবা বাড়িতে যাবো, কিংবা ওমরা করতে যাবো কিংবা পার্সোনাল ডিফিকাল্টটিজের কারনে থাকবো না, আমার মামলাটা আজকে একটু শুনানী করতে চাই। আর সিনিয়র কেউ হলে তো কথাই নাই। এটা প্রতিনিয়তই ঘটছে।
কার স্ত্রী মিডিয়ার কি বললো না ভেবে মাননীয় আদালত মেরিটে আগাম জামিন দিয়েছেন। সবখেকে বড় গ্রাউন্ড আসামী একজন মহিলা। মিডিয়ার প্রভাব মাথায় নেননি এটাই সঠিক। এটাই আদালত থেকে আমরা আশা করি।
জুলকারনাইন সায়ের অনুসন্ধানী রিপোর্টটার ঠিক আছে। কিন্তু কোর্টের বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান উনার নেই। কিন্তু অবাক হই যখন দেখি সুপ্রিম কোর্ট নিয়মিত প্র্যাকটিস করা বিজ্ঞ আইনজীবী যখন স্রোতে গা ভাসান! সাংবাদিকদের কথা না হয় বাদ দিলাম।
আদালতের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়ার প্রভাব পরাটাও স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য বর্তমানে বড় হুমকি।