Manir Ahmed & Associates

Manir Ahmed & Associates Manir Ahmed & Associates-Law Firm in Chittagong, experienced in diversified sectors of Law
আইনী পরামর্শ ও সেবা পেতে কল করুন:-
01779098660,
01770171472

13/06/2018

িছু_হারিয়ে_গেলে_জিডির_নমুনা

বরাবর,
অফিসার ইনচার্জ,
খুলশী থানা,
সিএমপি, চট্টগ্রাম ।

বিষয় : হারানো ডায়েরী ।
জনাব,
যথাবীহিত সন্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী শফিউর রহমান, পিতা- অছিয়র রহমান,বর্তমান ঠিকানা-সালাম ম্যানশন ২২-৩২/এ জাকির হোসেন রোড পোস্ট- পলিটেকনিক, থানা- খুলশী, জেলা- চট্টগ্রাম থানায় হাজির হইয়া এই মর্মে হারানো ডায়েরি আবেদন করিতেছি যে, আমি গত ১৬/০৫/২০১৮ ইং তারিখে সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমবাগান মোড় হইতে বর্তমান ঠিকানার বাসায় যাওয়ার পথে আমার চেক বই হারিয়ে যায় । যাহার একাউন্ট নাম্বার ০৬৯১২১০০০৪৯৯২৩ এক্সিম ব্যাংক খুলশী শাখা । সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করিয়া উক্ত চেক বইটি পাওয়া যায় নাই । এমতাবস্থায় উক্ত বিষয়টি হারানো ডায়েরীভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন ।

অতএব মহোদয় বিষয়টি ডায়েরীভুক্ত করিতে আপনার একান্ত মর্জি হয় ।

তারিখ : ১৭/০৫/২০১৮ খ্রিঃ
বিনীত


(শফিউর রহমান)
মোবাইল :০১৮১২৭৯৪০০১
সালাম ম্যানশন ২২-৩২/এ,
জাকির হোসেন রোড খুলশী,চট্টগ্রাম ।

03/05/2018

LL. B. = Legum Baccalaureus (Bachelor of Laws)
LL. M. = Legum Magister (Master of Laws)

১.
ল্যাটিন Lex (Law-আইন) থেকে Legis শব্দটি এসেছে। Legis হচ্ছে Lex-এর Genetive form এবং এটি Singular Number. অন্যদিকে Legum শব্দটিও এসেছে Lex থেকেই। Legum হচ্ছে Plural Number.
এখন যদি আমরা বলি Legis Legum Baccalaureus অথবা Legis Legum Magister, তাহলে এর ইংরেজি হবে Bachelor of Law Laws অথবা Master of Law Laws যার কোন মানে হয় না।

২.
আমরা জানি, LL.B. লিখার সময় দুইটি L এর মাঝে ডট (.) দেয়া যাবে না। কিন্তু, কেন? উত্তর একটাই, যদি L দুইটি দ্বারা দুইটি আলাদা শব্দ বুঝাতো তাহলে অবশ্যই মাঝখানে ডট (.) বসত। Ph.D.-র ক্ষেত্রে Ph. দ্বারা যেমন Philosophy বুঝানো হয়, তেমনি Ll.B.-র ক্ষেত্রে Ll. দ্বারা Legum বুঝানো হয়।

৩.
ল্যাটিন নিয়মে Plural শব্দের abbreviation করার নিয়ম হচ্ছে প্রথম অক্ষরটি দুই বার লেখা হবে। এক্ষেত্রে Lex এর abbreviation হবে একটি L., কারণ এটি একবচন। আবার, যেহেতু Legum বহুবচন তাই দুইটি L, অর্থাৎ Ll. বা LL. হবে।

সুতরাং Ll. B. ও Ll. M. এর Extension হচ্ছে, Legum Baccalaureus ও Legum Magister যার ইংরেজি হবে যথাক্রমে Bachelor of Laws ও Master of Laws।

৪.
Legislation শব্দটি এসেছে ল্যাটিন Legis Latio থেকে। Latio শব্দটি এসেছে Latus থেকে। Latus হচ্ছে tollere-এর Past Participle Form. Tollere অর্থ উত্তোলন করা, বাছাই করা ইত্যাদি।

Legislation = আইন প্রণয়ন।

01/05/2017

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়’ বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে বলেই তাকে কথা বলতে হচ্ছে।  

23/04/2017

#দেনমোহর নিয়ে জিজ্ঞাসা

মুসলিম আইন অনুযায়ী দেনমোহর বিয়ের অন্যতম শর্ত। প্রত্যেক স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছে দেনমোহর প্রাপ্য। স্বামী কর্তৃক এটি প্রদান না করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে কি না এ বিষয়ে অনেকে অবগত নন। দেনমোহর বিষয়ে ধারণা না থাকায় অনেকে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি প্রতারিতও হচ্ছেন। তাই প্রশ্নোত্তর পর্বে আমাদের এবারের বিষয় মুসলিম বিয়েতে দেনমোহর। এ বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন করেছেন আমাদের কাছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক শ. ম রেজাউল করিম পাঠকদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। নিচে তা তুলে ধরা হলো :

প্রশ্ন : দেনমোহর কী? এটি কি যৌতুক?
মো. রাসেদ হোসেন, চট্টগ্রাম।

উত্তর : না, মুসলিম আইন অনুযায়ী দেনমোহর বিয়ের একটি অন্যতম শর্ত। দেনমোহর স্বামী কতৃর্ক স্ত্রীকে পরিশোধ যোগ্য একটি আইনগত দায়। সুতরাং দেনমোহর ও যৌতুক দুটি ভিন্ন বিষয়।

প্রশ্ন : দেনমোহর কত প্রকার?
মেহেদী হাসান, বরিশাল।

উত্তর : সাধারণত দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। তাৎক্ষণিক দেনমোহর এবং বিলম্বিত দেনমোহর। তাৎক্ষণিক দেনমোহর স্ত্রী চাওয়ামাত্র পরিশোধ করতে হয়। আর বিলম্বিত দেন মোহর বিয়ের পর যেকোনো সময় পরিশোধ করা যায়। তবে মৃত্যু বা বিয়ে বিচ্ছেদের পর দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধ করতে হয়। তখন দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ হিসেবে থাকে।

প্রশ্ন : দেনমোহর ছাড়া বিয়ে হলে বিয়ে কি বাতিল হবে?
সাদ্দাম হোসেন, নোয়াখালী।

উত্তর : মুসলিম নিকাহ অনুযায়ী একটি শুদ্ধ বিয়ের জন্য দেনমোহর অত্যাবশ্যকীয়। দেনমোহর নির্ধারণ ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ হবে না। বিয়ের সময় যদি দেনমোহর নির্ধারিত না হয়ে থাকে, অথবা স্ত্রী কোনো দেনমোহর দাবি করবে না শর্তে বিয়েটি যদি সম্পাদিতও হয়, তবুও স্বামীকে দেনমোহর দিতে হবে স্ত্রীকে। এ ক্ষেত্রে স্বামীর কোনো ধরনের অজুহাত দেখিয়ে স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া থেকে বিরত থাকার আইনগত সুযোগ নেই।

প্রশ্ন : স্ত্রী কি তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর আগে দেনমোহর দাবি করতে পারে?
ফাহমিদা আক্তার, কুমিল্লা।

উত্তর : অবশ্যই স্ত্রী যেকোনো সময় স্বমীর কাছে দেনমোহর দাবি করতে পারেন। কেননা আপনার কাছে এটা তাঁর পাওনা। তালাক বা মৃত্যুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রশ্ন : বিয়ের সময় আমাকে যে শাড়ি, গয়না, কসমেটিকস দেওয়া হয়েছিল তা কি দেনমোহর বলা যায়?
বিবি কুলসুম, ঢাকা।

উত্তর : বিয়ের সময় দেওয়া শাড়ি, গহনা, কসমেটিকস বা অন্যান্য জিনিষপত্র দেনমোহরের অংশ নয়। এগুলো স্বামী বা তার পরিবার কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া উপহার হিসেবে বিবেচিত হবে না। অনেক সময় বিয়ের কাবিননামায় শাড়ি, গহনার মূল্য ধরে দেনমোহরের একটি অংশকে উসুল ধরা হয়। এটা ঠিক নয়। দেনমোহর স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া কিছু অর্থ বা মূল্যবান সম্পদকে বোঝাবে, অন্য কিছু নয়।

প্রশ্ন : স্ত্রী কর্তৃক তালাক দিলে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করবেন কি?
শাহ আলম, কুষ্টিয়া।

উত্তর : অবশ্যই, দেনমোহর হলো বিয়ের শর্ত, যার সাথে তালাকের কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রশ্ন : শুধু তালাক দিলেই কি দেনমোহর পরিশোধ করতে হয়?
রিয়াদ হাসান, ফেনী।

উত্তর : বিবাহ বহাল থাকা বা বিবাহবিচ্ছেদের সাথে দেনমোহরের কোনো সম্পর্ক নেই। বিবাহ সম্পন্ন হলে উল্লেখিত দেনমোহর স্ত্রীর আইনানুগ পাওনায় পরিণত হয়।

প্রশ্ন : দেনমোহরের পরিমাণ অধিক হওয়া কি যৌক্তিক?
মিজানুর রহমান, ঢাকা।

উত্তর : দেনমোহর স্বামীর আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ রেখে নির্ধারণ করতে হয়। দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে স্ত্রীর পারিবারিক অবস্থান ও স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করা প্রয়োজন। দেনমোহর এত অধিক হওয়া উচিত নয় যা স্বামীর পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব নয়; আবার এত কম হওয়া উচিত নয় যা স্ত্রীর আর্থিক নিরাপত্তা দিতে পারে না।

প্রশ্ন : স্বামীর মৃত্যু হলে কি স্ত্রী দেনমোহর পাবেন ?

উত্তর : দেনমোহর পরিশোধ না করা পর্যন্ত এ অধিকার বহাল থাকবে। প্রয়োজনে স্বামীর সম্পত্তি থেকে স্ত্রী তা আদায় করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন : দেনমোহর সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করা যায়?
বিবি খাদিজা, লক্ষ্মীপুর।

উত্তর : দেনমোহর সংক্রান্ত মামলা স্থানীয় সহকারী জজ আদালত যা পারিবারিক আদালত নামে পরিচিত, সেখানে করা যায়।

 #অনলাইনে জিডি করার নিয়মপথ চলতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থানায় জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু...
12/04/2017

#অনলাইনে জিডি করার নিয়ম

পথ চলতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থানায় জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এ সম্পর্কে অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা না থাকায় নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

যেসব কারণে জিডি করবেন

চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বা হুমকির শিকার কিংবা যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য পুলিশের সহায়তা চেয়ে থানায় জিডি করা যেতে পারে। কেউ হারিয়ে অথবা পালিয়ে গেলেও থানায় জিডি করা দরকার। এছাড়াও অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টসহ অন্যান্য দরকারী নথি) হারিয়ে গেলে তা নতুন করে পেতেও থানায় জিডি করার প্রয়োজন পড়ে।

কোথায় কীভাবে করবেন

কোনো ব্যক্তি বা জিনিস হারিয়ে গেলে তা যে স্থানে হারিয়েছে সেই থানাতে জিডি করতে হবে। একইভাবে অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রেও যে স্থানে ঘটেছে তার নিকটস্থ থানাতে জিডি করতে হবে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজ থানাতে জিডি করা ভালো। জিডি করতে হলে প্রথমে একটি সাদা কাগজে দরখাস্ত লিখতে হবে। এ দরখাস্তের ধরন অন্যান্য দরখাস্তের মতোই। 'বরাবর'-এর নিচে লিখতে হবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওই থানার নাম। এরপর বিষয় অংশে আপনি যেজন্য জিডি করছেন সংক্ষেপে তা লিখতে হবে। দরখাস্তের মূল বা ভেতরের অংশে কী কারণে জিডি করবেন তা বিস্তারিত বর্ণনা করতে হবে। এক্ষেত্রে ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ করা খুবই জরুরি। দরখাস্ত লেখা শেষে নিচে আবেদনকারীর নাম, পিতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা প্রয়োজনে ফোন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এরপর তা ফটোকপি করে মূলকপিসহ থানায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তার নিকট জমা দিতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তা থানায় নির্দিষ্ট নথিতে জিডিটি তালিকাভুক্ত করে জিডির কপিতে সিল, স্বাক্ষর, তারিখ ও জিডি নম্বরসহ এক কপি আবেদনকারীকে দেবেন। পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত জিডি গণ্য হবে না।

অনলাইনে আবেদনের সুযোগ

প্রযুক্তির এ যুগে ঘরে বসেই সব সুবিধা পেতে চান অনেকেই। তাদের জন্য রয়েছে অনলাইনে জিডি করার সুযোগ। সাধারণ মানুষের ঝামেলা থেকে রেহায় দিতে ও সময় বাঁচানোর জন্য এ পদ্ধতি চালু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এক্ষেত্রে মহানগর পুলিশের ওয়েব সাইট www.dmp.gov.bd তে গিয়ে জিডির আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুধু জিডির নম্বর উল্লেখ করলেই হবে। এরপরও যদি কেউ চান তাহলে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি নম্বরসহ প্রিন্টেড কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

জিডি নিয়ে ভুল ধারণা

অনেকেই জিডি আর মামলা এক মনে করেন। আসলে এ ধারণা ভুল। আবার অনেকের ধারণা জিডি করতে টাকা লাগে। এ ধারণাও একেবারে ভুল। জিডি করতে কোনো প্রকার টাকা-পয়সা লাগে না। এমনকি কেউ যদি লিখতে না পারেন কিংবা নিয়মকানুন না জানেন তবে থানায় গিয়ে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে বললে তিনিই জিডির আবেদন লিখে অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে শুধু স্বাক্ষর দিলেই চলবে।

02/04/2017

যাবজ্জীবন অর্থ আমৃত্যু কারাদণ্ড

১৫ বছর আগে সাভারে সংঘটিত জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু কারাদণ্ড) দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এ সময় আদালত বলেছেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ আমৃত্যু কারাদণ্ড। স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাভোগ করতে হবে।

সাভারের জামান হত্যা মামলায় দুই আসামির করা আপিল শুনানি শেষে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

আদালতে আজ আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও মনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।

তবে অন্যান্য মামলার আসামির ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে কি না সে বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সবার ক্ষেত্রে এ রায় প্রযোজ্য হবে কি না সেটা পূর্ণাঙ্গ রায় না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। তবে সাভারের মামলার আসামিদের ক্ষেত্রে এ রায় প্রযোজ্য।

তিনি জানান, রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সাভারের জামান হত্যা মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন বলে ধরে নিতে হবে।

২০০১ সালে সাভারে জামান নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০৩ সালে ঢাকার একটি আদালত কামরুল, আতাউর ও আনোয়ার নামের তিন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ সাজার বিরুদ্ধে আতাউর ও আনোয়ার হাইকোর্টে আপিল করেন।

একইসঙ্গে নিম্ন আদালত থেকে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে ২০০৭ সালে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন আপিল বিভাগে।

এ আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, সাভারের একটি মামলায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ ছিল। হাইকোর্টও ফাঁসি বহাল রাখেন। আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করে শুধু সাজা কমাতে। আজ আদালত মৃত্যুদণ্ড থেকে তাদের সাজা যাবজ্জীবন করেছেন। আদেশে বলেছেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ ৩০ বছর নয় বরং আমৃত্যু। স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।

আসামিপক্ষ এ সময় বলেছে, দণ্ডবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন অর্থ ৩০ বছর। তখন প্রধান বিচারপতি বলেছেন, রায়ে এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হবে। উনারা মতামত দেবেন যে আদালত যদি মনে করেন যে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হবে তাহলে তাকে মৃত্যু অবধি জেলে থাকতে হবে। এ রায়টি পেলে একটি দিকনির্দেশনা পাবো বলে আশা করি।

এখন থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ কি আমৃত্যু কারাদণ্ড কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই এটা বলা যাবে না। এখানে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আইনে ৩০ বছর আছে বলে উল্লেখ করেছেন।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে দেখাবেন ৩০ বছর নয়। যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড। বিশেষ করে আদালত যদি এ মর্মে আদেশ দেন যে আমৃত্যুই থাকতে হবে। এ সিদ্ধান্ত অন্যদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা অন্যদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না তা রায়ে কি বলে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন জানান, আপিল বিভাগ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ইমপ্রিজনমেন্ট ফর লাইফ) কারাবাস। তখন আমি এর প্রতিবাদ করেছি। আমি বলেছি দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডের অর্থ সর্বোচ্চ ৩০ বছর। এছাড়া যাবজ্জীবনের আসামির কারাগারের রেয়াত পেয়ে দণ্ড আরও কমে আসে। যদি আমৃত্যুই হয় তাহলে এদের রেয়াতের কি হবে? আমি আরও বলেছি, প্রধান বিচারপতির এ মন্তব্য যেন মূল রায়ে না থাকে। তবে এটা যদি থাকে তাহলে সব আসামির ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে।

31/03/2017

#সড়ক পরিবহন আইন 2017
(যাহা মোটর যান আইন 1983 এর সংশোধন)সম্পর্কে জানা উচিত এবং আইনটি সবার মান্য করা উচিত..

* ফুটপাত দিয়ে মোটর সাইকেল চালালে ৩ মাস কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা।

* সংরক্ষিত নারী আসনে বসতে না দিয়ে কেউ ওই আসনে বসলে তাকে ১ মাসের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

* গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।

* সাধারণ চালকের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং পেশাদার চালকদের বয়স হতে হবে কমপক্ষে ২১ বছর।

* লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

* হেলপার বা শ্রমিক গাড়ি চালাতে পারবেন না।

* প্রতিযোগিতা করে গাড়ি চালালে, সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনা না হলেও চালকের ২ বছরের জেল বা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। গতিসীমা লঙ্ঘন করলেও একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

* দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটলে দণ্ডবিধির আওতায় বিচার হবে।

* সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এই আইনে আমলযোগ্য অপরাধে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় দায়ীকে আটক করতে পারবে।

* হেলপারেরও লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

* চালকের সহকারীর লাইসেন্স না থাকলে এক মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

* নেশা জাতীয় দ্রব্য বা মদ পান করে কেউ গাড়ি চালালে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। ফুটপাত দিয়ে মোটরসাইকেল চালালে ৩ মাস কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা।

* গাড়ী চালানোর সময় মোবাইল ফোন বা এরূপ কোনো ডিভাইজ ব্যবহার করলে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন চালক।

* ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে- এমন অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় চালকদের গ্রেপ্তার করতে পারবে।

* রাস্তায় মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকবে। বিভিন্ন অপরাধের জন্য চালকের পয়েন্ট কাটা যাবে। পয়েন্ট শূন্য হয়ে গেলে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

27/03/2017

বাসে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত আসনে কেউ বসলে বা তাদের বসতে দিলে এক মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানাসহ আরও কিছু বিধান যুক্ত করে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৭-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে...

01/03/2017

#হুমকি_দিলে_কী_করবেন?

কোনো শত্রুপক্ষ বা যে কেউ বিনা কারণে আপনাকে উৎপাত করছেন বা হুমকি দিচ্ছেন। জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা রাস্তায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন। তখন কী করবেন আপনি?

আদালতে যাওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করে রাখতে পারেন নিকটস্থ থানায়। অনেক সময় অভিযোগটি গুরুতর হলে পুলিশ এ জিডি থেকেই নন-প্রসিকিউশন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
।এ অবস্থা থেকে বাঁচার উপায় আছে আইনে। এ আইনটি হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা।

১০৭ ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে কিংবা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বন্ড বা মুচলেকা সম্পাদনের জন্য বাধ্য করা যায়। এ ধরনের মামলা করতে হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

১০৭ ধারায় আশ্রয় নিলে আদালত প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের জন্য আদেশ দেবেন। তখন দায়ী ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে হবে।
মুচলেকায় বলতে হবে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের উৎপাত করবেন না এবং ভয়ভীতি দেখাবেন না।

28/02/2017

#তালাক_কখন_কিভাবে_করবেন?
বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে বলা হয়েছে, যেকোনো সুস্থমনা ও সাবালক যেকোনো সময় তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন। পাশাপাশি কাবিনামায় যদি স্ত্রীর তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অপূর্ণ থাকে, তবু স্ত্রী স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক প্রদানে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলিম আইনে তালাক মূলত মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে। তবে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন দ্বারা মৌখিক তালাককে অকার্যকর করা হয়েছে। কাবিনামার ১৮ নম্বর কলামে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষমতা শর্তযুক্ত কিংবা শর্তহীন হতে পারে।
স্বামী যদি নিম্নের এক বা একাধিক অথবা সব শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহলে স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

১. স্বামী সম্মানজনক জীবন যাপন করে অর্থ উপার্জন করবেন এবং স্ত্রীর ভরণপোষনের ভার নেবেন। স্ত্রীর অনুমোদিত বাড়িতে বসবাস করবেন।

২. স্ত্রীর ওপর স্বামী অন্যায়ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করবেন না।

৩. স্ত্রীকে স্বামী বছরে অন্তত চারবার পিত্রালয়ে যেতে দেবেন এবং খরচ প্রদান করবেন।

৪. স্ত্রী বন্ধ্যা বা অসুস্থ না হলে স্বামীর তাঁর অনুমতি ব্যতিত দ্বিতীয় বিয়ে করার চুক্তি করবেন না।

৫. চাওয়ামাত্র স্ত্রীকে তাৎক্ষনিক দেনমোহর প্রদান করবেন।

আদালতে ডিক্রিমূলেও স্ত্রী তালাক নিতে পারেন। মূলত বিয়ের কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাকের কোনো ক্ষমতা অর্পন করা না হলে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হয়। ১৯৩৯ সালের বিবাহবিচ্ছেদ আইনে স্ত্রীকে এ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারনে বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করে আদালতের ডিক্রি লাভের আবেদন করতে পারেন, সেগুলো হলো :

১. চারবছর স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।

২. স্বামী দুই বছর ভরণপোষন দিতে অবহেলা করলে (২-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করলে।

৩. স্বামী সাত বছর বা ততোধিক কালের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হলে।

৪. স্বামী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।

৫. স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে।

৬. স্বামী দুই বছর অপ্রকৃতিস্থ, কুষ্ঠরোগ বা মারাতœক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।

৭. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে থাকলে সাবালিকা (১৮ বছর পূর্ণ) হওয়ার পর স্ত্রী যদি তা অস্বীকার করেন। এতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হলে মোকদ্দমা করা যাবে না।

৮. স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করলে। যেমন, ক, অভ্যাসগত স্ত্রীকে মারধর বা আচরনের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে স্ত্রীর জীবন দুর্বিষহ করে তুললে; খ. অন্য নারীর সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে; গ. নৈতিকতাবিরোধী জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করা হলে; ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে বা সম্পত্তিতে বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে তাঁকে নিবারণ করলে; ঙ. স্ত্রীর ধর্মীয় চর্চায় বাধা প্রদান করলে; চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী ন্যায়সংগত ব্যবস্থা না নিলে।

৯. মুসলিম আইনে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যেকোন কারণে স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করতে পারেন।

তবে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিধানাবলি অনুসরণ না করলে তালাক অকার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাকের নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭(১) ধারা অনুযায়ী যেভাবেই বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক ঘটুক না কেন, যে পক্ষ তালাক দিতে চাইবে সে পক্ষ অপর পক্ষের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মিউনিসিপ্যালিটির বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানের/মেয়রের কাছে নোটিশ লিখিতভাবে পাঠাবে এবং ওই নোটিশের কপি অতিসত্বর অপর পক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবে। আদালতের মাধ্যমে কোনো বিবাহ ভঙ্গ মামলার ডিক্রি হলে সে ডিক্রির কপি চেয়ারম্যানকে প্রদান করলেই ৭ ধারার নোটিশ দেওয়ার বিধান প্রতিপালিত হবে।

যে পক্ষ থেকেই তালাকের নোটিশ দেওয়া হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি নিয়ে সালিসি পরিষদ গঠন করবেন। আপোসের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করবেন। আপসের চেষ্টা সফল হলে তালাকের নোটিশের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না এবং তাঁদের পুনরায় বিয়েরও কোনো প্রয়োজন হবে না।

তালাকের নোটিশ না দেওয়ার সাজা

তালাকের ক্ষেত্রে বর্তমান আইনে প্রদত্ত নিয়ম পালন না করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড কিংবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।

তালাকের কার্যকারিতা

চেয়ারম্যানের হাতে যে তারিখে নোটিশ পৌঁছাবে সেদিন থেকে ৯০ দিন পর বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক কার্যকর হবে। অর্থাৎ নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সালিসির কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলেও তালাক কার্যকর বলে গণ্য হবে। তবে স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে গর্ভকাল শেষ হওয়ার পর তালাক কার্যকর হবে।
খোলা তালাক

মুসলিম আইনে স্ত্রীর ইচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের আরেকটি ব্যবস্থা হচ্ছে খোলা তালাক। এ তালাক এমন এক ধরনের তালাক, যা স্বামী-স্ত্রীর সম্মতিতে স্ত্রীর ইচ্ছায় কার্যকর হয়। খোলা তালাক পারস্পরিক চুক্তি দ্বারা অথবা কাজি বা আদালতের নির্দেশে হতে পারে। এ তালাকের উল্লেখযোগ্য দিক হলো:

১. স্ত্রী স্বামীকে তালাক দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকেন

২. স্বামী ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে থাকেন

৩. স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সময় স্বামী বিনিময়ে স্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিদান নিয়ে থাকেন এবং স্ত্রী তা দিয়ে থাকেন বা দিতে সম্মত থাকেন।
তবে খোলা তালাকের ক্ষেত্রে অন্য কোনো চুক্তি না থাকলে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হবেন না; কিন্তু ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তাঁর গর্ভস্থ সন্তানের জন্য স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

তালাক-পরবর্তী মোহরানা ও ভরণপোষন

মুসলিম আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তালাকের পর স্ত্রী অবশ্যই দেনমোহর ও ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন। কিন্তু অনেকেই বলেন স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় তালাক দেন তাহলে দেনমোহর ও ভরণপোষন থেকে বঞ্চিত হবেন। এটা পুরোপুরি ভুল ধারনা। দোনমোহরের ক্ষেত্রে বলা যায়, দোনমোহর বিয়ের শর্ত, তালাকের সঙ্গে এর সম্পর্কে নেই; তাই তালাক প্রদান করা হলেও স্ত্রী দেনমোহর পাবেন। তবে স্ত্রী যদি নিজ ইচ্ছায় কোনো কিছুর প্রতিদানে স্বামীর মাধ্যমে তালাক নিয়ে নিজেকে বিবাহবন্ধন থেকে মুক্ত করে (খোলা তালাক) থাকেন, কেবল সে ক্ষেত্রেই স্ত্রী দেনমোহর পাবেন না। স্ত্রীর মৃত্যু হলেও তাঁর উত্তরাধিকারীরা এটি পাওয়ার অধিকারী। তবে মোহরানা দাবির তিন বছরের মথ্যে মামলা না করলে মোহরানা পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ভরণপোষনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তালাকের পর ইদ্দতকালে স্ত্রী ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী। ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যদি তালাকের বিষয়ে তাঁকে অবহিত করা না হয়, তবে সে পর্যন্ত তিনি ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।



লেখক: ড. বদরুল হাসান কচি, আইনজীবী

27/02/2017

#যেভাবে_বৈধ_আগ্নেয়াস্ত্র_কিনতে_পারবেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে ঢাকায় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্রের দোকান দেখা যায়। তবে এসব দোকান থেকে চাইলেই যে কেউ আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয় করতে পারে না। আবার যারা ক্রয় করতে পারেন তারা ক্রয়ের পর সরাসরি তা বহন করতে পারেন না। এজন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়।

যাদেরকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়: বাংলাদেশে চলমান ১৮৭৮ সালের Arms Act ও ১৯২৪ সালের Arms Rules এর আওতায় সামরিক/বেসামরিক/অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে নিম্নবর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অনিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্রসমূহের লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

শর্তসমূহ:

১। যে কোন ব্যক্তি একটি লং ব্যারেল (বন্দুক/শর্টগান/.২২ বোর রাইফেল) এবং একটি শর্ট ব্যারেল (এনপিবি রিভলবার/পিস্তল) সর্বোচ্চ দু’টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২। আবেদনকারীর বয়স শর্ত ব্যারেল আগ্নেয়াস্ত্রের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ (ত্রিশ) বছর এবং লং ব্যারেলের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২৫ (পঁচিশ) বছর হতে হয়।
৩। আবেদনকারীকে অবশ্যই আয়কর দাতা হতে হয়। শিল্পপতি/বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বছরে ন্যূনতম ২.০ (দুই লক্ষা) টাকা আয়কর প্রদান করতে হয়।
৪। আবেদনকারীর অনুকূল পুলিশ প্রতিবেদন থাকতে হয়।
অনিষিদ্ধবোরের সকল প্রকার লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদান করা হয়। তবে পিস্তল ও রিভলবার লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ আবেদনকারীর ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন এবং প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে রিভলবার/পিস্তল লাইসেন্স প্রদানের সুপারিশসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুর্বানুমতির জন্য প্রেরণ করবে। অন্যান্য লং ব্যারেল অস্ত্রের ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্স প্রদান করেন।
সরকারের উপ-সচিব ও তদুর্ধ পরযায়ের কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর মেজর ও তদুর্দ পরযায়ের কর্মকর্তা ও সমমর‌যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তাগণকে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
বার্ধক্যজনিত/মৃত্যুজনিত কারণে উত্তরাধিকারীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র হস্তান্তর প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ সম্পন্ন করেন। এক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী মৃত ব্যক্তির Death Certificate, ওয়ারিশান সনদ, লাইসেন্সধারী/ওয়ারিশগণ কর্তৃক ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকার স্ট্যাম্পে নাদাবি হলফনামা, অনুকূল পুলিশ প্রতিবেদন, বয়স প্রমাণের সনদপত্র ইত্যাদি প্রয়োজন।
মেরামত অযোগ্য/ত্রুটিপূর্ণ অস্ত্রের পরিবর্তে নতুন অস্ত্র সংগ্রহ/ক্রয়, অস্ত্রের ধরন পরিবর্তন (অনুমতিসাপেক্ষে) করা যাবে। তবে লাইসেন্সে লিপিবদ্ধকরণের ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করা যাবে না।
কোন লাইসেন্সধারী ব্যক্তিকে অস্ত্র ক্রয়ের ৬ (ছয়) দিনের মধ্যে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিকট ক্রয়কৃত অস্ত্র উপস্থাপন করে লাইসেন্সে অস্ত্রের তথ্যাটি লিপিবদ্ধ করতে হয়।
আবেদনকারী যদি আর্মি এ্যাক্টের আওতাধীন ব্যক্তি হন (সামরিক কর্মকর্তা) তাহলে নিজ স্থায়ী আবাসস্থলের সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে আবেদন করতে পারেন।
আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রাপ্তির সকল আবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দাখিল করতে হয়।

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ফি একবারের জন্য প্রযোজ্য তবে লাইসেন্স নবায়ন ফি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের জেএম শাখায় ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নবায়ন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩১ জানুয়ারী পরযন্ত জরিমানা ছাড়া নবায়ন করতে পারেন। উক্ত সময়ের পরে নবায়ন করতে হলে জরিমানা প্রদানসাপেক্ষে লাইসেন্স নবায়ন করা যাবে। উল্লেখ্য, জরিমানার পরিমাণ মূল লাইসেন্সে প্রদেয় টাকার সমপরিমাণ।
সশস্ত্রবাহিনীতে কর্মরত/অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যগণ নিজ কর্মস্থল/বর্তমান আবাসস্থলের সন্নিকটস্থ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স নবায়ন করতে পারবেন। আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ক্যান্টনমেন্ট একজিকিউটিভ অফিসারগণের মাধ্যমে ও আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স নবায়ন করতে পারেন। তবে উক্ত নবায়নের বিষয়ে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ (সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কে অবশ্যই অবহিত করতে হবে।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে চাকুরীর বদলীজনিত বা অবসরগ্রহণের কারণে বেসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ তাদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নিজ কর্মস্থল/বর্তমান আবাসস্থলের সন্নিকটস্থ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে নবায়ন করতে পারবেন। উক্ত নবায়নের তথ্য অবশ্যই লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ (সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কে অবহিত করতে হবে।
Arms Rules 1924 এর Chapter – III এর ৫০ বিধি অনুযায়ী কোন ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ট্রান্সফারের আবেদন করলে তা যথানিয়মে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিষ্পত্তি করবেন। তবে এক্ষেত্রে লাইসেন্স ইত্যুকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি থাকতে হবে।

21/02/2017

#কোর্ট_ম্যারেজ! কি? এবং কিভাবে করবেন?

কোর্ট ম্যারেজ সম্পর্কে অনেকেই অজ্ঞ। কোর্ট ম্যারেজ সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানার কারণে পরবর্তী সময়ে অনেক আইনি ঝামেলার মধ্যেও পড়তে হয়। অনেক সময় প্রেমিক-প্রেমিকা আদালতপাড়ায় আইনজীবীর চেম্বারে গিয়ে বলে তারা কোর্ট ম্যারেজ করতে চায়। অনেক আইনজীবীও কোর্ট ম্যারেজ বিষয়টি ব্যাখ্যা না দিয়ে বিয়ের একটি হলফনামা সম্পন্ন করে দেয়। কিন্তু কোর্ট ম্যারেজ বলতে আসলে কী বোঝায়?
আইনে কোর্ট ম্যারেজ বলে কোনো বিধান নেই। এটি একটি লোকমুখে প্রচলিত শব্দ। প্রচলিত অর্থে কোর্ট ম্যারেজ বলতে সাধারণত হলফনামার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের ঘোষণা দেওয়াকেই বোঝানো হয়ে থাকে। এ হলফনামাটি ২০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এটি বিয়ের ঘোষণামাত্র। অর্থাৎ এ হলফনামার মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের মধ্যে আইন অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে, এ মর্মে ঘোষণা দেয় মাত্র। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক আইন অনুযায়ী প্রথমে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। তারপর তারা ইচ্ছা করলে এ হলফনামা করে রাখতে পারে। পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ে না করে শুধু এ হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত নয়। অনেক সময় বিয়ের হলফনামায় বিয়ের জন্য আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্তগুলো না মেনেই হলফ করা হয়, বিশেষত সাক্ষীদের উপস্থিতি ছাড়াই। এতে বিয়ের হলফনামাটি পরিপূর্ণ হবে না।

বিয়ের নিবন্ধন জরুরি
মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। ছেলে ও মেয়েকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। মুসলিম বিয়ে ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী, প্রতিটি বিয়ে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কার সঙ্গে কার, কত তারিখে, কোথায়, কত দেনমোহর ধার্য, কী কী শর্তে বিয়ে সম্পন্ন হলো, সাক্ষী ও উকিলের নাম প্রভৃতির একটা হিসাব সরকারি নথিতে লিখে রাখাই হলো নিবন্ধন। বর্তমান আইন অনুযায়ী বিয়ে নিবন্ধন করার দায়িত্ব মূলত বরের। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বিয়ে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় কাজি ও পাত্রের দুই বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে কাজি বিয়ে পড়িয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে কাজি তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে নিবন্ধন করবেন। নিকাহনামা বা কাবিননামা ছাড়া বিয়ে প্রমাণ করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিয়ে নিবন্ধন করা থাকলে তালাকের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা সহজ হয়। স্ত্রীর দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়ের জন্য কাবিননামার প্রয়োজন হয়। সন্তানের বৈধ পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য কাবিননামার প্রয়োজন হয়। কাবিননামা ছাড়া শুধু বিয়ের হলফনামা সম্পন্ন করা হলে বৈবাহিক অধিকার আদায় দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। হিন্দু বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই হিন্দু আইনের প্রথা মেনেই প্রাপ্তবয়স্ক পাত্র ও পাত্রীর মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। বর্তমানে হিন্দু বিয়েতে নিবন্ধনের বিষয়টি ঐচ্ছিক করা হয়েছে।

কোর্ট ম্যারেজ করে ফেললে
যদিও কোর্ট ম্যারেজ বলে কোনো বিয়ে নেই, তবু প্রচলিত অর্থে কোর্ট ম্যারেজের নামে কেউ শুধু বিয়ের হলফনামা করে থাকলে এবং বিয়েটি নিবন্ধন করা না থাকলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কাজির সঙ্গে সরাসরি আলাপ করে বিয়ে নিবন্ধন করে নেওয়া উচিত এবং হলফনামার সঙ্গে সব তথ্য ও তারিখ মিল রেখে বিয়ের নিবন্ধন করে নিতে হবে। হিন্দুরাও বিয়ে নিবন্ধন করে নিতে পারেন।
তানজিম আল ইসলাম
লেখক: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

Address

Chittagong Judge Court
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manir Ahmed & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share