AR Law Master

  • Home
  • AR Law Master

AR Law Master Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AR Law Master, Legal Service, Naogaon, .

মোঃ এনামুল হক
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, নওগাঁ
এবং আয়কর আইনজীবী ও নির্বাহী সদস্য- ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন, নওগাঁ।
সাবেক ব্যাংকার (ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজার)
WhatsApp: 01975508834
E-mail: [email protected]

30/05/2026

#আপনার মামলায় আদালত একতরফার আদেশ দিয়েছেন ভয়ের কিছুই নেই!!
আসুন সঠিক আইনের প্রতিকার জেনে নেই।

যখন কোন দেওয়ানী মামলায় কোন আদালত বিবাদী পক্ষের অনুপস্থিতির জন্য মামলা একতরফাভাবে বিচারের আদেশ প্রদান করে।
তখন বিবাদী পক্ষ দেওয়ানি কার্যবিধি আইন ১৯০৮
এর ০৯ আদেশ ১৩ বিধি অনুযায়ী ৩০ দিনের ভিতরে মামলাটি পুনরুদ্ধারের জন্য পিটিশন দায়ের করতে পারেন একতরফার আদেশ বাতিল করে মামলাটি পূর্ণবহালের জন্য।
অথবা দেওয়ানি কার্যবিধি আইন ১৯০৮ এর ৯ আদেশ
১৩(ক) বিধি অনুযায়ী ৩০০০/ টাকা জমা দিয়ে সরাসরি মামলাটি একবারের জন্য পূর্ণবহালের আবেদন করতে পারেন।
#বিশেষ দ্রষ্টব্য: যখন বিজ্ঞ আদালত ০৯ আদেশের ১৩ বিধির পিটিশন খারিজ করে দেয়।
তখন বিবাদী পক্ষ উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে
দেওয়ানী কার্যবিধি আইন ১৯০৮ এর ৪৩ আদেশের
১(ঘ) বিধি অনুযায়ী বিবিধ আপিল দায়ের করতে পারেন।

11/05/2026

বাটোয়ারা দলিলে একজন ওয়ারিশ স্বাক্ষর করে নাই তাহলে সেই বাটোয়ারা কি বৈধ হবে? যদি বৈধ না হয় কতদিনের মধ্যে কোর্টের মাধ্যমে বাতিলের আবেদন করতে হবে?
================================
🇧🇩বণ্টননামা বা বাটোয়ারা দলিলের ক্ষেত্রে যদি কোনো একজন বৈধ অংশীদার (ওয়ারিশ) স্বাক্ষর না করেন, তবে সেই দলিলটি আইনত ত্রুটিপূর্ণ। আপনার প্রশ্নের উত্তরগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

🇧🇩​১. দলিলটি কি বৈধ হবে?
​না, এটি আইনত বৈধ বা কার্যকর দলিল নয়। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন (রেজিস্ট্রেশন আইন ও মুসলিম/হিন্দু উত্তরাধিকার আইন) অনুযায়ী, একটি আপস বাটোয়ারা দলিল কার্যকর হতে হলে সকল অংশীদারের তাতে স্বাক্ষর এবং সম্মতি থাকতে হয়।

🇧🇩​যদি একজন ওয়ারিশ স্বাক্ষর না করেন, তবে সাব-রেজিস্ট্রার দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে পারবেন না।

🇧🇩​আর যদি কোনোভাবে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে রেজিস্ট্রি করাও হয়, তবে সেই দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা বা স্বত্ব পরিবর্তন হবে না। ওই স্বাক্ষর না করা ওয়ারিশের অংশ আগের মতোই বহাল থাকবে।

🇧🇩​২. কতদিনের মধ্যে বাতিলের আবেদন করতে হবে?
​ত্রুটিপূর্ণ বা অবৈধ বাটোয়ারা দলিল বাতিলের জন্য আদালতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ রয়েছে:

🇧🇩​সাধারণ নিয়ম (৩ বছর):
তামাদি আইন অনুযায়ী, কোনো দলিল বাতিলের মামলা করার সাধারণ সময়সীমা হলো দলিলটি সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হওয়ার তারিখ থেকে ৩ (তিন) বছর।

🇧🇩​স্বত্ব ঘোষণার মামলা (১২ বছর): যদি দলিলটি জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয় এবং এর ফলে আপনার জমির দখল বা স্বত্বে কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তবে আপনি দখল পুনরুদ্ধারের দাবি বা স্বত্ব ঘোষণার মামলা ১২ বছরের মধ্যে করতে পারেন।

🇧🇩​বাটোয়ারা মামলা (যেকোনো সময়): যদি জমিটি এখনো যৌথভাবেই থাকে এবং আপনি আপনার ন্যায্য অংশ না পান, তবে আপনি যেকোনো সময় আদালতে বণ্টন মামলা (Partition Suit) দায়ের করতে পারেন। বাটোয়ারা মামলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদ নেই যতক্ষণ পর্যন্ত জমিটি যৌথ বা অবিভক্ত অবস্থায় থাকে।

🇧🇩​আপনার করণীয় কী?
​১. নকল তোলা: প্রথমে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ওই বিতর্কিত দলিলের একটি জাবেদা নকল (Certified Copy) সংগ্রহ করুন।

🇧🇩২. আইনি নোটিশ: একজন আইনজীবীর মাধ্যমে অন্য অংশীদারদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে দলিলটি সংশোধনের সুযোগ দিতে পারেন।

🇧🇩৩. দলিল বাতিলের মামলা: যদি তারা সংশোধন না করে, তবে দেওয়ানি আদালতে 'দলিল বাতিলের মামলা' করতে হবে।

🇧🇩৪. বণ্টন মামলা: আপনি যদি আপনার সঠিক অংশ বুঝে পেতে চান, তবে দলিল বাতিলের পাশাপাশি একই সাথে নতুন করে বণ্টন মামলা (Partition Suit) দায়ের করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

23/04/2026

জীবনস্বত্বঃ
২ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে
২৪৭৭/২০০৪ নং সিভিল রিভিশন মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট “জীবনস্বত্ব” (life interest) সংক্রান্ত ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন যার মূল বক্তব্য ছিল-
"বাংলাদেশের হিন্দু বিধবা নারী তার স্বামীর সব ধরনের সম্পত্তিতে (কৃষি ও অকৃষি উভয়) অধিকার (জীবনস্বত্ব) পাবেন।"🇧🇩

আগে প্রচলিত আইনে হিন্দু বিধবারা শুধু অকৃষি সম্পত্তিতে অধিকার পেতেন, কিন্তু কৃষিজমিতে তাদের অধিকার ছিল না।

হাইকোর্ট এই বৈষম্য দূর করে ঘোষণা করে যে কৃষি জমির ক্ষেত্রেও তারা সমানভাবে অংশীদার হবেন।

অ্যাডভোকেট মোঃএনামুল হক
২২/০৪/২০২৬

11/04/2026

বর্তমান নির্বাচিত সরকার অন্তরবর্তী সরকারের জারী করা 'কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬' জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস করেছে । জনগণের অধিকার ও ন্যায় নিশ্চিত করতে সংশোধনী পাস হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে ।
ফৌজদারি কার্যবিধি বা ক্রিমিনাল প্রসিডিউর বিষয়ে পাস হওয়া মূল পরিবর্তনগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সুরক্ষা (৪৬এ-৪৬ই ধারা)
#পরিবারকে অবহিতকরণ: কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন বা আইনজীবীকে বিষয়টি জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।
#পরিচয়পত্র প্রদর্শন: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তাকে অবশ্যই তার দৃশ্যমান পরিচয়পত্র (ID card) সাথে রাখতে হবে এবং গ্রেপ্তারের সময় তা প্রদর্শন করতে হবে ।
#আইনি পরামর্শ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে তার আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সাথে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে ।
২. নথিবদ্ধকরণ ও স্বচ্ছতা
#জিডিতে অন্তর্ভুক্তি: গ্রেপ্তারের কারণ, সময় এবং কাকে তথ্য জানানো হয়েছে—এসব বিস্তারিত তথ্য অবিলম্বে স্থানীয় থানার জেনারেল ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করতে হবে ।
#গ্রেপ্তার মেমোরেন্ডাম: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা যদি ওই থানার না হন, তবে তাকে গ্রেপ্তারের একটি অনুলিপি (Memorandum) সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে পাঠাতে হবে ।
#সাক্ষীর উপস্থিতি: গ্রেপ্তারের সময় অন্তত একজন সাক্ষীর (পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি) উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সাক্ষী না পাওয়া গেলে তার কারণ নথিবদ্ধ করতে হবে।
৩. বিচারিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
#জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (৩২ ধারা): ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানা করার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এখন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন ।
#স্বাস্থ্য পরীক্ষা (১৬৭ ধারা): পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আগে এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
#তদন্ত তদারকি (১৭৩এ ধারা): চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তদন্তের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন (Interim report) চাওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

স্বামীর মুখের গন্ধ স্ত্রী অভিযোগ করলেন থানায়। 😝
05/04/2026

স্বামীর মুখের গন্ধ স্ত্রী অভিযোগ করলেন থানায়। 😝

চেকের মামলায় যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত! হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ, ৭১ ডিএলআর (এডি)এডভোকেট সিরাজ প্রামাণিকচেক দিলেই কি মা...
19/03/2026

চেকের মামলায় যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত! হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ, ৭১ ডিএলআর (এডি)
এডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক
চেক দিলেই কি মামলা হয়? বিশেষ করে যদি চেকের গায়ে লেখা থাকে 'সিকিউরিটি চেক'? বছরের পর বছর ধরে চেকের মামলার এই জটিল ধাঁধার সমাধান দিয়েছে আমাদের উচ্চ আদালত। হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ মামলার সেই ঐতিহাসিক রায়টি কেন আজ প্রতিটি পাওনাদার এবং দেনাদারের জানা জরুরি, তা নিয়েই আজকের আজকের বিশেষ কলাম।

মামলাটির মূল কাহিনী ছিল অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু আইনি মারপ্যাঁচে জটিল। মামলার বাদী শাহিন আকন্দ বিবাদী হুমাযুন রশিদ এর কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তার দেওয়া একটি চেকের বিপরীতে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন। বিবাদীর পক্ষ থেকে আদালতে যুক্তি দেওয়া হয় যে, বিতর্কিত চেকটি কোনো বিদ্যমান ঋণের বিপরীতে দেওয়া হয়নি, বরং এটি ছিল একটি 'সিকিউরিটি চেক'। যেহেতু এটি সরাসরি টাকা লেনদেনের জন্য নয়, বরং গ্যারান্টি হিসেবে দেওয়া হয়েছে, তাই এটি ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারায় কোনো অপরাধ হবে না। হাইকোর্ট বিভাগ এই যুক্তির প্রেক্ষিতে মামলাটি বাতিল করে দিলেও পরবর্তীতে বিষয়টি আপিল বিভাগে গড়ায়। মহামান্য আপিল বিভাগ দীর্ঘ শুনানি শেষে এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। রায়ের মূল নির্যাসগুলো হলো:

১. চেকের উদ্দেশ্যই হলো লেনদেন: এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় চেকটি 'সিকিউরিটি' হিসেবে দেওয়া হয়েছে নাকি 'পেমেন্ট' হিসেবে, তা কোনো মুখ্য বিষয় নয়। যদি চেকটি কোনো বৈধ দায় পরিশোধের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়ে থাকে এবং ব্যাংকে উপস্থাপনের পর তা পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়, তবেই অপরাধ সংঘটিত হবে।

২. স্বাক্ষরের দায়বদ্ধতা: আদালত স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় তার স্বাক্ষর করা চেক কাউকে প্রদান করেন, তবে ধরে নিতে হবে সেটি কোনো দায় পরিশোধের জন্যই দেওয়া হয়েছে। সেটি 'সিকিউরিটি চেক' হলেও তা এনআই অ্যাক্টের আওতাভুক্ত হবে।

৩. প্রমাণের ভার: চেকটি যে কোনো দায়ের বিপরীতে দেওয়া হয়নি, তা প্রমাণের ভার বিবাদীর ওপর। শুধু 'সিকিউরিটি চেক' বলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

এই রায়ের আগে অনেক অসাধু ব্যক্তি পাওনা টাকা পরিশোধ না করার ফন্দি হিসেবে 'সিকিউরিটি চেক' শব্দটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন। ৭১ ডিএলআর (এডি) সেই ঢাল ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এটি একদিকে যেমন পাওনাদারের অধিকার সুরক্ষিত করেছে, অন্যদিকে লেনদেনের ক্ষেত্রে চেক প্রদানের গুরুত্ব ও সতর্কতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে 'হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ' মামলাটি প্রমাণ করেছে যে, আইন কেবল শব্দের মারপ্যাঁচে চলে না, বরং ন্যায়বিচারের গভীরে গিয়ে সত্য উদ্ঘাটন করে। আপনি যদি কাউকে চেক প্রদান করেন, মনে রাখবেন সেটি যে নামেই দিন না কেন, তার আইনি দায়বদ্ধতা আপনার কাঁধেই বর্তাবে। সুতরাং, চেক প্রদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই সচেতন হতে হবে এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

ধন্যবাদ
অ্যাডভোকেট মোঃ এনামুল হক
জেলা ও দায়রা জজ আদালত নওগাঁ
মোবাইলঃ ০১৭১৬৮৫৬৭২৮

17/03/2026

সবার জানা প্রয়োজন

জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধে দেশে সবচেয়ে বড় স্ক্যাম বা ভুল ধারনা হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪/১৪৫ ধারা । আদৌতে সিভিল কোর্টে এই ধারার আদেশের কার্যত কোনো আইনগত গুরুত্ব নেই।

ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪/১৪৫ ধারা মূলত শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। প্রতিপক্ষকে সাময়িকভাবে চাপে রাখতে আইনজীবীরা এই ধারার মামলা করে থাকে।

মালিকানা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করতে হলে আপনাকে দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে হবে।

তবে দখল পুনরুদ্ধার এবং ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে ফলাফলের জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ এর অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করলেও উপযুক্ত প্রতিকার পেতে পারেন।

13/03/2026

#আদালত_কথন

আদালতের এজলাসে সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে শুনানি চলছে। দাবি—মাসে ১০ হাজার টাকা।

বিবাদী পক্ষের উকিল করুণ গলায় বললেন, “হুজুর, আমার মক্কেল ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। বেতন মাত্র ১৫ হাজার টাকা। তার ওপর আবার নতুন সংসার। এই অবস্থায় মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া কি সম্ভব?”

কথা শেষ হতে না হতেই স্ত্রী রাগে চিৎকার করে উঠলেন— “মিথ্যা কথা! ওর উপরি ইনকাম ওর বেতনের তিনগুণ। ১০ হাজার টাকা দেওয়া ওর কাছে কিছুই না!”

এজলাসে হঠাৎ নীরবতা নেমে এল। স্ত্রী নিজেই স্বামীর “উপরি আয়”-এর কথা এত জোর দিয়ে বলছেন!

আমি শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। তারপর বললাম—
“সমস্যাটা এখানেই। স্বামী যখন টেবিলের নিচ দিয়ে হারাম টাকা ঘরে আনত, তখন আপনি বাধা দেননি—বরং খুশি মনে সেই টাকায় সংসার সাজিয়েছেন।

আজ সেই হারামের নেশাতেই সে পরকীয়ায় মেতেছে আর আপনাকে ছেড়ে গেছে। তাই দোষটা শুধু তার নয়— আপনারও।

09/03/2026

১ কোটি ২৭ লক্ষ মানুষের TIN নম্বর থাকা সত্ত্বেও মাত্র ৫০ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করে।

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার রিভিউ ফলাফল। আগের রেজাল্ট থেকে প্রায় ৪০০ জন কম। আগের রেজাল্টের অনেকেই বাদ এবং নতু...
05/03/2026

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার রিভিউ ফলাফল।
আগের রেজাল্ট থেকে প্রায় ৪০০ জন কম। আগের রেজাল্টের অনেকেই বাদ এবং নতুনভাবে অনেকেই যুক্ত হয়েছে।

Address

Naogaon

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AR Law Master posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to AR Law Master:

  • Want your practice to be the top-listed Law Practice?

Share