ভূমি তথ্য সেবা সার্ভিস

ভূমি তথ্য সেবা সার্ভিস Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভূমি তথ্য সেবা সার্ভিস, Legal, Cumilla.

� ভূমি তথ্য সেবা
এখানে পাবেন জমি, খতিয়ান, নামজারি, খাজনা, দাখিলা, রেজিস্ট্রি ও অনলাইন ভূমি সেবার সকল তথ্য ও নির্দেশনা। সহজ ভাষায় ভূমি আইন, নিয়মাবলী ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয় নিয়মিত।
� সঠিক ভূমি তথ্য জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

📘⚖️এক নজরে জানুন দেওয়ানি মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া!বাংলাদেশে জমি-সম্পত্তি, মালিকানা কিংবা দখল নিয়ে বিরোধের কারণে দেওয়ানি...
21/11/2025

📘⚖️
এক নজরে জানুন দেওয়ানি মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া!
বাংলাদেশে জমি-সম্পত্তি, মালিকানা কিংবা দখল নিয়ে বিরোধের কারণে দেওয়ানি মামলা বা সিভিল সুটের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। এ ধরনের মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ ও জটিল হওয়ায় অনেকেই জানতে চান, আসলে কীভাবে ধাপে ধাপে একটি দেওয়ানি মামলা সম্পন্ন হয়। ১৯০৮ সালের সিভিল প্রসিডিউর কোড (সিপিসি) অনুযায়ী একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের থেকে বিচার সমাপ্তি পর্যন্ত তিনটি মূল ধাপের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। এগুলো হলো প্রাক-বিচার পর্ব (প্রি-ট্রায়াল স্টেজ), বিচার পর্ব (ট্রায়াল স্টেজ) এবং বিচার-পরবর্তী পর্ব (পোস্ট-ট্রায়াল স্টেজ)। নিচে প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

🔵 প্রাক-বিচার পর্ব বা প্রি-ট্রায়াল স্টেজ
দেওয়ানি মামলার যাত্রা শুরু হয় আরজি (প্লেন্ট) দাখিলের মাধ্যমে। বাদীকে এখানে নিজের নাম-ঠিকানা, বিবাদীর পরিচয়, মামলার বিষয়বস্তু বা সম্পত্তির বিবরণ, মামলার কারণ এবং তিনি আদালতের কাছে কী প্রতিকার চান, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়। সঙ্গে দিতে হয় মূল দলিল বা সত্যায়িত কপি, নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং প্রয়োজনীয় খরচ।

📩 মামলা দাখিল হলে আদালত বিবাদীর উদ্দেশ্যে সমন জারি করেন। সমনের খরচ বহন করতে হয় বাদী পক্ষকে। সমন পাওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে বিবাদী আদালতে হাজির না হলে একতরফাভাবে বিচার হতে পারে। তবে হাজির হলে তিনি লিখিত জবাব (Written Statement – WS) দাখিল করতে পারেন।

🤝 এরপর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR – Alternative Dispute Resolution) ধাপ। ২০০৩ সালে সিপিসিতে ৮৯A ধারা যুক্ত হওয়ায় মধ্যস্থতা বা মিডিয়েশন ব্যবস্থা চালু হয়। এর উদ্দেশ্য হলো কম সময় ও খরচে বিরোধ মেটানো। তবে বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ধাপ ব্যর্থ হয়।

📝 ADR ব্যর্থ হলে আদালত ‘ইস্যু গঠন’ (Framing of Issues) করেন। বাদী ও বিবাদীর দাবি-আপত্তি মূল্যায়ন করে আদালত ঠিক করেন কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর থেকে মামলার রায় নির্ধারিত হবে।

🔍 এরপর আসে ‘ডিসকভারি অ্যান্ড ইন্সপেকশন’ ধাপ, যেখানে পক্ষগুলো দলিল-প্রমাণ চাইতে পারে।
📅 সবশেষে আদালত চূড়ান্ত শুনানির তারিখ ধার্য করেন, যা প্রি-ট্রায়াল স্টেজের সমাপ্তি নির্দেশ করে।

🔵 বিচার পর্ব বা ট্রায়াল স্টেজ
🎤 এই ধাপ শুরু হয় চূড়ান্ত শুনানি (PH) দিয়ে। বাদী-পক্ষের সাক্ষী (PW) ও বিবাদী-পক্ষের সাক্ষী (DW) পর্যায়ক্রমে সাক্ষ্য দেন এবং উভয় পক্ষই পরস্পরের সাক্ষীদের জেরা করেন।

💬 এরপর আসে যুক্তিতর্কের ধাপ। বাদীপক্ষ নিজের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে, এবং বিবাদীপক্ষ পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করে।
⚖️ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় (Judgment) দেন। রায়ের শেষাংশকে অর্ডার (Order) বলা হয়। মামলা প্রমাণিত হলে ডিক্রি জারি হয়, নাহলে মামলা খারিজ।
🖋️ ডিক্রি ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে লিখিত ডিক্রি প্রস্তুত হয়। এখানেই ট্রায়াল স্টেজ শেষ।

🔵 বিচার-পরবর্তী পর্ব বা পোস্ট-ট্রায়াল স্টেজ
📌 রায় বাস্তবায়নের প্রয়োজনে ডিক্রিদারকে এক্সিকিউশন কেস করতে হয়। প্রয়োজনে আদালত পুলিশ বা প্রশাসনের সহায়তায় রায় বাস্তবায়ন করে।

📤 পরাজিত পক্ষ রায়ে অসন্তুষ্ট হলে তিনটি পথ থাকে— রিভিউ পিটিশন, আপিল, অথবা রিভিশন। তবে প্রতিটিরই নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে।

📚 আপিল–রিভিউ–রিভিশনের পর শুনানি শেষে আদালত নতুন রায় দেন। এর মাধ্যমে একটি দেওয়ানি মামলার সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

⏳⚖️
দেওয়ানি মামলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে সময়, অর্থ ও ধৈর্যের সমন্বয় জরুরি। তাই যারা দেওয়ানি মামলা করতে চান বা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের উচিত সঠিক আইনি পরামর্শ গ্রহণ করা এবং প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা। সচেতনতা থাকলে অযথা সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করা যায় এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।
#দেওয়ানি_মামলা
#আইনি_জ্ঞান
#বাংলাদেশের_আইন
#জমিজমা_বিরোধ
#সিভিল_প্রসিডিউর
িচার
#লিগ্যাল_গাইড
#আইনি_পরামর্শ
#বাংলাদেশ_কোর্ট
#সচেতনতা

With bdcrictime.com – I just got recognized as one of their rising fans! 🎉
12/10/2025

With bdcrictime.com – I just got recognized as one of their rising fans! 🎉

🏛️ হেবা দলিল বাতিল করবেন কিভাবে? ধাপে ধাপে সহজ গাইডহেবাদান (দান/উপহার) করে কোনো সন্তানকে জমি বা সম্পত্তি দেওয়ার পর অনেক ...
12/10/2025

🏛️ হেবা দলিল বাতিল করবেন কিভাবে? ধাপে ধাপে সহজ গাইড

হেবাদান (দান/উপহার) করে কোনো সন্তানকে জমি বা সম্পত্তি দেওয়ার পর অনেক সময় পরিবারের মধ্যে জটিলতা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই জানতে চান — হেবা দলিল কি বাতিল করা যায়? কিভাবে?

চলুন জেনে নিই ধাপে ধাপে 👇

⚖️ ১️⃣ বৈধ হেবা হওয়ার তিনটি শর্ত
একটি হেবা বৈধ হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ থাকা জরুরি —

1️⃣ ঘোষণা (Offer): দাতা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করবেন যে তিনি সম্পত্তি দান করছেন।
2️⃣ গ্রহণ (Acceptance): যাকে দেওয়া হচ্ছে, তিনি সেটি গ্রহণ করবেন।
3️⃣ হস্তান্তর (Transfer): সম্পত্তি ও রেকর্ড প্রকৃতভাবে গ্রহীতার কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
👉 যদি এই শর্তগুলো পূরণ না হয়, তবে দাতা বা উত্তরাধিকারীরা আদালতে গিয়ে হেবা বাতিলের মামলা করতে পারেন।

🧾 ২️⃣ কোন কোন কারণে হেবা বাতিল করা যায়

🔹 হস্তান্তর সম্পূর্ণ না হলে
🔹 জোরপূর্বক বা প্রতারণা করে দলিল করা হলে
🔹 হেবাগ্রহী ব্যক্তি দায়িত্ব পালন না করলে (যেমন ভরণ-পোষণ না দেওয়া, মাদকাসক্তি ইত্যাদি)

⚖️ ৩️⃣ আইনি প্রক্রিয়া

✅ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন (হেবা দলিল, রেকর্ড, খাজনা ইত্যাদি)
✅ অভিজ্ঞ সিভিল আইনজীবীর পরামর্শ নিন
✅ দেওয়ানী আদালতে দলিল বাতিলের মামলা দায়ের করুন
✅ আদালত তদন্ত করে প্রমাণ পেলে হেবা দলিল বাতিলের রায় দিতে পারে

⚠️ ৪️⃣ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

🔸 হঠাৎ সিদ্ধান্তে হেবাদান করবেন না
🔸 দালাল ও সিন্দিকেট থেকে দূরে থাকুন
🔸 মানবিক ও ধর্মীয় দিক বিবেচনা করুন
🔸 দাতা জীবিত থাকলে আইনি ফেরত নেওয়ার সুযোগ বেশি

🏁 সংক্ষিপ্ত উপসংহার

হেবা দলিল বাতিল সম্ভব — তবে নির্ভর করে হেবার প্রকৃততা ও প্রমাণের ওপর।
সঠিক কাগজপত্র ও অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তায় দেওয়ানী আদালতে দলিল বাতিল করানো যায়।

🕊️ পরামর্শ: যাঁরা এমন সমস্যায় আছেন, আগে অভিজ্ঞ সিভিল আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

#হেবা_দলিল #আইনি_পরামর্শ #জমি_বাতিল #বাংলাদেশ_আইন #সিভিল_মামলা #হেবাদান #আইনের_গাইড #আইনের_জ্ঞান

📢 অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়!🔹 অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ...
10/10/2025

📢 অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়!

🔹 অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ‘খ’ তফসিলভুক্ত (বিবাদমান) সম্পত্তি এখন থেকে আর কেউ — সরকার বা ব্যক্তি — যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া দখল বা মালিকানা দাবি করতে পারবে না।

🔸 আইন অনুযায়ী, এসব সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ করবে জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
🔸 যদি সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলমান থাকে, তাহলে আদালতের রায় ছাড়া কোনো দখল পরিবর্তন করা যাবে না।
🔸 নাগরিকদের বৈধ আবেদন বা আদালতের রায়ের ভিত্তিতে কেবল রেকর্ড সংশোধন করা যাবে।
🔸 ভুলক্রমে অর্পিত বা খ তফসিলভুক্ত সম্পত্তি কারও নামে হস্তান্তর বা বিক্রি করলে তা বাতিল হবে।

🗓️ নির্দেশনা কার্যকর: ০৫ মার্চ ২০২৪

📍 জারি করেছে: ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার

✅ সংক্ষেপে:
অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে এখন স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর হয়েছে। প্রকৃত মালিক ব্যতীত কেউই এই সম্পত্তির মালিকানা বা দখল নিতে পারবে না।

#ভূমিমন্ত্রণালয় #অর্পিতসম্পত্তি #সরকারিনির্দেশনা #বাংলাদেশ #খতফসিল #ভূমিন্যায়

📢 নতুন নিয়মে নামজারি কার্যক্রম চালু২০২৫ সাল থেকে জমির নামজারি বা খারিজ করতে এখন আর এলোমেলো কাগজ চলবে না। সরকার ল্যান্ড ...
03/10/2025

📢 নতুন নিয়মে নামজারি কার্যক্রম চালু
২০২৫ সাল থেকে জমির নামজারি বা খারিজ করতে এখন আর এলোমেলো কাগজ চলবে না। সরকার ল্যান্ড অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় নামজারির জন্য ৮টি কাগজপত্র বাধ্যতামূলক করেছে।
✅ যে ৮টি কাগজপত্র লাগবে
1️⃣ বৈধ রেজিস্ট্রিকৃত দলিল/সার্টিফাইড কপি
2️⃣ ওয়ারিশান/উত্তরাধিকার সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
3️⃣ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
4️⃣ সক্রিয় মোবাইল নম্বর
5️⃣ সর্বশেষ খতিয়ান (RS/BS/BR)
6️⃣ আবেদনকারীর ছবি (পাসপোর্ট সাইজ)
7️⃣ বিক্রেতার বায়া দলিলের কপি
8️⃣ খাজনার দাখিলা/রশিদ
📝 কিভাবে আবেদন করবেন?
নিকটস্থ অনলাইন সেন্টার বা কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর একটি কেস নম্বর পাওয়া যাবে, যা সংরক্ষণ করতে হবে। সব কাগজ সঠিক থাকলে এসিল্যান্ড অফিস থেকে নামজারি খতিয়ান পাওয়া যাবে।
⚠️ সতর্কবার্তা
সরকারি ফি’র বাইরে কেউ বাড়তি টাকা চাইলে সঙ্গে সঙ্গে কল সেন্টার ১৬১২২–এ অভিযোগ করুন।
🌐 সুবিধা
নামজারি শেষ হলে খাজনা পরিশোধসহ জমি–সংক্রান্ত সব কাজ এখন ঘরে বসেই অনলাইনে করা যাবে।
🔖 হ্যাশট্যাগ:
#নামজারি #ভূমিমন্ত্রণালয় #ল্যান্ডঅটোমেশন #ডিজিটালবাংলাদেশ #জমিরখবর #ভূমিসেবা #খারিজ #অনলাইনসেবা

✅ দলিল থাকলেও ছাড়তে হবে ৫ ধরনের জমির দখল — ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ ধর...
03/10/2025

✅ দলিল থাকলেও ছাড়তে হবে ৫ ধরনের জমির দখল — ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ ধরনের জমি অবৈধভাবে দখলে থাকলে তা ছাড়তে হবে। হাতে দলিল থাকলেও যদি আইনগত ভিত্তি দুর্বল হয়, তাহলে সেই জমি আর রাখা যাবে না। প্রয়োজনে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

⚠️ মনে রাখুন — "দলিল যার, জমি তার" সবসময় সত্য নয়।
👉 কোন কোন জমি ছাড়তে হবে?
১️⃣ সাব-কবলা দলিল – উত্তরাধিকার বঞ্চিত করে করা সাব-কবলা দলিল বাতিলযোগ্য।

২️⃣ হেবা দলিল – দাতার পূর্ণ মালিকানা ছাড়া, সঠিক প্রক্রিয়া ছাড়া করা হেবা বৈধ নয়।

৩️⃣ জাল দলিল – ভুয়া ও জাল দলিল বাতিল হয়ে যাবে।

৪️⃣ খাস খতিয়ানের জমি – সরকারি খাস জমি দখলে রাখা বা বিক্রি অবৈধ।

৫️⃣ অর্পিত সম্পত্তি – মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী অর্পিত সম্পত্তি কেউ ব্যক্তিগতভাবে রাখতে পারবে না।

📌 সরকারের লক্ষ্য হলো—
✔️ দখলকৃত জমি উদ্ধার করা
✔️ প্রকৃত মালিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া
✔️ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা
🛑 তাই দখলকৃত বা অবৈধভাবে ব্যবহার হওয়া জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

#ভূমি_মন্ত্রণালয় #জমি_দখল #আইন #সরকারি_জমি #খাস_জমি #অর্পিত_সম্পত্তি #জাল_দলিল #বাংলাদেশ

02/10/2025

১. বাংলাদেশের যে কোন ভূমির বিস্তারিত ইতিবৃত্ত অনলাইনে জানা যাবে।

২. অনলাইনে নামজারি জমাভাগ প্রক্রিয়া (ই-মিউটেশন);

৩. অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় ব্যবস্থাপনা;

৪. সিস্টেম থেকে দাগভিত্তিক ভূমি তথ্য ও হোল্ডিং উভয়ের সমন্বয়ে অটোমেশন পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারিত হওয়া;

৫. এতে ভূমি মালিকের অধীন ভূমির পরিমান সিলিং মোতাবেক ভূমি মালিকের অধীনে ভূমির পরিমান ভূমির শ্রেণি (নাল, ভিটি, পাহাড় বাণিজ্যিক দোকান) ইত্যাদি ভূমি ব্যবহার ভিত্তিক তথ্য, ভূমির উন্নয়ন করের হার (স্লাব ভিত্তিক হার), ভূমির অবস্থান (মৌজা, দাগ, দাগের অংশের ইত্যাদি পরিমাণ মোতাবেক ভূমির অবস্থান) বিবেচনা করে সিস্টেমে এদের মিথস্ক্রিয়ায় ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য করণ;

৬. স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে (বিলম্ব ফি) সুদ ও সুদের (বিলম্ব ফির) হার নির্ধারণ;

৭. অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করতে পারা;

৮. ব্যবহার ভিত্তিক শ্রেণি পরিবর্তনের সাথে সাথে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ প্রক্রিয়া সহজিকরণ;

৯. অনলাইন ডাটাবেইজ সিস্টেম সফটওয়্যারে ধাপে ধাপে কার্যপ্রণালি অনুসারে কর্মসম্পাদন ও সেবাদান এবং বাস্তবসময় ভিত্তিক হাল দাবি নির্ধারণ ও অবহিতকরণ;

১০. ভূমি অধিগ্রহণ ব্যবস্থাপনা;

১১. অনলাইন ডাটাবেইজ সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে ধাপে ধাপে কার্যপ্রণালি অনুসারে কর্মসম্পাদন ও সেবা প্রক্রিয়া অবহিতকরণ

১২. জনগনের দুর্ভোগ ও হয়রানি কমবে;

02/10/2025

নাগরিকের সুবিধা

১. ভূমি সংক্রান্ত যে কোন সেবা পাওয়ার জন্য সেবাগ্রহীতা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

২. অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর ও অন্যান্য ফি লেনদেন করা যাবে এবং এসএমএস/ই-মেইলের মাধ্যমে প্রমাণকের নিশ্চয়তা জানতে পারবেন;

৩. জনগণ ভূমি নিবন্ধন, নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রিকরণ (রেকর্ড সংশোধন), মৌজা ম্যাপ/চিটা ইত্যাদি নকশা অনলাইন One stop service পদ্ধতিতে প্রাপ্ত হবেন;

৪. নামজারি-জমাভাগ ও জমা একত্রিকরণ (মিউটেশন) প্রক্রিয়া সহজ ও সরল হবে; (ওয়ারিশ মোতাবেক হিস্যা নিশ্চিত হবে)।

৫. ভূমির মালিকানা/স্বত্ত্বের ইতিবৃত্ত অনলাইনে পাওয়া যাবে;

৬. ভূমির দাগের ইতিবৃত্ত জানা যাবে;

৭. অধিগ্রহণকৃত জমির তথ্য, ক্ষতিপূরন অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকবে এবং তা সহজ ও সরল হবে;

৮. রেন্ট সার্টিফিকেট মামলার অনলাইন উপাত্ত ভান্ডার হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে;

৯. খাসজমি বন্দোবস্ত প্রক্রিয়া সফটওয়্যার এর মাধ্যমে হবে;

১০. সায়রাত মহাল ইজারা ব্যবস্থাপনা অনলাইনে হবে ফলে স্বচ্ছতা সুনিশ্চিত হবে;

১১. ভূমির মালিকানা স্বত্ব নিরাপদ হবে;

১২. জনগনের দুর্ভোগ ও হয়রানি কমবে;

02/10/2025

ভূমিসেবার নির্ধারিত ফি

1️⃣ মিউটেশন ফি:
---------------------------

আবেদনের কোর্ট ফি = ২০ টাকা

আবেদন নোটিশ জারি ফি = ৫০ টাকা

ডিসিআর ফি = ১১০০ টাকা

রিভিউ আবেদনের কোর্ট ফি + নোটিশ জারি ফি = ৭০ টাকা

রিভিউ ডিসিআর ফি = ৫০ টাকা

2️⃣ ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ (ই-পর্চা)
----------------------++---+++++++++

খতিয়ান সংশোধন আবেদন ফি = ২০ টাকা

খতিয়ান সার্টিফাইড আবেদন = ১০০ +৪০ (ডাক বিভাগের মাধ্যমে গ্রহণ করা হলে ডাক মাশুল) = ১৪০ টাকা

খতিয়ান অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য ফি = ১০০ টাকা

রিভিউ আবেদনের কোর্ট ফি + নোটিশ জারি ফি = ১০০ টাকা

মৌজা ম্যাপ = ৫২০ + ১১০ (দেশের ভিতরে প্রদানের জন্য ডাক মাশুল) = ৬৩০ টাকা

Address

Cumilla
1000

Telephone

+8801747121881

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভূমি তথ্য সেবা সার্ভিস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category