AGL Associate & LAW Chamber

AGL Associate & LAW Chamber ITS A LAW CHAMBER. WE PROVIDE FREE LEGAL SERVICE FOR POOR PEOPLE

01/10/2017

জিডি কি? এবং তা করার সহজ উপায় ।।
ইংরেজি ‘জেনারেল ডায়েরি (General Diary)’ শব্দ দু’টির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো জিডি (GD)। এটি আসলে থানায় রক্ষিত অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক একটি রেজিস্টার। সহজ সরল ভাষায় বলতে গেলে অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক থানায় রক্ষিত ডায়েরিকে জিডি বলে। ২০০ পৃষ্ঠার একটি খাতা বা বইয়ে একটি থানার ২৪ ঘণ্টার যাবতীয় সবকিছু অন্তর্ভূক্ত থাকে। প্রতিদিন সকাল ৮টায় শুরু হয়ে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার সংবাদ রেকর্ড করে পরেরদিন সকাল ৮টায় তা বন্ধ করা হয়।
জিডির গুরুত্ব:
জিডির আইনগত মূল্য অনেক। কেবলমাত্র একটি জিডির ভিত্তিতেই একটি মামলা শুরু হতে পারে। কোনো অপরাধের আশঙ্কা থেকে একটি জিডি করার পর ওই অপরাধটি সংঘটিত হলে আদালতে ওই জিডি সাক্ষ্য হিসেবেও গৃহীত হয়ে থাকে।
জিডি সাধারণত তিন শ্রেণীর হয়ে থাকে। যেমন-
১। ধর্তব্য অপরাধের (আমলযোগ্য) জিডি, যা থানায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সাথে সাথেই তদন্ত করতে হবে।
২। অধর্তব্য অপরাধ (অআমলযোগ্য) জিডি, যা তদন্ত করার জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৫(২) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
৩। খাদ্য শষ্য, বাজারমূল্য, বন্যা, দূর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে শুধু ডায়েরিতে অন্তর্ভূক্ত করলেই চলে, পিআরবি’র ৩৭৭(ই) প্রবিধান অনুসারে এর তদন্ত করতে হয় না।
কেন এবং কখন জিডি করবেন?
যদি আপনার গুরুত্বপূর্ন কোনো জিনিস যেমন কোনো দলিল, পাসপোর্ট চেক বই, ডেবিট কার্ড/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল বা অন্য কোনো কাগজপত্র যা বেহাত হওয়ার কারণে আপনার ক্ষতি হতে পারে এবং যা পুনঃউত্তোলন করা দরকার; কোনো ধরনের হুমকি পেলে; কোনো ব্যক্তি হারিয়ে গেলে (শিশু/বয়স্ক/গৃহকর্মী), নিখোঁজ কোনো ব্যক্তি অনেক চেষ্টার পরও যাকে পাওয়া যাচ্ছে না; অহেতুক কারো উপস্থিতি; কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো বিপদাশঙ্কা; ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে আপনি থানায় জিডি করতে পারেন।
জিডি যেভাবে করবেন
আপনি থানায় গিয়ে জিডি লিখতে পারেন অথবা আপনি আপনার বক্তব্য হাতে লিখে বা কম্পিউটার কম্পোজ করে নিয়ে থানায় যেতে পারেন। এজন্য আপনি একটি সাদা কাগজের বাম পাশে দুই ইঞ্চি মার্জিন রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবরে আপনার বক্তব্য হাতে বা কম্পিউটারে কম্পোজ করে এবং এর আরো দু’টি ফটোকপি অর্থাৎ আপনার লিখিত বক্তব্যের মোট তিনটি কপি নিয়ে থানায় যাবেন। জিডিতে অবশ্যই আপনার সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরটি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন।
থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তার (ডিউটি অফিসার) কাছে গিয়ে আপনার আগমনের উদ্দেশ্য তাকে জানান এবং সঙ্গে নিয়ে আসা দরখাস্তের তিনটি অনুলিপিই তাকে দিন। তিনি আপনার লেখা দরখাস্তের বাম পাশে রাখা মার্জিনে থানায় রাখা ডায়েরিতে অন্তর্ভূক্ত বিষয়াবলীর ক্রমানুযায়ী একটি নম্বর লিখবেন এবং তাতে স্বাক্ষর ও সীল মোহরাঙ্কিত করে একটি কপি আপনাকে দিবেন। বাকী দু’টি কপির একটি থানায় থাকবে এবং আরেকটি তদন্ত কর্মকর্তাকে দেয়া হবে তদন্ত করার জন্য। এজন্য থানায় আপনাকে কোনো টাকা পয়সা খরচ করতে হবে না। ব্যাস হয়ে গেল আপনার জিডি। আপনাকে দেয়া জিডির নম্বরযুক্ত কাগজটি বাসায় এনে যত্ন করে কোনো একটি ফাইলে রাখুন। প্রয়োজনের সময় যাতে আপনি খুঁজে পান। এ অবস্থায় আপনার আর করনীয় কিছু নেই। এরপর যা করার তা পুলিশই করবে।
এবার পুলিশ জিডিতে আপনার বর্ণিত বিষয়ে তদন্ত শুরু করবে। অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে পুলিশ তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যেমন যদি আপনি কারো হুমকির পেয়ে জিডি করে থাকেন সেক্ষেত্রে সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রসিকিউশন রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবে আদালতে। যার উপর ভিত্তি করে একটি নন এফআইআর মামলার কার্যক্রম শুরু হবে। আর যদি কোনো হারানো দ্রব্যের বা নিখোঁজ ব্যক্তির বিষয়ে জিডি করে থাকেন সেক্ষেত্রে তা বা তাকে খুঁজে পেলে পুলিশ আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
কখনো কখনো শোনা যায় যে, থানা জিডি নেয়নি। সেক্ষেত্রে আপনি আদালতের মাধ্যমেও জিডি করতে পারেন। এজন্য আপনি আপনার আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এগুবেন।
জিডি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। এটি আপনাকে আইনি সুরক্ষা যেমন দিতে পারে তেমনি যথাসময়ে যথাযথ জিডি না করার কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় আপনি অনেক পিছিয়ে যেতে পারেন। তাই জিডি করার ক্ষেত্রে কখনোই মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না। প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন। কাউকে ফাঁসানোর অসৎ উদ্দেশ্যে জিডি করতে যাবেন না। এটি আপনার জন্য বুমেরাং হতে পারে। জিডিতে আপনার কোন বক্তব্য আসা উচিৎ এবং কোনটি আসা উচিৎ নয় সে ব্যাপারে আপনি দ্বিধান্বিত হলে আইনজীবীর সহায়তা নিন। এমনকি আপনি থানা পুলিশের সহায়তাও নিতে পারেন।
জিডি সম্পর্কে ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্টের ৫নং আইনের ৪৪ ধারায়, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ও ১৫৫ ধারায় এবং পিআরবি’র ৩৭৭ প্রবিধানে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্টের ৫নং আইনের ৪৪ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিটি থানার (পুলিশ স্টেশন) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অবশ্যই একটি ডায়েরি সংরক্ষণ করিবেন, যাতে সময়ে সময়ে সরকারের নির্দেশনা, অভিযোগ গ্রহণ, অভিযোগকারীদের নাম, গ্রেপ্তারকৃতদের নাম, তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ, তাদের নিকট থেকে উদ্ধারকৃ অস্ত্র/ সম্পত্তির বিবরণ এবং সাক্ষিদের নাম ও ঠিকানা থাকবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওই ডায়েরি পরিদর্শন করতে পারবেন।
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ও ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট কেউ কোনো সংবাদ নিয়ে এলে তা আমলযোগ্য বা আমলঅযোগ্য যাই হউক না কেন তিনি ওইসব সংবাদ থানায় থাকা সরকার নির্ধারিত রেজিস্টিারে লিখে রাখবেন বা তার অধীনস্থ কাউকে লিখিতে নির্দেশ দিবেন। উক্ত লিখিত সংবাদটি সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে এবং সংবাদদাতা তার প্রদত্ত ও লিখিত সংবাদের নীচে স্বাক্ষর করবেন।
পিআরবি (Police Regulations, Bengal.) ৩৭৭ প্রবিধানে বলা হয়েছে, প্রত্যেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থানায় রক্ষিত ৬৫নং বিপি ফরমে কার্বন পেপার যুক্ত করে দিন ও সময় উল্লেখপূর্বক তার গোচরে আনা প্রত্যেকটি ঘটনা বা সংবাদের বিবরণ তা আমলযোগ্য বা অআমলযোগ্য যাই হউকনা কেন তা সঠিক ও যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করবেন। ওই ডায়েরিতে সংবাদদাতা/অভিযোগকারীদের নাম-ঠিকানা, গ্রেপ্তারকৃতদের নাম-ঠিকানা, তাদের নিকট থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র বা বস্তু সামগ্রী, সাক্ষিদের নাম-ঠিকানা অন্তর্ভূক্ত করিতে হইবে। শুধু তাই নয় কখন কাকে কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হলো, কখন তাকে থানা হাজতে নিয়ে আসা হলো, কখন তাকে আদালতে পাঠানো হলো, এজন্য কত খরচ হলো এসবও ওই ডায়েরিতে লিখিতে হইবে।
এছাড়াও ফসল, রাস্তা, নদী, ইত্যাদি সেতু, রেলওয়ের বেড়া, সরকারি ভবন, ফেরি, বাঁধ, গাছ, টেলিগ্রাফ লাইন, বৃহৎ দাবানল, প্লাবন, ঝড়, রেল বা অন্যান্য গুরুতর দুর্ঘটনার সংবাদ; কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব, ব্যাপকতা, কলেরা, বসন্ত, জ্বর বা অন্যান্য মহামারী রোগের তথ্য, ব্যাপক হারে গবাদি পশুর রোগ; গলিতে বা কোনো স্থানে বা স্টেশনে ব্যাপক জনসমাগম; বন্দীদের আগমনের, প্রস্থানের, কোনো হত্যাকাণ্ড সংঘটন, ব্যাপকভাবে কোনো লেনদেন এবং থানার কর্তব্যরতদের দায়িত্ব বণ্টন; কর্মকর্তা, থানার প্রহরী পরিবর্তনের মধ্যে দায়িত্ব বিতরণ; থানায় নতুন কোনো পুলিশ সদস্য বা অফিসারের আগমন বা বিদায়, কর্তব্যরতদের কারো কোনো ধরনের অসদাচরণ, প্যারেড, সজ্জা পরিদর্শন, ব্যারাক পরিদর্শন, ছুটি থেকে ফেরা, কর্মকর্তাদের নতুন আগমন; সৈন্যবাহিনীর প্যারেড তাদের দ্বারা সজ্জিত বা তথ্য সন্দেহজনক অক্ষর, বিদেশিদের বা উপজাতিদের বিচরণ, অস্বাভাবিক জনসংখ্যার উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্যাবলীও অন্তর্ভূক্ত হইবে।

♣AGL ASSOCIATE ♣
law support center for human rights 01610499002/
01710499002/
01910499002/

01/10/2017
ইউকে ভিজিট ভিসা, আপনাকে যা অবশ্যই জানতে হবে+++++++++++++++++++++++++++++++++++++collected AGL Associate: law support cen...
01/10/2017

ইউকে ভিজিট ভিসা, আপনাকে যা অবশ্যই জানতে হবে
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++
collected
AGL Associate: law support center for human rights
01610499002/01710499002/01910499002

ইউকে ভিজিট ভিসা বরাবরই একটি জটিল প্রক্রিয়া হিসাবে আমরা মনে করি। আর এই জটিলতার মূল কারণ হলো আমাদের না জানা।

আমরা অনেকেই না জেনে এবং না বুঝে আবেদন করি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তথ্যগত ভুল কিংবা সঠিক ভাবে আবেদন না করার ফলে আমাদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়।

তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক সঠিক ভাবে আবেদন কি ভাবে করতে হয় অথবা ভিজিট ভিসা আবেদনের মূল শর্ত গুলো কি কি?

১. আবেদন কারীকে অবশ্যই ভ্রমণের কারণ এবং তার প্রমান থাকতে হবে, অর্থাৎ উনি কি জন্য ভ্রমণ করবেন, তার একটা মোটামোটি ধারণা ভিসা অফিসারকে দিতে হবে। যেমন ধরেন কেউ কোন অসুস্থ আত্মীয়কে দেখার জন্য অথবা কোন বিশেষ অনুষ্টানে বিয়ে কিংবা অন্য কোন উপলক্ষ্যে ভ্রমনের উদ্দ্যেশ্য হলে, অবশ্যই আবেদন পত্রের সাথে প্রমাণাদি সংযুক্ত করা বাঞ্চনীয়। এতে ভিসা অফিসার খুব সহজে জানতে এবং বুঝতে পারবে আপনার ভ্রমণের উদ্দ্যেশ্য। এমনকি যদি শুধুমাত্র দেশ ভ্রমণের উদ্দ্যেশ্য ও যদি হয় সেক্ষেত্রে সম্ভব হলে আপনার ভ্রমণের বিস্তারিত বিবরণ লিখে এফিডেভিট আকারে দেয়া যেতে পারে। যাতে আপনার ভ্রমণের উদ্দ্যেশ্য নিয়ে ভিসা অফিসারের একটা ভালো ধারণা থাকে।
২. ভ্রমণ খরচ: প্রস্তাবিত ভ্রমণের খরচ কে বহন করবে এবং ভ্রমণকালীন সময় আবেদনকারী কোথায় থাকবেন?
খরচ আবেদনকারী অথবা স্পনসর যে কেউ বহন করতে পারেন। আবেদনে বিষয়টি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে এবং এর স্বপক্ষে প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে।
ভ্রমণের খরচ যিনি বহন করবেন তাকে ব্যংক একাউন্টে শুধু টাকা দেখলে চলবে না, এই টাকার উৎস অবশ্যই দেখতে হবে । আয়ের বিপরীতে আয়ের উৎস এবং সেই সাথে আয়ের যাবতীয় কাগজ জমা দিতে হবে।
৩. ভ্রমণ শেষে ফেরত যাবার নিশ্চয়তা:
এই বিষয়টি একটু জটিল, দেখা গেলো আপনি সব কাগজ পত্র জমা দিয়েছেন তারপর ও ভিসা অফিসার আপনাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে যদি আপনি ভ্রমণ শেষে ফেরত যাবার পক্ষে যথেষ্ট প্রমান দিতে ব্যর্থ হন। ইংরেজিতে বলা হয় “ইনসেনটিভ”। আর এই বিষয়টি নির্ভর করে অনেক গুলো বিষয়ের উপর । তবে নিম্নে কিছু উদাহরণ দেয়া যেতে পারে:
(ক) পরিবার : বিবাহিত আবেদনকারী বিয়ের সার্টিফিকেট, ছেলে মেয়ে থাকলে তাদের জন্ম সনদ, ছেলে মেয়ে অথবা আবেদন কারীর উপর কেউ নির্ভর থাকলে তার প্রমাণাদি, তারা যদি পড়াশুনায় থাকে তাহলে তার প্রমাণাদি জমা দেয়া যেতে পারে।
(খ) ফুলটাইম কাজে থাকলে অথবা ব্যবসার মধ্যে জড়িত থাকলে তার বিস্তারিত কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে।
(গ) জমি জমা : বসতভিটা, কৃষি অথবা স্থাবর – অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানার কাগজপত্র, ব্যংকে টাকা জমা থাকলে তার প্রমান পত্ৰ জমা দেয়া যেতে পারে। জমিজমার কাগজপত্র জমাদিলে অবশ্যই সেই সাথে জমিজমার ভেলুয়েশন সার্টিফিকেট জমা দেয়া প্রয়োজন।
(ঘ) সামাজিক সম্পর্ক: আবেদনকারী যদি কোন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে তার প্রমান পত্র সংযুক্ত করতে পারেন। যেমন স্থানীয় কোন চ্যারিটি সংগঠন, স্কুল – কলেজ অথবা মসজিদ কমিটির সাথে যুক্ত থাকলে তার প্রমান দেয়া যেতে পারে ।
সংবিধিবদ্ব সতর্কীকরণ: কখনোই কোন জাল কাগজ জমা দেয়া যাবেনা।

ভিসা অফিসার বিভিন্ন পন্থায় কাগজ পরীক্ষা করতে পারেন, সুতরাং কোন জাল কাগজ জমা দিলে আর তা ভিসা অফিসারের গোচরে আসলে আপনি শুধু প্রত্যাখ্যাত হবেননা, আপনাকে আগামী ১০ বছরের জন্য ব্যান্ড করা হবে। তার মানে আগামী ১০ বছর আপনি যেকোন ধরণের আবেদন করলে আপনি সরাসরি প্রত্যাখ্যাত হবেন।

সুতরাং কোন ভাবেই অবৈধ কাগজ জমা দেয়া যাবে না। আর জমা দিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনবেননা।

আপিল: এপ্রিল ২০১৩ সাল পর্যন্ত ফ্যমিলি ভিজিট ভিসা আপিল করার অধিকার ছিল কিন্তু বর্তমানে আপিল করার কোন সুযোগ নাই।

শুধু আপিল নয় রিভিউ করার ও কোন সুযোগ নাই। তবে ভিসা রিফুয়েজের ক্ষেত্রে যে যে কারণে রিফুয়েজ হবে তার স্বপক্ষে কাগজ পত্ৰ দিয়ে নতুন ভাবে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে নতুন আবেদন যেকোন সময় করা যেতে পারে। অথবা ইম্মিগ্রাশনের উচ্চতর আদালত যা “আপার ট্রাইবুনাল” হিসাবে পরিচিত, সেখানে ভিসা অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্বে জুডিশিয়াল রিভিউ করা যেতে পারে। তবে এ রকম রিভিউয়ের সময়সীমা হলো রিফুইজের দিন থেকে ৯০ দিন।

এর ভিতর আবেদন অবশ্যই জমা দিতে হবে। আইনের আরো একটি বিধান হলো জুডিশিয়াল রিভিউ জমা দেয়ার অন্তত ১৫ দিন আগে হোম অফিসে দরখাস্ত করতে হবে যাকে বলে “প্রি-অ্যাকশন-প্রোটোকল” লেটার, সেখানে আপনি বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলবেন আপনি কেন সংক্ষুব্দ এবং আপনার বক্তব্যের সাথে অবশ্যই প্রমাণাদি জমা দিবেন। তবে আবেদন করার আগে নিকটস্থ একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে কথা বলে এবং পরামর্শ করে করা খুবই উত্তম।

01/10/2017

না পড়লেই মিস...
↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓
এক জন বিরাট ধনী তার বাগান-
বাড়ির পেছনের পুকুরে কুমির পুষতেন।
একদিন তিনি তার বাড়িতে
বিশাল এক পার্টি দিলেন। নানা
জায়গা
থেকে
বহু লোক এলো সেই পার্টিতে।
প্রচুর মদ্যপান আর খাওয়া দাওয়ার পরে
পুরাতন কালের মহারাজদের স্টাইলে
ধনী
লোকটি ঘোষণা করলেন, যে সাহস
করে কুমির ভর্তি পুকুরটি সাঁতরে পার
হতে পারবে তাকে তিনি হয় এক
কোটি টাকা দেবেন না হয় তিনি তার
কাছে তার সুন্দরী কন্যাকে
সমর্পণ
করবেন।
কথাটি শেষ না হতেই ঝপাং করে একটি
শব্দ।
দেখা গেল এক জন লোক প্রান পণে
সাঁতরাচ্ছে
আর তার পিছনে তিনটা কুমির তাড়া
করছে। সবাই পাড়
থেকে লোকটা কে অজস্র উৎসাহ
জুগিয়ে চলল।লোকটা অবশ্যই ভালই
সাঁতার কাটে তার উপর প্রাণের মায়া।
কোন মতে হাঁপাতে হাঁপাতে অক্ষত
অবস্থায়
অন্য পাড়ে উঠলো। ধনী লোকটি
এগিয়ে এসে
লোকটির হাত ধরে বললেন, আমি
বিশ্বাস করতে পারিনি
এত সাহস দেখানোর মত ক্ষমতা কারও
থাকতে পারে।
ইয়ং ম্যান তুমি কি চাও?আমার কন্যা,
-না এক কোটি টাকা?
লোকটি তখনও হাঁপাচ্ছে। হাঁপাতে
হাঁপাতে বলল, আমি আপনার
কন্যাকেও চাইনা,আপনার এক কোটি
টাকাও পেতে চাই না।
আমি শুধু জানতে চাই কোন শালায়
আমারে
ধাক্কা মারছে...............­!!
😜😜😜😜

* চিকনগু‌নিয়া জ্বর হ‌লে কি কর‌বেন *********************************চিকনগুনিয়া জ্বরের কোন চিকিৎসা এখনো বের হয়নি। তবে জনসা...
01/10/2017

* চিকনগু‌নিয়া জ্বর হ‌লে কি কর‌বেন *
********************************
চিকনগুনিয়া জ্বরের কোন চিকিৎসা এখনো বের হয়নি। তবে জনসার্থে আমি হোমিওপ্যাথির একটা ওষুধ এর নাম ছবিসহ দিলাম (অসিমাম ২০০)। জর হওয়ার পর আধা ঘন্টা পরপর ৩ ফোটা করে ৩ বার জিব্বায় দিলেই হবে।
(৩ বারে মোট ৯ ফোটা, এর বেশী নয়। মুল্য ২৫ টাকা)। ইনশাআল্লাহ ২/৩ দিনেই সুস্হ্য হয়ে যাবেন। জয়েন্ট এর ব্যাথাও নিরাময় হবে।
* এই তথ্যটি একজন ডাঃ এর দেওয়া। (সংগ্রহ)

ইয়াবা অথবা বাবা যাই বলেন, জেনে নিন!!!!============================collectedAGL Associate support center for human rights...
01/10/2017

ইয়াবা অথবা বাবা যাই বলেন, জেনে নিন!!!!
============================
collected
AGL Associate support center for human rights
01610499002. [email protected]

👍👍ইয়াবা মূলত মায়ানমারের শান প্রদেশে পাহাড়ে ঘোড়াদের খাওয়ানো হতো।
কেননা ঘোড়া পাহাড়ে কোন গাড়ি সহজে টানতে চাইত না, পরে ঘোড়াকে পাগলা করে দিতে বার্মিজরা এই ড্রাগ তৈরি করে।
👍👍থাইল্যান্ডে এর নাম ম্যাড ড্রাগ, ইন্ডিয়াতে নাম ভুলভুলাইয়া আর বাংলাদেশে বাবা এছাড়াও নাজি, স্পিড, হিটলার্স ড্রাগ, চকোলি নামেও এটি পরিচিত। এই ঘোড়ার ট্যাবলেট পরবর্তীতে প্রচন্ড কায়িক শ্রম করে এমন মানুষরা নেয়া শুরু করে এবং এরপর এটা থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের প্রষ্টিটিউটরা নিতে শুরু করে। বার্মা এর মূল তৈরির স্থান হলেও তারা কেবল এক্সপোর্ট করে, সেবনকারীর সংখ্যা সেখানে কম কারন তারা জানে জিনিসটা কি এবং কতটা খারাপ।
👍👍ইয়াবা তৈরিতে ভয়াবহ রাসয়নিক উপকরণঃ
=================================
ইয়াবার মূল উপাদান মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন। মেথামফেটামিন জিনিসটা দিয়ে তৈরি একটা ট্যাবলেট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈন্যদের জাগিয়ে রাখতে ব্যাবহার করা হত এবং ১৯৫০ এর দিকে জাপানে মেথামফেটামিন ব্যাপক ভাবে ব্যাবহৃত হয়েছে। বর্তমানে যে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি হয় তাতে মেশানো হয় হাইড্রোক্লোরিক এসিড, এসিটোন (যা মূলত নেইল পলিশ রিমুভার), রেড ফসফরাস, ব্যাটারির লিথিয়াম ও সালফিউরিক এসিড। আশা করি কেমিক্যাল গুলোর নাম শুনে কিছুটা ভয়াবহতার আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।
👍👍ইয়াবার এ্যাকশন কেন ভয়াবহ?
=======================
মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন হল দুটি মস্তিস্কের উত্তেজক পদার্থ। ইয়াবা সেবনে মুলত এই মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন সেবনকারীকে বেপরোয়া করে দেয়।
তালপাতার সেপাই নিজেকে মহাবীর আলেকজান্ডার ভাবা শুরু করে এবং যে কোন অপরাধ করার সিদ্ধান্তে যেতে তার বিবেক বাধা দেয়না।
👍👍ইয়াবার ভয়ানক সাইড ইফেক্টঃ
========================
বলা হয় যে একটা দুইটা ইয়াবা সেবন করলেই মস্তিস্কের কিছু ছোট রক্তনালী নষ্ট হয় এবং নিয়মিত করলে, খুব অল্প বয়সে ব্রেইন ষ্ট্রোক করে প্যারালাইজড বা চলাচলে অক্ষম হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫%। এছাড়া ওজন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হ্যালুসিনেশন, উন্মাদের মত আচরন, গোয়ার্তুমি এবং পুরুষত্ব হারানো ও বন্ধ্যত্ব হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। যে সব কেমিক্যালের কথা বললাম যা বাবাতে আছে তাতেই বোঝা যায় একশন কি হবে।
👍👍পরিচিত কেউ সেবন করলে তাকে বলে দিতে হবে ৩৫-৪৫ এর মধ্যে একটা ষ্ট্রোক আর তিলেতিলে নিজের দেহ নিঃশেষ হওয়া দেখার জন্য তৈরি হতে থাকুন।
👍👍ইয়াবার সাথে যারা জড়িত আছেন,তাদেরকে অনুরোধ করব ইয়াবা ছেড়ে সুন্দর ও সুস্থ জিবনে ফিরে আসুন।তাহলে উপকৃত হবেন আপনি নিজে,উপকৃত হবে আপনার পরিবার,উপকৃত হবে সমাজ এবং উপকৃত হবে আমাদের দেশ।

30/09/2017
30/09/2017

তালাক কখন, কিভাবে:

বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে বলা হয়েছে, যেকোনো সুস্থমনা ও সাবালক যেকোনো সময় তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন। পাশাপাশি কাবিনামায় যদি স্ত্রীর তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অপূর্ণ থাকে, তবু স্ত্রী স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক প্রদানে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলিম আইনে তালাক মূলত মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে। তবে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন দ্বারা মৌখিক তালাককে অকার্যকর করা হয়েছে। কাবিনামার ১৮ নম্বর কলামে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষমতা শর্তযুক্ত কিংবা শর্তহীন হতে পারে।
স্বামী যদি নিম্নের এক বা একাধিক অথবা সব শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহলে স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

১. স্বামী সম্মানজনক জীবন যাপন করে অর্থ উপার্জন করবেন এবং স্ত্রীর ভরণপোষনের ভার নেবেন। স্ত্রীর অনুমোদিত বাড়িতে বসবাস করবেন।

২. স্ত্রীর ওপর স্বামী অন্যায়ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করবেন না।

৩. স্ত্রীকে স্বামী বছরে অন্তত চারবার পিত্রালয়ে যেতে দেবেন এবং খরচ প্রদান করবেন।

৪. স্ত্রী বন্ধ্যা বা অসুস্থ না হলে স্বামীর তাঁর অনুমতি ব্যতিত দ্বিতীয় বিয়ে করার চুক্তি করবেন না।

৫. চাওয়ামাত্র স্ত্রীকে তাৎক্ষনিক দেনমোহর প্রদান করবেন।

আদালতে ডিক্রিমূলেও স্ত্রী তালাক নিতে পারেন। মূলত বিয়ের কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাকের কোনো ক্ষমতা অর্পন করা না হলে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হয়। ১৯৩৯ সালের বিবাহবিচ্ছেদ আইনে স্ত্রীকে এ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারনে বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করে আদালতের ডিক্রি লাভের আবেদন করতে পারেন, সেগুলো হলো :

১. চারবছর স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।

২. স্বামী দুই বছর ভরণপোষন দিতে অবহেলা করলে (২-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করলে।

৩. স্বামী সাত বছর বা ততোধিক কালের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হলে।

৪. স্বামী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।

৫. স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে।

৬. স্বামী দুই বছর অপ্রকৃতিস্থ, কুষ্ঠরোগ বা মারাতœক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।

৭. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে থাকলে সাবালিকা (১৮ বছর পূর্ণ) হওয়ার পর স্ত্রী যদি তা অস্বীকার করেন। এতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হলে মোকদ্দমা করা যাবে না।

৮. স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করলে। যেমন, ক, অভ্যাসগত স্ত্রীকে মারধর বা আচরনের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে স্ত্রীর জীবন দুর্বিষহ করে তুললে; খ. অন্য নারীর সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে; গ. নৈতিকতাবিরোধী জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করা হলে; ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে বা সম্পত্তিতে বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে তাঁকে নিবারণ করলে; ঙ. স্ত্রীর ধর্মীয় চর্চায় বাধা প্রদান করলে; চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী ন্যায়সংগত ব্যবস্থা না নিলে।

৯. মুসলিম আইনে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যেকোন কারণে স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করতে পারেন।

তবে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিধানাবলি অনুসরণ না করলে তালাক অকার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাকের নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭(১) ধারা অনুযায়ী যেভাবেই বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক ঘটুক না কেন, যে পক্ষ তালাক দিতে চাইবে সে পক্ষ অপর পক্ষের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মিউনিসিপ্যালিটির বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানের/মেয়রের কাছে নোটিশ লিখিতভাবে পাঠাবে এবং ওই নোটিশের কপি অতিসত্বর অপর পক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবে। আদালতের মাধ্যমে কোনো বিবাহ ভঙ্গ মামলার ডিক্রি হলে সে ডিক্রির কপি চেয়ারম্যানকে প্রদান করলেই ৭ ধারার নোটিশ দেওয়ার বিধান প্রতিপালিত হবে।

যে পক্ষ থেকেই তালাকের নোটিশ দেওয়া হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি নিয়ে সালিসি পরিষদ গঠন করবেন। আপোসের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করবেন। আপসের চেষ্টা সফল হলে তালাকের নোটিশের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না এবং তাঁদের পুনরায় বিয়েরও কোনো প্রয়োজন হবে না।

তালাকের নোটিশ না দেওয়ার সাজা

তালাকের ক্ষেত্রে বর্তমান আইনে প্রদত্ত নিয়ম পালন না করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড কিংবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।

তালাকের কার্যকারিতা

চেয়ারম্যানের হাতে যে তারিখে নোটিশ পৌঁছাবে সেদিন থেকে ৯০ দিন পর বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক কার্যকর হবে। অর্থাৎ নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সালিসির কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলেও তালাক কার্যকর বলে গণ্য হবে। তবে স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে গর্ভকাল শেষ হওয়ার পর তালাক কার্যকর হবে।
খোলা তালাক

মুসলিম আইনে স্ত্রীর ইচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের আরেকটি ব্যবস্থা হচ্ছে খোলা তালাক। এ তালাক এমন এক ধরনের তালাক, যা স্বামী-স্ত্রীর সম্মতিতে স্ত্রীর ইচ্ছায় কার্যকর হয়। খোলা তালাক পারস্পরিক চুক্তি দ্বারা অথবা কাজি বা আদালতের নির্দেশে হতে পারে। এ তালাকের উল্লেখযোগ্য দিক হলো:

১. স্ত্রী স্বামীকে তালাক দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকেন

২. স্বামী ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে থাকেন

৩. স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সময় স্বামী বিনিময়ে স্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিদান নিয়ে থাকেন এবং স্ত্রী তা দিয়ে থাকেন বা দিতে সম্মত থাকেন।
তবে খোলা তালাকের ক্ষেত্রে অন্য কোনো চুক্তি না থাকলে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হবেন না; কিন্তু ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তাঁর গর্ভস্থ সন্তানের জন্য স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

তালাক-পরবর্তী মোহরানা ও ভরণপোষন

মুসলিম আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তালাকের পর স্ত্রী অবশ্যই দেনমোহর ও ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন। কিন্তু অনেকেই বলেন স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় তালাক দেন তাহলে দেনমোহর ও ভরণপোষন থেকে বঞ্চিত হবেন। এটা পুরোপুরি ভুল ধারনা। দোনমোহরের ক্ষেত্রে বলা যায়, দোনমোহর বিয়ের শর্ত, তালাকের সঙ্গে এর সম্পর্কে নেই; তাই তালাক প্রদান করা হলেও স্ত্রী দেনমোহর পাবেন। তবে স্ত্রী যদি নিজ ইচ্ছায় কোনো কিছুর প্রতিদানে স্বামীর মাধ্যমে তালাক নিয়ে নিজেকে বিবাহবন্ধন থেকে মুক্ত করে (খোলা তালাক) থাকেন, কেবল সে ক্ষেত্রেই স্ত্রী দেনমোহর পাবেন না। স্ত্রীর মৃত্যু হলেও তাঁর উত্তরাধিকারীরা এটি পাওয়ার অধিকারী। তবে মোহরানা দাবির তিন বছরের মথ্যে মামলা না করলে মোহরানা পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ভরণপোষনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তালাকের পর ইদ্দতকালে স্ত্রী ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী। ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যদি তালাকের বিষয়ে তাঁকে অবহিত করা না হয়, তবে সে পর্যন্ত তিনি ভরণপোষন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

28/09/2017

একটি দেওয়ানী মামলার ধারাবাহিক স্তর:

১। সেরেস্তাদারের নিকট আরজি দাখিল
২। আরজি পরীক্ষা
৩। পেশকারের কাছে প্রেরন
৪। পাঞ্চিং ও কোর্ট ফিস রেজিস্ট্রারে লিখন
৫। ফাইল সেরেস্তাদারের কাছে আবার প্রেরন
৬। ফাইলিং রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি
৭। স্যুট রেজিস্ট্রেশন এন্ট্রি
৮। সেরেস্তাদার কর্তৃক সীলকরন
৯। নেজারত বিভাগে প্রেরন
১০। প্রসেস বন্টন
১১। সমন ফেরত(SR/AD)
১২। সেরেস্তাদারের কাছে আবার প্রেরন
১৩। পেশকারের নিকট আবার প্রেরন
১৪। বিবাদীর হাজিরা
১৫। লিখিত জবাব দাখিল
১৬। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি
১৭। প্রথম শুনানি
১৮। বিচার্য বিষয় নির্ধারণ
১৯। ডিসকভারি
২০। দলির তলব, দাখিল, আটক, ফেরত
২১। সাক্ষীর প্রতি সমন
২২। চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ
২৩। চূড়ান্ত শুনানি
২৪। বক্রী শুনানি
২৫। যুক্তিতর্ক
২৬। রায় ঘোষনা
২৭। ডিক্রি
২৮। ডিক্রিজারি
২৯। আপিল/রিভিউ
৩০। রিভিশন।

28/09/2017

♠AGL Associate♠
🎓এজিএল এসোসিয়েট🎓
♣যেকোন প্রকার আইনি সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
♣কোর্ট ম্যারেজ(এফিডেফিট)/তালাক
♣দেওয়ানি, ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣নোটারি পাবলিক করা হয়।
♣ইনকাম ট্যাক্স এর মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣কোম্পানির লাইসেন্স,নবায়ন,ভ্যাট, রেজিস্ট্রেশন করানো হয়।
Senior Advocate Alhaj Sahabuddin
Senior Advocate Zakir Hossain
Advocate Sakhaowath
Advocate Alomgir Hossain
Advocate Samsul Alam Rana
Nazmul Hasan Akash
(Apprentice Lawyer)
📱Contact us:📱
Call:-01610499002
01710499002
01910499002
Email:[email protected]
Website:www.aglbd.com
Facebook:fb.com/aglassociate
bikroy.com/shop/aglbd

28/09/2017

♠AGL Associate♠

♣যেকোন প্রকার আইনি সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
♣কোর্ট ম্যারেজ(এফিডেফিট)/তালাক
♣দেওয়ানি, ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣নোটারি পাবলিক করা হয়।
♣ইনকাম ট্যাক্স এর মামলা পরিচালনা করা হয়।
♣কোম্পানির লাইসেন্স,নবায়ন,ভ্যাট, রেজিস্ট্রেশন করানো হয়।
Senior Advocate Alhaj Sahabuddin
Senior Advocate Zakir Hossain
Advocate Sakhaowath
Advocate Alomgir Hossain
Advocate Samsul Alam Rana
Nazmul Hasan Akash(Apprentice Lawyer)

📱Contact us:📱
Call:-01610499002
01710499002
01910499002
Email:[email protected]
Website:www.aglbd.com
Facebook:fb.com/aglassociate
bikroy.com/shop/aglbd

20/09/2017

কোন দেশে কত রোহিঙা? চলুন দেখে নেয়া যাক-

১) মিয়ানমার ১০ লাখ (ধারনা করা হচ্ছে ১লাখ ৪০ হাজার অবশিষ্ট আছে।

২) বাংলাদেশ ৭ লাখ ৩১ হাজার।

৩) পাকিস্তান ৩ লাখ ৫০ হাজার।

৪) সৌদি আরব ২ লাখ।

৫) মালয়েশিয়া ১ লাখ ৫০ হাজার।

৬) ভারত ৪০ হাজার।

৭) সংযুক্ত আরব আমিরাত ১০ হাজার।

৮) থাইল্যান্ড ৫ হাজার।

৯) ইন্দোনেশিয়া ১ হাজার।

জাতিসংঘের হিসেব মতে- রোহিঙারা ই বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতি যাদের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই এবং স্বদেশ থেকে বিতাড়িত।

Address

Sonaban Plaza(Moti Haji Market Opposite), 1st Floor, Kurgao, Nobinagor, Ashuliya
Savar
1344

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AGL Associate & LAW Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share