Bangladesh Legal Effective Solutions System - BLESS

Bangladesh Legal Effective Solutions System - BLESS ব্লেস একটি আইনগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। BLESS priorities support to women, men and children living in poverty or facing disadvantage or discrimination.

It also provides legal aid, including civil, criminal, family, labor and land law, as well as on constitutional rights and remedies.

এলসি (LC) করার নিয়ম কানুন:বিশ্বায়নের এই যুগে প্রায় সব ধরনের ব্যাবসা বাণিজ্যই আন্তর্জাতিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্...
25/12/2023

এলসি (LC) করার নিয়ম কানুন:

বিশ্বায়নের এই যুগে প্রায় সব ধরনের ব্যাবসা বাণিজ্যই আন্তর্জাতিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ কাউকে চিনেন না। সেক্ষেত্রে বিক্রেতার একটা ঝুঁকি থেকে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এই এলসি বা ল্যাটার ওব ক্রেডিট চান। বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানী করার চাইলে অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হবে। আন্তর্জাতিক বানিজ্যের ক্ষেত্রে একমাত্র বৈধ মাধ্যমই হল এলসি। এলসির মাধ্যমেই ব্যবসায়ীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকে।

এলসি করতে যা যা প্রয়োজন
১। এলসি করার জন্য একজন ব্যবসায়ীর প্রথমেই দরকার হবে একটি ট্রেড লাইসেন্স এবং এটি অবশ্যই আপটুডেট হতে হবে।

২। সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট

৩। একটি গ্রহনযোগ্য আইআরসি (IRC-Import Registration Certificate)

৪। স্থানীয় বাণিজ্য চেম্বার বা সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের থেকে সদস্যপদ সার্টিফিকেট

৫। আয়কর ছাড়পত্র বা নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর ঘোষণা পত্র

৬। মূসক নিবন্ধন সনদপত্র

#এলসির জন্য আবেদনের পূর্বে উল্লেখিত কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করে রাখতে হবে। এছাড়াও আরও কিছু নথিপত্র দরকার হবে

১। এলসি আবেদন ফর্ম

২। ইনডেন্ট / পারফর্মা ইনভয়েস (PI)/ ক্রয় আদেশ / ক্রয় চুক্তি

৩। যথাযথভাবে ও সঠিকভাবে কার্যকর চার্জ নথি

৪। যথাযথভাবে সিল ও স্বাক্ষরিত এলসি অনুমোদন ফরম (LCAF)

৫। বীমা সংক্রান্ত নোট

এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের নিকট কাগজপত্র গুলো দাখিল করতে হবে। অবশ্যই সেই ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে।ব্যাংক কাগজপত্র গুলো যাচাই করে দেখবে। এর জন্য কয়েকদিন সময় নিবে ব্যাংক। এলসির সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে ব্যাংক থেকে জানানো হবে।

#ব্যাংকের সাথে এলসি বিষয়ক লেনদেন
প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:

১। আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)

২। ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।

৩। সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট

৪। ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)

এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।

#এলসির মাধ্যমে লেনদেন যেভাবে হবে
সকল ব্যাবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে একজন ক্রেতা আর একজন বিক্রেতা। এলসির মাধ্যমে লেনদেন প্রক্রিয়া হবে নিম্নরূপঃ

(১) ক্রেতা প্রথমে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবেন

(২) ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করবেন

(৩) ইস্যুকৃত এলসি ব্যাংক থেকে বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন

(৪) বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংক এলসির কাগজপত্র গুলো বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন

(৫) কাগজপত্র গুলো দেখে বিক্রেতা সীপমেন্টের তারিখ ক্রেতাকে জানাবেন। এবং সাথে সাথে বিক্রেতা লেনদেনের সকল কাগজপত্র পরামর্শকারী ব্যাংককে দেখাবেন।

(৬) পরামর্শকারী ব্যাংক কাগজপত্র গুলো ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করেছেন সেই ব্যাংকে পাঠাবেন।

(৭) কাগজপত্র গুলো পর্যালোচনা করে এলসি ইস্যুকৃত ব্যাংক লেনদেনের ছাড়পত্র পাঠাবেন পরামর্শ দানকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন। এবং সাথে সাথে একটি ছাড়পত্র ক্রেতার নিকট পাঠাবেন। পরামর্শ দানকারী ব্যাংকও একটি ছাড়পত্র বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন।

ছাড়পত্র পাওয়ার পর ক্রেতা-বিক্রেতা লেনদেনের জন্য প্রস্তুত।

বারের লিখিত পরীক্ষার সিট প্লান- ২০২৩ #বারপরীক্ষা২০২৩ #লেখিতপরীক্ষাসিটপ্লান #বারপরীক্ষাপ্ল্যান২০২৩ #পরীক্ষা২০২৩প্ল্যান #আ...
21/12/2023

বারের লিখিত পরীক্ষার সিট প্লান- ২০২৩
#বারপরীক্ষা২০২৩
#লেখিতপরীক্ষাসিটপ্লান
#বারপরীক্ষাপ্ল্যান২০২৩
#পরীক্ষা২০২৩প্ল্যান
#আইনিরপরীক্ষা২০২৩
#পরীক্ষাসিদ্ধান্ত২০২৩
#পরীক্ষাপ্রস্তুতিপ্ল্যান
#আইনবিদ্যালয়েরপরীক্ষা
#আইনিপরীক্ষা২০২৩
#পরীক্ষাপ্রস্তুতি

22/12/2020

চার্জশিট:
কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় পুলিশ - কর্মকর্তা কর্তৃক লিপিবদ্ধ একটি দলিল। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুসারে পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট অথবা অভিযোগপত্র প্রেরণ করেন।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো অপরাধের খবর বা অভিযোগ পাওয়ার সর্ব্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করবেন।

01/11/2020

Bangladesh Legal Effective Solutions System

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন 2000 (এর সংশোধনী 2020)
14/10/2020

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন 2000 (এর সংশোধনী 2020)

25/02/2020

#বিরুদ্ধ সাক্ষী(Adverse witness) এবং বৈরী সাক্ষী(Hostile witness) এর মধ্যে পার্থক্য কি?

আপনারা আরেকটু চেষ্টা করেন।কিছুক্ষন পর জানিয়ে দিব।

#বিরুদ্ধ সাক্ষী(Adverse witness):

সাক্ষী আহবানকারী পক্ষের মামলার সাথে সামান্য বৈপারিত্যে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যায় না। ১/২টি প্রশ্ন সাক্ষী আহবানকারী পক্ষের বিরুদ্ধে গেলে বলা যাবে না সাক্ষী বিপক্ষাশ্রিত হয়ে গেছে।এমন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যায় না।এই ধরনের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ সাক্ষী(Adverse witness) বলে।

#বৈরী সাক্ষী(Hostile witness):

যখন কোন সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষাশ্রিত হয়ে স্বপক্ষ ত্যাগ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সমর্থন করে সাক্ষ্য প্রদান করে তখন তাকে বৈরী সাক্ষী(Hostile witness) বলে।

28/01/2016

প্রশ্ন.পারিবারিক আদালতে অভিভাবকত্ব বিষয়ে কোন ধর্মের মানুষ মামলা দায়ের করতে পারবেন?

উত্তর. ১৯৮৫ সালে গঠিত পারিবারিক আদালতে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সহ সকল ধর্মের নাগরিকগণ সন্তানের অভিভাবকত্ব বিষয়ে মামলা করতে পারবেন।

25/01/2016

প্রশ্ন. পিতার মৃত্যু বা অবর্তমানে মা যদি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন তাহলে তিনি কি শিশুর অধিকার হারাবেন?

উত্তর.না,শুধুমাত্র বিবাহের কারণে মাতা শিশুর অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না। এক্ষেত্রে বিষয়টি আদালতে গেলে আদালত বিবেচনা করবেন যে, শিশুর কল্যাণ কোথায় হবে। যেখানে শিশুর হেফাজত ও কল্যাণ হবে আদালত সেই মতে আদেশ প্রদান করবেন।

11/01/2016

প্রশ্ন: ১ অভিভাবকত্ব কি ?

উত্তর : অভিভাবকত্ব হলো নিজের দেখাশোনা বা পরিচালনা করতে অক্ষম এমন কোন ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা বা অধিকার। সাধারণত শিশু, নির্বোধ ও মানসিক প্রতিবন্ধীর জন্য অভিভাবক প্রয়োজন।

প্রশ্ন. ২.মুসলিম আইন অনুযায়ী পিতার অবর্তমানে সন্তানের অভিভাবক কে?

উত্তর. মুসলিম আইন অনুযায়ী পিতার অবর্তমানে সন্তানের অভিভাবক কে হবেন তা নির্দিষ্ট করা হয় নি। তবে পিতার অবর্তমানে মাতা তাহার আইনসম্মত জিম্মাদার হবেন। কোন নাবালকের সম্পত্তি ও শরীর রক্ষায় অভিভাবকের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে উপযুক্ত আদালত অভিভাবক নিয়োগ করবেন। এই অভিভাবক আদালত ও আইনানুযায়ী অভিভাবকত্ব পরিচালনা করবেন।

04/01/2016

বিষয়: ১৪৪ ধারা ও মেট্রোপলিটন এলাকা। "১৪৪ ধারা" শব্দদ্বয় সম্পর্কে বাংগালীর অভিজ্ঞতা অনেক পুরনো এবং জানাশুনাও অনেক পুরনো। বাংলা সিনেমার বদৌলতে দন্ডবিধির ৩০২ ধারা সম্পর্কে আমজনতা জানলেও আমাদের আলোচ্য ধারাটা বাংগালী জাতির গোচরীভূত হয় স্বাধিকার আন্দোলনের সময় থেকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ৭ টি ধাপেও অংগা অংগিভাবে জডিত ছিল এই ধারা, এই ধারা ভেংগেই আমরা পেয়েছিলাম বাংলা ভাষা, এবং এই ধারা লংঘনের কারনে রাজপথে রক্তও কম দেই নি। শুধু তাইনা স্বাধীনতার পরেও বিভিন্ন সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিরোধী দলের সভা সমাবেশ করার রাজনৈতিক অধিকারকে হরন করার জন্য এই ধারাটিকে এখনও ব্যাবহার করে যাচ্ছি। কাজেই এই ধারার গুরুত্ব আমাদের ব্যাক্তি ও রাজনৈতিক জীবনে অপরিসীম। সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার গাজীপুর এর সমাবেশসস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করে সরকার আবারও ঝালিয়ে নিল এই ধারার ক্ষমতা আর বেগম জিয়াও ১৪৪ ধারার কথা শুনে আর গাজীপুর মুখো হলেননা। তাহলে এতক্ষনে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন এই ধারার ক্ষমতা কত! কি আছে এই ধারাতে? কেন বিরোধী দলগুলুও এই ধারাকে এত ভয় পায়? এই দুইটা প্রশ্নের জবাব দেয়ার আগে বলে রাখি এই ধারাটি ১৮৯৮ সাল থেকেই এই দেশে বলবত আছে, যদিও বৃটিশরাই এই ধারাটির জনক ছিলেন কিন্তু বৃটিশরা এই ধারাটিকে খুব বেশী ব্যাবহার করেন নি, এই ধারাটির রেকর্ড সং্খ্যক ব্যাবহার হয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তান আমলে ও স্বাধিনতার পরে বাংলাদেশ আমলে। এই বার বলি কেন বিরোধী দলগুলু এই ধারাকে এত ভয় পায়! কারন হল, এই ধারা যদি ভংগ করা হয় তবে সরকার বা রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানটি তার সুশিক্ষিত পেটোয়া বাহিনি দিয়ে আইনগত ভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে, পাখির মত গুলি করে মানুষ মারতে পারে একেবারেই বৈধ ভাবে। আর যারা মারা যাবে তারা শুধুই আইন ভংগকারী হিসাবে মারা যাবে এবং যারা মারা গেলে রাষ্ট্রকে মানবাধিকার লংঘনের ন্যুনতম দায়ও নিতে হয় না।
এবার দেখা যাক কি আছে এই ধারাতে? এই ধারায় মোট ৭ টা উপধারা রয়েছে, এই গুলু একসাথে পড়লে যা দাঁড়াবে তা হল: এই ধারাটির দুইটা রুপ আছে: ১. আদালতগত রুপ ২. অফিসগত রুপ। প্রথমটা আদালতে হয় যাতে আইনজিবিরা উপস্থিত থাকেন তাদের উপস্থিতিতেই আদেশ দেয়া হয়। অপরটা উনারা নিজেরা নিজেরাই সারেন। আদালতের বিষয়টি মোটামূটি আমরা সবাই জানি তাই আমি আলাপ করব এর অফিসিয়াল দিকটি নিয়ে। ১৪৪ ধারা মানে বুঝেনতো? এইটা প্রশাসনের একটা বিশেষ ক্ষমতা যা দিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা বা গন উৎপাতের দোহাই দিয়ে যেকোন জায়গায়, যেকোন কিছু করতে, যে কাউকে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার ক্ষমতা, এক কথায় বললে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা দেয়ার ক্ষমতা( সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত)।
এই আদেশটা কে দিতে পারে? যেকোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কতৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত যেকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ( ধারা -১৪৪)(১)/ ৩৬/৩৭ ততসহ তফসীল ৩ ও ৪ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮)। কোন ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে যেকোন ব্যাক্তির আবেদনের ভিত্তিতে অথবা স্যু মটো বা স্ব: প্রনোদিত হয়ে এই নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারে। দুইপক্ষকে শুনে অথবা একতরফাও এই আদেশ দেয়া যায়। সাধারনত আদালতে এই বিষয়টি দেখাশুনা করার জন্য যেই ম্যাজিস্ট্রেটটি বসেন উনি কিন্তু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নয় কিম্বা সাধারন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও (সরকার কতৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত)নন, উনাকে বলা হয় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এ ডি এম কিন্তু কথা হল আইনেতো এই বিষয়টা দেখার ক্ষমতা উনাকে দেয়া হয় নাই তাইলে তিনি বসেন কিভাবে? উনি বসেন ডিসি সাহেবের নির্দেশে, এখন জানা যাক ডিসি সাহেব এইক্ষমতা কাউকে হস্তান্তর করতে পারেন কি না? ধারা- ৩৭ মতে, সরকার যদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে এই ক্ষমতাটুকু অন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে হস্তান্তর করার জন্য অথোরাইজেশন দিয়ে থাকে তখন পারবে, এবং এই ক্ষমতা দিয়েই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব অন্য আরেকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এই ক্ষমতাটা অর্পন করতে পারেন।
এখন কথা হল, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এই ক্ষমতাটা সমগ্র বাংলাদেশে প্রয়োগ করতে পারেন কিনা? উত্তর হল: না। ধারা- ১৪৪(৭) এ বলা হয়েছে, মেট্রোপলিটন এলাকায় এই ধারা প্রযোজ্য নয়। তাহলে মেট্রোপলিটন এলাকায়ই তো এই ধারার বেশী প্রয়োজন কারন রাজনৈতিক দল বা যেকোন সংগঠনের আধিপত্য মেট্রোপলিটন এলাকাতেইতো সবচেয়ে বেশী। গ্রামে গঞ্জে এদের তৎপরতা খুব বেশী দেখা যায়না। যদিও আমাদের দেশের সাংবাদিকেরা মেট্রোপলিটন এলাকায়ও ১৪৪ ধারা জারির খবর পরিবেশন করেন নিয়মিত, বিষয়টি আইন সম্পর্কে ন্যুনতম জ্ঞান না রেখে আইন বিষয়ে সাংবাদিকতার ফলে হয়ে থাকে।
মেট্রোপলিটন এলাকা মানে কি? সবাই সচক্ষে প্রতিদিন মেট্রোপলিটন এলাকা দেখে থাকলেও সাধারন মানুষের মধ্যে মেট্রোপলিটন এলাকা সম্বন্ধে ন্যুনতম ধারনাও নাই। মেট্রোপলিটন এলাকা বলতে কি বুঝায় তা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ তে নাই, জেনারেল ক্লজেস এক্টে নাই এমনকি ফৌজদারী কার্যবিধিতেও নাই তাহলে জিনিসটা কি? অনেকে আবার সিটি কর্পোরেশন এর সাথে এইটাকে গুলিয়ে ফেলেন তাদের জ্ঞাতার্থে জানাই বাংলাদেশে এই মুহুর্তে ১০ টি সিটি কর্পোরেশন থাকলেও মেট্রোপলিটন এলাকা রয়েছে মাত্র ৬ টা, যথা- ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট। তাইলেতো বুঝতেই পারলেন, মেট্রোপলিটন এলাকা আর সিটি কর্পোরেশন এলাকা যে এক না! মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয় মেট্রোপলিটন পুলিশ আইন দিয়ে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয়েছে Dhaka Metropolitan Police Ordinance, 1976 এর তফসীল ১ দিয়ে, এই আইনের ধারা- ৪ এ ফৌজদারী কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে দেয়া সমস্ত ক্ষমতাকে বাতিল করা হল এবং ধারা- ২৯ এ পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হল এই এলাকার মধ্যে সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য, অবশ্য নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি (sanction) নেয়ার প্রয়োজন আছে।
চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয়েছে Chittagong Metropolitan Police Ordinance, 1978 এর তফসীল ১ দিয়ে, এই আইনের ধারা- ৪ এও ফৌজদারী কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে দেয়া সমস্ত ক্ষমতাকে বাতিল করা হল এবং ধারা- ৩০ এ পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হল এই এলাকার মধ্যে সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য অবশ্য নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি (sanction) নেয়ার প্রয়োজন আছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয়েছে Khulna Metropolitan Police Ordinance, 1985 এর তফসীল ১ দিয়ে, এই আইনের ধারা- ৪ এ ফৌজদারী কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে দেয়া সমস্ত ক্ষমতাকে বাতিল করা হল এবং ধারা- ৩০ এ পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হল এই এলাকার মধ্যে সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য অবশ্য নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি (sanction) নেয়ার প্রয়োজন আছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয়েছে বরিশাল মহানগরী পুলিশ আইন, ২০০৯ এর তফসীল ১ দিয়ে, এই আইনের ধারা- ৪ এ ফৌজদারী কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে দেয়া সমস্ত ক্ষমতাকে বাতিল করা হল এবং ধারা- ৩১ এ পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হল এই এলাকার মধ্যে সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য, অবশ্য নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি (sanction) নেয়ার প্রয়োজন আছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকা তৈরী করা হয়েছে সিলেট মহানগরী পুলিশ আইন, ২০০৯ এর তফসীল ১ দিয়ে, এই আইনের ধারা- ৪ এ ফৌজদারী কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে দেয়া সমস্ত ক্ষমতাকে বাতিল করা হল এবং ধারা- ৩১ এ পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হল এই এলাকার মধ্যে সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য, অবশ্য নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি (sanction) নেয়ার প্রয়োজন আছে।

25/04/2015

বাংলাদেশের শিল্প দুর্ঘটনার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা সাভারের রানা প্লাজা ধসের দু’বছর পূর্ণ হলো গতকাল শুক্রবার।কিন্তু এতদিনেও এক হাজারের বেশি শ্রমিক নিহত ও নিখোঁজের ঘটনার বিচার প্রক্রিয়াই শুরু করা যায়নি।সময়ের পরিক্রমায় দুই বছর হলো, সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজিডির। ২০১৩ সালের এই দিনে, বিশ্বের ইতিহাসের সবচে’ ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনায় ঝরে যায়, ১ হাজার ১শ’ ৩৫ জনের তাজা প্রাণ। পঙ্গুত্ববরণসহ আহত হয়, প্রায় আড়াই হাজার। এ ঘটনার পর এখনো নিখোঁজ, তিনশ’ ৭৯ জনসময়ের পরিক্রমায় দুই বছর হলো, সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজিডির। ২০১৩ সালের এই দিনে, বিশ্বের ইতিহাসের সবচে’ ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনায় ঝরে যায়, ১ হাজার ১শ’ ৩৫ জনের তাজা প্রাণ। পঙ্গুত্ববরণসহ আহত হয়, প্রায় আড়াই হাজার। এ ঘটনার পর এখনো নিখোঁজ, তিনশ’ ৭৯ জন

Address

Cox's Bazar
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Legal Effective Solutions System - BLESS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bangladesh Legal Effective Solutions System - BLESS:

Share

Category