Rahat Legal Aid Centre

Rahat Legal Aid Centre দেওয়ানী, ফৌজদারী, বিবাহ, তালাক, ফ্ল্যা?

Rahat Legal Aid Center সর্বদা যে কোন প্রকার নারী ও শিশু  নির্যাতন প্রতিরোধে সকল প্রকার   আইনি সহায়তা নিয়ে আপনাদের পাসে থ...
08/03/2022

Rahat Legal Aid Center সর্বদা যে কোন প্রকার নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সকল প্রকার আইনি সহায়তা নিয়ে আপনাদের পাসে থাকতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ-

M.N. Rahatul Islam
LL.B.(Hon's), LL.M.( Jagannath University)
Advocate
District and session judge court, Dhaka.
Head of Chamber
Rahat Legal Aid Centre
Cell:- 01748540805

হাত লিগ্যাল এইড সেন্টার এর পক্ষ থেকে পৃথিবীর সকল মানুষ কে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা এবং ভাষা...
21/02/2022

হাত লিগ্যাল এইড সেন্টার এর পক্ষ থেকে পৃথিবীর সকল মানুষ কে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা এবং ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

কোন নারী ও শিশু নির্যাতন,  ধর্ষনের শিকার হলে কি করবেনঃ-নারী নির্যাতনের মাত্রা এত বেড়ে গেছে যে, ইভটিজিং নিয়ে রিপোর্ট করার...
10/01/2022

কোন নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষনের শিকার হলে কি করবেনঃ-

নারী নির্যাতনের মাত্রা এত বেড়ে গেছে যে, ইভটিজিং নিয়ে রিপোর্ট করার ফুরসত যেন নেই মিডিয়ার। এদিকে, বিরামহীনভাবে চলছে ধর্ষণ। একের পর লোমহর্ষক খবর সবাইকে অস্থির করে দিচ্ছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি মাদরাসায়ও ধর্ষণসহ নানা কায়দায় চলছে নারী নির্যাতন। শিক্ষকতার মহান দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিও নাম লেখাচ্ছেন ধর্ষকের খাতায়।
মানুষের আস্থার জায়গা বলে কিছু থাকছে না। পবিত্র শিক্ষাঙ্গন আজ অপবিত্র। নিজের ঠিকানা, নিজের ঘর পর্যন্ত কলুষিত। অবস্থা এতটাই ভয়াবহ যা ভাবাও যায় না, লিখতেও হাত কাঁপে। ধর্ষণ-নির্যাতনের ক’টি খবরইবা মিডিয়ায় আসছে? বহু মা-বোন লুকিয়ে রাখছে তাদের নির্যাতনের খবর। অনেক অসহায় ধর্ষিতা নীরবে নিভৃতে কাঁদছে বছরের পর বছর। ধর্ষণ-নির্যাতন মহামারীর রূপ নিয়েছে। যেকোনো মূল্যে এ অবস্থা থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হবে, বাঁচাতে হবে জাতিকে। আর এই ভয়ংকর অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে আমাদের কে অবশ্যই আইনের মাধ্যমে প্রতিকার করতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ে করে এর প্রতিকার পেতে পারেন। এই জন্য প্রথমে আপনাকে যেতে হবে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে তার পরামর্শে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

নারী ও শিশু পিটিশন মামলার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ডকুমেন্টস লাগবেঃ-

১) কাবিননামার সত্যায়িত ফটোকপি( সামি কতৃক নির্যাতনের শিকার হলে)
২) ডাক্তারী সনদপত্র মুলকপি।( নির্যাতন এবং ধর্ষনে ক্ষেত্রে, মনে রাখতে হবে যে সনদ অবশ্যই সরকারি হাসপাতালের হতে হবে)
৩) হলফনামার মুল কপি।
৪) পূর্বের জি ডি এর সত্যায়িত ফটোকপি।
৫) ভোটার আইডি কার্ড।

যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ-

M.N. Rahatul Islam
LL.B.(Hon's), LL.M.( Jagannath University)
Advocate
District and session judge court, Dhaka.
Head of Chamber
Rahat Legal Aid Centre
Cell:- 01748540805

আপনি যদি  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। একবিংশ শতাব্দীতে মানুষের কাছে সবচে...
06/01/2022

আপনি যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।

একবিংশ শতাব্দীতে মানুষের কাছে সবচেয়ে সহজলভ্যতার বস্তুতে পরিণত হয়েছে ইন্টারনেট। কিশোর-কিশোরী, যুবক, বৃদ্ধ সবাই আজ নেট দুনিয়ায় চরম ব্যস্ত সময় দিনাতিপাত করছে। তবে যুগের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্তর্জালে যুক্ত হতে গিয়ে কেউ আবার ইচ্ছা-অনিচ্ছায় হচ্ছেন অপরাধী আবার কেউ ভিকটিম। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি বর্তমানে ফেসবুক ব্যাবহারকারি এমন নারীর সংখ্যা খুবই কম যারা কখনো ফেসবুক বা যেকোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর, বিভ্রান্তিমূলক, অশালীন, অরুচিকর, অশ্লীল, আক্রমণাত্মক ও উস্কানিমূলক কিছু লেখা বা মন্তব্য করা কিংবা ছবি বা ভিডিও আপলোড মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়নি। এমন ও হয়ে থাকে এই সকল কারণে অনেক নারী ও শিশু আত্মহত্যার পথ বেছেনিতে বাধ্য হয়।আমাদের সমাজে ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এই অপরাধ।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ার্নেস ফাউন্ডেশনের’ তথ্যমতে, সাইবার অপরাধে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী মেয়েরা। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১৮ বছরের কম ১০.৫২ শতাংশ, ১৮ থেকে ৩০ বছরের কম ৭৩.৭১ শতাংশ। এছাড়াও ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এ অপরাধের শিকার ১২.৭৭ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠী।

এটি প্রতিরোধ করতে প্রয়োজন সময়মতো উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ নিয়ে আপনার নিকটস্থ, বিশ্বস্ত আইনজীবীর সরনাপ্ন হয়ে তার মাধ্যমে Cyber Tribunal এ মামলা দায়ের করা।

মামলা দায়ের জন্য যে সকল ডকুমেন্টস লাগবেঃ-

১) যে মাধ্যমে অপরাধ টি করা হয়েছে সেটার স্ক্রিনশট। যেমনঃ- ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে করা হলে চ্যাটের স্ক্রিনশট।
২) যে আইডি থেকে করা হয়েছে তার URL বা URL এর স্ক্রিনশট।

৩) কোন অশ্লীল/ মানহানিকর ভিডিও বা অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালে সেটা।

আইন মেনে চলুন এবং কোন অপরাধের শিকার হলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আত্মাহ্যা কোন সমাধান নয় বরং অপরাধী কে আরো অপরাধ করার সুযোগ করে দেওয়া।

যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ-

M.N. Rahatul Islam
LL.B.(Hon's), LL.M.( Jagannath University)
Advocate
District and session judge court, Dhaka.
Head of Chamber
Rahat Legal Aid Centre
Cell:- 01748540805

মানুষ সাধারণত দুই পেশার মানুষের কাছে তাদের একান্ত গোপনীয় কথাগুলো শেয়ার করে, কোন দুই পেশা? এক আইনজীবী এবংদুই ডাক্তার, যে ...
01/01/2022

মানুষ সাধারণত দুই পেশার মানুষের কাছে তাদের একান্ত গোপনীয় কথাগুলো শেয়ার করে, কোন দুই পেশা? এক আইনজীবী এবংদুই ডাক্তার, যে কথা কেউ জানে না সেই কথা গুলো এদের কাছে মন খুলে বলে কারন সমস্যার সমাধানের আশায়। তাই এই দুই পেশার মানুষের ও উচিৎ এবং পবিত্র দায়িত্ব সেই গোপন তথ্য গুলোর গোপনীয়তা রক্ষা করা। Evidence Act 1872 এর ১২৬ ধারাতে ও Professional Communication এর তথ্য প্রকাশ না করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

Rahat Legal Aid Centre তার মক্কেলের সকল গোপনীয় তথ্য গোপন রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই কোন প্রকার আইনী সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের কাছ থেকে সঠিক ও সত্য তথ্য আশা করি মিথ্যা তথ্য দিয়ে অযথা আমাদের মূল্যবান সময় অপচয় না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
তাছাড়া সেবা প্রদানের একটা নির্ধারিত সময় আছে তখন যোগাযোগ করুন অফিস টাইমের বাইরে আমরা সেবা প্রদান করি তবে সেটা জরুরি ক্ষেত্রে। যখন তখন ফোন না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

আমরা এখন পরযন্ত ৪৬ জন কে সম্পূর্ণ বিনা ফিসে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছি।ভবিষ্যতে এই সংখ্যা হয়তো পর্যায় ক্রমে হাজার, লাখে পৌছাবে কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখতে হবে Rahat Legal Aid Centre কোন সরকারি বা আধাসরকারী প্রতিষ্ঠান না এটি একটি মহৎ উদেশ্য নিয়ে সবেমাত্র যাত্রা শুরু করা বেক্তিগত প্রতিষ্ঠান যা এখনো পরিপক্ব নয় তবে আমরা স্বপ্ন দেখি একদিন এটি এই দেশের অন্যতম সেরা আইনী সহায়তা প্রদান করি প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের সেই শুভ যাত্রায় পাসে থাকবেন বলে আশাকরি।
ধন্যবাদ।
সকলের নতুন বছর শুভ হোক।

M.N. Rahatul Islam
Advocate
District and session judge court, Dhaka.
Contact Number -01748540805

16/12/2021
13/12/2021

মোটর সাইকেল ক্রয় বিক্রয় এর সঠিক পদ্ধতি

আমরা অনেকেই মোটরসাইকেল ব্যাবহার এর উদ্দেশে ক্রয় বা বিক্রয় করে থাকি। কিন্তু অনেকেই মোটর সাইকেল ক্রয় বিক্রয় এর সঠিক পদ্ধতি ও কি কি কাগজপত্র লাগে তা সন্মন্ধে জানি না।

আসুন দেখি একটি মোটর সাইকেল ক্রয় অথবা বিক্রয় এর সময় কি করাউচিত>

১) বিক্রেতা থেকে মোটর সাইকেল দেখার পর মোটর সাইকেল এর কাগজ, যেমনঃ রেজিস্ট্রেশান পেপার, ফিটনেস পেপার, ব্লু বুক এর ফটোকপি নিয়ে বি আর টি এ তে নিজে গিয়ে চেক করুন
২) কাগজ ওকে থাকলে একজন মেকানিক কে দিয়ে ইঞ্জিন নং এবং চেসিস নং ঠিক আছে নাকি চেক করান।
৩) সব ঠিক থাকলে বিক্রেতা কে অনুরধ করুন নিচের কাগজপত্র গুলো লেনদেন করার সময় নিয়ে আসতে।

ক্রেতা হলে>

* বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র (আসল টি), যা আপনি নিজে দেখে ফটোকপি করে নিবেন। ফটোকপি নিয়ে আসতে বলবেন না।
* বিক্রেতার অন্য কোনও আইডি কার্ড থাকলে তার ফটোকপি। যেমনঃ জব আইডি কার্ড, ভার্সিটি আইডি কার্ড।
* বিক্রেতার ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ছবি। যার পিছনে বিক্রেতার সই আপনার সামনে নিয়ে নিবেন।
* মোটর সাইকেল ক্রয় এর রশিদ। অর্থাৎ যে দোকান থেকে মোটর সাইকেল বিক্রেতা ক্রয় করেছিলেন সেই রশিদ টি।

বিক্রেতা হলে>>

* ক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র (আসল টি), যা আপনি নিজে দেখে ফটোকপি করে নিবেন। ফটোকপি নিয়ে আসতে বলবেন না।
* ক্রেতার ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ছবি। যার পিছনে বিক্রেতার সই আপনার সামনে নিয়ে নিবেন।
ক্রেতা কি করবেন>>
* ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এ (১৫০ টাকার স্ট্যাম্প করবেন না)
* বিক্রেতার স্বাক্ষর নিবেন প্রতি পাতা তে দুই বার করে। একদম শেষ পাতা তে বিক্রেতার স্বাক্ষর এর সাথে বিক্রেতার বাম হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুলির ছাপ নিবেন।
বিক্রেতা বলবে এটা লাগবে না তারপর ও নিবেন। মনে রাখবেন স্বাক্ষর জাল হতে পারে কিন্তু আঙ্গুলের ছাপ নকল হতে পারে না। কিনার সময় মনে করে পকেটে করে আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার স্ট্যাম্প কালি প্যাড সাথে নিয়ে যাবেন।
স্বাক্ষর এর নিচে মোবাইল নং ও নিবেন। স্ট্যাম্প টির খালি ঘর গুলো বিশেষ করে বিক্রেতার বিস্তারিত বিক্রেতার নিজের হাতে পুরন করে নিন।
স্ট্যাম্প এ যথাযথ ভাবে সব লেখা আছে। তারপর ও এই লেখা গুলো বিশেষ ভাবে নজর রাখবেন>>
“”প্রকাশ থাকে যে, উক্ত গাড়ী্টি আমার / আমাদের নামে থাকা কালে কোন মামলা মোকাদ্দামা কিংবা ব্যাংকে কোন মর্টগেজ ছিল না । আরো উল্লেখ থাকে যে, মালিকানা পরিবর্তনে কোন সমস্যা হইলে দ্বিতীয় পক্ষ টাকা দেয়া সাপেক্ষে তাহা আমি প্রথম পক্ষ নিজ দায়িত্বে করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব কিন্তু
২য় পক্ষকে অবশ্যই আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নাম ট্রান্সফার করতে হবে, অন্যথায় আমি ১ম পক্ষ দায়ভার বহন করিবে না এবং অদ্য……………………………………ইং তারিখ হইতে আমি দ্বিতীয় পক্ষ উল্লেখিত গাড়ীটির সমস্ত দায়িত্বে দায়বহন করবো ।
যদি নাম ট্রান্সফারে কোন বিগ্ন ঘটে, তাহা হইলে ১ম পক্ষ উপস্তিত থেকে উহা করিয়া দিতে বাধ্য থাকিবে ।””
*********************************************
**সব স্বাক্ষর করা শেষ হলে বিক্রেতার স্বাক্ষর জাতীয় পরিচয়পত্র, রেজিস্ট্রেশান পেপার, ফিটনেস পেপার সব জায়গার বিক্রেতার স্বাক্ষর এর সাথে মিলিয়ে দেখুন। সব যদি মিল থাকে তাহলে তারপর এ লেনদেন করুন।
চুক্তিনামা নিয়ে উকিল এর কাছে এফিদেফিট ( নোটারি) করিয়ে নিবেন অবশ্যই।
**সব কাগজ এর ফটোকপি করে এক সেট আপনার বাসায় রেখে দিবেন।

শৈশব থেকে স্বপ্ন দেখতাম দেশ এবং মানুষের জন্য কিছু করবো সেই তাড়না থেকে আইন নিয়ে পড়া। এখনই সময় সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ কে দেওয়...
03/12/2021

শৈশব থেকে স্বপ্ন দেখতাম দেশ এবং মানুষের জন্য কিছু করবো সেই তাড়না থেকে আইন নিয়ে পড়া। এখনই সময় সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ কে দেওয়া আমার সেই প্রতিজ্ঞা পালন করার। আর সেই উদেশ্য আমার এই Rahat Legal Aid Centre.

Rahat Legal Aid Centre দরিদ্র,অসহায়, নিরীহ, নিরপরাধ, মানুষদের কে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সকল প্রকার আইনী সহায়তা প্রদান করবে এ ছাড়া অসহায়, দরিদ্র, নারী ধর্ষনের, স্লিলতা হানির অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত নারী ভিকটিম কে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সকল প্রকার আইনী সহায়তা প্রদান করবে।

আপাতত শুক্রবার এবং শনিবার Rahat Legal Aid Centre এর অস্থায়ী ঠীকানা কেরানীগঞ্জ মডেল টাউন থেকে যাত্রা শুরু করছে এবং এখান থেকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করাহবে ইনশাআল্লাহ।

এবং রবি,সোম, বুধ,বৃহস্পতিবার পল্টনে আমার কর্পোরেট চেম্বারে এসে দেখা করতে পারেন।

ধন্যবাদ।
পাসে থাকুন।
ভালো কিছু করুন।

এডভোকেট এম. এন. রাহাতুল ইসলাম
এল এল.বি.(অনার্স)
এল এল.এম.(জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

25/11/2021

হাইকোর্টের লিখিত পরীক্ষা সম্ভবত এই বছর ২৪ ডিসেম্বর হচ্ছে। হাইকোর্টের ভাইবার পর জজ কোর্টের পরীক্ষার দিকে নজর দিবে বার কাউন্সিল। তাই বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারির পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে সিরিয়াসলি পড়তে থাকেন। পরীক্ষার দিন কিন্ত দেখতে দেখতেই চলে আসবে।

23/11/2021

ফৌজদারি মামলার ধাপসমূহ পর্যায় ক্রমে আলোচনা করাহলোঃ-

১নং ধাপ - মামলা দায়ের।

ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায় দুই ভাবেঃ-
ক) এজাহার দায়েরের মাধ্যমে।
খ) নালিশি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে।

ক) এজাহারের মাধ্যমে দায়েরকৃত মামলা।

এজাহার দায়ের করতে হয় পুলিশের নিকট পুলিশ অভিযোগ পেলে পর্যায় ক্রমে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা নিম্ন রূপ-

প্রাথমিক সংবাদঃ

জি. আর. মামলার ক্ষেত্রে ধারা ১৫৪
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে সরকার নির্দেশিত বি পি ফম 27 এ অন্তর্ভুক্ত করবে।

নন জি.আর. মামলার ক্ষেত্রে ধারা ১৫৫
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা 155 ধারায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করে সাধারণ ডায়েরি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতা কে ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট প্রেরণ করবে।

তদন্ত -

আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তঃ-
ধারা ১৫৬ অধীন পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি ছাড়া করতে পারবে।

ধারা ১৫৭ অধীন পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত সন্দেহের ভিক্তিতে করতে পারবে যদি ও এজাহার দায়ের না হয়। যেমন কোন চিঠির মাধ্যমে সংবাদ পেলে।

আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তঃ-

ধারা ১৫৫(২) অধীন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে আমল অযোগ্য অপরাধ এর তদন্ত করতে পারবে।

গ্রেফতার কৃত অভিযুক্ত কে আদালতে প্রেরন-
61 ধারার অধীন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত কে 24 ঘন্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।

পুলিশের সাক্ষী তলব -
160 ধারার অধীন পুলিশ মামলার সাথে সম্পর্কিত সাক্ষীদের তলব করতে পারবেন।

পুলিশের সাক্ষী পরীক্ষা -
161 ধারার অধীন পুলিশ মামলার সাক্ষীদের মৌখিক ভাবে পরীক্ষা করে লিখিত আকারে তা লিপিবদ্ধ করবে।

তল্লাশি -
165 ধারার অধীন পুলিশ তদন্তের সময় প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো স্থানে তল্লাশি করতে পারবে

কেস ডায়েরী -
172 ধারার অধীন পুলিশ প্রতিদিনের তদন্তের বিষয়ে এবং মামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদন্তের সকল বিষয় উক্ত ডায়েরিতে অন্তর্ভুক্ত করবে।

পুলিশ রিপোর্ট-
173 ধারার অধীন পুলিশ তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট জমা দিবে। যদি অপরাধের সত্যতা না পাওয়া যায় তাহলে ফাইনাল রিপোর্ট দিবে এবং যদি অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে চার্জশিট দিবে।

খ) নালিশি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে মামলা।

নালিশি অভিযোগ দায়ের করতে হয় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তা নিম্ন রূপঃ-

মামলা আমলে নিবে-
190 ধারা অধীন তিন ভাবে নালিশি মামলা ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিতে পারে।

১) ১৯০(১)ক অপরাধ সম্পর্কে নালিশ কারীর আবেদনে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিবে।
২) ১৯০(১)খ পুলিশি রিপোর্ট এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিবে।
৩) ১৯০(১)গ অন্য কোনভাবে বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিজ জ্ঞানে অপরাধ আমলে নিবে।

জবানবন্দি গ্রহণ-
যদি কোন নালিশ মৌখিক ভাবে করা হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট 200 ধারার অধীন শপথ পূর্ব অভিযোগকারী বা সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে।

নালিশ ফেরত-
যদি এখতিয়ার বিহীন আদালতে নালিশ দায়ের করে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট 201 ধারার অধীন নালিশ ফেরত দিবে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য।

পরোয়ানা স্থগিত-
নালিশ আমলে নেওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি নালিশ এর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ করে তাহলে 202 ধারার অধীন পরোয়ানা স্থগিত করবে।

অনুসন্ধান-
ম্যাজিস্ট্রেট 202 ধারার অধীন পরোয়ানা স্থগিত করে নালিশের সত্যতার নির্ধারণের জন্য অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশকে নির্দেশ দিতে পারে তদন্তের জন্য।

নালিশ খারিজ-
203 ধারার অধীন তিনটি কারনে নালিশ খারিজ হতে পারে।
ক) নালিশ বিশ্বাসযোগ্য না হলে।
খ) 202 ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট বাদীর বিপক্ষে আসলে।
গ) জবানবন্দি বিশ্বাসযোগ্য না হলে।

পরোয়ানা ইস্যু-
ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে 204 ধারার অধীন পরোয়ানা এবং সমন ইস্যু করতে পারে কিন্তু প্রসেস ফি না দিলে নালিশ খারিজ করে দিবে।

বিচারের জন্য প্রেরন-
ম্যাজিস্ট্রেট যদি নালিশ আমলে নেওয়ার পর দেখতে পাই যে উক্ত অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার দায়রা আদালতের তখন ম্যাজিস্ট্রেট 205গ ধারার অধীন বিচারের জন্য দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন।

২ নং ধাপ- সমন (ধারা ৬৮ থেকে ৭৪)

আসামীদের বিরুদ্ধে আদালত স্বাক্ষরিত সমন ইস্যু করা হয়। যেখানে আদালতে হাজির হবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ থাকে।

শর্ত সমূহ-
* সমন প্রাপ্তি স্বীকার পূর্বক স্বাক্ষরিত হবে।
*যার বরাবর সমন জারি করা হয়েছে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ব্যক্তির নিকট দেওয়া যাবে
*সমনে তলবকারি ব্যক্তি কে খুঁজে পাওয়া না গেলে বা সমন নিতে অস্বীকার করলে। বাড়ির সামনে অথবা প্রকাশ্য জায়গায় ঝুলিয়ে সমন জারী করা যাবে। এটাকে বলা হয় বিকল্প সমন জারি।

৩ নং ধাপ-ওয়ারেন্ট (ধারা ৭৫ থেকে ৮৬)

সমনে উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।

শর্ত সমূহ-
* আসামি গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত পরোয়ানা বলবৎ থাকবে
*এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট বলবৎ করবে
* পরোয়ানার মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে উপস্থিত করতে হবে।

৪ নং ধাপ- হুলিয়া জারি ধারা ৮৭

কোন পলাতক আসামি কে নির্দিষ্ট কোন তারিখে নির্দিষ্ট স্থান হাজির হওয়ার জন্য 30 দিনে কম নয় এমন সময় দিয়ে বিচারক হুলিয়া জারি করে।

শর্ত সমূহ -
*হুলিয়া প্রকাশ্য স্থানে পড়ে শোনাবে বা হুলিয়া নকল টাঙ্গিয়ে দিবে।
* হুলিয়া ঘোষণাকৃত আসামিকে বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেপ্তার করতে পারবে।

৫নং ধাপ-সম্পত্তি ক্রোক ধারা ৮৮

হুলিয়া জারি করে আদালত যেকোনো সময় উক্ত ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক আদেশ দিতে পারে।

শর্ত সমূহ -
* ক্রোকৃত সম্পত্তি পচনশীল হলে তা বিক্রি করে দিতে পারবে
* ক্রোকৃত সম্পত্তিতে অন্য কোনো ব্যক্তির স্বার্থ থাকলে তা ৬ মাসের মধ্যে উত্থাপন করতে হবে
*উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ অগ্রহণীয় হলে তিনি ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে
* ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ক্রোকৃত সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না
* ক্রোক হওয়ার দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে কৃত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য আবেদন করতে পারবে
* ক্রোক মুক্তির আবেদন অগ্রাহলে ধারা ৪০৫ অনুসারে আপিল দায়ের করা যায়

৬ নং ধাপ-পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি

WP & A এতে উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে এবং আদালত তার বিরুদ্ধে দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের আদেশ দেন।

৭ নং ধাপ-অনুপস্থিতিতে বিচার ধারা -

৩৩৯(খ) ধারা অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে বা আসামী পলাতক থাকলে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হয়। একে আইনের ভাষায় (Trial In Absentia) বলে।

।।।।।।।।বিচারের প্রক্রিয়া শুরু।।।।।।।।।

৮ নং ধাপ-আসামির অব্যাহতি

ধারা-২৪১(ক). ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশের রিপোর্ট এবং অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া না গেলে চার্জ গঠনের পূর্বে আসামিকে অব্যাহতি দেবে।
ধারা-২৬৫(গ). দায়রা আদালত পুলিশের রিপোর্ট এবং অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া না গেলে চার্জ গঠনের পূর্বে আসামিকে অব্যাহতি দেবে।

৯ নং ধাপ-চার্জগঠন

ধারা-২৪২ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার্জ গঠন করবে।
ধারা -২৬৫(ঘ)অনুসারে দায়রা আদালত চার্জ গঠন করবে।

১০ নং ধাপ -স্বীকারোক্তিমূলক দন্ড।

ধারা-২৪৩ অনুসারে আসামি দোষ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড দিতে পারে।
ধারা-২৬৫(ঙ)অনুসারে আসামি দোষ স্বীকার করলে দায়রা আদালত দন্ড দিতে পারে।

১১ নং ধাপ-সাক্ষ্যগ্রহণ

ধারা-২৪৪ অনুসারে আসামী যদি দোষ স্বীকার না করে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু করবে।

ধারা-২৬৫(চ) এবং ২৬৫(ছ) অনুসারে আসামী যদি দোষ স্বীকার না করে তাহলে দায়রা আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণ করতে।

১২ নং ধাপ-রায় প্রদান-

ধারা-২৪৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথি, কাগজপত্র ও অনান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীত ভাবে আসামীদেরে বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন।

ধারা-২৬৫(জ) এবং ২৬৫(ট) অনুসারে দায়রা আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথি, কাগজপত্র ও অনান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীত ভাবে আসামীদেরে বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন।

১৩ নং ধাপ-আপীল ধারা

৪০৪থেকে ৪৩১ : কোন পক্ষ আদালতের প্রদত্ত রায়ে সন্তুষ্ট না হলে এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে আপীল করতে পারেন।

১৪ নং ধাপ-রিভিশন

ধারা-৪৩৯ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে রিভিশন দায়ের করা যাবে
ধারা- ৪৩৯(ক) অনুসারে ৩০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়রা করা যাবে।
ধারা-৪৪২(ক) অনুসারে 90 দিনের মধ্যে রিভিশন নিষ্পত্তি করতে হবে।

এম. এন. রাহাতুল ইসলাম
এল এল. বি.( অনার্স),
এল এল. এম.( জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
এডভোকেট
জেলা ও দায়রাজজ কোর্ট, ঢাকা।
Rahat Legal Aid Centre,Dhaka.

Address

Dhaka
1234

Telephone

+8801748540805

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahat Legal Aid Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rahat Legal Aid Centre:

Share