Airwave Developer Ltd.

Airwave Developer Ltd. Airwave Developer Ltd, We are the pioneer of social Business in the Real Estate sector

24/11/2024

🎯 কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষায় আপনার সেরা সহায়ক ❤️

আপনার স্বপ্নের পেশায় নিবন্ধন্ধিত হতে চাচ্ছেন? কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষায় সফল হতে প্রস্তুতি শুরু করুন আমাদের নতুন বইয়ের সঙ্গে!

📚 এই বইটি কেন আপনার জন্য?
✔️ প্র‍্যাক্টিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স: আয়কর রিটার্নের ৩৩+ বাস্তব উদাহরণ।
✔️ সহজ হিসাববিজ্ঞান: নতুনদের জন্য শুরু পাঠযোগ্য এবং সহজবোধ্য।
✔️ আপডেটেড আইন: অর্থ আইন-২০২৪, আয়কর আইন-২০২৩ সহ আরও অনেক কিছু।
✔️ বিগত বছরের প্রশ্ন: ১৯৯৬-২০১৭ পর্যন্ত প্রশ্ন ও সমাধান।
✔️ মডেল প্রশ্ন: পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ৫টি সেট প্রশ্ন।

💡 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- বাস্তব উদাহরণ দিয়ে কর আইন শেখার সুযোগ।
- জটিল বিষয় সহজভাবে উপস্থাপন।
- দ্রুত প্রস্তুতির জন্য সংক্ষিপ্ত গাইড।

🔑 বইটির মাধ্যমে কী অর্জন করবেন?
- পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাস।
- প্র্যাক্টিক্যাল জ্ঞান ও দক্ষতা।
- পেশাগত জীবনে সাফল্যের পথ।

🎁 এখনই অর্ডার করুন!
আপনার সফলতার প্রথম ধাপ শুরু হোক আজই।

📞 যোগাযোগ করুন: 01901632313
📍 অফিস ঠিকানা: ইনকাম ট্যাক্স বিডি, ইস্টার্ন আরজু, ৬১ বিজয়নগর, ঢাকা-১০০০.
📦 হোম ডেলিভারি সার্ভিস: সারা দেশে!

👉 স্মার্ট কর আইনজীবী হোন, সঠিক প্রস্তুতিতে এগিয়ে থাকুন!


24/09/2024

"ফা ইন্না মা আল উসরি ইউসরা”
নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।

°~আলহামদুলিল্লাহ~°🌸

22/08/2024

وَقِیلَ یَـٰۤأَرۡضُ ٱبۡلَعِی مَاۤءَكِ وَیَـٰسَمَاۤءُ أَقۡلِعِی...
"আদেশ হল, হে জমীন তোমার পা‌নি গি‌লে ফেল, হে আকাশ, পা‌নি বর্ষণ বন্ধ ক‌রো!"
(সূরা হূদ : ৪৪)

হে আল্লাহ! আপ‌নি হযরত নূহ আ.-এর প‌ক্ষে আকাশ ও জমীন‌কে যেভা‌বে আদেশ ক‌রে‌ছেন, আমা‌দের প‌ক্ষেও সেরূপ রহম করুন!
আমিন।

🟢 FAR কী?উত্তরঃ ধরুন! আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই । কি...
01/05/2024

🟢 FAR কী?

উত্তরঃ ধরুন! আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ? আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে পারবেন না? রাজউকের/ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়মানুযায়ী তা হলেই আপনি চাহিত বাড়িটি বানাতে পারবেন নতুবা নয় । কারন একটা ভবন বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে সেটব্যাক বলে । শুধুমাত্র ভবনটি কত তলা হবে তা 'ফার' এর মাধ্যমে জানা যায় তাই আজ 'ফার' নিয়ে কিছু ধারণা দিতে চাই।
🌠FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যাবে
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে ।
🌠FAR এর ক্যালকুলেশনঃ
মনে করি, আপনার জায়গার পরিমান- ৫ কাঠা,
জায়গা ঘেষে সামনে দিয়ে কন্টিনিয়াস রোড গেছে - ২০ ফুট,
🌠ফার- ৩.৫ ( BNBC তে পাবেন কত কাঠার জন্য কত ফার)
এখন, Maximum Build Area (M.B.A)= Area of Land x Far
= 5 katha x 3.5 (Here, FAR= 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720 sft)
= 3600x3.5
=12600 sft
Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5% (BNBC তে পাবেন)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sft.
Now, Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground Floor + 5.6 Floor
= 1+ 5.6 Floor
= 6.6 Floor
সুতরাং আপনার ৫ কাঠা জায়গায় উপরের শর্তাবলী অনুযায়ী আপনি ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা নির্মাণ করতে পারবেন এবং তা প্রায় ৭ তলা পর্যন্ত বর্ধিত করতে পারবেন কিন্তু ভবনটি ভুমিকম্প সহনীয় করতে তা না করাই শ্রেয় ও বুদ্ধিমানের কাজ হবে, বাকিটা আপনার ইচ্ছা।

 #আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ-জমি ক্রয়ের জন্য দরদাম ঠিক করার পরই আমাদের মাথায় আসে রেজিস্ট্রি খরচ নিয়ে। যারা জমির রেজিস্ট্র...
26/02/2024

#আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ-
জমি ক্রয়ের জন্য দরদাম ঠিক করার পরই আমাদের মাথায় আসে রেজিস্ট্রি খরচ নিয়ে। যারা জমির রেজিস্ট্রি খরচ নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য আজিকের এই লেখাটি। জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হয়ঃ-

একটি জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা লাগে বা মোট কত টাকা খরচ হয় তা আমাদের জানা একান্ত জরূরী। তা নাহলে আমাদের পড়তে হবে দালালদের খপ্পরে। এতে আমদের অনেক টাকা নস্ট হয়ে যাবে। তাই এই লেখাটি আপনি পড়লে নিজে নিজেই বিস্তারিত জানতে বা বের করতে পারবেন জমি রেজিস্ট্রি খরচ।

জমির রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি এলাকা ভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। আর এই রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি দুইভাবে আমরা হিসাব করতে পারি। যথাঃ-
👉ওয়েবসাইট বা মোবাইল এপসের মাধ্যমে।
👉সাধারণভাবে হিসাব করে।
ওয়েবসাইট বা মোবাইল এপসের মাধ্যমে।
সহজে দলিলের রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি বের করা যায় এই লিংকে (https://fees.dolil.com/) প্রবেশ করে। এই লিংকে প্রবেশ করার পর আপনাকে নিচের পেইজে নিয়ে যাওয়া হবে। দলিল রেজিঃ ফি ক্যাল্কুলেটর উপরের পেইজের সব আপশনগুলো যথাযথভাবে পূরণ করে ফলাফল বাটনে ক্লিক করলেই আপনি পেয়ে যাবেন নিচের হিসাবের পাইজটি। সেখানে আপনি দেখতে পাবেন কোন ফি কত টাকা।

ক্যাল্কুলেটর এভাবে আমরা সহজেই নিজে নিজে বের করতে পারবো জমির দলিল রেজিস্ট্রি ফি বা খরচ কত। সাধারণভাবে হিসাব করে।

👉সাধারণভাবে আমরা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য স্ট্যাম্প শুল্ক, রেজিস্ট্রি ফিস, অতিরিক্ত কর, উৎস কর, জেলা/পৌরকর ইত্যাদি ফিস হিসাব করে দিয়ে থাকি। সকল দলিলের ফিসের হার সমান নয়, দলিলের প্রকৃতি ও এলাকা অনুসারে তার ফিসের হার নির্ধারিত হয়ে থাকে। নিম্মে খাতওয়ারী বিভিন্ন ফি আলোচনা করা হলোঃ-

👉রেজিস্ট্রেশন ফি- হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ১% টাকা।
👉দলিলের মূল্য ২৪,০০০ টাকা বা তার কম হলে নগদ অর্থে এবং ২৪,০০০ টাকার বেশি হলে পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ, কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।
👉স্টাম্প শুল্ক- হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ১.৫% টাকা।
👉দলিলে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্টাম্প ব্যবহার করা যাবে। স্টাম্প খাতের বাকি অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ কোড নং ১১৬২১০২ তে জমা করতে হবে।
👉স্থানীয় সরকার কর- দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ৩% টাকা। স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হিসাব নম্বরে পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা করতে হবে।
👉উৎস কর (53H)– ক) জেলা সদরের পৌরসভা ব্যতীত অন্যান্য পৌরসভার ক্ষেত্রে দলিল মূল্যের উপর ২% টাকা। খ) অন্যান্য এলাকার জন্য দলিল মূল্যের উপর ১% টাকা। এলাকা ও অবস্থান ভেদে জমির দলিল খরচ ভিন্ন হয়ে থাকে।
👉নিম্মে একটি উদাহরনের মাধ্যমে সহজেই আমরা বের করতে পারবো একটি দলিল রেজিস্ট্রি ফি কত।
👉যেমন কোন মৌজার ২০ শতাংশ জমির বিক্রিত দলিল মূল্য ৫,০০,০০০/- টাকা । তাহলে আমরা নিম্মোক্ত হিসাবের মাধ্যমে উক্ত জমির দলিল রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি বের করতে পারি।
👉রেজিস্ট্রি ফিঃ ৫,০০,০০০/-এর ১%=৫০০০/- টাকা।
👉স্ট্যাম্প শুল্ক ফিঃ ৫,০০,০০০/-এর ১.৫%=৭৫০০/- টাকা।
👉স্থানীয় সরকার ফিঃ ৫০০০০০/- এর ৩%=১৫০০০/- টাকা।
👉উৎস কর ফিঃ ৫০০০০০/- এর ১%=৫০০০/-টাকা(ইউনিয়ন এলাকার জন্য) এবং পৌরসভা এলাকার জন্য ৫০০০০০/- এর ২%=১০০০০/- টাকা।
👉অন্যান্য ফি সমূহ-
হলফনামা- ৩০০/- টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে হলফনামা।
👉ই-ফি- ১০০/- টাকা।
এন.ফি-প্রতি প্রতি পৃষ্ঠায় বাংলা ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ১৬ টাকা৷ প্রতি পৃষ্ঠায় ইংরেজি ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ২৪ টাকা।
👉এন.এন. ফি(নকল নবীশগনের পারিশ্রমিক)- প্রতি পৃষ্ঠায় বাংলা ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ এর জন্য ২৪ টাকা ৷ প্রতি পৃষ্ঠায় ইংরেজি ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ৩৬ টাকা।
👉নোটিশ ফি- সম্পত্তি হস্তান্তরের নোটিশ আবেদন পত্রের জন্য কোর্ট ফি ১০/- টাকা।

(বিঃদ্রঃ- এন ফি এবং ই ফি রেজিস্ট্রিশন ফি এর সাথে পে অর্ডারের মাধ্যমে ১৪২২২০১ নং কোড ব্যবহার করে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে জমা প্রদান করতে হবে ৷ এবং এন,এন ফি রেজিস্ট্রি অফিসে নগদে জমা প্রদান করতে হবে)

তথ্য সংগৃহীত

সুচিবহি তল্লাশ ফিস নিম্নরূপঃএফ (১)-ঃ- কোন নির্দিষ্ট কার্যালয়ের প্রতি দলিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম বা অন্তর্ভুক্ত সম্পত্...
03/08/2023

সুচিবহি তল্লাশ ফিস নিম্নরূপঃ
এফ (১)-ঃ- কোন নির্দিষ্ট কার্যালয়ের প্রতি দলিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম বা অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তির বিবরন সংক্রান্ত প্রতিটি ভুক্তির সূচি তল্লাশির খেত্রেঃ

30/07/2023
30/07/2023

জমি ক্রয় করতে যাচ্ছেন? তাহলে এখনই জেনে নিন জমি ক্রয়ের আগে আপনার করণীয় কী:

১। নাবালকের সম্পত্তি কিনা অবশ্যই যাচাই করে নিন। নাবালকের সম্পত্তি আদালতের অনুমতি পত্র ছাড়া ক্রয় করলে ভবিষ্যতে নাবালক যদি মামলা করে তাহলে আপনি জমি হারাবেন।

২। সম্পত্তিতে বিক্রেতার দখল আছে কি না নির্ণয় করার জন্য আশেপাশের জমি ওয়ালাদের কাছে খবর নিন যে, এই জমির প্রকৃত দখলদার কে ?

৩। হাল রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান ও দাগ নম্বর সঠিক আছে কি না ভালো করে দেখে নিন।

৪। হাল রেকর্ড ও সাবেক রেকর্ড এর মধ্যে মিল রয়েছে কি না ভালো করে যাচাই করুন।

৫। হিস্যা মোতাবেক বিক্রেতার প্রাপ্য অংশ সঠিক আছে কি না যাচাই করে নিন তা না হলে ভবিষ্যতে মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন হতে পারেন।

৬। রেন্ট সার্টিফিকেট মামলায় জড়িত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

৭। হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ আছে কি না যাচাই করে নিন।

৮। বিক্রেতার নামে নামজারি করা আছে কি না যাচাই করে নিন।

৯। অর্পিত/পরিত্যক্ত/অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১০। সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১১। নৃ-তাত্ত্বিক জাতি গোষ্ঠীর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের “বিক্রয় অনুমতিপত্র” আছে কি না যাচাই করে নিন।

১২। খাস জমি কি না যাচাই করে নিন।

১৩। বিক্রিত জমিতে সরকারি কোন স্বার্থ জড়িত আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৪। সর্বসাধারণের ব্যবহার্য বা পাবলিক ইজমেন্ট সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১৫। বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কি না
নির্ণয় করতে হবে। দলিল নাম্বার নিয়ে ভূমি অফিস অথবা তহসিল অফিসে খবর নিলে প্রকৃত মালিক জানতে পারবেন। জমির আশেপাশে যাদের জমি আছে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে জমির মালিকানা বিষয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

১৬। নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইনগত অভিভাবক বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক নির্ধারণ করা আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৭। বিক্রেতা সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য হইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৮। হিন্দু কন্যা সন্তান/বিধবা স্ত্রী এর “জীবন স্বত্ব” শর্তে প্রাপ্য সম্পত্তি কি না?

১৯। সম্পত্তি বিক্রয়/হস্তান্তর এর ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে কি না?

২০। সমর্পিত বা বিক্রেতার ৬০/১০০ বিঘা সিলিং বহির্ভূত সম্পত্তি কি না?

২১। নকশা মোতাবেক জমির অবস্থান ও পরিমাণ দেখা।

এই ত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।
#জমিদারি #জমি_পরিমান #জমি_মাপা #জমি_ক্রয়

30/07/2023

নামজারি বা মিউটেশন হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মালিকানা পরিবর্তন করা। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়। কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি খতিয়ান দেয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিক বা মালিকগণের নাম, মৌজা নাম ও নম্বর (জেএল নম্বর), জমির দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমাণ, মালিকের জমির প্রাপ্য অংশ ও জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। মন্তব্য কলামে সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য থাকতে পারে।

30/07/2023

জমির দলিলে দাগ, খতিয়ান, মৌজা, চৌহদ্দি, নামের ভুল হলে কিভাবে তা সংশোধন করবেন?

জমি রেজিস্ট্রির পর দলিলে দাগ নম্বরে ভুল আছে, খতিয়ানে ভুল, মৌজা, চৌহদ্দিতে ভুল আবার অনেকে বলে থাকেন নামের বানানে ভুল আবার অনেকে বলে থাকেন দলিল লেখার বিবরণে বর্ণিত তারিখ, দলিল নম্বর কিংবা তথ্যের যথার্থ ভুল হয়েছে, এখন কি করা যায়।

তাদের উদ্দেশ্যে বলছি এ ধরণের ভুল আপনি সংশোধন করতে পারবেন। কিন্তু কিভাবে সংশোধন করবেন, সংশোধন না করলে ভবিষ্যতে ওই দলিল নিয়ে আপনি কি কি সমস্যার মুখোমুখী হতে পারেন, আর দলিল সংশোধনের জন্য আপনাকে কোথায় যেতে হবে, কত টাকা খরচ হবে, কত সময় লাগবে-সেসকল বিষয়ে আলোচনায় জানুন।

শুরুতেই জানিয়ে রাখি, এরকম অশুদ্ধ দলিল হলে আপনি যার কাছ থেকে জমি কিনেছেন তাকে বলুন রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে 👉ভ্রম সংশোধনী দলিল👈 করে দিতে। কারণ জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে দেওয়ার সময় দাতা একটি ✍️হলফনামা✍️ সম্পাদন করে যে, দলিলে বর্ণিত কোন তথ্য ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হইয়া থাকিলে তজ্জন্য আমি/আমরা দায়ী হইব এবং আমার/ আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা যাইবে। হস্তান্তরিত জমি সম্পর্কে কোন ভুল, অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করিয়া থাকলে প্রয়োজনে নিজ খরচায় ভুল শুদ্ধ করিয়া ক্ষতিপূরণসহ নুতন দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রি করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব।

দলিলের মূল কাঠামো বা স্বত্বের কোন পরিবর্তন ঘটবে না সেরূপ ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার বরাবরে আবেদন করা যাবে। সাব-রেজিস্ট্রার এই ধরনের ছোট-খাটো ভুল সংশোধন করতে পারেন। এটাকে ভ্রম সংশোধনী দলিল বলা হয়। কিন্তু জমির দলিল দাতা যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার মৃত্যুর পর ওয়ারেশগণ আপনার দাবী অনুযায়ী উক্ত দলিল সংশোধন করে দিতে পারেন। তবে ওয়ারেশরা অনিচ্ছুক হলে এ ভুল সংশোধনের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী উপযুক্ত আদালতে দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা করতে হবে।

১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় বলা হয়েছে, যেক্ষেত্রে প্রতারণা অথবা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত দলিল হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দলিলের যে কোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। তবে মনে রাখবেন, দলিল সংশোধনের মামলায় প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুল অবশ্যই থাকতে হবে। তা না হলে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের করা যাবে না। মনে রাখবেন দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা করতে হয়।

তবে এ সময়ের মধ্যে দলিলের ভুল উদঘাটিত না হলে তামাদি আইনের ৯১ ও ৯৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলিলের ভুল উদঘাটনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলাটি আনয়ন করতে হয়। কারণ ৩ বছর পর এই ধরনের মোকদ্দমা তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে তখন আর দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা করা যায় না, তখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করা যায়। এ মামলা ১০০ বছর পরে ভুল উদঘাটিত হলেও করা যায়।

এক্ষেত্রেও আদালত কর্তৃক মামলার যে রায় দেয়া হয়, সেটাই হচ্ছে সংশোধন দলিল। অর্থাৎ রায়ের একটি সার্টিফাইড কপি আদালত থেকে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার এর কাছে পাঠানো হলে সাব-রেজিস্ট্রার উক্ত রায়ের আলোকে সংশ্লিষ্ট ভলিউম সংশোধন করে নিবেন। এক্ষেত্রে আর নতুন করে কোন দলিল করার প্রয়োজন নেই। মনে রাখবেন দলিল সংশোধনের মামলায় আরজিতে ক্ষতিপূরণের বিকল্প প্রার্থনা রাখতে হবে। তবে আরজিতে ক্ষতিপূরণের বিকল্প প্রার্থনা না থাকলেও আদালত তার সুবিবেচনা প্রয়োগ করে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

এবার আমরা জেনে নিই কখন দলিল সংশোধন করা যায় না। যখন তৃতীয় ব্যক্তি যথাযথ মূল্যের বিনিময়ে সরল বিশ্বাসে জমি ক্রয় করেন তখন তার অধিকার হস্তক্ষেপ করে দলিল সংশোধন করা যায় না।

একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি আপনাদের মাঝে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। ধরুন কুলসুম খাতুন ৪৯৬ দাগের সম্পত্তি হানিফা খাতুনের নিকট বিক্রি করেন। হানিফা খাতুন দলিল লেখকের সাথে যোগসাজশ করে কুলসুম খাতুনের ৪৯৭ দাগের সম্পত্তিটিও দলিলে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। পরবর্তী সময়ে হানিফা খাতুন ৪৯৭ দাগের সম্পত্তিটি চম্পা খাতুনের নিকট বিক্রি করে। চম্পা খাতুন সরল বিশ্বাসে জমিটি ক্রয় করে। এক্ষেত্রে কুলসুম খাতুন ৪৯৭ দাগের সম্পত্তির জন্য দলিল সংশোধনের প্রতিকার পাবে না। কারণ চম্পা খাতুন সরল বিশ্বাসে জমিটি ক্রয় করেছে। এখানে কুলসুম খাতুন ৪৯৭ দাগের সম্পত্তির জন্য হানিফা খাতুনের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পাবে।

Address

Avenue 9 DOHS Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801818901402

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Airwave Developer Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share