Legal & Litigation Aid

Legal & Litigation Aid Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Legal & Litigation Aid, Lawyer & Law Firm, House No-76/Kha/2/1, Bibir Bagicha 2 No Gate, North Jatrabari, Jatrabari, Dhaka.

We are committed to delivering exceptional legal services with integrity, professionalism, and a client-first approach.Our firm brings together a team of experienced attorneys who specialize in a wide range of practice areas including corporate & Family.

বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করলে বা সময়মতো কাজ না দিলে দ্রুত থানায় মামলা (৪২০ ধারায় প্রতারণা) বা বৈদেশিক কর্ম...
19/06/2026

বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করলে বা সময়মতো কাজ না দিলে দ্রুত থানায় মামলা (৪২০ ধারায় প্রতারণা) বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ অনুযায়ী আদালতে মামলা করুন। এছাড়া সরাসরি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)-এ অভিযোগ জানাতে পারেন।

করণীয় পদক্ষেপসমূহ
১. প্রমাণ সংগ্রহ করুনটাকা লেনদেনের প্রমাণ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদ, বা স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি), মেসেজ, কল রেকর্ড বা অন্য কোনো তথ্য প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করুন।
২. আইনি নোটিশ পাঠানকোনো আইনজীবীর মাধ্যমে দালালের ঠিকানায় একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরতের দাবি জানানো হবে।
৩. মামলা দায়েরনোটিশে কাজ না হলে, আপনার এলাকার থানায় সরাসরি মামলা করুন। এছাড়া মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন বা দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় আদালতে মামলা করার সুযোগ রয়েছে।

৪. বিএমইটি (BMET) এর সহায়তাদালাল যদি জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি হয়, তবে প্রমাণসহ লিখিতভাবে তাদের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

আপনার এলাকার বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারলে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি:
দালাল বা এজেন্সি কি সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত?
টাকা দেওয়ার সময় কি কোনো লিখিত প্রমাণ বা চুক্তিপত্র আছে?

বিভিন্ন সরকার এর আমলে সাধারণ মানুষের প্রথম অভিযোগ পুলিশ নিয়ে। বিগত সরকার এর পতনের শেষ দিন এক জঘন্য নির্মমতার শিকার হয় পু...
18/06/2026

বিভিন্ন সরকার এর আমলে সাধারণ মানুষের প্রথম অভিযোগ পুলিশ নিয়ে। বিগত সরকার এর পতনের শেষ দিন এক জঘন্য নির্মমতার শিকার হয় পুলিশ। পুলিশকে পুড়িয়ে, পিটিয়ে মারা হয়। তখন অনেক মানুষ কষ্ট পেয়েছেন এমন নিসংসতা দেখে। বর্তমান সরকারের অনেক চ্যালেঞ্জ এর মধ্যে পুলিশ সংস্কার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কিন্তু বর্তমান সময়ে পুলিশের বিভিন্ন খবরে আমরা হতবাক। মনে হচ্ছে পুলিশ শব্দটার মধ্যে অপরাধ, অমানবিক, অসত্য মিশিয়ে আছে। তারা আর কখনো পরিবর্তন হবার নয়।

সরকারের উচিত হবে অতিব অল্প সময়ে এই বাহিনী কে সংস্কার করে নতুন ভাবে পুলিশ কে সংগঠন করা না হলে জাতি হিসেবে আমরা অসভ্য হয়ে উঠব।

বি দ্র: সবাই খারাপ না দুই এক জনের জন্য এখনও টিকে আছে পুলিশ বাহিনী।

সতর্কীকরণ নোটিশ।
09/06/2026

সতর্কীকরণ নোটিশ।

05/06/2026

স্বামী ভরণপোষণ না দিলে স্ত্রী সালিশি পরিষদ, গ্রাম আদালত বা পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। ভরণপোষণ পাওয়া স্ত্রীর একটি আইনগত অধিকার। স্বামী সামর্থ্য থাকার পরও খরচ না দিলে আইন স্ত্রীর পাশে দাঁড়ায়।
নিচে বিস্তারিত পদক্ষেপগুলো দেওয়া হলো:

# # ১. স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন

* স্বামী খরচ না দিলে স্ত্রী তার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করতে পারেন।
* চেয়ারম্যান তখন দুই পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
* এই পরিষদ স্বামীর আয় দেখে মাসিক ভরণপোষণের পরিমাণ ঠিক করে দেবে।

# # ২. গ্রাম আদালতে মামলা

* বকেয়া ভরণপোষণের পরিমাণ অনধিক ৩ লক্ষ টাকা হলে স্ত্রী গ্রাম আদালতে মামলা করতে পারেন।
* মাত্র ২০ টাকা ফি দিয়ে এই আদালতে আবেদন করা যায়।

# # ৩. পারিবারিক আদালতে মামলা

* সালিশে সমাধান না হলে স্ত্রী দেশের পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সরাসরি মামলা করতে পারেন।
* মামলা করার আগে সাধারণত একজন আইনজীবীর মাধ্যমে স্বামীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
* আদালত মামলার খরচ চালানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন বা সাময়িক খরচের আদেশও দিতে পারেন।

# # ৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আদালতে যাওয়ার সময় কিছু কাগজ সাথে রাখা জরুরি:

* বিয়ের কাবিননামা বা নিবন্ধনের দলিল।
* স্বামীর আয়ের প্রমাণ (যেমন- চাকরির পে-স্লিপ বা ব্যাংক হিসাব)।
* সন্তান থাকলে তাদের জন্মনিবন্ধন এবং পড়াশোনার খরচের কাগজ।

# # ৫. আইন অমান্য করলে শাস্তি

* আদালত আদেশ দেওয়ার পরও স্বামী টাকা না দিলে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
* এমনকি আদালত অবমাননার দায়ে স্বামীর জেলও হতে পারে।
* কোনো স্বামী টানা দুই বছর ভরণপোষণ না দিলে স্ত্রী চাইলে আইনিভাবে বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদনও করতে পারেন।

আপনি যদি এই বিষয়ে আরও নির্দিষ্ট কিছু জানতে চান, তবে নিচে দেওয়া বিষয়গুলো জানাতে পারেন:
Legal & Litigation Aid
* আপনাদের কোনো সন্তান আছে কি না?
* আপনারা এখন একসাথে থাকেন নাকি আলাদা?
আমি আপনাকে সঠিক আইনি পথটি বেছে নিতে আরও তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারব।
Mahmud Hasan Nazim

বাবা- মায়ের উচিত ছেলেমেয়েকে শিক্ষিত করার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, আত্নীয় স্বজনদের সাথে ভাল ব্যবহার, প...
03/06/2026

বাবা- মায়ের উচিত ছেলেমেয়েকে শিক্ষিত করার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, আত্নীয় স্বজনদের সাথে ভাল ব্যবহার, প্রতিটি জীবের প্রতি মানবিক আচরণ করা এবং ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার। সেই সন্তান আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি বাবা - মাকেই শুধু ভালবাসবে না,
বাবা মায়ের গর্বিত সন্তান হবে ।

30/05/2026

১৯২৮ সালের Calcutta High Court
-এর একটি বড় এজলাসে ভিড় উপচে পড়েছে।

কারণ মামলাটি ছিল অদ্ভুত।

এক ধনী জুয়েলারি ব্যবসায়ী— গিরীশচন্দ্র দে— নিজের বাড়ির ভেতর খুন হন।

ঘর ভিতর থেকে বন্ধ ছিল।

টাকা-পয়সা, গয়না কিছুই খোয়া যায়নি।

পুলিশ খুব দ্রুত একজনকে গ্রেপ্তার করল— ব্যবসায়ীর ভাগ্নে নির্মল।

কারণ:

- হত্যার আগের দিন মামা-ভাগ্নের ঝগড়া হয়েছিল;
- নির্মলের জামায় সামান্য রক্ত পাওয়া গিয়েছিল;
- এবং এক চাকর দাবি করেছিল, সে রাতে নির্মলকে ঘরের কাছাকাছি দেখেছে।

সবাই ভাবল— মামলাটি খুব সহজ।

দুই ব্যারিস্টার

সরকারপক্ষের হয়ে ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ ব্যারিস্টার চার্লস উইনস্টন।

আর আসামির পক্ষে দাঁড়ালেন বাঙালি ব্যারিস্টার অনিরুদ্ধ সেন।

অনিরুদ্ধ সেনের খ্যাতি ছিল একটাই—

“তিনি সাক্ষীর কথা নয়, ঘটনার ভেতরের যুক্তি দেখতেন।”

সরকারের শক্ত মামলা

চার্লস উইনস্টন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন—

“মানবিক সম্পর্ক, আর্থিক বিরোধ এবং রক্তের প্রমাণ— সবকিছু একই ব্যক্তির দিকে নির্দেশ করছে।”

তিনি একে একে সাক্ষী আনলেন।

চাকর বলল—

“রাত ঠিক দশটার দিকে আমি নির্মলবাবুকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখেছি।”

ডাক্তার বললেন—

“মৃত্যু রাত দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে হয়েছে।”

পুলিশ বলল—

“ঘরে জোর করে ঢোকার কোনো চিহ্ন ছিল না।”

সব মিলিয়ে আসামির অবস্থা খারাপ।

অনিরুদ্ধ সেনের অদ্ভুত প্রশ্ন

অনিরুদ্ধ খুব কম প্রশ্ন করছিলেন।

হঠাৎ তিনি চাকরকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তুমি বলছ রাত ঠিক দশটায় নির্মলকে দেখেছ?”

— “জি।”

“তুমি সময় দেখেছিলে?”

— “জি, দেয়াল ঘড়িতে।”

“ঘড়িটি কোথায় ছিল?”

— “ড্রইংরুমে।”

“তুমি কত দূর থেকে ঘড়ি দেখেছিলে?”

— “এই… বিশ-পঁচিশ হাত দূর থেকে।”

অনিরুদ্ধ মাথা নেড়ে চুপ করে গেলেন।

আসল খেলা

পরদিন তিনি আদালতে একটি বড় কাগজ আনলেন।

সেটি ছিল বাড়ির নকশা।

তিনি বিচারকের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন—

“মাই লর্ড, চাকর যেখান থেকে দাঁড়িয়ে ছিল বলে দাবি করছে, সেখান থেকে ড্রইংরুমের ঘড়ি দেখা অসম্ভব।”

তারপর তিনি ব্যাখ্যা করলেন:

- মাঝখানে একটি কাঠের পার্টিশন ছিল;
- আলো খুব কম ছিল;
- এবং ঘড়িটি ছোট ছিল।

বিচারক আগ্রহী হলেন।

কিন্তু আসল আঘাত তখনও বাকি

অনিরুদ্ধ এবার ডাক্তারকে দাঁড় করালেন।

“আপনি বলেছেন মৃত্যু দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে?”

— “জি।”

“আপনি কি মৃতদেহের পাকস্থলী পরীক্ষা করেছিলেন?”

— “হ্যাঁ।”

“খাবার কতটা হজম হয়েছিল?”

ডাক্তার কিছু নোট দেখে বললেন—

“প্রায় সম্পূর্ণ।”

অনিরুদ্ধ শান্তভাবে বললেন—

“মৃত ব্যক্তি রাত সাড়ে নয়টায় খাবার খেয়েছিলেন— এটা কি ঠিক?”

— “জি।”

“তাহলে মাত্র ত্রিশ মিনিটে সম্পূর্ণ হজম হওয়া কি স্বাভাবিক?”

ডাক্তার থেমে গেলেন।

আদালতে ফিসফাস শুরু হলো।

ডাক্তার ধীরে বললেন—

“না… সাধারণত অন্তত দুই ঘণ্টা লাগে।”

চার মিনিটের নীরবতা

আদালত হঠাৎ নিস্তব্ধ।

চার্লস উইনস্টন কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেলেন।

কারণ যদি খাবার সম্পূর্ণ হজম হয়ে থাকে, তাহলে মৃত্যু সাড়ে দশটায় হয়নি।

অর্থাৎ নির্মলের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো পুরো সময়রেখাই ভুল।

শেষ প্রশ্ন

অনিরুদ্ধ শেষবার চাকরকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তুমি কি পুলিশের কথা অনুযায়ী সময় বলেছিলে?”

লোকটি ঘেমে উঠল।

কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল—

“ওরা বলছিল দশটার দিকেই হবে…”

রায়

বিচারক নির্মলকে বেকসুর খালাস দিলেন।

রায়ে তিনি লিখলেন—

“সন্দেহ প্রমাণ নয়। আর একটি ভুল সময় পুরো মামলার ভিত্তি ধ্বংস করে দিতে পারে।”

সেদিন আদালতের বাইরে এক বৃদ্ধ ব্যারিস্টার বলেছিলেন—

“ভালো আইনজীবী উত্তর শোনে। মহান আইনজীবী সময়ের অসঙ্গতি শোনে।”

আর অনিরুদ্ধ সেনের সেই মামলাটি বহু বছর ধরে কলকাতার আইন শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচিত ছিল—

“চার মিনিটের নীরবতা” নামে আদালতে।

Eid Mubarak 2026Legal & Litigation Aid
26/05/2026

Eid Mubarak 2026
Legal & Litigation Aid

22/05/2026

যারা রামিসার বিপক্ষে উকালতি না করার ঘোষণা দিচ্ছে বা উকিল না থাকার দাবী করছে এরা কি আইন জেনে করছে? আইন বুঝে করছে? পপুলিস্ট নাকি অজ্ঞতা? এসবে রামিসার পরিবারের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে সহায়ক হবে? নাকি উল্টো?

দেশের Supreme Law , ৭২ এর সংবিধান( Bangladesh Constitution ) এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুসারে একজন ব্যক্তি ডাকাতি,খুনে, রেইপে যে অপরাধে অভিযুক্ত হোক সে একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারবে। এটা তার সাংবিধানিক অধিকার। এটা তার মৌলিক অধিকার। এখন যে Constitution আমরা মেনে চলছি সেটা থেকে বল্লাম।

নিম্ন আদালতে বিচারে কেউ আসামীর পক্ষে উকিল হিসেবে না দাড়ালে আদালত নিজেই তার জন্য উকিল নিযুক্ত করবে। উকিল ছাড়া বিচার হলে এবং রায় হলে , এই রায়ের বিরুদ্ধে সেই আসামী সুপ্রিম কোর্টে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতিরা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছে। তারা Custodian of The Constitution. তারা অনুচ্ছেদ ৩৩ মেনে চলতে বাধ্য কিনা?। বিচারে ৩৩ মানা হয়েছে কিনা ,দেখবে কিনা? মানা না হলে এই রায় টিকবে কিনা? কার লাভ হবে?

দুনিয়ার সব দেশের সংবিধানে আসামীর আইনজীবীর নেওয়ার অধিকারের বিধান আছে। কিছু দিন আগে এক হুজুরকে রেইপের অপরাধে অভিযুক্ত করে ব্যাপকভাবে মারধর করা হয়। পরে DNA TESTএ দেখা গেলো হুজুর জড়িত না। এই হুজুর এখন মানসিক রোগী হয়ে আছে। এক্ষেত্রে আপনি কী বলবেন?

দেশের আইনমতে একটি অপরাধের রায় কী হবে? মুক্তি না খালাস সবকিছু ফিক্সড করে জজ সাহেব। এখানে উকিলের বাপের হাত নেই কিছু করার। যে খুনী , যার খুনের অপরাধ দুনিয়ার মানুষ জানে , সব প্রমাণিত। এসবে উকিলের ক্ষমতা নেই বাচানোর। উকিল কেবল তার মক্কেলের বক্তব্যটা আদালতে সাবমিট করে।

দুনিয়ার সব দেশে উকালতির সিস্টেম রাখা হয়েছে নিখুঁতভাবে বিচার করার জন্য। কেউ যাতে অবিচারের ভিক্টিম না হয়। পক্ষে বিপক্ষে আলাপের মাধ্যমে সত্য বের করার জন্য।

যেসব উকিল আমি এই পক্ষে থাকবো, এই পক্ষে থাকবো না। এসব বলে লম্বা লম্বা লেকচার দিচ্ছে এদের উচিত উকালতি ছেড়ে দিয়ে বিচারক বা ইমাম সাহেব হওয়ার চেষ্টা করা। তাকে উকিল হিসেবে রাখা হয়েছে যেকোনো এক পক্ষে থেকে আদালতকে সহায়তা করার জন্য এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য।

আমাদের দাবী হোক দেশের বিচারকের সংখ্যা ২৩০০ থেকে ১০,০০০ করা হোক। বিচার বিভাগের জন্য বাজেট ১০ হাজার কোটি মিনিমাম হোক। আদালত বাড়ানো হোক। আইনজীবীদের জন্য নানামুখী ট্রেনিং প্রোগ্রাম হোক, ট্রেনিং ইন্সটিটিউট হোক।

এসব বাস্তবায়ন হলে ২০২৫ সালের আসিয়া, ২০২৬ সালের রামিসা , শহীদ তনুদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে। দ্রুত মানুষ ন্যায়বিচার পেলে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা দ্রুত আসবে।

এসব বাদ দিয়ে উকিল থাকবে কি থাকবে না, এসব কেবল অযুহাত ,অযুহাত ও অযুহাত। মূল সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার অযুহাত। এমন অযুহাতে ফোকাস না দিয়ে দাবী হোক যথাযথ।

আমাদের মেয়ে , আমাদের বোন শহীদ রামিশার খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। এই বিচার দ্রুত হোক। সবাই ন্যায়বিচার পাক।।

Collected

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী মুসলিম ছেলে ও মেয়ের ভিন্ন ধর্মে বিয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে:১. মুসলিম ছেলেদের ক্ষে...
22/05/2026

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী মুসলিম ছেলে ও মেয়ের ভিন্ন ধর্মে বিয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে:

১. মুসলিম ছেলেদের ক্ষেত্রে:আহলে কিতাব (ইয়াহুদি ও খ্রিস্টান): মুসলিম পুরুষেরা ইয়াহুদি বা খ্রিস্টান (আহলে কিতাব) নারীদের বিয়ে করতে পারেন, যদি তারা সতীসাধ্বী হন।

তবে অনেক আলেম বর্তমান যুগে এটি নিরুৎসাহিত করেন।অন্যান্য ধর্ম (হিন্দু, বৌদ্ধ ইত্যাদি): কোনো মুসলিম পুরুষ অংশীবাদী বা পৌত্তলিক (মুশরিক) নারীকে বিয়ে করতে পারেন না।

এই ক্ষেত্রে বিয়ে বৈধ হতে হলে ওই নারীকে প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করতে হবে।

২. মুসলিম মেয়েদের ক্ষেত্রে:সম্পূর্ণ নিষেধ: ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, একজন মুসলিম নারী কোনো অমুসলিম পুরুষকে (হোক সে খ্রিস্টান, ইয়াহুদি বা অন্য কোনো ধর্মের) বিয়ে করতে পারেন না।

শর্ত: যদি কোনো অমুসলিম পুরুষ কোনো মুসলিম নারীকে বিয়ে করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় সেই বিয়ে ইসলামি আইনে বৈধ বা "নিকাহ" হিসেবে গণ্য হবে না।

আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন Legal & Litigation Aid
01737502881

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার ও আইন কঠোর না হলে এই নির্মমতা বন্ধ হবে না।এখনই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কা‌ছে আকুল আবে...
20/05/2026

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার ও আইন কঠোর না হলে এই নির্মমতা বন্ধ হবে না।

এখনই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কা‌ছে আকুল আবেদন শিশু রা‌মিসার নির্মম হত‌্যার প্রধান আসামী ও তার সহযোগী‌কে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হোক।

Address

House No-76/Kha/2/1, Bibir Bagicha 2 No Gate, North Jatrabari, Jatrabari
Dhaka
1204

Opening Hours

Monday 17:00 - 23:00
Tuesday 17:00 - 23:00
Wednesday 17:00 - 23:00
Thursday 17:00 - 23:00
Friday 17:00 - 23:00
Saturday 17:00 - 23:00
Sunday 17:00 - 23:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal & Litigation Aid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share