ভুমি কথা - অনলাইন জমি তথ্য ও ই-পর্চা সহায়তা প্ল্যাটফর্ম

  • Home
  • Bangladesh
  • Barisal
  • ভুমি কথা - অনলাইন জমি তথ্য ও ই-পর্চা সহায়তা প্ল্যাটফর্ম

ভুমি কথা - অনলাইন জমি তথ্য ও ই-পর্চা সহায়তা প্ল্যাটফর্ম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভুমি কথা - অনলাইন জমি তথ্য ও ই-পর্চা সহায়তা প্ল্যাটফর্ম, Legal, hatem ali Collage, Barisal.

✅ ভুমি কথা - ই-খতিয়ান ও জমি তথ্য সহায়তা প্ল্যাটফর্ম। ✅

🏡 আমাদের সেবাসমূহ:

✅ই-পর্চা তথ্য সহায়তা
✅ খতিয়ান অনুসন্ধান
✅দাগ ও মৌজা তথ্য
✅ জমির তথ্য যাচাই সহায়তা
✅ অনলাইন জমি সেবা নির্দেশনা
✅ভূমি সংক্রান্ত তথ্য সহায়তা

✅খতিয়ান, দাগ, মৌজা তথ্য .✅ সঠিক ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, ই-নামজারি এবং মৌজা ম্যাপ সংক্রান্ত সকল অনলাইন সেবা ও সঠিক তথ্যের নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। ভুমি কথা - আপনার পাশে, সবসময়।

- কেন আম

াদের অনুসরণ করবেন?

ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং তথ্যের অভাব বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একটি বড় সমস্যা। ভূমি কথা প্ল্যাটফর্মটি তৈরি হয়েছে মানুষকে সঠিক, সহজলভ্য এবং নির্ভরযোগ্য ভূমি সেবা প্রদানে সাহায্য করার জন্য। আমরা সরকারি প্রক্রিয়ায় ভূমি রেকর্ড, ম্যাপ এবং অন্যান্য সেবা অনলাইনে দ্রুত পেতে সাহায্য করি।

আমাদের মূল সেবাসমূহ:

১. অনলাইন নামজারি (ই-মিউটেশন): নামজারির আবেদন প্রক্রিয়া, ফলো-আপ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংক্রান্ত পরামর্শ।
২. ভূমি রেকর্ড ও খতিয়ান সেবা: আর.এস., বি.এস., সি.এস., এস.এ. খতিয়ান যাচাই ও অনলাইন কপি উত্তোলনে সহায়তা।
৩. মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ: অনলাইনে ম্যাপ দেখা ও কাস্টডিয়ান থেকে ম্যাপ সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা।
৪. ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা): অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নিয়ম ও প্রক্রিয়া।
৫. আইন ও নিয়ম: ভূমি সংক্রান্ত সর্বশেষ আইন, পরিপত্র এবং সরকারি নোটিশ সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান।

আমাদের লক্ষ্য: ভূমি সেবা সহজ করা, সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর land.gov.bd (DLRMS)- ব্যবহার নিশ্চিত করা।

যেকোনো প্রশ্ন বা সেবার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন বা সরাসরি ফোন করুন: 01738138404


"ভূমি কথা - অনলাইন ভূমি সেবা" একটি বেসরকারি প্ল্যাটফর্ম যা land.gov.bd (DLRMS)-এর API ব্যবহার করে জমির তথ্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে। এটি শুধুমাত্র তথ্য দেখার সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং কোনো সরকারি কাজে এর ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।

22/07/2026
31/10/2025

ভূমি জরিপের ইতিহাস
ভূমি জরিপের ইতিহাস



ভূমি জরিপ

ভূমি জরিপ হচ্ছে এমন এক কৌশল, পেশা, বিজ্ঞান যা নির্দিষ্টভাবে স্থানসমূহের ভূগোলক বা ত্রিমাত্রিক অবস্থানের পারস্পারিক দূরত্ব এবং কোণ নির্ণয় করতে পারে। সাধারণত মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়।

ভূমি জরিপের ইতিহাস

প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় নীল নদের অতি প্লাবনের কারণে জমির সীমানা মুছে যাবার পর দড়ি দিয়ে সীমানা নির্ধারণের নথি পাওয়া গেছে। পাঠান সম্রাট শেরশাহ সর্ব প্রথম এ উপমহাদেশে জরিপ প্রথা চালু করেন। পরবর্তীতে মোঘল সম্রাট আকবরের একজন অন্যতম সভাসদ টোডরমল সার্ভে ও সেটেলমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিন্তু উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ এবং plot-to-plot সার্ভে কার্যক্রম ছিলনা বরং একটি সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম ছিল।

রনাল জরিপ

১৭৭৪ সালে প্রখ্যাত ভূগোলবিদ জেমস রনাল উপমহাদেশের সার্ভেয়ার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ১৭৮০ সালে Plan of the environs of the city of Dhaka প্রণয়ন করেন। অতঃপর বাংলা ও বিহারের ৮টি বিভাগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের Index Map তৈরি করেন।

ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপ

১৮০২ সনে মিঃ উইলিয়াম ল্যাম্বটন এর নেতৃত্বে সমগ্র ভারতে ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপ শুরু হয়। ভবিষ্যতে সমগ্র ভারতে যাতে সঠিক ও নির্ভুল নক্সা প্রস্তুত করা যায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় জি,টি পিলার স্থাপনই এ জরিপের উদ্দেশ্য ছিল। সরেজমিনে সঠিক ত্রিভুজ অংকন করে ত্রিভুজের বাহু ব্যবহার দ্বারা একাধিক ত্রিভুজ অংকন ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই পিলার স্থাপিত হয়েছিল।

থাকবাস্ত জরিপ :

জমিদারী সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য জমিদাররা ১৮৪৬ সাল পর্যন্ত থাকবাস্ত জরিপ কার্য পরিচালনার মাধ্যমে জমিদারী এলাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়। এ জরিপে ভূ-সম্পত্তি ও গ্রামগুলোর সীমানা পৃথককরণের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।

রাজস্ব জরিপ :

থাকবাস্ত জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে জমিদারী এলাকার আয় নির্ণয়ের জন্য ১৮৪৭ সাল থেকে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত রাজস্ব জরিপ পরিচালনা করা হয়। এ জরিপ দক্ষ আমিনগণ দ্বারা পরিচালিত হয় বিধায় প্রথম বৈজ্ঞানিক জরিপ বলা হয়।। এ জরিপের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ জমিদারী এলাকার বাইরের ভূমিকে খাস ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে কালেক্টরের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। এ জরিপে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করা হয়। কর্ণেল মিঃ স্মিত এর অধীনে এ জরিপ পরিচালিত হয়।

খসড়া জরিপ :

থাকবাস্ত জরিপ ও রাজস্ব জরিপ পরিচালনাকালে যেসব ভূমি অস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত প্রদান করা হত ও যেসব এলাকায় স্থায়ীভাবে বন্দোবস্তকৃত ভূমিতে স্বত্ব নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান ছিল এবং থাকবাস্ত জরিপের নক্সা যেখানে ছিলনা সেসব এলাকায় খসড়া জরিপ পরিচালিত হত। এতে ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল স্কেলে জরিপ কর্মীগণ ফিল্ডবুকে বিভিন্ন তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করতেন। যেমন তৌজি নম্বর, মালিকের নাম, দখলকারী রায়তের নাম, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ক্ষেত্রফল, মাটির বর্ণনা, উৎপাদিত ফসলের বর্ণনা ইত্যাদি।

দিয়ারা জরিপ

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশে প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গনের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা নদী বা সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আবার কোথাও কোথাও নতুন চর জেগে ওঠে। এসব নদী ভাঙ্গন এলাকা জরিপ করার জন্য ১৯৬৩ সালে একটি স্থায়ী দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিস স্থাপন করা হয়। দরিয়া শব্দটি হতে দিয়ারা শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে।

সি.এস. জরিপ

দেশের সাধারণ জনগণকে প্রজাসত্ত্বের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন পাশ করা হয়। ১৮৮৮ সনে ভূমি রেকর্ড দপ্তর সৃষ্টি করা হয় এবং সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সহায়তায় কক্সবাজার জেলার রামু থানায় কিস্তোয়ার জরিপ ও খতিয়ান প্রণয়নের কাজ আরম্ভ হয়। ১৮৯০ সালে অত্যন্ত সফলভাবে সমাপ্ত হলে চট্টগ্রাম জেলায় ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে শুরু হয় এবং ১৮৯৮ সালে সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত হয়। এর পর সমগ্র পূর্ববাংলায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয় এবং ১৯৪০ সনে দিনাজপুর জেলায় জরিপের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। উল্লেখ্য যে বৃহত্তর সিলেট জেলা তখন আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত থাকায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয়নি।

এস. এ. পূর্ববর্তী সংশোধনী জরিপঃ

দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সিএস জরিপ চলায় যে সকল এলাকায় প্রথম জরিপ হয়েছে; সে সকল ভূমির প্রকৃতি ও মালিকানার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। ফলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও বাকেরগঞ্জ জেলায় নতুন করে সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। ১৯৫২ সালে সর্বশেষ বাকেরগঞ্জ জেলার সংশোধনী জরিপ শেষ করে খতিয়ান চুড়ান্ত প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ায় আর কোন জেলায় সংশোধনী জরিপ পরিচালিত হয়নি।

এস.এ. জরিপ

দেশ বিভাগের পর জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ সনের ১৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বাংলার পার্লামেন্টে পাশ হয় এবং গভর্নর জেনারেলের সম্মতি লাভের পর ১৯৫১ সনের ১৬ মে তারিখ ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত হয়। এ আইনের মাধ্যমে জমিদারদের অধিভুক্ত সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে জমিদারী এস্টটগুলো অধিগ্রহণ করা হয় এবং প্রজার নামে খতিয়ান প্রণয়ন করে মালিকানা প্রদান করা হয়। এস,এ জরিপ ১৯৫৬ সনের ১৪ এপ্রিল শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সনে শেষ হয়। এস এ জরিপের খতিয়ান ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত হয়নি এবং ইহা কোন মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ জমিদারদের কাচারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে এস, এ খতিয়ান প্রণয়ন করেন।

আরএস জরিপ

এস,এ জরিপ মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। এ জরিপের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল জমিদারী এস্টেটগুলোকে অধিগ্রহণ করা এবং দখলদার ভূমি মালিকদের সরাসরি সরকারের অধীনে নিয়ে আসা। জমিদারদের কাছারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ প্রজার নামে খতিয়ান খোলে। কাজেই এর বিশুদ্ধতা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এস এ জরিপের পরপরই আর একটি সংশোধনী জরিপ শুরু করা হয়। ১৯৬৫-৬৬ সালে রাজশাহী জেলায় সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল জোনে এ জরিপ এখনও চলমান।

মহানগর জরিপ

সিএস, এসএ এবং আরএস এই তিন প্রকার জরিপ ছাড়াও ঢাকা মহানগরী এলাকাভুক্ত মৌজাসমূহে অতি সম্প্রতি একটি বিশেষ জরিপের মাধ্যমে মৌজা নক্সা ও স্বত্বলিপি প্রস্তুত হয়েছে। ইহা মহানগরী জরিপ নামে পরিচিত্ এই জরিপটিও একটি সংশোধনী জরিপ। তবে অধিক্ষেত্রভুক্ত সকল মৌজায় ক্যাডাষ্ট্রাল জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন স্কেলে নতুন মৌজা ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে বিধায় একে ক্যাডাস্ট্রাল জরিপও বলা যায়। মহানগরী জরিপ শুধু ঢাকা মহানগর এলাকায় পরিচালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে

ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে নির্ধারিত জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ETS এর সহায়তায় প্রতিটি দাগের প্রতিটি বাঁকের স্থানাংক নির্ণয়ের মাধ্যমে মৌজাভিত্তিক ভূমির নক্সা ও প্লট ভিত্তিক মালিকানা রেকর্ড প্রণয়নে যে ভূমি জরিপ সম্পাদন করা হয় তাহা ডিজিটাল জরিপ নামে পরিচিত। সরকারের ডিজিটালাইজেশনের অংশ হিসাবে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৩ হতে GNSS/ ETS/ Drone মেশিনের সাহায্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

Call now to connect with business.

বালাম বই অনলাইনে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।আমাদের দেশে জমি কেনাবেচার সবচেয়ে বড় সমস্যাটা কোথায় জানেন❓👉 তথ্যের অস্ব...
15/10/2025

বালাম বই অনলাইনে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।
আমাদের দেশে জমি কেনাবেচার সবচেয়ে বড় সমস্যাটা কোথায় জানেন❓
👉 তথ্যের অস্বচ্ছতা আর দলিল গোপন রাখার খেলা।
🔴 বালাম বইতে জমির দলিলের আসল ইতিহাস লিপিবদ্ধ থাকে। অথচ সাধারণ মানুষ এটা দেখতে পারে না! অফিসে ঘুরতে হয়, দালালের পেছনে দৌড়াতে হয়, ঘুষ দিতে হয়। আর এই সুযোগেই ঘটে কোটি টাকার প্রতারণা।
💻 এখন সময় এসেছে বালাম বই অনলাইনে উন্মুক্ত করার।
তাহলে—
✅ জমি কেনা-বেচায় স্বচ্ছতা আসবে
✅ প্রতারণা ও জালিয়াতি কমে যাবে
✅ জনগণ নিজের জমি সহজে যাচাই করতে পারবে
✅ দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধ হবে
✅ প্রবাসীরাও অনলাইনে জমির তথ্য দেখতে পারবে
🌍 খতিয়ান, নামজারি, ভূমি কর যখন অনলাইনে হয়েছে, তখন বালাম বই কেন নয়❓
👉 এই দাবি শুধু জনগণের নয়, ন্যায়বিচার ও নিরাপদ ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য সময়ের জোরালো প্রয়োজন।
✊ তাই সবাই মিলে আওয়াজ তুলুন—
“বালাম বই অনলাইনে উন্মুক্ত করো, জমি প্রতারণা বন্ধ করো।”

ভূমির রেকর্ড যাচাই করার জন্য সাধারণত দুটি প্রধান পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়: অনলাইনে ভূমি রেকর্ড যাচাই (বাংলাদেশ):বাংলাদেশে ভ...
14/10/2025

ভূমির রেকর্ড যাচাই করার জন্য সাধারণত দুটি প্রধান পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়:

অনলাইনে ভূমি রেকর্ড যাচাই (বাংলাদেশ):
বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার জমির খতিয়ান (পর্চা) এবং মৌজা ম্যাপের তথ্য যাচাই করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট: ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা ই-পর্চা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে।

land.gov.bd

eporcha.gov.bd (খতিয়ান/পর্চার জন্য)

mouza.land.gov.bd (মৌজা ম্যাপের জন্য)

প্রয়োজনীয় তথ্য:

খতিয়ানের ধরণ (CS, SA, RS, BS/BSS, ইত্যাদি)।

বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা ও মৌজার নাম।

খতিয়ান নম্বর অথবা দাগ নম্বর।

কিছু ক্ষেত্রে, মালিকের নাম অথবা পিতার নাম।

যাচাই প্রক্রিয়া:

নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে "খতিয়ান অনুসন্ধান" বা "মৌজা ম্যাপ অনুসন্ধান" অপশনে যেতে হবে।

প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো ইনপুট দিতে হবে।

সঠিক তথ্য দিলে, আপনি খতিয়ানের ডিজিটাল কপি দেখতে পারবেন। এটিই হলো প্রাথমিক যাচাই।

যদি আপনি সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করেন, তবে তা সরকারিভাবে যাচাইকৃত চূড়ান্ত রেকর্ড।

২. সরাসরি ভূমি অফিসে যাচাই:
অনলাইন রেকর্ড শুধুমাত্র তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। কোনো আইনি বা সরকারি কাজের জন্য "সার্টিফাইড কপি"-ই প্রয়োজন।

জেলা রেকর্ড রুম/কালেক্টরেট বা উপজেলা ভূমি অফিস/সেটেলমেন্ট অফিস:

জমির যে খতিয়ানটি যাচাই করতে চান, তার বিস্তারিত তথ্য নিয়ে (যেমন: খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর) সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হবে।

সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে আপনি মূল খতিয়ান বা ম্যাপ বইয়ের সাথে আপনার তথ্য মিলিয়ে নিতে পারবেন।

আসল রেকর্ড যাচাইয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো রেকর্ড রুম থেকে নির্ধারিত ফিস জমা দিয়ে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি (অনুলিপি) সংগ্রহ করা। এই কপি সরকারিভাবে যাচাইকৃত ও স্বীকৃত।

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য:

আপনার যদি শুধুমাত্র তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়, তবে অনলাইন পদ্ধতি যথেষ্ট।

যদি কোনো আইনগত বা আর্থিক লেনদেনের জন্য রেকর্ড যাচাই করতে হয়, তবে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস থেকে তোলা সার্টিফাইড কপি (অনুলিপি) ব্যবহার করতে হবে।

আপনি যদি "ভূমি কথা" নামক বেসরকারি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যাচাই করতে চান, তবে মনে রাখবেন যে সেই প্ল্যাটফর্মের তথ্য শুধুমাত্র দেখার সুবিধার জন্য। সরকারি কাজে বা আইনি বৈধতার জন্য, অবশ্যই land.gov.bd বা ভূমি অফিস থেকে যাচাই করা নথি ব্যবহার করতে হবে।

মৌজা ম্যাপ (জমির নকশা) সংগ্রহ করার জন্য প্রধানত দুটি উপায় রয়েছে: অনলাইনে এবং অফলাইনে (ভূমি অফিস থেকে)।

অনলাইনে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ (বাংলাদেশ):

বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় বর্তমানে ডিজিটাল মৌজা ম্যাপ সংগ্রহের সুবিধা প্রদান করে।

* **ওয়েবসাইট:**
* ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল মৌজা ম্যাপ পোর্টাল: **`mouza.land.gov.bd`**

* **সংগ্রহ প্রক্রিয়া:**
1. উপরে উল্লিখিত পোর্টালে প্রবেশ করুন।
2. প্রথমে আপনার **বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা** নির্বাচন করুন।
3. এরপর **মৌজা নির্বাচন** করুন।
4. মৌজা নির্বাচন করার পর, ঐ মৌজার **নকশা/ম্যাপের তালিকা** দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ম্যাপটি নির্বাচন করুন।
5. ম্যাপটি দেখতে পাওয়ার পর, **আবেদন করুন** বাটনে ক্লিক করুন।
6. এরপর আপনাকে **জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর** এবং একটি **যাচাইকরণ কোড** পূরণ করতে হবে।
7. পরবর্তী ধাপে, **ম্যাপের প্রকার (যেমন: ডিজিটাল কপি বা সার্টিফাইড কপি)** এবং **বিতরণ পদ্ধতি (সাধারণ বা জরুরী)** নির্বাচন করতে হবে।
8. অনলাইনে **নির্ধারিত ফি পরিশোধ** করতে হবে (সাধারণত মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- নগদ, রকেট, বিকাশ এর মাধ্যমে)।
9. আবেদন সফল হলে একটি **ট্র্যাকিং নম্বর** পাবেন। এই নম্বর ব্যবহার করে পরবর্তীতে আবেদনের অবস্থা জানতে পারবেন।
10. **সার্টিফাইড কপির** ক্ষেত্রে, আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে ম্যাপটি সংগ্রহ করতে হবে। **ডিজিটাল কপির** ক্ষেত্রে, ম্যাপটি সরাসরি ডাউনলোড করার অপশনও থাকতে পারে।

# # # ২. অফলাইনে/সরাসরি ভূমি অফিস থেকে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ:

* **সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস:**
* আপনার জমির মৌজা যে উপজেলা বা সেটেলমেন্ট অফিসের অধীনে, সেই **উপজেলা ভূমি অফিস অথবা সেটেলমেন্ট অফিসে** যোগাযোগ করুন।
* কিছু ক্ষেত্রে, **জেলা রেকর্ড রুম/কালেক্টরেট** থেকেও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়।

* **প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য:**
* জমির মৌজা নম্বর ও জেএল নম্বর (যদি জানা থাকে)।
* আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।
* অনেক সময়, একটি সাদা কাগজে আবেদনপত্র জমা দিতে হয়।

* **সংগ্রহ প্রক্রিয়া:**
1. সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহের জন্য **আবেদনপত্র সংগ্রহ** করুন (যদি প্রয়োজন হয়) বা সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন।
2. জমির মৌজা এবং জেএল নম্বর উল্লেখ করে **আবেদনপত্র পূরণ** করুন।
3. নির্ধারিত **ফি জমা** দিন।
4. ফি জমার রশিদ এবং আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর, নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে **মৌজা ম্যাপের সার্টিফাইড কপি** প্রদান করা হবে। এটি পেতে সাধারণত কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

**গুরুত্বপূর্ণ টিপস:**

* ম্যাপ সংগ্রহের আগে **মৌজা এবং জেএল নম্বর** নিশ্চিত হয়ে নিন। এটি ভুল হলে ভুল ম্যাপ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
* অনলাইনে আবেদন করার সময় মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল সক্রিয় রাখুন যাতে যোগাযোগের প্রয়োজন হলে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
* সাধারণত, সরকারি কাজে বা আইনি বৈধতার জন্য **সার্টিফাইড কপি**-ই গ্রহণযোগ্য।
#ভূমিজরিপ #ভূমির_ইতিহাস #ভূমি_রেকর্ড #ভূমি_আইন #পর্চা #ভূমি_সংশোধন #ডকুমেন্ট_সংরক্ষণ #ভূমি_মন্ত্রণালয় #জমির_তথ্য #ভূমি_কথা #অনলাইন_সেবা

Address

Hatem Ali Collage
Barisal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভুমি কথা - অনলাইন জমি তথ্য ও ই-পর্চা সহায়তা প্ল্যাটফর্ম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category