সহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • সহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম

সহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম শিরক মুক্ত তাওহীদি ঈমান ও বিদআত মুক্ত সুন্নতি আমল চাই।

11/01/2020
السلام عليكم ورحمة الله وبركاتهসহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত থাকা সকল দ্বীনি ভাইদের আন্তরিক ...
06/01/2020

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
সহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত থাকা সকল দ্বীনি ভাইদের আন্তরিক মোবারক বাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি।
অতঃপর সকল যুক্ত থাকা ভাইদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যারা গ্রুপে সক্রিয় আছেন তো আলহামদুলিল্লাহ। আর যারা সক্রিয় নেই তাদের ব্যপারে কর্তৃপক্ষের আহবান হলো আপনারা গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকতে আগ্রহী হলে, গ্রুপে সালাম বয়েজ অথবা টেক্সটের মাধ্যমে আপনাদের আগ্রহের কথা দয়াকরে জানান দিন।
কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ক্রমে আমরা দুই বৎসর পুর্তি উপলক্ষে গ্রুপকে আরো ঢেলে সাজাতে চাই, এতে আমরা সকল যুক্ত থাকা ভাইদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। মহান আল্লাহ সহীহ্ দ্বীন জানা ও মানা আমাদের জন্য সহজ করুন -আমীন।

22/12/2019

আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ।

22/12/2019

আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীছ বিভাগের অন্যতম প্রসিদ্ধ একজন শিক্ষক শায়খ আয়মান আর-রুহাইলী। শায়খ আমাদেরকে তিরমিযী পড়ান। জিহাদ...
15/07/2019

মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীছ বিভাগের অন্যতম প্রসিদ্ধ একজন শিক্ষক শায়খ আয়মান আর-রুহাইলী। শায়খ আমাদেরকে তিরমিযী পড়ান। জিহাদ অধ্যায়ে ‘অলিউল আমর’ বা নেতার অানুগত্যের একটি হাদীছ আসে। তার উপর তিনি এক প্রকার বলা যায় জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়ে ফেললেন। দারস শেষে আলাদাভাবে শায়খকে আমি কিছু প্রশ্ন করি। নীচে আমার প্রশ্ন ও শায়খের উত্তর সংক্ষিপ্ত ভাবে পেশ করলাম।

আমিঃ নেতার আনুগত্যের এই হাদীছগুলো অনেকেই মনে করে শুধু খলীফার জন্য বর্তমান রাষ্ট্র প্রধানদের জন্য নয়।

শায়খঃ ছহীহ মুসলিমের কিতাবুল ইমারাতে যত হাদীছ আছে সেগুলো একদল মানুষ জনগণের সামনে থেকে লুকিয়ে রাখে। সে হাদীছগুলো যে কেউ পড়লে বুঝতে পারবে এর দ্বারা রাষ্ট্র প্রধানকেই বুঝানো হয়েছে চাহে তিনি খলীফা হন বা বর্তমান রাষ্ট্র প্রধান হন।

আমিঃ আমাদের দেশে নারী নেতা। এই জন্য অনেকেই মনে করে যেখানে নারী নেতৃত্বই হারাম সেখানে তার আনুগত্যের কোন প্রশ্নই আসেনা।

শায়খঃ সকল ওলামায়ে কেরাম একমত যে দাস বা গোলামেরা রাষ্ট্রপ্রধান হতে পারবেনা। কিন্তু তারপরেও সকলেই একমত যে দাস বা গোলাম যদি রাষ্ট্র প্রধান হয়ে যায় তাহলে তার আনুগত্য করতে হবে। এবং ইসলামের ইতিহাসে এর নজীর আছে। দাস ও গোলামেরা নেতা হয়েছে। আলেম ওলামা তাদের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে।

আমিঃ সরকার যদি অনৈসলামিক আইন চালু করে তাহলে ؟

শায়খঃ আল্লাহর নাফরমানীতে কারো আনুগত্য করা যাবেনা। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে হবে।

আমিঃ বিদ্রোহ কখন করা যাবে ?

শায়খঃ প্রকাশ্য কুফুরী এবং ক্ষমতা দখলের সামর্থ্য থাকলে। হাদীছের বাক্যের প্রতি মনোযোগ দাও শুধু কুফুরী নয় প্রকাশ্য কুফুরী। যাতে বিন্দু মাত্র সন্দেহের অবকাশ না থাকে সে কাফের হয়ে গেছে। আজকে মুসলিম দেশগুলোর অবস্থা দেখ! বিদ্রোহ করতে গিয়ে কত হাযার হাযার নিরপরাধ মানুষের রক্ত ঝরছে। অথচ সফলতা জিরো। মূলত যারা বিদ্রোহ করতে চায় এদের অধিকাংশের লক্ষ্য দ্বীন নয় বরং ক্ষমতা দখল উদ্দেশ্য। নেতৃত্বের লোভ ও দুনিয়া তাদের লক্ষ্য। দ্বীন নয়।

আমিঃ সরকার যদি কোন ভুল কাজ করে তাহলে তাকে সেই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য রাস্তা-ঘাট বন্ধ করা যাবে?

শায়খঃ কাল্লা। কখনো নহে। এটা ইরহাব তথা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড।

আমিঃ রাস্তাঘাট বন্ধ করলাম না কিন্তু আমি নিজে কাজ বন্ধ করে দিলাম। অফিস-আদালতে গেলাম না। যেটাকে ইযরাব আনিল আমাল বলে। বা (তাত্বিক ভাবে যেটাকে হরতাল বলা হয়।) এটা কি জায়েয হবে?

শায়খঃ না! মহান আল্লাহ বলেছেন, ও হে ঈমানদারগণ যখন তোমরা চুক্তি কর! তখন তা পূর্ণ কর! যেহেতু চাকরী এক প্রকার চুক্তি। সেহেতু অফিস-আদালতে না গিয়ে বসে থাকলে বেতন হারাম হবে এবং ওয়াদা ও চুক্তি ভঙ্গ করা হবে। আর এটা মুসলিমদের কাজ হতে পারেনা।

আমিঃ শায়খ অন্যের সাথে চুক্তি এটা বুঝলাম । কিন্তু আমার নিজের দোকান আমার নিজের ব্যবসা আমি বন্ধ রাখলাম। তাহলে?

শায়খঃ যদি জনগণের ক্ষতি হয় তাহলে জায়েয হবেনা। কেননা রাসূল (ছাঃ) খাদ্য দ্রব্য ইচ্ছাকৃত ভাবে জমা করতে নিষেধ করেছেন। কেননা এর ফলে জনসাধারণের কষ্ট হয়। যদি ব্যাবসা বাণিজ্য বন্ধে জনগণের কষ্ট হয় তাহলে চলবেনা।

আমিঃ শায়খ এগুলো বললে মানুষ সরকারের দালাল বলে।

শায়খঃ তাহলে তাদেরকে আগে মহান আল্লাহ ও রাসূলকে সরকারের দালাল বলতে হবে। তুমি তাদের সামনে ছহীহ মুসলিম থেকে কিতাবুল ইমারাতের হাদীছগুলো অনুবাদ কর ! যদি মুমিন হয় মানবে। অন্যথায় মহান আল্লাহ ও রাসূলকে দালাল বলতে হবে। দেখ! মিশরে হোসনী আসুক! মুরসী আসুক! সিসি আসুক আমাদের কথা সর্বদা এক। বিদ্রোহ করা যাবেনা। কিন্তু তাদের অবস্থা দেখ! যখন হোসনী ছিল তখন বিদ্রোহ করা যাবে। যখন ‍মুরসী তখন বিদ্রোহ করা যাবেনা। তখন স্বয়ং তারাই সেই হাদীছগুলো পেশ করে যেগুলো এতদিন পেশ করার জন্য আমাদের দালাল বলেছে। আবার এখন সিসি এসেছে তো আবার বিদ্রোহ করা যাবে। আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের অবস্থা এমন নয়। সর্বদা আমরা একই হাদীছ একই ভাবে পেশ করি।

আমিঃ সরকার যদি আলেম ওলামার উপর যুলুম করে তাহলে ?

শায়খঃ সেই আলেম কি আহমাদ বিন হাম্বালের চেয়ে বড়? আহমাদ বিন হাম্বাল তো বিদ্রোহের ডাক দেননি। সেই আলেম কি ইবনু তাইমিয়ার চেয়ে বড় যিনি জেলেই মারা গেছেন। তবুও তিনি তো বিদ্রোহের ডাক দেন নি। সেই আলেম কি আব্দুল্লাহ বিন যুবায়রের চেয়ে বড় ? সেই সমস্ত মহান তাবেয়ীদের চেয়ে বড় যাদের হাজ্জাজ হত্যা করেছে। কই তখন তো আনাস (রাঃ) জীবিত ছিলেন। তিনি তো বিদ্রোহের ডাক দেননি।

Ahle Hadis Salafiyyah

30/06/2019

ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন- পাঁচটি অন্তর অসুস্থঃ
১) লোকজনের সাথে অতিরিক্ত মেলামেশা করা অন্তরঃ অর্থাৎ অতিরিক্ত সামাজিকীকরণ রক্ষা করতে গিয়ে এক সময় মানুষের অন্তর দূষিত হয়ে যায়। নিজের রবের সাথে তখন আর একান্ত সময় কাটানো হয়ে উঠে না।

২) অতিরিক্ত কামনা বাসনাযুক্ত নাফসঃ এমন অন্তরের দুনিয়ার সব কিছুর প্রতি প্রচন্ড লোভ থাকে। দুনিয়ার কোন কিছুতেই তার অন্তর পরিতৃপ্ত হয় না।

৩) আল্লাহ্ ছাড়া ও অন্যের উপর ভরসা করা অন্তর।

৪) অধিক পরিমানে আহার করা নাফস।

৫) অধিক পরিমানে ঘুমানো অন্তর।

[মাদারিজ আস সালেকীন,ভলিউম ১,]

28/06/2019

কোনো অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করতে চাইলে তার জন্য কী কী করণীয়?
▬▬▬▬💠🌀💠 ▬▬▬▬
প্রশ্ন: একজন হিন্দু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। তাকে ইসলামে ধর্মে দীক্ষিত করার জন্য কী কী কাজ করতে হবে?

উত্তর:
ইসলাম অত্যন্ত সহজ, সুন্দর ও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার নাম। এটি মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলার চূড়ান্ত মনোনীত দ্বীন এবং মানবতার মুক্তির একমাত্র ঠিকানা। ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম বা মতাদর্শ আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। একজন অমুসলিম যখন ইসলামে ছায়াতলে প্রবেশ করে তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর তার অতীত জীবনের সকল পাপ রাশী মোচন করে তাকে নির্মল, পরিশুদ্ধ ও সম্পূর্ণ নিষ্পাপ মানুষে পরিণত করেন। যেমন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
أَنَّ الإِسْلاَمَ يَهْدِمُ مَا كَانَ قَبْلَهُ
“ইসলাম পূর্ববর্তী সকল পাপ মিটিয়ে দেয়।“ (সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান, অনুচ্ছেদ: ইসলাম গ্রহণ এবং হিজরত ও হজ্জ পালনের দ্বারা পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। হা/২২০)

যাহোক, কোনো অমুসলিম যদি ইসলাম গ্রহণ করতে চায় তাহলে তার জন্য সহজ কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন:

▪১) ইসলাম গ্রহণ কারতে ইচ্ছুক ব্যক্তি প্রথমে মনের মধ্যে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর প্রেরিত দূত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস সহকারে সত্য ধর্ম ইসলাম গ্রহণ এবং তা পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
▪২) অত:পর এই আরবিতে সাক্ষ্য বাণী পাঠ করবে (অথবা কেউ তাকে পাঠ করে শুনাবে আর সে তা শুনে শুনে পাঠ করবে)
“আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আন্না মুহাম্মদার রাসুলুল্লাহ।”
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নাই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল (বা প্রেরিত দূত)।
এই 'সাক্ষ্য বাণী' উচ্চারণের সাথে সাথে সে মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে। একজন ব্যক্তি যদি একাকী তার নিজের ঘরে বসেও এই কালিমা পাঠ করে তাহলেও সে মুসলিম হয়ে যাবে। এ জন্য আলাদা কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। আর ইসলামে প্রবেশের সাথে সে সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ও পূত-পবিত্র মানুষের পরিণত হবে। অর্থাৎ কালিমা পাঠ করার পরপরই যদি সে মারা যায় তাহলে সে সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করবে-সুবহান আল্লাহ!
▪৩) এরপর গোসল করা উত্তম। কেননা, কালিমা শাহাদাহ উচ্চারণ তথা ঈমান আনয়নের মাধ্যমে অন্তরাত্মা পবিত্র হয় আর গোসলের মাধ্যমে শরীর পবিত্র হয়।
▪৪) ওযু এবং নামাযের পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করতে হবে এবং যথারীতি পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা শুরু করতে হবে।
▪৫) তাওহীদ, শিরক, ওযু, গোসল, নামায, যাকাত, রোযা, হজ ইত্যাদি ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করতে হবে।
▪৬) ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তির নাম যদি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তাহলে তা পরিবর্তন করে একটি সুন্দর অর্থবোধক ইসলামী নাম গ্রহণ রাখতে হবে।
▪৭) এবং ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তি পুরুষ হলে সময়সাপেক্ষে তার খতনার ব্যবস্থা করতে হবে।
▪৮) মুসলিমদের উচিৎ, নব দীক্ষিত মুসলিম ভাইকে স্বাগত জানানো এবং তার সাথে সুন্দর আচরণ করা। তৎসঙ্গে সে যদি আর্থিক সমস্যায় থাকে তাহলে উপহার প্রদান বা আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা মাধ্যমে সমস্যা লাঘবের চেষ্টা করা নি:সন্দেহে উত্তম কাজ।
▬▬▬▬💠🌀💠 ▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
fb/AbdullaahilHadi
লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব।

27/06/2019

অবৈধ প্রেম-ঘটিত অবাঞ্ছিত একটি পরিণাম খুন
অবৈধ প্রণয়-ঘটিত অশান্তির জেরে কত মানুষ খুন হয়, তার ইয়ত্তা নেই। যে খুন সম্বন্ধে মহান আল্লাহ বলেছেন,
ৎمَنْ قَتَلَ نَفْساً بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِي الأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيعاً وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعاًঃ ক্ষالمائدة : ৩২ঁ
অর্থাৎ, এ কারণেই বনী ইস্রাঈলের প্রতি এ বিধান দিলাম যে, যে ব্যক্তি নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কাজ করার দন্ডদান উদ্দেশ্য ছাড়া কাউকে হত্যা করল, সে যেন পৃথিবীর সকল মানুষকেই হত্যা করল। আর কেউ কারো প্রাণরক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সকল মানুষের প্রাণ রক্ষা করল। (সূরা মায়েদাহ ৩২ আয়াত)
আর মহানবী  বলেছেন,
((لَزَوَالُ الدُّنْيَا ، أَهْوَنُ عِنْدَ اللهِ ، مِنْ قَتْلِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ))।
“একজন মুসলিমকে খুন করার চাইতে জগৎ ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহর নিকট অধিক সহজ।” (তিরমিযী ১৩৯৫, নাসাঈ ৩৯৮৭নং)
তিনি আরো বলেছেন,
(( أَوَّلُ مَا يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ يَوْمَ القِيَامَةِ فِي الدِّمَاء )) ।
“কিয়ামতের দিন (মানবাধিকারের বিষয়ে) সর্বপ্রথমে লোকেদের মধ্যে যে বিচার করা হবে তা রক্ত সম্পর্কিত হবে।” (বুখারী ৬৮৬৪, মুসলিম ৪৪৭৫নং)
যে মহাপাপ খুন ঘটে বহু লায়লা-মজনুদের কর্মকান্ডের জেরে, তার কিছু নিম্নরূপঃ-
বিয়ের ইচ্ছা না রেখে প্রেম করতে গিয়ে ধরা পড়লে জোর ক'রে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার পর খুন করে কপট প্রেমিক। অথবা প্রেমিকা গর্ভবতী হয়ে পড়লে প্রেমিককে বিয়ের চাপ দিলে অথবা প্রশাসন বা সমাজকে জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখালে তাকে খুন করে প্রেমিক।
প্রেমে বাধা পড়লে পথের কাঁটা দূর করতে বাধাদানকারীকে খুন করে প্রেমিক অথবা প্রেমিকা। এ ক্ষেত্রে প্রেমিকার বাবা, মা, ভাই অথবা স্বামীকে খুন করা হয়। অনেক সময় প্রেমিকাও সে খুনে সম্মত ও শরীক থাকে। বরং নতুন নাগর লাভের আশায় স্ত্রী নিজ স্বামীকে নিজ হাতে খুন করে অথবা বিষপান করিয়ে হত্যা করে!
যেমন প্রেমিক তার বিবাহিত স্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে নতুন লায়লাকে নিয়ে সংসার করার স্বপ্ন দেখে।
অনেক সময় ছোট শিশু সন্তান মায়ের প্রেম-সাফল্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বেপরোয়া হয়ে কাবাবের হাড্ডি দূর করতে তাকে খুন করে রাক্ষসিনী! সানন্দে তার প্রেম-কল্লোলিত মনে তখন সে গেয়ে থাকে,
'গোপন প্রেমের মোহন বাঁশি এখন বাজাব,
আমি কোলের ছেলে জলে ফেলে যৌবন সাজাব।
আর সরু ক'রে সিঁথি কেটে চ্যাংড়া নাচাব!'
প্রেমিকার প্রেমের ভিখারী অন্য কেউ আছে জানতে পেরে ঈর্ষায় সেই শরীক প্রেমিককে খুন করে প্রেমিক।
প্রেমিকা অন্যকেও প্রেম-নিবেদন করে জানতে পেরে রাগ ও ঈর্ষায় নিজ হাতে প্রেমিকাকেই খুন করা হয়ে থাকে! 'তুই আমার হবি না তো তোকে কারো হতে দেব না' বলে তাকে দুনিয়া থেকেই সরিয়ে দেয় অথবা এ্যাসিড ছুঁড়ে তার সৌন্দর্যই ছিনিয়ে নেয় এবং তার প্রেমে বিশ্বাসঘাতকতার বদলা নেয়!
প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে অনেক সময় প্রেমিক প্রেমিকাকে খুন করে। আর অনেক সময় প্রেমিকাকে নষ্ট করার পর প্রত্যাখ্যান করলে প্রেমিকা প্রতিশোধ নিতে প্রেমিককে খুন করে অথবা করায়।
অপেক্ষাকৃত ছোট পাপ করতে করতে পরিশেষে এত বড় মহাপাপ ক'রে ফেলে প্রেমের পাগলরা, যে পাপের শাস্তি (আল্লাহ মাফ না করলে) দোযখ ছাড়া কিছু নয় পরকালে। মহান আল্লাহ বলেছেন,
ৎوَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًاঃ (৯৩) سورة النساء
“আর যে ব্যক্তি কোন মুমিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে তার শাস্তি হবে জাহান্নাম, সেখানেই সে চিরকাল থাকবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করে রাখবেন।” (নিসা ৯৩)
অনেক সময় মেয়ের অভিভাবক মেয়েকে কোন ছেলের সাথে প্রেম করতে দেখে সম্মান রাখতে তাকে খুন করে।
আর পরিশেষে পরিণাম হয়, খুনের বদলে খুন নতুবা কারাবাস।
আব্দুল হামীদ আল-ফাইযী আল-মাদানীর 'প্রেমরোগ' বই থেকে।

Address

Barura
Cumilla

Opening Hours

Monday 00:00 - 23:59
Tuesday 00:00 - 23:59
Wednesday 00:00 - 23:59
Thursday 00:00 - 23:59
Friday 00:00 - 23:59
Saturday 00:00 - 23:59
Sunday 00:00 - 23:59

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সহীহ্ আক্বীদা বরুড়া অনলাইন ফোরাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category