আইন ও পরামর্শ Law & Consultation.

আইন ও পরামর্শ Law & Consultation. আইন ও পরামর্শ Law & Legal Consultation

07/06/2026

রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার: মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মৃত্যুদণ্ড
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। রোববার (৭ জুন ২০২৬) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে।
অর্থাৎ, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থায় দ্রুততম বিচারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সংগ্রহ এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক বিচার কার্যক্রমের ফলে এত অল্প সময়ে মামলাটির নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে। �

**"ন্যায়বিচার বিলম্বিত হলে তা অনেক সময় ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শামিল। রামিসা হত্যা মামলার এই দ্রুত রায় অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হয়ে থাকবে।"

আলোচিত শিশু "রামিসা" ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এই মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খা...
07/06/2026

আলোচিত শিশু "রামিসা" ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

এই মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

অদ্য ০৭/০৬/২০২৬ ইং তারিখে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক মাশরুর সলেকিন এই রায় প্রদান করেন। দ্রুত এই রায় কার্যকর করা হোক, বিচার প্রার্থীসহ সকলের আশা।

রামিসা হত্যা মামলার অকাট্য সাক্ষীর মধ্যে একজন এই এসআই ইকবাল হোসেন। তিনি নিজ হাতে অবুঝ রামিসার শরীরে তুলেছেন। জব্দ করেছেন...
02/06/2026

রামিসা হত্যা মামলার অকাট্য সাক্ষীর মধ্যে একজন এই এসআই ইকবাল হোসেন। তিনি নিজ হাতে অবুঝ রামিসার শরীরে তুলেছেন। জব্দ করেছেন। সেই বর্ননা আজ আদালতে দিতে দিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আদালতে উপস্থিত সবার চোখে নিরব কান্না।
সাক্ষ্য দেয়া শেষে ইকবাল হোসেন বলেন,'ভাই আমি রামিসাকে দেখার পর ১০ দিন ভাত খেতে পারিনি ঠিক মতো। ওর মতো আমার একটা মেয়ে আছে। আমিও বাবা। কি নিষ্পাপ! এতটা কষ্ট কখনো পাইনি। নিজ হাতে রামিসার দেহ নিয়েছি।

সবাই সাবধান বিয়ের পর বউকে কেউ কাজের হুমকী দিবেন না।
01/06/2026

সবাই সাবধান বিয়ের পর বউকে কেউ কাজের হুমকী দিবেন না।

01/06/2026

🏛️ দেওয়ানি আদালতে বেআইনি দখল উচ্ছেদ মামলা: আইনি ধারা ও সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া(বিস্তারিত)
​বাংলাদেশের প্রচলিত ভূমি আইন ও দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো নাগরিককে তার সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে বেদখল করা হলে তিনি আদালতের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারেন। নিচে সুনির্দিষ্ট আইনি ধারা ও ধাপসহ মামলা করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন দেওয়া হলো:
​⚖️ প্রধান দুটি আইনি প্রতিকার (আইনের ধারা)
​জমির মালিকানা এবং বেদখল হওয়ার সময়ের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (The Specific Relief Act, 1877) এর দুটি প্রধান ধারায় মামলা করা হয়:

​১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা (শুধু দখল পুনরুদ্ধার):
​কখন করবেন: যদি আপনি জমি বা স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে বেদখল হন এবং বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে আদালতে আসেন।
​সুবিধা: এই ধারায় মামলার ক্ষেত্রে আপনার জমির চূড়ান্ত মালিকানা বা স্বত্ব (Title) প্রমাণ করার প্রয়োজন হয় না; কেবল আপনি পূর্বে দখলে ছিলেন এবং আপনাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে—এটি প্রমাণ করলেই আদালত দখল ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন।
​সীমাবদ্ধতা: সরকারের বিরুদ্ধে এই ধারায় মামলা করা যায় না এবং এই ধারার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করা যায় না (তবে মহামান্য হাইকোর্টে রিভিশন করা যায়)।

​২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা (স্বত্ব সাব্যস্তপূর্বক দখল পুনরুদ্ধার):
​কখন করবেন: যদি বেদখল হওয়ার পর ৬ মাসের বেশি সময় পার হয়ে যায়। এই ধারায় মামলা করার তামাদি মেয়াদ বা সময়সীমা হচ্ছে বেদখল হওয়ার পর থেকে ১২ বছর (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী)।
​সুবিধা: এই ধারায় জমি থেকে উচ্ছেদের পাশাপাশি জমির ওপর আপনার যে আইনি মালিকানা বা স্বত্ব (Title) আছে, আদালত তা ঘোষণা করেন। সাধারণত এই ধারার সাথে আরজির ভেতরে ৪২ ধারার (ঘোষণামূলক মামলা) প্রতিকারও চাওয়া হয়।

​🧾 ধাপ ১: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আরজি (Plaint) প্রস্তুতি
​মামলা দায়েরের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (CPC) এর আদেশ ৭, বিধি ১ অনুযায়ী একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে একটি 'আরজি' বা আরজি-পত্র প্রস্তুত করতে হবে। আরজির সাথে নিচের প্রমাণগুলো দাখিল করতে হবে:
​মালিকানার প্রমাণ: মূল দলিল (Sub-kabala), হেবা বা বন্টননামা দলিল অথবা ওয়ারিশন সনদ।
​রেকর্ড বা খতিয়ান: সিএস, এসএ, আরএস এবং হালনাগাদ বিএস/বিআরএস খতিয়ান।
​ভূমি উন্নয়ন কর: নামজারি খতিয়ান (Mutation), ডিসিআর (DCR) এবং হালনাগাদ খাজনার রশিদ।
​বেদখলের বিবরণ: বিবাদী ঠিক কত তারিখে, কোন দাগের, কতটুকু জমি অবৈধভাবে দখল করেছে তার সুনির্দিষ্ট বিবরণ ও চৌহদ্দি (সীমানা)।

​💸 ধাপ ২: কোর্ট ফি (Court Fee) নির্ধারণ ও মামলা দাখিল
​৯ ধারার অধীনে মামলা হলে: সম্পত্তির মূল্যের (Valuation) ওপর যে অ্যাড-ভ্যালোরেম (আনুপাতিক) কোর্ট ফি আসে, তার অর্ধেক (Half) কোর্ট ফি দিতে হয়।
​৮ ধারার অধীনে মামলা হলে: সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্যের ওপর সম্পূর্ণ অ্যাড-ভ্যালোরেম (Ad-valorem) বা আনুপাতিক কোর্ট ফি জমা দিতে হয় (কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ অনুযায়ী)।
​ফি জমাদানের পর দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতে (সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালত) মামলাটি ডকেটভুক্ত বা ফাইলিং করা হয় এবং আদালত একটি 'দেওয়ানি মামলা নম্বর' (Other Class/Title Suit No.) প্রদান করেন।

​📩 ধাপ ৩: সমন জারি (Summon Issuance)
​মামলাটি আদালত আমলে নেওয়ার পর দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১ অনুযায়ী বিবাদীকে (দখলদারকে) আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব (Written Statement) দেওয়ার জন্য সমন বা নোটিশ জারি করা হয়।

​⚖️ ধাপ ৪: বিচার ও সাক্ষ্যগ্রহণ (Trial & Evidence)
​উভয় পক্ষের জবাব দাখিলের পর মামলার ইস্যু গঠন (Issue Frame) হয়। এরপর সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act) অনুযায়ী:
​বাদীকে ডকে দাঁড়িয়ে নিজের আরজির পক্ষে জবানবন্দি ও প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয় এবং বিবাদী পক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা (Cross-examination) করেন।
​একইভাবে বিবাদী পক্ষ তাদের সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে।
​প্রয়োজনবোধে আদালত আদেশ ২৬, বিধি ৯ অনুযায়ী সরজমিনে তদন্তের জন্য 'স্থানীয় তদন্তকারী কমিশনার' (Local Investigation Commissioner) নিয়োগ করতে পারেন।

​🏆 ধাপ ৫: রায় ও ডিক্রি (Judgment & Decree)
​শুনানি ও সওয়াল-জবাব শেষে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০, বিধি ১ থেকে ৫ অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালত মামলার রায় (Judgment) এবং রায়ের আলোকে ডিক্রি (Decree) প্রচার করবেন। ডিক্রিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে যে বিবাদী অবৈধ দখলদার এবং বাদী সম্পত্তিটি ফেরত পাওয়ার আইনগত অধিকারী।

​👮‍♂️ ধাপ ৬: ডিক্রি জারি ও চূড়ান্ত উচ্ছেদ (Ex*****on of Decree)
​রায় বা ডিক্রি পাওয়ার সাথে সাথেই জমিতে গিয়ে দখল নেওয়া যায় না। দখল বুঝে পাওয়ার জন্য বাদীকে দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের অধীনে একই আদালতে একটি 'ডিক্রি জারি মামলা' (Ex*****on Case) দায়ের করতে হবে।

​এই ডিক্রি জারি মামলার প্রেক্ষিতে আদালত থেকে একজন 'নাজির' বা 'পারোয়ানা জারিকারক' নিয়োগ করা হয়।
​আদালতের নির্দেশে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঢোল পিটিয়ে, বেআইনি স্থাপনা ভেঙে বা উচ্ছেদ করে, জমিতে লাল পতাকা ও বাঁশ পুঁতে বাদীকে শান্তিপূর্ণ ও আইনগত দখল (Khas Possession) বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

31/05/2026

১৯২৮ সালের Calcutta High Court
-এর একটি বড় এজলাসে ভিড় উপচে পড়েছে।

কারণ মামলাটি ছিল অদ্ভুত।

এক ধনী জুয়েলারি ব্যবসায়ী— গিরীশচন্দ্র দে— নিজের বাড়ির ভেতর খুন হন।

ঘর ভিতর থেকে বন্ধ ছিল।

টাকা-পয়সা, গয়না কিছুই খোয়া যায়নি।

পুলিশ খুব দ্রুত একজনকে গ্রেপ্তার করল— ব্যবসায়ীর ভাগ্নে নির্মল।

কারণ:

- হত্যার আগের দিন মামা-ভাগ্নের ঝগড়া হয়েছিল;
- নির্মলের জামায় সামান্য রক্ত পাওয়া গিয়েছিল;
- এবং এক চাকর দাবি করেছিল, সে রাতে নির্মলকে ঘরের কাছাকাছি দেখেছে।

সবাই ভাবল— মামলাটি খুব সহজ।

দুই ব্যারিস্টার

সরকারপক্ষের হয়ে ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ ব্যারিস্টার চার্লস উইনস্টন।

আর আসামির পক্ষে দাঁড়ালেন বাঙালি ব্যারিস্টার অনিরুদ্ধ সেন।

অনিরুদ্ধ সেনের খ্যাতি ছিল একটাই—

“তিনি সাক্ষীর কথা নয়, ঘটনার ভেতরের যুক্তি দেখতেন।”

সরকারের শক্ত মামলা

চার্লস উইনস্টন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন—

“মানবিক সম্পর্ক, আর্থিক বিরোধ এবং রক্তের প্রমাণ— সবকিছু একই ব্যক্তির দিকে নির্দেশ করছে।”

তিনি একে একে সাক্ষী আনলেন।

চাকর বলল—

“রাত ঠিক দশটার দিকে আমি নির্মলবাবুকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখেছি।”

ডাক্তার বললেন—

“মৃত্যু রাত দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে হয়েছে।”

পুলিশ বলল—

“ঘরে জোর করে ঢোকার কোনো চিহ্ন ছিল না।”

সব মিলিয়ে আসামির অবস্থা খারাপ।

অনিরুদ্ধ সেনের অদ্ভুত প্রশ্ন

অনিরুদ্ধ খুব কম প্রশ্ন করছিলেন।

হঠাৎ তিনি চাকরকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তুমি বলছ রাত ঠিক দশটায় নির্মলকে দেখেছ?”

— “জি।”

“তুমি সময় দেখেছিলে?”

— “জি, দেয়াল ঘড়িতে।”

“ঘড়িটি কোথায় ছিল?”

— “ড্রইংরুমে।”

“তুমি কত দূর থেকে ঘড়ি দেখেছিলে?”

— “এই… বিশ-পঁচিশ হাত দূর থেকে।”

অনিরুদ্ধ মাথা নেড়ে চুপ করে গেলেন।

আসল খেলা

পরদিন তিনি আদালতে একটি বড় কাগজ আনলেন।

সেটি ছিল বাড়ির নকশা।

তিনি বিচারকের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন—

“মাই লর্ড, চাকর যেখান থেকে দাঁড়িয়ে ছিল বলে দাবি করছে, সেখান থেকে ড্রইংরুমের ঘড়ি দেখা অসম্ভব।”

তারপর তিনি ব্যাখ্যা করলেন:

- মাঝখানে একটি কাঠের পার্টিশন ছিল;
- আলো খুব কম ছিল;
- এবং ঘড়িটি ছোট ছিল।

বিচারক আগ্রহী হলেন।

কিন্তু আসল আঘাত তখনও বাকি

অনিরুদ্ধ এবার ডাক্তারকে দাঁড় করালেন।

“আপনি বলেছেন মৃত্যু দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে?”

— “জি।”

“আপনি কি মৃতদেহের পাকস্থলী পরীক্ষা করেছিলেন?”

— “হ্যাঁ।”

“খাবার কতটা হজম হয়েছিল?”

ডাক্তার কিছু নোট দেখে বললেন—

“প্রায় সম্পূর্ণ।”

অনিরুদ্ধ শান্তভাবে বললেন—

“মৃত ব্যক্তি রাত সাড়ে নয়টায় খাবার খেয়েছিলেন— এটা কি ঠিক?”

— “জি।”

“তাহলে মাত্র ত্রিশ মিনিটে সম্পূর্ণ হজম হওয়া কি স্বাভাবিক?”

ডাক্তার থেমে গেলেন।

আদালতে ফিসফাস শুরু হলো।

ডাক্তার ধীরে বললেন—

“না… সাধারণত অন্তত দুই ঘণ্টা লাগে।”

চার মিনিটের নীরবতা

আদালত হঠাৎ নিস্তব্ধ।

চার্লস উইনস্টন কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেলেন।

কারণ যদি খাবার সম্পূর্ণ হজম হয়ে থাকে, তাহলে মৃত্যু সাড়ে দশটায় হয়নি।

অর্থাৎ নির্মলের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো পুরো সময়রেখাই ভুল।

শেষ প্রশ্ন

অনিরুদ্ধ শেষবার চাকরকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তুমি কি পুলিশের কথা অনুযায়ী সময় বলেছিলে?”

লোকটি ঘেমে উঠল।

কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল—

“ওরা বলছিল দশটার দিকেই হবে…”

রায়

বিচারক নির্মলকে বেকসুর খালাস দিলেন।

রায়ে তিনি লিখলেন—

“সন্দেহ প্রমাণ নয়। আর একটি ভুল সময় পুরো মামলার ভিত্তি ধ্বংস করে দিতে পারে।”

সেদিন আদালতের বাইরে এক বৃদ্ধ ব্যারিস্টার বলেছিলেন—

“ভালো আইনজীবী উত্তর শোনে। মহান আইনজীবী সময়ের অসঙ্গতি শোনে।”

আর অনিরুদ্ধ সেনের সেই মামলাটি বহু বছর ধরে কলকাতার আইন শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচিত ছিল—

“চার মিনিটের নীরবতা” নামে।

Collected

কুমিল্লায় ছেলের হাতে মা খুনস্টাফ রিপোর্টার:কুমিল্লায় ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল...
26/05/2026

কুমিল্লায় ছেলের হাতে মা খুন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে নগরীর চকবাজার পশ্চিম বালুধুম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘাতক রামিম ইসলাম বাবু (২৭) কে আটক করেছে পুলিশ।

ঘাতক রামিম ইসলাম বাবু বালুধুম পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মনিরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ছেলে রামিম ইসলাম বাবু দা দিয়ে মা রেহানা বেগমের (৫৫) মাথায় আঘাত করে। রেহানা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ এসে তৎক্ষনাৎ রেহানা বেগমকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হসপিটালে নিয়ে যায় পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মাওলানা তাজুল ইসলাম জানান, ছেলেটি মাদকাসক্ত ছিল। সে তার মায়ের উপর অত্যাচার করতো । গতকাল রাত থেকেই মাদকের টাকার জন্য মায়ের উপর খুবই অত্যাচার করছিল। সকালে আমরা দেখি দা দিয়ে সে তার মায়ের মাথায় কোপ দেয় এবং হাসপাতাল নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

পুলিশ ঘাতক রামিম ইসলাম বাবুকে নগরীর টমছমব্রীজ এলাকা থেকে আটক করে বলে জানিয়েছেন চকবাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ তাপস চন্দ্র রায়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুর আনোয়ার জানান, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই এবং চিকিৎসার জন্য মহিলাকে মেডিকেল নেওয়ার পথে রেহানা বেগম মারা যান।

উক্ত বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধ*র্ষ*ক একটু আগে জবানব...
21/05/2026

রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধ*র্ষ*ক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধ*র্ষ*ক*দম্পতির আবার সন্তানও আছে।

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন।

সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধ*র্ষ*ণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হ*ত্যা করা হয়।’

রামিসাকে হ*ত্যা*র পর দে*হ টু*ক*রো করে ম*র*দে*হ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দেহ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন।

একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক করা বিষয়।

ম*র*দে*হ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অ*স্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌ*না*ঙ্গ ক্ষত*বিক্ষত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়।

এই ঘটনার নৃ*শং*স*তা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল।

পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে ট্রাস্ট করবেন না। রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে ট্রাস্ট করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে।

আমরা এমন একটা জাহেলিয়াতের যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন,কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে।

সাঈদ ভাইকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ে সাকিব বললেন, "রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমার পানি কিনে খেতে খুব কষ্ট লাগে। আমি সব কিনে খেতে রাজি আছ...
13/05/2026

সাঈদ ভাইকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ে সাকিব বললেন, "রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমার পানি কিনে খেতে খুব কষ্ট লাগে। আমি সব কিনে খেতে রাজি আছি, কিন্তু পানি না"!

এইটা আমার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। হয়তো এক হাজার, দেড় হাজার টাকা বিল দিলাম; কিন্তু বিশ টাকার পানির জন্য খরচ করতে ইচ্ছে করে না। অনেক চেষ্টা করি কোক খেয়ে, লাচ্ছি খেয়ে পানি কিনে খাওয়া অ্যাভওয়েড করতে। জানি না কেন, কিন্তু করি। আমার বিশ্বাস, অধিকাংশই এমন করেন...

আপনাদের সাথেও কি এমন হয়?

আইনী বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।
13/05/2026

আইনী বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।

Address

Judge Court
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন ও পরামর্শ Law & Consultation. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share