Adv Azizur Rahman

Adv Azizur Rahman No One Is One Above The Law

27/12/2023
নবমীর দিন ভীড় রাস্তায় এক উকিলের সাইকেলের মাডগার্ডে লেগে ভবেশবাবুর ধুতি ছিঁড়ে গেলো !ভবেশবাবু সাথে সাথে উকিলকে হাত ধরে সাই...
01/11/2021

নবমীর দিন ভীড় রাস্তায় এক উকিলের সাইকেলের মাডগার্ডে লেগে ভবেশবাবুর ধুতি ছিঁড়ে গেলো !
ভবেশবাবু সাথে সাথে উকিলকে হাত ধরে সাইকেল থেকে নামিয়ে বললেন
-যাচ্ছেন কোথায়? আমার ধুতির দাম দিয়ে যান!
উকিল জিজ্ঞেস করলেন
-কত ?
ভবেশবাবু বললেন ২০০/-
উকিল পকেট থেকে দুশো টাকা বের করে দিয়ে দিলেন!
ভবেশবাবু দুশো টাকা পকেটে পুরে যেই রওয়ানা হবেন, উকিল ভবেশবাবুর হাত ধরে বললেন
-যাচ্ছেন কোথায়?
আমার ধুতি দিয়ে যান! ধুতির দাম দিয়ে দিয়েছি, এখন এই ধুতি আমার।
তখন সেখানে বেশ কিছু লোকের ভিড় জমে গেছে, তারাও ভবেশবাবুকে বলছে
-উনি যখন আপনাকে ধুতির মূল্য দিয়ে দিয়েছেন, তাহলে তো উনি এখন ধুতির মালিক; আপনি ধুতি খুলে উকিলবাবুকে দিয়ে দিন!
ভবেশবাবু বলছেন
-উনাকে ধুতি দিয়ে দিলে আমি কি এই লোকভরা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে ঘরে যাবো?
উকিল বললেন
-আমি এসব জানি না, আপনি আমার ধুতি আমাকে দিয়ে যান।
ভবেশবাবু বাধ্য হয়ে বললেন
-আপনি আপনার দুশো টাকা ফেরত নিয়ে নিন, আমি ছেঁড়া ধুতি লাগিয়ে কোনমতে ঘরে চলে যাবো।
উকিল বললেন
-আমার ধুতি আমি দুই হাজার টাকার কমে বেচবো না, লাগলে বলুন!
কি আর করা! ভবেশবাবু দুই হাজার টাকা দিয়ে ছেঁড়া ধুতি নিয়ে ঘরে ফিরলেন।
বউকে এসে বলছেন
-লোকটা যে উকিল ছিল আমি প্রথমে বুঝতে পারি নি ।
Collected.

 িজেকে গরিবের আইনজীবী ভাবতে ভালো লাগেদীর্ঘ ৫৪ বছরের কর্মস্থল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে চিরবিদায় ন...
27/10/2021

িজেকে গরিবের আইনজীবী ভাবতে ভালো লাগে

দীর্ঘ ৫৪ বছরের কর্মস্থল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে চিরবিদায় নিলেন ‘গরিবের আইনজীবী’ খ্যাত অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার। আর কোনো দিন তার পা পড়বে না সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে।

জানাজার মধ্য দিয়ে চিরদিনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গন থেকে বিদায় নিলেন মানবদরদি এ আইনজীবী। জানাজায় অংশ নিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকে শেষ বিদায় জানান হাজারো আইনজীবী।

অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার। সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা আইনজীবী। আইন পেশায় ৫৪ বছর পার করেছেন। ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদক। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এই সদস্য ‘গরিবের আইনজীবী’ হিসেবে খ্যাত।

13/10/2021
আসছে ইউনিয়ন নির্বাচন। জনগণের “জানা দরকার।একটি ইউনিয়ন পরিষদ কি পাচ্ছে আর জনগণকে কি দিচ্ছে ? ভোট দিবেন কাকে ? ভেবেছেন কি এ...
07/10/2021

আসছে ইউনিয়ন নির্বাচন।
জনগণের “জানা দরকার।

একটি ইউনিয়ন পরিষদ কি পাচ্ছে আর
জনগণকে কি দিচ্ছে ? ভোট দিবেন কাকে ? ভেবেছেন কি একবার ?

বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সেবা
আমাদের পাবার কথা তা কি আমরা পাচ্ছি ?
ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের মজবুত ও শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংকও বড় অংকের অনুদান প্রদান করে থাকে ইউনিয়ন পরিষদে।
আয়তন লোকসংখ্যা ও লোকেশন বিবেচনায় বিশ্ব ব্যাংকের
এলজিএসপি-৩ এর আওতায় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে
বৎসরে ২৫ লাখ থেকে ১কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে।
উল্লেখ্য যে, এই টাকাগুলো কোন ঝক্কি-ঝামেলা কিংবা উপরি দেয়া ছাড়াই
সকল দলের চেয়ারম্যানদের ইউপিগুলোতে চলে আসে।
ইট-ঢালাই, রাস্তা,কালভার্ট,বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ, প্রাচীর, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আধুনিক মানের ড্রেসিং/ বাথরুম বানানো /এমন আরও হরেক রকম কাজে ব্যয় করা যায় এই টাকাগুলো।
নরমাল হিসেব করলেও প্রতিজন চেয়ারম্যান শুধু বিশ্ব ব্যাংক থেকে
৫ বৎসরে পায় দেড় থেকে পাচ কোটি টাকা।
যে টাকা দিয়ে অনায়াসে একটা ইউনিয়ন সুন্দর ভাবে সাজানো সম্ভব।

তারপর আরও আছে যেমনঃ-
কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা,
এডিবি ১২-১৪ লাখ টাকা ,
কাবিটা ১০-১২ লাখ টাকা,
কাবিখা ১০-১২ লাখ টাকা ইত্যাদি।

বন্যার বাঁধ উন্নয়নে পিআইসি'র টাকা বাদেও আরো অসংখ্য বরাদ্দ আসে ইউনিয়ন পরিষদে।
বিভিন্ন দুর্যোগ, মহামারীতে আসে বিশেষ বরাদ্দ নামে তাৎক্ষণিক খরচের টাকা। এটাও প্রকারভেদে আকারে হয় অনেক মোটা এবং তাজা।
কিন্তু টাকাগুলো ব্যয় হয় কোথায় ?

একজন ইউপি চেয়ারম্যানের স্বদিচ্ছা আর মানুষের প্রতি ভালবাসা
এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে তিনি নিজ ইউনিয়নের ভেতর
পাড়া-গাঁয়ে প্রায় সকল কাঁচা-কাঁদা রাস্তা সংস্কার ব্যবস্থাসহ
জন দুর্ভোগ লাঘবে ছোট ছোট সকল সমস্যা সমাধান সরকারী ফান্ড থেকে করে দিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অথচ চেয়ারম্যানের কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলে বরাদ্দ নেই,
তাহলে সরকার প্রতি বছর ইউনিয়নে যে টাকাগুলো দেয়
সেগুলো কোথায় যায় ?
যদিও নামমাত্র কিছু কাজ দেখালেও বাকিটুকু আর খোজ পাওয়া যায় না।

কিন্তু বাস্তবতা কি ?
আমরা কি ইউপি থেকে সেই কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছি ? উত্তর আসবে না ।
আমরা সরকারকে দোষারোপ করি
আসলে সরকার থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কি পরিমাণ বরাদ্দ আসে তার খবর কি আমরা নিতে পারছি ?
আমরা কি আমাদের মনের মতো চেয়ারম্যান / মানে
জনসেবক বানাতে আদৌ কি সক্ষম হচ্ছি ?
যদি সৎ যোগ্য জনবান্ধব চেয়ারম্যান বানাতে পারতাম তাহলে
বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়ন আজ মডেল ইউনিয়নে পরিণত হত।
বিষয়টি গ্রামের সকল শিক্ষিত মানুষকে ভাবতে হবে।

বার কাউন্সিল প্রিলি প্রস্তুতিবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা এক সোনার হরিণ। আগের দিনগুলোতে হেসেখেলে পরীক্ষায় পাশ করা গেল...
03/10/2021

বার কাউন্সিল প্রিলি প্রস্তুতি
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা এক সোনার হরিণ। আগের দিনগুলোতে হেসেখেলে পরীক্ষায় পাশ করা গেলেও বর্তমানে যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি ছাড়া এ পরীক্ষায় পাশ করা চিন্তাও করা যায় না। ২০২০ সালে ৪০৬৮৬ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বশেষ চূড়ান্তভাবে আইনজীবী হিসেবে মনোনীত হন মাত্র ৫৯৭২ জন। ২০১৭ সালে এ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ৩৪১৭৯ জন যাদের মধ্যে মাত্র ৭৭৫২ জন চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। সেইসাথে বর্তমানে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষার দায়িত্ব বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের উপর ন্যস্থ হওয়ায়, ভাল ফল পেতে আদাজল খেয়েই নামতে হবে।
২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত একটা বড় গ্যাপ পরায় এবং সর্বশেষ এনরোলমেন্ট পরীক্ষার সকল কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ায় আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই নতুন পরীক্ষার সার্কুলার আসবে।ফলে যারা আইনজীবী হিসেবে স্বাধীন পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, কালো কোর্ট গাউন গায়ে দিয়ে নিপীড়িত মানুষের পক্ষে লড়াই করতে চান, বুদ্ধিদীপ্ত জেরায় সত্যটাকে আলোর মুখ দেখাতে চান, প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে সম্ভ্রান্ত জীবন যাপন করতে চান তাদের বলবো সময় নষ্ট না করে নিজের প্রতি সুবিচার করুন।
আমি কখনই শর্টকার্ট মেথডে বিশ্বাসী নই। এর ঝক্কিও অনেক। সবসময় আতংকে থাকতে হয়। পারবো কিনা, কমন পরবে কিনা, প্রশ্ন সহজ হবে কিনা, সারাটা সময় এমন নানান টেনশন করে হৃদ রোগের ঝুকি না বাড়িয়ে, একটু কষ্ট করে পড়লে সুবিধা হচ্ছে বুকের পাঁটা বড় করেই পরীক্ষার হলে যাওয়া যায়, কারও মুখপানে তাকিয়ে থাকতে হয় না কেননা সেটা খুবই লজ্জার।
নার্ভাসনেস ও ভয়ের মূল উৎস কি জানেন? অজানা ও অদেখা! মানুষ অন্ধকার ভয় পায়, কারণটি হচ্ছে তিনি জানেন না ,অন্ধকারে কি আছে? পরীক্ষার জগতটাও ঠিক এমন। আপনি যদি জানেন, কোন নির্দিষ্ট ৫ টি টপিক থেকেই প্রশ্ন আসবে এবং সেই ৫ টি টপিকে যদি আপনার দুর্দান্ত দখল থাকে, আপনি কি পরীক্ষা দিতে ভয় পাবেন? নিশ্চয়ই না! কারন ঐ ৫ টি টপিকে আপনি আলোকিত। কিন্তু যদি এমন হয় যে, ৫টি টপিকের ৩ টি সম্পর্কে আপনার কোন জ্ঞান নাই, এবং পরীক্ষায় এর যেকোনো একটা টপিক থেকে প্রশ্ন আসতে পারে, আপনি তখনই নার্ভাস হতে শুরু করবেন, ভয়ে মাঘ মাসের শীতের মধ্যেও আপনি ঘামতে থাকবেন। এটাই ধ্রুব বাস্তবতা।
আলোকিত হতে হলে কি সিপিসির ১৫৮ টি ধারা, ৫১ টি আদেশ, সিআরপিসি এর ৫৬৫ টি ধারা, পেনাল কোডের ৫১১ টি ধারা , সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ টি ধারা , তামাদি আইনের ২৯ টি ধারা, ১৮৩ টি অনুচ্ছেদ, সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ টি ধারা সব মুখস্থ করতে হবে?
না , সব আপনাকে মুখস্থ করতে হবে না।তাবৎ বাংলাদেশে এমন কেউ নাই যিনি উল্লেখিত সব ধারা, আদেশ , অনুচ্ছেদ মুখস্থ করেছেন। পরীক্ষক ও আশা করেন না , আপনি সব মুখস্থ করে বসে থাকেন। বাট যখন আপনি কোন আইন পড়বেন, তখন আপনাকে এমনভাবে পড়তে হবে , যেন দেওয়ানী বা ফৌজদারি মামলার বিভিন্ন স্টেপগুলো এবং স্টেপ এর সাথে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো আপনার চোখের সামনে ভাসে।
আইন বুঝতে “The law is nothing but common sense” এই প্রিন্সিপ্যালটা মাথায় রাখবেন।কোন একটা বিষয়ে আপনার কমন সেন্সে যেটা বাস্তবসম্মত মনে হবে, আইনের ধারাটি বের করে দেখবেন, ধারাতে মূলত সেটাই বলা আছে। ফলে আইন পড়ে না বোঝার কোন কারণই নাই। তবে আমাদের দুর্বলতা হচ্ছে আমরা সেকশন ধরে পড়তে যাই বা আমাদের একটার পর আর একটা সেকশন পড়ান হয়। একটার ধারার সাথে আরেকটা ধারার সম্পর্ক কি এটা আমরা ধরতে পারি না। যে কারনে ম্যাক্সিমাম স্টুডেন্ট মনে করে ধারা গুলো মুখস্থ করাটাই বোধহয় তার কাজ। এরচেয়ে যদি আপনি টপিক ধরে টপিকের বিষয়বস্তু বুঝে সংশ্লিষ্ট ধারা পড়েন, আইন আপনার কাছে সহজ ও বোধগম্য মনে হবে। ফলে গল্পের মত করে কোন টপিক আপনার সামনে আসলে সেই টপিকের ধারাগুলো আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে, মুখস্থ করে মাথায় রাখার মত খাটনি আপনার কমে যাবে।
যে কাজটি আজ আপনার কঠিন মনে হচ্ছে সেই কাজটিতে ১মাস লেগে থেকে করুন, দেখবেন কাজটি অনেক সহজ হয়ে যাবে। আইনের বই পুস্তকের সাথে সময় বাড়ান। কথা , গল্পে, আড্ডায় আইন নিয়ে কথা বলুন। চর্চা আপনাকে কিছুদিনের মধ্যেই ক্রিটিক্যাল এনালাইসিস করতে শিখাবে। আপনি আপনার নিজের পাণ্ডিত্যে নিজেই মুগ্ধ হবেন , গ্যারান্টি দিচ্ছি।
এভাবে আইনের কনসেপ্টও ক্লিয়ার হবে সাথে ধারাগুলো নখদর্পণে থাকবে। বার কাউন্সিলের প্রিলিতে আগের মত শুধু ধারা থেকেই প্রশ্ন আসছে না, প্রচুর এনালেটিক্যাল প্রশ্নও আসছে। ফলে কনসেপ্ট ক্লিয়ার না করে প্রিলি পাশের কোন সুযোগ আমি অন্তত দেখছি না।
বই পুস্তক এর সাথে সময় বাড়ান, এই সময়ই আপনাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।
সবার জন্য শুভকামনা রইলো।
কষ্ট করে পুরো পোস্ট পড়লে কমেন্ট করতে ভুলবেন না, কষ্ট করে পড়বার জন্য একটা ধন্যবাদ আপনি প্রাপ্য।

-রেজাউল করিম বাঁধন
সহকারী জজ
১১শ বিজেএস

Address

Islampur Bijoynagar Brahmanbaria
Brahmanbaria
3432

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv Azizur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adv Azizur Rahman:

Share