06/01/2022
আপনি যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।
একবিংশ শতাব্দীতে মানুষের কাছে সবচেয়ে সহজলভ্যতার বস্তুতে পরিণত হয়েছে ইন্টারনেট। কিশোর-কিশোরী, যুবক, বৃদ্ধ সবাই আজ নেট দুনিয়ায় চরম ব্যস্ত সময় দিনাতিপাত করছে। তবে যুগের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্তর্জালে যুক্ত হতে গিয়ে কেউ আবার ইচ্ছা-অনিচ্ছায় হচ্ছেন অপরাধী আবার কেউ ভিকটিম। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি বর্তমানে ফেসবুক ব্যাবহারকারি এমন নারীর সংখ্যা খুবই কম যারা কখনো ফেসবুক বা যেকোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর, বিভ্রান্তিমূলক, অশালীন, অরুচিকর, অশ্লীল, আক্রমণাত্মক ও উস্কানিমূলক কিছু লেখা বা মন্তব্য করা কিংবা ছবি বা ভিডিও আপলোড মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়নি। এমন ও হয়ে থাকে এই সকল কারণে অনেক নারী ও শিশু আত্মহত্যার পথ বেছেনিতে বাধ্য হয়।আমাদের সমাজে ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এই অপরাধ।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ার্নেস ফাউন্ডেশনের’ তথ্যমতে, সাইবার অপরাধে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী মেয়েরা। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১৮ বছরের কম ১০.৫২ শতাংশ, ১৮ থেকে ৩০ বছরের কম ৭৩.৭১ শতাংশ। এছাড়াও ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এ অপরাধের শিকার ১২.৭৭ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠী।
এটি প্রতিরোধ করতে প্রয়োজন সময়মতো উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ নিয়ে আপনার নিকটস্থ, বিশ্বস্ত আইনজীবীর সরনাপ্ন হয়ে তার মাধ্যমে Cyber Tribunal এ মামলা দায়ের করা।
মামলা দায়ের জন্য যে সকল ডকুমেন্টস লাগবেঃ-
১) যে মাধ্যমে অপরাধ টি করা হয়েছে সেটার স্ক্রিনশট। যেমনঃ- ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে করা হলে চ্যাটের স্ক্রিনশট।
২) যে আইডি থেকে করা হয়েছে তার URL বা URL এর স্ক্রিনশট।
৩) কোন অশ্লীল/ মানহানিকর ভিডিও বা অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালে সেটা।
আইন মেনে চলুন এবং কোন অপরাধের শিকার হলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আত্মাহ্যা কোন সমাধান নয় বরং অপরাধী কে আরো অপরাধ করার সুযোগ করে দেওয়া।
যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ-
M.N. Rahatul Islam
LL.B.(Hon's), LL.M.( Jagannath University)
Advocate
District and session judge court, Dhaka.
Head of Chamber
Rahat Legal Aid Centre
Cell:- 01748540805