The Advocate 's Desk

The Advocate 's Desk Welcome to The advocate 's desk , where we provide expert legal advice and representation. Whether y

15/02/2026

বিশেষ বিবাহ (Special Marriage) কি?

বিশেষ বিবাহ হল এমন বিবাহ যেখানে ধর্মীয় পরিচয় ব্যতিরেকে যাবতীয় কার্যাবলী যথাযথ ভাবে পালন করা হয় এবং সেক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ অনুসরণ করা হয়।

কারা বিয়ে করতে পারবে এই আইনের অধীনেঃ

১. যারা কোনো ধর্মের অনুসারী নয়।

২. ভিন্ন ধর্মের দু’জন ব্যক্তি যারা ধর্ম ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে।

৩. আইনে উল্লেখিত আট ধর্ম ছাড়া অন্য যে কোনো ধর্মের ব্যক্তিরা ধর্ম ত্যগ না করেই এই বিয়ের সুবিধা নিতে পারে। যেমনঃ ব্রাহ্মরা।

৪. হিন্দু ধর্মের ভিন্ন বর্ণের দু’জন ব্যক্তি ধর্ম ত্যাগ না করেই বিশেষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে।

৫. ভিন্ন ধর্মের দু’জন ব্যক্তি জদি তারা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন এই চার ধর্মের যেকোনো দুটির অনুসারী হয় তবে ধর্ম ত্যাগের ঘোষণা ছাড়াই তা করতে পারে।

এই আইনের অধীণে বিয়ের নিয়ম:

১. রেজিস্ট্রার: বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত রেজিস্ট্রার রয়েছে।

২. নোটিশ: বিয়ের দুই পক্ষের মধ্যে যে কোনো একটি পক্ষ রেজিস্ট্রারের কাছে ১৪ দিন আগে বিয়ের নোটিশ পাঠাবে। যদি না এই সময়ের মধ্যে কেউ আপত্তি করে থাকে তবেই বিয়ে সম্পন্ন করা যাবে।

এই আইনের অধীণে বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি সুতরাং সম্মতি অত্যন্ত জরুরী। বিয়ের দুই পক্ষ রেজিস্ট্রার ও তিনজন সাক্ষীর সামনে “আমি ‘ক’ কে আইনত স্ত্রী/ স্বামী হিসেবে গ্রহণ করছি”- এই রকম ঘোষণা দেবে। এই ক্ষেত্রে ইসলাম ধর্মে যেমন মহিলা সাক্ষী হলে হবেনা, কিংবা দুইজন মহিলা মিলে একজন পুরুষের সমান এই ধরণের বিধান নেই।

বিয়ে বিচ্ছেদ:
এই আইনের অধীনে বিয়ে করলে বিয়ে বিচ্ছেদের সময় ১৮৬৯ সালের “ডিভোর্স আইন” দ্বারা বিয়ে বিচ্ছেদ সম্পাদন করতে হয়।

15/02/2026

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (Nari O Shishu Nirjatan Daman Ain, 2000) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে নির্যাতন, সহিংসতা ও অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনের জন্য প্রণীত হয়েছে। ২০২০ সালে এই আইনে কিছু সংশোধনী আনা হয়, যা নারী ও শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা এবং আইনের প্রয়োগকে আরও কার্যকর করা।

# # # সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু:
১. **ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড**:
- ২০২০ সালের সংশোধনীতে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
- এই সংশোধনীটি এসেছিল নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি এবং গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে।

২. **ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা**:
- সংশোধনীতে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- মামলার তদন্ত ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং আদালতের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৩. **নারী ও শিশু নির্যাতনের সংজ্ঞা প্রসারিত**:
- সংশোধনীতে নারী ও শিশু নির্যাতনের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এর মধ্যে অনলাইন হয়রানি, সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নির্যাতনও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের হয়রানি বা নির্যাতনের শাস্তি কঠোর করা হয়েছে।

৪. **শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি**:
- শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতন ও মানসিক নির্যাতনের শাস্তি আরও কঠোর করা হয়েছে।
- শিশু পর্নোগ্রাফি ও শিশুদের যৌন শোষণের বিরুদ্ধে কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

৫. **নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির সুরক্ষা ও সহায়তা**:
- সংশোধনীতে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- শিকার ব্যক্তিকে আইনি সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

৬. **সাক্ষী সুরক্ষা**:
- মামলার সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সংশোধনীতে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
- সাক্ষীদের ভয়ভীতি বা হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৭. **আইনের প্রয়োগে জবাবদিহিতা**:
- সংশোধনীতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় অবহেলা বা দুর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

# # # সংশোধনীর প্রেক্ষাপট:
২০২০ সালের সংশোধনীটি এসেছিল বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি এবং গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনায় জনগণের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে সরকার এই সংশোধনী আনে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইনকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

# # # সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ:
যদিও সংশোধনীটি নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে, তবে এর প্রয়োগ নিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন:
- মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততর করার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও জনবলের অভাব।
- সাক্ষী সুরক্ষা ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির পুনর্বাসনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থার অভাব।
- আইনের প্রয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের সম্ভাবনা।

সর্বোপরি, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০২০ সালের সংশোধনী নারী ও শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ ও সমাজের সকল স্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

Address

Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 00:00 - 00:00
Tuesday 00:00 - 00:00
Wednesday 00:00 - 00:00
Thursday 00:00 - 00:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 00:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Advocate 's Desk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category