Bangla Law Tv

Bangla Law Tv Law

03/05/2026

পিতার সব সম্পত্তি একজনকে দিয়ে দিলে কিংবা কাউকে বেশি বা কম দিয়ে দিলে বাকীদের করনীয় কি?

📕 পিতা যদি জীবিত অবস্থায় তার সকল সম্পত্তি একজনকে দিয়ে যান, তবে অন্যদের আইনগত অবস্থান কী হবে তা নির্ভর করে সম্পত্তিটি কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে তার ওপর।

📕আইনি দিক ও করণীয়গুলো হলো:
📕১. হস্তান্তরের ধরন যাচাই করুন
প্রথমে দেখতে হবে পিতা সম্পত্তিটি কীভাবে হস্তান্তর করেছেন:

📕হেবা বা দান (Gift):
যদি পিতা সুস্থ মস্তিস্কে এবং কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়ে স্বেচ্ছায় একজনকে ‘হেবা’ বা ‘দান’ করে যান এবং সেই দলিলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়, তবে সাধারণত এটি বৈধ। মুসলিম আইনে সুস্থ অবস্থায় পিতা তার সব সম্পত্তি যেকোনো একজনকে দান করে যেতে পারেন।

📕অসিয়ত (Will):
যদি পিতা অসিয়ত করে যান যে, "আমার মৃত্যুর পর সব সম্পত্তি অমুক পাবে," তবে মুসলিম আইনে সেই অসিয়ত মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের (1/3) বেশি কার্যকর হবে না (যদি না অন্য ওয়ারিশরা এতে সম্মতি দেয়)।

📕২. চ্যালেঞ্জ করার আইনি ভিত্তি (Grounds for Challenge)
যদি সম্পত্তিটি দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়ে থাকে, তবে বাকি ওয়ারিশরা নিম্নলিখিত কারণে আদালতে মামলা করতে পারেন:
মানসিক ভারসাম্যহীনতা: হস্তান্তরের সময় পিতা যদি মানসিক ভারসাম্যহীন বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থায় না থাকেন।

📕প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ:
যদি তাকে ভুল বুঝিয়ে, ভয় দেখিয়ে বা জালিয়াতির মাধ্যমে দলিলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

📕 অনিবন্ধিত দলিল:
সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল যদি যথাযথভাবে রেজিস্ট্রি করা না থাকে, তবে তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

📕দখল হস্তান্তর না হওয়া:
হেবা বা দানের ক্ষেত্রে শুধু দলিল করলেই হয় না, সম্পত্তির দখল (Possession) বুঝিয়ে দিতে হয়। দখল বুঝিয়ে না দিলে সেই দানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।

📕৩. প্রতিকারের উপায় ও মামলা

📕বাকি ওয়ারিশদের করণীয় :
📕দলিল বাতিলের মামলা (Cancellation of Deed): যদি মনে হয় দলিলটি জালিয়াতি বা জোরপূর্বক করা হয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে দেওয়ানি আদালতে দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।

📕ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit): উত্তরাধিকারীরা আদালতে এই মর্মে ঘোষণার জন্য মামলা করতে পারেন যে, ওই বিতর্কিত দলিলটি অবৈধ এবং তারা উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির অংশীদার।

📕বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit):
যদি সম্পত্তিটি এখনো পৈতৃক হিসেবেই থাকে এবং কোনো বৈধ হস্তান্তর না হয়ে থাকে, তবে নিজেদের প্রাপ্য অংশ বুঝে পেতে বাটোয়ারা মামলা করা যায়।

📕৪. সতর্কতা

📕 সময়সীমা (Limitation):
দলিল বাতিলের মামলা সাধারণত দলিল হওয়ার বা বিষয়টি জানার ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। তাই দেরি করা ঠিক হবে না।

📕রেকর্ড যাচাই:
ভূমি অফিসে (AC Land) গিয়ে দেখুন সম্পত্তির নামজারি (Mutation) কার নামে হয়েছে। যদি জালিয়াতি ধরা পড়ে, তবে নামজারি বাতিলের জন্য আপিল করা যেতে পারে।

📕পরামর্শ:
সম্পত্তির বর্তমান দলিলের নকল (Certified Copy) সংগ্রহ করে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা জরুরি। কারণ দলিলের প্রকৃতি এবং হস্তান্তরের সময় পিতার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এই মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

03/05/2026

📕 জামিন নিয়ে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক গাইডলাইন
হাইকোর্ট থেকে একবার জামিন পাওয়ার পর নিয়মিত হাজিরা দিলে, শুধুমাত্র মেয়াদশেষ হওয়ার অজুহাতে নিম্ন আদালত জামিন বাতিল করতে পারবে না।

হাইকোর্টের Criminal Appeal No. 6513 of 2019 রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে:

📕 জামিনের অপব্যবহার না করলে এবং নিয়মিত হাজিরা দিলে শুধু কাগজের মেয়াদের অভাবে কাউকে জেলহাজতে পাঠানো যাবে না।

📕 জামিন বাতিলের জন্য নির্দিষ্ট ৫টি কারণ (যেমন: সাক্ষ্য নষ্ট করা, পালিয়ে যাওয়া বা পুনরায় অপরাধ করা) থাকতে হবে যা হাসিনা আক্তার বনাম মো: রায়হান (66 DLR 298) মামলায় নির্ধারিত।

📕 ​এই রায়টি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি বড় মাইলফলক।

07/03/2026

মিসকেস (বিবিধ মামলা) হলো এমন একটি আইনি প্রক্রিয়া যা জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মালিকানা সম্পর্কিত জটিলতা বা অন্য কোনো ভূমি সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। অনেক সময় জমি সংক্রান্ত আইনি সমস্যা বা দলিলের অমিলের কারণে এই ধরনের মামলা দায়ের করা প্রয়োজন হতে পারে। তবে মিসকেস দায়ের করতে হলে কীভাবে প্রক্রিয়া হবে এবং কিভাবে এটি সমাধান করা যেতে পারে, তা জানুন।

✅ মিসকেস (বিবিধ মামলা) কী?

মিসকেস হলো একটি আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ বা অন্য কোনো ভূমি সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করা হয়। এটি সাধারণত ভূমি অধিকার সংক্রান্ত আইনি অস্থিরতা বা খতিয়ান/নামজারি সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা করতে ব্যবহৃত হয়।

মিসকেসের উদ্দেশ্য:
জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা
জমির সীমানা সমস্যা সমাধান করা
অন্য কোনো ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসা করা

✅ মিসকেস দায়েরের কারণসমূহ:

মিসকেস দায়ের করার কিছু সাধারণ কারণ হলো:
জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ:
একাধিক পক্ষের দাবি থাকলে জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়।

সমাধান: মিসকেস দায়ের করে আদালতে শুনানি নিয়ে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা।

নামজারি বা খতিয়ান সঠিক না হওয়া:
জমির মালিকানা সঠিকভাবে নামজারি বা খতিয়ান
উত্তোলন না হলে মিসকেস দায়ের করা হয়।
সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট দলিলাদি যাচাই করা হয়।

জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ:
জমির সীমানা নিয়ে একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ হতে পারে।

সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা এবং জমির সীমানা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

✅ মিসকেস দায়েরের প্রক্রিয়া:

মিসকেস দায়ের করতে হলে সাধারণত নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

📕 অভিযোগ দাখিল:

প্রথমে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে অভিযোগ দাখিল করতে হবে, যেখানে জমি বা খতিয়ান সম্পর্কিত সমস্যা উল্লেখ করা হবে।

📕শুনানির আবেদন:

জমির সমস্যা সমাধানের জন্য শুনানির আবেদন করতে হবে। এটি ভূমি আদালতে দায়ের করা হয়, এবং ভূমি কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি নেন।

📕দলিল যাচাই:

জমির মালিকানা সম্পর্কিত দলিল বা সনদ যাচাই করা হয়। যদি দলিলের মধ্যে কোনো অমিল থাকে, তখন তা সংশোধন করার জন্য আবেদন করা হয়।

📕 আদালতের সিদ্ধান্ত:
শুনানি শেষে আদালত বা ভূমি অফিসের কর্তৃপক্ষ তার সিদ্ধান্ত দেন। যদি সমস্ত তথ্য সঠিক হয় এবং কোন আইনি সমস্যা না থাকে, তাহলে মিসকেস মীমাংসিত হয়।

📕 মিসকেসে প্রয়োজনীয় দলিল:

মিসকেস দায়ের করতে হলে নিম্নলিখিত দলিলগুলি প্রয়োজন:

জমির ক্রয় দলিল অথবা ওয়ারিশ সনদ
পুরনো খতিয়ান বা পর্চা
জাতীয় পরিচয়পত্র
জমির সীমানা প্রতিবেদন (যদি প্রয়োজন হয়)
নমিনেশন বা ক্ষমতাপ্রদান পত্র (যদি প্রয়োজন হয়)

📕মিসকেসের সুবিধা:

আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ: মিসকেস দায়েরের মাধ্যমে জমির মালিকানা বা সীমানা সম্পর্কিত বিরোধ মীমাংসা হয় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।

আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আদালত বা ভূমি অফিসের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রদান করতে পারে।

দলিলের সঠিকতা যাচাই: মিসকেসের মাধ্যমে জমির দলিলের সঠিকতা যাচাই করা হয়, যা ভবিষ্যতে যে কোনো আইনি সমস্যার সমাধানে সহায়ক।

📕 সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন:

যদি আপনি মিসকেস দায়ের করতে চান বা জমি সংক্রান্ত কোনো আইনি সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তাহলে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন। একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী আপনাকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেবেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন: ১৬১২২

আইনজীবী বা ভূমি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিন।

📕শেষ কথা:

মিসকেস (বিবিধ মামলা) হলো ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের আইনি সমাধান। এটি জমির মালিকানা, সীমানা ও অন্যান্য সমস্যা সমাধান করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া। সঠিক দলিলাদি, তথ্য এবং আইনি সহায়তার মাধ্যমে আপনি দ্রুত মিসকেস মীমাংসা করতে পারেন।

24/02/2026

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব।।

✅হ্যা সম্ভব।

বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশ আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলো

✅ প্রযোজ্য আইন
Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
📕ধারা ৭ (Section 7)

✅নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

💠ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

💠ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

💠 ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

✅প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

🔺ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

🔺 ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

✅যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
📣 আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⛔ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

✅ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

✅ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

✅ ব্যবহারিক পরামর্শ
তা লা ক নামায় তারিখ, পূর্ণ ঠিকানা, স্বাক্ষর স্পষ্ট রাখুন
স্ত্রীর এলাকার সঠিক চেয়ারম্যান নির্ধারণ করুন
ডাকের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

05/01/2026
ভারতের আদালত।।
11/11/2025

ভারতের আদালত।।

04/11/2025

📕আরপিও অধ্যাদেশ : বদলে গেলো যেসব নির্বাচনী বিধান

✅ জোট করে নির্বাচন করলেও যার যার দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
✅ প্রার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির পদ ছাড়তে হবে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটি ও গভর্নিং বডিতে থাকা কেউ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
✅ আদালত ঘোষিত ফেরারি/পলাতক আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
✅ দেড় দশক পর সেনাবাহিনী এবার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দায়িত্ব পালন করতে পারবে নির্বাচনে।
✅ একক প্রার্থী হলেই জেতা যাবে না। ‘না’ ভোট চালু হয়েছে।
✅ সমানভোট পেলে পুনভোট হবে।
✅ জামানত ২০ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজার টাকা হয়েছে।
✅ প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ৬ মাসের জেল ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা। একই জরিমানা দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
✅ চালু হলো আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি।
✅ কোন কেন্দ্রে অনিয়ম বা গোলযোগ হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা পেল ইসি।
✅এআই এর অপব্যবহার নির্বাচনি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
✅ হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে পারবে ইসি।
✅ ভোটার প্রতি ১০ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন না প্রার্থী।।

📕 The Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 এর গেজেট: Assistant Judge এখন থেকে Civil Judge হিসেবে গণ্য হবে।
03/11/2025

📕 The Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 এর গেজেট: Assistant Judge এখন থেকে Civil Judge হিসেবে গণ্য হবে।

23/10/2025

#জমি কেনার আগে যে বিষয় অবশ্যই ​ জানবেন |
জমি কেনার পূর্বে যে বিষয় অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন, তা হলো:

​📕 জমির সঠিক মালিকানা ও কাগজপত্র যাচাই:
​দলিলপত্র: বিক্রেতার কাছ থেকে সিএস, এসএ, আরএস/বিএস (বা ঢাকা সিটি জরিপ) খতিয়ানসহ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি সংগ্রহ করে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা আইনজীবীর সহায়তায় সেগুলো ভালোভাবে যাচাই করা।

​মালিকানার সূত্র: বিক্রেতা জমিটি ক্রয়সূত্রে নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন, তা নিশ্চিত করা এবং সেই অনুযায়ী মূল দলিল, ভায়া দলিল (আগের দলিল) এবং ওয়ারিশ সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পরীক্ষা করে বিক্রেতার মালিকানা বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করা।
​মিউটেশন (নামজারি): সর্বশেষ জরিপের পর বিক্রেতার নামে মিউটেশন বা নামজারি করা আছে কিনা এবং হালনাগাদ খাজনার দাখিলা (রসিদ) আছে কিনা তা যাচাই করা।

​📕 জমির তফসিল ও অবস্থা সরেজমিনে যাচাই:
​জমির তফসিল: জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সঠিকভাবে জানতে হবে।
​সরেজমিন পরিদর্শন: কাগজপত্র সঠিক হলেও জমিটি নিজে গিয়ে বা অভিজ্ঞ সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পরিমাপ করে দেখা যে দলিলে উল্লেখিত পরিমাণের সঙ্গে বাস্তবে দখলকৃত জমির পরিমাণে কোনো গরমিল আছে কিনা।
​জমির প্রকৃতি: জমিটি খাস জমি, অর্পিত সম্পত্তি, পরিত্যক্ত সম্পত্তি বা সরকারি কোনো স্বার্থ জড়িত আছে কিনা তা তহশিল অফিস/ভূমি অফিস থেকে নিশ্চিত হওয়া।

​📕 জমির উপর কোনো মামলা বা ঝামেলা আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া:
​মামলা ও বিরোধ: জমিটি নিয়ে কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা বা বিরোধ চলছে কিনা, অথবা এটি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক (মর্টগেজ) রাখা আছে কিনা, তা সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, এসিল্যান্ড অফিস এবং স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া।
​অগ্রক্রয়ের দাবি: পার্শ্ববর্তী জমির মালিকের অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) কোনো দাবি আছে কিনা তা জেনে নেওয়া।

​এই তিনটি বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করলে জমি কেনার ক্ষেত্রে প্রতারণা বা আইনি জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। প্রয়োজনে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিতে পারেন।

21/10/2025

📕তালাকের নোটিশে স্বাক্ষর না করলে কি তালাক কার্যকর হয় না?
অনেকে ভাবে — "আমি তো চিঠিতে সই করিনি, তাহলে তালাক কার্যকর হবে কীভাবে?"
এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা।

📕আইন যা বলে:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী

➡️ স্বামী যদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র) বরাবর তালাকের নোটিশ পাঠান
এবং তার একটি কপি স্ত্রীকে রেজিস্টার্ড ডাকে পাঠানো হয়,
তাহলে আইন ধরে নেয় — স্ত্রী নোটিশটি পেয়েছেন। এরপর শুরু হয় ৯০ দিনের সময়কাল (ইদ্দতকাল)
এই সময়ে সালিশি পরিষদ চেষ্টা করে সমঝোতা করার।কিন্তু যদি ৯০ দিন পার হয়ে যায় এবং সমঝোতা না হয় তাহলে তালাক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যায়।

📕তাহলে করণীয় কী?
১) নোটিশ হাতে পেলে গ্রহণ করুন।
২) ৯০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদে আপনার বক্তব্য দিন।
৩)একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন:
চিঠি না নেওয়া বা সই না করা কোনো সমাধান নয়।
বরং এতে আপনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।
আইন থেকে পালিয়ে নয়, আইন বুঝেই নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

21/10/2025

📕 ১০৭ ধারার মামলা বলতে কি বোঝায়? কেন আপনি এই মামলা করতে পারবেন?

যখন কোন ব্যাক্তি বা তার আচরন অন্য কোন ব্যাক্তি বা তার কোন সম্পত্তির জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারন হয়ে দাঁড়ায় তখন আইনের প্রতিকার পেতে আপনি ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করতে পারেন। এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে কি ধরনের বিশৃঙ্খলা ? -
হতে পারে সেটা কোন জমি-জমা নিয়ে বিরোধ, হতে পারে কোন পারিবারিক কলহ কিংবা সামাজিক কোন উত্তেজনা -মূল কথা হলো আপনাকে যদি কেউ অন্যায় ভাবে হুমকি - ধামকি দিয়ে থাকে, কোন বিষয় নিয়ে ভয়ভীতি অযথা দেখায় কিংবা আপনার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে থাকে তাহলে আপনি নিম্ন আদালতে নির্বাহী ম্যাজিট্রেটের আদালতে এই ধারায় একটি মামলা দায়ের করতে পারবেন।
১০৭ ধারার মামলাটি মূলত একটি প্রতিরোধমূলক ফৌজদারি মামলা। এই মামলাটিতে কোন শাস্তির বিধান নেই। তবে হ্যাঁ যদি সমন পাওয়ার পর আপনি যদি কোর্ট এ হাজির না হন তবে কিন্তু আপনার বিরুদ্ধ এরেস্ট ওয়ারেন্ট ইস্যু হবে।কোন শাস্তি নয় বরং ভবিষ্যতে কোন অপরাধ বা সংঘাত প্রতিরোধ করাই হচ্ছে এই মামলার মূল উদ্দেশ্য।
নির্বাহী ম্যাজিট্রেট কোন ব্যাক্তিকে অন্যের শান্তি বিঘ্নিত করা থেকে বিরত রাখতে মুচলেকা (বন্ড) দেয়ার আদেশ দিয়ে থাকেন যেন পরবর্তিতে এই ধরনের কাজ থাকে তিনি বিরত থাকেন।

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Law Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Featured

Share