বাংলাদেশ আইনগত অধিকার - Bangladesh Legal Rights

বাংলাদেশ আইনগত অধিকার - Bangladesh Legal Rights আইন সম্পর্কে জানুন এবং মানুন। নিজেই অপকর্ম থেকে দুরে থাকুন এবং দুষ্কার্যের প্রতিবাদ করুন। ---------

"আইন হলো একধরণের বিধান, যাহা অন্যায়ের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করে এবং ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়"। বিশ্বের সব দেশেই তাদের নাগরিকদের সুবিধা-অসুবিধার কথা বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করে থাকে। আইনের চোখে সবাই সমান। ধনী বা দরিদ্র প্রত্যেকেই সু-বিচার পাওয়ার অধিকারী। আমাদের দেশের সংবিধানে ২৭ নং অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিককে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি শহরে, গ্রামে অঞ্চলে দিন দি

ন সমস্যা বেড়েই চলছে। পারিবারিক কলহ, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, জায়গা-জমি নিয়ে মারা মারি, খুন, ধর্ষণ, পুলিশের অত্যাচার প্রশাসনিক জটিলতা ইত্যাদি। এইসব ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে আমাদেরকে মেম্বার-চেয়ারম্যান, মাতব্বর, উকিল, থানা, কোর্ট-খাচারীর দ্বারস্থ হতে হয়। যেহেতু আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক আইন সম্পর্কে বিন্দুমাত্রও ধারণা রাখে না বা জানার দরকারও মনে করে না। আর যখন কোনো সমস্যায় পরে তখন সবাইকে কোনো না কোনো উপায় খোঁজে বের করার জন্য এইসবের পিছনে ঘুরতে হয়। যাদের টাকা আছে তাদেরকে হয়তো বেশি সমস্যায় ভুগতে হয়না আর যারা দরিদ্র তাদেরকে প্রতিটি মুহূর্তে এইসব ঝামেলা বহন করতে হয়। আর এইসব সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য "বাংলাদেশ আইনগত অধিকার - Bangladesh Legal Rights" নামে পেইজটি তৈরী করা হয়েছে।। অতএব যারা আইনি জটিলতায় ভুগছেন তারা সবধরনের আইনি পরামর্শ ও সমাধানের জন্য এই পেইজটিতে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখতে পারেন। এই পেইজটির মাধ্যমে আপনাদেরকে যথাসম্ভব সু-পরামর্শ প্রদান করে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হবে।

24/09/2025

বাংলাদেশের আইনব্যবস্থা আসলে অনেকটা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের কমন ল’ সিস্টেম থেকে এসেছে, তবে এখন তা দেশের নিজস্ব সংবিধান ও প্রেক্ষাপটে মানিয়ে নিয়েছে। একটু সহজভাবে বলি—

সংবিধান (Constitution):
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। এটা দেশের সব আইন, অধিকার আর কর্তৃত্বের ভিত্তি। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, যেমন—কথার স্বাধীনতা, সমতার অধিকার, শিক্ষার অধিকার—সব সংবিধানে সুরক্ষিত।

দেওয়ানি আইন (Civil Law):
এখানে চুক্তি, সম্পত্তি, বিবাহ-বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয় পড়ে। মানে ব্যক্তিগত আর্থিক বা পারিবারিক ঝামেলা মেটানোর আইনি কাঠামো।

ফৌজদারি আইন (Criminal Law):
অপরাধ আর শাস্তি নিয়ে কাজ করে। যেমন—চুরি, খুন, প্রতারণা, সাইবার ক্রাইম ইত্যাদি। এগুলো বাংলাদেশ দণ্ডবিধি (Penal Code, 1860) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

ব্যক্তিগত আইন (Personal Laws):
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন আইন প্রযোজ্য। যেমন মুসলমানদের জন্য মুসলিম পার্সোনাল ল’ (শরীয়াহ), হিন্দুদের জন্য হিন্দু পার্সোনাল ল’, ইত্যাদি—বিশেষত বিবাহ, তালাক, উত্তরাধিকার ইত্যাদির ক্ষেত্রে।

আদালত ব্যবস্থা (Court System):
সুপ্রিম কোর্ট (হাই কোর্ট বিভাগ আর আপিল বিভাগ) হলো সর্বোচ্চ আদালত। এর নিচে জেলা ও নিম্ন আদালত আছে।

বাংলাদেশের আইনকে যদি এক কথায় বলি—এটা হচ্ছে নাগরিকের অধিকার রক্ষা আর সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য একটা বিশাল কাঠামো। তবে, বাস্তবে অনেক সময় আইনের সঠিক প্রয়োগ আর সচেতনতার অভাব বড় সমস্যা।

24/09/2025

বাংলাদেশ লিগ্যাল রাইটস-এ স্বাগতম ⚖️✨

আমরা এখানে আছি আইন ও অধিকারকে সবার জন্য সহজভাবে বোঝানোর জন্য। দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো ব্যাপার হোক বা গুরুত্বপূর্ণ অধিকার—আমাদের লক্ষ্য হলো জটিল আইনকে সহজ, বন্ধুত্বপূর্ণ ভাষায় তুলে ধরা, যা সত্যিই আপনাকে বাস্তবে সাহায্য করবে।

আপনি যদি নিজের অধিকার নিয়ে কৌতূহলী হন, দিকনির্দেশনা চান, অথবা শুধু সচেতন থাকতে চান—এই পেজই হতে পারে আপনার আস্থার জায়গা। 💡

জ্ঞানই শক্তি—আর আইনি জ্ঞান হলো সুরক্ষা। আসুন, আমরা একসাথে এই যাত্রায় এগিয়ে যাই।
🌟 You can support me by sending Stars -

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

তৌকিরের মৃত্যু নয়, এটি একটি পরিকল্পিত অবহেলার ফলাফলএকটি বোতামের চাপেই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ফিরে যেতে পারতেন পরিবারে...
21/07/2025

তৌকিরের মৃত্যু নয়, এটি একটি পরিকল্পিত অবহেলার ফলাফল

একটি বোতামের চাপেই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ফিরে যেতে পারতেন পরিবারে— ফিরে যেতে পারতেন জীবনের কাছে, তাঁর প্রিয়জনদের কাছে। তাঁর হাতে ছিল সেই সুযোগ, কারণ যুদ্ধবিমানে পাইলটের জন্য থাকে ইজেকশন সিস্টেম— জরুরি পরিস্থিতিতে প্যারাসুটসহ বিমানের নিয়ন্ত্রণ সিট ত্যাগ করে বেঁচে যাওয়ার একটি নিরাপত্তামূলক উপায়।

কিন্তু তৌকির সেই সুযোগ নেননি। তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছেন বিমানের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে, যেন সেটি জনবহুল এলাকায় না ভেঙে পড়ে। নিজেকে না বাঁচিয়ে তিনি চেষ্টা করেছেন অন্যদের প্রাণ বাঁচাতে।

এই আত্মত্যাগের গল্প যদি কোনো সিনেমায় দেখা যেত, আমরা হয়তো বলতাম "নায়কোচিত দৃশ্য!" কিন্তু বাস্তবের এই গল্পটি নায়কত্ব নয়, বরং এক তরুণ অফিসারের নিঃস্বার্থ সাহসের আড়ালে লুকিয়ে আছে রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা, উপেক্ষা, এবং এক নির্মম ব্যর্থতা।

যে বিমানটি তিনি চালাচ্ছিলেন, সেটি ছিল F-7 — একটি পুরনো মডেলের যুদ্ধবিমান, যার প্রথম উৎপাদন শুরু হয়েছিল ১৯৬০-এর দশকে। বাংলাদেশে এই বিমান আসে ১৯৭৬ সালে। আজ ২০২৫ সাল। অথচ এত পুরনো, অবসরে পাঠানোর কথা যে বিমানের, সেটিই আজো ব্যবহৃত হচ্ছে প্রশিক্ষণে— সেই ‘প্রশিক্ষণ’-এ যেখানে পাইলটের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়।

F-7 মূলত একটি চীনা সংস্করণ, যার ভিত্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি MiG-21। এই বিমানের প্রযুক্তি এবং গঠন আধুনিক যুদ্ধবিমানের তুলনায় অত্যন্ত পিছিয়ে। আন্তর্জাতিক অনেক দেশ ইতিমধ্যেই এই ধরনের বিমান বাতিল করেছে বা জাদুঘরে পাঠিয়েছে। অথচ আমরা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ এই প্রযুক্তিকে টিকিয়ে রেখেছি— কারণ আমাদের আকাশে এখনো উড়ছে দুর্নীতি, বাজেট লোপাট, এবং অবহেলার চোরাগলি।

তৌকির মারা যাননি সেদিন, যখন তাঁর বিমান বিধ্বস্ত হয়। তিনি মরেছিলেন বহু আগেই—

যেদিন বাজেট চুরি হয়েছিল

যেদিন সিদ্ধান্ত হয়েছিল ১৯৭৬ সালের বাতিল বিমান দিয়েই চলবে আধুনিক যুগের প্রশিক্ষণ

যেদিন দায়িত্ববান কারো চোখে এই বিমানের ঝুঁকি আর দেখা হয়নি

যেদিন গাফিলতি আর অবহেলাকে গা-সওয়া করে তোলা হয়েছিল

এই সিস্টেম তাঁর জন্য কিছুই রাখেনি— না উন্নত প্রশিক্ষণ, না নিরাপদ যন্ত্রপাতি, না ভবিষ্যতের কোনো বিকল্প। রেখে গেছে কেবল মরচে ধরা লোহা, সীমাহীন ঝুঁকি, আর এক তরুণের অনিবার্য মৃত্যু।

তৌকির কেবল একজন মানুষ ছিলেন না— তিনি ছিলেন আমাদের দেশের সাহসী প্রজন্মের প্রতিনিধি। তাঁদের কাঁধে চেপে বসেছে আমাদের সিস্টেমের সব ব্যর্থতা, লজ্জা আর অবজ্ঞা।

এই দুর্ঘটনায় শুধু তৌকির নন, প্রাণ হারিয়েছেন আরও নিরীহ মানুষ, যারা বিমান বিধ্বস্তের জায়গায় ছিলেন। তাঁদের সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। তাঁদের পরিবার-পরিজনের প্রতি জানাই আন্তরিক সমবেদনা।

যারা আহত হয়েছেন, আল্লাহ যেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য দান করেন।

আমাদের একটাই প্রার্থনা, একটাই দাবি—
আর যেন কোনো তরুণ তৌকিরকে মরচে ধরা এক যুদ্ধবিমানের সঙ্গে নিজের জীবন বিসর্জন দিতে না হয়।
আর যেন কোনো মা-বাবাকে সন্তানের কফিন জড়ানো পতাকার দিকে তাকিয়ে বুক চাপড়াতে না হয়।
আর যেন সাহসী হওয়ার মানে হয় না ‘অবহেলায় মৃত্যুর প্রস্তুতি’।

তৌকির শহীদ হয়েছেন, কিন্তু তাঁকে শহীদ করে তুলেছে আমাদের নীরবতা, অব্যবস্থা ও দুর্নীতির দীর্ঘ ছায়া। এই মৃত্যুর দায় শুধু দুর্ঘটনার নয়— এটি এক সিস্টেমেটিক অপরাধ।

বাংলাদেশে জনসাধারণের জায়গায় (যেমন: রাস্তা, পার্ক, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, সরকারি বা বেসরকারি অফিস, সিঁড়ি, লিফট, রেল/বাস টার্...
11/07/2025

বাংলাদেশে জনসাধারণের জায়গায় (যেমন: রাস্তা, পার্ক, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, সরকারি বা বেসরকারি অফিস, সিঁড়ি, লিফট, রেল/বাস টার্মিনাল, রেস্টুরেন্ট ছাড়া খোলা জায়গা বা যে কোনো সরকারি ঘোষিত ধূমপান-নিষেধিত এলাকা) সিগারেট ধূমপান সম্পূর্ণভাবে অপরাধ ও দণ্ডনীয়। এটি Smoking and To***co Products Usage (Control) Act, 2005 ও এর ২০১৩ ও ২০১৫ সালের সংশোধনী দ্বারা নির্ধারিত। নিম্নে বিস্তারিত দেয়া হলো:

📝 আইন ও শাস্তি

ধারা ৪: জনসাধারণের স্থান ও পরিবহনে (সার্বজনীন যানবাহন) ধূমপান নিষিদ্ধ, প্রথমবারের অপরাধে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা জরিমানা। পরবর্তীতে অপরাধের সাথে জরিমানাও দ্বিগুণ হবে ।

অধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্বাস্থ্য-পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা, পুলিশ (SI বা তার উপরের), জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, ফায়ার ব্রিগেড ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষ আইন কার্যকর করতে পারে ।

রেস্তোরাঁ ও অফিস: সিল করা স্থাপনায় (চার দেয়াল ঘেরা) ধূমপানও একই আইন দ্বারা বাধ্যতামূলকভাবে নিষিদ্ধ এবং জরিমানা ধার্য, সেই সাথে মালিক/ব্যবস্থাপক ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বহন করবেন ।

📌 “জনসাধারণের জায়গা” বলতে ঠিক কী বোঝানো?

আইনে বলা হয়েছে—

সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, আদালত, লাইব্রেরি, হাসপাতাল, লিফট, ট্রেন স্টেশন, বাস টার্মিনাল, বিমানবন্দর ভবন, মেট্রো, সিনেমা, রেস্তোরাঁ—অনেক জায়গা অন্তর্ভুক্ত ।

এ ছাড়া শিশু পার্ক, মেলা, ক্লোজড রেস্তোরাঁ, গণপরিবহনে যাত্রীদের অপেক্ষা করার জায়গা, বা যা সরকার বা স্থানীয় সরকার ধূমপান-নিষেধিত ঘোষণা করে ।

❓ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে আরোপিত নিয়ম

Smoking Zone: প্রয়োজন হলে মালিক বা পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিরাপদভাবে ডিমারকেটেড “ধূমপান এলাকা” নির্ধারণ করতে পারেন, তবে এটি এমনভাবে হতে হবে যাতে ধোঁয়া অন্যদের কাছে ছড়ায় না ।

যদিও আইন আছে, কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ খুবই সীমিত, সাধারণ জনগণ ও প্রতিষ্ঠান মাঝে দেশে সচেতনতা কম থাকায় জরিমানাও কম আদায় হয় ।
✅ সারাংশ

হ্যাঁ, বাংলাদেশে জনসাধারণের ক্রমাঙ্কিত জায়গায় ধূমপান করা অপরাধ, এবং প্রথম দণ্ডনীয় অপরাধের জরিমানা ৩০০ টাকা।

দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার অপরাধ করা হলে জরিমানাও অবশ্যই দ্বিগুণ হয়।

রেস্টুরেন্ট, অফিস ও পরিবহনে মূলত একই নিয়ম এবং মালিক/ব্যবস্থাপকদেরও ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

যেসব জায়গায় সরকার লঙ্ঘনযোগ্য ঘোষিত করেছে বা নির্দিষ্ট করে—ওগুলোতেও একই আইন প্রযোজ্য।

⚠️ বাস্তবতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট

আইনের এই স্পষ্ট বিধান থাকা সত্ত্বেও এক্ষেত্রে সৌজন্য পরিস্থিতি, নাগরিক আচরণ, এবং নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় লোকজন প্রায়শই অপরাধ করে। কখনো কখনো কেবল একটি টং দোকানে বা ফুটপাতে সিগারেট ফুঁকতে গিয়ে কেউ আইনের আওতাতে পড়ে না (প্রয়োগ কম) ।

প্রত্যাশিত পদক্ষেপ

যারা হচ্ছে—জনসাধারণের স্থানে ধূমপান না করা;

মালিক/ব্যবস্থাপকরা—‘Smoking is punishable’ সাইনবোর্ড দিতে হবে, লাইটার বা অ্যাশট্রে সরাতে হবে, জরিমানা নেওয়ার মতো প্রস্তুতি নিতে হবে;

কর্তৃপক্ষদের—আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নিতে হবে কার্যকরী ব্যবস্থা।

সাধারণ নাগরিকদের—ধূমপানকারীদের আইন ও স্বাস্থ্যগত বাস্তবতা জানিয়ে পরিস্থিতি নিরপেক্ষে ও ভদ্রভাবে শান্তভাবে পরিচালনা করতে হবে।

> উপসংহার: জনসমক্ষে ধূমপান করা বাংলাদেশের আইনে অপরাধ, এবং জরিমানা রয়েছে, তবে এর প্রয়োগ অপ্রতুল হওয়ায় অনেক সময় শাস্তিও হয় না।

📍📍 নকশা দেখে জমি নিজেই মাপবেন কীভাবে? সম্পূর্ণ পদ্ধতি✅ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম১. গুনিয়া স্কেল নকশার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নির্ধারণের ...
10/07/2025

📍📍 নকশা দেখে জমি নিজেই মাপবেন কীভাবে? সম্পূর্ণ পদ্ধতি

✅ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম

১. গুনিয়া স্কেল নকশার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নির্ধারণের জন্য
২. ফুট স্কেল বাস্তব পরিমাপ জানতে
৩. তিপাতার ডিভাইডার বা কাঁটা কম্পাস সঠিক বড় দূরত্ব মাপার জন্য
৪. ক্যালকুলেটর ক্ষেত্রফল ও শতকরা হিসাবের জন্য
৫. স্বচ্ছ ট্রেসিং পেপার বাঁকানো বা অস্বাভাবিক আকৃতির জমি সহজে আঁকার জন্য

🔢 পরিমাপের ধাপগুলো (ধাপে ধাপে)

১। নকশার স্কেল বুঝুন:

নকশার এক কোণে লেখা থাকে:
“১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল (৫২৮০ ফুট)”
অর্থাৎ:
নকশায় ১৬ ইঞ্চি → বাস্তবে ৫২৮০ ফুট
→ আপনার পরিমাপ হবে এই স্কেল অনুযায়ী অনুপাতে।

২। জমি চিহ্নিত করুন:

নিজের দাগ বা প্লট নম্বর খুঁজে বের করুন

আশপাশে রাস্তা, খাল, গাছ বা পুকুর আছে কি না দেখে নিশ্চিত হন

ট্রেসিং কাগজে জমির আউটলাইন কপি করে রাখুন

৩। বাহুর দৈর্ঘ্য মাপুন:

ফুট স্কেল + ডিভাইডার ব্যবহার করুন

ছোট অংশ ধরে মাপতে শুরু করুন

ডিভাইডার দিয়ে মাপ স্কেলে মিলিয়ে দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করুন

প্রতিটি বাহুর (সীমানার) মাপ আলাদাভাবে নোট করুন

৪। ক্ষেত্রফল নিরূপণ:

জমির আকৃতি অনুযায়ী পদ্ধতি নির্ধারণ করুন:

✅ আয়তাকার / চতুর্ভুজ আকৃতি:

> ক্ষেত্রফল (বর্গফুট) = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

✅ ত্রিভুজ আকৃতি (a, b, c তিন বাহু):

> ব্যবহার করুন Heron’s formula

✅ আঁকাবাঁকা জমি:

> ট্রেসিং পেপারে বাহু নির্ধারণ করে ছোট ছোট আয়তাকার বা ত্রিভুজ আঁকুন
প্রতিটির ক্ষেত্রফল হিসাব করে যোগ করুন

৫। একক রূপান্তর করুন:

রূপান্তর হিসাব:

একক সমান বর্গফুট

১ শতাংশ ৪৩৫.৬
১ কাঠা ৭২০
১ বিঘা ১৪,৪০০ = ২০ কাঠা

উদাহরণ:
যদি ক্ষেত্রফল হয় ২১৭৮ বর্গফুট →
২১৭৮ ÷ ৪৩৫.৬ ≈ ৫ শতাংশ

🧠 টিপস ও সতর্কতা:

✅ চিহ্ন বুঝুন:
∎ (পাকা বাড়ি), ☐ (কাঁচা বাড়ি), 〰️ (পুকুর), ▬ (রাস্তা)

✅ নোট রাখুন:
সব বাহুর মাপ লিখে রাখুন

✅ নিখুঁত হন:
মাপ নিতে সময় দিন তাড়াহুড়ো করলে ভুল হতে পারে

✅ সহযোগিতা নিন:
জটিল হলে দু’জন মিলে করুন তবে নিজে চেষ্টা করতে ভুলবেন না

🛡️ শেষ কথা:

নিজে নিজে জমি মাপতে পারলে আপনি আপনার জমির স্বত্ব নিশ্চিত করতে পারবেন। চূড়ান্ত দলিলে কোনো ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের সুযোগ পাবেন। নিজে শিখুন, সচেতন থাকুন।

কিছু দলিলের সংঙ্গা, লাইক এবং শেয়ার করে রেখে দিন আপনার টাইমলাইনে।
28/05/2023

কিছু দলিলের সংঙ্গা, লাইক এবং শেয়ার করে রেখে দিন আপনার টাইমলাইনে।

02/04/2021

আইন সম্পর্কে জানুন এবং মানুন। নিজেই অপকর্ম থেকে দুরে থাকুন এবং দুষ্কার্যের প্রতিবাদ করুন। ---------

02/04/2021

পরামর্শ চাচ্ছি একটু
রিলেশন এর বিয়ে।
শিক্ষিত ছেলে কিন্তু বেকার

বিয়ের পর থেকে আমি ১ বছরের মত বাবার টাকায় চলেছি।
তখন যেহেতু আমার স্বামীর টাকা ছিল না।আমি তাই প্রেশার ও দেইনি
চাইতাম ও না।
চাইলেই ত আর পাবো না।
মেয়ে হিসেবে জন্ম নিয়েছি কিছু নিত্য জিনিস না কিনে পারা যায় না।
তার জন্য বাবা মায়ের কাছে চেয়ে থাকতে হয়।
কঠিন সময় পার করেছি।

আমার স্বামী এখন বিজনেস করে।
আমাদের একটা বাচ্চা আছে।বাচ্চা জন্মানোর পর পর আমি নিজেও একটা বিজনেস করছি।কিন্তু এটি দিয়ে নিজের আর বাচ্চার খরচ চালানো খুব কষ্টের হয়ে যাচ্ছে।প্রতি মাস গেলে পরের মাসের চিন্তা।
আমার স্বামির এক কথা সে আমাদের কোন টাকা পয়সা দিবে না।যা করার আমরা করে চলতে।
তার কিছু যায় আসে না।

আমি ডিভোর্স দিতে চাইলেও পারিনা।মন এই শক্ত ত এই নরম।
একা একা আর কতটুকু ই বা টেনে নিব বুঝতে পারছিনা।
ও বাহিরে টাকা ঠিকই নষ্ট করতে পারে।কিন্তু নিজের পরিবার কে খাওয়াতে রাজি না।নিজের বাচ্চা এবং স্ত্রী কে ঘরে পরার মত এক সেট জামা কিনে দিতে সে রাজি না।
ভরণপোষণের ব্যাপারে খুব উদাসীন।
অনেক কটু কথা বলেও লাভ হয়নি।শুধু ঝগড়া ই হয়েছে।

যা যা পথ অবলম্বন করা যায় আমি সব করেছি।বাবার বাড়ি থেকেছি।দুরত্ব রেখেছি।কথা বলা বন্ধ করেছি।ঝগড়া ও করেছি।ভালো ভাবে ও বলেছি।
এই দুইদিন ভালো তারপর আবার আগের মত।

ও সব দেখে।আমি টাকার টেনশনে আছি।আমার বাচ্চার এইটা ওইটা শেষ।আমার হাত খালি।আমি আনতে পারছিনা।ও সব দেখে।কিন্তু এনে দেয় না।দরকার হলে বাচ্চা না খাক।তাও সে দিবেনা।
আসলে মানষিক ভাবে অনেক চাপে আছি।
একটা মানুষকে আর কত ভাবে সাপোর্ট দিলে বুঝবে যে তার স্ত্রী তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে?
তার ঘর সামলাচ্ছি।তার যাবতীয় জিনিষের খেয়াল রাখছি।তার নিত্য চাহিদা পুরন করছি।নিজের টাকায় চলছি। আমাদের সন্তান আমি একা পালছি।রাতের পর রাত ঘুম হয়না।ভবিষ্যৎ, বর্তমানের কথা চিন্তা করতে করতে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।বাচ্চাটার দিকে তাকালে আমার চোখ দিয়ে পানি এসে পরে।আমার বাচ্চাটা কেন এমন একটা বাবা পেলো।
আর কি করা যায়?
পুরুষ মানুষ সুখী হয় কিসে?
তারা নিজেরাই কি জানে?নাকি আমার ই দোষ আছে কোথাও।আমি ভুল।আমি ভালো না।
(জিজ্ঞাসা)

02/04/2021

বাংলাদেশ আইনগত অধিকার (Bangladesh Legal
Rights)
একমাত্র লক্ষ্য সমাজের অবহেলিত নির্যাতিত মানুষের। বিভিন্নভাবে আইনি সাহায্য করে প্রমার্শ দেওয়া। আমরা বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করে থাকি। পারিবারিক সহিংসতা,যৌতুক,নারী নির্যাতন ডিভোর্স ও সামাজিক যে কোন সমস্যা নিয়ে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন। অথবা আমাদের পেজের ইনবক্সে আপনাদের সমস্যাটি জানাতে পারেন।আমাদের গ্রুপে এডমিন,আইনজীবী, সমাজসেবক ভলেন্টিয়ার ও সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন সংযুক্ত আছেন। আপনার সমস্যা সমাধানে যথা সাধ্যমত চেষ্টা করা হবে। আপনি চাইলে আমাদের গ্রুপে মেম্বার হতে পারেন। লিংকটা দেওয়া আছে।।।

https://www.facebook.com/BangladeshLegalRights/

আইন সম্পর্কে জানুন এবং মানুন। নিজেই অপকর্ম থেকে দুরে থাকুন এবং দুষ্কার্যের প্রতিবাদ করুন। ---------

এমন কষ্ট আর না নামুক বাংলার বুকে...৫ টি হসপিটাল ঘুরেও মায়ের জন্য হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই পান নাই; মা মুগদা হাসপাতালের ...
02/04/2021

এমন কষ্ট আর না নামুক বাংলার বুকে...

৫ টি হসপিটাল ঘুরেও মায়ের জন্য হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই পান নাই; মা মুগদা হাসপাতালের সামনে মারা যান। ছেলে মায়ের জন্য কিছুই করতে পারেনি।
দিন শেষে অসহায় দেশের অসহায় মানুষ আমরা।

স্বাস্থ্যবিধি মানুন মাস্ক পড়ুন, সচেতন থাকুন..

ছবি - The Daily Star
Taslima Amrin

Address

Ct Hill Rd
Chittagong
4000

Telephone

00447507728272

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আইনগত অধিকার - Bangladesh Legal Rights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to বাংলাদেশ আইনগত অধিকার - Bangladesh Legal Rights:

Share

Category