Advocate Anup karmakar

Advocate Anup karmakar LL.B hons and LL.M (BU) first class
Advocate at district judge court Satkhira

11/08/2023

◆খাস জমি কি?
সাধারনত জেলা প্রশাসক বা ডিসি কর্তৃক সরকারী মালিকানাধীন জমি জমার কালেক্টর হিসেবে তত্ত্বাবধায়ন আর সরকারী মালিকানাধী খাস জমি কালেক্টরের নামেই রেকর্ড থাকে ৷ অন্যান্য সংস্থার জমি সরকারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলে সেগুলো খাস জমির অর্ন্তভুক্ত ৷

খাস জমি যেই সংস্থার মালিকানায় থাকবে সেগুলো সেই সংস্থার জমি হিসেবে গন্য করা হয় ৷ যেমন রেলওয়ের জমি ৷ খাস জমির ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করতে হয় না ৷ কিন্তু কোন সংস্থার অধীনে ন্যস্ত থাকলে তাহলে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করতে হয় ৷

◆খাস জমি চেনার উপায়
প্রত্যেক মৌজার এর ১ নং খতিয়ানভুক্ত সম্পূর্ণ জমি খাস জমি হিসাবে পরিচিত ৷ পরিত্যাক্ত কৃষি জমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের বিধান বলে খাস করা হয়ে থাকে ৷

পয়স্তিভূমি, নদীতে বা সাগরে ভেঙ্গে যাওয়া জমি পুনরায় জেগে উঠলে এবং নদী বা সাগরে সরে যাওয়ার দরুন জেগে ওঠা ভূমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৮৭ ধারা মোতাবেক খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে ৷

কোন হোল্ডিং বা ইহার অংশ বিশেষ (কৃষি বা অকৃষি যাই হোক) বকেয়া খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য ১৯১৩ সালের বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি এক্ট মোতাবেক দায়ের কৃত সার্টিফিকেট মামলায় নিলামকৃত ভূমি সরকার ক্রয় করলে সেই ভূমিও খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে ৷ যে সব পরিবার বা সংস্থা প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০০ বিঘার অতিরিক্ত যে সমস্ত ভূমি সরকারের বরাবরে সমপর্ন করেছেন সেগুলি জমিও খাস জমি হিসাবে পরিগণিত হয়েছে ৷

প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৩ অনুচ্ছেদ এর 'বি' উপ অনুচ্ছেদ এবং সংস্কার অধ্যাদেশ ১৯৮৪, অধ্যাদেশ নং ১০/১৯৮৪ এর ৪ নং ধারার ৩ উপধারা লংঘন করে কোন মালিক বা সংস্থা ১০০ বিঘার ও ৬০ বিঘার অতিরিক্ত কৃষি ভূমি ক্রয় করলে উক্ত অতিরিক্ত জমি সরকারের খাস জমি হিসাবে অন্তর্ভূক্ত হবে ৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে (১) এর গ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তি উক্ত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পতিত ভূমি/খালি ভূমি বা খাস ভূমি হিসাবে গণ্য হবে।

03/08/2023

অস্তিত্বহীন জমি তফসিলভুক্ত করে দলিল রেজিস্ট্রি করা হলে ঐ দলিল এর registration valid হবে না।
37 DLR 117 (AD).

15/07/2023

গাইবান্ধার ১০ বছরের শিশু ও চর্তুথ শ্রেণীর ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা তৃষাকে এক আসামী পছন্দ করতো কিন্তু তৃষা পাত্তা দিতে না। ২০০২ সালের জুলাই মাসে, তাই ঐ আসামী ও দুই সহযোগী আসামীসহ বাড়ি ফেরার পথে তৃষাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। আসামীদের দেখে তৃষা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু আসামিরা তাকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে।

এমতাবস্থায় তৃষা কোন উপায়অন্ত না পেয়ে সাঁতার না জানা সত্বেও সে তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পানিতে ঝাঁপ দিয়ে সে বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করতে থাকে কিন্তু আসামিরা দাঁড়িয়ে তার আকুতি মিনতি দেখছিল কেউ তাকে বাঁচায়নি।

পরবর্তীতে প্রত্যক্ষদর্শীরা তৃষাকে উদ্ধার করে কিন্তু তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। সে মৃত্যুবরণ করে। পরবর্তীতে তিশার বাবা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

সাক্ষী প্রমান শেষে বিজ্ঞ দায়রা জজ, গাইবান্ধা আসামীদেরকে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ড নিশ্চিতের জন্য হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স প্রেরণ করেন এবং আসামীপক্ষ মহামান্য হাইকোর্টে ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করে। মহামান্য হাইকোর্ট আপিল ও ডেথ রেফারেন্স একসাথে শুনে মৃত্যদন্ড আদেশ বহাল রেখে রায় প্রদান করেন এবং আপিল ডিসমিস/খারিজ করে।

আসামীপক্ষ হাইকোর্টের রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে, সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। মহামান্য আপিল বিভাগ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারা ও ৩০০ ধারা ব্যাখ্যা করে বলে, হত্যার জন্য অবশ্যই হত্যার অভিপ্রায় বা মারা যেতে পারে এই জ্ঞান লাগবে (Intention or knowledge that the act may would cause death).

রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী, মেডিকেল প্রমাণাদি ও আসামীদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দী পর্যালোচনা করে আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, আসামীদের হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু ডেপুটি এর্টনি জেনারেল বলেন, আসামী কর্ম দন্ডবিধি ৩০০ ধারার ৪র্থ ক্লজে পড়ে অর্থাৎ আসামির কর্মটি এতই ভয়ংকর ছিল যে, মৃত্যু ঘটানোর সর্বাত্নক সম্ভবনা রয়েছে। কিন্তু আপিল বিভাগ আসামীদের কোন হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না মত দেন।

অবশেষে আপিল বিভাগ, আসামীদের অপরাধটিকে নারী ও নির্যাতন দমন আইনের ২(খ) অনুযায়ী অপহরণ বলে অভিহিত করেন। অপহরণ বলতে বুঝায়, “বল প্রয়োগ/ফুসলাইয়া/ প্রলুব্ধ/ভীতি প্রদর্শন করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাইতে করলে বাধ্য করলে”। আসামীপক্ষের ভীতি প্রদর্শনের কারণে তৃষা নিজেকে বাঁচাতে, বাড়ি ফেরার পথ থে

13/07/2023

জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসায় ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবেন জেলা জজরা। এ ছাড়া প্রয়োজনে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের মামলা নিষ্পত্তির জন্য বিচারক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।
আগে আইনে ছিল, ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক অথবা সাবেক বিচারক। কিন্তু দীর্ঘদিনেও এই আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়ায় ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভুগতে হচ্ছে মানুষকে।
আর ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে এতদিন আইনে বলা ছিল, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে যুগ্ম জেলা জজকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেবে সরকার। এখন এই বিধানের সঙ্গে নতুন উপধারা যুক্ত করা হয়েছে।
তাতে বলা হয়েছে, এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে সরকার। তার মানে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এখন ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।
এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তর করা মামলা নিষ্পত্তির জন্য এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবেও সরকার নিয়োগ দিতে পারবে বলে নতুন বিধান যোগ করা হয়েছে।

13/07/2023

মহামান্য আপীল বিভাগ Bangladesh vs Blast মামলার রায়ে বলেন যে, A law enforcing officer shall disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the persons present at the time of arrest."

অর্থাৎ, পুলিশের কাছে কেউ আইডি কার্ড দেখতে চাইলে, পুলিশ তাকে পুলিশের আইডি কার্ড দেখাতে বাধ্য থাকবে। না দেখালে তা আদালত অবমাননা হবে এবং পুলিশের নামে মামলা করা যাবে।
Ref- 69 DLR (Ad) (2017) 179

13/07/2023

দানপত্র বা উইল কিভাবে করবেন এবং কখন তা কার্যকর হয়

উইল অর্থ ইচ্ছা। মুসলিম আইনে উইল হলো একটি আইনগত ঘোষণা। এই আইনগত ঘোষণার মাধ্যমে ঘোষণাকারী তার সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো ইচ্ছা বা বাসনা তার মৃত্যুর পর পূরণ হোক এটা প্রকাশ করে।

উইলের সংজ্ঞা : উইল সমাজের একটি অতি পরিচিত নাম। তবে এর আইনগত সংজ্ঞা দিয়েছেন বিখ্যাত আইনবিদরা। উইলের সংজ্ঞায় প্রখ্যাত আইনবিদ জারমান বলেন, ‘উইল হলো এমন একটি দলিল, যা দ্বারা কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তির এমন বিলিব্যবস্থা করতে পারে, যা উইলকারীর মৃত্যুর পর কার্যকরযোগ্য।’ আইনের ভাষায় উইল হচ্ছে, কোনো সুনির্দিষ্ট জিনিসের বা মুনাফার বা কোনো সুবিধাদির মধ্যে আনুতোষিক বা উপহার প্রদানের পদ্ধতিতে উইলকারীর মৃত্যু পর্যন্ত তা স্থগিত রাখার অধিকার দান করা। একজন উইলকারীর উইল মৃত্যুর মুহূর্ত থেকে কার্যকর হয়। যে উইল করে তাকে উইলকারী এবং যার নামে উইল করা হয় তাকে উইল-গ্রহীতা বলা হয়। উইলের মূল উৎস কোরআন।

১৯২৫ সালের উত্তরাধিকারী আইনের ২ (এইচ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো হিন্দু জীবদ্দশায় (তাহার মৃত্যুর পর) যাবতীয় সম্পত্তি কিভাবে বিলিব্যবস্থা হইবে তাহা যদি কোনো লিখিত দলিল দ্বারা নিরুপণ করিয়া যায়, তবে তাহাকে উইল বলে।’

উইল করার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি : মুসলিম আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে উইল একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। উইল কোরআন-হাদিস সংক্রান্ত আইনবিশেষ। নাবালক নয়, এমন প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কের মুসলমানই উইল বা অছিয়তের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। কোনো নাবালকের ক্ষেত্রে যেখানে ওই নাবালক ও তার সম্পত্তি দেখাশোনার জন্য একজন অভিভাবক নিযুক্ত করা হয়েছে অথবা ওই নাবালকের ২১ বছর পূর্ণ হলেই সে পূর্ণবয়স্ক হয়েছে বলে ধরা হবে।

মুসলমানদের ক্ষেত্রে নাবালকত্বের বয়সসীমাটি উইল, দানপত্র, ওয়াকফ ইত্যাদি বিষয়ে ১৮ বছর পূর্ণ হলেই চলে। উইলের মূল বিষয়, হস্তান্তরটির ব্যাপারে দাতার পূর্ণ উপলব্ধি বা বোঝার ক্ষমতা। তবে এক. উইল করার সময় উইলকারীর মন সুস্থ থাকা আবশ্যক। বিকৃত মস্তিষ্কের উইল অসিদ্ধ হবে। দুই. যেকোনো চুক্তিপত্র করতে মুক্ত সম্মতি প্রয়োজন হয়, উইলেও তা দরকার। শক্তিপ্রয়োগে বাধ্য করে উইল করে নিলে তা গ্রাহ্য হবে না। তিন. উত্তরাধিকারিত্ব আইনানুসারে একজন সুস্থ মস্তিষ্কের সাবালক ব্যক্তি তার যাবতীয় পৃথক অথবা নিজ উপার্জিত সম্পত্তি অন্যের বরাবর উইল করে দিতে পারে, তবে দানের মতো উইলকারী যে ব্যক্

04/07/2023

#জমি_জমা_ক্রয়_সংক্রান্ত_আইন_ও_নিয়মাবলী:-

********************************************

আমরা অনেকেই জমি কেনার সময় নানা রকম ভুল করে ফেলি ফলে অনেক আইনি জটিলতায় জড়িয়ে যাই। বর্তমানে এটা সবার জানা প্রয়োজন যে জমি ক্রয় করার সময় কিছু বিবেচ্য বিষয় সতর্কতার সাথে খেয়াল করতে হবে। অনেকেই না জেনে জমি কিনে বিপদে পড়েছেন। তাই মূল বিষয় গুলি তুলে ধরা হলো।

১) জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।
২) জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।
৩) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সি,এস; এস,এ; আর,এস পর্চা দেখাতে হবে।
৪) বিক্রেতা ক্রয় সুত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয়ের দলিল/ভায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।
৫) বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগসুত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬) জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার নিকট রক্ষিত মাঠ পর্চা যাচাই করে দেখতে হবে। যদি মাঠ পরচার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন: মন্তব্য কলামে (AD) এভাবে লেখা থাকলে বুঝতে হবে অত্র খতিয়ানের বিরুদ্ধে তসধিক পর্যায়ে আপত্তি আছে। এরূপ জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিস / ক্যাম্পে গিয়ে উক্ত জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।
৭) উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরীকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টন নামা (ফারায়েজ) দেখে নিতে হবে।
৮) বিক্রেতার নিকট থেকে সংগ্রহিন দলিল, খতিয়ান / পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারি /স্বত্বলিপি রেজিস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
৯) সর্বশেষ নামজারি পর্চা ডি, সি, আর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনাসহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায় ক্রেতার।
১০) বিবেচ্য জমিটি সার্টিফিকেট মোকদ্দমা ভুক্ত কি না, কখনও নিলাম হয়েছে কি না তা তফসিল অফিস / উপজেলা ভূমি অফিস হতে জেনে নিতে হবে। সার্টিফিকেট মামলা ভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয় যোগ্য নয় ( সরকারি দাবি আদায় আইন ১৯১৩ এর ৭ ধারা )
১১) বিবেচ্য ভূমি খাস, পরিত্যক্ত / অর্পিত (ভি পি) , অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্যে নোটিশকৃত কি না তা তফসিল, উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয

01/07/2023

💥 ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।

#ডোকুমেন্ট_গুলো:-

১) ওয়ারিশ সনদ পত্র।
২) পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
৩) নামজারি, খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন: বিক্রেতা যে সূত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সূত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট যার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিকভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির চেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করল,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বলছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, যার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কি না, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কি না,,, বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম, ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ্য কি না।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, যিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিল বিক্রেতা কোন সূত্রে সম্পত্তির মালিক, সেসব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিল। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হল

01/07/2023

চেক ডিজঅনার মামলায় ৫০% টাকা জমা না দিয়েই সাজাপ্রাপ্ত আসামির জামিনে মুক্তি:

চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা হলে চেকের মূল্যের ৫০% টাকা জমা না দিয়েই, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ৫০% টাকা জমা প্রদান করে আপীল দায়ের করার শর্তে, সাজাপ্রাপ্ত আসামী জামিনে মুক্তি লাভ করতে পারবে। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চের এই যুগোপযোগী বিচারিক সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই।

Address

Satkhira District Judge Court
Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Anup karmakar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share