আইনী জিজ্ঞাসা ও পরামর্শ

আইনী জিজ্ঞাসা ও পরামর্শ দৈনন্দিন জীবনে আইনের সহজ ব্যাখ্যা জানানোর ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ?

14/06/2026

স্ত্রীকে কাবিননামা ১৮ নং কলামে তালাকের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারবে কিনা ?

📌কাবিনে ১৮ নং কলমে স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা দেওয়া নেই!এর মানে শুধু একটাই— “স্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে unilateral divorce (তালাক-ই-তাফউইজ) দিতে পারবে না”কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, এতে স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার বন্ধ হয় না।শুধু “একতরফা ক্ষমতা” বন্ধ হয়।তাহলে স্ত্রী কি এখনো তালাক দিতে পারবে?

📌(ক) খোলা (Khula) – সবচেয়ে ব্যবহারিক পথ
স্ত্রী চাইলে স্বামীর সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে।বাস্তবে অনেক কেসে এটা “settlement divorce”.

📌(খ) আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ (Section 2, Dissolution of Muslim Marriages Act 1939) অথবা পারিবারিক আইন আদালত ২০২৩ এর ৫-ক
অনুযায়ী স্ত্রী চাইলে Family Court-এ মামলা করতে পারে।এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে স্বামীর সম্মতি লাগে না। আদালত বিবাহ ভেঙে দিতে পারে যদি প্রমাণিত হয়:

📌স্বামী নির্যাতন করে।
📌ভরণপোষণ দেয় না।
📌যদি ২ বছর বা তার বেশি নিখোঁজ।
📌যদি ৪ বছর বা বেশি অনুপস্থিত (presumed death)।
📌নিষ্ঠুর আচরণ (cruelty)।
📌দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা।
📌স্বামী যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল থাকে।
গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ভুল ধারণা ভাঙা

📌 ভুল ধারণা ১:“স্ত্রী তালাক দিতে পারবে না কারণ ক্ষমতা নেই”
সঠিক: স্ত্রী “unilateral talaq” দিতে পারবে না, কিন্তু divorce পাওয়ার অধিকার থাকে।

📌ভুল ধারণা ২:
“স্বামীর অনুমতি ছাড়া কিছুই করা যাবে না”

📌সঠিক: আদালতের মাধ্যমে divorce সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র অধিকার।

📌তবে ভাল আইনজীবীর পরামর্শ নিতে হবে।

২০২৬-২০২৭ কর বর্ষ থেকে শুরু করে ২০৩০-২০৩১ কর বর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছর আপনাকে কোন বছরে কত হারে আয়কর দিতে হবে তা জেনে নিন...
11/06/2026

২০২৬-২০২৭ কর বর্ষ
থেকে শুরু করে ২০৩০-২০৩১ কর বর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছর আপনাকে কোন বছরে কত হারে আয়কর দিতে হবে তা জেনে নিন।
মনে রাখবেন, এখন থেকে দেশের যে কোন স্থানে কোন ব্যক্তির আয় করযোগ্য সীমা অতিক্রম করলেই তাকে নূন্যতম ৫,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে। তবে যারা নতুন করদাতা এবং প্রথমবার রিটার্ন জমা দিবেন তাদের জন্য নূন্যতম ট্যাক্স ১,০০০ টাকা প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন বরাবর রাজশাহী এডভোকেট বার এসোসিয়েশন এর আবেদন। আমরা মনে করি দেশের সকল আইনজীবী সমিতি গুলো...
11/06/2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন বরাবর রাজশাহী এডভোকেট বার এসোসিয়েশন এর আবেদন। আমরা মনে করি দেশের সকল আইনজীবী সমিতি গুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই বিষয়ে এগিয়ে আসতে পারে।

22/05/2026

যারা রামিসার বিপক্ষে উকালতি না করার ঘোষণা দিচ্ছে বা উকিল না থাকার দাবী করছে এরা কি আইন জেনে করছে? আইন বুঝে করছে? পপুলিস্ট নাকি অজ্ঞতা? এসবে রামিসার পরিবারের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে সহায়ক হবে? নাকি উল্টো?

দেশের Supreme Law , ৭২ এর সংবিধান( Bangladesh Constitution ) এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুসারে একজন ব্যক্তি ডাকাতি,খুনে, রেইপে যে অপরাধে অভিযুক্ত হোক সে একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারবে। এটা তার সাংবিধানিক অধিকার। এটা তার মৌলিক অধিকার। এখন যে Constitution আমরা মেনে চলছি সেটা থেকে বল্লাম।

নিম্ন আদালতে বিচারে কেউ আসামীর পক্ষে উকিল হিসেবে না দাড়ালে আদালত নিজেই তার জন্য উকিল নিযুক্ত করবে। উকিল ছাড়া বিচার হলে এবং রায় হলে , এই রায়ের বিরুদ্ধে সেই আসামী সুপ্রিম কোর্টে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতিরা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছে। তারা Custodian of The Constitution. তারা অনুচ্ছেদ ৩৩ মেনে চলছে বাধ্য কিনা?। ৩৩ মানা হয়েছে কিনা দেখবে কিনা? মানা না হলে এই রায় টিকবে কিনা? কার লাভ হবে?

দুনিয়ার সব দেশের সংবিধানে আসামীর আইনজীবীর নেওয়ার অধিকারের বিধান আছে। কিছু দিন আগে এক হুজুরকে রেইপের অপরাধে অভিযুক্ত করে ব্যাপকভাবে মারধর করা হয়। পরে DNA TESTএ দেখা গেলো হুজুর জড়িত না। এই হুজুর এখন মানসিক রোগী হয়ে আছে। এক্ষেত্রে আপনি কী বলবেন?

দেশের আইনমতে একটি অপরাধের রায় কী হবে? মুক্তি না খালাস সবকিছু ফিক্সড করে জজ সাহেব। এখানে উকিলের বাপের হাত নেই কিছু করার। যে খুনী , যার খুনের অপরাধ দুনিয়ার মানুষ জানে , সব প্রমাণিত। এসবে উকিলের ক্ষমতা নেই বাচানোর। উকিল কেবল তার মক্কেলের বক্তব্যটা আদালতে সাবমিট করে।

দুনিয়ার সব দেশে উকালতির সিস্টেম রাখা হয়েছে নিখুঁতভাবে বিচার করার জন্য। কেউ যাতে অবিচারের ভিক্টিম না হয়। পক্ষে বিপক্ষে আলাপের মাধ্যমে সত্য বের করার জন্য।

যেসব উকিল আমি এই পক্ষে থাকবো, এই পক্ষে থাকবো না। এসব বলে লম্বা লম্বা লেকচার দিচ্ছে এদের উচিত উকালতি ছেড়ে দিয়ে বিচারক বা ইমাম সাহেব হওয়ার চেষ্টা করা। তাকে উকিল হিসেবে রাখা হয়েছে যেকোনো এক পক্ষে থেকে আদালতকে সহায়তা করার জন্য এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য।

আমাদের দাবী হোক দেশের বিচারকের সংখ্যা ২৩০০ থেকে ১০,০০০ করা হোক। বিচার বিভাগের জন্য বাজেট ১০ হাজার কোটি মিনিমাম হোক। আদালত বাড়ানো হোক। আইনজীবীদের জন্য নানামুখী ট্রেনিং প্রোগ্রাম হোক, ট্রেনিং ইন্সটিটিউট হোক।

এসব বাস্তবায়ন হলে ২০২৫ সালের আসিয়া, ২০২৬ সালের রামিসা , শহীদ তনুদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে। দ্রুত মানুষ ন্যায়বিচার পেলে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা দ্রুত আসবে।

এসব বাদ দিয়ে উকিল থাকবে কি থাকবে না, এসব কেবল অযুহাত ,অযুহাত ও অযুহাত। মূল সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার অযুহাত। এমন অযুহাতে ফোকাস না দিয়ে দাবী হোক যথাযথ।

আমাদের মেয়ে , আমাদের বোন শহীদ রামিশার খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। এই বিচার দ্রুত হোক। সবাই ন্যায়বিচার পাক।।

24/04/2026

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০-এর ধারা ১৫(৭) অনুযায়ী স্বামীর বাড়ি থেকে স্ত্রীর আসবাবপত্র ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সম্পদ উদ্ধারের আইনি প্রতিকার পাওয়া যায়।

এই ধারার সঠিক ব্যাখ্যা ও মামলা প্রক্রিয়ার প্রধান বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: ধারা ১৫(৭)-এর মূল কথা আদালত যদি মনে করেন যে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি (স্ত্রী বা শিশু) তার বৈধ সম্পদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তবে তিনি প্রতিপক্ষকে (স্বামী বা পরিবারের সদস্য) নিম্নলিখিত সম্পদগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন: স্ত্রীধন ও উপহার: বিবাহের সময় উপহার হিসেবে পাওয়া স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র বা অন্যান্য সামগ্রী।

অস্থাবর সম্পত্তি: সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যবহারের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রাত্যহিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। মূল্যবান দলিল: জন্ম সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জমির দলিল বা অন্য যেকোনো মূল্যবান জামানত।

স্থাবর সম্পত্তি: সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো জমি বা ঘর যা থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। মামলা করার প্রক্রিয়া ও আদালতের দায়িত্ব
১. আদালত: মামলাটি আপনার এলাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে দায়ের করতে হয়।
২. আবেদন: আসবাবপত্র উদ্ধারের জন্য আইনের ১৫ ধারার অধীনে "বসবাস আদেশ" বা সম্পদ ফেরত পাওয়ার আবেদন করতে হয়।
৩. তদন্ত: আদালত অভিযোগ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার বা প্রয়োগকারী কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
৪. সময়সীমা: এই আইনের অধীনে আবেদনসমূহ (ক্ষতিপূরণ ছাড়া) সাধারণত নোটিশ জারির পর থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান রয়েছে।
৫. পুলিশি সহায়তা: আদালত আদেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) মালামাল উদ্ধারে সহায়তা করতে বাধ্য থাকেন।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রমাণ সংরক্ষণ: আসবাবপত্র বা গয়নাগুলো যে আপনার বা আপনার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া হয়েছে, তার তালিকা, রসিদ বা বিবাহের ছবির মতো প্রমাণাদি সংগ্রহে রাখা ভালো।
নিরাপত্তা: মামলার পাশাপাশি যদি শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, তবে একই সাথে সুরক্ষা আদেশ (ধারা ১৩) এবং বসবাসের অধিকার (ধারা ১০) চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে আপনি সরকারি লিগ্যাল এইড অফিস (জেলা জজ আদালত ভবন) থেকে বিনামূল্যে পরামর্শ নিতে পারেন অথবা একজন নিবন্ধিত আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

07/04/2026
 ের_রিট_পিটিশন: বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার রক্ষা ও জনস্বার্থে ৫ ধরনের রিট পি...
02/04/2026

ের_রিট_পিটিশন:

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার রক্ষা ও জনস্বার্থে ৫ ধরনের রিট পিটিশন (Writ Petition) দায়ের করা যায়। এগুলো হলো:

১. বন্দী প্রদর্শন (Habeas Corpus),
২. পরমাদেশ (Mandamus),
৩. নিষেধাজ্ঞা (Prohibition),
৪. উৎপ্রেষণ (Certiorari) এবং
৫. কারণ দর্শানো (Quo-Warranto)।

Address

Cumilla

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801918129341

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনী জিজ্ঞাসা ও পরামর্শ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আইনী জিজ্ঞাসা ও পরামর্শ:

Shortcuts

Share