Lawyer's Club Rajshahi

Lawyer's Club Rajshahi Na Lawyers Club Rajshahi এটি

জিডির কারণে বিদেশে যেতে কি সমস্যা হতে পারে!প্রশ্ন: আমার বাবা–চাচা–ফুফুরা আট ভাইবোন। পারিবারিক সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে বিরোধ ...
09/11/2022

জিডির কারণে বিদেশে যেতে কি সমস্যা হতে পারে!

প্রশ্ন: আমার বাবা–চাচা–ফুফুরা আট ভাইবোন। পারিবারিক সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে বিরোধ আছে এবং একটি দামি জমি নিয়ে দুই চাচার মধ্যে রেষারেষি চলছে। মিথ্যা ঘটনা নিয়ে এই দুই চাচার একজন আরেক ভাই এবং আমার বাবার নামে থানায় একটি জিডি করেন। সেদিনই দুজন কর্মকর্তা এসে আমার বাবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনা শোনেন এবং পারিবারিকভাবে বসার কথা বলে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে চলে যান।

যেসব বিষয় পরিষ্কার হতে চাই—১. তিনি যা করেছেন, তা কি জিডি নাকি মামলা? জিডি আর মামলা কি এক? কখন জিডি মামলা হয়?

২. যিনি জিডি করেছেন, তিনি চান এটি থাকা অবস্থায় সম্পত্তি ভাগ হোক, যাতে তাঁর বিপক্ষে কিছু গেলে এটা দিয়ে আটকাতে পারেন। জিডি থাকা অবস্থায় সম্পত্তি বণ্টনের জন্য বসা কি ঠিক হবে? নাকি আমরাও জিডি করে রাখব?

৩. যদি এই জিডি এভাবে পড়ে থাকে, আমাদের কী অসুবিধা হতে পারে? আমার বাবা প্রবাসী, বিদেশে যেতে কি তাঁর কোনো সমস্যা হবে?
মাহবুব আলম, বরুড়া, কুমিল্লা

জবাব:
তা জিডির বিষয়বস্তুর ওপর নির্ভর করছে।। কেন আপনার বাবার নামে জিডি করা হয়েছে, সেটা বিস্তারিত না জেনে কোনো পরামর্শ দেওয়া সম্ভব নয়। জিডিতে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার সত্যতা না থাকলে আপনারা অবশ্যই পাল্টা জিডি করতে পারেন এবং তাঁদের অসৎ উদ্দেশ্য এবং ক্ষতিকর কার্যকলাপ সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করতে পারেন। জিডি করতে কোনো প্রকার টাকাপয়সা লাগে না। এমনকি কেউ যদি লিখতে না পারেন কিংবা নিয়মকানুন না জানেন, তবে থানায় গিয়ে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে বললে তিনিই জিডির আবেদন লিখে অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে শুধু স্বাক্ষর দিলেই চলবে।

আপনার শেষ প্রশ্নের উত্তর হলো শুধু জিডির কারণে আপনার বাবার বিদেশ যাওয়া বাধাগ্রস্ত হবে না। আপনার প্রশ্ন থেকে যতটুকু বুঝতে পেরেছি, ততটুকু পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করলাম। আপনি অবশ্যই সব কাগজপত্রসহ একজন আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করবেন। কাগজপত্র না দেখে সুনির্দিষ্ট কোনো পরামর্শ অনুমানের ভিত্তিতে দেওয়া সম্ভব নয়।

খতিয়ানঃCS or সি এস খতিয়ানঃSA or এস এ খতিয়ানঃRS or আর এস খতিয়ানঃBS or বি এস খতিয়ানঃখতিয়ানঃমৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি...
13/08/2022

খতিয়ানঃ
CS or সি এস খতিয়ানঃ
SA or এস এ খতিয়ানঃ
RS or আর এস খতিয়ানঃ
BS or বি এস খতিয়ানঃ

খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।

সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।

29/07/2022
22/07/2022
22/07/2022
অছিয়ত বা দান কি? কাকে সম্পত্তি অছিয়ত বা দান করা যায়। অছিয়ত বা দান এর শর্ত সমুহ। নাবালক বা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে স...
12/07/2022

অছিয়ত বা দান কি? কাকে সম্পত্তি অছিয়ত বা দান করা যায়। অছিয়ত বা দান এর শর্ত সমুহ। নাবালক বা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে সম্পত্তি অছিয়ত বা দান করা যায় কি। দান/হেবা রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম ও জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি।

সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। সাধারণত কেনাবেচার ক্ষেত্রে দামের বিনিময় হয়, কিন্তু দানের ক্ষেত্রে এ রকম বিনিময় হয় না। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়। দান বা হেবা করতে হয় নিঃস্বার্থ।

কাকে সম্পত্তি অছিয়ত বা দান করা যায়:
ক) ওয়ারিশ অর্থাৎ পুত্র, মেয়ে, স্তী, পিতা, মাতা, ভাই, বোন ও অনান্য সকল ওয়ারিশগণদের।
খ) নাবালক।
গ) অন্য যে কোন ব্যক্তিকে।

অছিয়ত বা দান এর শর্ত সমুহ:

ক) হেবা বা দানকারীকে দানের ঘোষণা দিতে হবে অথবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তারনামা করেও ঘোষণা দিতে পারেন।
খ) যাঁকে হেবা বা দান করা হচ্ছে, তাঁর দ্বারা সম্পত্তি গ্রহণ করতে হবে।
গ) দানকৃত সম্পত্তির দখল সঙ্গে সঙ্গেই হস্তান্তর করা।

অথবা

১) দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
২) গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
৩) দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

এখন ওপরের ঘটনায় আবদুল জলিল তাঁর মেয়েকে সব সম্পত্তি দানপত্রের মাধ্যমে দান করে দিয়ে যেতে পারেন। দান করে দিলে তাঁর মেয়েকে ওই সম্পত্তি সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হবে।
নাবালক বা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে সম্পত্তি অছিয়ত বা দান করা যায় কি:

নাবালক বা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে সম্পত্তি দান করা যায়, তবে হস্তান্তর করা যাবে না, যত দিন না ও প্রাপ্তবয়স্ক হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বৈধ অভিভাবককে ওই সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হবে। পরবর্তী সময়ে নাবালক সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হবে।

অছিয়ত বা দান এর উপাদানসমূহ :

১) দাতাকে সুস্থ মস্তিষ্কের সাবালক ব্যক্তি হতে হবে।
২) দাতার জীবনকালের মধ্যে দান কার্য সম্পন্ন হতে হবে।
৩) দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল বলে গণ্য হবে।
৪) দানের সময় সম্পত্তিতে দাতার মালিকানা ও দখল থাকতে হবে।
৫) দান স্বেচ্ছায় এবং পণবিহীন হতে হবে।
৬) দান গ্রহীতা মানসিক ভারসাম্যহীন বা নাবালক হরে তার পক্ষে অভিভাবক দান গ্রহণ করতে পারবেন। দান যে কেউ গ্রহণ করতে পারেন।
৭) মুসলিম আইন অনুযায়ী দাতা তার সমুদয় সম্পত্তি যে কাউকে দান করতে পারেন।

দায়ভাগ মতে একজন হিন্দু যাদের ভরণপোষণে আইনত বাধ্য তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রাখার পর বাকী সম্পত্তি দান করতে পারেন।
ক) দখল হস্তান্তরের পূর্বে দান প্রত্যাহার করা যায়।
খ) দখল হস্তান্তরের পরে দান প্রত্যাহারের জন্য আদালতের ডিক্রি লাগবে।
গ) দানকারী ঋণের দায় এড়ানোর বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে দান করলে, পাওনাদারের আবেদনে ঐ দান বাতিলযোগ্য হতে পারে।
গ) মৃত্যুশয্যাকালীন দান উইলের ন্যায় কার্যকরী হবে অর্থাৎ ঐ দান অনাত্মীয়ের অনুকূলে করা যাবে কিন্তু মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগের বেশী দান করা যাবে না। তবে উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি থাকলে অনাত্মীয়কে ১/৩ ভাগের অধিক সম্পত্তি দান করা যাবে। এ অবস্থায় কোন উত্তরাধিকারীকে দান করা যাবে না।
ঘ ) রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৭৮এ ধারা এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারা অনুযায়ী দান লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।
ঙ) অজাত ব্যক্তি বরাবরে দান করলে দানের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে সে জন্ম গ্রহণ কররে সে দান বৈধ হবে।

দান/হেবা রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:

দান রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:

১) স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা

২) উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।

জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি:

স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
স্ট্যাম্প ফি ২%

রেজিস্ট্রেশন ফি ২.৫%, ই ফিস প্রযোজ্য

দান আর উইল এক বিষয় নয়ঃ

অনেকে মুসলিম আইনে দানকে উইলের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন। মনে রাখতে হবে, উইল জীবিতাবস্থায় কার্যকর করা যায় না। একমাত্র উইল ঘোষণাকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়, কিন্তু দানের ক্ষেত্রে দাতার জীবিতাবস্থায় কার্যকর হয়। তবে দানের ক্ষেত্রে জীবিতাবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখতে হবে, মুসলিম আইনে উইলের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি কার্যকর হবে না, কিন্তু হেবা বা দান পুরো সম্পত্তিই করা যাবে।

দান কি বাতিল করা যায়
একবার দান করার পর এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করার পর আদালতের ডিক্রি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। তবে দানপত্র সম্পাদন করলেও সম্পত্তিটি হস্তান্তর না করা হলে কিছু ক্ষেত্রে দানপত্র বাতিল করা যায়। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান, দানগ্রহীতা যদি মারা যায়, যখন দাতা কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করবে, সম্পত্তি যখন ধ্বংস হয়ে যাবে প্রভৃতি।

হেবা-বিল এওয়াজ:
মুসলিম আইন অনুসারে কোন কিছু বিনিময় নিয়ে দান করাকে বলে এওয়াজ বা হেবাবিল-এওয়াজ। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ১১৮ ধারা অনুসারে দু’জন ব্যক্তি যে ক্ষেত্রে পরস্পর নিজেদের মালিকানাধীন কোন জিনিসের মালিকানা হস্তান্তর করে সেক্ষেত্রে কোন একটি জিনিস টাকা না হলে সে আদান-প্রদানকে বলে এওয়াজ বা বিনিময়। এতে বিক্রয় চুক্তির উপাদান বিদ্যমান থাকায় এটি মূলত এক ধরনের বিক্রয়। এওয়াজ দলিলে বর্ণিত সম্পত্তির একজন দাতা তার নিজের সম্পত্তি অপরজনকে দেওয়ার পর তার প্রাপ্য সম্পত্তি তিনি না পেলে তিনি তার প্রদত্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবেন। হেবা বিল এওয়াজ অগ্রক্রয়যোগ্য নয়।

হেবা-বিল-এওয়াজ এর উপাদানসমূহ:
গ্রহীতাকে হেবা গ্রহণের বিনিময়ে দাতাকে অবশ্যই কিছু দিতে হবে।
দানের মাধ্যমে নিজেকে সম্পূর্ণরুপে নিঃস্বত্বে পরিণত করতে হবে।
হেবা-বিল এওয়াজের ক্ষেত্রে দখল দান আবশ্যক নয়।
হেবা-বিল-এওয়াজ প্রত্যাহারযোগ্য নয়।
লেখক: App Lawyer Maruf Hossen Jewel

Address

Dhaka

Telephone

+8801709785455

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawyer's Club Rajshahi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Lawyer's Club Rajshahi:

Share

Category