Zobaier Trust

Zobaier Trust Trast

1. আপনি যদি এমন একজন মহিলাকে বেছে নেন যিনি চাকরি করেন, তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে তিনি সম্পূর্ণভাবে ঘর পরিচালনা করতে ...
27/06/2024

1. আপনি যদি এমন একজন মহিলাকে বেছে নেন যিনি চাকরি করেন, তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে তিনি সম্পূর্ণভাবে ঘর পরিচালনা করতে পারবেন না।

2. আপনি যদি এমন একজন গৃহিণীকে বেছে নেন যিনি আপনার যত্ন নিতে পারেন এবং আপনার বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে তিনি আর্থিকভাবে অবদান রাখেন না।

3আপনি যদি একজন বাধ্য মহিলা বেছে নেন, তবে আপনাকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে সে আপনার উপর নির্ভরশীল এবং আপনি তার সুস্থতার জন্য দায়ী।

4. আপনি যদি একজন শক্তিশালী মহিলার সাথে থাকার সিদ্ধান্ত নেন তবে আপনাকে স্বীকার করতে হবে যে সে স্বাধীন এবং তার নিজস্ব মতামত রয়েছে।

5আপনি যদি একজন সুন্দরী মহিলাকে বেছে নেন, তবে আপনাকে এর সাথে আসা উচ্চতর খরচ গ্রহণ করতে হবে।

6. আপনি যদি একজন সফল মহিলার সাথে থাকার সিদ্ধান্ত নেন তবে আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে তার নিজের লক্ষ্য এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে, পাশাপাশি একটি শক্তিশালী চরিত্র রয়েছে।

নিখুঁত অস্তিত্ব নেই. প্রত্যেকের নিজস্ব অনন্য গুণাবলী রয়েছে যা তাদের বিশেষ করে তোলে।

--------- এটি একটি সংগৃহীত পোস্ট

24/06/2024
24/06/2024
16/06/2024

বই পড়া নিয়ে মজার সব তথ্য। পড়ুন ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন অন্যদের মাঝে 🙂

১) Dog’s Ear– বুকমার্ক হিসেবে বইয়ের পাতার ওপরের দিকের কোণাটা ভাঁজ করে রাখেন তো পড়তে পড়তে উঠে যাওয়ার আগে। ওটাকে Dog’s Ear বলে। কেন? আবার বলতে হবে, কিছু কিছু কুকুরের কানটা ঐভাবেই থাকে যে।

২)Librocubicularist (লিব্রোকুবিকুলারিস্ট) – যে ব্যক্তি বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ে।

৩)Epeolatry (এপিওলাট্রি) – এ হল গিয়ে শব্দের আরাধনা করা। শব্দের মধ্যে এক অসামান্য মাধুর্য, বাক্যে তার ব্যবহার মন কে যখন মুগ্ধ করে দেয়। ভাষাবিদ দের মধ্যে এই মোহ বিশেষ দেখা যায়।

৪)Logophile (লোগোফাইল) – যে ব্যক্তি শব্দের প্রতি মোহাবিষ্ট।

৫)Bibliosmia (বিব্লিওসমিয়া) – পুরনো বইয়ের গন্ধ

৬)Book bosomed (বুক বোসম্ড) – যে ব্যক্তি বই ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারে না।

৭)Omnilegent (অমনিলেজেন্ট) – যে বিষয়ের বাছ বিচার না করে সব ধরনের বই পড়ে।

৮)BallyCumber (ব্যালিকাম্বার) – অর্ধেক পড়া অবস্থায় যে সব বই রেখে আপনি উঠে যান,সেই সব বই কে BallyCumber বলে

৯)Tsundoku (সুন্দোকু) – জাপানীজ শব্দ। ইংরেজী প্রতিশব্দ নেই। এর অর্থ কেনার পর থেকে বই একবারের জন্য না খোলা।

১০)Princep (প্রিন্সেপ) -কোন বইয়ের প্রথম ছাপা কপিটিকে princep বলে।

১১)Sesquipedalian (সেস্কুইপিডালিয়ান) – যে শব্দে অনেকগুলি Syllable বা পদাংশ থাকে।যেমন- ses/qui/pe/da/li/আন

১২)Colophon (কোলোফন) – বইয়ের শিরদাঁড়া, কিংবা প্রচ্ছদে প্রকাশকের যে প্রতীক চিহ্ন দেখা যায়
১৩) Biblioclasm (বিব্লিওক্লাসম) – ইচ্ছাকৃতভাবে বই নষ্ট করা।

১৪)fascile (ফ্যাসাইল) – খন্ড।প্রথম খন্ড,দ্বিতীয় খন্ড…ইত্যাদি।fascile হল কোন বই অনেকটা সময় ধরে যখন বিভিন্নখণ্ডে প্রকাশিত হয়-যেমন এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, অক্সফোর্ড ডিকশনারি।

১৫)Afficted (আফিক্টেড) – কোন গল্পের শেষটায় চরম মর্মান্তিক এবং সেটা পড়ার পর প্রবল কাঁদতে ইচ্ছে হলেও কাঁদতে না পারা,লোকে কি ভাববে এই অনুভূতিকে afficted বলে।

১৬)Bookklempt (বুকক্লেম্প্ট) – যখন কোন সিরিজের শেষ বইটা পড়ে ফেলেছেন।জানেন যে আর কোন খন্ড বেরোবে না।তবু এই সত্যি কে মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নন আপনি।এই অনুভূতিকেই বুককলিম্পিত বলে।

১৭)Chaptigue (চ্যাপটিগ) – সারারাত জেগে বই পড়ার পরের দিন সকাল বেলা আপনার যে ভীষন ক্লান্তিবোধটা আসে, জানবেন ওই ক্লান্তিটাকে Chaptigue বলে।

১৮) Delitrium (ডেলিট্রিয়াম) – নতুন কেনা বইয়ের গন্ধে আপনার মনে যে ফুরফুরে ভাবটা ওটার নামই Delitrium।

১৯)Madgedy (ম্যাজেডি) – কোন দুঃখের গল্প বারবার পড়া এবং পড়তে পড়তে আবার যে আশা করা এবার নিশ্চয়ই শেষটা অন্য রকম হবে।

২০) Mehnertia (মেনারটিয়া) – কোন বই অনেকটা পড়ার পর থামিয়ে দিয়ে পুনরায় প্রথম থেকে পড়া শুরু করা।কারণ ততক্ষনে আপনি পড়তে পড়তে খেই হারিয়ে ফেলেছেন যে কি পড়ছেন।

২১)Rageammend (রেজামেন্ড) – যখন আপনি পছন্দের বইটা অন্যান্য বন্ধুদেরকে পড়ার জন্য সুপারিশ করবেন আর করার পরই শুনবেন যে তাদের সেটা আগেই পড়া হয়ে গেছে এবং মোটেও ভাল লাগেনি,তখন আপনার মনের যা অবস্থা হয়, সেটাই।

২২)Swapshame (স্বপশেম) - যখন একটা বই পড়ছেন।পড়তে পড়তে অন্য একটা বই যার শুরুটাও মনে ধরেছে।এখন বুঝতে পারছেন না কোনটা আসলে পড়বেন। মনের এই অবস্থাটাই।

সংগৃহীত

05/06/2024

একবার শায়খুল হাদিস মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?

তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:

১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।

২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।

৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।

৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।

৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।

৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।

৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।

৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।

১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।

১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।

১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।

১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।

১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।

১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।

১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেকো।

কালেক্টেড

30/05/2024

♦️১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন:

১.পথের পাঁচালী(১৯৫৫)- সত্যজিৎ রায়
২.মেঘে ঢাকা তারা(১৯৬০)- ঋত্বিক ঘটক
৩.অপুর সংসার(১৯৫৯)- সত্যজিৎ রায়
৪.দেবী(১৯৬০)- সত্যজিৎ রায়
৫.নায়ক(১৯৬৬)- সত্যজিৎ রায়
৬.ইন্টারভিউ(১৯৭১)- মৃনাল সেন
৭.অযান্ত্রিক(১৯৫৮)- ঋত্বিক ঘটক
৮.বাঞ্চারামের বাগান(১৯৮০)- তপন সিনহা
৯.অশনী সংকেত(১৯৭৩)- সত্যজিৎ রায়
১০.আকালের সন্ধানে(১৯৮০)- মৃনাল সেন
১১.সাত পাকে বাঁধা(১৯৬৩)-অজয় কর
১২.গনদেবতা(১৯৭৮)- তরুন মজুমদার
১৩.গল্প হলেও সত্যি(১৯৬৬)- তপন সিনহা
১৪.মহানগর(১৯৬৩)-সত্যজিৎ রায়
১৫.সোনার কেল্লা(১৯৭৪)- সত্যজিৎ রায়
১৬.পরশ পাথর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়
১৭.গোপী ঘাইন বাঘা বাইন(১৯৬৯)- সত্যজিৎ রায়
১৮.পদাতিক(১৯৭৩)- মৃনাল সেন
১৯.যুক্তি তক্কো আর গপ্পো(১৯৭৪)- ঋত্বিক ঘটক
২০.হীরক রাজার দেশে(১৯৮০)- সত্যজিৎ রায়
২১.পারমিতার একদিন(১৯৯৯)- অপর্ণা সেন
২২.বাড়িওয়ালী(১৯৯৯)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
২৩.উৎসব(২০০০)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
২৪.পদ্মা নদীর মাঝি(১৯৯৩)- গৌতম ঘোষ
২৫.অরন্যের দিনরাত্রি(১৯৭০)- সত্যজিৎ রায়
২৬.একদিন প্রতিদিন(১৯৭৯)- মৃনাল সেন
২৭.সতী(১৯৮৯)- অপর্ণা সেন
২৮.আবহমান(২০১০)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
২৯.লাল দরজা(১৯৯৭)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত
৩০.শব্দ(২০১৩)- কৌশিক গাঙ্গুলী
৩১.কাঞ্চনজঙ্ঘা(১৯৬২)- সত্যজিৎ রায়
৩২.সাড়ে ৭৪(১৯৫৩)- অগ্রদূত
৩৩.উত্তর ফাল্গুনী(১৯৬৩)- অসিত সেন
৩৪.আগুন্তক(১৯৯১)- সত্যজিৎ রায়
৩৫.পরমা(১৯৮৫)- অপর্ণা সেন
৩৬.চোখের বালি(২০০৩)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
৩৭.সুবর্ণ রেখা(১৯৬৫)- ঋত্বিক ঘটক
৩৮.চারুলতা(১৯৬৪)- সত্যজিৎ রায়
৩৯.হাঁসুলি বাঁকের উপকথা(১৯৬২)- তপন সিনহা
৪০.ঊনিশে এপ্রিল(১৯৯৫)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
৪১.কলকাতা ৭১(১৯৭২)- মৃণাল সেন
৪২.দহন(১৯৯৭)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
৪৩.বসন্ত বিলাপ(১৯৭৩)- দিনেন গুপ্ত
৪৪.জলসাঘর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়
৪৫.অপুর পাঁচালী(২০১৪)- কৌশিক গাঙ্গুলী
৪৬.এন্টনি ফিরিঙ্গি(১৯৬৭)- সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায়
৪৭.জতুগৃহ(১৯৬৪)- তপন সিনহা
৪৮.অপরাজিত(১৯৫৬)- সত্যজিৎ রায়
৪৯.জন অরন্য(১৯৭৬)- সত্যজিৎ রায়
৫০.বেলাশেষে(২০১৫)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
৫১.ইচ্ছে(২০১১)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
৫২.আমার ভুবন(২০০২)- মৃণাল সেন
৫৩.সহজ পাঠের গপ্পো(২০১৭)- মানস মুকুল পাল
৫৪.দাদার কীর্তি(১৯৮০)- তরুন মজুমদার
৫৫.মুক্তধারা(২০১৩)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
৫৬.জাতিস্মর(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়
৫৭.আসা যাওয়ার মাঝে(২০১৫) আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত
৫৮.দ্য জাপানিজ ওয়াইফ(২০১৪)- অপর্ণা সেন
৫৯.আলো(২০০৩)- তরুন মজুমদার
৬০.কোমল গান্ধার(১৯৬১)- ঋত্বিক ঘটক
৬১.সোনার পাহাড়(২০১৮)- পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়
৬২.চতুষ্কোন(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়
৬৩.অন্তহীন(২০০৯)-অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী
৬৪.প্রাক্তন
৬৫.শুভ মহরত
৬৬.বালিকা বধূ
৬৭.হারানো সুর(১৯৫৭)- অজয় কর
৬৮.আকাশ কুসুম(১৯৬৫)- মৃনাল সেন
৬৯.কাবুলিওয়ালা(১৯৫৭)- তপন সিনহা
৭০.ঝিন্দের বন্দী(১৯৬১)- তপন সিনহা
৭১.ঘরে বাইরে(১৯৮৪)- সত্যজিৎ রায়
৭২.গয়নার বাক্স(২০১৩)- অপর্ণা সেন
৭৩.যুগান্ত(১৯৯৫)- অপর্ণা সেন
৭৪.গনশত্রু(১৯৮৯)- সত্যজিৎ রায়
৭৫.আরেকটি প্রেমের গল্প(২০১০)- কৌশিক গাঙ্গুলী
৭৬.চিত্রাঙ্গদা(২০১২)- ঋতুপর্ণ ঘোষ
৭৭.লাঠি(১৯৯৬)- প্রভাত রায়
৭৮.কালপুরুষ(২০০৫)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত
৭৯.পরশুরামের কুঠার(১৯৮৯)- নবেন্দু চট্টোপাধ্যায়
৮০.উত্তরা(২০০০)-বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত
৮১.সবার উপরে(১৯৫৫)- অগ্রদূত
৮২.সপ্তপদী(১৯৬১)- অজয় কর
৮৩.নৌকাডুবি
৮৪.হঠাৎ বৃষ্টি
৮৫.তাহাদের কথা(১৯৯২)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত
৮৬- অর্ন্তঞ্জলি যাত্রা(১৯৮৭)- গৌতম ঘোষ
৮৭.যমালয়ে জীবন্ত মানুষ(১৯৫৮)- প্রফুল্ল চক্রবর্তী
৮৮.হসপিটাল(১৯৬০)- সুশীল মজুমদার
৮৯.ভানু গোয়েন্দা জহর এসিট্যান্ট(১৯৭১)- পুর্নেন্দু রায় চৌধুরী
৯০.বিদ্যাসাগর(১৯৫০)- কালী প্রসাদ ঘোষ
৯১.ভানু পেল লটারি(১৯৫৮)-
৯২.চৌরঙ্গী(১৯৬৮)- পিনাকি ভূষণ
৯৩.দ্বীপ জ্বেলে যাই(১৯৫৯)- অসিত সেন
৯৪.জ্যেষ্টপুত্র(২০১৯)- কৌশিক গাঙ্গুলী
৯৫.হামি(২০১৮)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
৯৬.নিমন্ত্রন(১৯৭১)- তরুন মজুমদার
৯৭.আদালত ও একটি মেয়ে(১৯৮২)- তপন সিনহা
৯৮.মনের মানুষ(২০১০)- গৌতম ঘোষ
৯৯.সবুজ দ্বীপের রাজা(১৯৭৩)- তপন সিনহা
১০০.বাইশে শ্রাবণ(২০১১)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

কোন ছবি গুলো বাদ পরেছে যা এ লিস্টে আসার মত তা কমেন্টে জানিয়ে দিন প্লিজ ♥️

©

25/05/2024

যে জাতি ৫ তলা হেঁটে উঠতে যেয়ে হাঁপিয়ে যায়, সেই জাতির ৬ জন ইতিমধ্যেই এভারেস্ট জয় করেছে… গর্ব করার মত ব্যাপার

যে জাতির মেয়েদেরকে এখনও ঘরের বাইরে খেলতে যেতে নিষেধ করা হয় সেই জাতির ৬ জন এভারেস্ট জয়ীর মধ্যে ২ জনই নারী … গর্ব করার মতই ব্যাপার

যে জাতিকে একসময় বলা হতো ভেতো বাঙালি… যে জাতি এক সময় পোলিও, ধনুষ্টংকার মত রোগে আক্রান্ত থাকত সেই জাতির প্রায় শ খানেক পর্বতারোহী সামনের বছরগুলোতে এভারেস্টে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে… গর্ব করার মতই ব্যাপার

যে জাতি ‘কাউকে উপরে উঠতে দেখলেই টেনে নামাতে উস্তাদ’ খেতাব প্রাপ্ত, সেই জাতীর আধাডজন সন্তান ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ে একা কিন্তু উঠেনি… উঠেছে তার সাথীদের নিয়েই … হাতে হাত ধরে, সাহায্য করে, সাহায্য নিয়েই… গর্ব করার মতই ব্যাপার
.. একটা এক্সট্রিম স্পোর্টস, কতগুলো এক্সট্রিম ধারনাকে নিমিষেই বদলে দিচ্ছে... গর্ব করার মতই ব্যাপার।
(কপি পোস্ট)

24/05/2024

ভীষণ জরুরী একটা তথ্য, সবার জানা জরুরী, বিশেষ করে যারা ৫০ এর কাছাকাছি।
Very important for us….

ফেসবুকের একটি ইংরেজি পোস্ট আমার সমবয়সীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি মনে হলো, তাই অনুবাদ করে পোস্ট করলাম:

বয়োবৃদ্ধদের জন্য বোন ডেনসিটি (bone density) পরীক্ষা করিয়ে কোনো লাভ নেই। কারণ তাদের অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) থাকবেই, আর বয়স যত বাড়বে, এর মাত্রাও বাড়তে থাকবে, সেই সাথে বাড়বে হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি।

শতবর্ষী যত লোক পড়ে গিয়ে ব্যাথা পায় তাদের প্রায় সবাই তিন মাসের মধ্যে মারা যায়। পড়ে গিয়ে সবসময় হাড় না ভাঙ্গলেও পতনের দৈহিক ও মানসিক ঝাঁকুনি শরীর-মনকে ভীষণ পর্যুদস্ত করে দেয় যার ধকল সামলাতে না পেরে রোগী মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

যাদের বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে তাদের হাড় ভাঙ্গা ঠেকানোর সবচেয়ে বড় উপায় হলো পড়ে গিয়ে ব্যাথা পাওয়া রোধ করা।
কীভাবে করবেন?

আমি এই গোপন রহস্যটিকে চারটি শব্দে ব্যক্ত করি: “সাবধান, সাবধান, সবসময় সাবধান”!

তাহলে একটু ভেঙ্গে বলি:
১) কোনো কিছু ধরা বা পাড়ার জন্য কখ্খনো চেয়ার বা টুলজাতীয় কিছুর ওপর উঠে দাঁড়াবেন না।

২) বৃষ্টির দিনে বাইরে হাঁটতে যাবেন না।

৩) এই বয়সে কোমড়ের হাড় ভাঙ্গার এক নম্বর কারণ হলো বাথরুমে পা পিছলে পড়ে যাওয়া। তাই গোসল করার সময় বা বাথরুম ব্যবহারের সময় অতরিক্তি সতর্ক থাকুন।
 বিশেষ করে নারীরা, বাথরুমে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। গোসল শেষে তোয়ালে বা শাড়ি পেঁচিয়ে বেরিয়ে আসুন এবং ধীরে সুস্থে চেয়ারে বা বিছানায় বসে কাপড় পরুন।
 বাথরুমে ঢোকার আগে ভালো করে দেখুন মেঝে ভেজা কিনা। ভেজা মেঝেতে হাঁটবেন না।
 কেবল কমোড ব্যবহারের চেষ্টা করুন। হাঁটু ভাঁজ করে বসলে উঠতে অনেক বেগ পেতে হতে পারে এবং পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
 সম্ভব হলে কমোড থেকে উঠার সময় হাতে টান দিয়ে ধরার মতো কোনো হাতল দেওয়ালে লাগিয়ে নিন।
 গোসল করার সময়ও বসার জন্য টুল ব্যবহার করুন। চোখ বন্ধ করে মাথায় পানি দিবেন না।

৪) রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দেখে নিন ঘরের মেঝেতে কিছু পড়ে আছে কিনা যাতে পা লেগে হোঁচট খেতে পারেন। মেঝে যেনো অবশ্যই ভেজা না থাকে সে ব্যাপারে অতিরিক্ত সকর্ক থাকুন।

৫) রাতে ঘুম ভাঙ্গলে বিছানা ছাড়ার সময় আগে ২-৩ মিনিট বিছানার পাশে বসুন, বাতি জ্বালান, তারপর উঠে দাঁড়ান।

৬) অন্তত রাতের বেলায় (এবং সম্ভব হলে দিনেও) বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করবেন না। সম্ভব হলে বাথরুমের ভেতরে একটি এলার্ম লাগিয়ে নিন যাতে করে জরুরি মুহূর্তে বেল বাজিয়ে কারো সাহায্য চাইতে পারেন।

৭) কখনো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। চেয়ারে বা বিছানায় বসে নিন।

৮) সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় রেলিংয়ে একটা হাত রাখুন। দুই হাত পকেটে ঢুকিয়ে কখনো সিঁড়িতে পা রাখবেন না।

৯) যদি কখনো পড়েই যেতে থাকেন, চেষ্টা করুন হাত প্রসারিত করে মাটি বা মেঝে ধরে ফেলতে – তাতে হাত ভেঙ্গে গেলেও সেটা কোমড় ভাঙ্গার চেয়ে অনেক বেশি ভালো।

১০) সারাদিন শুয়ে বসে থাকবেন না। অন্তত কয়েক মিনিট করে হাঁটুন – যতটা সম্ভব।

১১) বিশেষ করে মহিলারা, ওজন কম রাখার ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নবান হোন। পরিমিত খাবার খাওয়া সবচে গুরুত্বপূর্ণ। বেঁচে যাওয়া খাবার নষ্ট না করে খেয়ে ফেলার প্রবণতা কাজ করে অনেকের মাঝে। ভুলেও এটি করবেন না। কখনো ভরপেট খাবেন না – যত মজার আর যত ভালো খাবারই হোক, সবসময় পেট ভরার আগে খাওয়া শেষ করবেন।

১২) সম্ভব হলে বাইরে রোদে কোনো কাজ করুন কিছুক্ষণ। তাতে ভিটামিন ডি-র প্রভাবে হাড় কিছুটা শক্ত হবে।

একবার পড়ে গিয়ে বড় ধরনের ব্যাথা পেলে গড়ে দশ বছর আয়ু কমে যায়। বৃদ্ধ বয়সে কোনো অপারেশন ভালো কাজে আসে না, আর ওষুধ খেয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে চিকিৎসা মানে কেবল মৃত্যুর দিন গোনা। তাই সাবধান থাকার কোনো বিকল্প নেই।

লেখাটা অনেক লম্বা হলেও আপনার বয়স যদি ষাট পেরিয়ে গিয়ে থাকে তাহলে আশা করি মন দিয়ে পড়ে মনে রাখবেন। যারা বয়োবৃদ্ধদের সেবা করছেন তারাও বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন।

(মূল লেখক: ডা. রামবিলাস মালানি, নাগপুর। আমি আংশিক পরিমার্জন করেছি)

সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।
(কপি পেস্ট)

Address

Satkania
Chittagong
4386

Telephone

+8801715149941

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zobaier Trust posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category