ADV.Nazmul Hasan AKASH

ADV.Nazmul Hasan AKASH Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ADV.Nazmul Hasan AKASH, Dhaka.

24/06/2018
24/06/2018

বাংলাদেশ পরিচিতি

বিভাগ - ৮ টি, জেলা- ৬৪ টি।
সিটি কর্পোরেশন- ১২টি। সর্বশেষ ময়মনসিংহ।
থানা- ৬৩৯ টি। সর্বশেষ থানা মাধবদী, নরসিংদী ও মহিপুর, পটুয়াখালী।
উপজেলা - ৪৯১ টি। সর্বশেষ ও ৪৯১ তম উপজেলা কুমিল্লার লালমাই।(অনুমোদনঃ ৯ জানুয়ারি, ২০১৭)

পৌরসভা - ৩২৭ টি। সর্বশেষ ও ৩২৭ তম পৌরসভা চট্রগ্রামের দোহাজারি। (অনুমোদনঃ ৯ জানুয়ারি, ২০১৭)
ইউনিয়ন - ৪৫৬২ টি।
গ্রাম- ৮৭৩৭২ টি।

জনসংখ্যা- ১৫.৮৯ কোটি ও বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
জনসংখ্যার ঘনত্ব- ১০৭৭ জন।
পুরুষ মহিলা অনুপাত - ১০০.৩ : ১০
জন্মহার- ১৮.৮ জন ও মৃত্যুহার- ৫.১ জন। (প্রতি হাজারে)
শিশু মৃত্যুহার- ২৯ জন। ( প্রতি হাজারে)
গড় আয়ু- ৭০.৯ বছর। (পুরুষ ৬৯.৪০ ও মহিলা ৭২.৩)

স্বাক্ষরতার হার - ৬৩.৬%। (পুরুষ ৬৫.৬% ও মহিলা ৬১.৬%)
মাথাপিছু আয়- ১৬০২ মার্কিন ডলার।
মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ - ১৬৯ মার্কিন ডলার।
জিডিপি প্রবৃদ্ধি- ৭.২৪।

দরিদ্রতার হার - ৩১.৫০%।
আন্তর্জাতিক অনুদান নির্ভরতা- ২%।
শ্রমশক্তি - ৬.১০ কোটি। (পুরুষ ৪.৩ ও নারী ১.৮ কোটি)
VAT এর হার- ১৫%।

পাটকল- ২৭ টি। (চালু আছে ১৮ টি)
সরকারি বস্ত্রকল- ১৮ টি।
চিনিকল- ১৫ টি।
সার কারখানা -১৫ টি, সরকারি ৮ টি।
সিমেন্ট কারখানা- ১৪ টি। (সরকারি ৫ টি)
জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা- ৩ টি
অস্ত্র কারখানা - ১ টি।

সরকারি ইপিজেড- ৮ টি।
নদী বন্দর - ৩০ টি।
সমুদ্রবন্দর - ৩ টি। সর্বশেষ সমুদবন্দর পায়রা, পটুয়াখালী।

নিবন্ধিত গার্মেন্টস - ৭৫০০ (প্রায়)
বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা - ১০ টি। সর্বশেষ শাখা ময়মনসিংহে।
মন্ত্রিসভার সদস্য- ৫১ জন। (পূর্ণমন্ত্রী ৩১ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৮ জন ও উপমন্ত্রী ২ জন)

মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য - ৫ জন।
মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী- ৩ জন।
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল- ৪১ টি। (সর্বশেষ নিবন্ধিত দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট)

মোট ব্যাংক - ৫৮ টি। (রাষ্টীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি, বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৩৯ টি ও বৈদেশিক ব্যাংক ৯টি)
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান - ৩৪ টি।
সরকারি বিমা প্রতিষ্ঠান - ২ টি।
কাগুজে নোট - ৯ টি।
ব্যাংক নোট- ৫ টি।

জাতীয় সংসদে স্থায়ী কমিটি - ৫০ টি। (মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত ৩৯ টি ও সংসদ সম্পর্কিত ১১ টি)

শিক্ষা বোর্ড - ১১ টি। সর্বশেষ শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। (অনুমোদনঃ ১২ জানুয়ারি, ২০১৭)
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় - ৪০ টি। (সর্বশেষ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ )

আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় - ২ টি।
সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার- ২৭ টি।
নিরক্ষর মুক্ত জেলা - ৭ টি।
শিক্ষাস্তর - ৪ টি।
পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র - ১৫ টি।

আবাদযোগ্য জমি - ২ কোটি একর।
চা বাগান- ১৬৬ টি। ( সর্বোচ্চ মৌলভিবাজারে, ৯২ টি)
বসবাসকারী উপজাতি - ৪৮ টি।
পার্বত্য চট্রগ্রামে বসবাসকারী উপজাতি - ১২ টি।

জীবিত সেক্টর কমান্ডার - ৪ জন।
উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট - ৪ টি।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী - ৬.৬৭ কোটি।(জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত)
মোবাইল ব্যবহারকারী - ১২.৮ কোটি। (জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত)
স্থল বন্দর - ২৩ টি। (সর্বশেষ - বাল্লা, সিলেট)
হাতির সংখ্যা ২০০ টি ও বাঘের সংখ্যা ১০৬ টি
অনুমোদনপ্রাপ্ত স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল - ৪১ টি। (সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে ২৬ টি)
গ্যাসক্ষেত্র - ২৭ টি। (সর্বশেষ মোবারকপুর, পাবনা)

সূত্রঃইনটেক বাংলাদেশ।
সৌজন্যে--www.intekshop.com

https://www.facebook.com/intekshop/

05/06/2018
30/09/2017

তালাক কখন, কিভাবে:

বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে বলা হয়েছে, যেকোনো সুস্থমনা ও সাবালক যেকোনো সময় তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন। পাশাপাশি কাবিনামায় যদি স্ত্রীর তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অপূর্ণ থাকে, তবু স্ত্রী স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক প্রদানে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলিম আইনে তালাক মূলত মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে। তবে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন দ্বারা মৌখিক তালাককে অকার্যকর করা হয়েছে। কাবিনামার ১৮ নম্বর কলামে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষমতা শর্তযুক্ত কিংবা শর্তহীন হতে পারে।
স্বামী যদি নিম্নের এক বা একাধিক অথবা সব শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহলে স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

১. স্বামী সম্মানজনক জীবন যাপন করে অর্থ উপার্জন করবেন এবং স্ত্রীর ভরণপোষনের ভার নেবেন। স্ত্রীর অনুমোদিত বাড়িতে বসবাস করবেন।

২. স্ত্রীর ওপর স্বামী অন্যায়ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করবেন না।

৩. স্ত্রীকে স্বামী বছরে অন্তত চারবার পিত্রালয়ে যেতে দেবেন এবং খরচ প্রদান করবেন।

৪. স্ত্রী বন্ধ্যা বা অসুস্থ না হলে স্বামীর তাঁর অনুমতি ব্যতিত দ্বিতীয় বিয়ে করার চুক্তি করবেন না।

৫. চাওয়ামাত্র স্ত্রীকে তাৎক্ষনিক দেনমোহর প্রদান করবেন।

আদালতে ডিক্রিমূলেও স্ত্রী তালাক নিতে পারেন। মূলত বিয়ের কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাকের কোনো ক্ষমতা অর্পন করা না হলে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হয়। ১৯৩৯ সালের বিবাহবিচ্ছেদ আইনে স্ত্রীকে এ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারনে বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করে আদালতের ডিক্রি লাভের আবেদন করতে পারেন, সেগুলো হলো :

১. চারবছর স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।

২. স্বামী দুই বছর ভরণপোষন দিতে অবহেলা করলে (২-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করলে।

৩. স্বামী সাত বছর বা ততোধিক কালের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হলে।

৪. স্বামী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।

৫. স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে।

৬. স্বামী দুই বছর অপ্রকৃতিস্থ, কুষ্ঠরোগ বা মারাতœক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।

৭. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে থাকলে সাবালিকা (১৮ বছর পূর্ণ) হওয়ার পর স্ত্রী যদি তা অস্বীকার করেন। এতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হলে মোকদ্দমা করা যাবে না।

৮. স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করলে। যেমন, ক, অভ্যাসগত স্ত্রীকে মারধর বা আচরনের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে স্ত্রীর জীবন দুর্বিষহ করে তুললে; খ. অন্য নারীর সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে; গ. নৈতিকতাবিরোধী জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করা হলে; ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে বা সম্পত্তিতে বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে তাঁকে নিবারণ করলে; ঙ. স্ত্রীর ধর্মীয় চর্চায় বাধা প্রদান করলে; চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী ন্যায়সংগত ব্যবস্থা না নিলে।

৯. মুসলিম আইনে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যেকোন কারণে স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করতে পারেন।

তবে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিধানাবলি অনুসরণ না করলে তালাক অকার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাকের নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭(১) ধারা অনুযায়ী যেভাবেই বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক ঘটুক না কেন, যে পক্ষ তালাক দিতে চাইবে সে পক্ষ অপর পক্ষের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মিউনিসিপ্যালিটির বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানের/মেয়রের কাছে নোটিশ লিখিতভাবে পাঠাবে এবং ওই নোটিশের কপি অতিসত্বর অপর পক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবে। আদালতের মাধ্যমে কোনো বিবাহ ভঙ্গ মামলার ডিক্রি হলে সে ডিক্রির কপি চেয়ারম্যানকে প্রদান করলেই ৭ ধারার নোটিশ দেওয়ার বিধান প্রতিপালিত হবে।

যে পক্ষ থেকেই তালাকের নোটিশ দেওয়া হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি নিয়ে সালিসি পরিষদ গঠন করবেন। আপোসের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করবেন। আপসের চেষ্টা সফল হলে তালাকের নোটিশের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না এবং তাঁদের পুনরায় বিয়েরও কোনো প্রয়োজন হবে না।

তালাকের নোটিশ না দেওয়ার সাজা

তালাকের ক্ষেত্রে বর্তমান আইনে প্রদত্ত নিয়ম পালন না করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড কিংবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।

তালাকের কার্যকারিতা

চেয়ারম্যানের হাতে যে তারিখে নোটিশ পৌঁছাবে সেদিন থেকে ৯০ দিন পর বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক কার্যকর হবে। অর্থাৎ নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সালিসির কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলেও তালাক কার্যকর বলে গণ্য হবে। তবে স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে গর্ভকাল শেষ হওয়ার পর তালাক কার্যকর হবে।
খোলা তালাক

মুসলিম আইনে স্ত্রীর ইচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের আরেকটি ব্যবস্থা হচ্ছে খোলা তালাক। এ তালাক এমন এক ধরনের তালাক, যা স্বামী-স্ত্রীর সম্মতিতে স্ত্রীর ইচ্ছায় কার্যকর হয়। খোলা তালাক পারস্পরিক চুক্তি দ্বারা অথবা কাজি বা আদালতের নির্দেশে হতে পারে। এ তালাকের উল্লেখযোগ্য দিক হলো:

১. স্ত্রী স্বামীকে তালাক দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকেন

২. স্বামী ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে থাকেন

৩. স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সময় স্বামী বিনিময়ে স্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিদান নিয়ে থাকেন এবং স্ত্রী তা দিয়ে থাকেন বা দিতে সম্মত থাকেন।
তবে খোলা তালাকের ক্ষেত্রে অন্য কোনো চুক্তি না থাকলে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হবেন না; কিন্তু ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তাঁর গর্ভস্থ সন্তানের জন্য স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

তালাক-পরবর্তী মোহরানা ও ভরণপোষন

মুসলিম আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তালাকের পর স্ত্রী অবশ্যই দেনমোহর ও ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন। কিন্তু অনেকেই বলেন স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় তালাক দেন তাহলে দেনমোহর ও ভরণপোষন থেকে বঞ্চিত হবেন। এটা পুরোপুরি ভুল ধারনা। দোনমোহরের ক্ষেত্রে বলা যায়, দোনমোহর বিয়ের শর্ত, তালাকের সঙ্গে এর সম্পর্কে নেই; তাই তালাক প্রদান করা হলেও স্ত্রী দেনমোহর পাবেন। তবে স্ত্রী যদি নিজ ইচ্ছায় কোনো কিছুর প্রতিদানে স্বামীর মাধ্যমে তালাক নিয়ে নিজেকে বিবাহবন্ধন থেকে মুক্ত করে (খোলা তালাক) থাকেন, কেবল সে ক্ষেত্রেই স্ত্রী দেনমোহর পাবেন না। স্ত্রীর মৃত্যু হলেও তাঁর উত্তরাধিকারীরা এটি পাওয়ার অধিকারী। তবে মোহরানা দাবির তিন বছরের মথ্যে মামলা না করলে মোহরানা পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ভরণপোষনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তালাকের পর ইদ্দতকালে স্ত্রী ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী। ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যদি তালাকের বিষয়ে তাঁকে অবহিত করা না হয়, তবে সে পর্যন্ত তিনি ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

28/09/2017

♠AGL Associate♠
🎓এজিএল এসোসিয়েট🎓
♣যেকোন প্রকার আইনি সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
♣কোর্ট ম্যারেজ(এফিডেফিট)/তালাক
♣দেওয়ানি, ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣নোটারি পাবলিক করা হয়।
♣ইনকাম ট্যাক্স এর মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣কোম্পানির লাইসেন্স,নবায়ন,ভ্যাট, রেজিস্ট্রেশন করানো হয়।
Senior Advocate Alhaj Sahabuddin
Senior Advocate Zakir Hossain
Advocate Sakhaowath
Advocate Alomgir Hossain
Advocate Samsul Alam Rana
Nazmul Hasan Akash
(Apprentice Lawyer)
📱Contact us:📱
Call:-01610499002
01710499002
01910499002
Email:[email protected]
Website:www.aglbd.com
Facebook:fb.com/aglassociate
bikroy.com/shop/aglbd

28/09/2017

একটি দেওয়ানী মামলার ধারাবাহিক স্তর:

১। সেরেস্তাদারের নিকট আরজি দাখিল
২। আরজি পরীক্ষা
৩। পেশকারের কাছে প্রেরন
৪। পাঞ্চিং ও কোর্ট ফিস রেজিস্ট্রারে লিখন
৫। ফাইল সেরেস্তাদারের কাছে আবার প্রেরন
৬। ফাইলিং রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি
৭। স্যুট রেজিস্ট্রেশন এন্ট্রি
৮। সেরেস্তাদার কর্তৃক সীলকরন
৯। নেজারত বিভাগে প্রেরন
১০। প্রসেস বন্টন
১১। সমন ফেরত(SR/AD)
১২। সেরেস্তাদারের কাছে আবার প্রেরন
১৩। পেশকারের নিকট আবার প্রেরন
১৪। বিবাদীর হাজিরা
১৫। লিখিত জবাব দাখিল
১৬। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি
১৭। প্রথম শুনানি
১৮। বিচার্য বিষয় নির্ধারণ
১৯। ডিসকভারি
২০। দলির তলব, দাখিল, আটক, ফেরত
২১। সাক্ষীর প্রতি সমন
২২। চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ
২৩। চূড়ান্ত শুনানি
২৪। বক্রী শুনানি
২৫। যুক্তিতর্ক
২৬। রায় ঘোষনা
২৭। ডিক্রি
২৮। ডিক্রিজারি
২৯। আপিল/রিভিউ
৩০। রিভিশন।

20/09/2017

কোন দেশে কত রোহিঙা? চলুন দেখে নেয়া যাক-

১) মিয়ানমার ১০ লাখ (ধারনা করা হচ্ছে ১লাখ ৪০ হাজার অবশিষ্ট আছে।

২) বাংলাদেশ ৭ লাখ ৩১ হাজার।

৩) পাকিস্তান ৩ লাখ ৫০ হাজার।

৪) সৌদি আরব ২ লাখ।

৫) মালয়েশিয়া ১ লাখ ৫০ হাজার।

৬) ভারত ৪০ হাজার।

৭) সংযুক্ত আরব আমিরাত ১০ হাজার।

৮) থাইল্যান্ড ৫ হাজার।

৯) ইন্দোনেশিয়া ১ হাজার।

জাতিসংঘের হিসেব মতে- রোহিঙারা ই বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতি যাদের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই এবং স্বদেশ থেকে বিতাড়িত।

20/09/2017

‌রোহিঙা ইস্যুটি ধর্মীয় নাকি রাজনৈতিক এটা নিয়েই আজ আমার আলোচনা। প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে নেই তা হলো- রাখাইন এলাকাটি অবস্থানগত দিক থেকে এমন একটি জায়গায় অবস্থিত যেখান থেকে পুরো এশিয়াকে প্রায় সমান তালে দেখা যায় পাশাপাশি এ জায়গায় রয়েছে প্রচুর খনিজ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অর্থাৎ বলা যায় আরাকান রাজ্যটি হচ্ছে এশিয়ার ভূ রাজনীতির অন্যতম এক কেন্দ্রবিন্দু। এই কেন্দ্রবিন্দুর প্রতি বিশ্ব মোড়ল চীনের একটা মোহ আছে সেটা অনেক আগেই প্রকাশিত। এখন আসুন- মায়ানমারের অবস্থা টা একটু দেখি। মায়ানমারে পূর্ন গনতন্ত্র ব্যবস্থা নেই। যতটুকু আছে সেটাও প্রায় নগন্য বলে মনে করি কেননা তাদের সেনাবাহিনী যেকোন সময় পূর্ন ক্ষমতা তাদের হাতে নিয়ে নিতে পারে তাছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন মন্ত্রণালয় সমুহ সেনাবাহিনীর হাতেই রয়েছে।
১৯৮২ সালের পূর্বে রোহিঙারা সেদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। নারীসহ প্রায় ১৭জন সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। ১৯৮২ সালে সেনাবাহিনী এক আইন করে রোহিঙাদের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে। আমার মতে রোহিঙাদের রাখাইন থেকে বিতাড়িত করার চক্রান্ত শুরু হয়েছিল সেখান থেকেই। চক্রান্তের পেছনে আসলে কে কল কাঠি নাড়ছে তা জানতে হলে গত পরশুর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের খবরটা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে। ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদে যখন বলা হলো- রোহিঙাদের নিজ দেশে ফেরত নিতে হবে তখন চীন বিরোধিতা করে বসল! তার মানে চীন চায় না রোহিঙারা মায়ানমারে ফিরুক বরং তাদের উদ্দ্যেশ্য জন মানবহীন রাখাইন।
এখন যদি ধর্মের কথা বলি সেক্ষেত্রে আমাকে আগে বাস্তবতা মানতে হবে।
অন্য ধর্মালম্বীদের মধ্যে যে ঐক্যবোধ আছে সেটা মুসলিমদের মধ্যে খুব ই কম। আজ রোহিঙারা মুসলিম না হয়ে যদি খ্রীস্টান হতো তবে ৭লক্ষ কেন ৭হাজার রোহিঙাকেও মায়ানমার বের করে দেওয়ার সাহস পেতো না। এই সুযোগটাই চীন কাজে লাগিয়েছে বলে মনে করি।
এখন যে কথাটি বলতে ইচ্ছে করছে তা হলো এখানে মুসলিম ইস্যুটি প্রকাশ্যে এসেছে কিন্তু আসলে ভূরাজনীতি ই এখানে মুখ্য।
ধর্মীয় ইস্যুটা ভূরাজনীতিকে ত্বরান্বিত করেছে মাত্র।

20/09/2017

যারা বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী সর্বোপরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নাক ছিটকাচ্ছেন তাদের উদ্দ্যেশ্যে একটা কথা না বললেই নয়- আপনি জানেন কি ভারত প্রতিবছর গড়ে ১০ বর্গকিলোমিটার করে জমি হারাচ্ছে চীনের কাছে কিন্তু ভারত টু শব্দটিও করছে না?
আপনি এটা কি জানেন- উত্তর কোরিয়া জাপানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলেও জাপান কেন নীরব?
আপনি হয়তো জানেন কিন্তু গভীরতা ততটা উপলব্ধি করতে পারেন নি।
এরা জানে যুদ্ধ কখনো সমাধানের পথ হতে পারেনা। এরা তো বিশ্ব মোড়ল- এদের বিশ্ব জনমতের প্রয়োজন নেই কিন্তু আমাদের? আমাদের মত থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশের যুদ্ধ করতে বিশ্ব জনমতের প্রয়োজন আছে। মায়ানমারের পেছনে চীন, রাশিয়া, ইসরাইল ইত্যাদির পুরো সমর্থন আছে কিন্তু আমাদের সাথে কারো সম্পর্ক ঐভাবে নেই। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সব দেশের সাথে সমান তালে চলে।
আপনি এটাও জানেন- রোহিঙা ইস্যুটি অধিক সেনসেটিভ। সুতরাং মাথা গরম করে ইস্যুটি তাল গোল পাকিয়ে ফেলার কোন কারন দেখি না।
তারা বারবার বর্ডার ক্রস করছে- অবশ্যই এর মধ্যে কোন একটা ফাদ পেতে রেখেছে আর তারা চাচ্ছে এই ফাদে বাংলাদেশ পা দিক। আপনিও হয়তো তা ই চাচ্ছেন কিন্তু বাংলাদেশ এই ভুলটি হয়তো করবে না।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী নিজ দায়িত্বে রেখেছেন। আশাকরি- বাংলাদেশ কঠিন অবস্থা থেকে অতি দ্রুতই উঠে আসবে।
প্রিয় বাংলাদেশের প্রতি রইল- শুভ কামনা।

20/09/2017

প্রয়োজনীয় টুকিটাকি ১০০টি টিপস; জেনে রাখুন:
১। অনেকদিন বন্ধ থাকা বা অব্যবহৃত ঘর খুললে একটা ভ্যাপসা গন্ধ বের হয়। দু-তিনটে দেশলাই কাঠি জ্বালালে দু-তিন মিনিটের মধ্যে ঘর থেকে গন্ধ চলে যাবে।
২। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না।
৩। চশমা ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে হলে এক ফোঁটা ভিনিগার দিয়ে কাঁচ পালিশ করুন।
৪। কাঠের আসবাবপত্র ঠাণ্ডা চা-পাতা ফোটানো জল দিয়ে পালিশ করুন। ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
৫। ফ্রিজের গায়ে দাগ ধরে গেলে স্পঞ্জে টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে।
৬। ফ্লানেলের টুকরো গ্লিসারিনে ভিজিয়ে দাগধরা জানালার কাঁচে ঘষুন। কাঁচ ঝকঝক করবে। কাঠ বা স্টিলের টেবিলে ঘষুন। সেখানকার দাগ উঠবে।
৭। জানালা, দরজার কাঁচ ঝকঝকে করে তুলতে মিহি চক গুঁড়োর সঙ্গে জল আর স্পিরিট অথবা কেরোসিন মিশিয়ে কিছুক্ষণ কাঁচের ওপর মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে খবরের কাগজ দিয়ে মুছে নিন।
৮। ডিটারজেন্টের সঙ্গে একটা লেবুর রস ও এক চামচ ফিনাইল মিশিয়ে বাথরুমের টাইলস ঘষে দেখুন, কেমন ঝকঝক করে।
৯। হাতব্যাগের ধাতব অংশগুলিতে ন্যাচারাল কালারের নেলপালিশের এক প্রস্থ প্রলেপ দিয়ে রাখুন। সহজে বিবর্ণ হবে না।
১০। ছোট্ট একটুকরো ফ্লানেল বা কম্বলের কাপড়ে পাতিলেবুর রস মাখিয়ে চামড়ার ব্যাগ বা স্যুটকেশে ঘষলে। চামড়ার ঔজ্বল্ল্য বাড়বে।
১১। ঘরে চড়ুই পাখি বাসা বাঁধতে চায়। যদি চড়ুই পাখি তাড়াতে চান তাহলে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দু-চার টুকরো কর্পূর জ্বালিয়ে দিন। আর ঘরমুখো হবে না।
১২। গ্যাসস্টোভের বার্নারে ময়লা ঢুকে গেলে বাড়িতে পরিষ্কার করার সহজ উপায় হল অ্যালুমিনিয়াম স্টিল বা লোহার বালতিতে ফুটন্ত জল ঢেলে তাতে দু টেবিল চামচ ড্রেনেক্স (Drainex) পাউডার গুলে বার্নার দুটি তার মধ্যে দু ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখুন। জলে ঝাঁপিয়ে ঝাঁপিয়ে ধুয়ে নিন।
১৩। গরম পোশাক বা সিল্কের পোশাক ধোওয়ার পর যদি ইউক্যালিপটাস তেল মেশানো জলে ডুবিয়ে নেন তাহলে পোকায় কাটার ভয় থাকবে না। পোশাকের ঔজ্বল্ল্য বাড়বে। এক বালতি জলে তেলের পরিমাণ হবে দু-টেবিল চামচ।
১৪। উলের পোশাক ধোওয়ার পর এক বালতি জলে আধ চামচ গ্লিসারিন দিয়ে তাতে ডুবিয়ে নিন। পোশাকের নরম ভাব বজায় থাকবে।
১৫। বাচ্চাদের জামাকাপড় বা কাঁথায় যদি তার বমির দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে কাচার পর জলে আধ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে জামাকাপড় ডুবিয়ে নেবেন। দুর্গন্ধ দূর হবে।
১৬। ইস্ত্রি করার সময় কাপড়ে যে জল ছেটান তাতে কয়েক ফোঁটা পারফিউম ফেলে দিন। ইস্ত্রি হওয়া গোটা কাপড়টি সুগন্ধ ধরে রাখবে।
১৭। সুগন্ধির শিশি সবসময় তুলো বা কাপড়ে জড়িয়ে রাখবেন। তাতে সুগন্ধি ঢের বেশি দিন টিকবে।
১৮। ফ্লাক্সের ভেতরে অংশ ভালভাবে ধুতে হলে ফ্লাক্সে গরম জল ভর্তি করুন। তাতে কয়েক টুকরো কাগজ ফেলে দিন। ঘণ্টাখানেক পর ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে জল ফেলে দিন। ভেতরের যাবতীয় নোংরা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
১৯। অনেক সময় ভ্যাকুয়াম ফ্লাক্স দীর্ঘ ব্যবহারের জন্য দুর্গন্ধ হয়। একটি ডিমের খোলা ভেঙে ফ্লাক্সের মধ্যে ফেলুন।
২০। কিছু কিছু অলংকারের তীক্ষ্ণ বা ধারালো প্রান্তের খোঁচায় পোশাক ছিঁড়ে যায় বা সুতো উঠে যায়। সেইসব ধারালো অংশে ন্যাচারাল নেলপালিশ লাগিয়ে দিন। খোঁচা লাগবে না।
২১। কাঠের ওপর বাচ্চারা আঁকিবুঁকি কাটলে তা তুলতে সিগারেটের ছাই খুব ভাল। সিগারেটের ছাই পাতলা কাপড়ে নিয়ে ঘষে ঘষে তোলা যাবে। একই কাজ হবে কেরোসিন দিয়ে।
২২। সিল্কের শাড়ি বা পোশাকে মাড় দিতে হলে, মাড়ের সঙ্গে একটু পাতলা আঠা গুলে নেবেন। পোশাক শুকিয়ে খটখটে করে ইস্ত্রি করবেন। সিল্ক ঝকঝক করবে।
২৩। পঞ্চাশ গ্রাম সাবুদানা জলে ফুটিয়ে স্বচ্ছ করে ছেঁকে নিন। ঠাণ্ডা করে তাতে দু-টেবিল চামচ সাদা ভিনিগার মেশান। এবার এই মিশ্রণটি একটি খালি স্প্রে বটলে ভরে রাখুন। এই তরল ছিটিয়ে ছিটিয়ে ইস্ত্রি করলে তা মাড়ের কাজ করবে। পোশাক নিভাঁজ হবে।
২৪। হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বর্ষার জুতো, ছোটখাটো জামাকাপড় শুকিয়ে নেওয়া যায়।
২৫। বাচ্চাকে স্নান করানোর আগে নীচে তোয়ালে পেতে নেবেন। বাচ্চা হড়কে যাবে না। বসেও আরাম পাবে।
২৬। স্টিলের বাসন থেকে কোম্পানির নাম লেখা স্টিকারটি তোলা এক ঝামেলা। পাত্রের স্টিকার লাগানো অংশের উল্টোপিঠটা তাতিয়ে নিন। স্টিকার এবার সহজে উঠে আসবে।
২৭। নতুন কেনা জিনিসপত্রের ওপর থেকে দামের লেবেল তুলতে খোঁচাখুঁচি করবেন না। লেবেলের ওপর একটু সেলোটেপ চেপে দিন। তারপর সেলোটেপের এক প্রান্ত ধরে টানলে লেবেলটি উঠে যাবে।
২৮। দেওয়ালে পেরেক গাঁথার আগে পেরেকগুলো যদি ফুটন্ত গরম জলে ডুবিয়ে নেন তাহলে হাতুড়ি মারার সময় দেওয়ালের প্লাস্টার খসবে না।
২৯। শক্ত করে মুখ বন্ধ একটি ছোট্ট শিশিতে কর্পূর পুরে যন্ত্রপাতির বাক্সে রেখে দিন। যন্ত্রপাতিতে মরচে পড়বে না।
৩০। বেশ কিছুদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন ফ্রিজ খালি করে? ডিফ্রস্ট করে তা রেখে গেলেন। কিন্তু এসে দেখলেন দুর্গন্ধ হয়ে গেছে। দুর্গন্ধ দূর করবার জন্য যাওয়ার আগে ফ্রিজে পাতি লেবু রেখে দিন। দুর্গন্ধ হবে না।
৩১। ফ্রিজের বদগন্ধ দূর করতে সর্ষেগুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। একটা প্লেটে কিছুটা সর্ষেগুঁড়ো ঢেলে তাতে একটু জল দিয়ে রাতভর ফ্রিজে রাখুন এবং ফ্রিজ খোলাই রাখুন। পরের দিন সকালে দেখবেন সব গন্ধ উধাও।
৩২। ব্যবহারের পর তেল বা পানীয়র টেট্রাপ্যাক ফেলে দেবেন না। কেটে ডিপ ফ্রিজে আইস ট্রেতে পেতে দিন। মাছ মাংসের প্যাকেট আটকে যাবে না।
৩৩। প্রেসার কুকারের গ্যাসকেট মাঝে মাঝে ফ্রিজে পুরে রাখবেন। দীর্ঘদিন টিকবে।
৩৪। টর্চের ফেলে দেওয়া ব্যাটারি কিন্তু কোয়ার্টিজ ঘড়িতে এবং রেডিওতে আরও মাস খানেক চলবে।
৩৫। বাড়িতে আঠা ফুরিয়ে গেছে। খামে স্ট্যাম্প লাগাবেন। ন্যাচারাল কালার নেলপালিশ ব্যবহার করুন।
৩৬। সেলোটেপের মুখ খুঁজে পাচ্ছেন না? মিনিট দশেক ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে দিন। সেলোটেপের রিলটা খুলে আসবে।
৩৭। খামের ওপর ঠিকানা লিখে একটু মোমবাতি ঘষে দেবেন। জল পড়ে কালি থেবড়ে ঠিকানা অস্পষ্ট হয়ে যাবে না।
৩৮। টেবিল বা ক্যাবিনেটের ড্রয়ার অনেক সময় আটকে যায়। স্বচ্ছন্দে খোলা বা বন্ধ করা যায় না। ড্রয়ারের ধারে মোম ঘষে রাখুন। সহজে আটকাবে না।
৩৯। ব্যবহারের পর বাইসাইকেলের টায়ার ভিজে কাপড় দিয়ে মুছে রাখুন। সহজে কাটবে না।
৪০। নখের কোন ভেঙে গেছে। কিন্তু এমারি বোর্ড নেই। একটা দেশলাই কাঠি নিয়ে বারুদের দিকটা ভাঙা জায়গায় ঘষুন। নিমেষে নখ সমান হয়ে যাবে।
৪১। নেলপালিশ শুকিয়ে জমে গেলে ইউক্যালিপটাস তেল দিন। গলে নরম হবে। তবে নেলপালিশ ফ্রিজে রাখলে সহজে শুকোবে না।
৪২। এক লিটার জলে দু’চার চামচ ডিটারজেণ্ট গুলে ঝাঁকিয়ে দিন। এবার স্প্রেগান বা পিচকিরিতে ভরে ঘরের আনাচে কানাচে যেখান আরশোলার উপদ্রব বেশি সেসব জায়গায় স্প্রে করে দিন। আরশোলা মরবে।
৪৩। মোমবাতি জ্বালানোর আগে যদি বার্নিশ লিগিয়ে নিতে পারেন তো সাশ্রয় হবে। সহজে মোম গলবে না।
৪৪। ক্যাণ্ডেল হোল্ডারে মোমবাতি বসানোর আগে একটু তেল মাখিয়ে নেবেন। ফুরিয়ে গেলে জমা মোম তুলতে অসুবিধে হবে না।
৪৫। বোতলের ছিপি খুব শক্ত হয়ে আটকে গেলে, একটা রুমাল গরম জলে ভিজিয়ে নিংড়ে বোতলের ছিপির নীচে জড়িয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে ছিপিটি আলগা হয়ে আসবে।
৪৬। যাদের সিলিণ্ডার ক্যারিয়ার নেই তারা থার্মোকলের টুকরোর ওপর গ্যাস সিলিণ্ডার রাখুন। গ্যাস সিলিণ্ডারেও যেমন মরচে পড়বে না, মেঝেও মরচের দাগ থেকে রেহাই পাবে।
৪৭। গ্যাস ওভেন-এ রান্নার সময় কিছু উপচে পড়ে গেলে নুন ছিটিয়ে দিন। ওভেন ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পোড়া জিনিসগুলো ভিজে স্পঞ্জ দিয়ে ভালভাবে মুছে দিন।
৪৮। রাতের দিকে বেসিনের পাইপের মুখে মাঝে মাঝে আধ কাপ মত ভিনিগার ঢেলে দেবেন। সকালে দু’মগ জল ঢেলে দিলেই বেসিনের পাইপ পরিষ্কার থাকবে।
৪৯। সিঙ্কের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে নুন ফুটিয়ে সিঙ্কের মুখে ঢেলে দিন। পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৫০। বালতি বা ড্রাম ফুটো হয়ে গেলে ঐ জায়গা পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিয়ে ধুনো গুঁড়ো করে নারকোল তেল এবং সিঁদুর মিশিয়ে মিশ্রণটি লাগান, ফুটো বন্ধ হয়ে যাবে।
৫১। আস্ত ধনেতে পোকা ধরেছে বলে ফেলে দেবেন না। ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রেখে মাটিতে ছড়িয়ে দিন। ধনে পাতার চাষ হবে আপনার বাগানে।
৫২। দই যদি নষ্ট হয়ে যায় তো ফেলে দেবেন না। বাড়িতে কারি পাতার গাছ থাকলে তার গোড়ায় মাটিতে দিন। এতে পাতার তেজ ও সুগন্ধ দুই-ই বাড়বে।
৫৩। অ্যাকোরিয়ামের জল ফেলে দেবেন না। গাছের গোড়ায় দিন। সার হিসেবে চমৎকার।
৫৪। কাজুবাদাম ব্যবহারের সময় খোসাটা ফেলে দেওয়া হয়। ঐ ফেলে দেওয়া খোসাই গোলাপ গাছের সেরা সার।
৫৫। ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ঐ চা’পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা’পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।
৫৬। মশা তাড়াবার একটা সহজ উপায় হল, কয়েক টুকরো কর্পূর আধকাপ জলে ভিজিয়ে খাটের নীচে রেখে দিন। তারপর নিশ্চিন্তে ঘুমান।
৫৭। কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পড়লে যে ধোঁয়া হবে তাতে সবংশে মশা পালাবে।
৫৮। লোডশেডিঙের সময় যদি হ্যারিকেন বা কাঁচ ঢাকা বাতিদান জ্বালান তবে তার ওপর দু-একটা ব্যবহৃত মশা মারার রিপেলেন্ট রেখে দেবেন। আলোর সঙ্গে সঙ্গে মশা তাড়ানোর কাজও হবে।
৫৯। প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়ো ধুনোর সঙ্গে ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৬০। ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়।
৬১। মাছি তাড়াতে পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন। ছোট গ্লাসে একটু জল নিয়ে তাতে ৫/৬ গাছি পুদিনা রেখে দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর জল বদলে দেবেন। জল অনুকূল হলে কিছুদিনের মধ্যে পুদিনা চারাও গজিয়ে যাবে গ্লাসে।
৬২। নিমপাতা ভেজানো বা সেদ্ধ জলে ঘর মুছুন। পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কমবে। নিমপাতা তোশক বা গদির তলায় রাখুন পোকামাকড় হবে না।
৬৩। অনেক সময় ঘরে বা রান্নাঘরে সাপ ঢুকে যায়। কিছুটা রসুন বেটে কাপড়ে বেঁধে ঘরের কোণে রেখে দিলে ঘরের ভিতর সাপ ঢুকবে না।
৬৪। নিমপাতা পচা সার গাছে পোকা লাগতে দেয় না।
৬৫। বাচ্চাদের ঘরে মাছি, পিঁপড়ে হয়। যদি নুন ছিটিয়ে ঘর মোছা যায়, পিঁপড়ে মাছি কম হবে।
৬৬। আটা, ময়দা, ডাল পোকার হাত থেকে বাঁচতে হলে একমুঠো নিমপাতা শুকিয়ে উপরে ছড়িয়ে দিন, পোকা হবে না।
৬৭। সোনার গয়না দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করলে ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে যায়। ব্যবহার করার পর সিঁদুর মাখিয়ে রাখবেন। চকচক করবে। কুমড়োর রস দিয়েও গয়না পরিষ্কার করা যায়।
৬৮। বিয়ে বাড়িতে বা পার্টিতে যেদিন যাবেন, সোনার গয়নাগুলো কাঁচা হলুদ থেঁতো করে বা হলুদ গুঁড়ো জলে গুলে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে ভাল করে মুছে নেবেন। উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৬৯। আপনার সোনা-রূপোর গয়না টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন। জল দেওয়ার দরকার নেই। শুকনো কাপড়ে পেস্ট মুছে ফেলুন। দেখুন ঝকমকিয়ে উঠবে আপনার গয়না।
৭০। রূপোর জিনিস জলের সঙ্গে নুন আর রিঠা দিয়ে মিনিট পনেরো ফোটালে রূপোর স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।
৭১। পাথরের গয়না টুথপেস্ট ঘষে পরিষ্কার করুন। নতুনের মত ঝলমল করবে।
৭২। পেতলের বাসন ঝকঝক করে তুলতে ক’ফোঁটা সেলাই মেশিনের তেলে হলুদ গুঁড়ো মেশান। ঐ তেলে ঘষে তুলুন বাসন। দেখবেন নতুনের মত দেখাচ্ছে।
৭৩। ব্রাসোর সঙ্গে সামান্য পাতিলেবুর রস মিশিয়ে ঘসুণ, কাঁসার জিনিস সোনার মতো ঝকঝক করবে।
৭৪। হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা সরষের তেল দিয়ে পেতলের বাসন ঘষলে চকচক করবে।
৭৫। রূপোর বাসন, কাঁটা-চামচ বা গয়নাটি তেঁতুল গোলা জলে ফুটিয়ে নিন। ঘষা-মাজা করতে হবে না। ফোটালেই ঝকঝক করবে।
৭৬। এনামেলের বাসন থেকে দাগ তুলতে নুন আর ভিনিগারের মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
৭৭। বোন চায়নার বাসনে দাগ ধরে গেলে নেলপালিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন। দাগ উঠে যাবে।
৭৮। চাল ধোয়া জলে স্টীল ও কাঁচের বাসন কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে বাসনগুলো ঝকঝক করবে।
৭৯। পিতলের বা কাঁসার বাসন দীর্ঘদিন ব্যবহার না করার ফলে দাগ ধরে যায়। মাথার চুল ও সরষের তেল সহযোগে মাজুন, দেখবেন ঝকঝক হয়ে উঠবে।
৮০। রান্না পুড়ে পাত্রের তলায় এঁটে গেছে। পাত্রটিকে নুনজলে ভর্তি করুন। তারপর আঁচে বসান। জল ফুটতে শুরু করলেই পোড়া অংশ আলগা হয়ে উঠে যাবে।
৮১। রান্নার সময় হাতে হলুদেড় দাগ হলে, আলুর খোসা ছাড়িয়ে হাতে ঘষে, হাত ধুয়ে নিলে আর হলুদের দাগ থাকবে না।
৮২। টিন থেকে মরচে তুলতে হলে আলু কেটে বাসন ধোয়ার গুঁড়োয় ডুবিয়ে সেটা দিয়ে ঘষলেই মরচে উঠে যাবে।
৮৩। মরচের দাগ তুলতে হলে ১ কাপ চাল ২ লিটার জলে ফুটিয়ে সারারাত রাখতে হবে। পরের দিন সকালে জলটা ছেঁকে নিয়ে সেই জলে মরচে ধরা জায়গাটা ধুলে ফেলতে হবে। যদি এক দফায় না হয়, আবার একই নিয়মে ধুতে হবে।
৮৪। কফির যদি স্বাদ আরো বাড়াতে চান তাহলে সামান্য টেবিল-সল্ট মিশিয়ে নিন।
৮৫। তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। চা তৈরীর সময় দু-চিমটি লিকারে দিয়ে দেবেন। আরো ভাল স্বাদ আসবে। নানা রোগও আটকাবে।
৮৬। বাড়িতে ঘি তৈরি করার জন্য দুধের সরটা বাটিতে ১/২ চামচ টক দই দিয়ে তার উপর রাখতে হবে। সরটা এমনভাবে রাখতে হবে যাতে পুরো দইটা ঢেকে যায়। এই ভাবে দই এর সাথে সর জমলে সর জমা যে গন্ধ হয় সেটা হবে না।
৮৭। এক টুকরো সন্ধক লবণ ঘি এর শিশির মধ্যে রেখে দিন। এতে ঘি বেশি দিন টাটকা থাকবে, স্বাদেরও পরিবর্তন হবে না।
৮৮। ঘিয়ের গন্ধ বজায় রাখতে হলে ঘি রাখার শিশিতে এক টুকরো আখের গুড় রেখে দিন।
৮৯। ভোজ্য তেলে ৮/১০ টা আস্ত গোলমরিচ ফেলে দিন। তেল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত হলেও ভাল থাকবে।
৯০। দই পাতবার সময় দুধের সঙ্গে ১ চামচ কর্ণফ্লাওয়ার গুলে দেবেন। দই অনেক বেশি ঘন হবে।
৯১। গরু বা মোষের দুধ ঠিক সময় মতো গরম না করলে দুধ কেটে যাবার ভয় থাকে। দুধের মধ্যে দু-ফোঁটা সরষের তেল দিয়ে রাখলে দুধ যখনই ফোটান হোক না কেন দুধ কাটবে না।
৯২। দীর্ঘদিন বাইরে পড়ে আছে দুধ। ভয় হচ্ছে আঁচে বসালেই কেটে যাবে। আঁচে বসানোর আগে দুধে ১ চিমটি সোভা-বাই-কার্ব মিশিয়ে নিন। দুধ কাটবে না।
৯৩। দুধ পড়ে গেলে বা দুধ থেকে পোড়া গন্ধ দূর করতে হলে তাতে পান পাতা ফেলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। পোড়া গন্ধ কেটে যাবে।
৯৪। পিঠে, পাটিসাপ্টা, মালপো প্রভৃতি তৈরি করার সময় গোলায় একটু আটা মিশিয়ে দিলে পিঠে ঠিকভাবে তৈরি হয়।
৯৫। চালের গুঁড়োর পিঠে করলে সাধারণত শক্ত হয়। পিঠে করার আগে যদি চালের গুঁড়োতে কিছুটা খই মাখিয়ে নেওয়া হয় তবে পিঠে নরম হয় এবং খেতেও ভাল লাগে।
৯৬। কেক, পুডিঙের ওপর বাদাম, কাজু বা কিশমিশ সাজিয়ে দেবার আগে, ধুয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে পড়ে খসে যাবার ভয় থাকে না।
৯৭। কাস্টার্ড তৈরীর সময় কাপ প্রতি দুধে দু-তিন চামচ মিল্ক পাউডার গুলে নেন তবে চমৎকার আস্বাদ আসবে। তৈরীর পর মোটা চিনির দানা যদি ছড়িয়ে দেন, কাস্টার্ডে সর পড়বে না।
৯৮। ছানা কাটানোর জন্য লেবুর রসের বদলে ফুটন্ত দুধে ১ চামচ দই ফেলে দিন। ছানা নরম হবে।
৯৯। বিস্কুটের টিনে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে দিন। বিস্কুট মিইয়ে যাবে না।
১০০। পোড়ামাটির জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখতে হলে ওগুলোর ওপর ন্যাচারাল রঙের নেলপালিশ লাগিয়ে দিন। রং অক্ষত থাকবে আর নোংরা হবে না।

20/09/2017

বিখ্যাত_সাহিত্যিকদের_জন্ম_মৃত্যু_সনঃ
-
¤ রবীন্দ্রনাথ= ১৮৬১-১৯৪১
¤ নজরুল= ১৮৯৯-১৯৭৬
¤ জীবনানন্দ= ১৮৯৯-১৯৫৪
¤ শরৎচন্দ্র= ১৮৭৬-১৯৩৮
¤ মানিক= ১৯০৮-১৯৫৬
¤ ওয়ালীউল্লাহ= ১৯২২-১৯৭১
¤ আখতারুজ্জামান=১৯৪৩-১৯৯৭
¤ শওকত= ১৯১৭-১৯৯৮
¤ ঈশ্বরচন্দ্র= ১৮২০-১৮৯১
¤ মাইকেল= ১৮২৪-১৮৭৩
¤ বঙ্কিমচন্দ্র= ১৮৩৮-১৮৯৪
¤ জসীমউদ্দীন= ১৯০৩-১৯৭৬
¤ শহীদুল্লাহ= ১৮৮৫-১৯৬৯
¤ হুমায়ূন= ১৯৪৮-২০১২
¤ রোকেয়া= ১৮৮০-১৯৩২
¤ শামসুর= ১৯২৯-২০০৬
¤ তারাশঙ্কর= ১৮৯৮-১৯৭১

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ADV.Nazmul Hasan AKASH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ADV.Nazmul Hasan AKASH:

Share