Mohammed Iqbal

Mohammed Iqbal Legal consultant at Lawmatic solicitors and doing LPC legal practice course at university of Law.

11/06/2026

"তাহলে আল্লাহ কোথায়?

একটা প্রশ্ন আমাদের জীবন বদলে দিতে পারে,,,,.

আমরা অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজি। কীভাবে সফল হব? কীভাবে ধনী হব? মানুষ আমাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে? সমাজ আমার সম্পর্কে কী বলবে?

কিন্তু একটি প্রশ্ন আছে, যা যদি আমরা সত্যিকার অর্থে নিজেদের কাছে করি, তাহলে আমাদের পুরো জীবন বদলে যেতে পারে।

أَيْنَ اللّٰهُ?"
"তাহলে আল্লাহ
কোথায়?"

মদিনার উপকণ্ঠে একদিন সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) একটি রাখাল বালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বালকটি ছিল একজন গোলাম এবং তার মালিকের ভেড়ার পাল চরাচ্ছিল। তাকে পরীক্ষা করার জন্য আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) বললেন, “পালের একটি ভেড়া বিক্রি করে দাও। মালিক জিজ্ঞেস করলে বলে দিও, নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে।” চারপাশে কেউ ছিল না, মালিকও উপস্থিত ছিলেন না। লাভের সুযোগও ছিল।

কিন্তু বালকটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলেছিল—

أَيْنَ اللّٰهُ?" — "তাহলে আল্লাহ কোথায়?"

মিথ্যা বলার আগে, অন্যের হক নষ্ট করার আগে, ঘুষ নেওয়ার আগে, কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপবাদ ছড়ানোর আগে— যদি আমরা একবার নিজেদের জিজ্ঞেস করতাম, "তাহলে আল্লাহ কোথায়?", তাহলে হয়তো অনেক অন্যায়ই থেমে যেত।

সমস্যা জ্ঞানের অভাব নয়। সমস্যা হলো, আমরা জানি আল্লাহ আমাদের দেখছেন, কিন্তু অনেক সময় সেই অনুভূতিটা হৃদয়ে জাগ্রত থাকে না।

মদিনার সেই অজানা রাখাল বালক কোনো বড় আলেম ছিল না, কোনো শাসক ছিল না, কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিও ছিল না। কিন্তু তার হৃদয়ে ছিল আল্লাহর উপস্থিতির অনুভূতি। তাই নির্জন মরুভূমিতেও সে অন্যায়ের সুযোগ নেয়নি। তার একটি বাক্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) পরে তাকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। ইতিহাস তার নাম সংরক্ষণ করেনি, কিন্তু তার ঈমানের সাক্ষ্য আজও মানুষকে আলো দেখায়।

আজ আমাদের সমাজে আইন আছে, আদালত আছে, সিসিটিভি আছে, অসংখ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আছে। তবুও অন্যায় কমছে না। কারণ মানুষ বাহ্যিক নজরদারিকে ভয় পায়, কিন্তু অন্তরের নজরদারিকে ভুলে যায়।

হয়তো আমাদের জীবন বদলানোর জন্য নতুন কোনো বই, নতুন কোনো বক্তৃতা বা নতুন কোনো দর্শনের প্রয়োজন নেই।

প্রয়োজন শুধু একটি প্রশ্নকে হৃদয়ে জীবিত রাখা—

"তাহলে আল্লাহ কোথায়?"
(সংগৃহীত)

09/06/2026

আজ সংসদে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস (RDS) কর্মসূচি সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন এবং বিদ্যমান সরকারি নথির সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্য অবশ্যই তথ্যভিত্তিক, যাচাইযোগ্য এবং প্রমাণসমর্থিত হওয়া উচিত। কিন্তু উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুরুতর অসামঞ্জস্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন (জানুয়ারি ২০২৬, পৃষ্ঠা-৫৯) অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আরডিএস কর্মসূচির আওতায় ৩৪,৯০০টি গ্রামের ১৭ লাখ ৪৬ হাজার পরিবারের মধ্যে মোট ৬,৬৬৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে খেলাপি মাত্র ২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ আদায়ের হার প্রায় ৯৭.৫ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান দীর্ঘদিনের একটি সফল ক্ষুদ্র বিনিয়োগ কর্মসূচির চিত্র তুলে ধরে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আরডিএসে বিনিয়োগ স্থিতি ছিল ৫,১৭৯ কোটি টাকা এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তা দাঁড়ায় ৫,৮৬৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ২০২৪ সালে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় ৬৮৭ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের হিসাব যুক্ত করলেও মোট বিনিয়োগের পরিমাণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উল্লেখিত ২২ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছিও পৌঁছায় না। ফলে সংসদে প্রদত্ত তথ্যের উৎস ও ভিত্তি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে।

অথচ সংসদে দাবি করা হয়েছে যে আরডিএসের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং ৫ আগস্টের পরই ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এই দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে তা ইসলামী ব্যাংকের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রায় ৩০ বছরে যেখানে মোট বিনিয়োগ ৬,৬৬৬ কোটি টাকা, সেখানে মাত্র কয়েক মাসে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণের দাবি বাস্তবতা, হিসাব এবং নথিভুক্ত তথ্যের সঙ্গে মেলে না।

একইভাবে, যদি ভোটের বিনিময়ে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান বিতরণের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে আরডিএসের ৯৭.৫–৯৮ শতাংশ আদায়ের হার কীভাবে অক্ষুণ্ণ থাকল, সেটিও ব্যাখ্যার দাবি রাখে। কারণ অনুদান এবং বিনিয়োগ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়; একটিকে অন্যটির সঙ্গে মিশিয়ে উপস্থাপন করলে জনগণ বিভ্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অতএব, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথি ও প্রমাণ অবিলম্বে জনসমক্ষে উপস্থাপন করা উচিত। অন্যথায় সংসদে প্রদত্ত এই বক্তব্যকে তথ্যগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বলেই বিবেচনা করতে হবে। জনস্বার্থে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার স্বার্থে সরকারের কাছে স্পষ্ট, নির্ভুল ও প্রমাণসমর্থিত ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।চট্টগ্রাম সিটি ৪১ নং ওয়ার্ডের জামায়াত নেতা আমাদের প্রি...
08/06/2026

নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।

চট্টগ্রাম সিটি ৪১ নং ওয়ার্ডের জামায়াত নেতা আমাদের প্রিয় বাহার ভাইয়ের সম্মানিত আম্মা গত রাতে ইন্তেকাল করেছেন।

এই শোকের মুহূর্তে বাহার ভাই ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন মরহুমাকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরানী করে দেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল দান করেন।

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সকলকে এই অবধারিত মৃত্যুর জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণের তাওফিক দান করেন এবং ঈমানের সাথে জীবন অতিবাহিত করে ঈমানের সাথেই তাঁর কাছে ফিরে যাওয়ার সৌভাগ্য নসীব করেন।

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

08/06/2026

শুকরগুজার বান্দা হওয়া মানেই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পুরস্কারের পথে চলা। আল্লাহ তাআলা নিজেই ঘোষণা করেছেন, সূরা নিসা, ৪:১৪৭— যদি আমরা কৃতজ্ঞ হই এবং ঈমানের উপর অটল থাকি, তবে তিনি আমাদের অযথা শাস্তি দেবেন না। তাই প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শোকর আদায় করি; কারণ শোকর শুধু নিয়ামত বাড়ায় না, আল্লাহর পুরস্কারও নিশ্চিত করে।

07/06/2026

"২০২০ সালে ড. আব্দুল মোমেন বলেছিলেন সীমান্তে নিহত সবাই নির্দোষ নয়; তখন বিএনপি বলেছিল, 'তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রী নাকি ভারতের প্রতিনিধি?' আজ আমাদের সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলছেন, অনুপ্রবেশ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের মৃত্যু 'সীমান্ত হত্যা' নয়। বক্তব্যের ভাষা ভিন্ন, কিন্তু মূল সুর কি একই নয়? যদি আজকের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে ড. মোমেনের বক্তব্যে আপত্তি কোথায় ছিল? আর যদি তখন তা আত্মসমর্পণ মনে হয়ে থাকে, তাহলে আজকের অবস্থানকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?"

07/06/2026

“আমার কাছে আল্লাহর সব নামই প্রিয়। তবে ‘আল-গফূর’ (পরম ক্ষমাশীল) নামটি হৃদয়কে বিশেষভাবে স্পর্শ করে। কারণ আমরা ভুল করি বারবার, আর তিনি ক্ষমা করেন বারবার।

সুবহানাল্লাহ!”

07/06/2026

সূরা আলে ইমরান ৩:১৮৫ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মৃত্যু অনিবার্য, দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী, আর প্রকৃত সফলতা হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করা। তাই দুনিয়ার মোহে নয়, আখিরাতের প্রস্তুতিতেই হোক আমাদের জীবনের প্রধান লক্ষ্য। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই প্রকৃত সফলতার পথে পরিচালিত করুন। আমীন।

06/06/2026

প্লাস্টিকের বোতল দিন, নিন গাছের চারা 🌱

পরিবেশ রক্ষায় এক অনন্য উদ্যোগ! প্লাস্টিকের বোতল জমা দিলেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে গাছের চারা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্লাস্টিক দূষণ কমবে, অন্যদিকে আমাদের চারপাশ আরও সবুজ হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

আসুন, সবাই মিলে পরিবেশ বাঁচাই, ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করি

05/06/2026

“নেক আমল তোমাকে সম্মানিত করবে, আর গুনাহ তোমাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে। মানুষ নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে, আর কিয়ামতের দিন নিজের আমলনামা নিজেই পড়বে।”

সূরা আল-ইসরার ৭, ১৩ ও ১৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষের জীবনের এই চিরন্তন সত্য তুলে ধরেছেন।

আল্লাহ আমাদের এমন জীবন দান করুন, যাতে আমাদের আমলনামা আমাদের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়, বিপক্ষে নয়।

আমিন

Address

132 Cavell Street
London
E12JA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Iqbal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Featured

Share