Adv Shameem Sardar

Adv Shameem Sardar Advocate, High Court Division and Appellate Division, Supreme Court of Bangladesh.

Education Consultant, Australia

Political Analyst and Content Creator

Youtuber

Meeting time
15/05/2026

Meeting time

09/05/2026
26/04/2026

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে প্রার্থিতা নিষেধাজ্ঞা: ঐতিহ্য, বৈধতা ও ভবিষ্যৎ প্রভাব

দুপুর বেলা
26/04/2026

দুপুর বেলা

25/04/2026

পার্সিমন বাগানে একদিন

In persimmon garden
25/04/2026

In persimmon garden

22/04/2026

কম বাজেটে ডেনমার্ক যেতে চাইলে ইনবক্স করেন। জুলাইয়ের মধ্যে যেতে পারবেন।

21/04/2026

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় ভার্চুয়াল শুনানি: আধুনিকতার পথে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সপ্তাহে দুইদিন ভার্চুয়াল শুনানি চালুর যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে দেশের বিচারব্যবস্থার জন্য একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বিচারিক কার্যক্রমকে আধুনিকায়নের এই পদক্ষেপ কেবল সময়োপযোগীই নয়, বরং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলতে পারে।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচারব্যবস্থাও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে বহুদিন ধরেই অনলাইনভিত্তিক বিচারিক কার্যক্রম চালু রয়েছে। যেমন যুক্তরাজ্যে “HM Courts & Tribunals Service” ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মামলা দায়ের, শুনানি এবং রায় প্রদান প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল কোর্টগুলোতে “PACER” ও “CM/ECF” সিস্টেমের মাধ্যমে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা অনলাইনে মামলা দায়ের, নথি জমা এবং কেস ট্র্যাক করতে পারেন। সিঙ্গাপুরের “e-Litigation” সিস্টেম সম্পূর্ণ ডিজিটাল কোর্ট ম্যানেজমেন্টের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে প্রায় সব বিচারিক কার্যক্রমই অনলাইনে সম্পন্ন হয়। এমনকি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এবং বিভিন্ন হাইকোর্টও কোভিড-১৯ মহামারির সময় থেকে ভার্চুয়াল শুনানিকে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, অনলাইন বিচারিক ব্যবস্থা কেবল একটি বিকল্প নয়, বরং আধুনিক বিচারব্যবস্থার অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশে ভার্চুয়াল শুনানি চালুর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের আদালতে শারীরিকভাবে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন কমে যাবে। এতে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি এক বড় স্বস্তি হয়ে উঠতে পারে। একজন ব্যক্তি দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও, তার মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন—যা বিচারপ্রাপ্তির সুযোগকে আরও বিস্তৃত করবে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—দুর্নীতি প্রতিরোধ। বিচারিক কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হলে আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ কমে যায়। ফলে ঘুষ বা অনৈতিক লেনদেনের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। নথিপত্র দাখিল, শুনানি এবং আদেশ সংগ্রহ—সবকিছু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হলে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং প্রতিটি ধাপ সহজে ট্র্যাক করা সম্ভব হয়। এতে বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়।

তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যা অগ্রাহ্য করা যাবে না। প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উন্নয়ন, ইন্টারনেটের স্থিতিশীলতা, তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিচারক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ—এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, ডিজিটাল বিভাজনের কারণে গ্রামীণ বা প্রযুক্তিতে অনভিজ্ঞ জনগোষ্ঠী যাতে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নজর দিতে হবে।

সর্বোপরি বলা যায়, হাইকোর্ট বিভাগে সপ্তাহে দুইদিন ভার্চুয়াল শুনানি চালুর উদ্যোগটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার পথে একটি সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল বিচারব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করতে পারে।

এখন প্রয়োজন এই উদ্যোগকে ধারাবাহিকভাবে উন্নত করা এবং এমন একটি বিচারিক কাঠামো গড়ে তোলা, যা প্রযুক্তির সহায়তায় সবার জন্য সহজলভ্য, দক্ষ এবং নির্ভরযোগ্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম।

20/04/2026

বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল: রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা, নাকি সরকারের?

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে “বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল” নামে একটি সাংবিধানিক পদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই পদে নিয়োগ প্রদান করেন। সংবিধানিক কাঠামোর আলোকে এই পদটি কেবল কোনো সরকার বা শাসক দলের নয়; বরং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদ। তবে বাস্তব প্রয়োগে এই পদের ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে—এটর্নি জেনারেল কি রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করেন, নাকি কার্যত সরকারের আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, একটি রাষ্ট্র গঠিত হয় চারটি উপাদানের সমন্বয়ে—নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনগণ, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। এই কাঠামোর কেন্দ্রে রয়েছে জনগণ, যারা তাদের সম্মিলিত ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সেই সংবিধানের ভিত্তিতেই নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। অতএব, রাষ্ট্রের সকল সাংবিধানিক পদাধিকারীর চূড়ান্ত দায়বদ্ধতা হওয়া উচিত জনগণ ও সংবিধানের প্রতি।

এই প্রেক্ষাপটে এটর্নি জেনারেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন, আইনগত পরামর্শ প্রদান করেন এবং সংবিধান রক্ষায় ভূমিকা রাখেন। কিন্তু যখন সরকারের অবস্থান ও জনগণের স্বার্থ বা সংবিধানের মৌলিক চেতনার মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়, তখন এটর্নি জেনারেলের প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। তিনি কি সরকারের অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেবেন, নাকি সংবিধান ও জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন রক্ষায় স্বাধীন অবস্থান গ্রহণ করবেন—এই প্রশ্নই মূলত এই পদের মর্যাদা নির্ধারণ করে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের ১৮তম এটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জনাব মোঃ রুহুল কুদ্দুস কাজল। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় গঠনের পক্ষে হাইকোর্ট বিভাগের একটি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই রায়কে অনেকেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতিফলন এবং পরোক্ষভাবে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই আপিল কি রাষ্ট্রের স্বার্থে, নাকি সরকারের অবস্থান রক্ষার প্রয়াস?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কিছু দৃষ্টান্ত রয়েছে, যা এটর্নি জেনারেল পদের স্বাধীনতা ও মর্যাদার উচ্চমান তুলে ধরে। দেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল এম. এইচ. খন্দকার একটি ঘটনায় তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধানের অফিসে সরাসরি উপস্থিত হতে অপারগতা প্রকাশ করেছিলেন, যা তার পেশাগত স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলেও তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট—এটর্নি জেনারেল কোনো ব্যক্তির অধস্তন নন।

একইভাবে ১৯৯৬ সালে দায়িত্ব পালনকারী এটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামও একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন, যদিও সেখানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তার মন্তব্য—“ওটা আমার চ্যাপ্টার না”—এটর্নি জেনারেলের পেশাগত সীমারেখা ও নিরপেক্ষতার একটি শক্ত বার্তা বহন করে।

এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে যে, এটর্নি জেনারেল পদটি কেবল একটি প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নিয়োগ নয়; এটি একটি নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব, যেখানে ব্যক্তির সততা, স্বাধীনতা ও পেশাগত বিবেকই সবচেয়ে বড় মাপকাঠি।

বর্তমান বাস্তবতায় এই প্রশ্নটি তাই নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে—বাংলাদেশ কি এমন এটর্নি জেনারেল পাচ্ছে, যিনি সত্যিকার অর্থে রাষ্ট্র ও সংবিধানের প্রতিনিধিত্ব করেন? নাকি আমরা ধীরে ধীরে এমন একটি প্রথার দিকে এগোচ্ছি, যেখানে এই পদটি কার্যত সরকারের আইনজীবীর ভূমিকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে?

এই প্রশ্নের উত্তর শুধু ব্যক্তি বিশেষের কর্মকাণ্ডে নয়; বরং সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই নিহিত। তবুও প্রত্যাশা থাকে—সংবিধানের শপথ নেওয়া একজন এটর্নি জেনারেল দলীয় সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্র ও জনগণের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবেন। কারণ, রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে তার প্রথম ও প্রধান আনুগত্য হওয়া উচিত সংবিধানের প্রতি, কোনো সরকার বা ক্ষমতার কেন্দ্রের প্রতি নয়।

সিডনির আকাশ
20/04/2026

সিডনির আকাশ

দিনটা খুব ভালো কাটলো, জামাল ভাই, নিপুন ভাই, ভাবি—আপনারা সত্যিই অসাধারণ!
19/04/2026

দিনটা খুব ভালো কাটলো, জামাল ভাই, নিপুন ভাই, ভাবি—আপনারা সত্যিই অসাধারণ!

Address

48 Stranraer Drive
St Andrews, NSW
2566

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv Shameem Sardar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category