Law Service.xyz

Law Service.xyz We, at Legal Services Bangladesh , Deal in All Aspects of Corporate and Commercial Law!

21/09/2023

***সম্মানিত করদাতা যাদের (TIN) টিন সার্টিফিকেট বিভিন্ন প্রয়োজনে নিয়েছেন। ট্যাক্সেবল ইনকাম থাকুক বা না থাকুক ২০২৩-২০২৪ করবর্ষে রিটার্ন জমা দিন।
সরকার ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানার সমমুখীন হবেন!

# # #বিঃদ্রঃ - ৩০ নভেম্বর ২০২৩, Income Tax Filing এর শেষ সময়। এই সময়ের মধ্যে আপনার ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিশন সম্পন্ন করুন, অন্যথায় জরিমানার সম্মুখীন হবেন।

# # #সম্মানিত করদাতা,
আপনার এবারের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে জমা দিন।

# #চাকরি/বেতন খাতে আয়ের তথ্য :
1. সেলারি সার্টিফিকেট ;
2. সেলারির বিপরীতে কর্তনকৃত টিডিএস -এর প্রত্যয়নপত্র;
3. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (From 01-07-2022 to 30-06-2023);
4. Provident Fund info/GPF Balance Sheet. (if any)

# #ব্যবসা/পেশা খাতে আয়ের তথ্য:
5. ট্রেড লাইসেন্স;
6. ব্যবসার নামীয় ব্যাংক স্টেটমেন্ট;
7. ব্যবসার নামে লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;
8. ব্যবসা আয়ের উপর অগ্রীম আয়কর (AIT) বা উৎসে কর কর্তন (TDS) থাকলে অগ্রীম আয়কর বা উৎসে করের প্রত্যয়নপত্র ও চালানের কপি;
9. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী;
10. মূল্যসহ ব্যবসার সম্পদের তালিকা (Furniture, fixture, Equipment & Machinarie etc.);

# #বিনিয়োগ ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট তথ্য:
11. জীবন বীমা করা থাকলে প্রিমিয়াম প্রদানের রসিদ;
12. ডিপিএস করা থাকলে ডিপিএস স্টেটমেন্ট;
13. পূর্বের কোন ডিপিএস এনক্যাশ বা নগদায়ন করে থাকলে নগদায়ন প্রত্যয়নপত্র বা এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট ;
14. এফডিআর করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ও ইন্টারেস্ট প্রাপ্তির প্রত্যয়নপত্র;
15. শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ থাকলে ব্রোকার হাউস থেকে বিনিয়োগ প্রত্যয়নপত্র ও পোর্টফলিও এর কপি;
16. সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ;
17. সঞ্চয়পত্রের ইন্টারেস্ট প্রাপ্তি ও তার বিপরীতে টিডিএস কর্তনের প্রত্যয়নপত্র;

# #গৃহ-সম্পত্তি হতে আয়ের তথ্য:
18. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান ভাড়া দিয়ে আয় থাকলে ভাড়ার চুক্তিপত্রের কপি ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিন;
19. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান এর পৌর কর বা সিটি কর্পোরেশন কর প্রদানের রসিদ;
20. হাউজ লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;

# #বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের তথ্য:
21. বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের সপক্ষে ব্যাংক সার্টিফিকেট বা এফএমজে ফরম।

11/09/2023

👉সম্মানীত ব্যবসায়ী, ট্যাক্স ও ভ্যাটদাতাগণ,

আপনার আয়কার রিটার্ণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ণে বিগত বছর/মাসের সকল প্রকার লেন-দেন সঠিক ভাবে যথাযথ নোটে এন্ট্রি দেওয়া হচ্ছে কিনা কখনো কি যাচাই করেছেন?

দয়া করে একটু সময় দিয়ে তা যাচাই করে নিন। কেননা আপনার ব্যবসার সকল প্রকার লেন-দেন আয়কার রিটার্ণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ণের যথাযথ নোটে এন্ট্রি না দিলে আপনি মামলা ও জরিমানা এমনকি রেয়াত, সমন্বয় ইত্যাদি হতে বঞ্চিত হয়ে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

শুধুমাত্র দক্ষ ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রফেশনাল এর ফি বাঁচাতে গিয়ে আয়কার রিটার্ণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ণ শূন্য বা জিরোতে জমা দিয়ে ভবিষ্যতে আপনার বৈধ সম্পদ, টাকা এবং ব্যবসায়িক লেন-দেনকে বিপদে ফেলছেন না তো ?

তাই এখনই সতর্ক হোন এবং দক্ষ ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রফেশনাল দ্বারা আপনার ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বিশেষত আয়কার রিটার্ণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ণ সঠিক ভাবে পরিপালন করে রেয়াত, সমন্বয় ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে আপনার ও ব্যবসার খরচ কমান এবং আইনি প্রক্রিয়া থেকে নিরাপদে থাকুন।

ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ আইন ২০২৩ দলিল যার জমি তার পাশ।
11/09/2023

ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ আইন ২০২৩ দলিল যার জমি তার পাশ।

01/09/2023

BDS রেকর্ড এর জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন হবে-
১। দলিল ও রেকর্ডীয় খতিয়ান সংগ্রহে রাখুন।
২। নামজারী না থাকলে অতিদ্রুত জমির নামজারী সম্পূর্ণ করুন।
৩। খাজনা হালনাগাদ রাখুন।
৪। পর্চা ও নকশা অনুযায়ী জমি মেপে রাখুন।
৫। জমির সীমানা আইল নিধারন করে রাখুন।
৬। জমি দখলে রাখুন।
৭। ইজমালি ও পৈত্রিক সম্পত্তি হলে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে রাখুন, প্রয়োজনে বন্টন নামা দলিল করুন, প্রয়োজনে এওয়াজ বদল করুন এবং নামজারী করে রাখুন।
৮। আগত জরিপে উক্ত জমির খাজনা দেওয়া না থাকলে জমি খাস হয়ে যাবে।
৯। যাদের জমির দলিল/কাগজ পত্র ও খাজনার দাখিলা নেই তারা জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মন-মানসিকতা প্রস্তুত করুন।

ভূমি বিষয়ক নতুন কোনো আইন পাস হয় নাই।
23/01/2023

ভূমি বিষয়ক নতুন কোনো আইন পাস হয় নাই।

22/11/2022

👉কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?

➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না
➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৷
© পোস্টটি সংগৃহীত

14/11/2022

✡️ মামলা কখন, কোথায়, কীভাবে করবেন? 🔯

সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইনি সুরক্ষা কাঠামো তৈরি হয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আইনি সুরক্ষা দিতে তৈরি হয়েছে বিচার ব্যবস্থা।

একজন নাগরিক কীভাবে সেই বিচারিক সুরক্ষা পেতে পারে, তা না জানার কারণে অনেক সময় প্রতিকার পান না বা হয়রানির শিকার হন। মামলা দায়েরের পদ্ধতি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলে হয়রানি থেকে রক্ষা পাওয়া অনেকাংশে সম্ভব।
বিভিন্ন কারণে একজন ব্যক্তির মামলা দায়েরের প্রয়োজন হতে পারে। বৈশিষ্ট ভেদে ফৌজদারি ও দেওয়ানী দুই ধরনের মামলা হয়ে থাকে।

(সংগৃহীত পোষ্ট)

ফৌজদারি মামলা হয় এমন কোনো অপরাধ সংঘটনের পরিপ্রেক্ষিতে যা দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যেমন- খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, অপহরণ, চুরি ইত্যাদি অপরাধ সংঘটিত হলে। অপরদিকে দেওয়ানী মোকদ্দমা সাধারণত, সম্পত্তির মালিকানা ও দখল ইত্যাদি সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক বিরোধ, অর্থ সংক্রান্ত বিরোধ বা মানহানির ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি কারণে হতে পারে।
দেওয়ানী মোকদ্দমা সর্বদা স্থানীয় ইখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হয়। ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি মামলা তার বিচার করার যোগ্যতা সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।

আর ফৌজদারি মামলা থানা অথবা আদালত দুই জায়গায়ই করা যায়। যখন একটি মামলা থানায় দায়ের করা হয়, তখন তাকে বলা হয় জেনারেল রেজিস্টার (জিআর) মামলা, আর যখন আদালতে দায়ের করা হয় তখন তাকে বলা হয় কমপ্লেইন্ট রেজিস্টার (সিআর) কেস বা নালিশী মামলা। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিধান অনুযায়ী এসব মামলা দায়ের করতে হয়।

জিআর মামলা: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত এজাহার দায়েরের মাধ্যমে জিআর মামলার সূচনা হয়। কোনো ধরনের বিলম্ব না করে অপরাধের শিকার ভুক্তভোগী নিজে বা অন্য কেউ এই এজাহার দায়ের করতে পারেন। যিনি এজাহার দায়ের করবেন তাকে এজাহারকারী বা সংবাদদাতা বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান মোতাবেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধের মামলা গ্রহণ করে থাকেন। সংবাদদাতা (এজাহারকারী/বাদী) স্বাক্ষরিত এজাহার পেয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহার সারমর্ম নির্ধারিত ফর্মে লিপিবদ্ধ করবেন, যাকে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এফআইআর বলা হয়। প্রত্যেকটি মামলা রেকর্ডের সময় সরকারের নির্ধারিত আকারে রক্ষিত একটি বহিতে লিপিবদ্ধ করতে হয় এবং একটি নম্বর দেওয়া হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারা মোতাবেক এ ধরনের মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই পুলিশ তদন্ত করতে পারবে।

যখন আমল অযোগ্য অপরাধে থানায় মামলা হয় বা সাধারণ ডায়েরি হয়, তখন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করতে পারবে না। এই ধরনের মামলাকে নন-জিআর বা নন-এফআইআর মামলা বলা হয়।

#সিআর মামলা বা নালিশী মামলা: ফৌজদারি মামলা যদি পুলিশ গ্রহণ না করে বা গ্রহণ করতে গড়িমসি করে, তখন আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। আদালতে দায়ের করা এই মামলাকেই সিআর বা নালিশী মামলা বলে। এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণত একজন আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা দায়ের করতে হয়। তবে, বাদী নিজেও মামলা পরিচালনা করতে পারেন। এ ধরনের মামলা সাধারণত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা তার অধীনস্থ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতা সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়ের করতে হয়। বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে যদি বিশেষ আদালত বা ট্রাইব্যুনাল থাকে সেই আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করতে হয়।

আদালতে দায়ের করা মামলার অভিযোগকে আরজি বলা হয়। যিনি আরজি দায়ের করেন তাকে ফরিয়াদী/বাদী এবং যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় তাকে আসামি বলা হয়। আরজিতে আদালতের নাম, যে আইনে মামলা দায়ের হবে সেই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা, বাদী ও আসামির নাম-ঠিকানা, সাক্ষীদের নাম-ঠিকানা এবং ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করতে হয়। নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেওয়া হলে ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদী ও উপস্থিত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করবেন। জবানবন্দির সারাংশ ম্যাজিস্ট্রেট লিপিবদ্ধ করবেন এবং উহাতে বাদী বা সাক্ষীর সই নেবেন।

এরূপ ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আরজিকে এফআইআর গণ্য করে সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষকে মামলা হিসেবে রেকর্ডের আদেশ দিতে পারেন। সেরূপ আদেশ দিলে এফআইআর গ্রহণের পর থেকে মামলাটি জিআর মামলা হিসেবে গণ্য হবে। ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা সমন ইস্যু করতে পারেন। অথবা ২০২ ধারার বিধান মোতাবেক পরোয়ানা স্থগিত রেখে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ অফিসারকে অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।

#নালিশ_খারিজ: ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারা মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার মতো কোনো কারণ না পাইলে নালিশটি খারিজ করতে পারবেন। তবে, খারিজ করার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।

09/11/2022

কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে নিন্মলিখিত ব্যবস্থা নিবেন:
১। ফেসবুক আইডি হলে লিংক সংরক্ষণ করতে হবে;
২। অপরাধমূলক স্ক্রীনশট রাখতে হবে;
৩। সম্ভব হলে অপরাধীর মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে;
৪। সোশ্যাল মিডিয়াতে চ্যাট করার সময় বাক্তিগত তথ্য ও ছবি দেয়া-নেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে;
৫। ভিডিও কলের সময় পরিধেয় পোশাকের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে;
৬। বিকাশ বা ব্যাংক কার্ডের গোপন পিন বা ওটিপি কখনো কারো সাথে শেয়ার করবেন না;
৭। কোন প্রলোভনে পড়ে কারও সাথে ব্যাক্তিগত ও গোপনীয় ছবি ও তথ্য শেয়ার করা যাবে না;
৮। সোশ্যাল মিডিয়াতে কোন ফিসিং লিংকে প্রবেশ করা যাবে না;
৯। প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি বা পরিচিত কোন লোক ছাড়া অনলাইন হতে মালামাল বা দ্রব্য ক্রয় হতে যথাসম্ভব বিরত থাকা;
১০। বন্ধু বা নিকটজনের সাথে সেলফি, গ্রুপ ফটো বা অন্যের মোবাইল বা ক্যামেরায় ফটো তোলার ক্ষেত্রে যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
১১। কেউ এমন অপরাধের শিকার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি বা মামলা করবেন।
সবাই একটু সচেতন থাকুন আর সাইবার অপরাধ হতে নিজেকে মুক্ত রাখুন।

03/11/2022

কোর্ট ম্যারেজ কী?
আইনগত দিক দিয়ে কোর্ট ম্যারেজ এর বৈধতা এবং কোট ম্যারেজ করতে কি কি প্রয়োজন???

কোর্ট ম্যারেজ বা আদালতের মাধ্যমে বিয়েকে পূর্ণাঙ্গ বিয়ে ভেবে থাকেন অনেকেই। অনেক সময় প্রেমিক-প্রেমিকা আদালতপাড়ায় আইনজীবীর চেম্বারে গিয়ে কোর্ট ম্যারেজ করতে চায়। অনেক আইনজীবীও কোর্ট ম্যারেজের বিষয়টি ব্যাখ্যা না দিয়ে বিয়ের একটি হলফনামা সম্পন্ন করে দেন। কিন্তু কোর্ট ম্যারেজ যে পূর্ণাঙ্গ বিয়ে নয়, সেটা জানেন না অনেকেই।
আইনে কোর্ট ম্যারেজ বলতে কোনো বিধান নেই। এটি একটি লোকমুখে প্রচলিত শব্দ। প্রচলিত অর্থে কোর্ট ম্যারেজ বলতে সাধারণত হলফনামার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের ঘোষণা দেওয়াকেই বোঝানো হয়ে থাকে।

এ হলফনামাটি ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এটি বিয়ের ঘোষণামাত্র। অর্থাৎ এ হলফনামার মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের মধ্যে আইন অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে মর্মে ঘোষণা দেয় মাত্র।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক আইন অনুযায়ী প্রথমে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। এর পর তারা ইচ্ছা করলে এ হলফনামা করে রাখতে পারে। পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ে না করে শুধু এ হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত নয়।

অনেক সময় বিয়ের হলফনামায় আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্তগুলো মানা হয় না। বিশেষত, সাক্ষীদের উপস্থিতি ছাড়াই এটা করা হয়। এতে বিয়ের হলফনামাটি পরিপূর্ণ হয় না।
মুসলিম আইনে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে বিয়ে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ছাড়া ছেলে ও মেয়েকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে।
মুসলিম বিয়ে ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী, প্রতিটি বিয়ে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কোর্ট ম্যারেজের পর কাজির সঙ্গে সরাসরি আলাপ করে বিয়ে নিবন্ধন করে নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে হলফনামার সঙ্গে সব তথ্য ও তারিখ মিল রেখে বিয়ের নিবন্ধন করে নিতে হবে।

সাইবার অপরাধের শিকার হলে করণীয় কি?কি ধরণের হয়রানির শিকার হতে পারেন:ফেসবুক বা ইমেইল একাউন্ট হ্যাক হওয়া, ফেক আইডি খুলে ...
02/10/2022

সাইবার অপরাধের শিকার হলে করণীয় কি?

কি ধরণের হয়রানির শিকার হতে পারেন:
ফেসবুক বা ইমেইল একাউন্ট হ্যাক হওয়া, ফেক আইডি খুলে আপত্তিকর ছবি/ভিডিও শেয়ার, উগ্রধর্মীয়-সন্ত্রাসবাদী কনটেন্ট শেয়ার, অন্যকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তার বিকৃত তথ্য ও ছবি ব্যবহার, হুমকি দিয়ে টাকা আদায়, অনলাইনে প্রশ্নফাঁস ইত্যাদি।

কোথায় অভিযোগ করবেন:
০১। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ করতে পারেন আপনার নিকটস্থ থানায়। অথবা,
০২। ই-মেইলে অভিযোগ জানাতে পারেন [email protected] এবং [email protected] এই ঠিকানায়। অথবা,
০৩। যদি পরিচয় গোপন রেখে অভিযোগ করতে চান তাহলে Google Play Store থেকে ডাউনলোড করুন ডিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ডিভিশন এর Hello CT অ্যাপ। এ অ্যাপ ব্যবহার করে পাঠাতে পারবেন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য। অথবা,
০৪। সরাসরি কথা বলার প্রয়োজনবোধ করলে চলে আসতে পারেন ডিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ডিভিশনের Cyber Crime Unit অফিসে। কথা বলতে পারেন দায়িত্বরত কর্মকর্তার সাথে। ঠিকানাঃ ৩৬ শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী স্মরণী, রমনা, ঢাকা।
কিভাবে অভিযোগ করবেন
ভিক্টিমাইজড হলে যত দ্রুত সম্ভব অভিযোগ জানানো উচিত। অভিযোগ করার ক্ষেত্রে আপনার অভিযোগের স্বপক্ষে কিছু প্রমাণাদি প্রয়োজন। যেমন এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আলামতের স্ক্রীনশট, লিংক, অডিও/ভিডিও ফাইল অথবা রিলেটেড ডকুমেন্টস। স্ক্রীনশট সংগ্রহের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন Address Bar এর URL টি দৃশ্যমান হয়। Hello CT অ্যাপ ও ই-মেইল এর মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে চাইলে এসব কন্টেন্ট এটাচ করে আপলোড করতে পারেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি সফট কপি দেয়া যেতে পারে। সর্বোপরি আপনি প্রয়োজনে Cyber Crime Unit এর অফিসারদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন যা আপনার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সহায়ক হতে পারে।
প্রতিরোধ আপনার হাতেই
একটু সচেতন হলেই আপনি এড়াতে পারেন এমন বিব্রতকর ঘটনা।

জেনে নিন নিরাপদ থাকার কিছু কৌশলঃ
১। অচেনা, অপরিচিত কারো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট Accept করবেন না।
২। ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সবার জন্য উম্মুক্ত(Public) রাখবেন না।
৩। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস চেক করুন। অন্য কারো পোস্টে আপনাকে Tag করার অপশন উম্মুক্ত রাখবেন না।
৪। প্ররোচিত হয়ে উস্কানিমূলক ছবি/ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। সন্দেহজনক কোন লিংকে ক্লিক করবেন না।
৬। লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিবার ব্যবহার শেষে লগ-আউট করুন।
৭। সন্দেহজনক কোন ইমেইল বা মেসেজ এর উত্তর প্রদান হতে বিরত থাকুন।
৮। আপনার কোন পরিচিতজনের বিপদের কথা জানিয়ে ইমেইল অথবা মেসেজ আসলে আগে যাচাই করুন এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।
৯। বিপুল পরিমাণ অর্থ লটারীতে জিতেছেন-এমন তথ্যসহকারে পাঠানো ইমেইল বা মেসেজ এর উত্তর প্রদান হতে বিরত থাকুন। এসকল তথ্যসম্বলিত মেইল অনুসন্ধানে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।

02/10/2022

★গ্রেফতার কাকে বলে? কখন কি পরিস্থিতিতে পুলিশ কাউকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?

- গ্রেফতারঃ ১৮৯৮ সালে প্রণীত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৪৬ ধারা মোতাবেক সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে কথা বা কার্য দ্বারা আইনানুগ ভাবে কোন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করে পুলিশ হেফাজতে বা সরকারী হেফাজতে নেওয়াকেই গ্রেফতার বলে। ফৌজদার কার্যবিধি। পিআরবি-৩১৬ বিধি।

ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে যে সকল ধারায় পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে তা নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ-

(১) যে ব্যক্তি ধর্তব্য অপরাধ করেছে বলে পর্যাপ্ত কারন আছে বা প্রমান আছে এমন ব্যক্তিকে সন্দেহ করে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন। ফৌঃ কাঃ ৫৪ (১) উপধারা

(২) আইনানুগ কারন ছাড়া যার নিকট ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি আছে তাকে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন। ফৌঃ কাঃ ৫৪(২) উপধারা

(৩) আদালত কর্তৃক ঘোষিত অপরাধী কে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন।
ফৌঃকাঃ ৫৪(৩) উপধারা

(৪) যার নিকট চোরাই মাল পাওয়া যাবে তাকে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। ফৌঃ কাঃ ৫৪(৪) উপধারা

(৫) পুলিশের আইনানুগ কাজে বাধা প্রদানকারী ব্যক্তি কে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন। ফৌঃ কাঃ ৫৪(৫) উপধারা
(৬) সামরিক বাহিনী হতে পলায়নকারী ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে। ৫৪(৬) উপধারা

(৭) দেশে করলে অপরাধ বিদেশে সেই অপরাধ করে ফিরে আসলে। ফৌঃ কাঃ ৫৪(৭)

(৮) জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অাসামি ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৫৬৫(৩) ধারা অমান্য করলে। ফৌঃ কাঃ ৫৪(৮)

(৯) কোন ব্যক্তি কে গ্রেফতারের জন্য অন্য পুলিশ অফিসারের অনুরোধ পত্র পাওয়া গেলে। ফৌঃ কাঃ ৫৪(৯)

(১০) থানার অফিসার ইনচার্জ যদি দেখেন তার থানা এলাকায় কোন ব্যক্তি তার উপস্থিতি গোপন করে আমলযোগ্য অপরাধ করার জন্য সাবধানতা অবলম্বন করছে বা এমন ব্যক্তি যার প্রকাশ্য কোন জীবিকা নাই,নিজের সম্পর্কে সঠিক বিবরণ দেয়না অথবা চোর, ডাকাত,গৃহভঙ্গকারী বলে পরিচিত কোন ব্যক্তি অবস্থান করছে তবে তাকে পুলি সশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন। ফৌঃ কাঃ ৫ট ধারা

(১১) আমল অযোগ্য অপরাধীকে জিজ্ঞাসা করার পর সঠিক নাম ঠিকানা না দিলে । ফৌঃ কাঃ ৫৭ ধারা

(১২) বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ অমান্য ও উপেক্ষা করলে। ফৌঃকাঃ ১২৭,১২৮ ধারা

(১৩) ফৌজদারি কার্যবিধি ১২৪(৬) ধারা জামিনের শর্ত অমান্য করলে এবং আদালত ১২৪(৬) বাতিল করলে।

(১৪) আমলযোগ্য অপরাধের ষরযন্ত্রের ব্যক্তি কে। ফৌঃকাঃ ১৫১ ধারা

(১৫) সাক্ষী বা ফরিয়াদী আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বিকার করলে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। ফৌঃ কাঃ ১৭১ ধারা

ফৌজদারি কার্যবিধিঃ ৪৬, ৫৪(১-৯), ৫৫,৫৭, ১২৪(৬),১২৭,১২৮,১৫১,১৭১

26/09/2022

যেসব কারণে স্ত্রী তালাক দেওয়ার অধিকার অর্জন করে:

(১). স্বামী যদি চার বছর নিরুদ্দেশ থাকেন।
(২). স্বামী যদি দুই বছর ভরণপোষণ না দেন।
(৩). স্বামী যদি আইনের লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় বিবাহ করেন।
(৪). স্বামী যদি সাত বছর বা এর বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
(৫). স্বামী যদি যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর বৈবাহিক দায়িত্ব পালন না করেন।
(৬). স্বামী যদি পুরুষত্বহীন থাকেন।
(৭). স্বামী যদি দুই বছর অপ্রকৃতিস্থ বা মারাত্মক ব্যাধিতে ভোগেন।
(৮). নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে থাকলে সাবালিকা হওয়ার পর স্ত্রী যদি তা অস্বীকার করেন।
(৯). স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ বা নির্যাতন করলে।

Address

Chittagong

Telephone

+8801857440440

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Service.xyz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Law Service.xyz:

Share